নায়লা নাইম , একটি প্রশ্ন ও নারীর প্রুতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি

679

বার পঠিত

নায়লা নাঈম।অনলাইন ও মিডিয়ার এক আলোচিত নাম। ফেসবুকে খোলামেলা ছবি দিয়ে যিনি ইতমধ্যে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।তার শাড়ী থেকে শুরু করে ব্রার সাইজ সবই যেন ফেসবুক দুনিয়ার আলোচনার বিষয়বস্তু ।তার একেকটি ষ্ট্যাটাস কিংবা সেলফিতে লাইকের ঝড় বয়ে যায়,তাকে নিয়ে পত্রিকার বিনোদন বিভাগে নিউজ হয় ।আর যাদের ধর্মাণুভূতি কিংবা ভদ্রতানূভুতি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাকে ঘিরে তাদের গালি গালজ খিস্তিখেঊড়ও চলতে থাকে সমান তালে। গালি গালজ খিস্তি খেউড় কী ধরনের ভদ্রতাবোধ, ধর্মবোধের পরিচয় দেয় তা তারাই ভাল জানে ।

আমরা জানি যে আমাদের এই বস্তুবাদী সমাজে নারীকে এখনও পণ্য হিসেবে দেখা হয়। নারী যেন এখনও শুধুই ভোগের বস্তু। যেহেতু নারী নিজেই এখনো ভোগ্য পণ্য, পণ্যের বিজ্ঞাপনে তাই নারীর বাড়তি ব্যবহারও বেশ লক্ষণীয় । পণ্য কিনার সময় পণ্যের গুণাগুণের চেয়ে চেয়ে পণ্যের মডেলের কথা আগে ভাবে এমন অনেক মানুষ রয়েছে এই সমাজে। কিছু মানুষের এই ধরনের মনস্তত্বকে কাজে লাগায় বিজ্ঞাপন দাতারা।পণ্যের বিজ্ঞাপনে তাই সুন্দর মুখশ্রীর জয়জয়কার থেমে নেই এখনও ।

