কম্পিউটার গেইমিং রিভিউ :- এক এ ভূমিকা

874

বার পঠিত

ম্পিউটারের এই যুগে গেইমিং খুবই জনপ্রিয় একটা বিষয়। পরিমিত গেইমিং সত্যিই অবসর বিনোদনের চমৎকার একটি মাধ্যম। তবে অবশ্যই সেটা সীমিত পরিসরে। ঘন্টার পর ঘন্টা গেইম নিয়ে পড়ে থাকাটা বিভিন্ন রকমের মানসিক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। অনেকে গেইমিং নিয়ে এপিলেপ্সিতেও ভুগে। যাই হোক, আমার আজকের এই পোস্ট গেইম রিভিউ নিয়ে। সচরাচর ব্লগে মুভি রিভিউ দেখা যায়। আমি গেইম নিয়েই লিখি! আশা করি গেইমারদের কাজে লাগবে ব্যাপারটা।

এই রিভিউটা একটি সিরিজ হিসেবে থাকবে। তাই গেইম রিভিউ লিখার শুরুতেই আমি প্রাথমিক কিছু কথা বলে নিতে চাই গেইমিং নিয়ে। মূলত গেইমিং কম্পিউটার নিয়ে। তথা কনফিগারেশান নিয়ে। ব্যাপার গুলো অনেকেই হয়তো জানেন। তাও বলার প্রয়োজনে বলা আরকি।

প্রথমেই আসি প্রসেসরগ্রাফিক্স কার্ড। বিশ্বে দুটি প্রসেসর ম্যানুফেকচারার আছে। সবাই জানেন। AMD এবং INTEL. তো আমরা গেইমিং এর জন্যে কোনটা বেছে নিবো এইরকম কিছু প্রশ্ন প্রায়ই শুনা যায়। ব্যাপারটা একটু ব্যাখ্যা করা যাক। মাইক্রো প্রসেসরের এই যুগে এটাই সবচেয়ে বিতর্কিত প্রশ্ন গেইমারদের কাছে! প্রসেসরে ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স থাকে। ইনটেলের নিজস্ব HD সিরিজ আছে। যেমন HD 2000, 2500, 4000, 4400। এদের মাঝে HD 2000 খুবই লো এন্ড গ্রাফিক্স। আপনি এই গ্রাফিক্স দিয়ে সত্যিকার অর্থে কিছুই করতে পারবেন না। শুধুই এটা সাধারণ কম্পিউটিং এর প্রয়োজনেই ইন্টিগ্রেটেড আছে। HD 2500 হচ্ছে মিড রেঞ্জ। এটা দিয়ে মোটামুটি পুরনো কিছু গেইম আপনি লো সেটিংস এ খেলতে পারবেন। HD 4000 মোটামুটি ভালো কোয়ালিটির। তবে, এটা দিয়েও ভালো গেইম খেলা যায় না। সাধারণত ইনটেলের core i5 এর ফোর্থ জেনারেশনের জন্য এই গ্রাফিক্স ইন্টিগ্রেট করা হয়। থার্ড জেনারেশনেও আছে। আর HD 4400 ইনটেলের অফিশিয়াল হাই এন্ড গ্রাফিক্স। এটা দিয়ে আপনি আহামরি গেইম না খেলতে পারলেওযথেষ্ট কাজের গ্রাফিক্স এটি। আপনি মোটামুটি ভালোই ফটোশপের কাজ করতে পারবেন। ভালো কিছু গেইমও খেলতে পারবেন। এটি core i7 এ ব্যবহৃত হচ্ছে। মাইক্রো প্রসেসরের ইতিহাসে core i7 হচ্ছে স্রেফ একটা মনস্টার। AMD এখন পর্যন্ত এর সমকক্ষ কোনো প্রসেসর বানাতে পারেনি। ওরা AMD FX 9590 একটি প্রসেসর বানিয়েছে। সেটাকে আপনি হিটার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার গ্যাস খরচ বেঁচে যাবে। সহজেই আপনি সেটার উপর ডিম পোজ করে খেতে পারবেন। তবে, একটি জিনিস অবশ্যই মনে রাখবেন। ডিমে লবণ ঠিকমত দিয়েন, নয়তো মজা লাগবেনা।

যাই হোক, এইবার আসি AMD তে। AMD ইদানিং ৬/৮ কোরের প্রসেসর বের করছে। তাদের ১২ কোরের বুলডোজার প্রসেসরও আছে। নো হাইপার থ্রেডিং। হাইপার থ্রেডিং হচ্ছে একটি আধুনিক প্রযুক্তি। ধরুন কোনো প্রসেসরে ২ টা কোর কিন্তু থ্রেড ৪ টা। তাহলে উইন্ডোজ এটাকে ৪ কোরের প্রসেসর ভেবে ভুল করে আর মাঝ থেকে আমাদেরই লাভ! আমরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই বড় কোনো সফটওয়্যার রান করতে পারি! Intel Core i3 তে প্রথম হাইপার থ্রেডিং করা হয়। খুবই কাজের জিনিস। core i7 এ হাইপার থ্রেডিং করে ৮ টা থ্রেড করা হয়েছে। যাই হোক, AMD Bulldozer প্রসেসর গুলো যথাসম্ভব AMD এর সবচেয়ে বাজে প্রসেসর হিসেবে রেটিং পেয়েছে। তাহলে বুঝতেই পারছেন, আর্কিটেকচার ঠিক না হলে আপনার ১২ কোর কোনো কাজেই আসেনা। Intel এর মাঝেই চমৎকার উদাহরণ আছে। Intel Core i3 3220 প্রসেসরের পাশে Intel Core i5 এর ফার্স্ট জেনারশনের কিছু প্রসেসর দাঁড়াতে পারেনি। সেকেন্ড জেনারেশনের আই ফাইভের কয়েকটি প্রসেসরও মার খেয়ে গেছে! তাহলে আপনিই বলুন, কোর সংখ্যার চেয়ে আর্কিটেকচারও কম ইম্পর্ট্যান্ট নয়! ইনটেল যেখানে ১৪ ন্যানোমিটার প্রসেসর বানায় সেখানে AMD এখনো ২২ ন্যানোমিটারে পড়ে আছে। ফলে তাদের প্রসেরসরের TRP ও থাকে বেশি। Intel ঘোষনা দিয়েছে ১২ ন্যানোমিটার বানাবে। AMD এদিক থেকেও পিছে পড়ে গেল। এমন কোনো সফটওয়্যার বা গেইম আজও তৈরী হয়নি যেটা ১২ কোর ইউজ করে! বরং, নেক্সট জেনারেশন কিছু গেইম যেমন Watch Dogs সর্বোচ্চ চারটা কোর ইউজ করে। সো, ১২ কোরের নেশায় কেউ এই ভুল করতে যাবেন না! AMD এর প্রসেসরের দাম পারফরমেন্সের তুলনায় Intel এর চেয়ে কম। যেমন অনেকেই দাবী করেন, AMD Fx 6300 প্রসেসরটা Core i3 ফোর্থ জেনারেশনের চেয়ে ভালো। আসলেই ভালো। উদাহরণ দিই। আপনি FX 6300 তে যে ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স পাবেন, সেটা দিয়ে আপনি আরামছে Devil May Cry এর মত ভালো কোয়ালিটির গেইম খেলতে পারবেন, যেটা Core i3 দিয়ে সম্ভব না! AMD এর মূলত ব্যবসাটাই হল ভালো ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স। বাজেট গেইমিং এর জন্য AMD ই আপনার চয়েস হওয়া উচিত। ধরুন, আপনি একটি কম্পিউটার কিনবেন। প্রসেসরের জন্য আপনার বাজেট ১০ হাজার টাকা। আপনার হাতে আপাতত টাকা নেই আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড কেনার। কিন্তু আপনি মোটামুটি গেইম খেলতে চান। আপনি কি করবেন? আপনাকে অবশ্যই আমি বলবো AMD FX 6300 কিনতে। কারণ এর ৬ টা কোর এবং ভালো ইন্টিগ্রেটেড গ্রাফিক্স। তবে TRP বেশি থাকায় এটি একটু গরম হয়ে যায়। আর এই গরম দূর করার জন্য আপনাকে যে কুলার ফ্যান দেয়া হবে সেটাই ইউজ করুন। বিভিন্ন গ্রুপে আমি প্রশ্ন দেখেছি, “ভাইয়া, আমি কি আলাদা একটা কুলার ফ্যান কিনবো? Cooler Master কিংবা Thermaltake এর?” আমি বলবো, আপনি যদি প্রসেসর ওভারক্লক না করেন, তাহলে কুলার ফ্যান কিনে পুরো টাকাটাই নষ্ট করলেন। আর যদি প্রসেসর অভার ক্লক করেন, অবশ্যই একটি ব্র্যান্ডেড কুলার ফ্যান কিনবেন। নয়তো আপনার সিপিউ জ্বলে যাবে। আশা করি আমি বুঝাতে পারতেছি। তো, প্রসঙ্গে আসি। আপনার হাতে ধরুন প্রসেসরের জন্য ১০ হাজার টাকা আছে, আর গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য ১০ হাজার খরচ করতে পারবেন। তাহলে? তাহলে আমি বলবো, আপনি AMD FX 6300 না নিয়ে Intel core i3 এর ফোর্থ জেনারেশন প্রসেসর নিন। সেটাই ভালো হবে! কারণ জানতে চাইলে পোস্ট টা শুরু থেকে আবার পড়ুন! এরপর আপনি ১০ হাজারের মাঝে একটি ভালো গ্রাফিক্স কিনুন। বর্তমানে বাজারে AMD এর HD সিরিজের পাশাপাশি R7 এবং R9  গ্রাফিক্স পাওয়া যায়। যেমন আপনি AMD Radeon HD 7770 কিনতে পারেন। এটার বর্তমান মার্কেট প্রাইস ৯ হাজারের মত। অথবা আপনি R7 সিরিজ কিনুন। যেহেতু HD সিরিজ এখন পুরনো হয়ে গেছে। মোট কথা হল, প্রসেসর তুলনা করবেন কোয়ালিটি দিয়ে আর গ্রাফিক্স কার্ড তুলনা করবেন দাম দিয়ে! চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করুন প্লিজ! গ্রাফিক্স কার্ডের দাম যত বেশি সেটা তত ভালো!!

আচ্ছা, এইবার আসি আরেকটা প্রশ্ন নিয়ে। “আমি কি AMD এর গ্রাফিক্স নিবো নাকি nVidida?” ভালো প্রশ্ন! কিন্তু এর কোনো সঠিক উত্তর নেই! AMD নাকি Intel এর উত্তর দেয়া যত সহজ, AMD নাকি nVidia সেটা তুলনা করা ততই কষ্টের! তবে, আমি বলবো AMD নিন। এটাকে আপনি পক্ষপাতিত্ব বলতে পারেন। কারণ, আমি AMD ফ্যান! আমার কাছে ভাল্লাগে। কারণ লাভ ইজ ব্লাইন্ড! তবে, আপনাকে এক দিকে নজর রাখতে সেটা হচ্ছে ম্যানুফেকচারার! বর্তমানে AMD গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য সবচেয়ে পরিচিত ম্যানুফ্যাকচারার হচ্ছে Sapphire. তবে, আসলে তেমন বেশি পার্থক্যও নেই এদের মাঝে। আপনি ASUS, Sapphire, Gigabyte যে কোনোটাই নিতে পারেন। তবে, আমার কাছে Sapphire ভালো লাগে, আর কার্ডটা দেখতেও সুন্দর লাগে। তাছাড়া স্যাফায়ার কার্ডের ফ্যানগুলোর রোটেট পার মিনিট বেশি। nVidia এর জন্য MSI এর কার্ড ভালো। অন্য গুলোও নিতে পারেন। আর দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, EVGA , XFX, Seasonic এর মত বিশ্বের সেরা কার্ড গুলো এদেশে কেউ আমদানি করেনা। কেন করেনা বুঝিনা। এগুলার উপরে কোনো ব্রান্ড নেই এখনো। EVGA কার্ড বানায় nVidia নিয়ে। লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি আছে। ইশ! কেউ যদি আমদানি করতো!গ্রাফিক্স কার্ডে দুই ধরনের মেমরি ইউজ করা হয়। DDR3 , অন্যটা DDR5 . চোখ বন্ধ করে DDR5 নিন। মনে রাখবেন, সাধারণত কোনো গেইমেই 1 GB এর বেশি মেমরি দরকার নেই। আপনার একটা 1GBDDR5 এর কার্ডই যথেষ্ট। যদি আপনি 4GB DDR3 নেন তবে সেটা টোটাল লস। তাছাড়াDDR3 এর সাথে DDR5 এর আকাশ পাতাল তফাত।1GB DDR5 কিনবেন। আর 2GB DDR5 হলে আরো ভালো! তবে 1GB যথেষ্ট।

এইবার আসুন গ্রাফিক্স কার্ড অভারক্লক নিয়ে! আপনার ওয়ারেন্টি শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রাফিক্স কার্ড অভারক্লক করবেন না। কারণ, কোনো সমস্যা হলে আপনার লস। অভারক্লক করলেই ওয়ারেন্টি হারাবেন। সাধারণত কয়েকটা গ্রাফিক্স কার্ড ফ্যাক্টরি অভারক্লক করা থাকে। সেগুলো নিলে ভালো হয়। যেমন AMD Radeon HD 7770 তে গিগাহার্জ এডিশান (GHz Edition) এবং অভারক্লক এডিশান (OC Edition) আছে। অভারক্লকের দাম ৬০০/৭০০ টাকা বেশি নিবে। আবার কার্ডের কোয়ালিটি অনুযায়ী দামের তফাত ২০০০/২৫০০ টাকাও হয়। হাতে বাজেট থাকলে অভারক্লক নিন। ভালো সার্ভিস পাবেন। কিনার কিছু দিন পরই আপনার উচিত হবে আপনার গ্রাফিক্সের ড্রাইভার আপডেট করা। কোম্পানি গুলো ফ্রিকুয়েন্টলি তাদের কার্ড গুলোর ড্রাইভার আপডেট বের করে। ড্রাইভার আপডেট করলে আপনার কার্ডের পারফরম্যান্স আরো ভালো হবে। আপনার কার্ডে যে ড্রাইভার সেটা কার্ড তৈরীর সময়ের লেটেস্ট ড্রাইভার ছিলো। হয়তো এর মাঝেই আপনার কার্ডের নতুন ড্রাইভার বের হয়েছে। আপডেট করে নিন। আপনার কম্পিউটারের ক্যাটালিস্ট কনট্রোল সেন্টারেই অপশান আছে। ভয় নেই! ড্রাইভার আপডেট করলে ওয়ারেন্টি হারাবেন না! আর দুই একটা ধারণা দিতে পারি AMD কার্ড নিয়ে। যেমন ধরুন, AMD এর লেটেস্ট থাউজেন্ড সিরিজ হচ্ছে HD 8000 সিরিজ। এবং লেটেস্ট সিরিজ হচ্ছে AMD R সিরিজ। HD এর চেয়ে R সিরিজই কিনুন এখন। কারণ, নতুন সিরিজ! অবশ্যই পারফরম্যান্স ভালোই হবে তুলনামূলক একই দামের রেঞ্জে।

কেমন লাগবে যদি আপনাকে একটি ল্যাম্বারঘিনি দেয়া হয় আর আপনাকে বলা হয় ছোট্ট একটি গলিতে ভাঙাচুরা রাস্তায় গাড়িটা চালাতে? ঠিক সেটাই অনেকে করে থাকেন পিসি কনফিগার করার সময়! আপনার র‍্যাম ১ জিবি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেম ৬৪ বিট! হইলো কিছু! কিংবা আপনি প্রসেসর লাগালেন Intel Celeron. কিন্তু গ্রাফিক্স লাগালেন Radeon R9 270X! হইলো কিছু? আশা করি, এসব ব্যাপারে সবারই ভালো ধারণা আছে। তাই কথা বাড়াচ্ছি না। তবে, আপনি গ্রাফিক্স কার্ড নিলে অবশ্যই সাথে একটা পাওয়ার সাপ্লাই কিনতে ভুলবেন না! ক্যাসিং এর সাথে যেটা থাকে সেটা দিয়ে গ্রাফিক্স কার্ড চালালে কার্ড পুড়ে যাবে। মোটামুটি ১৫ হাজার টাকার একটা গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে Corsair VS 450W যথেষ্ট। ৪৫০ ওয়াটের বদলে আপনি চাইলে আপনি আরো বেশি ওয়াটের নিতে পারেন! যত সেইফ থাকা যায় ততই তো ভালো তাইনা? Corsair কিংবা Thermaltake কিনুন। ভালো সার্ভিস পাবেন। তবে Thermaltake lite power অবশ্যই কিনবেন না। Smartpower কিনুন।

এইবার আসি মনিটরে। গেইমিং এর জন্যে মনিটর সত্যিই ইম্পর্টেন্ট। আপনার খুব ভালো মানের একটি গ্রাফিক্স কার্ড আছে কিন্তু মনিটর হচ্ছে লো এন্ড রেজুলেশান। তাহলে আসলেই আপনি গেইমের মজাটা পুরো পাবেন না। আপনার ভালো একটা গ্রাফিক্স কার্ড থাকলে ফুল HD মনিটর নিয়ে নিবেন। ভাল এক্সপেরিয়েন্স হবে। তবে পুরোটাই বাজেটের উপর। একটা Full HD মনিটর এর দাম পড়তে পারে সর্বনিম্ম ১৩ হাজার টাকা। তবে কোয়ালিটি অনুসারে আরো বাড়ে। 1920*1020 রেজুলেশান হলেই এনাফ। আর 1366*768 রেজুলেশান হচ্ছে লো এন্ড। এটাও ভালো। তবে Full HD মনিটরের পাশে দাঁড়ানোর মত না! আপনার গ্রাফিক্স কার্ড যদি খুব ভালো না হয় তাহলে ফুল এইচডি মনিটর না নেয়াই ভালো। গেইমিং এর সময় ফ্রেইমরেট খুব কম পাবেন। লো রেজুলেশানের মনিটর নিতে চাইলে DELL মনিটর নিন। আর হাই রেজুলেশান চাইলে ASUS নিতে পারেন। আসলে সবই ভালো। তবে কনট্রাস্ট রেশিও অনুযায়ী এই দুটোই ভালো মনে হয়েছে আমার কাছে। অ্যাস্পেক্ট রেশিও 16:9 নিন। স্কয়ার মনিটর গেইমিং এর জন্য নিবেন না। বিদঘুটে লাগবে। আরেকটা ব্যাপার অনেকেই জিজ্ঞেস করেন সেটা হচ্ছে রিপোর্ট রেট। রিপোর্ট রেট যত কম হয় ততই ভালো! বাংলাদেশে সর্বনিম্ম 4ms (মিলিসেকেন্ড) রিপোর্ট রেটের মনিটর পাওয়া যায়। সচরাচর 5ms ই দেখা যায়। 5ms ই যথেষ্ট আসলে। বাংলাদেশে সকল মনিটরের রিফ্রেশ রেট ৬০। অস্ট্রেলিয়া সহ অনেক দেশে ১২০ ফ্রেইম রেটের মনিটর পাওয়া যায়। তবে ৬০ আর ১২০ এর পার্থক্য আপনার বুঝার কথা না যদি আপনি মানুষ হন। আপনি খালি চোখে কোনো পার্থক্যই দেখবেন না।

এইবার আসি র‍্যাম টপিকে। Random Access Memory আপনার কম্পিউটারের খুব গুরুত্বপূর্ণ বস্তু। বর্তমানে বাজারে DDR2 এবং DDR3 পাওয়া যায়। কিছুদিনের মাঝেই DDR4 আসছে। DDR2 এর চেয়ে DDR3 এর পারফরমেন্স ভালো অবশ্যই। র‍্যামের জন্য আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ হল বাস মেমরি। 1333MHz, 1600MHz এর মাঝে অবশই 1600MHz নিন। ভালো সার্ভিস পাবেন। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে, প্রায় সময়ই অনেকের একটা সমস্যা শুনতে পাই সেটা হচ্ছে পিসি হঠাৎ করে রিস্টার্ট নেয়। এটার দুইটা প্রাথমিক কারণ থাকতে পারে। প্রথম কারণ হচ্ছে আপনার প্রসেসরের হাই টেম্পারেচার, আরেকটা কারণ হতে পারে দুইটি ভিন্ন বাস মেমরীর র‍্যাম আপনি হয়ত ইনস্টল করেছেন! মানে ধরুন, আপনি একটি ১৩৩৩ মেগাহার্জ আরেকটা ১৬০০ মেগাহার্জ র‍্যাম ইনস্টল করলেন। আপনার উইন্ডোজে র‍্যাম দুইটি ১৩৩৩ মেগাহার্জ হিসেবেই কাজ করবে। কিন্তু এতে যে সমস্যাটা হবে, বাস মেমরি সমন্বয় করতে গিয়ে আপনার উইন্ডোজ রিস্টার্ট নিবে। তাই অবশ্যি বাস মেমরির দিকে লক্ষ্য রাখুন। একটার বাস মেমরি ১৩৩৩ হলে আরেকটা র‍্যাম লাগালে সেটাও ১৩৩৩ লাগান। একটা ১৬০০ হলে আরেকটাও যেন ১৬০০ হয়। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির র‍্যাম প্রচলিত। যেমন Twinmos, Transcend, Corsair ইত্যাদি। গেইমিং এর জন্য Corsair র‍্যাম ভালো সার্ভিস দিবে আপনাকে। র‍্যাম ডুয়েল চ্যানেল করুন। অনেক বেশি পারফরম্যান্স পাবেন। ডুয়েল চ্যানেল হল দুটি একই বাস মেমরির একই কোম্পানির একই বিটের একই মেমরির র‍্যাম লাগানো। যেমন একটি Corsair 1600 MHz 4GB লাগালে আপনার মেইনবোর্ডের স্লটে আরেকটা Corsair 1600 MHz 4GB লাগান! সাধারণত অনেক মেইনবোর্ডে র‍্যামের জন্য চারটা স্লট থাকে। এক্ষেত্রে দুইটা স্লট একই রঙের, অন্য দুইটা স্লট অন্য রঙের হয়। একই রঙের দুটি স্লটে র‍্যাম দুটি লাগান! হয়ে গেল ডুয়েল চ্যানেল। অনেক বেশি সার্ভিস পাবেন। বর্তমানে প্রায় সকল প্রসেসরই ডুয়েল চ্যানেল র‍্যাম সাপোর্ট করে। জাস্ট এনজয়!

মেইনবোর্ড নিয়ে অনেকের অনেক রকম অভিযোগ বা উপদেশ বা প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা শুনা যায়। কোন মেইনবোর্ড ভালো। AMD এবং Intel এই দুই প্রসেসরের সাইজ-স্লট সবই আলাদা। আপনি Gigabyte ব্রান্ডের মেইনববোর্ড নিতে পারেন। যথেষ্ট ভালো। তবে একটাই ঝামেলা সেটা হচ্ছে বায়াস আপডেট। সাধারণত গিগাবাইট তাদের মেইনবোর্ডের বায়াস আপডেট বের করে ফ্রিকুয়েন্টলি। এজন্য দেখা যায় আপনি একটি মেইনবোর্ড কিনেছেন কিন্তু সেটাতে বায়াসের যে ভার্সন সেটার পর অলরেডি আরো দুইটি ভার্সন বের হয়ে গেছে! বায়াস আপডেট করাটা তেমন ঝামেলার কাজ নয়। কম্পিউটার নিয়ে প্যাশন থাকলেই হয়ে যাবে বা শিখে যাবেন। গিগাবাইট ডুয়েল বায়াস ইউজ করে। যার ফলে তাদের একটি বায়াস নষ্ট হয়ে গেলে আরেকটি ব্যাক আপ বায়াস থাকে। অতএব, নিঃসন্দেহে গিগাবাইট বেছে নিতেই পারেন! MSI এর মেইনবোর্ডও যথেষ্ট ভালো। ASUS এর পারফরমেন্সও ভালো। আরেকটা কথা হচ্ছে, Intel এর অফিশিয়াল মেইনবোর্ড নিবেন না কখনো। ওগুলো গেইমিং এর জন্য ভালো না মোটেও। Gigabyte এবং MSI এর কিছু গেইমিং মাদারবোর্ড আছে। সেগুলো কিনতে পারেন। দাম ৮-৯ হাজারের মত হবে। বাট আপনি এক্সট্রা হিউমিডিটি প্রটেকশান পাবেন! এক্সট্রা পিসিআই স্লট পাবেন, ইউএসবি থ্রি এর এক্সট্রা স্লট পাবেন, আপনার মেইনবোর্ডের চিপসেটও ভালো হবে, ক্যাপাসিটার, বায়াস সবই ভালো পাবেন ফর গেইমিং। সো, কিছুটা দাম বেশি দিয়ে হলেও নিতে পারেন। কিন্তু অন্যগুলাও মোটেই খারাপ না। আপনার বাজেটের উপর। Intel এর থার্ড জেনারশান এবং ফোর্থ জেনারেশানের জন্য আলাদা মেইনবোর্ড আছে। আমি আপনাকে দুইটা ভালো মেইনবোর্ড সাজেস্ট করছি। ইনটেলের থার্ড জেনারেশান প্রসেসরের জন্য Gigabyte B75M-D3H নিন। আর, ফোর্থ জেনারেশনের জন্য Gigabyte B85M-D3H নিয়ে নিন। ভালো পারফরমেন্স পাবেন নিঃসন্দেহে। দামও নাগালের মাঝেই আছে।

অনেক রকমের ডিভিডি রাইটার আছে। 24X, 20X, 16X । অবশ্যই 24X নিবেন। ব্রান্ডের নাম জানতে চাইলে আমি স্যামসাং ও আসুস সাজেস্ট করবো। যথেষ্ট ভালো। চোখ বন্ধ করে নিয়ে নিন। দাম পড়বে ১৫০০/১৬০০ টাকার মত।

এইবার আসুন হার্ড ড্রাইভের কথায়। সাধারণত 500 GB হার্ড ড্রাইভই যথেষ্ট। এটা নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে Western Digital ব্রান্ড পছন্দের। তবে তোশিবাও খারাপ না। Western Digital 1TB নিতে পারেন। গেইমিং এর জন্য অনেকদিন সাপোর্ট পাবেন ভালো ভাবে। এটার ডিস্ক ট্রান্সফার রেটও ভালো। সবই ভালো। আপনার যদি এসব কিছু কেনার পরও আরো 15000 টাকা অতিরিক্ত হাতে থাকে একটা 128 GB SSD কিনতে পারেন। যদিও সেটা একটু বেশিই বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। এটাকে বিলাসিতাও বলা যায়। বরং এটা না কিনে আমার উপদেশ হচ্ছে টাকা গুলো দিয়ে আরো ভালো একটা গ্রাফিক্স কার্ড কিনেন! সেটাই ভালো। মনে রাখবেন ভালো প্রসেসর+খারাপ গ্রাফিক্স এর চেয়ে খারাপ প্রসেসর+ভালো গ্রাফিক্সই গেইমিং এর জন্য বেস্ট! খারাপ প্রসেসর বলতে আবার ভুল বুঝবেন না! খারাপ প্রসেসর বলতে বুঝাচ্ছি দুই কোরের কোর আই থ্রি প্রসেসরকে। মানে কম বাজেটের।

যাই হোক, ক্যাসিং এর কথায় আসি। ক্যাসিং এমনিতে একদিক থেকে ইম্পর্ট্যান্ট না, আরেকদিক থেকে খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। আপনার গেইমিং কম্পিউটারের জন্য ভালো ভেন্টিলেশান খুবই দরকার আসলে। মোটামুটি ৪/৫ হাজার টাকার মাঝেই ভালো একটা ক্যাসিং পাবেন। অনেক ব্রান্ডের ক্যাসিং আছে। আমার ফেভারিট হচ্ছে থারমালটেক। স্টাইলিশ এবং খুবই ভালো সার্ভিস। তবে এখানেও বিশাল আফসোস যে বাংলাদেশে কেউ NZXT এর কেসিং ইমপোর্ট করেনা। এদের ক্যাসিং গুলা দেখলে আর স্থির থাকতে পারিনা! অস্থিইইর!! আর সাউন্ডবক্স এর মাঝে Creative ব্রান্ডের নিতে পারেন। কম দামের মাঝে ভালোই সাপোর্ট। আর হেডফোন নিতে চাইলে কম দামের মাঝে A4 tech এর H440 মডেল নিতে পারেন। খুবই ভালো। কীবোর্ড মাউস অবশ্যই গেইমের অন্যতম অংশ! তবে আপনি সাধারণ কীবোর্ড মাউস দিয়ে অসাধারণ গেইম আরামছে খেলতে পারবেন। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। বাজেট বেশি থাকলে গেইমিং কীবোর্ড এবং গেইমিং মাউস নিতে পারেন। আর বাজেট কম থাকলে ৭ হাজার টাকার কীবোর্ড কিনে অযথা টাকা নষ্ট না করতে বলবো। আপনি সাড়ে চার হাজার টাকায় Thermaltake Challenger Pro কীবোর্ডটি নিতে পারেন। LED কীবোর্ড আর গেইমিং এর জন্য ভালোই। আর কম দামের মাঝে গেইমিং মাউস চাইলে A4 tech এর Bloody Gun3 সিরিজের মাউস নিতে পারেন। Bloody Gun3 V3 এর বর্তমান বাজার দর ১৬০০/১৭০০ টাকার মত। আপনার বাজেট কম থাকলে এর পিছনে টাকা অপচয় না করে টাকা গুলো প্রসেসর-গ্রাফিক্সের পিছনে ব্যয় করুন।

একটি ইউপিএস অবশ্যই নিয়ে নিন। মোটামুটি 650VA এর ইউপিএসই যথেষ্ট হতে পারে। ৫/১০ মিনিট ব্যাক আপই যথেষ্ট। কারণ, গেইম চলাকালীন পাওয়ার কাট হলে সেটা হার্ড ড্রাইভের উপর চাপ ফেলে। যদিও মেইনবোর্ডের ক্যাপাসিটারের কারণে ক্ষতিটা জকিছুটা কমে যায়, তাও ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট কমে যায় ক্রমশ। আর এমনিতে হার্ড ড্রাইভ যত পুরনো হয় তত সেটা স্লো হতে থাকে। তাই ইউপিএস নিয়ে নো কিপটামি!

সবশেষে অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজ সেভেন হচ্ছে কিং অব গেইমিং। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই কারো। উইন্ডোজের সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম এটা। তবে, উইন্ডোজ সেভেনের চেয়ে নতুন ইউজারদের জন্য আমি উইন্ডোজ এইট রিকমেন্ড করছি। কারণ উইন্ডোজ এইটের ডিরেক্ট এক্স ভার্সন সেভেনের চেয়ে কিছুটা আপডেটেড। উইন্ডোজ 8.1 আরেকটু আপডেটেড। তবে, উইন্ডোজ এইট আল্টিমেট ভার্সনই আমি রিকমেন্ড করি। আরেকটা ব্যাপার হল গেইমিং এর জন্যে উইন্ডোজ 32 বিট নাকি 64 বিট? চোখ বন্ধ করে 64 বিট অবশ্যই!  x86 মানে সেটা ৩২ বিটের উইন্ডোজ। x64 মানে সেটা ৬৪ বিটের তবে, আরেকটা জিনিস খেয়াল রাখা উচিত যে 64 বিট ভালোভাবে রান করার জন্যে আপনার মিনিমাম 4GB র‍্যাম প্রয়োজন। তবে 6GB র‍্যামই অফিশিয়ালি রিকমেন্ডেড। 6GB হলে 2GB র‍্যাম তিনটা। এর মাঝে দুইটা ডুয়েল চ্যানেল। পরবর্তীতে আরেকটা 2GB লাগালে ডাবল ডুয়েল চ্যানেল। আর 4GB র‍্যাম লাগালে একটা 4GB র‍্যাম লাগান। বা দুইটা 2GB ডুয়েল চ্যানেল করুন।

এইবার নির্দিষ্ট বাজেটের মাঝে কয়েকটা ভালো গেইমিং পিসির কনফিগারেশান দিচ্ছি। আশা করি নতুন পিসি ক্রেতাদের কাজে লাগবে ব্যাপার গুলো।

১) প্রসেসর- Intel Core i3-4130
২) মেইনবোর্ড- Gigabyte B85M-D3H
৩) র‍্যাম- 4GB Transcend 1600 bus DDR3
৪) গ্রাফিক্স- Sapphire Radeon R7 250X 1GB DDR5
৫) হার্ড ড্রাইভ- Western Digital 500GB Blue
৬) ডিভিডি রাইটার- Samsung 24X
৭) মনিটর- Dell 19” 1366*768
৮) ইউপিএস- 650VA
৯) পাওয়ার সাপ্লাই- Corsair VS 450W
১০) স্পিকার- Creative SBS 60
১১) কীবোর্ড- A4 Tech
১২) মাউস-A4aA4 Tech
১৩) ক্যাসিং- Space Atx

এর দাম পড়বে মোটামুটি ৫০-৫২ হাজারের মাঝে। এর চেয়ে বাজেট বেশি হলে আপনাকে যা করতে হবে- capital coast resort and spa hotel cipro

১) Intel Core i5 4670
২) Gigabyte B85M-D3H
৩) 4GB Corsair 1600 bus DDR3
৪) AMD Radeon HD 7870 1GHz DDR5/ AMD Radeon r9 270X
৫) Western Digital 1TB Blue
৬) Samsung 24X DVD Writer
৭) Asus 21” 1920*1020
৮) 650VA UPS
৯) Corsair VS 450W PSU
১০) Creative SBS 60
১১) A4 Tech Mouse & Keyboard
১২) Thermaltake Gaming Casing

উপরের এই কনফিগারেশানটিকে আমি কিং অব গেইমিং বলবো। এর দাম হবে ৭৫-৮০ হাজার। কারণ Intel Core i5 4670 গেইমিং এর জন্য ইনটেলের বেস্ট ক্রিয়েশান! দাম এবং পারফরম্যান্সের এত ভালো সমন্বয় ইনটেল আর দেখাতে পারেনি। এটির দাম ১৭০০০ এর মত হবে। এটি হ্যাসওয়েল আর্কিটেকচার। ভালো কথা ইনটেলের বিভিন্ন আর্কিটেকচার আছে। স্যান্ডি ব্রিজ, আইভি ব্রিজ, হ্যাস ওয়েল। স্যান্ডি ব্রিজ সেকেন্ড জেনারেশান, আইভি ব্রিজ থার্ড জেনারেশান এবং হ্যাস ওয়েল হচ্ছে ফোর্থ। আর র‍্যাম করসার না হয়ে ট্রান্সসেন্ডেও সমস্যা নেই। মেইনবোর্ডও যথেষ্ট ভালো। HD 7870 এর উড়াধুড়া পারফরম্যান্স এক কথায়। তবে r9 নতুন সিরিজ হিসেবে নিশ্চয় HD 7870 এর চেয়ে ভালোই হবে। আসুসের ফুল এইচডি মনিটর সেই সাথে আপনার জন্য করসার এর ৪৫০ ওয়াট পাওয়ার সাপ্লাই যথেষ্ট মনে হচ্ছে। তবে,বাজেট ভালো থাকলে এর চেয়ে থারমালটেকের স্মার্ট পাওয়ার ৬৫০ ওয়াটই বেস্ট হবে। ক্রিয়েটিভ স্পিকারটি ৯০০ টাকা বর্তমান দাম। আর গেইমিং কেসিং এর দামটা পড়বে ৪০০০ এর মাঝে। সো, ইউ ক্যান গো ফর ইট! টোটাল কস্ট পড়বে আনুমানিক ৭৫ হাজারের মত। ভয় পাবেন না! দাম আরো কমেছে। কারণ প্রধান প্রতিযোগী nVidia তাদের গ্রাফিক্সের দাম অবিশ্বাস্য কমিয়ে দেয়াতে AMD বাধ্য হয়েছে দাম কমানোতে। সেই হিসেবে অনেক কম দামেই পাবেন মনে হচ্ছে! পাওয়ার সাপ্লাই কিনার সময় একটা জিনিসের উপর খেয়াল রাখা উচিত। সেটা হচ্ছে এফিসিয়েন্সি। এফিসিয়েন্সি যত বেশি হব আপনার বিদ্যুৎ বিল ততই আপনাকে সন্তুষ্ট করবে! সাধারণত ৮৫-৯০% এফিসিয়েন্সিই এনাফ! amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

পরবর্তী প্রজন্মের গেইমিং কেমন হবে সেটা অনুমান করা যাচ্ছে ইতোমধ্যেই! Watch Dogs গেইমের মিনিমাম রিকয়ারমেন্টই নাকি কোয়াড কোর প্রসেসর! তবে ডুয়েল কোরেও চলবে। মানে core i3 তে। চারটা থ্রেড থাকার সুবিধা অবশ্যই পাবেন। আর ইতোমধ্যেই PS4 ও XBOX One রিলিজ হয়ে গেছে জানেন! Fifa 15 এর মিনিমাম রিকয়ারমেন্টে র‍্যাম 4GB।গেইমিং এ অবিশ্বাস্য আপগ্রেডেশান এই বছরে হচ্ছে যেটা কেউ আগে ভাবতেও পারেনি সহজে। Battlefield 4 খেলতেও আপনার কোয়াড কোর প্রসেসর দরকার হচ্ছে। সেক্ষেত্রে অনেকেই হয়তো আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারে ১০ হাজার টাকা বাজেটের মাঝে তাহলে কোন প্রসেসরটা কিনবো? এক্ষেত্রে পোস্টের প্রথমাংশের সাথে বাধ্য হয়ে নিজেকে দ্বিমত পোষন করতে হচ্ছে। ভালো গ্রাফিক্স কার্ড নিলে যেমন HD 7870 নিলে যদি আপনার হাতে ১০ হাজার টাকা প্রসেসরের জন্য বাজেট থাকে, তবে নেক্সট জেনারেশান গেইমিং এর কথা চিন্তা করে AMD FX 6300 নিয়ে নিন। তবে আবারও বলছি, এর চেয়ে ১৭০০০ টাকা দামের Core i5 4670 নিলে সেটার পাশে আরো তিনটা AMD FX 6300  দাঁড়াতে পারবেনা। AMD ফ্যানসরা রাগ করবেন না প্লিজ। এটাই সত্যি। সত্য নির্মম নিষ্ঠুর যন্ত্রনার কিন্তু বাস্তব।

পরবর্তী পোস্ট থেকে বিভিন্ন গেইমের রিভিউ দেয়া হবে। সুস্থ গেইমিং এর সাথেই থাকুন। গেইম কে নেশা নয়, বিনোদন হিসেবেই নিন। Gamers never die…..

side effects of quitting prednisone cold turkey

You may also like...

  1. শঙ্খনীল কারাগার বলছেনঃ viagra en uk

    can you tan after accutane

    অসাধরণ কাজের একটা পোস্ট। আপনি ধারাবাহিক চালিয়ে যাবার কথা বলেছেন। এবং তা চালিয়ে গেলে অবশ্যই আমরা উপকৃত হব। পরবর্তী পোস্টে গেম রিভিউর পাশাপাশি যদি সম্ভব হয় তবে গেম ডাউনলোডের সরাসরি লিঙ্ক দিয়ে দিলে মন্দ হয়না।

  2. খাইছে আমারে? এতো পুরা গেমসের উপ্রে পিএইচডি :twisted: লুক্স লাইক ইলেকট্রন ইজ ব্যাক :cool:

  3. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    অসাধারণ কাজের পোস্ট!
    Electron is back with lightening spark…
    অবশ্যই শেয়ার করা উচিৎ!!
    তবে আমি গেম খেলি না। ! রিয়েল লাইফ গেইম আমার পছন্দ। শরীর স্বাস্থ্য মন সবই ভাল থাকে। :) ;)

  4. খুবই তথ্যপূর্ণ একটা লেখা। তবে আমার মাথায় এসব একটু কমই ঢুকে :cry:

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

synthroid drug interactions calcium

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. acne doxycycline dosage

levitra 20mg nebenwirkungen
can your doctor prescribe accutane