নিউ ইয়ার থ্রিল

404

বার পঠিত

“স্কেলেটনটা তো ভালই প্রোফিট দিল”, রাফিদের কথায় সম্বিত ফিরে পেল আকাশ। নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে সম্মতি দেয় সে।
“পাশ কোথ থেকে স্কেলেটন?” জিজ্ঞাসুদৃষ্টি নিক্ষেপ করে রাফিদ।
ঠান্ডা চোখে তাকিয়ে আকাশ বলে,“খারাপ কিছু করিনা সেটা বলতে পারি। কেন ডাউটের চিপায় পড়ছিস নাকি?”
আসলেই আকাশ মাটির মানুষ, খারাপ কিছু করবে না সে গ্যারান্টি আছে ভাবে রাফিদ। “আচ্ছা বাদ দে। বল কি করবি টাকাটা দিয়ে?” উৎসুক রাফিদ জানতে চায়।
“তোর পেছনে উড়াব” আগের মতই নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে উত্তর দেয় আকাশ। আশ্চর্য,আনন্দ,জিজ্ঞাসাসহ বেশকিছু অনুভূতি একসাথে ভীড় জমায় রাফিদের ভেতর।
মনে আনন্দ আর চোখে জিজ্ঞাসুদৃষ্টি নিয়ে আকাশকে জিজ্ঞাসা করে,“কেন? কোন খুশিতে?”।
“নতুন জিএফ তো্র। আমার খরচ করার যায়গা নাই। আর বন্ধুর প্রেমিকার খাতিরে বন্ধুর জন্য তো খরচ করায় যায়, তাই না?” ঠান্ডা দৃষ্টি ছুড়ে রাফিদকে উত্তর দেয় আকাশ।
“ও আচ্ছা! মামা তোমার জিএফ নাই তাই আমারটার পেছনে খরচ করবা। ভাল,ভাল, দুয়া করি তোর যাতে কোনদিন জিএফ না জোটে। আর আমার অনেকগুলা জোটে”, হাসতে হাসতে জবাব দেয় রাফিদ।
খুবই আস্তে কি একটা জবাব দেয় আকাশ যেটা শুধুই তার কর্ণগোচর হয়। “কি বললি”,জানতে চায় রাফিদ।
“কিছুনা। চল আর দুই দিন বাকি নিউ ইয়ারের। তোর জন্য শপিং করব আর তোর জিএফ এর জন্য গিফট নেব”।
“চল” বলে উঠে দাঁড়িয়ে হাটতে শুরু করে তারা। পেছনের যায়গাটা, যেখানে তারা বসে একটু আগে একটা স্কেলেটন বিক্রি করেছে, সেটা জন্ম দেয় একটা নতুন কাহিনীর, নতুন সত্যের বা দাড়ি টানে এক পুরোনো ইতিহাসের। glyburide metformin 2.5 500mg tabs

*****

“গ্রাভিটি” মুভিটা দেখছে আকাশ আর রাফিদ। ঘরের লাইট ডিম করা। সামনে শোভা পাচ্ছে বিয়ার নামক পানীয়। বতলে চুমুকের সাথে চলছে মুভির ফ্রেমের এগিয়ে যাওয়া। হঠাৎ মুভি পজ করে রাফিদ,
“দোস্ত একটা কথা বলতাম” মাথা নিচু করে বলে রাফিদ।
“কি দরকার বলে ফেল। এত নাটক করার কিছু নাই” হিমশীতল গলায় উত্তর দেয় আকাশ।
“আসলে একটা রুম লাগবে” এবারও মাথা নিচু করে বলে।
বুঝেও না বোঝার ভান করে আকাশ বলে,“তোকে কি বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছে যে তোর রুম লাগবে?”
“আরেহ সেরকম না। আসলে নিউ ইয়ারে প্রাইভেট ডেটিং এর যায়গা পাচ্ছিনা। বাসায় আব্বু-আম্মু থাকবে, না হলে বাসায়ই নিয়ে যেতাম” উত্তেজিত হয়ে বলে রাফিদ।
“আমার ডুপ্লেক্স বাড়ির উপরটা সবসময় ফাকায় থাকে” চকচকে চোখ নিয়ে বলে আকাশ।
রাফিদ যেন এক নতুন আকাশকে দেখছে। এরকম উত্তেজিতভাবে কখনো দেখেনি সে তাকে। ভুরুজোড়ার মাঝে দূরত্ব কিছুটা কমিয়ে এনে রাফিদ বলে,“তাহলে তুই কি সেটা মিন করছিস যেটা আমি মনে করছি?”
নির্লিপ্তদৃষ্টিটা জানালা দিয়ে বাইরে ছুড়ে মাথা নাড়ে আকাশ। viagra vs viagra plus

*****
রাফিদ সবসময় খেয়াল করেছে আকাশ ছেলেটা কেমন চুপচাপ থাকে, আস্তে আস্তে কথা বলে, মাঝেমাঝে এমন কথা বলে যার কোন কূলকিনারা খুজে পাওয়া যায়না। কিন্তু ছেলেটার মন অনেক ভাল। বন্ধুত্বের সংগার পূর্ণাঙ্গ মানে বোঝা যায় তার থেকে। একবছরও হয়নি তাদের পরিচয় তার মাঝেই নিজের ভাই এর মত মনে হয় তাকে। ইদুরের মত ছেলেটা। খুব দরকার না পড়লে বের হয়না নিজের বাড়ি থেকে। আর মাঝেমাঝে যদি রাফিদ ফোন দেয় তবেই বের হয়। ব্যাকস্ট্রিট বয়েজের “মোর দ্যান দ্যাট” টিউনে বেজে ওঠে রাফিদের ফোনটা। ইনকামিং কল ফ্রম আকাশ দেখে হাসিমুখেই রিসিভ করে সে ফোনটা।
“পার্টিতে যাবিনা? নোরা ওয়েট করবে তো। ছেলে হয়ে পরে পৌছানো লজ্জার ব্যাপার” সে আগের মত ঠান্ডা গলায় বলে আকাশ।
ঘড়ির দিকে তাকিয়েই রাফিদ বুঝতে পারে কথা ভুল না। ছেলেটার খেয়াল অনেক দিকে, ভাবতে ভাবতে সে বলে, “দোস্ত! আজ শিউর লেইট। খেয়ে ফেলবে আজ আমাকে”।
“ব্যাপার না। আমি গাড়ি নিয়ে তোর বাড়ির নিচে আছি। তুই রেডী হয়ে গিফট নিয়ে তাড়াতাড়ি নিচে আই” মনে হয় গলায় বরফ ঢেলে বলে আকাশ।
“দোস্ত তুই অনেক ভাল। আসতেছি। ১০ মিনিট দে” বলেই লাইন ডিসকানেক্টেড করে দেয় রাফিদ।
নিচে বসে জ্বলজ্বলে চোখে আকাশ অপেক্ষা করে নতুন ইতিহাসের।

*****
উচ্চবিত্তের এরকম পার্টিতে এসে অভ্যস্ত রাফিদ, আকাশ দুজনেই। আলো-আধারীর খেলার মাঝে চলছে উচ্চবিত্তদের লাগামছাড়া আনন্দ। আজ তাদের ঠেকানোর কেও নেই। লাইট আর হাই বীটের সাথে বুনো উম্মাদনা ছড়িয়ে গেছে সব যায়গায়, আমাদের ভাষায় যাকে বলে চিপা-চাপায়। দূরে বার টেন্ডারের কাছে বসে লালপানি খাচ্ছে নোরা আর রাফিদ। ওদের দেখে আকাশ ভাবে কাচাছোলা ভেজানো পানিও তো লাল,তারা কি সেটা খাছে? হয়ত না। ঐটা খেলে এখন উবু হয়ে বেসিনের সামনে বসে থাকত। তারা এখন যেটা খাচ্ছে তাকে মদ বলে, উচ্চবিত্তের কাছে যেটা মধ্যবিত্তের ফান্টার মত। অনেক লোক এখানে। পদার্থবিজ্ঞানের নিউটনের ৩য় সূত্র মেনে ঢলাঢলি করছে। বিস্মৃতির অন্তরাল থেকে একরাশ আধারকালো স্মৃতি আকড়ে ধরে তাকে। খেয়াল করলে দেখা যেত তার চোখ এখন লাল,রক্তলাল।

