“Veni, vidi, vici”- “I came, I saw, I conquered.”

388

বার পঠিত

8307648684_cf20a13458 zovirax vs. valtrex vs. famvir

এই মুখোশটা আপনারা সবাই-ই দেখেছেন। আসলে এটিকে মুখোশ না বলে এফিগি বলাই ভালো। সাধারণ অর্থে মুখোশের অন্তরালে মূর্তিসদৃশ ব্যক্তিকে এফিগি বলা হয়। এই এফিগির জন্ম হয় ১৯৮২ সালে। কমিক আঁকিয়ে ডেভিড লয়েড জন্ম দেন এই বিখ্যাত এফিগি’র। সাদা বর্ণের মুখোশ, অদ্ভুত এক হাসি আর এই হাসির জন্যই কুঁতকুঁতে চোখ; সরু গোঁফ দুদিকের গাল পর্যন্ত পৌঁছেছে। গালে লালচে আভা আর চিবুকে অল্প দাড়ি। ইতিপূর্বে হয়তো কোন মুভিতে বা কোন নিউজ চ্যানেলে, বা খবরের কাগজের পাতায়, চলচিত্রে, নেটের নানা জায়গায় এই মুখোশটি চোখে পড়লেও সবার মাঝে খুব একটা সাড়া পড়েনি, একটা সুন্দর সাধারণ মুখোশ হিসেবেই ভেবে এসেছি সবাই। কিন্তু ভারতের সাথে যখন আমাদের সাইবার যুদ্ধ শুরু হল; তখন থেকে এই মুখোশটি যেন এক ভিন্ন মাত্রা ধারণ করল। বিশ্বখ্যাত হ্যাকারগ্রুপ ‘অ্যানোনিমাস’ যখন আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বলে একটি ইউটিউব ভিডিও প্রচার করা হোল, সবার মাঝে এই মুখোশটি হয়ে উঠল মনোবলের প্রতীক; যেটি হয়তো সমাজের চোখে বৈধ নয় কিন্তু অশুভ শক্তির ভয়ঙ্কর যম এই মুখোশ। সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠল ‘অ্যানোনিমাসের মুখোশ’ হিসেবে। এই মুখোশের নাম Guy Fawkes বা গাই ফকস মাস্ক। doctorate of pharmacy online

লেখক অ্যালান মুর এবং চিত্রশিল্পী ডেভিড লয়েডের ভি ফর ভেনডেট্টা (V for Vendetta, Vendetta একটি ইটালিয়ান শব্দ যার অর্থ প্রতিশোধ) নামের একটি ১০ খণ্ডের কমিক বুকের মূল চরিত্র, কমিকের নায়ক “ভি” ব্যবহার করেছিল গাই ফকসের এই সাদা, গোঁফওলা মাস্ক। গাই ফকস মাস্ক আরও পরিচিতি পায় যখন এই কমিক সিরিজের ওপর ২০০৫ সালে ‘V for Vendetta’ নামের একটি মুভি মুক্তি পায়। ঐ মুভিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেন নাটালি পোর্টম্যান।
কিন্তু কোথা থেকে এলো এই গাই ফকস মাস্ক আর এই গাই ফকসটাই বা কে?
এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ইতিহাসের পাতায়। posologie prednisolone 20mg zentiva

প্রায় ৪০০ বছর আগে, এক মহান নাগরিক চেয়েছিলেন নভেম্বরের পাঁচ তারিখকে আমাদের স্মৃতিতে আজীবন ধরে রাখার জন্য ! চেয়েছিলেন, এই দুনিয়াবাসীকে মনে করিয়ে দিতে যে সততা, ন্যায়বিচার আর স্বাধীনতা শুধুই শব্দ নয়…
সেই গাই ফকস; চারশো বছরেরও বেশি সময় ধরে, যাঁর নামে প্রতি ৫ নভেম্বরের রাত্রি উদ্যাপিত হয়ে আসছে ‘গাই ফকস নাইট’ বিলেত জুড়ে। ব্রিটেনে ও অন্যান্য কমনওয়েলথ দেশে আজও ৫ই নভেম্বর গাই ফক্‌স দিবস হিসেবে পালিত হয়। গাই ফকস ওরফে গুইডো ফকস ‘গানপাউডার প্লট’ বা ‘Gun Powder Treason’এর অন্যতম চক্রী। ১৬০৫ সালে রাজা প্রথম জেমসকে হত্যা ও ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হাউস উড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করে ক্যাথলিকদের একটি দল। বারুদের বিপুল মজুত দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন দলের অন্যতম সদস্য গাই ফকস। কিন্তু ৫ নভেম্বর তিনি ধরা পড়ে যান। মৃত্যুদণ্ড হয় তাঁর। can you tan after accutane

