“মানুষের মতো নয় — নক্ষত্রের মতো হতে হয়!”

368 viagra vs stendra

বার পঠিত viagra cena lekarna

‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।’ এই কবিতাটি আমাদের সবারই কম বেশি জানা। কিন্তু এই কবিতার কবির নাম কয়জন বলতে পারবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এই কবিতাটি লিখেছে একজন মহিলা কবি নাম তার কুসুম কুমারী রায়।
আজ সেই কুসুম কুমারী রায়ের ছেলের মৃত্যুবার্ষিকী।

ওহ! আপনারা তার ছেলেকে চিনেন তো??
কুসুম কুমারী রায়ের বড় ছেলে যার ডাকনাম ছিল মিলু।
গত এক শত বৎসরে ট্রাম দুর্ঘটনায় কোলকাতায় যে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ঘটেছিলো সেই ঘটনায়ই মারা যায় সে। কিন্তু খুবই আশ্চর্য ব্যাপার এই যে, তিনি প্রায়ই ট্রাম দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কথা ভাবতেন।

১৯৫৪ সালের ১৪ অক্টোবর সান্ধ্যভ্রমন শেষে ফেরার পথে রাসবিহারী এভিনিউয়ে চলন্ত এক ট্রামের নিচে পরেন তিনি। এই ঘটনার ৮ দিন পর নিউমনিয়া রোগসংক্রান্ত জটিলতায় মারা যান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের পর বাংলার স্বীকৃত এই কবি যার নামের প্রথমাংশের অর্থ-” জীবনের আনন্দ”। তার ছদ্মনাম ছিল- শ্রী , কালপুরুষ। বিপন্ন মানবতার নীল কণ্ঠ কবি বলা হত তাকে।

জী,তিনি আর কেউ নন, কবি জীবনানন্দ দাশ !!! mas efectivo viagra o cialis

আজ থেকে ৭৮ বছর আগে লিখেছেন কালজয়ী এবং সকল সময়ের আধুনিক কবিতা ‘বনলতা সেন।’ যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের এক অন্যতম সৃষ্টি। মজার ব্যাপার হল, ‘বনলতা সেন’ কবিতাটির বিষয়বস্ত্ত জীবনানন্দ দাশ নিয়েছেন এডগার এলান পো’র ‘টু হেলেন’ কবিতা থেকে।

১৯১৯ সালে প্রথম তাঁর লেখা কবিতা প্রকাশিত হয়। কবিতাটির নাম বর্ষা আবাহন। এটি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার বাংলা ১৩২৬ সনের বৈশাখ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। তখন তিনি শ্রী জীবনানন্দ দাশগুপ্ত নামে লিখতেন। ১৯২৭ সাল থেকে তিনি জীবনানন্দ দাশ নামে লিখতে শুরু করেন। দীনেশরঞ্জন দাস সম্পাদিত কল্লোল পত্রিকায় ১৩৩২ (১৯২৬ খ্রি.) ফাল্গুন সংখ্যায় তাঁর নীলিমা শীর্ষক কবিতাটি প্রকাশিত হলে আধুনিক বাংলা কবিতার ভুবনে তার আগমন ঘটে।

জীবদ্দশায় অসাধারণ কবি হিসেবে পরিচিতি থাকলেও তিনি খ্যাতি অর্জন করে উঠতে পারেননি। এরজন্য তার প্রচার বিমুখতাও দায়ী। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে অকাল মৃত্যুর আগে তিনি নিভৃতে ১৪টি উপন্যাস এবং ১০৮টি ছোটগল্প রচনা গ্রন্থ করেছেন যার একটিও তিনি জীবদ্দশায় প্রকাশ করেননি। তাঁর জীবন কেটেছে চরম দারিদ্রের মধ্যে। অর্থের প্রয়োজনে তিনি কিছু প্রবন্ধ লিখেছিলেন ও প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি বাংলা ভাষায় আধুনিক কবিতার পথিকৃতদের একজন। তিনি তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক বেশি আধুনিক ছিলেন। আর সেকারনেই এই সময়ে এসে তাঁর কবিতা গুলোকে মনে হয় যেন এই সময়েরই কবিতা। তিনি যদিও কবি হিসেবেই সমধিক পরিচিত কিন্তু মৃত্যুর পর থেকে ২০০৬ খৃস্টাব্দ অবধি তার যে বিপুল পাণ্ডুলিপিরাশি উদঘাটিত হয়েছে তার মধ্যে উপন্যাসের সংখ্যা ১৪ এবং গল্পের সংখ্যা শতাধিক।

