ইশ্বরিক বিবর্তনঃ কেতাবী থেকে পৌরানিক

285

বার পঠিত

আহলে কিতাব। এরা এমন একটি গোষ্ঠী যাদের নির্দিস্ট একটি করে ধর্মগ্রন্থ রয়েছে। এই আহলে কিতাবদের ভেতরে টিকে আছে ইহুদী, খৃষ্টান আর মুসলিমরা। এদের সবার মোটামোটি কমন আর সাধারণ বৈশিষ্ট রয়েছে, এরা সকলেই নিরাকার এক ইশ্বরে বিশ্বাস করে।

তবে খৃষ্টানরা এই ক্ষেত্রে খানিক ব্যাতিক্রম। তাঁদের পূজ্য যীশু নিরাকার নন। আর তিনি পূর্ন ঈশ্বরও নন আসলে। তিনি ইশ্বর পুত্র। আর ইশ্বর অনেকটা হিন্দু ধর্মের পরম ব্রম্মের মতন। আর তিনিও অতি অবশ্যই নিরাকার নন। কিন্তু ……………… 
হ্যাঁ একটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে। আসুন সেই কিন্তুর অর্থ খোজার চেষ্টা করি। 

ওল্ড টেস্টামেন্ট। ওল্ড টেস্টামেন্ট হলো বাইবেলের পুরোনো অংশ। গ্যাব্রিয়েল বা জিব্রাইল কর্তৃক নিয়ে আসা ধর্মগ্রন্থ যা সোলেমানের বংশধারার মাঝে প্রেরিত বলে বিশ্বাসীদের বিশ্বাস। ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুসারে যাকে আসলে আহলে কিতাব বা কিতাবপ্রাপ্ত অনুসারীদের জন্য দ্বিতীয় কিতাব বলা যায়। আরো ভালো ভাবে বললে ইহুদীবাদের আধূনিকায়নের সময় বা ইহূদীবাদের খৃষ্টানবাদে উত্তরনের সময়, সময়ের প্রোয়োজনেই ওল্ড টেস্টামেন্টের জন্ম। ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুযায়ী ইশ্বর নিরাকার এবং তিনি সকল মানবিক গুনাবলীর উর্ধে। তিনি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন না, এবং তিনি সন্তান উৎপাদনও করেননা। ঠিক, ইহুদীদের জিহোভা এবং মুসলিমদের আল্লাহ এর মতন।

এই সব আমরা দেখতে পাই ওল্ড টেস্টামেন্টের একেবারে দূর্লভ কিছু কপিতে, যা খুব স্বল্প কিছু মানুষের ব্যাক্তিগত সংগ্রহে আছে আর আছে সেইন্ট পিটার্সবার্গের বুকশেলফে এই সংক্রান্ত অসম্ভব দূর্লভ পুঁথি। যা যে কাউকে দেখবার কথা তো পশ্চাতে থাক, ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ এর অস্তিত্বই স্বীকার করে না। side effects of drinking alcohol on accutane

এবার আবার ফিরে আসি গত পর্বের কন্সটান্টাইন দা গ্রেটের আলোচনায়। আমরা সেখানে দেখেছি, কন্সটান্টাইন নিজের ধর্মীয় রাজনৈতিক স্বার্থে খৃষ্টান ধর্মকে রোমান সাম্রাজ্যের সরকারী ধর্ম ঘোষনা করেছিলেন। কিন্তু নিজে আমৃত্যু খৃষ্টান হননি। তাকে ব্যাপ্টাইজ করা হয় মৃত্যু শয্যায়। আর এও আমরা বিভিন্য রেফারেন্স থেকে জেনেছিলাম তিনি বাইবেল সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন! এবং আসলে তাঁর ইচ্ছে থেকেই ইশ্বর নিরাকার থেকে সাকার হয়ে ওঠা।

