ফিরে আসা

315

বার পঠিত

ফিরে আসা
১.

সকালে পিয়নটা চিঠিটা দিয়ে গেল। জোয়ার্দারের বিদ্যার জোর খুব বেশী নয়। নবম শ্রেণী পর্যন্ত। ইংরেজী সে ভালো বুঝেনা। খাম খুলে বহুকষ্টে চিঠিটা সে পড়তে শুরু করলো। ডিভোর্স লিখাটা বেশ ক’বার লিখা। জোয়ার্দারের বুঝতে অসুবিধা রইলো না এইটে একটা ডিভোর্স লেটার এবং তার মেয়ে কুড়ি দিন হলো যে বাসায় চলে এসেছে তার হেতু। পিয়নের হাত থেকে চিঠিটা নেয়ার সময় এসে সাইন করে দিয়ে সে চলে গেছে। তাহলে মেয়ে কি জানতো কি হতে চলেছে?

সে মেয়ের মা তারা বেগমকে ডাকে। তারা বেগম হেসেল ঘরে। ডালে বাগার দিচ্ছিলো। ওখান থেকেই চেঁচিয়ে জবাব দেয়, কি হইছে কও?
জোয়ার্দারের মেজাজ দ্বিগুন গরম হয়। ব্যাস ওই পর্যন্তই। কোন কালেই সে তারা বেগমের সাথে গলাবাজীতে পারেনি। বিয়ের প্রথম দশ বছর তাদের কোন সন্তান হয়নি। তারা বেগম এ নিয়ে
কম কথা শুনেনি আত্মীয় স্বজন এবং পাড়া প্রতিবেশীর কাছে। ফিচ ফিচ করে কাদতো তখন। সব দোষ দিত তার ঘারে। তখন থেকেই আত্মবিশ্বাস হারাতে থাকে জোয়ার্দার। গলা চড়তে থাকে তারা বেগমের। এই চড়া আজ অবধি আছে।

সে চিঠিটা পড়ে বুঝার চেষ্টা করে। খুব ভালো পায়না। তবে বুঝে মেয়ের কপালে শনি ঘনিয়ে আসছে। কপালের ঘাম মুছতে মুছতে বসার ঘরে আসে তারা বেগম। মেজাজ চড়ানো গলায় বলে, কি হইছে কও?

খুব কষ্ট করে মেজাজ সংযত করে জোয়ার্দার। মাথা নীচু করে বলে, ডাকো তোমার মেয়েকে।

তারা বেগম গরম হয়ে বলে, মেয়ে কি কেবল আমার একার?

জোয়ার্দার হতাশ কন্ঠে বলে, শান্তাকে ডাকো!

শান্তা নিজের ঘরেই বসে ছিল। তাকে ডাকতে হয়না। সে মায়ের গলা শুনতে পেয়ে নিজেই আসে। ড্রইং রুমের পর্দা ধরে দাঁড়ায়। ক্ষীণ কন্ঠে বলে, কি হইছে, বলো?

জোয়ার্দার মেয়েকে দেখে। মায়ের রূপটা পেয়েছে। চোখ নাক মুখের আদল গায়ের রং সব। রূপের দেমাগে পাড়া তো কম গরম করেনি। ছেলে ছোকড়ার মাথা চিবিয়ে খেয়েছে বিয়ের আগে। এলাকার ফালতু পোলারা দিন কি রাত দুপুরে সারাক্ষণ ফোন দিত। মাসখানেক গেলেই মেয়ের হাতে নতুন মোবাইল ফোন দেখা যেত। জিজ্ঞাস করলেই মায়ের মত তেলে বেগুনে জ্বলে উঠতো। একটা সময় হাল ছেড়ে দেয় জোয়ার্দার। মায়ের আস্কারা পেয়ে মেয়ে মাথায় উঠে। বদমাইশ ছেলে ছোকড়ার দল দিন রাত বাইকে থামিয়ে তার বাড়ির সামনে আড্ডা দেয়। তাকে দেখে উঠে দাড়িয়ে মিহি সুরে সালাম দেয়। তার পিত্তি জ্বলে।

করুন স্বরে মেয়ে শান্তাকে জিজ্ঞাস করে জোয়ার্দার, জামাইয়ের সংগে কি হইছে?