কাব্যগ্রন্থ
(নিচে কেবল প্রথম প্রকাশনার বৎসর উল্লিখিত। মৃত্যু পরবর্তী প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ তারকা চিহ্নিত।)
ঝরা পালক (১৯২৭)
ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬)
বনলতা সেন (১৯৪২, কবিতাভবন সংস্করণ)
মহাপৃথিবী (১৯৪৪)
সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
বনলতা সেন (১৯৫২, সিগনেট প্রেস সংস্করণ)
জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪)
রূপসী বাংলা (১৯৫৭)*
বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)*
সুদর্শনা (১৯৭৪)*
আলো পৃথিবী (১৯৮১) *
মনোবিহঙ্গম*
অপ্রকাশিত একান্ন (১৯৯৯) * skip last dose of prednisone

প্রবন্ধগ্রন্থ
কবিতার কথা (১৯৫৫)
জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ সমগ্র (১৯৯০, সম্পাদকঃ ফয়জুল লতিফ চৌধুরী)* pharmacy online courses

উপন্যাস
মাল্যবান (১৯৭৩)*
সুতীর্থ (১৯৭৭)
চারজন (২০০৪: সম্পাদকঃ ভূমেন্দ্র গুহ ও ফয়সাল শাহরিয়ার)*

গল্পগ্রন্থ
জীবনানন্দ দাশের গল্প (১৯৭২, সম্পাদনা: সুকুমার ঘোষ ও সুবিনয় মুস্তাফী)
জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৮৯, সম্পাদনা: আবদুল মান্নান সৈয়দ) farmacia online cialis italia

পত্রসংকলন
জীবনানন্দ দাশের পত্রাবলী (বাংলা ১৩৮৫, সম্পাদকঃ দীপেনকুমার রায়)
জীবনানন্দ দাশের পত্রাবলী (১৯৮৬, সম্পাদকঃ আবদুল মান্নান সৈয়দ)

যখন খুব বেশি মন খারাপ থাকে বা নিজের চারপাশের জগতটাকে অসহ্য লাগে তখন তাঁর কবিতা গুলো পরে নিজেকে ফিরে পাই। তাঁর কিছু কবিতার কিছু লাইন মনে হয় যেন আমার কথাগুলো চুরি করে লেখা হয়েছে (!)। আমি শুধু গুছিয়ে কথাগুলো বলতে পারিনি আর সে সেই কথাগুলোকেই সাজিয়েগুছিয়ে সুন্দর করে লিখে দিয়ে গিয়েছে। তার লেখা ‘প্রেম’ কবিতাটি আমার সব চেয়ে প্রিয় কবিতা।
সেই আমাকে শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে- “মানুষের মতো নয় — নক্ষত্রের মতো হতে হয়!” sildenafil dosierung

You may also like...

  1. para que sirve el amoxil pediatrico
  2. তাকে নিয়ে বলতে গেলে আসলে বাংলার মত সমৃদ্ধ ভাষায়ও শব্দের অপ্রতুলতা অনুভব করি। তার চেয়ে বরং তারই দু’টো কবিতাংশ উদ্ধৃত করি:

    শেষ ট্রাম মুছে গেছে, শেষ শব্দ, কলকাতা এখন
    জীবনের জগতের প্রকৃতির অন্তিম নিশীথ;
    চারিদিকে ঘর বাড়ি পোড়ো-সাঁকো সমাধির ভিড়;
    সে অনেক ক্লান্তি ক্ষয় অবিনশ্বর পথে ফিরে
    যেন ঢের মহাসাগরের থেকে এসেছে নারীর
    পুরোনো হৃদয় নব নিবিড় শরীরে।

    আমি অতো তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে চাই না;
    আমার জীবন যা চায় সেখানে হেঁটে হেঁটে পৌঁছুবার সময় আছে,
    পৌঁছে অনেকক্ষণ বসে অপেক্ষা করবার অবসর আছে।
    জীবনের বিবিধ অত্যাশ্চর্য সফলতার উত্তেজনা
    অন্য সবাই বহন করে করুক; আমি প্রয়োজন বোধ করি না :
    আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
    হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
    নক্ষত্রের নিচে।

    prednisone help bronchitis

প্রতিমন্তব্যমষ্তিষ্ক প্রক্ষালক দার্শনিক বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * viagra tablets for sale in pakistan

buy viagra melbourne australia

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

medicamento sildenafil para sirve
treatment of poison ivy with prednisone