সৌন্দর্য প্রকৃতির এক অপূর্ব দান ।সবাই সে সৌন্দর্য পায় না, পাওয়া উচিতও না ।নারীর সৌন্দর্য পুরুষের কাছে সবসময় আকর্ষনীয়।নারীর সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে যুগ যুগ ধরে রচিত হয়েছে বহু শ্রেষ্ঠ সাহিত্য,আকা হয়েছে বহু মহৎ চিত্রকর্ম । নারীর সৌন্দর্য অনেকের জন্য নুতুন ব্যবসার দ্বারও উন্মুক্ত করে, অনেকের জন্য তা অর্থ উপার্জনের হাতিয়ারও বটে।অনেকটা কোন মহান শিল্পীর আকা শ্রেষ্ট কোন চিত্র কর্ম যা এক সময় তিনি খুব অল্প দামে বিক্রি করে ছিলেন জীবিকার প্রয়োজনে কিন্তু আজ সেটা নিলামে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে এর বর্তমান মালিক। হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন “ক্ষুধা ও সৌন্দর্যবোধের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে-সব দেশে অধিকাংশ মানুষ অনাহারী, সেখানে মাংসল হওয়া রূপসীর লক্ষণ; যে-সব দেশে প্রচুর খাদ্য আছে, সেখানে মেদহীন হওয়া রূপসীর লক্ষণ। এজন্যেই হিন্দি আর বাঙলা ফিল্মের নায়িকাদের দেহ থেকে মাংস চর্বি উপচে পড়ে। ক্ষুধার্ত দর্শকেরা সিনেমা দেখে না, মাংস ও চর্বি দেখে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে।” বর্তমান বাস্তবতায় এই উক্তির কিছুটা সংশোধনযোগ্য। নব্বই এর দশকের পর থেকে আমাদের দেশের মানুষের বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার বেশ বড় সড় একটা পরিবর্তন হয়েছে ।দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ,বেড়েছে দারিদ্র বিমোচনের হার ,গড় আয়ু ইত্যাদী । এর সুফলের অনেকটাই ভোগ করে গড়ে উঠেছে একটি মডারেট মধ্যবিত্ত শ্রেনী।সেই সঙ্গে গড়ে উঠেছে ফেসবুক ভিত্তিক একটা নুতুন প্রজন্ম যাদের কাছে পরীক্ষার খবর , দেশের খবর , বিনোদনের খবর সব কিছুর উৎস যেন ফেসবুক।বিনোদন মাধ্যমের প্রুতি মানুষের রুচিরও বেশ বড়সড় একটা পরিবর্তন হয়েছে।মানুষ এখন চর্বি ওয়ালা মডেল-নায়িকা থেকে জিরো ফিগারের মডেল-নায়িকাদেরকে বেশী পছন্দ করে।কোন স্থুল নায়িকার ভেজা শরীরের নাচ থেকে স্লিম ফিগারের মডেলের ক্যাট ওয়ার্ক এখন অনেক বেশী আকর্ষনীয় ,অনেক বেশী আবেদনময় ।বলা যায় যে পুরুষের চাহিদা বিবর্তিত হয়েছে কিন্তু নারীর প্রুতি পুরুষের দৃষ্টি ভঙ্গি রয়ে গেছে সেই আগের জায়গায় । কিছু মানুষের এই ধরনের চাহিদাকে পুজি করে নায়লা নাঈমেরা আলোচনায় আসে।সস্তা প্রচারের আশায় নিজেকে বস্তু হিসেবে তুলে ধরে ।সেই সঙ্গে কিছু প্রুতিষ্ঠানও এই ধরনের চাহিদাকে কাজে লাগায়।কিছু দিন আগে লাক্স চ্যানেল আই সুপারষ্টার প্রুতিযোগীতায় অংশ নিতে আগ্রহী এক প্রুতিযোগীর সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম।সেখানে সে বলেছিল যে সে এই প্রুতিযোগীতায় অংশ নিতে চায় কারন এই প্রুতিযোগীতা নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করে। আমার সামান্য বিদ্যাবুদ্ধিতে মাথায় ঢুকেনি যে কি করে এই ধরনের প্রুতিযোগিতা নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করে । এই ধরনের প্রুতিযোগিতায় খুব অল্প কয়েক জন নারীই প্রুতিষ্ঠা পায় এবং তাদের প্রুতিষ্ঠার পিছনে অভিনয় বা নাচের দক্ষতার চেয়ে তাদের সুন্দর মুখশ্রীর ভূমিকা অনেক বেশী। যে প্রুতিযোগীতা সুন্দর মুখশ্রীর স্বল্প কিছু নারী কে প্রোমট করে সে প্রুতিযোগীতা কী করে নিজেকে নারীর ক্ষমতায়ন বা নারীকে বস্তু পিন্ড হিসেবে হিসেবে তুলে ধরার বিপক্ষে নিজের প্রচারনা চালায় তা আমি বুঝি না । যূগের প্রয়োজনে নুতুন শিল্পীর প্রয়োজন। নুতুন অভিনয় শিল্পী ,কন্ঠ শিল্পী তুলে আনার প্রয়োজনে তাই ট্যালেণ্ট হান্ট প্রুতিযোগিতার আয়োজন হতেই পারে কিন্তু লক্ষ করলে দেখা যায় যে এই ধরনের প্রুতিযোগীতা প্রায় প্রুতি বছর আয়োজন করা হয় ,প্রায় প্রুতি বছর সেরা ১০-২০ জন কে নিয়ে মূল্ পর্ব আয়োজন করা হয় ।এদের সবাই চায় মিডিয়ায় প্রুতিষ্ঠা পেতে কিন্তু প্রশ্ন হল প্রুতি বছর এত মডেল অভিনেত্রীদেরকে স্থান দেওয়ার মত জায়গা কি আমাদের দেশের মিডিয়ার আছে? এদের মধ্যে যারা সত্যিকারের ভাল অভিনেত্রী তারা শেষ পর্যন্ত টিকে যায়। কেউ কেউ কিছুদিন ষ্ট্রাগল করে শেষ পর্যন্ত প্রবাসী কিংবা দেশীয় কোন কোটিপতি কে বিয়ে করে মিডিয়া থেকে দুরে সরে যায়। কেউবা আবার খ্যাতির লোভে কিংবা টিকে থাকার প্রয়োজনে পা বাড়ায় অন্ধকার পথে। এই ধরনের উচ্চাভিলাষী নারীদের ব্যবহার করে নিজের আখের গুছিয়ে নেয় এই সমাজেই লুকিয়ে থাকা ভদ্রবেশী এক দল পুরুষ। বস্তুত এই ধরনের পুরুষেরা আমার কাছে পতিতাপল্লীর দালালের সমতুল্য । আর ঐ ধরনের উচ্চাভিলাষী নারীদের চেয়ে রাস্তার মোড়ে কাষ্টমারের খোজে দাড়ানো কোন পতিতাকে আমার বেশি অনেক বেশি মহৎ বলে মনে হয় ।পতিতারা নিজের দেহকে ব্যবহার করে বেচে থাকার প্রয়োজনে,দুমুঠো ভাতের লোভে ।তাদের অনেকের জন্মই পতিতাপল্লীতে,কেটেছে শৈশব, প্রথম যৌবন এমন কি বার্ধক্যের শেষ দিন গুলিও । তাদের একটু আলোকের ষ্পর্শে আনার জন্য কিছুই করেনি এই সমাজ।কাজেই পতিতাবৃত্তি যদি লজ্জাজনক হয় তবে এই লজ্জার সবচেয়ে বড় দায়ভার আমাদের এই সমাজের। বিপরীত দিকে নায়লা নাইমেরা নার্সিসিজমে ভুগে নিজের দেহকে ব্যবহার করে শুধুমাত্র কিছু টিভিসি আর ঈদের কিছু নাটকের লোভে।অভিনয়ের সীমাবদ্ধতা তারা ঢাকতে চায় শরীর দেখিয়ে । বিখ্যাত হবার অদম্য বাসনায় তারা ভুলে যায় নিজেকে ,নিজের আত্ব মর্যাদাকে।