মেয়ে ঘার বাঁকা করে বলে, তোমার জামাইরে জিগাও। আমারে কে? viagra in india medical stores

তারা বেগম স্বামীকে বলে, হাতে এইটা কি?

জোয়ার্দার বলে, উকিল নোটিশ। তোমার মেয়েকে ডিভোর্স লেটার পাঠাইছে নজীর। তোমার জামাই।

কথা বলতে গিয়ে গলাটা কাঁপে জোয়ার্দারের। তারা বেগম গলা সপ্তমে উঠে, ডাইভোর্স? কইলেই হবে? নজিরের চৌদ্দ গোষ্ঠিরে জেলের ভাত খাওয়ামু না। কুত্তার বাচ্চার কত বড় সাহস আমার মাইয়ারে উকিলের চিঠি পাঠায়? টান দিয়া জিবলা ছিড়া ফালামু না! clomid over the counter

জোয়ার্দার চোখ সরিয়ে দেখে মেয়ে পর্দা ছেড়ে ভিতরে চলে গেছে। সে উঠে দাঁড়ায়। এই সাত সকালে যেতে হবে উকিলের চেম্বারে। বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, উকিল ছুঁলে ঘা’টা হয় দ্বিগুন। এই বয়সে তার এইসব ভালো লাগেনা। বাপ তো। তাও কন্যার বাপ। para que sirve el amoxil pediatrico

২.

নিজের বাড়ির উঠানে বসা নজির। আজ দোকানে বসেনি । বড়দা দুই বার ফোন দিয়েছে। সে রিসিভ করেনি। মা এসে জানালো, আজ রবি বার। দোকানে যাস না কেন? রবিবারদোকানে চাপ বেশী থাকেনা!

মাকে কিছু বলেনি সে। তার থমথমে চেহেরা দেখে মা আর কথা বাড়ায়নি। বড় ভাবী এসে চা দিয়ে গেল। তার হতাশ মুখ দেখে বল্লো, তুমি চিন্তা কইরোনা তো ছোট জামাই। বউ মরে ভাগ্যবানদের। ছাইড়া দেওয়া আর মইরা যাওয়া একই কথা।

সে চুপ থাকে। কথা বলতে ইচ্ছে করেনা।

ভাবী বলে, চা খাইয়া দোকানে যাও। মানুষজনের সংগে থাকলে মনের চাপ কমবো।

সে চায়ে ঠোঁট ছোঁয়ায়। মন খারাপ কন্ঠে বলে, তোমার জালরে তিন বেলা মারা উচিৎ ছিল। সকালে নাস্তার পর একচোট, দুপুরে খাওয়ার পর একচোট আর রাইতে শোয়ার সময় আরেকবার। মারলে মনটা তাইলে শান্তিতে থাকতো।

ভাবী হাসতে হাসতে বলে, মারলে উল্টা কেস খাইতা। বি.এ পাশ করছো কি বউ পিটানোর লিগা?

নজির উত্তপ্ত কন্ঠে বলে, তাইলে কি? তোর পুরান প্রেমিকরা দোকানে আইসা আমারে শাষায়। ঘরে তোর শাশুড়ি আছে তারে না জিগাইয়া তুই যার তার লগে বাইকে বইসা ঘুরতে বের হস? তুই পাইছস টা কি? সংসার ধর্ম না ফাইজলামী করতে আইছস? ইতর কোনহানকার!

ভাইয়ের বৌ চুপ মেরে যায়। চুপচাপ উঠান ছেড়ে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা দেয়। ছোট জামাই বৌটারে ভালবাসতো খুব। খানকী, তুই বুঝোস না, বিয়ার পর প্রেম কেবল সোয়ামীর লগে? কি দরকার ছিল প্রেমিকগো লাইন লাগানোর? চেহেরা কি কুত্তা গো? হিরোইনচি একেকটা। তোর সোয়ামীর চেহেরাটা দেখস না? পাড়ার ছেমড়িরা তোর বিয়ার আগে রূপ হা কইরা গিলত। ছেমড়িরা তোর জামাইরে নিয়া কাড়াকাড়ি করছে? লোকটা ভালো ছিল। বুঝলিনা হারামজাদি!