*****
“মেরে ফেলেছিস নাকি মেয়েটাকে?” ঠান্ডাভাবে বলে আকাশ।
“জানিনা। দেখে আই তো। মরলে মরছে। শালীরে মারব ছাড়া কি করব! জোর করে করা লাগছে। যত্তসব ফালতু ভাব” সিগারেটের ধোয়া বাইরে ছাড়তে ছাড়তে বলে রাফিদ।
সোফা থেকে উপরে উঠে ডানের ঘরে ডুকতেই দেখে একটা নারীদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে আছে। চোখজোড়া এখনো খোলা। হাতের ধমনী চেপে ধরে আকাশ। কিন্তু কোন নড়াচড়া নেই। গলার পাশে হাত দিয়ে দেখে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কিনা। কিন্তু রেজাল্ট নেগেটিভ। ফিরে আসে আবার নিচে আকাশ। রাফিদ তখনো সিগারেট ফুকছে।
“মারা গেছে” ছোট্ট করে বলে আকাশ।
“বুঝলাম। অনেক জ্বালাইছে। মরছে ভাল হয়ছে। এখন লাশের কি করব তাই বল। তুই-ই আমার মুস্কিল আসান ভাই!” এগিয়ে এসে এস্ট্রে তে সিগারেট নেভাতে নেভাতে বলে রাফিদ।
“আমি থাকতে ভাবা লাগবেনা তোর” বলতে বলতে ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি গলায় ঢালে আকাশ।
কি করা যায় ভাবতে ভাবতে জানালার পাশে দাঁড়ায় রাফিদ। হঠাৎ তীব্র যন্ত্রণায় চারিদিক অন্ধকার হয়ে যায় রাফিদের।