নায়লা নাঈম কি পোশাক পরবে তা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার তা নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই।কিন্তু যখন সে নিজের দেহ কে ব্যবহার করে সস্তা প্রচারের আলোয় আসতে চায় তখনই প্রশ্নটা তৈরী হয়। আমরা সমাজে নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলি, বলি যে একজন নারীকে বস্তু বা মাংস পিন্ড হিসেবে বিবেচনা না করে প্রকৃত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে কিন্তু নায়লা নাঈমের মত কেউ যখন জনপ্রিয়তার আশায় খোদ নিজেকে মাংস পিন্ড হিসেবে তুলে ধরে তখন এর প্রুতিবাদে যারা নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করেন তাদের কাউকে দেখা যায় না কেন ? তবে নায়লা নাঈমের সমালোচনার আগে সব পুরুষের আত্বউপলব্ধির বড় প্রয়োজন। নায়লা নাইম কে গালি দেয়ার আগে ভেবে দেখুন আপনি একজন নারীকে কি হিসেবে দেখেন,বস্তু হিসেবে নাকি মানুষ হিসেবে ।যদি বস্তু হিসেবে দেখে থাকেন তাহলে বলব একজন নারীকে চর্বিযুক্ত কিংবা চর্বিছাড়া মাংস পিন্ড হিসেবে না দেখে একজন মানুষ হিসেবে দেখুুন না কেন নায়লা নাইমেরা কোথায় হারিয়ে যায় ? নারীর অধিকার প্রুতিষ্ঠার পূর্বে তাই সবার আগে প্রয়োজন নারীর প্রুতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের।

acne doxycycline dosage
half a viagra didnt work
wirkung viagra oder cialis

You may also like...

  1. সৌন্দর্য চর্চা যে নারীকে নির্যাতনের আধুনিক হাতিয়ার তা নিয়ে তো কোন সন্দেহ নেই। এখানে শুধু একজন নায়লা নাঈমের কথা বলে এই অসুস্থ প্রথা বন্ধ করা যাবেনা। জনপ্রিয়তার জন্য ঠিক না, যেহেতু অর্থনৈতিক এই ব্যবস্থা এখনো পুরুষের হাতে সুতরাং অর্থের মালিকদের তথা পুরুষের চোখে পড়ার জন্য নারী এই প্রথার চর্চা করে। সেটা নায়লা নাঈম হয়ত চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে করে বাকিরা আড়ালে করে, কিন্তু প্রায় সব নারীই করে। সংশোধন প্রয়োজন এই জায়গাটিতে।

  2. কেউ যদি তাঁর শরীর ব্যবহার করাকে পেশা হিসেবে নিতে চায়, তবে সেখানে আপীনই আমি কেউ হই না তাকে কিছু বলার। তাঁর স্বাধীনতা আছে সে কি মডেল হবে নাকি বিজ্ঞানী হবে।

    • কেউ যদি তার শরীর ব্যাবহার করা কে পেশা হিসেবে নেয় তাহলে আমার কোন আপত্তি নেই যদিও এটা পেশা হিসেবে কতটা সম্মান জনক সে প্রশ্ন আসে। কিন্তু আমার আপত্তির জায়গাটা হল যখন কেউ শরীর দেখিয়ে অভিনয়ের মত সষ্টিশীল কাজগুলো বাগিয়ে নেয় তখন । খেয়াল করে দেখবেন যে আজ কালকার অধিকাংশ মডেলের অভিনয়ের যোগ্যতা কিংবা ব্যাকগ্রাউন্ড নেই , শুধু বিজ্ঞাপনে কিছুদিন চেহারা দেখিয়ে অভিনয়ে নেমে পড়ে। নায়লা নাইম দের এই শরীর দেখানো প্রবণতা কোন নারীর জন্যই সম্মান বয়ে আনে না বরং প্রুতিভার চর্চা কে নিরুৎসাহিত করে। clomid over the counter