নজিরের মেজাজ চড়ে থাকার কারণ ভিন্ন। উকিল জাতটাই খারাপ। কাল সদরে গিয়েছিল কাজে। উকিলের চেম্বারে কাজ শেষে গেল। উকিল টাইপ করা চিঠিটা তাকে দেখালো। পুরো চিঠিটাতে সত্যের সংখা সীমিত কিন্ত মিথ্যার ছড়াছড়ি। শালা মিথ্যার কারবারি! শান্তা যাওয়ার সময় এক কাপড়ে বেরিয়েছে। চিঠিতে লিখা ২৪ ভরি স্বর্ণের সংগে নগদ দুই লক্ষ টাকাও নিয়ে গেছে। উকিল সুমিত মিত্র জানালো, মিথ্যা না লিখলে মামলায় জিতা সহজ হবেনা। দেনমোহরের টাকাও তো পায়। তাই না? হে হে হে!

উকিলের ফি দিয়ে সে উঠে দাঁড়িয়েছে। বড়দার কথা শুনার দরকার ছিল। বিয়ের আগে খোঁজ খবর নিয়ে বড়দা বল্লো, মাইয়ার রেকর্ড খারাপ বাদ দাও।

মাইয়ার রূপে পাগল ছিল নজির। বড়দাকে সরাসরি বলতেও পিছপা হয়নি। বিয়ের দু’দিন পর রক্তের ধারা বলে দিয়েছে মেয়ে ভালো। বড়দার ধারণা ভুল ছিল।

পালা কুত্তাটা কুই কুই করে। কষে একটা লাথি কষাতে ইচ্ছে করে কুত্তার পিঠে। কুত্তাটাকে মনেহয় শান্তা। সে খুব কষ্টে রাগ সংবরণ করে। হারামজাদি আমি তোরে ফোন দিইনা কারণ তুই কাউরে না জিগাইয়া গেছোস। তোরে শাষণ করার অধিকার কি আমার নাই? এমন তো না চড় থাপ্পর মারছি। খালী কইছি সংসার ধর্মে মন দিতে। গলাটা একটু চড়ে ছিল হয়তো। এর লিগা তুই যাবি গা? গেছোস ভালো করছস। এহন আরেকটা বিয়া করুম। দেশে কি মাইয়া মাইষ্যের অভাব আছেনি? capital coast resort and spa hotel cipro

৩.

আজ পিয়ন চিঠিটা দিয়ে যাওয়ার পর থেকে মনটা আনচান করছে শান্তার। একেবারে ডিভোর্স লেটার? হারামজাদা, মাইয়া মানুষের মন জানোস না? ঠকঠকাইয়া খুলতে হয়। আর তুই শান্তারে চিনোস নাই?বিয়ার দুই দিন পর রক্ত দেইখা কি মনে হইছে? সতী লাগে নাই, সতী?

জব্বারে তুই জানোস? এই শান্তা জানে। কি এক ভুলে যে জব্বার প্রেমে পা দিসিলাম। চাইরটা মার্ডার কেসের আসামী। সরকারী দলের নেতা গো লগে হট কানেকশন। তোরে ফালাইতে কতক্ষণ? তরে কি কম বুঝাইসি, চল আমেরিকা যাই গা। বড় মামা তো সব ব্যবস্থা নিয়া রাখসে। এই মরার দেশে কি আছে? পাড়ার ছেমড়িরা হাইসা হাইসা কথা কয় তুই হেইডা ভালা পাস? আমি যদি জব্বারের লগে না যাই তরে না মাইরা লাইবো। তোর লাশটাও তো খুঁইজা পামুনারে! আর জব্বার কি শরীর চায়? ওর কি শরীরের অভাব আছে? এক নেতার মাইয়ারে বিয়া করছে উপরের সিঁড়ি পাওনের লিগা। মাইয়া হইলো বোবা। আমার লগে আসে সুখ দুঃখের কথা কইতে। না গেলে কইসে তোরে গুম করবো। ক’ আমি এহন কি করুম?

