থ্রিলারঃ বদলা (পর্ব ৩)

222 doctus viagra

বার পঠিত

থ্রিলারঃ #বদলা
পর্বঃ৩

অ্যাকুরেসি ইন্টারনেশনাল L-115A3 রাইফেলটা বাইপডের উপর বসিয়ে একটু স্থির হল সোহেল। লং রেঞ্জ প্রিসাইসন শুটিংয়ে এর জুড়ি মেলা ভার। ৩০০ গ্রেনের .338 লুপুয়া ম্যাগনাম বুলেট প্রায় .৫০ ক্যালিবারেরবুলেটের সমান ধ্বংসাত্মক। যদিও ওজনে অনেক কম। এক কিলোমিটার দুর থেকেও যেকোন টার্গেটকে নির্ভুল ভাবে আঘাত করে ছিন্নভিন্ন করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে এটি। সাধারনত এন্টিম্যাটারিয়াল স্নাইপার রাইফেল গুলোর ওজন প্রায় দশ কেজির ওপরে হয় কিন্তু এই রাইফেলেরওজন মাত্র সাড়ে ছয় কেজি। শত্রু সীমার ভেতরে ভারি রাইফেল এবং তার অ্যামো (বুলেট) বহন করা কষ্টসাধ্য বিষয়। একারনেই ওজন কম কিন্তু তুলনামূলক হাই পারফরমেন্স রাইফেল হিসেবে এর কদর পৃথিবীর সব বাহিনীতেই। তাছাড়া এই রাইফেলের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে।বিশেষ ম্যাটেরিয়েল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর প্রতিটি পার্ট ফলে মাইনাস ৪৫ ডিগ্রি ফ্রিজিং টেম্পারেচার থেকে শুরু করে উত্তপ্ত মরুভুমি কিংবা স্যাঁতসেঁতে ম্যাংগ্রোভ অঞ্চল যেকোন পরিবেশে ভাল পারফরমেন্স দিতে সক্ষম এটি। জ্যামিংয়ের সম্ভাবনা নেই। সব দিক থেকে একজন স্নাইপারের জন্য আদর্শ অস্ত্র। cialis new c 100

দুজনেই ভারি ব্যাকপ্যাক নিয়ে কয়েক কি.মি পাহাড়ের চড়াই উতরাই পেরিয়ে এসেছে। পাইলট তাদের বাংলাদেশ সীমান্তের ১৫
কি.মি ভেতরেই ড্রপ করে। হারকিউলিস থেকে লাফিয়ে কয়েক সেকেন্ডের মাথায় প্যারাসুট খুলে দুজনেই। তার পর গ্লাইডকরে মায়ানমার সীমান্তের প্রায় ৫কি.মি ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ ধরনের প্যারা জাম্পকে বলা হয় HAHO (high altitude high opening) জাম্প। এক আমেরিকান কর্নেলের আবিষ্কার এই টেকনিক। পরবর্তিতে পৃথিবীর প্রায়সব বাহিনিই এটাকে ব্যাবহার করতে শুরু করে।
শত্রুর চোখে ধরা না পড়ে বিশাল দুরত্ব গ্লাইড করে পাড়ি দিতে এর জুড়ি নেই। ব্রিটিশ স্পেশাল ফোর্স এই টেকনিক ব্যাবহার করে স্রেফবাতাসে গ্লাইড করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিল। এ ধরনের এক্সট্রিম শারীরিক পরিশ্রম বেশিরভাগ মানুষের কাছে কল্পনাতীত। তাছাড়া শত্রুসীমার এত ভেতরে কোনো ধরনের সাপোর্ট ব্যাতিত অবস্থান করা কতটা ভয়ঙ্কর তা চিন্তাও করা যায় না। কিন্তু সোহেলের মত মানুষের অভিধানে ভয় এবং অসম্ভব বলতে কোনো শব্দ নেই।

ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হয়েছে মিশন হবে সম্পুর্ন রিকন অর্থাৎ তাদের দায়িত্ব হবে শুধু মায়ানমার সেনাবাহিনির গতিবিধি লক্ষ্য রাখা এবং যতটা সম্ভব ইনফরমেশন যোগারকরে তা কমান্ড সেন্টারে পাঠানো।

সোহেল রাইফেল রেখে বাইনোকুলারটা হাতে নিয়ে শত্রুর গতিবিধি লক্ষ্য করছে। সীমান্তের কাছাকাছি একটি ফরোয়ার্ড বেজ থেকে এক কি.মি দুরে অবস্থান করছে ওরা। দুজনের গায়েই থার্মালস্যুট, ক্যামোফ্লাজ তো আছেই।পাহাড়ি জঙ্গলের সাথে অনায়াসে মিশে গিয়েছে। এমনকি সমস্ত যন্ত্রপাতি অস্তসস্রও একই ভাবে রঙ করা। পাচ ফিটের মাঝে না আসলে কেও তাদের অস্তিত্ব টের পাবে না। আর থার্মালসুট পড়ার পেছনে কারন থার্মাল স্ক্যানারে শরীরের তাপমাত্রা ধরা পড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ওদের অবস্থান ফাস হয়ে যাবে। বার্মিজ বাহিনির হাতে এ জিনিস আছে কিনা নিশ্চিত নয় কিন্তু রিস্ক নেয়ার কোনো মানে হয় না।তাই এই ব্যাবস্থা।