      • আমার মন্তব্যটি আবার পড়ুন। কেউ ইচ্ছে করে এমন পেশায় নামতে চাইলে আপনি তাকে বলতে পারে না যে ” ভাই আপনার জন্য অন্য মেয়েদের সমস্যা হচ্ছে” নাইলা নাইম্রা আছে ছিল থাকবে। এদের মধ্য দিয়ে অন্য মেয়েদের এগিয়ে যেতে হবে। এদেরকে বিলুপ্তি করে কখনই নয় বা সম্ভব নয়।

        • অপার্থিব বলছেনঃ

          কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা যদি সমাজের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায় তাহলে এর বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না !! আজব কথা শুনাইলেন। ব্যক্তি নায়লা নাইম কি পোশাক পরবে বা কি ভাবে জীবন চালাবে সেটা তার ব্যাপার । এ বিষয়ে কিংবা ব্যক্তি নায়লা নাইমের প্রুতি আমার কোন আগ্রহ নেই। কিন্তু নায়লা নাইমের এই প্রবণতা যে একটা অসুস্থ প্রবণতা (সেটা নারীর পণ্যায়ন কিংবা প্রুতিভার চর্চা দুদিক দিয়ে )এটা প্রচার করা কোন অপরাধ নয়।

          • তাহলে আগে এসবের প্রচার বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন তারপর আপনি কাউকে বলবেন যে আপনার এমন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
            একদিকে এগুলার প্রচার মুড়ির মত বাড়বে আর অন্য দিকে আপনি যদি বলেন “ভাই এমন পোশাক পইরেন না” তাহলে সে তো আপনার কথা শুনবেই না উলটো বলবে আপনি কে হোন আমাকে বাধা দেওয়ার।

            zoloft birth defects 2013
          • @শ্রাবনের রক্তজবা
            “ভাই এমন পোশাক পইরেন না” নায়লা নাইমের মত কাউকে একথা বলার কোন ইচ্ছাই আমার নেই। সে কি পোশাক পরবে সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু এই অসুস্থ প্রবণতা যাতে অন্য দের মধ্যে সংক্রামিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার জন্য এই প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রচার চালানোটা(ব্যাক্তি নায়লা নাইমের বিরুদ্ধে নয়) অত্যন্ত জরুরী

            puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
      • তারিক লিংকন বলছেনঃ

        সমস্যা কি জানেন ভাই? আজ শারুখ, সালমান, কিংবা ঋত্বিক আমীর খানেরা সিক্স প্যাক আর এইট প্যাক করলে পেপারে আসতে পারে। এই মেকী শালীনতার মানদণ্ডতো ধর্ম! ধর্ম কি ছেলেদের টা এপ্রুভ করে? না করে না!! কিন্তু ঐটা নিয়ে কোন কথা হবে না, কারণ সমাজটা পুরুষেরা ইজারা নিয়ে রেখেছে… ব্যাপারটা অনেকটা সেইরাম শুনাচ্ছে…
        আপনি যদি কোন পুরুষ মডেলের শরীর প্রদর্শন নিয়ে কিছু না বলেন তবে মেয়েদেরটা নিয়েও কিছু ব্লার অধিকার রাখেন না। মজার ব্যাপার কি জানেন, আপনি আসলে কোনটা নিয়েই বলার অধিকার রাখেন না। আপনারা নিজেরা পুরুষ বলে পুরুষেরটা নিয়ে কিছু বলবেন না। কেবল নারীর অধিকার নিশিচত হলেই পুরুষদের ঈমান দণ্ড বেইমানী করে!!!