শান্তা বিছনা ছেড়ে উঠে বসে। দেয়ালের ঘড়ির দিকে তাকায়। দুপুর দুইটা বেজে দশ। উঠে চুলের খোঁপা ঠিক করে। খাটের কোনা থেকে উড়না নেয়। মায়ের রুমে গিয়ে দেখে মা বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। কাজের এক মেয়ে আছে। সে ড্রইংরুমে টিভি ছেড়ে হা করে বাংলা সিনেমা দেখছে। দরজা খুলে বাইরে পা বাড়ায় শান্তা। কাজের ছেড়ি জিজ্ঞাস করে, আফা, কই যান? সে উত্তর দেয়না। কথা বলতে ভালো লাগেনা। নজিরে খুঁইজা বাইর কইরা থাপ্পর মারতে পারলে দিলে শান্তি হইতো। মেইন গেইট খুলে সে শাখা রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করে। তিনটার ট্রেনে চাপতে হবে। আজ নজিররে কড়া করে দুইটা কথা না শুনাতে হবে। ডিভোর্স চায়, ডিভোর্স?

৪.

জোয়ার্দার যখন ট্রেন থেকে নামে তখন দুপুর বারোটা। স্টেশনে দীর্ঘক্ষন চুপচাপ বসে ছিল সে। উকিলের কাছে যায়নি সে। জামাইয়ের লগে কথা কওয়াটা অতীব জরুরী। উকিল ধরলেই তো বানের জলের মত টাকা লাগবে। মানে হয়? উকিল তো আর সংসার টিকাইতে পারবোনা? শেষে কেলেংকারীর একশা হবে। ভরা বাজারে মাইয়াডারে কুলটা অসতী বইলা বিপক্ষ উকিল সন্মোধন করবো। কি দরকার? তারচেয়ে জামাইটার লগে কথা কইয়া যদি বুঝানো যায়। মন্দ কি? সব নিজেরাই তো।

দুপুরের নামাজের পর ক্ষিধাটা বেশ ক’বার চাগার দিছে। সে কিছু খায়নি। এমন মানসিকতা নিয়া কি খাওয়া যায়? নামাজ শেষে সে বাজারের দিকে হেঁটে জামাই গো দোকান দেখে আসছে। জামাই নাই। বড় ছাওয়াল বসা। সে বুঝে জামাইয়ের মনের অবস্থাও ভালো না। এই মন নিয়া কি দোকানদারি করা যায়? লক্ষ লক্ষ টাকার কারবার।

মাগরিব নামাজ শেষে সে ধীরপায়ে বেয়াইন বাড়ি দিকে হাঁটা ধরে। মিষ্টি যে কিনতে হবে তা তার খেয়াল হয়না। মাথা নীচু করে পরাজিত মানুষের মত সে হাঁটে। দরকার হলে জামাইয়ের পা ধরতে হবে। মাইয়া যে ভালো না তা সে জানে। পিতারও তো কত ধরনের কর্তব্য থাকে। সে তো ঠিকমত পালন করতে পারে নাই। তারা বেগমের সাথে গরম হইয়া শাষনের ভারটা নিজে নিলো না কেন? শাষন ঠিকমত দিলে তো মাইয়াটা লাইন ছাড়ে না। সঠিক পথে থাকে।

বাড়ির রাস্তায় উঠতেই নজিরের সাথে দেখা হয়ে যায়। নজির সিগারেট ফুঁকছে। তাকে দেখে সিগারেট ফেলে দিয়েছে জামাই। লক্ষন ভালো। ছেলের আদব কায়দা আছে। বি. এ পাশ পুলা। আদব কায়দায় ষোল আনা। missed several doses of synthroid

সামনে গিয়ে হাসি মুখে বলে, বাবা কেমন আছ?

নজির ভ্রুকুঞ্চিত করে বলে, ভালো।

জোয়ার্দার মিনমিন করে বলে, দুইটা কথা ছিল বাবা। যদি একটু শুনতা!

নজির অন্যদিকে মুখ করে বলে, উকিল নোটিশ তো পাইছেনই। এহন আবার কি কথা?

জোয়ার্দার কিছু বলেনা। মাথা নীচু হয়ে আসে। হেমন্তের ধানের শীষ ছোঁয়া বাতাস বয়ে যায়। রাস্তার নেড়ি কুত্তাটা ঘেঁউ ঘেঁউ করে ডাকে। কি বলবে ভেবে পায়না জোয়ার্দার। জামাই ক্ষেপে আছে। আবারো মিনমিন করে বলে, তুমি ওরে দুইডা মারতা। জামাই থুইয়া পর পুরুষের লগে ঘুরতে যায়। তুমিই বা কেমন পুরুষ?

