বঙ্গভঙ্গ নাকি হৃদয় ভঙ্গ : একবার নয় দুই বার ; প্রথম ১৯০৫ আর দ্বিতীয় ১৯৪৭

300

বার পঠিত

||১||

~~ তারিখটা ১২ ডিসেম্বর,
সকালে ঘুমথেকে উঠলাম ভর্তিচ্ছু এক
পরীক্ষার্থীর অভিভাবকের
ফোনে। সে যাই হোক ৩ দিন
পরে পরীক্ষা; এখন
নির্ভেজাল ঘুম না হলে কখন।
~ঘুম থেকে উঠেই রুমমেট উজ্জ্বল
কে প্রশ্ন করি আজকের দিন
টা জানি কেন বিখ্যাত জানিস?
আমি নিজেও ভুলে গেছি………………

||২||

___ ধরাযাক
আপনি একাত্মা যুগলকে বললেন,
তোমাদের কে আজ থেকে ভিন্ন
থাকতে হবে , এর
ফলে তোমারা নিজেদের মনমত
পাত্রপাত্রী নির্ধারণ করতে পারবে…..
এর ফল কি হবে বুঝতে পারছেন
তো……
দেহ থাকলেও হৃদয় বলতে কিছুই
থাকবে না।
আমার লক্ষ্যার্থ বিবেচনায় ধরেই নেই
বাংলা চলচ্চিত্রের নায়িকার বাবা / নায়কের
বাবা তাকে অন্য
ঘরে বিয়ে দিয়ে দিলেন….
এখন কি হবে?
হয়ত বেঁচে থাকবেন কিন্তু
মানে যথেষ্ট কিন্তু রয়ে যাবে।
যাক সে কথা এবার মাত্র ১০৯ বছর
আগে ফিরে যান, সাল টা ১৯০৫;
জনগনের চেতনার
বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে (বড়,অসচ্ছলতা, সময়
সাপেক্ষ আর দুর্গমতার ধোয়া দিয়ে)
বঙ্গভঙ্গ করা হয়। গুটিকয়েক লোক এর
পক্ষে ছিলেন, যারা অন্যের
প্রতি ঈর্যা পরায়ণ ছিলেন তারাই কিন্তু
তাদের প্রভাবেই
বঙ্গভঙ্গবাদী জনগন
বৃদ্ধি পেতে থাকে। তারা তাদের বন্ধুর
বাড়ি ত্যাগ করে, মন্দিরে অনর্থক
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্মদেয়।
সে যাই হোক বঙ্গভঙ্গের মূল কারন
কি ছিল তা আমাদের প্রায় অজানাই
রয়ে গেছে, আর যা জনি তা ধর্মের
চাদোরে মোড়া।
“বিটিভির” ‘বাঙ্গালীর বাংলা’ অনুষ্ঠানের
উপস্থাপক শ্রদ্ধাভাজন ইতিহাসবিদ
বলেছেন-
” ইংরেজরা ক্ষমতায় আসার
পরে যতগুলি বিদ্রোহ বা আন্দোলন
যাই বলুন না কেন সম্মুখীন হয়েছিল
তার বেশির ভাগই ছিল বাংলার অবদান, আর
বাংলার সন্তানেরা মরতে ভয় পায়
না জেনেই তারা বাংলা ভাগের
সিদ্ধান্তে উপনিত হয়।”
ফলে বঙ্গভঙ্গ কেমন
জানি বাংলা চলচ্চিত্রের কাহিনীর
অসম্পূর্ণতা কে পূর্নতা দেয়।
ঠিক আজকের দিনে আজ থেকে ১০৩
বছর আগে বঙ্গভঙ্গের অধ্যাদেশ
বাতিল করা হয়। বাংলা ভরে ওঠে নতুন
মিলনের উচ্ছ্বাসে, রাখিতে বাধে বাংলা।
কিন্তু কুটবুদ্ধি সম্পন্ন ইংরেজরা দ্বন্দ্ব
চিরস্থায়ী রাখার লক্ষ্যে ভারত বিভাগের
রেখাটা এই লাইনেই টানেন তারা, জিন্নাহ
সাহেব এর পক্ষে ছিলেন কিন্তু:-P
তখনই সুনীতি কুমার বলেন,
” বিভেদ রইয়াই গেল”
যদি বাংলা ভাগ না হইত তবে এপার বাংলা আর
ওপার বাংলা বলে কিছুই থকত না, অনেক
বিখ্যাত দের নামের পাশে ভিন্ন
ধরনের ট্যাগ দিতে হইত না।
তবে যারা শেষ পর্যন্ত বাংলা অখন্ড রাখার
লড়াইয়ে সচেষ্ট ছিলেন তাদের
প্রতি অজস্র শ্রদ্ধা……………

প্রতীতি – শরৎ বসু, হোসেন
শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

You may also like...

  1. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    আপনার লিখার ফরম্যাট এমন ঝামেলা করছে ক্যান বুঝলাম না! সবই কবিতার ফরম্যাটে আসতেছে।

    যাহোক, আসল কথা শেষটাই- সুনীতি কুমার বলেন, “বিভেদ রইয়াই গেল”! যদি বাংলা ভাগ না হইত তবে এপার বাংলা আর ওপার বাংলা বলে কিছুই থকত না, অনেক বিখ্যাত দের নামের পাশে ভিন্ন ধরনের ট্যাগ দিতে হইত না। তবে যারা শেষ পর্যন্ত বাংলা অখন্ড রাখার লড়াইয়ে সচেষ্ট ছিলেন তাদের প্রতি অজস্র শ্রদ্ধা…

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

private dermatologist london accutane

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

walgreens pharmacy technician application online
tome cytotec y solo sangro cuando orino amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires