অসম্পূর্ণ

814

বার পঠিত

চোখ থেকে দুই ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ে রাজীবের ভাতের প্লেটে। সেই মুহূর্তে কামনায় জ্বলতে থাকা কুকুরটির চিৎকার রাজীবের কাছে প্রচন্ড অসহ্য লাগে। অবাধ্য কুকুরটি রাজীবের দীর্ঘদিনের গৃহপালিত শুয়োরটির কথা মনে করিয়ে দেয়। দুটাই নিমক হারাম। রাজীব ওদের মারতে গিয়েও মারতে পারেনা। কানে আঙুল চেপে ভাতের প্লেট সামনে নিয়ে বসে থাকে নিশ্চুপ। আজকে বারবার হাতঘড়ি দেখে মিথ্যা তাড়াহুড়ার বাহানা করছেনা রাজীব। দাঁত দিয়ে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে নখও কাটতে দেখা যাচ্ছেনা তাকে। শক্ত করে নিচের ঠোঁট দাঁতে কামড়ে চেপে বসে থাকে রাজীব। শুয়োরের সাথে এক গৃহে বাস করার এটাই সমস্যা। ভাতের প্লেটটাকে সযত্নে উল্টে রেখে দেয় বিছানার উপর। তোষকের নিচে কুচকুচে কালো একটি স্টেনগান। ইতিহাস দাবী করে, তখনো রাজীবের চোখ থেকে অঝোর ধারার কিছুটা কাছাকাছি মাত্রায় রক্তপাত হচ্ছিলো।

মাথা নিচু করে দাঁড়কাকটা বসে আছে উঠোনে কাপড় মেলে দেয়ার দড়ির উপর। সূর্যের আলোতে উঠোনে দাঁড়কাকের আনুপাতিক হারে কিছুটা বড় ছায়া দেখে দাঁড়কাকটা বারবার বিব্রত হচ্ছে। মাথা ঘুরিয়ে দেখছে বারবার আকাশের দিকে, ছায়াটা শকুনের কিনা। দাঁড়কাকটি শকুন পছন্দ করেনা। মাথায় একটি সাদা ছেঁড়া কাপড় বেঁধে উঠোনের মাঝখানে এসে দাঁড়ায় রাজীব। দাঁড়কাকটি কখনো রাজীবের সাথে হাত মেলায় নি। তার চোখে একধরনের উন্মত্ত ক্ষোভ। রাজীব কখনো খেয়াল করে দেখেনি সেই চোখে মাতৃত্ব হারানোর বিষাদ কতটা গাঢ়। আস্তিনের নিচে রাজীব আরো শক্ত করে ধরে স্টেনগানটা। এসে দাঁড়ায় দাঁড়কাকের সামনে এক ধরনের অপরাধবোধ নিয়ে। কোনো এক বিচিত্র প্রাকৃতিক কারণে দাঁড়কাক কথা বলতে পারেনা। রাজীবের অসহায় লাগে। সে সরে যায় না। অজানা আশঙ্কা বুকে নিয়ে এলোমেলো চোখে পাহারা দেয় দাঁড়কাকটিকে। সেটিও আজ আর উড়ে যাচ্ছেনা। তাড়নার আদেশের চাইতে ধরে রাখার আকুতিটা পাখিটার মাঝে প্রখর হতে প্রখরতর হয়। সেই সাথে প্রখর হয় সূর্যরশ্মি। সমস্ত শক্তি দিয়ে রাজীবের ঘড়ির ঘন্টা আর মিনিটের কাঁটাকে সমরেখ করে দেয় ফিউশানে অসুস্থ সূর্যটা। রাজীবের সময় হয়ে গেছে। পায়ের কাছে কুঁকড়ে থাকা শীর্ণ মুরগীর গায়ে সজোরে লাথি মারে রাজীব। সে ভয় পাচ্ছেনা। বাড়ির পূর্ব পাশে ঘন সবুজ ঝোপটির দিকে তাকিয়ে থাকে রাজীব। ঝোপের ঠিক মাঝখানে সগৌরবে ফুটে আছে এক গুচ্ছ রক্তিম গোলাপ। তাকালেই নেশা লেগে যায়। buy kamagra oral jelly paypal uk