নজির দাঁতে দাঁত চেপে বলে, আপনি পারছেন?

কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা পড়ে। জোয়ার্দার চুপসে যায়। মেয়ে তো পুরা মায়ের স্বভাব পাইছে। হাত কচলে বলে, একগ্লাস পানি খামু বাবা!

বাড়ির উঠানে পারা দিতেই বড় ভাবী দৌড়ে আসে। নজিরের শুশুড় যে নজিরের পিছনে তা খেয়াল করেনা। টান মেরে দেবরকে ভিতর ঘরে নিয়ে যায়। জোয়ার্দার কিছুক্ষন পর শুনে ভিতরে কাউকে মারা হচ্ছে। সে ঠাওর পায়না। মেয়েলী গলায় কিছু শব্দ তার কানে ভেসে আসে, ও মাগো, ও বাবাগো!

৫.

শান্তা চুপচাপ শুয়ে ছিল। কেদে বালিশ ভিজিয়েছে। হুট করে নজির এসে যে চুলের মুঠি ধরে টেনে দাঁড় করিয়ে মারতে শুরু করবে সে সেটা ভাবেনি। প্রথম চড়টা পড়লো বা গালে। ডান হাতের কষানো থাপ্পড়। তার মাথা টলে উঠলো। চড়টা খাওয়ার পর মনে হলো পেটে যদি সন্তান আসতো তবে জব্বার তাকে এম্নি ছেড়ে দিত। পোয়াতি মাইয়া গো আর যাই হোক পুরান প্রেমিকরা পছন্দ করেনা। নজির তো সন্তান নিতেই চাইছে। বিয়ার চার মাস পর পেটে সন্তান আসলো। সে জব্বাররে স্বামী বানাইয়া শহরের হাসপাতালে গিয়া ফালায় আসলো। সন্তান আসলেই তো ফিগার নষ্ট।

নজিরের মারগুলো আজ তার বড় ভালো লাগছিল। এইটা আগে দিলো না ক্যান? ক্যান ক্যান ক্যান? ব্যথা পাচ্ছিলো খুব। বাম স্তনে ঘুষিটা গিয়ে কলজেতে আঘাত হানলো। সে উপুড় হয়ে পড়লো বিছানায়। শরীর ভেংগে কান্না আসলো। ঠোঁট কেঁটে গেছে। জিহ্বায় নোনা স্বাদ। একগাদা গালি মনে মনে দিল জব্বারকে।

৬.

বারান্দায় পাটি বিছিয়ে খেতে দেয়া হয়েছে জোয়ার্দারকে। মেয়ে খাবার বেড়ে দিচ্ছে। মাথায় ঘোমটা টানা। মেয়েটার মুখটা মার খেয়ে ফুলে আছে। বা দিকের উপর দিকের ঠোঁটটা কাঁটা। দেখে খারাপ লাগছে আবার মনের ভিতর আনন্দের বানও বইছে। আল্লায় যা করে ভালোর জন্যই করে। দরকার হলে সে সরকারী দলের নেতার কাছে যাবে। দক্ষিনে যে বিঘাখানিক জমিটা আছে প্রয়োজনে সেটা বেঁচে কুত্তার বাচ্চা জব্বারকে গাঙের জলে ভাসাবে। সব উপরওয়ালার মর্জি।

levitra 20mg nebenwirkungen

You may also like...

  1. ণ

    বলছেনঃ

    বাঙালি চিরায়ত পিতা। বাঞ্চত বললেও এদের কম বলা হয়। গোয়ার্তমি কইরা বিয়া দিবে, তারপর বাকি জীবন আফসোস করবে, বলবে আল্লাহয় যা রাখিছিলো কপালে !

    লেখাটা ভাল লেগেছে metformin gliclazide sitagliptin

    doctorate of pharmacy online
  2. কিভাবে নেব ঘটনা টা!!

    বুঝলাম না!!!! বুঝিয়ে দেন।

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. viagra en uk

ovulate twice on clomid
half a viagra didnt work accutane prices