১৬০৩ খ্রিষ্টাব্দে রানী প্রথম এলিজাবেথের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হন প্রথম জেমস। তিনি ছিলেন ইংল্যান্ডের শেষতম রোমান ক্যাথলিক রানী মেরীর পুত্র। রোমান ক্যাথলিকদের আশা ছিল যে তারা রাজা জেমসের কাছ থেকে প্রভূত সুযোগ-সুবিধা পাবে। শুরুতে রোমান ক্যাথলিকদের কিছু কিছু সহানুভূতি দেখালেও পরবর্তীকালে ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে রাজা জেমস কিছু আইন প্রণয়ন করেন এবং সেগুলো দৃঢ়ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকরি করার আদেশ জারি করেন। এ ঘটনায় ক্যাথলিকদের মধ্যে গভীর অসন্তোষের সৃষ্টি করে। রবার্ট ক্যাটেসবি নামে একজন রোমান ক্যাথলিক বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। সম্ভবত তিনিই প্রথম এই ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। ষড়যন্ত্রের প্রথম পর্যায়ে ছিল রাজা এবং তার জ্যেষ্ঠপুত্র প্রিন্স হেনারিসহ পার্লামেন্ট গৃহ বারুদের সাহায্যে ধ্বংস করে ফেলা। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিদ্রোহীরা দেশের নিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জন করে নিয়ে রাজার কনিষ্ঠ সন্তান অথবা রাজকুমারী এলিজাবেথকে রাজসিংহাসনে বসানোর পরিকল্পনা করেছিল। রবার্ট ক্যাটেসবিসহ পাঁচ ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। অন্যান্য চারজনের নাম ছিল_ থমাস উইনটার, জন রিট, থমাস পার্সি এবং গুইডো ফকস। প্রথম তিনজন ছিল ক্যাটসবির বন্ধু এবং গুইডো ছিল বাইরের লোক। ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে ষড়যন্ত্রকারীরা সেন্ট ক্লিমেন্ট চার্চের পিছনের একটি বাড়িতে প্রথম সম্মিলিত হয় এবং বিস্তারিত পরিকল্পনা রচনা করে। পার্লামেন্ট গৃহের কাছেই তারা একটি বাড়ি ভাড়া করে এবং হাউস অব লর্ডস এর প্রাসাদের নিচ তলায় যাওয়ার জন্য একটি সুরঙ্গ খনন করতে থাকে। এই উদ্দেশ্যে ১৬০৫ এর মার্চে পার্লামেন্ট ভবনের নীচেই একটি সেলার ভাড়া নেয় তারা; বলা হয় সেখানে ‘আলু’ মজুদ করা হবে। ফকসের উপর বারুদ বিস্ফোরণের দায়িত্ব পড়ে। দলের অন্যদের সহায়তায় ৩৬ব্যারেল গান পাউডার এনে মজুদ করে গাই ফকস। ঘটনার ৫দিন আগেও অক্টোবরের ৩০ তারিখ ফকস সেলারে গিয়ে সব পরীক্ষা করে সন্তুষ্ট মনে ঘরে ফিরে এল। বিস্ফোরণ অধিক শক্তিশালী করার জন্য বারুদের উপর লোহার বার দিয়ে চাপা দিয়ে দেয়। পার্লামেন্টের অধিবেশন বসার কথা ছিল ৫ নভেম্বর। এরইমধ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৩ তে। এর ফলে অনিবার্যভাবে পারস্পরিক সম্পর্কে জটিলতা সৃষ্টি হতে থাকে। হাউস অব লর্ডসে ফ্রান্সিস ট্রেসহ্যামের লর্ড মন্টিরাগলও ছিলেন। acne doxycycline dosage