হাতে সময় কম। রাজীব ছুটে যায় আরো সামনে। দূর থেকে নিশ্চুপ তাকিয়ে থাকে একটি শালিক পাখি। পাখিটাকে আজ প্রচন্ড একলা মনে হয়। অস্থির ডানা ঝাপটে আজ পাখিটা কিছু বলার চেস্টা করেনা। শালিকের ঝুঁটিটাও যেন ধূসর হয়ে গেছে। গায়ে শক্তি নেই শালিকটির। কোনো রকমে পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থেকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে রাজীবের দিকে। রাজীবের রক্ত ফুটে উঠার আগেই দূর থেকে শকুনের পাল দেখে রাজীবের বুক কেঁপে উঠে। শালিকটির ঠোঁটে এক ধরনের বোবা আশির্বাদ। হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে রাজীব। তার চোখ থেকে অঝোর ধারায় রক্তপাত হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই সে খেয়াল করে শালিকের সাথে মরে পড়ে আছে দোয়েল পাখিটি। সারা গায়ে শকুনের আঁচড়। রাজীব দিশেহারা হয়ে উঠে। তার হাঁটু কেঁপে উঠছে কিছুক্ষণ পর। পায়ের লিগামেন্ট গুলো জড়তায় বন্দী হয়ে ক্ষমতার কাছে নত হচ্ছে। বিস্ফারিত চোখে রাজীব খেয়াল করে শকুনের পাল সাঁই সাঁই করে উড়ে যাচ্ছে রাজীবের বাড়ির দিকে। দুই হাতে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়ায় রাজীব। তার সময় ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু প্রাকৃতিক প্রয়োজনীয়তা বড্ড অসহায় স্বয়ং আবেগের কাছে। সে ধীর পায়ে বাড়ির দিকে হাঁটতে থাকে একটু একটু করে। সেই সাথে তাকে রেখে বিপরীত দিকে এগিয়ে যেতে থাকে সময়। সময় রাজীবের জন্য বসে থাকেনা। রাজীবও বসে থাকেনা সময়ের জন্য। রাজীব যখন বাড়ি পৌঁছে, তখন উঠোনে পড়ে থাকে ছিন্ন ভিন্ন দাঁড়কাকটি। বেদনায় লীন হয়ে থাকা দাঁড়কাকটি শেষবারের মত ডানা ঝাপটায়। চারদিকে এলোমেলো পালক পড়ে থাকে। দাঁড়কাকটি তখনো শক্তিমান প্রচন্ড। কোনো অভিমান নেই। কোনো আর্তনাদ নেই। দুচোখে দাউ দাউ করছে আশ্চর্য আগুন; রহস্যময়। আর দূর্বল ডানায় সে রাজীবকে ইশারা করে পূর্বকোণে ঝোপের দিকে। সেখানে তখনও গাঢ় সবুজ ঝোপের ঠিক মাঝখানে ফুটে আছে এক গুচ্ছ অনিন্দ্য রক্তিম গোলাপ।

স্টেনগানটাকে বুকে নিয়ে ছুটে আসে রাজীব। বেশিক্ষণ এই তান্ডব দেখলে আড়ষ্ট হয়ে যাবে সে। রাজীব সময়ের জন্য অপেক্ষা করেনা। কাঙ্খিত সময়কে পিছনে ফেলে সময়ের আগেই গন্তব্যে পৌঁছে যায় রাজীব। রাজীবের সামনেই গর্জনে চারদিক তেজোদীপ্ত করে তুলে একটি প্রকান্ড বাঘ। রাজীবের মাঝে একধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তার আশে পাশে সে গুণে দেখতে পায় সর্বমোট ১৭ টি বাঘ গর্জন করছে নিবিড়চিত্তে। রাজীব অবাক হয় তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে। একই ক্ষোভ সেই বাঘগুলোও ধারণ করে আছে। চোখে ঘৃনার আগুন। সেই সাথে সামান্য কয়েক ছটাক সময়ের প্রয়োজন সেই ক্ষোভকে শক্তিতে পরিণত করার অপেক্ষায় প্রহর গুণতে থাকে। দূর থেকে সাইরেনের শব্দের সাথে বিশ্রী গন্ধ ভেসে আসছে। রাজীব অস্বস্তিতে পড়ে সামান্য। কিন্তু সেটাকে চাপা দেয় ঠিক বাঘের মত গর্জন করে। সামনের প্রকান্ড বাঘটি এগিয়ে যেতে থাকে একটি ঘন ঝোপের দিকে। ঝোপের ওপাশেই আস্তানা গেড়েছে হায়েনা। হায়েনা গুলো সংখ্যায় অনেক। শান দিতে থাকে নিজেদের দাঁতে। সেই সাথে আস্তানার ভেতর থেকে ভেসে আসে আরো অনেক দাঁড়কাকের আর্ত চিৎকার। বাঘ গুলো অপেক্ষা করে সূর্য ডুবে যাওয়ার। সেই সময়টুকু ঝোপের আড়ালে গা ঢাকা দিয়ে বসে থাকে ১৭ টি বাঘ। রাজীব সহ ১৮ টি!