*****
লাল আলোতে চারিদিক ঢাকা একটা ঘরে হুশ ফিরে আসে রাফিদের। মাথা যন্ত্রণায় তাকানো মুস্কিল। উঠতে গিয়ে সে বুঝল তার হাত-পা চেয়ারের সাথে শক্ত করে বাধা। নড়ার কোন উপায় পেলনা সে। কাছে কোন ধারাল জিনিষও পেলনা সে। এদিকে ওদিকে তাকাতেই দেখে একটা স্টীলের বড় পাত্র, অনায়াসে তাতে একটা মানুষ ধরে যাবে ওতে। উপরে সিলিং এর সাথে বাধা নোরার লাশ। অবাকভাবে তাকিয়ে আছে শরীরসর্বস্ব বস্তুটা।কোনার দরজা দিয়ে ধাতব কিছুর যেন টেনে আনার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে, তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করল রাফিদ কিন্তু সে অপারগ। কিভাবে কি হল হিসাব মেলাতে পারেনা সে। ঘরের চারিদিকে এবার ৬০ ওয়াটের বাল্ব জ্বলে উঠল। আলোতে স্পষ্ট হল আকাশের চেহারা। বিষ্ফোরিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে রাফিদ।
“আকাশ! কি এসব! ঐ পাত্রে কি? আমার এ অবস্থা কেন? তুই এভাবে কি করতেছিস? কিছুই মাথায় আসছেনা” চেচিয়ে বলে রাফিদ।
“আস্তে,আস্তে, একটা করে প্রশ্ন কর। নাহলে গুলিয়ে যাবে” বিয়ার শুড বি সার্ভড চিল্ড। সেই চিল্ডের থেকেও বেশি ঠান্ডা আকাশের গলা।
“আমি এখন কোথায় এবং কেন?” জিজ্ঞাসা করে রাফিদ।
“তুই নিজের ইচ্ছাতেই এখানে। প্রাইভেট ডেটিং এ এসেছিলি। বলতে ভুলে গেছিলাম, আমার বাড়িতে আন্ডারগ্রাউন্ড আছে, তুই সেখানে। উত্তর পরেরটা আগে দিলাম, কিছু মনে করিসনা” নির্লিপ্তভাবে বলে আকাশ
“ঐ পাত্রে কি?” ভয়ার্ত কন্ঠে জিজ্ঞাসা করে রাফিদ।
“স্লাকেড লাইম। ক্যালসিয়াম অক্সাইডের সাথে পানি যোগ করলে উৎপন্ন হয়। বাংলাভাষায় চুনের পানিও বলতে পারিস” চেয়ার টানতে টানতে উত্তর দেয় আকাশ।
“কি হবে ওটা দিয়ে? আর নোরার লাশ ওরকম ঝুলানো অবস্থায় কেন?” ভয়ের মাত্রা কয়েক ডিগ্রী বাড়িয়ে কাপতে কাপতে প্রশ্ন করে রাফিদ।
“ওতে মানুষের দেহ দিলে মাংশ,চামড়া খুলে শুধুই হাড় অর্থাৎ কঙ্কাল থাকে” সোজাসুজি বলে আকাশ।
“মানে তুই…………!”
“হ্যা আমি এভাবেই কঙ্কাল পাই” রাফিদকে কথা শেষ করতে না দিয়ে বলে আকাশ।
“ঠিক আছে, বুঝলাম। কিন্তু আমাকে বেধে রেখেছিস কেন? আমি কি করলাম ভাই?” একরাশ জিজ্ঞাসুদৃষ্টি ছুড়ে তাকিয়ে থাকে রাফিদ।
“একটা মেয়েকে খুন করে জিজ্ঞাসা করছিস কি করেছিস?” বলতে বলতে উঠে যায় আকাশ আর দড়ি বেয়ে স্লাকেড লাইম দ্রবণে ডুবিয়ে দেয় নোরার লাশটা। ধোয়া উঠা দ্রবণে নেমে যাওয়ার পর সেটা কেমন হয় তা জানেনা রাফিদ। ঘটনা দেখে রাফিদ চুপ করে থাকে কিছুক্ষণ।
“তুই তো বলেছিলি কোন খারাপ কাজ করে স্কেলেটন আনিস না তুই” ভয় কাটিয়ে জিজ্ঞাসা করে রাফিদ।
“ঠিকই তো। খারাপ কিছুই করিনি আর করছিনা আমি। কোন ব্যাখ্যা পেতে চাইনা তোর থেকে এ ব্যাপারে” ঠান্ডা গলাটা এবার প্রথমই ঝাঝের সাথে শব্দ বের করল।
“জানিস ঐ পাত্রে কি আছে?” জিজ্ঞাসা করে আকাশ।
“স্লা………” বলে রাফিদ।
“ট্যালেন্টেড! ইয়াপ,সেইম সল্যুশন বাডি! স্লাকেড লাইম” হেসে বলে আকাশ।
“মানে?” ভয়ার্ত কন্ঠে বলে ওঠে রাফিদ।
“মানে তোর পরিণতির ট্রায়াল হল নোরার পরিণতি” হিংস্র বাঘের মত বলে ওঠে আকাশ।
সামনে নিজের মৃত্যুকে দেখতে পায় রাফিদ। কান্নাজড়িত কন্ঠটা একবার শুধু বলে ওঠে,“কেন এরকম করছিস?”
“ভাল প্রশ্ন! তাহলে শোন, আমার পরিবার সম্পর্কে কিছু জানিস?” বলে আকাশ
“না তো। জিজ্ঞাসা করলেই এড়িয়ে গেছিস তুই” রাফিদ বলে।
“হুম। আমার বাবা-মা মারা গেছেন ছোটবেলাতেই। আমি পিকচারাইজ করতে পারিনা এতটাই ছোট ছিলাম। টাকা-পয়সার অভাব কখনোই ছিলনা। ছিল আপন মানুষের অভাব। আমার স্কুল জীবনের একটা বন্ধু ছিল ফারদিন। ওরা গ্রাম থেকে এসেছিল। ওর বাবা ছিল সরকারী চাকুরে। ওর মা অনেক ভাল ছিলেন। আমাকে নিজের ছেলের মত দেখতেন। মাতৃস্নেহের কিছুটা পূরণ করে দিতেন তিনি। এতেই আমি খুশি ছিলাম। ওর একটা বোন ছিল, নিজের বোনের মতই দেখতাম তাকে। আমার বোন ছিলনা কিনা! তাই। শহরে এসেই সে শহুরে সংস্কৃতি ভালবেসে ফেলে। আপডেটেড সোসাইটিতে মিশত সে। আমাদেরই এক ফ্রেন্ড সৌমিকের প্রেমে পড়ে সে। আমি জানতাম। কিন্তু ফারদিনকে জানায়নি। এরকম এক নিউ ইয়ার পার্টিতেই সৌমিক তাকে খুন করে ফেলে, নিজে পালিয়ে যায়। যেরকমটা তুই করেছিস নোরার সাথে। মেয়েটার লাশ দেখে তার বাবা হার্ট ফেইল করে। ফারদিন যখন জানতে পারে এটা সৌমিকের কাজ তখন সে বাসা থেকে বের হয় প্রতিশোধ নিয়ে কিন্তু রাস্তায় এক্সিডেন্ট করে মারা যায়। আন্টি পাগলের মত হয়ে যায়। সেদিন সিদ্ধান্ত নিই, আমার সামনে থেকে যে আমার এই পরিবারকে কেড়ে নিল তাকে ছাড়ব না। প্রতিশোধ নিলামও। কিভাবে জানিস?” একটানা বলে গেল আকাশ।
“কিভাবে?” প্রশ্ন করে আকাশ।
“যেভাবে তুই এখানে অপেক্ষা করছিস মারা যাওয়ার জন্য, যেভাবে তুই মারা যাবি, সেভাবে। সৌমিক ছিল ফার্স্ট টার্গেট। তারপর থেকে এভাবেই প্রত্যেক বছর চলে আসছে এরকম মৃত্যুর খেলা। কিছুদিন তোর মত কুলাঙ্গার খুজি, নজরে রাখি, বন্ধু হই, টাকা উড়াই, তারপর………… বুঝতেই পারছিস” জবাব দেয় আকাশ।
“কিন্তু যে মেয়েরা মারা যায়না? মানে স্বেচ্ছায় যারা……… তাদের ক্ষেত্রে কি হয়” আবার প্রশ্ন করে রাফিদ।
“আসলেই তুই অনেক ট্যালেন্ডেড দোস্ত! তাদের আমি মারি। আমি চাইনা তাদের কুকর্মের জন্য একটা পরিবার ধ্বংস হোক। তাদের কথা জেনে আরও বাবা-মা কষ্ট পাক। আর এভাবে মারার পর লাশ সেটেলমেন্ট করা একটা ঝামেলা। তাই স্লাকেড লাইমই ভরসা। কাজও হয়, টাকাও হয়” ঠান্ডাভাবে বলে আকাশ।
“পুলিশ খুজলে?” আশা খুজে পাওয়ার ভঙ্গিতে জিজ্ঞাসা করল রাফিদ।
“ও কাম অন ম্যান! কত খাবে? এসব আজাইরা পয়েন্ট সামনে আনবিনা প্লিজ” উত্তেজিত হয়ে জবাব দেয় আকাশ।
“দোস্ত আমাকে মাফ……” বলার আগেই গলার জুগুলার শিরায় আবার একটা লোকাল এনেস্থেসিয়া পুশ করে আকাশ। তারপর দেহের দড়িগুলো কেটে ফেলে চেয়ার থেকে। মাটিতে শুইয়ে এবার পা আর হাতের সাথে দড়ি বাধে সে। অপেক্ষা করে ৩০ মিনিট হওয়ার। ২৮ মিনিট পর কপিকল ইউজ করে স্লাকেড লাইমে আরো পানি আর চুন মিশায় সে। রাফিদের জ্ঞান ফিরে আসছে। এবার কপিকল ব্যবহার করে উলটা করে ঝুলায় তাকে আকাশ। রাফিদ কথা বলেই যাচ্ছে কিন্তু আকাশের কানে তা ঢুকছে না। সে এখন উন্মাদ, সে এখন মত্ত, প্রতিশোধের নেশায় মত্ত। আস্তে আস্তে নামিয়ে দেয় সে দড়িটা। রাফিদের বিষ্ফোরিত চোখের দিকে শেষবারের মত তাকিয়ে পুরো দেহটাকে নামিয়ে দেয় চুনগোলা পানিতে। চিৎকারও যে কতটা শান্তি এনে দিতে পারে তা আকাশের চেহারা দেখলে বোঝা অসম্ভব। তীব্র তাপোৎপাদী বিক্রিয়ায় তৈরী হয়ে যায় নতুন দুইটা স্কেলেটন।