সোহেল যখন বাইনোকুলারে চোখ রেখে পর্যবেক্ষনে ব্যাস্ত তখন M249 FN Minimi হাতে পেছন দিকটা পাহারা দিচ্ছে জাহিদ। বেলজিয়ামে তৈরি এই লাইট মেশিনগান মিনিটে প্রায় ৭০০-১০০০ রাউন্ড 5.56 বুলেট ছুঁড়তে পারে। একজন অভিজ্ঞ গানার এর সাহায্যে ৫০০ মিটারের মাঝে সব কিছু মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারবে।

প্রায় আট ঘন্টা হয়ে গেল শত্রুর উপর নজর রাখছে তারা। এভাবে কয়দিন থাকতে হতে পারে তার ঠিক নেই।বহতে পারে আগামি ঘন্টায় মিশন উইথড্র করার সিগনাল আসলো আবার আগামি এক সপ্তাহও একই অবস্থানে থাকতে হতে পারে। এক ঘন্টা পর পর পালা বদল করছে দুজনে। এক ভাবে চেয়ে থাকতে থাকতে যেন ক্লান্তি ধরে না যায় তার জন্য এই পন্থা।
নজর রাখার পাশাপাশি টুকটাক নোট নিচ্ছে দুজনেই।শত্রুর শিফট চেঞ্জের সময়, নতুন কি পরিমান সৈন্য এসে জড় হচ্ছে। তাদের অস্ত্রপাতির ধরন,কি ধরনের ভারি অস্ত্র সমাগম করছে ইত্যাদি। ওদের বর্তমান অবস্থান থেকে স্পষ্ট ভাবে বেজ ক্যাম্প দেখা যায়। বেজ ক্যাম্প থেকে একটা রাস্তা সীমান্তের দিকে চলে গেছে আড়াআড়ি ভাবে। প্রথমে ট্রাক ভর্তি সৈন্য এসে বেজ ক্যাম্পে জমা হচ্ছে। তার পর ভারি অস্ত্রপাতি নিয়ে সামনের রাস্তা দিয়ে সীমান্তের
কাছাকাছি আরেকটা টেম্পোরারি ক্যাম্পে গিয়ে পজিশন
নিচ্ছে। ওদের অবস্থান থেকে দুটো ক্যাম্পই স্পষ্ট
দেখা যায়, metformin tablet

-জাহিদ? টেলিস্কোপ থেকে চোখ না সরিয়েই
হেডসেটে ডাকল সোহেল

-হুম! কি হল?

-কি মনে হয় বেক্কল গুলা সত্যি সত্যি যুদ্ধের
প্রস্তুতি নিচ্ছে নাকি স্রেফ ফাঁপড়বাজি?

-কি জানি বিশ্বাস নেই এই মাংকি গুলাকে নিয়ে।আমার কি মনে হয় জানিস, এই শালারা তিন বেলা ইয়াবা গিলে, না হলে কি কোনো কারন ছাড়াই হুট করে কেও এ ধরনের কাজ করে! আমাদের সেনাবাহিনী যে ওদের থেকে হাজার গুন শক্তিশালি সেটা সবাই জানে। তবু যুদ্ধ বাধানোর তালে আছে। ০৮” সালে যে ছয়শটা প্যাক করে দিল,শালারা নেশার চোটে ভুলেই গেছে মনে হয়— স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে উত্তর দিল জাহিদ। side effects of drinking alcohol on accutane

-আচ্ছা তোর কি মনে হয় আমাদের পক্ষ থেকে কোনো বদলা নেয়া হবে না? ধর সব ভালয় ভালয় মিটমাট হয়ে গেল,তার পরেও!?

-আমার মনে হয় না এত সহজে ছেড়ে দিবে। কামরুল স্যারের কথা মনে আছে? টাইগার মিয়ার জিগার কা দোস্ত! অই ব্যাটা এখানকার রিজিওনাল কমান্ডার! তার সৈন্য মেরে কেও পার পাবে এত সহজে,মনে হয় না।

চকিতে কামরুল স্যারের কথা মনে পড়ল সোহেলের। বহু আগে একবার পরিচয় হয়েছিল তার সাথে। মেজর কামরুল তার সৈনিক প্রীতির জন্য বিখ্যাত। নিজের কমান্ডে সকল সৈন্যকে নিজের সন্তানের মত স্নেহ করেন তিনি। নিজের পকেটের টাকা দিয়ে ইউনিটের সাধারন সৈনিকদের সন্তানদের জামা কিনে দেয়ার রেকর্ডও আছে উনার। তার সৈন্য মারা গিয়েছে, ক্ষমতা থাকলে এতক্ষনে নিশ্চিত মায়ানমার আক্রমন করে বসতেন।

-সোহেল?

-হুম বল

-আমি জানি তোর ভাইয়ের জন্য কেমন লাগছে তোর।আমরা সৈনিক জাত, মৃত্যকে স্বীকার করেই এই পোশাক গায়ে চড়িয়েছি। তোর ভাইকে ওরা কাপুরুষের মত আক্রমন করে মেরেছে। জানি তুই প্রতিশোধ নেয়ার জন্য মুখিয়ে আছিস কিন্তু তবু দোয়া কর যেন ভালয় ভালয় সব মিটে যায়। প্রানের মায়া আমাদের নেই কিন্তু সেরকম কিছু ঘটলে আরও ভাই মারা যাবে! আরও কিছু সন্তান তাদের বাবা হারাবে,আশা করি বুঝতে পারছিস।

-হুম,বুঝছি
আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল জাহিদ এমন সময় খড় খড় শব্দ করে উঠল রেডিও -রিপোর্টিং টাইম।

রেডিওর সাথে ডিকোডার যন্ত্রটা প্লাগ দিয়ে দিয়ে লাগিয়ে দিল জাহিদ। এর কাজ হল রেডিওতে রিসিভ করা কোডেড তথ্যকে ডিকোড করা। একই ভাবে প্রেরিত মেসেজকেও কোডে রুপান্তর করে তার পর সেন্ড করে। যেন মাঝ পথে মেসেজ ইন্টারসেপ্ট হয়ে গেলে এর অর্থ কেও বুঝতে না পারে। অপর পাশে রিসিভার রেডিওতে এরকম আরেকটি যন্ত্র লাগানো আছে। ফলে একমাত্র এই দুই পাশের ব্যাক্তিরাই মেসেজ ডিকোড করতে সমর্থ হবে। সিআইয়ের এই জিনিস বাংলাদেশ আর্মির হাতে আসল কিভাবে তা খোদ আর্মির উচ্চপদস্থ অনেক কর্মকর্তারও জানা নেই।

-”কাম ইন গোস্ট রাইডারস, দিস ইজ মেইন’ গম্ভির একটা গলা ভেসে আসল অপরপাশ থেকে।

-”দিস ইজ গোস্ট ওয়ান,গো এহেড”

-”রিপোর্ট”

হাতের ইশারায় কাগজ টা চেয়ে নিল সোহেলের কাছ থেকে,ওটায় তথ্য গুলো কোড আকারে লেখা আছে।
কাগজ নেয়ার সময় দেখল সোহেল আগের মতই নোট
নিচ্ছে।তবে একটু অন্য ধরনের ইনফরমেশন, মাঝে মাঝে মিনি ব্যালেস্টিক কম্পিউটারে হিসেব কষছে। জাহিদ মুচকি হেসে রিপোর্ট করায় মন দিল,

একে একে শত্রুর গত আট ঘন্টার গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিল। বিশেষ করে শত্রুর আনুমানিক শক্তি, অস্ত্রপাতি, সৈন্যবল সম্পর্কে প্রতিটি ডিটেইলস জানাল,এমন কি তাদের ট্রাক সংখাও বাদ গেল না। এসকল তথ্য সুক্ষভাবে পর্যালোচনা করা হবে হেড কোয়ার্টারে। যদি পরিস্থিতি খারাপ দিকে যায় প্রাইমারি ডিফেন্স বা আক্রমনের ছক কষা হবে এসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে।ওদের দেয়া তথ্য বাচিয়ে দিতে পারে শত শত জীবন। সুতরাং গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই। can levitra and viagra be taken together

-এনি আর্মার অ্যাক্টিভিটি অন দেয়ার সাইড?
অপরপাশ থেকে গম্ভীর একটা গলা ভেসে আসলো ।

-দ্যাটস আ নেগেটিভ!

-কপি দ্যাট,নেক্সট কনট্যাক্ট ইন ৮০০ আউয়ার,মেইন
ওভার এন্ড আউট

রেডিও রেখে সোহেলের দিকে ফিরল জাহিদ, side effects of quitting prednisone cold turkey

-বল তো কে কথা বলছিল এতক্ষন

-কে?

-স্বয়ং কামরুল স্যার, দাঁত বের করে বলল জাহিদ।
নিজেই যদি প্ল্যানিংয়ে নেমে থাকে তার মানে বুঝতেছিস! বার্মিজ বানর গুলা এতটুকু ক্যাচাল করলে নিশ্চিত যুদ্ধ বাধিয়ে দিবে!

-দেখা যাক, বলেই ফরওয়ার্ড বেজ ছেড়ে সীমান্তের কাছের বেজটার দিকে ফিরল সোহেল। খুব মনোযোগ দিয়ে নাক বুচা এক মেশিন গানারকে লক্ষ্য করছে ও..

(চলবে)

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * achat viagra cialis france

metformin gliclazide sitagliptin

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

tome cytotec y solo sangro cuando orino
viagra en uk
viagra in india medical stores