প্রীতিলতা। একটি নাম, বিপ্লব ও সংগ্রামের।

839

বার পঠিত

১৯৩২ সাল। ২৪ সেপ্টেম্বর। ইউরোপীয় ক্লাব থেকে বিপ্লবীদের সংকেত পাওয়ার পর, একজন দলনেতার নেতৃত্বে সাতজন তরুণ ঝাঁপিয়ে পড়লেন ইংরেজদের ওপর।
পরনে মালকোঁচা ধুতি। মাথায় গৈরিক পাগড়ি, গায়ে লাল ব্যাজ লাগানো শার্ট। ইনিই দলনেতা। এক হাতে রিভলবার, অন্য হাতে হাতবোমা। দলের সদস্যসংখ্যা সাত। সবার পরনে রাবার সোলের কাপড়ের জুতো। সবাই প্রস্তুত। দলনেতার মুখে ‘চার্জ’ শুনতেই সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ল শত্রুর ওপর। তারা তখন ক্লাবে মত্ত নাচ-গানে। পিকরিক অ্যাসিডে তৈরি বোমাটি বর্জ্রের মতো ভয়ংকর শব্দে ফেটে পড়ল; হলঘরে তখন শুধু ধোঁয়া। দলনেতাই এগিয়ে গেল সবার আগে। অথচ এটাই তার প্রথম অভিযান। বোমার বিস্ফোরণ, গুলির শব্দ, শত্রুর মরণ চিত্কার—সব মিলে এলাকাটা যেন পরিণত হলো এক দক্ষযজ্ঞে! সফল(!) হলো বিপ্লবীদের অভিযান। সকলেই নিরাপদে ফিরে এলেন, ফিরে এলেন না দলনেতা। ধরা পড়ার অপমান ঠেকাতে ‘পটাশিয়াম সায়ানাইড’ খেয়ে তিনি আত্মদান করলেন।পরদিন পুলিশ ক্লাব থেকে ১০০ গজ দূরে মৃতদেহ দেখে পরবর্তীতে তাকে সনাক্ত করেন। তাঁর মৃতদেহ তল্লাশীর পর বিপ্লবী লিফলেট , অপারেশনের পরিকল্পনা, বিভলবারের গুলি, রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ছবি, একটা হুইসেল আর একটি চিরকুট পাওয়া যায়। ময়না তদন্তের পর জানা যায় গুলির আঘাত তেমন গুরুতর ছিল না এবং পটাশিয়াম সায়ানাইড ছিল তাঁর মৃত্যুর কারণ।পুলিশ ক্লাবের পাশে পড়ে থাকা লাশকে পুরুষ ভেবেছিল। কিন্তু মাথার পাগড়ি খুলে লম্বা চুল দেখে শুধু ব্রিটিশ পুলিশ নয়, গোটা ব্রিটিশ সরকারই নড়েচড়ে উঠল। আলোড়িত হলো গোটা ভারতবাসী।

 এটা কোনো অ্যাডভেঞ্চার ফিল্মের দৃশ্য নয়। এটি ইতিহাসের এক অনন্য ঘটনা। আমরা আরও রোমাঞ্চিত হই—যখন জানি, ২১ বছরের সেই দলনেতা পুরুষ বেশে একজন নারী! বাংলাদেশেরই নারী! তাঁদের পরিবারের আদি পদবী ছিল দাশগুপ্ত। পরিবারের কোন এক পূর্বপুরুষ নবাবী আমলে “ওয়াহেদেদার” উপাধি পেয়েছিলেন, এই ওয়াহেদেদার থেকে ওয়াদ্দেদার বা ওয়াদ্দার।সেই নারীর নাম প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ছদ্মনাম ফুলতার।

 পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ডাকতো ‘রানী’ নামে। রানীর স্কুলের শিক্ষিকা উষাদি একদিন রানীকে একখানা বই “ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাই” দিয়ে বলেছিলেন, “এটা ভাল করে পড়। এটা পড়া শেষ হলে আরো বই পড়তে দেব।” বাড়ীতে ফিরে পরের দিন সন্ধাবেলা রানি ওই বইখানি পড়তে শুরু করলো।