খৃষ্ট ধর্ম অনুসারে যীশু একজন প্রোফেট বা বানী প্রচারক। ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রাথমিক কপিগুলিও তাই বলে। আবার নব্যলব্ধ ডেথ সি স্ক্রলও তাই বলে। কিন্তু পরবর্তিতে যীশু হয়ে গেলেন ঈশ্বরপুত্র, ঠিক প্যাগান ডেমি গড, হারকিউলিস, পার্সিয়াস আর একিলিসদের মতন!!! ইশ্বর নন, কিন্তু অর্ধশ্বর! প্রায়শই ইশ্বরের থেকে অনেক অনেক বেশী পূজ্য! কারণ তাঁর জন্ম এই ধরিত্রিতেই। মানুষের পাশে, মানুষের সাথেই তাঁর বেড়ে ওঠা। তাই তিনি মানুষের অনেক কাছের। ঐশ্বরিক হোক আর না হোক, তিনি মানুষের মানবিক ভালোবাসার পাত্র।

আবার ইশ্বরকে নিরাকার বলা হলেও বিভিন্য বর্ননায় এমনকি ভ্যাটিকানের অর্থায়নে নির্মিত শিল্পকর্মে ইশ্বরকে রূপায়ন করা হয়েছে। গভীর চোখ, ঘন দাঁড়ী আর সুঠাম দেহ। যেন জিউসের ফটোকপি  ।

হ্যাঁ এটা বাস্তবতা যে আজকের আধুনিক খৃষ্টান ধর্মের ইশ্বরের ধারণা একেবারে প্যাগান ইশ্বরের সাথে মিলে যায়। এর পরের পর্বে আমরা দেখবো, মার্চে যীশুর জন্মের পরেও কেনো ডিসেম্বরে বড়দিন পালিত হয়! 

রেফারেন্সঃ amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

Old Testament

New Testament

Libanius, Orationes (Orations) ca. 362–65.

Scheidel, Walter. “The Monetary Systems of the Han and Roman Empires”. In Scheidel, ed., Rome and China: Comparative Perspectives on Ancient World Empires. Oxford: Oxford University Press, 2010, ISBN 978-0-19-975835-7

tome cytotec y solo sangro cuando orino
can levitra and viagra be taken together

You may also like...

  1. ইসলাম ধর্মে আল্লাহর আকার নিরাকার নিয়ে মত বা ভাগের সৃষ্টি হয়েছে। একসময় যারা একেবারে নিরাকার বলতো এখন তারাও আকার স্বীকার করে, তবে তাদের কথা হচ্ছে ঐ আকার মানুষের অনুমানের বাইরে। আল্লাহর আকার নিয়ে খোদ কোরানেই অনেক আয়াত আছে।

    “ তুমি আমার চোখের সামনে নৌকা তৈরি কর” (সূরা হুদঃ ৩৭)
    “বিশ্বলোকের কোন জিনিসই তার অনুরুপ নয়, তিনি সব শুনেন ও দেখেন” (সূরা আশশুরাঃ১১)
    “হে ইবলিস। আমি যাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি, তাকে সিজদা করতে (তোমাকে) কিসে মানা করেছে” (সূরা সাদঃ৪৫)
    “তাদের হাতের উপর আল্লাহর হাত ছিল” (সূরা ফাতহঃ ১০)
    “কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী তার বাম মুঠে থাকবে এবং আকাশসমুহ ভাঁজ করা অবস্থায় তার ডান হাতে থাকবে” (সূরা জুমারঃ ৬৭)
    সহীহ মুসলিম এর ২য় খণ্ডে আছেঃ নবী (সাঃ) পূর্ণিমার চাঁদের দিকে নজর দিয়ে বললেন, ওহে, তোমরা যেভাবে এই চাদকে দেখতে পাচ্ছ, অচিরেই তোমরা তোমাদের রবকেও দেখতে পাবে।
    কিয়ামতের দিন আল্লাহ কে দেখার ব্যাপারে কোরআনে আল্লাহ বলেনঃ “সেদিন অনেক চেহারা হবে আনন্দিত। তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে” (সূরা কিয়ামাহঃ ২২-২৩)

    ঐ আয়াতগুলো প্রমাণ করে আল্লাহর আকার আছে এবং অনেকটা মানুষের মত।

    আসলে ধর্মবিদরা কি বলে আর কি বলতে চায় তারা নিজেরাও জানেনা। ১৪০০ বছর ধরে একই কোরান-হাদীস পড়ে অথচ একেকজন করে একেকরকম ব্যাখা। ভেরী ইন্টরেস্টিং…

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

can your doctor prescribe accutane

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.