নাস্তিকদের কাছে অনুরোধ

749

বার পঠিত

আমার খুব ঘনিষ্ট বন্ধুদের একজন রাতুল। মানুষ হিসেবে ও যেরকম অসাধারণ তেমনি অনবদ্য বন্ধু হিসেবে। খুব রসিক আর পরোপকারী। খুব রসিক হওয়ায় ওকে ছাড়া আমাদের আড্ডা প্রায়ই নেতিয়ে যেত। আবার প্রায় আড্ডা ভেঙ্গে যেত ওর কারণেই। কারণটা হল ওর নাস্তিকতা। এটা কোন সমস্যা না যে ও নাস্তিক। সমস্যা এই যে, ও সবসময় চেষ্টা করত ওর আশেপাশের সবাইকে ওর ধারনাগুলো বলতে, বোঝাতে। সবসময় যে সমস্যা হত তাও না। প্রায়ই ও সফল হত। আমার আরেক বান্ধবী শিলাও ধীরে ধীরে ওর পথ ধরেছিল। ওর সাথে থাকার সুবাদে বা বিবাদে শিলারও ধর্ম থেকে বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। যাই হোক আমাদের আড্ডায় প্রায়ই এসব নিয়ে কথা হত। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে রাতুল বোঝানোর চেষ্টা করত। তবে অধিকাংশ সময়ই তা আমাদের বন্ধুদের দু’চারজনের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকত। রাতুল বিজ্ঞান, ধর্ম অন্যান্য সব বিষয়ে আমাদের চেয়ে একটু বেশিই জানত। বিভিন্ন বিষয়ে ওকে প্রশ্ন করলে ও তাই ভালমত সব ব্যাখ্যা করতে পারত। আমরা অন্যরা অনেক সময় তা পারতাম না।

একদিন প্রসঙ্গক্রমে জীববিজ্ঞান ম্যাডামের কোচিং-এ ধর্ম বিষয়ে কথা ওঠে। ও’দিন রাতুল ছিল না। অন্যান্য অনেক প্রসঙ্গের সাথে হঠাত শিলাই কোরআনে চন্দ্র-সূর্যের ঘূর্ণন সম্পর্কে কি আছে সে বিষয়ে বলা শুরু করে। এরকম সময় ম্যাডাম এসে আমাদের কথা শুনে। তখন ম্যাডাম প্রশ্ন করে বসেন, কি লেখা আছে? শিলা বলে সূরা রহমানে আছে সূর্য ও চন্দ্র নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘোরে। ম্যাডাম আপনিই বলুন, সূর্যের কি কোন কক্ষপথ আছে? ( বস্তুত তখনো আমরা জানতাম সূর্য তার আপন অক্ষে ঘোরে, সৌরজগত সম্পর্কে ধারনা থাকলে মহাবিশ্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা ছিল না )। এটা বলার পরেই ম্যাডাম হাসা শুরু করল। উনি বললেন, ‘তোমাকে কে বুঝিয়েছে এসব?’ শিলা একটু থতমত খায় এরপর রাতুলের কথা বলে। ম্যাডাম এরপর বলেন, ‘এজন্যই। সূর্য কি ছায়াপথে ঘুরছে না?’ আমরা কখনই ছায়াপথে সূর্যের ঘুর্ণন সম্পর্কে পড়িনি। তাই শিলা বলে, ‘আপনিই বলুন ম্যাডাম।’ এরপর ম্যাডাম বিভিন্নভাবে প্রমাণ করলেন সূর্যও একটি কক্ষপথে ঘোরে। এসব প্রমাণ দেবার পর শিলাকে অনেক বকাবকি করলেন উলটাপালটা যে যা বোঝায় তাই বুঝে বসে থাকার জন্য। আর অন্যান্যদেরও বললেন এরকম ভুলভাল কথায় যেন না ভুলে ওরা। ফলাফলে ধর্ম সম্পর্কে বিশ্বাস সবার আরো গাঢ় হল। যদিও শিলা একটা দ্বিধায় পড়ে গেল।

