সত্য কথা সহজভাবে!

285

বার পঠিত metformin gliclazide sitagliptin

২০০৯ এর নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ এবং যুদ্ধাপরাধ বিচারের অঙ্গিকার করার পর এই সরকারের সাথে দল সমর্থকের বাইরেও বিপুল সংখ্যক প্রগতিশীল, দেশপ্রেমী শিক্ষিত তরুণ-যুবক ইনভল্ভ হয়ে যায়। স্বাধীনতার শত্রুমুক্ত একটি সুন্দর, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখার আশায় এরা আন্তরিকতার সাথে সরকারের পাশে দাড়ায়। পরবর্তীতে উৎসাহিত হয়ে এদের সাথে সর্বক্ষেত্রে যোগ দেয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল লক্ষ সাধারণ মানুষ। শাহবাগ মুভমেন্ট ছিল তারই একটি আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। এরপর আমরা দেখেছি, এই মানুষেরা দেশ বিরোধীদের মিথ্যে অপপ্রচার রোধ, নানামুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন জনকল্যানমুখী কাজে অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনা থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি, রানা প্লাজা ধ্বসের পর এরা উদ্ধার কাজে সরাসরি অংশ নিয়েছে, যন্ত্রাংশ দিয়ে উদ্ধার কাজে নিয়োজিতদের সহযোগিতা করেছে, আহতদের নিজের শরীর থেকে রক্ত দিয়ে পর্যন্ত সহযোগিতা করেছে। আমরা দেখেছি, টিকাদান কর্মসূচিতে যখন মিথ্যা অপপ্রচার ছড়িয়ে লাখ লাখ শিশুদের টক খাইয়ে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করেছিল কিছু নোংরা কিট, তখন এরাই তা মোকাবেলায় মাঠে নেমেছিল। অনলাইনে, হাসপাতালে, টিকাদান কেন্দ্রে সবখানে এই মানুষেরা ভুমিকা রেখেছিল। বন্যা, ঘুর্ণিজড়, শীত সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এরা চাদা তুলে মানুষকে সাহায্য করেছে। সরকারের ত্রান বিভাগ যেখানে পৌছতে পারেনি সেখানে এরা তাদের স্বল্প সাহায্য নিয়ে দ্রুত সময়ে গিয়ে পৌছেছে। আমরা দেখেছি, সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও ঘর-বাড়ী জালিয়ে দেয়ার পর সরকার ও বিরোধীদল যখন একে অন্যের উপর দোষ চাপানো আর তদন্ত নিয়ে ব্যস্ত, তখন এই মানুষেরাই তাদের পাশে দাড়িয়েছে। বিত্তবানদের কাছে হাত পেতে, নিজের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এরা মানুষকে সাহায্য করতে চেয়েছে। এখানেই শেষ নয়, এই মানুষেরাই গাটের টাকা খরচ করে অনলাইনের প্রতিটি শাখা প্রশাখায় প্রহরীর মত চষে বেড়িয়েছে। যখনি কোথাও কোন ষড়যন্ত্রের দেখা পেয়েছে সাথে সাথে তা সরকারের দায়িত্বশীলদের অবগত করার চেষ্টা করেছে, এখনো করতেছে। মিছিল, মিটিং, সভা সমাবেশ, আলোচনা, মানবন্ধন, বিদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থা সমুহের সামনে প্রতিবাদ, টিভি টকশো, মানুষ বুঝানো – কি না করেছে এরা? যৌক্তিক কিছু দাবীর সাথে পরামর্শও দিয়েছে। ভয়ঙ্কর তথ্যসন্ত্রাসী মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার, পাকিস্থানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন, দেশীয় ও বিদেশী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, জঙ্গি অর্থায়ন রোধে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীসহ কতকিছু ছিল। clomid over the counter

সহযোগিতার প্রতিদানে সরকার এই মানুষদের সাথে কি ধরণের আচরণ করেছে বা এখনো করতেছে সে প্রশ্নে দীর্ঘ আলোচনায় যাব না, তবে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ কিন্তু পদে পদে তাদেরকে চরম হতাশ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে যৌক্তিক ও ন্যায্য দাবীর প্রতি সরকার সামান্য ভ্রুক্ষেপ পর্যন্ত করেনি আবার; কোন কোন ক্ষেত্রে সরকার দাবী মেনেছে, তবে ক্ষতি যা হবার তা হয়ে যাবার পর। এতকিছুর পরও এই সাধারণ মানুষেরা কিন্তু তাদের আন্তরিক সহযোগিতাটুকু সীমিত করে ফেলেছে বৈকি, তবে বন্ধ করে দেয়নি। ষড়যন্ত্রকারী দালালরা কৌশলে ভিতরে ঢুকে মিলিত কোটি হাতকে বিভক্ত করে দিলেও তাদের স্ব স্ব অবস্থানের কিন্তু কোন পরিবর্তন ঘটেনি। যুদ্ধাপরাধ বিচারটির শেষ দেখার আশায় এখনো তারা নিরবে নিভৃতে এককভাবে হলেও এই সরকারের পাশে আছে।

আজ দেশের অবস্থা চরম সংকটে। সাধারণ মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা নাই। ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজিতে রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম। দেশীয় আন্তর্জাতিক শত্রুরা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিলে সদা তৎপর। একটা নমুনা দেখুন … http://www.m.banglanews24.com/detailnews.php?nid=363538&cid=15
এই শত্রুরা যে কোন মুল্যে স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সরকারকে হটিয়ে পাকিস্থানের মত বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র বানাতে চায়। তারা বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য হিসেবে দেখতে চায়। কথা হলো, সরকার কি একা এই নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে পারবে? না, পারবে না। এসব মোকাবেলা করতে শিক্ষিত, সচেতন, প্রগতিশীল সাধারণ জনতার সমর্থন প্রয়োজন। সত্য বলতে, বিগত দিনে সব বয়সের সব শ্রেণী পেশার সাধারণের মধ্যে যে অসাধারণ মানুষেরা আন্তরিকভাবে এই সরকারের পাশে ছিল, বর্তমানে তারা নেই। যুদ্ধাপরাধ বিচারে গড়িমসি, মৌলবাদকে প্রশ্রয়, দলীয় দালালদের দৌরাত্ম্য ইত্যাদি কারনে এই মানুষেরা সরকারের উপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বাধ্য হয়ে তারা একরকম শীত নিদ্রায় চলে গেছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা রক্ষায় মোটামুটি বিত্তশালীরা আস্তে আস্তে দেশ ছেড়ে বিদেশে স্থায়ী হবার চিন্তা ভাবনা করছে।

আশার কথা হচ্ছে, এখনো সব শেষ হয়ে যায়নি। এই বিপুল সংখ্যক মানুষেরা তাদের স্বপ্নকে কিন্তু এখনো জলাঞ্জলী দেয়নি। তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে চরম বিশ্বাস করে, তার উপর আস্থা রাখে। আজও যদি বঙ্গবন্ধু কন্যা তাদের ডাক দেন, শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে শীঘ্র তরান্বিত ও রায় কার্যকরের পদক্ষেপ নেন এবং জামাতের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করেন, তবে তারা অবশ্যই ঘুরে দাড়াবে। পরিস্থিতি পাল্টাতে বিন্দুমাত্র সময় লাগবে না।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপ, ধর্মীয় প্রভাব এবং দলীয় বলয়ের বাইরে গিয়ে শেখ হাসিনা কি তা করবেন?

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

can levitra and viagra be taken together

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

acquistare viagra in internet

side effects of quitting prednisone cold turkey

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

achat viagra cialis france
ovulate twice on clomid
side effects of drinking alcohol on accutane
tome cytotec y solo sangro cuando orino
cialis new c 100
doctorate of pharmacy online
can your doctor prescribe accutane