বেশ কিছু বছর পর একদিন রানী তাঁর খুড়তুতো ভাই বিপ্লবী পূর্নেন্দু দস্তিদারকে ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাইয়ের ছবি দেখিয়ে বললেন, “নিশ্চয়ই তুমি এই ছবিটি চিনো? ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাই । এই বইটি অনেক আগে পড়ে শেষ করেছি। আমিও সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঝাঁসির রানী, রানী ভবানীর মতো দেশের জন্য লড়বো। প্রয়োজনে এদের মতো জীবন উৎসর্গ করবো। তোমাদের সাথে যুক্ত হব। তাছাড়া তোমরা আমায় রানী বলে ডাক। নাটোরের আর ঝাঁসির রানী যা পেরেছিল, চাটগার রানী নিশ্চয়ই তা পারবে।”
এই চাটগার রানী আর কেউ নন, তিনি অগ্নিযুগের বিপ্লবী কন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
ছাত্রী হিসেবে তার ছিল ঝলমলে সব রেকর্ড। ১৯২৭ সালে চট্টগ্রামের খাস্তগীর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাস করেন এবং ভর্তি হন ঢাকার ইডেন কলেজে। ১৯২৯ সালে মেয়েদের মধ্যে প্রথম ও সবার মধ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করে আইএ পাস করেন। কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে বিএ পাস করে তিনি নন্দন কানন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে যোগদান করেছিলেন।

চট্টগ্রাম ইউরোপীয়ান ক্লাব। ক্লাবের ফটকে লেখা “ডগ এন্ড ইন্ডিয়ান প্রহিবিটেড”।  কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ।
সেদিন ছিল শনিবার, তখন প্রায় ৪০জন মানুষ তখন ক্লাবঘরে অবস্থান করছিল।  তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিপ্লবীরা ক্লাব আক্রমণ শুরু করেন। বিপ্লবীদের আশ্রয়দাতা যোগেশ মজুমদার প্রথমে ক্লাবের ভিতর থেকে রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ এর দিকে আক্রমণের নিশানা দেখিয়ে দেন এবং এর পরেই ক্লাব আক্রমণ শুরু হয়। পূর্বদিকের গেট দিয়ে ওয়েবলি রিভলবার এবং বোমা নিয়ে আক্রমণের দায়িত্বে ছিলেন প্রীতিলতা, শান্তি চক্রবর্তী এবং কালীকিংকর দে। ইউরোপিয়ান ক্লাবের পাশেই ছিল পাঞ্জাবীদের কোয়ার্টার। এর পাশ দিয়ে যেতে হবে বিধায় প্রীতিলতাকে পাঞ্জাবী ছেলেদের মত পোষাক পড়ানো হয়েছিল।  প্রীতিলতা হুইসেল বাজিয়ে আক্রমণ শুরুর নির্দেশ দেবার পরেই ঘন ঘন গুলি আর বোমার আঘাতে পুরো ইউরোপিয়ান ক্লাব কেঁপে উঠেছিল। যথাসময়ে তিনবার সংকেত পাওয়া মাত্র বিপ্লবীরা আক্রমণ পলিচালনা করে ও রিভলবার ও হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। ওয়েবলি রিভলবার নিয়ে সুশীল দে এবং মহেন্দ্র চৌধুরী ক্লাবের দক্ষিণের দরজা দিয়ে এবং পিস্তল নিয়ে বীরেশ্বর রায়, রাইফেল আর হাতবোমা নিয়ে পান্না সেন আর প্রফুল্ল দাস ক্লাবের উত্তরের জানালা দিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিলেন। প্রীতিলতা পরে হুইসেল বাজিয়ে সঙ্গীদের প্রত্যাবর্তনের আদেশ দেন। ক্লাবের বিশিষ্ট ইংরেজরা বাইরে ছত্রভঙ্গ হয়ে বেরিয়ে আসে। ক্লাবঘরের সব বাতি নিভে যাওয়ার কারনে ক্লাবে উপস্থিত থাকা সবাই অন্ধকারে ছুটোছুটি করতে লাগল। ক্লাবে কয়েকজন ইংরেজ অফিসারের কাছে রিভলবার থাকায় তারা পাল্টা আক্রমণ করল। আত্মগোপনরত এক ইংরেজের নিক্ষিপ্ত গুলি এসে বিদ্ধ হয় প্রীতিলতার বুকে। প্রীতিলতার নির্দেশে আক্রমণ শেষ হলে বিপ্লবী দলটির সাথে তিনি কিছুদূর এগিয়ে আসেন। মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর প্রীতিলতা ধরা পড়বার ভয়ে পকেট থেকে সায়ানাইট বড়ি বের করে মুখে দেন আর কিছুক্ষণের মধ্যে চিরনিদ্রার কোলে ঢলে পড়েন। এই আক্রমণে ৫৩ জন ইংরেজ নরনারী হতাহত হয় বলে সাপ্তাহিক ইংলিশম্যান পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এই সফল আক্রমণে পাঁচ বিপ্লবীর সঙ্গে ক্লাবের মুসলমান বাবুর্চির অবদান চিরঅমস্নান হয়ে থাকবে। এ যাবত ব্যক্তিগত পরিচয় কিংবা নাম কিছুই জানা যায়নি। বিপ্লবীদের স্মৃতিচারণমূলক লেখায় কিংবা পরবর্তী লেখক-গবেষকদের কাছে তিনি অজ্ঞাতনামা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
সেই দিনের আক্রমণে মূলত অনেক ব্রিটিশ নিহত হলেও পুলিশের রিপোর্টে মাত্র ১জন নিহত ও ১১জন আহতের খবর প্রকাশ করা হয়।

 মৃত্যুর পর লাশের সাথে পাওয়া স্বহস্তে লিখিত চিঠিতে ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছিল-

আমি বিধিপূর্ব ঘোষণা করতেছি যেই প্রতিষ্ঠানের উচ্চ আদর্শে অনুপ্রাণিত হইয়া অত্যাচারীর স্বার্থসাধনে প্রয়োগকারী সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শাসনের উচ্ছেদ সাধন করিয়া আমার মাতৃভূমি ভারতবর্ষে গণতান্ত্রিক শাসন প্রবর্তন করিতে ইচ্ছুক আমি সেই ভারতীয় রিপাবলিকান আর্মির চট্টগ্রাম শাখার একজন সদস্যা। acne doxycycline dosage

এই বিখ্যাত চট্টগ্রাম দেশের যুবকদের দেশের যুবকদের দেশপ্রেমকে নব-চেতনায় উদ্বুদ্ধ করিয়াছে। স্মরণীয় ১৯৩০ এর ১৮ এপ্রিল এবং উহার পরবর্তী পবিত্র জালালাবাদ ও পরে কালারপোল, ফেনী, ঢাকা, কুমিল্লা, চন্দননগর ও ধলঘাটের বীরোচিত কার্যসমূহ ভারতীয় মুক্তিকামী বিদ্রোহীদের মনে এক নতুন প্রেরণা জাগাইয়া তুলিয়াছে।

আমি এইরূপ গৌরবমণ্ডিত একটি সংঘের সদস্যা হইতে পারিয়া নিজেকে সৌভাগ্যবতি অনুভব করিতেছি। nolvadex and clomid prices

আমার দেশের মুক্তির জন্য এই সশস্ত্র যুদ্ধ করিতেছি। অদ্যকার পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমন স্বাধীনতা যুদ্ধের একটা অংশ। ব্রিটিশ জোরপূর্বক স্বাধীনতা ছিনাইয়া লইয়াছে। ভারতে কোটি কোটি নরনারীর রক্ত শোষন করিয়া তাহারা দেশে নিদারুণ দূর্দশার সৃষ্টি করিয়াছে। তাহারাই আমাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধ্বংসের এবং সকল অধঃপতনের একমাত্র কারণ। সুতরাং তাহারাই আমাদের একমাত্র শত্রু। স্বাধীনতা লাভ করার পথে তাহারাই আমাদের একমাত্র অন্তরায়। যদিও মানুষের জীবন সংহার করা অন্যায়, তবু বাধ্য হইয়া বড় বড় সরকারী কর্মচারী ও ইংরেজের জীবন সংহার করিতে আমরা অস্ত্র ধারণ করিয়াছি। মুক্তিপথের যে কোন বাধা বা অন্তরায় যে কোন উপায়ে দূর করার জন্য আমরা সংগ্রাম করিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ………………