এইসময় স্মৃতি বড় প্রতারণা করতে চায়। দোয়েল পাখিটাকে বারবার মনে পড়ে রাজীবের। ছোট দোয়েল পাখিটা সারাক্ষণ এঘর ওঘর ওড়াওড়ি করতো ডানা ঝাপটে। মাঝে মাঝে বিরক্ত হত রাজীব। হুমকি দিতে মন চাইত। কিন্তু এতে কাজ হত কিনা অনিশ্চিত। বরং দেখা যেত দোয়েল পাখিটি বিরক্তির মাত্রাকে বাড়িয়ে দিত কয়েক গুণে। আর দোয়েলটির সাথে একধরনের নিখাদ বন্ধত্ব ছিলো শালিকটির। রাজীবকে কাছছাড়া করতো না শালিক। মাঝে মাঝেই লুকিয়ে দেখতে গিয়ে ধরা খেত। আর এসব দেখে দাঁড়কাকটি গলা প্রসারিত করে সন্দেহের দৃষ্টিতে রহস্য করতো রাজীবের সাথে। রাজীব লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকত। হঠাৎ করে কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলার মত দুঃখজনক কিছু আছে কিনা সেটা চিন্তা করার মাঝেই চিন্তায় ছেদ পড়তো শালিকের কল্যানে। ডানার ঝাপটায় মাতোয়ালা বাতাস এসে লাগতো রাজীবের ঘাড়ে। অনেকটা জীবনানন্দের কবিতার মত ছিলো ঝাপটা গুলো। তবে এতে রাজীব অস্বস্তিতে রবীন্দ্রনাথ বনে গেলেও কখনো বিদ্রোহে নজরুল হয়ে উঠেছিলো কিনা সেটা ইতিহাস নিশ্চিত করেনা। সেই সাথে ইতিহাস আজ এটা ঘোষনা করে দিয়েছে যে, কখনোই আর ডানার ঝাপটায় জীবনানন্দের জন্ম হবেনা। side effects of drinking alcohol on accutane

ঝোপের ওপাশ থেকেই কয়েকটি দাঁড়কাকে চাপা আর্তনাদ ভেসে আসে। কানে তালা লেগে যাওয়ার মত। সেই সাথে হায়েনাদের জংলি উল্লাস। সবার সামনে বসে থাকা প্রকান্ড বাঘটি শান্তভাবে ভেবে যায়। এর পিছনেই বাকিরা বড্ড অশান্ত। তারা আদেশ আর সুযোগের অপেক্ষায়। সময় কাটেনা। আকাশে তখনো দুই একটি শকুন নতুন নতুন দাঁড়কাক খোঁজার নেশায় ব্যস্ত। শকুনের স্বভাবটাই এমন। ঘেন্নায় মুখে একদলা থুথু জমে রাজীবের। বাম হাতে সস্তায় কেনা ঘড়ি। সচরাচর কারো হাতে ঘড়ি দেখা যায়না। এটি বিলাসবহুল বস্তু হিসেবে তখনো স্বীকৃত। রাজীব বিলাসিতার গায়ে লাথি মেরে এসেছে। ফিরে যাওয়ার উপায় নেই। ক্রোধে ভীষন কাঁপছে সে। নিজের পজিশান ঠিক করে নিয়েছে রাজীব। কিছুক্ষণ পরই একযোগে ১৮ টি বাঘ ঝাঁপিয়ে পড়বে সংখ্যা গরিষ্ঠ হায়েনার উপর। সামনে বসে থাকা প্রকান্ড বাঘটি উঠে দাঁড়ায়। হঠাৎ করেই প্রচন্ড গর্জনে চারদিক কাঁপিয়ে তুলে। চমকে উঠে হায়েনার আস্তানা। হঠাৎ করেই তীব্র যন্ত্রনার মাঝেও আস্তানার ভিতর থেকে কয়েকটি দাঁড়কাক ডানা ঝাপটায়। রাজীব অনুভব করে, সেই ডানা ঝাপটানোতে লেপ্টে থাকে জীবনানন্দের কবিতা! চোখ বন্ধ করে স্টেন গানে অর্কেস্ট্রার সুর তুলে রাজীব। ক্ষোভ আর ঘৃণার সম্মিলনে এত ভয়াবহ শক্তি কেউ কখনো দেখেছে কিনা সেটা জানা যায়না।