অক্টোবরের ২৩ তারিখে এক ক্যাথোলিক জমিদার মন্টিআগলে’র কাছে হঠাৎ করে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানায় যে, পার্লামেন্টে একটি বিধ্বংসী বিস্ফোরণ ঘটানো হবে এবং তিনি যেন সেখানে না যান। মন্টিরাগল চিঠিটি রাজার মন্ত্রীদের কাছে নিয়ে যান। চিঠি পেয়ে সাথে সাথে শুরু হল ব্যাপক অনুসন্ধান। এদিকে ক্যাথোলিকরাও সবাই মিলিত হল; তারা সিদ্ধান্ত নিল, যেহেতু এখনো তাদের প্ল্যান ফাঁস হয়নি, তাই পরিকল্পনা বহাল থাকবে। এদিকে সার্চ পার্টি খুঁজতে খুঁজতে সেলারে পৌঁছে গেল কিন্তু সেখানে উপস্থিত ফকসে’র মাঝে সন্দেহজনক কিছু না পেয়ে ফিরে গেল। উদ্বেগ বাড়তে লাগল, অধিবেশনের আগের দিন রাতে টহল আরও বাড়ানো হল এবং তল্লাশি চলতে থাকল। ১৬০৫এর ৪ঠা নভেম্বর রাতে টহলদল যখন আবারো তল্লাশি চালাতে এল, তখনি আবিষ্কৃত হল যে ব্যারেলের ভিতর বারুদ ঠাসা আছে। তারা ভূগর্ভস্থ কক্ষটিতে অপেক্ষারত গুইডো ফকসকে দেখতে পায় এবং সাথে সাথে গ্রেফতার করা হয় গাই ফকস’কে। ধরে নিয়ে ব্যাপক জেরা করা হল তাকে, ক্যাথোলিকদের গোপন আস্তানায় অভিযান চালানো হল। অনেকে ধরা পড়ল, অনেকে গুলাগুলিতে মারা পড়ল।
হতভাগ্য ফক্সের কাছ থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের নাম বের করার জন্য অত্যাচার করা সত্ত্বেও তিনি কারোর নামই বলেননি। ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদে ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে আট জনের বিচার হয়। বিচারে সর্বসাধারণের সামনে তাদের ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। ৩০ জানুয়ারি এদের মধ্যে চারজনের সেন্টপলস চার্চ ইয়ার্ডে ফাঁসি হয়ে যায়। ফাঁসির শেষ আসামি ছিল গুইডো ফকস। লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিষ্টারে তার প্রাণদন্ড কার্যকর করার কয়েক মুহুর্ত আগে গাই ফকস সিড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং তার ঘাড় ভেঙ্গে তৎক্ষনাৎ মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার পর বৃটেনে ক্যাথলিক খৃষ্টানদের উপর বেশ নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

ফক্সের চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছিল— তবু তামাম বিশ্বে মিথ হয়ে বেঁচে রয়েছেন গাই ফকস। এই ভয়াবহ পরিকল্পনা মানুষের মাঝে চির-স্মরণীয় হয়ে থাকল এবং এর বহু বছর পর তাদের ধরা পড়ার সেই দিনটি(৫ই নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় উৎসবের দিনে পরিণত হল ইংল্যান্ডে। ভয়ঙ্কর সব মুখোশের আড়ালে থেকে তারা স্মরণ করত গাই ফকস’কে, এরই সর্বশেষ এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় সংস্করণটি হল ‘V’ বা অ্যানোনিমাসের এই বিখ্যাত মাস্ক।

গাই ফক্সের মুখোশ। তাঁর মুখের আদল সহজ মুখোশে বদলে নিয়েছে মানুষ— সেজেছে সরু গোঁফ আর ছুঁচলো দাড়িতে। ‘হ্যাকিং’ ও ‘অ্যাক্টিভিজম’-এর জোড়কলম ‘হ্যাকটিভিজম’-এ যাঁরা বিশ্বাসী, তাঁদের আন্তর্জাতিক সংগঠন অ্যানোনিমাস-এর লোগোও হয়ে উঠেছে গাই ফকসের মুখোশ। হ্যালোউইন অনুষ্ঠানে ছেলেদের সবচেয়ে জনপ্রিয় কস্টিউম হচ্ছে গাই ফকসের এই মুখোশ।
সে মুখে অম্লান হাসি। যে হাসি স্পর্ধার। অ্যানার্কির মধ্যে যে কেমিক্যাল ভায়োলেন্স আছে, তা ফুটে ওঠে এই হাসিতে। মুখের ছাঁদে কোথাও যেন এসে পড়ে রবিন হুডের অনুষঙ্গও। মুখের উপর মুখোশ মানেই সব মানুষের এক হয়ে যাওয়া, এই মুখোশ সেই সাম্যের সঙ্গে জুড়ে নেয় প্রতিরোধের আগুন, প্রতিবাদের ভাষা।

ইংল্যান্ডের ইতিহাসে গান পাউডার প্লট বা গান পাউডার ষড়যন্ত্র একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ১৬০৫ খ্রিষ্টাব্দে পরিকল্পিত গান পাউডার ষড়যন্ত্রের বিপদ থেকে রাজা প্রথম জেমস ও তার পার্লামেন্ট রক্ষা পাওয়ার ঘটনাকে উপলক্ষ করে প্রতিবছরের ৫ নভেম্বর তারিখে সারা ব্রিটেনে ও অন্যান্য কমনওয়েলথ দেশে আজও ৫ই নভেম্বর গাই ফক্‌স দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেই ১৮শতক থেকে ইংল্যান্ডের ছোট বাচ্চারা বছরের ৫ই নভেম্বর মুখোশ পড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হানা দেয় আর চকোলেট, টাকা-পয়সা তোলে। একই সাথে পুড়ানো হয় আতশবাজি।


19973

রিমেম্বার রিমেম্বার দা ফিফথ অফ নভেম্বার
গানপাউডার ট্রিজন অ্যান্ড প্লট
আই নো অফ নো রিজন, ওয়াই দা গানপাউডার ট্রিজন
শুড এভার বি ফরগট !

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

tome cytotec y solo sangro cuando orino

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

viagra en uk

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.