……সশস্ত্র ভারতীয় নারী সমস্ত বিপদ ও বাঁধাকে চূর্ণ করিয়া এই বিদ্রোহ ও সশস্ত্র মুক্তি আন্দোলনে যোগদান করিবেন এবং তাহার জন্য নিজেকে তৈয়ার করিবেন- এই আশা লইয়া আমি আজ আত্মদানে অগ্রসর হইলাম।”

 

 জন্মের পর কালো মেয়েটির মুখ দেখে প্রতিভা ওয়াদ্দেদার বলেছিলেন, আমার কালো মেয়েটা একদিন তোমাদের সবার মুখ আলোকিত করবে। মা নাম দিয়েছিলেন রানী। মায়ের ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে ফলেছে।
যাওয়ার আগে মায়ের কাছে চিঠি লেখেন প্রীতি,

মাগো ,
তুমি আমায় ডাকছিলে
? আমার যেন মনে হলো তুমি আমার শিয়রে বসে কেবলি আমার নাম ধরে ডাকছো, আর তোমার অশ্রু-জলে আমার বক্ষ ভেসে যাচ্ছে। মা, সত্যিই কি তুমি এত কাঁদছো? আমি তোমার ডাকে সাড়া দিতে পারলাম না—তুমি আমায় ডেকে ডেকে হয়রান হয়ে চলে গেলে।

স্বপ্নে একবার তোমায় দেখতে চেয়েছিলাম —তুমি তোমার আদরের মেয়ের আবদার রক্ষা করতে এসেছিলে! কিন্তু মা, আমি তোমার সঙ্গে একটি কথাও বললাম না। দুচোখ মেলে কেবল তোমার অশ্রুজলই দেখলাম। তোমার চোখের জল মোছাতে এতটুকু চেষ্টা করলাম না।

মা , আমায় তুমি ক্ষমাকরো—তোমায় বড় ব্যথাদিয়ে গেলাম। তোমাকে এতটুকু ব্যথা দিতেও তো চিরদিন আমার বুকে বেজেছে। তোমাকে দুঃখ দেওয়া আমার ইচ্ছা নয়। আমি স্বদেশ-জননীর চোখের জল মোছাবার জন্য বুকের রক্ত দিতে এসেছি। তুমি আমায় আশীর্বাদ কর, নইলে আমার মনোবাঞ্ছা পুর্ণ হবে না। all possible side effects of prednisone

একটি বার তোমায় দেখে যেতে পারলাম না! সেজন্য আমার হৃদয়কে ভুল বুঝোনা তুমি। তোমার কথা আমি এক মুহুর্তের জন্যও ভুলিনি মা। প্রতিনিয়তই তোমার আশির্বাদ প্রার্থনা করি।
আমার অভাব যে তোমাকে পাগল করে তুলেছে
, তা আমি জানি। মাগো, আমি শুনেছি, তুমি ঘরের দরজায় বসে সবাইকে ডেকে ডেকে বলছো—“ওগো তোমরা আমার রাণীশূন্য রাজ্য দেখে যাও”।

তোমার সেই ছবি আমার চোখের ওপর দিনরাত ভাসছে। তোমার এই কথাগুলো আমার হৃদয়ের প্রতি তন্ত্রীতে তন্ত্রীতে কান্নার সুর তোলে।

মাগো , তুমি অমন করে কেঁদোনা! আমি যে সত্যের জন্য-স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিতে এসেছি, তুমি কি তাতেআনন্দ পাও না? half a viagra didnt work

কি করবে মা ? দেশ যে পরাধীন! দেশবাসী যে বিদেশীর অত্যাচারে জর্জরিত! দেশমাতৃকা যে শৃঙ্খলভারে অবনতা, লাঞ্ছিতা, অবমানিতা!