গুঁড়িয়ে গেছে হায়েনাদের আস্তানা। দুইজন দাঁড়কাককে রক্তাক্ত উদ্ধার করে বাঘের দল। ৫ টি বাঘ নিজেদের বিসর্জন দিয়েছে, আর ২ টি আহত হয়ে গর্জন করছে। সবার মাঝে প্রকাশিত উচ্ছ্বাস। রাজীবের কেঁপে উঠা ঠোঁটে প্রতিশোধের প্রশান্তি। আর দাঁড়কাক দুটির সুঁচালো ঠোঁটে ভর করে লিওনার্দো ভিঞ্চি। অত্যন্ত সাধারণ একটি গল্প রচিত হয় রাজীবের স্টেনগানের গায়ে। অত্যন্ত সাধারণ একটি উপন্যাসও হতে পারতো সেটা, কিন্তু সেটা আর হয়ে উঠেনি। রাজীবের বুকের ঠিক বামপাশটা ফুটো হয়ে গেছে। ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসছে। লণ্ঠনের আলোতে রাজীব ঘাস দেখতে পেলেও ঘাসের রঙ বিভ্রান্তি ছড়াতে থাকে। রাজীব অনুভব করে নেয় ঘাসগুলো প্রচন্ড সবুজ। সেখানে গড়িয়ে পড়ে তার উষ্ণ রক্তের ধারা। ঠিক পূর্বকোণে ঘন সবুজ ঝোপের মাঝে একগুচ্ছ রক্তিম গোলাপের মত।

স্টিলের গ্লাসটি হঠাৎ মেঝেতে পড়ে যায়। তীক্ষ্ণ শব্দ কম্পনে রাজীবের ঘুম ভেঙে যায়। চোখ মেলে দেখে সাদা ভাতের ঘরোয়া আয়োজন করেছেন রাজীবের মা। আজ ছেলের সামনে গুরুত্বপূর্ণ মিশন। উন্মতাল বাতাসের ধাক্কায় আলোড়িত চারিদিক। রাজীব তাকিয়ে আছে শুভ্র ভাতের প্লেটের দিকে। রাজীবের তোষকের নিচেই কালো স্টেনগান। দৌড়ে উঠোনে যায় রাজীব। চোখে মুখে এলোমেলো ভাব। কাপড় মেলে দেয়ার দড়িটি ধরে নিশ্চুপ তাকিয়ে আছেন রাজীবের মা। তার চোখে একধরনের উন্মত্ত ক্ষোভ। রাজীব কখনো খেয়াল করে দেখেনি সেই চোখে মাতৃত্ব হারানোর বিষাদ কতটা গাঢ়। রাজীবের এমবুশের সময় ঘনিয়ে আসে। বিভ্রান্তি নিয়ে রাজীব ঘরের পূর্বকোণে তাকিয়ে থাকে…… renal scan mag3 with lasix

zoloft birth defects 2013

You may also like...

  1. প্রথম লাইন পইড়া ভয় পাইসি। সকালে উইঠা পড়ুম :???:

  2. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    ওরে গল্প!! লাস্ট লাইন এর আগ পর্যন্ত বুঝি নাই বেশি! এখন সব ক্লিয়ার্।

    গল্প সেই হইছে।
    কেমনে পাড়!!!

    তুমি মিয়া একটা মাল। হুম মাল । ম আকার ল, মাল ।

  3. রেজা সাহেব বলছেনঃ

    ভাল লিখেছেন, কিন্তু শব্দের ব্যাবহার খুবই কঠিন! :)

    • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

      এটি ম্যাজিক রিয়েলিজম স্টাইলে লিখতে চেয়েছিলাম। যদিও পুরোপুরো হয়নি। শব্দের ব্যবহার আরো সহজ করা উচিত ছিলো বুঝতে পারছি। সেই সাথে এই স্টাইলে লিখা গল্পগুলোতে সিচুয়েশানের আরো ডিটেইলস থাকা উচিত। আমি খুব বেশি ডিটেইলস সৃষ্টি করতে পারিনি। তাও ধন্যবাদ পড়ার জন্য। :)

  4. Ashifuzzaman Jico বলছেনঃ

    অসম্পূর্ণ তো, তাই বুঝতে কষ্ট হল, ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে….

    half a viagra didnt work
  5. কি লিখছো এইটা তুমি !!! তুমি ক্যামনে পারো এইভাবে লিখতে !!! স্রেফ বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম… কিপ ইট আপ ডিয়ার…

  6. শঙ্খনীল কারাগার বলছেনঃ can your doctor prescribe accutane

    বেশ কৌশলী গল্প। বেশ ভাল লেগেছে।

  7. নীহারিকা বলছেনঃ

    খুলনায় খুব শীত পরেছে । হাতের তালু জমে যাচ্ছে ।। তোর লেখাটা পড়ে ত রক্ত গরম হয়ে গেল ! দারুন লিখেছিস রাহী । মাথা নষ্ট ! :smile:

  8. অসাধারণ রাহী! কিছু বলার ভাষা নাই। সত্যি অসাধারণ। para que sirve el amoxil pediatrico

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

achat viagra cialis france
irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg