LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-2: LEAVING BACK BEHIND

270

বার পঠিত

২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাত ঘনিয়ে আসে… । প্রতিদিনের মত নিরীহ শান্ত মানুষেরা দিনের হিসেব নিকেশ শেষে ঘুমে গা এলিয়ে দেয়।আর ঠিক তখনই পাকিস্তান সামরিক জান্তা বাস্তবায়ন করে শতাব্দীর নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ। যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম নিয়ম -নীতির বাইরে যেয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পরে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির উপর।

তাদের এই হিংস্রতম আক্রমণ থেকে সেদিন রেহাই পায়নি গর্ভবতী মা কিংবা একদিনের শিশুটিও। চরমতম আভিজাত্যের নগরী, মুঘলদের এই সাজানো গোছানো অহংকার, মসজিদের নগরী ঢাকা সেদিন পরিণত হয়েছিল মৃত্যুর নগরীতে। walgreens pharmacy technician application online

….রাজারবাগ পুলিশ লাইনের বাঙালি পুলিশ থেকে শুরু করে আজাদ বয়েজ ক্লাবের খেলাপাগল মুশতাক – কেউ তো রেহাই পায়নি সেদিন! can levitra and viagra be taken together

তবু যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। পিলখানায় ই – পি- আর এর নাছোড় সাহসিকতায় আর নাদের গুন্ডার প্রতিরোধে পাকিস্তানি উন্নততর আধুনিক অস্ত্রের পরাজয়ে, অগণিত শহীদের জীবন – মৃত্যুর সন্ধিক্ষণের শেষ অার্তনাদে আর ঢাকা – বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে রোশনারাদের দৃপ্ত বীরত্বপূর্ণ আত্মদানে শুরু হয়ে গিয়েছিল পরাধীনতার কালিমা মুছে নতুন সূর্য’ আনার যুদ্ধ।

মুক্তিযুদ্ধ অনেক কিছু বদলে দেয়।বদি আর বাদল- অসাধারণ মেধাবী এ দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মুক্তিযুদ্ধ এক কাতারে এনে দাঁড়া করিয়ে দেয়…। প্রথম দিনে তৌহিদ সামাদের সাথে বদিকে দেখে অস্বস্তিবোধ করে বাদল।। এই এন এস এফ এর গুন্ডাটাকে কেন নিয়ে এসেছে সামাদ?? বাদল এর মনোভাব বুঝতে পেরে পকেট থেকে একটা ব্লেড বের করে বদি। নিজে হাতের বুড়ো আঙুলের কিছুটা অংশ কেটে ফেললে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে সেখান থেকে..। এবারে বাদলের হাতেরও কিছু অংশ কেটে ফেলে বদি।তারপর নিজের রক্ত মিশিয়ে দেয় বাদলের রক্তের সাথে.. From today we are blood brothers…

বদি, বাদল, তৌহিদ সামাদ আর মাসুদ ওমর – চার চারজন সূর্যমুখী তরুণ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায় যুদ্ধের সন্ধানে…।

কাজী কামালের যুদ্ধে যাওয়ার কথা ফতেহ চৌধুরীদের সাথে। নির্দিষ্ট দিনে একটু দেরি করেই ফতেহদের বাসায় পৌঁছায় এই বাস্কেটবল খেলোয়াড় তরুণটি। কিন্তু ততক্ষনে ফতেহরা তো চলে গেছে লঞ্চঘাটে…..।। ফতেহ চৌধুরীর বড় ভাই শাহাদাত চৌধুরীর কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে কামাল ছুট লাগায় লঞ্চঘাট এর উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানে,যুদ্ধে যাওয়ার জন্য যে টাকার দরকার তা তো সে আনে নি! এখন কি করা যাবে? ফতেহদের অপেক্ষা করতে বলে কাজী কামাল নেমে যায়। এ দিকে ফতেহ ভয় পায়, কাজী যদি টাকা আনতে বাসায় চলে যায় তাহলে তাও তাকে ফেলেই সবার চলে যেতে হবে।নাহ – কাজী ফিরে আসে অঅল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই – হাতের প্রিয় ঘড়িটা ফুটপাতে বিক্রি করে দিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য টাকা যোগাড় করে।

মেলাঘর থেকে ঢাকা আসে জিয়া – খালেদ মোশাররফের নির্দেশসহ। ঢাকায় গেরিলা যুদ্ধ চালাবার জন্য ঢাকার ছেলে দরকার। দেশমাতৃকার টানে একটা চিরকুট লিখে বিছানায় পাশবালিশ শুইয়ে দিয়ে বোনেদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এক সকালে যুদ্ধক্ষেত্রের পথে রওনা হয় হাবিবুল আলম। আর এই বোনেরা, আসমা – রেশমা – শাহনাজ মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিণত হয় এক একজন নীরব যোদ্ধায়। অস্ত্র রক্ষনাবেক্ষন, পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে আহত মুক্তিযোদ্ধার সেবা করা পর্যন্ত সব কাজ তারা করে অক্লান্ত নিপুণতায়। বিতর্কের যুক্তি দিয়ে মাকে পরাজিত করে আমেরিকার নিশ্চিত জীবনের স্বপ্ন কে ছুড়ে ফেলে দিয়ে রুমী চলে যায় মেলাঘরে। সাফিয়া বেগমের একমাত্র সন্তান আজাদ ও আসে মাকে মানিয়ে, আসে ক্রিকেটার জুয়েলও।নির্দোষ খেলাপাগল শহীদ মুশতাক এর লাশটা চোখে ভাসছে তার…।

পিছনে পরে থাকে প্রিয় পরিবার, প্রিয় ডায়েরি, চিঠি লেখার রঙিন কলম – কিংবা প্রিয় অতীত…

যোদ্ধারা মেলাঘরে পৌঁছায়… all possible side effects of prednisone

অস্তগামী সূর্যের ব্যাকগ্রাউন্ডে জীপ থেকে সেখানে নেমে এসেছেন গ্রীক দেবতা.

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

renal scan mag3 with lasix

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

zithromax azithromycin 250 mg

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.