তুমি কি সবই নীরবে সহ্য করবে মা ? একটি সন্তানকেও কি তুমি মুক্তির জন্যউৎসর্গ করতে পারবে না? তুমি কি কেবলই কাঁদবে? আর কেঁদোনা মা। যাবার আগে আর একবার তুমি আমায় স্বপ্নে দেখা দিও। আমি তোমার কাছে জানু পেতে ক্ষমা চাইবো।
আমি যে তোমায় বড় ব্যথা দিয়ে এসেছি মা। ইচ্ছা করে ছুটে গিয়ে তোমার কাছেক্ষমা চেয়ে আসি। তুমি আদর করে আমাকে বুকে টেনে নিতে চাইছো
, আমি তোমার হাত ছিনিয়ে চলে এসেছি। খাবারের থালা নিয়ে আমায় কত সাধাসাধিই না করেছো—আমি পিছন ফিরে চলে গেছি।

না , আর পারছি না। ক্ষমা চাওয়া ভিন্ন আর আমাত উপায় নেই। আমি তোমাকে দুদিন ধরে সমানে কাঁদিয়েছি। তোমার ক্রন্দন আমাকে এতটুকু টলাতে পারেনি।

কি আশ্চর্য মা! তোমার রাণী এত নিষ্ঠুর হতে পারলো কি করে ? ক্ষমা করো মা; আমায় তুমি ক্ষমাকরো!

(আত্মাহুতির আগের রাতে প্রীতিলতা মায়ের উদ্দেশে এই চিঠিটি লিখেছিলেন। তাঁর মৃত্যুবরণের পর মাষ্টারদা এই পত্রটি প্রীতিলতার মায়ের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।)
এভাবে স্বেচ্ছায় নিজের জীবনকে দেশের জন্য উৎসর্গ করার কথা ভাবতে পারে তেমন অসমসাহসী নারী এক শতকে কয়জন জন্ম নেয় একটা দেশে? কর্ম আর মৃত্যু চাই, প্রশ্ন করার কিছু নাই’-এই দীক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শক্তিশালী ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে মরণপণ লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়ে সহকর্মীদের শক্তি-সাহস যুগিয়েছেন তিনি।  গতকাল ছিল ২৪ সেপ্টেম্বর, মহান এই বিপ্লবীর ৮২তম আত্নাহতি দিবস।
পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে এসে মাতৃভূমির জন্য সশস্ত্র যুদ্ধ করে স্বেচ্ছায় আত্মাহুতি দেয়া এই নারীর কথা এখন ভুলে গেছে বর্তমানের প্রজন্ম। তাঁর নাম নতুন করে বলার কিছু না থাকলেও খুব অল্পজনই জানে এই অসাধারণ সাহসী বিপ্লবী নারী সম্পর্কে।

Original_Archived_photo_of_Pritilata_Waddedar
প্রীতিলতা। একটি নাম, বিপ্লব ও সংগ্রামের।

metformin synthesis wikipedia

You may also like...

  1. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    খুবই সুন্দর এবং গুছানো লিখা। নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস সচেতনে আপনার শাণিত লিখা আরও বেশী করে চাই…

  2. জন কার্টার বলছেনঃ

    চমৎকার একটি লেখা! প্রীতিলতা, বিপ্লবে উদ্ভাসিত বিপ্লবী বিনম্র শ্রদ্ধা এই বিপ্লবীর প্রতি….

  3. শঙ্খনীল কারাগার বলছেনঃ

    চমৎকার লিখেছেন।

  4. ডার্ক ম্যান বলছেনঃ

    এই অসাধারণ ইতিহাস মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
    আর বিপ্লবীদের পুণ্যভূমিতে হেফাজতের মত শক্তির উত্থান বড়ই দুশ্চিন্তার বিষয়।

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

buy kamagra oral jelly paypal uk

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

capital coast resort and spa hotel cipro
can levitra and viagra be taken together