        নাইলা যা খুশি পরবে, আমাদের কিছুই বলার নেই! তার জীবনটা তার সিদ্ধান্তটাও তার… tome cytotec y solo sangro cuando orino

        • দেখুন ধর্মীয় মানদন্ড দিয়ে আমি শালীনতা বিচার করি না। নায়লা নাইমের সংক্ষিপ্ত পোশাক ধর্ম এলাউ করে কি না তা নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই। আমি মূলত দুটো বিষয় কে প্রাধান্য দিতে চেয়েছি। প্রথমটি হল এই শরীর দেখানো প্রবণতা বিভিন্ন সুপ্রুতিভা চর্চা যেমন অভিনয় ,সঙ্গীত চর্চা ইত্যাদীকে নিরুৎসাহীত করে। দ্বিতীয়টি হল দীর্ঘদিন আমাদের সমাজে নারীকে পণ্য হিসেবে তুলে ধরার যে সংস্কৃতি তৈরী হয়েছে , সেই সংস্কৃতিকে প্রমোট করে। সিনেমায় একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী কি পোশাক পরবে তা নির্ভর করা উচিত সিনেমায় সে কী ধরনের চরিত্রে অভিনয় করছে তার উপর। সিনেমার চরিত্র যদি হয় বার গার্লের তাহলে একজন অভিনেত্রী বার গার্লের পোশাক পরতে পারে ।পুরো বিষয়টা হওয়া উচিত চিত্র্যনাট্য নির্ভর ।কিন্তু চরিত্র ডিমান্ড না করার পরও পর্দায় শরীর প্রদর্শন কোন অর্থেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং সেটা নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি। তবে শাহরুখ, সালমান, ঋত্বিকরা দীর্ঘ দিন ধরে নিজেদের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আজকের এই অবস্থানে এসেছে আর সিক্স প্যাক এইট প্যাক এই ধারনা গুলোর প্রচলন খুব বেশী দিন আগে হয় নি। কিন্তু যুগ যুগ ধরে আমাদের এই উপমহাদেশের অধিকাংস সিনেমার পর্দায় মূলত নারীকে শোপিস হিসেবে উপস্থাপন করা হয় । সহজ ভাষায় বললে নায়ক যেন কোন বীরের প্রুতিরূপ আর নায়িকার কাজ যেন শুধু নায়ককে সঙ্গ দেয়া এবং ছবির বাণিজ্যিক প্রয়োজনে নায়কের সঙ্গে কিছু গানে অংশ নেয়া । চরিত্র ডিমান্ড না করার পরও যখন নায়কের সাথে গানের দৃশ্যে নায়িকা কে বিকিনি পরানো হয় তখন এটা পরিষ্কার হয়ে উঠে যে নায়িকাকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে দর্শকদের যৌন সুড়সুড় দিয়ে একশ্রেণীর পরিচালক প্রযোজকেরা ব্যবসায়ীক ফায়দা লুটতে চায় ।সমাজে নারীর পণ্যায়নের কারনে কিছু মানুষও নারী কে পর্দায় খোলামেলা ভাবে দেখতে চায় । হলিউডি বলিউডি সিনেমা দেখে হলিঊডি বলিউডি নায়িকা দের সাথে আমাদের মডেল নায়িকাদের তুলনা করে। পরিচালক দের যুক্তি দর্শকদের চাহিদা আছে বলেই তারা নায়িকাদের এভাবে তুলে ধরে। দর্শক দের দাবী সিনেমা বা নাটকের মান ভাল না হওয়ায় তারা নায়িকার চেহারা বা শরীর দেখে বিনোদন পেতে চায়। পুরো বিষয়টি তর্কসাপেক্ষ । মুল সমস্যাটা যেহেতু এই সিষ্টেমে, সবার আগে তাই এই সিষ্টেমের পরিবর্তন হওয়া উচিত। যতই দিন যাচ্ছে নারীরা একটু একটু করে এগোছে ,নারী শিক্ষার হার বাড়ছে , বাড়ছে নারীদের মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে সচেতনতাও। কিন্তু নারীর পণ্যায়ন থেমে নেই এখোনো বরং বলা যায় যে ক্ষেত্র বিশেষে বিস্তৃত হয়েছে।অনেক শিক্ষিত নারীও এই বিষয়টি বুঝতে পারছে না । নারীকে পণ্য হিসেবে ব্যবহারের মাত্রা যেহেতু পুরুষের চেয়ে বেশী কাজেই এটা নিয়েই আগে এগোনো উচিত। যে কেউ তার ব্যক্তি স্বাধীনতার চর্চা করতে পারে কিন্তু যে পদ্ধতিতে সে তার ব্যক্তি স্বাধীনতার চর্চা করছে সেটা ভুল না সঠিক কিংবা সেটি সমাজের অন্যদের জন্য অনূকরনযোগ্য কিনা তা নির্ধারন করাও অত্যন্ত জরুরী।

          accutane prices

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

metformin gliclazide sitagliptin

para que sirve el amoxil pediatrico

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

buy kamagra oral jelly paypal uk
doctorate of pharmacy online