*****
একবছর পর আবার আকাশকে দেখা যাচ্ছে একটা ছেলের সাথে, অবশ্যই সেটা রাফিদ নই, এটা তার নতুন বন্ধুর।
“স্কেলেটনটা ভাল দামেই গেল না?” প্রশ্ন করে বাধন, আকাশের নতুন বন্ধু।
নির্লিপ্তভঙ্গিতে মাথা নেড়ে হ্যা সূচক উত্তর দেয় আকাশ।
“চল, মলে যাব। আমার তো খরচের যায়গা নাই। তাই নিউ ইয়ার উপলক্ষে তোর জন্য ড্রেস আর তোর প্রেমিকার জন্য গিফট কিনব” ঠান্ডা গলায় বলে আকাশ।
“চল” বলে দাঁড়ায় বাধন।
দুই বন্ধু হাটা শুরু করে। পেছনের যায়গাটা, যেখানে তারা বসে একটু আগে একটা স্কেলেটন বিক্রি করেছে, সেটা জন্ম দেয় একটা নতুন কাহিনীর, নতুন সত্যের বা দাড়ি টানে এক পুরোনো ইতিহাসের……………………………।

You may also like...

  1. শেষটা চমকপ্রদ ছিল…

    চালিয়ে যান ব্রাদার…

    buy kamagra oral jelly paypal uk
  2. এস এম মেহদি হাসান বলছেনঃ

    capital coast resort and spa hotel cipro

    দারুণ হয়েছে।

  3. viagra in india medical stores

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

wirkung viagra oder cialis

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. posologie prednisolone 20mg zentiva

tome cytotec y solo sangro cuando orino
metformin tablet