এরপরের দিন রাতুলের সাথে দেখা হলে আবার এই প্রসঙ্গ উঠে আসে। রাতুল পুরো ঘটনা শুনে খুব অবাক হয়। তারপর শিলার দিকে তাকয়ে বলে, ‘বুদ্ধু, তুই তো সেই একই কাজ করলি। ম্যাডাম যা বুঝাইল তাই বুইঝা আসলি। যে যা উলটাপালটা বোঝায় তাই বুইঝা বইসা থাকিস! শোন, এটাতে সন্দেহ নাই সূর্যের কক্ষপথ আছে। কিন্তু প্রথম কথা সেটা নির্দিষ্ট না। প্রতি ২৩ মিলিয়ন বছর পর এই কক্ষপথের আকার পরিবর্তিত হয়। তাছাড়া সূরা ইয়াসিনে (৩৮-৪০) বলা হয়েছে চন্দ্রের জন্য বিভিন্ন কক্ষপথ সৃষ্টি করা হয়েছে, অবশেষে তা শুকনো বাঁকা খেজুর শাখার আকার ধারন করেছে।   কিন্তু, চাঁদের জন্য বিভিন্ন কক্ষপথ নেই। বরং চাঁদের কক্ষপথ নির্দিষ্ট। ইনফ্যাক্ট, তোমার কোরআনে একবার বলল বিভিন্ন কক্ষপথের কথা আরেকবার নির্দিষ্ট কক্ষপথের কথা বলল। ব্যাপারটা কেমন হল?’*

যাই হোক, রাতুলের কথা শুনেও শিলার দ্বিধা গেল না। উঠতে উঠতে বলল, ‘বুঝতে পারছি না, কোনটা ঠিক!’

বলাই বাহুল্য শিলার এরকম কথার পেছনে এই একটা ঘটনাই কারণ ছিল না। এর আগে নারীর জন্য কম সম্পদ বন্টন আরও অন্যান্য বিষয় নিয়ে এরকম দো’টানা মন্তব্যে পড়তে হয়েছে ওকে। can levitra and viagra be taken together

যাই হোক এই ঘটনাটাকে মূল্যায়নের আগে একটা উদাহরণ দেই-

আপনারা কি ছোটবেলায় বাচ্চাদের ভাউ-এর কথা বলে ঘুম পাড়াতে দেখেছেন? ‘তাড়াতাড়ি ঘুমাও, না ঘুমালে এখনি ভাউ এসে খেয়ে ফেলবে।‘ এরকম কথা শুনিয়ে ঘুম পাড়াতে দেখেছেন আশা করি। বাচ্চাটা ভাউ বা অনুরুপ জুজু-এর ভয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ত।

ধরি এরকম করে কোন এক বাচ্চার দাদী তাকে নিয়মিত ঘুম পাড়ায়। সেও ভয়ে পেয়ে ঘুমিইয়ে যায়। একদিন সে তার নানীর কাছে এসে ভাউ এর কথা বলে। তার নানী তাকে আদর করে কোলে তুলে বলে, ‘তুমি কি কখনো ভাউ দেখেছ?’ বাচ্চাটা বলে , ‘না, সে কখনো ভাউ দেখেনি।’ এরর নানী জিজ্ঞেস করে, ‘তাহলে ভাউ ভয় পাও কেন?’ বাচ্চাটা ভাবে তাই তো আমি তো কখনো ভাউ দেখিনি। আমি তাহলে কেন ভাউ ভয় পাব? পরদিন দাদী যখন আবার ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়াতে চায় বাচ্চাটা বলে ওঠে, ‘ভাউ বলে কিছু নেই। তুমি আমাকে বোকা বানাচ্ছ।’ দাদী বলে, ‘কিছু নেই মানে? তুমি বইতে পড়নি কিভাবে ভাউ বাচ্চাদের খেয়ে ফেলে?’ কে বলেছে কিছু নেই?’ বাচ্চাটা তখন আবার চিন্তায় পড়ে আসলেই তো আমি তো বইতে পড়েছি ভাউ বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যায়। বাচ্চাটা দ্বিধায় পড়ে যায়।

এরপর সে যখন বড় হয়, পড়ালেখা আর পরিপক্কতার সুবাদে সে বুঝতে পারে ছোটবেলায় তাকে ঘুম পাড়ানোর জন্য এসব ভাউ এর কথা বলা হত। সে উপলব্ধি করতে পারে পুরো বিষয়টা।

এখন আপনি কি চাবেন বাচ্চাটা উপলব্ধি না করেই কোন একটা পক্ষকে সমর্থন করুক। এখানে, নানীর ধারনা ঠিক হতে পারে। কিন্তু বাচ্চাটা উপলব্ধি না করলে নানীকে সমর্থন করবে দাদীকে ঠিক ভাববে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এই উপলব্ধির জন্য সময় লাগে। শিক্ষা লাগে, পরিপক্কতা লাগে।

 

আরেকটা ব্যক্তিগত উদাহরণ দেই, উপলব্ধি না করতে পারার ফলাফল সম্পর্কে-

Discovery-তে একটা documentary তে near future সম্ভাব্য কিছু বিষয় দেখাচ্ছিল। ছোট ভাইকে নিয়ে দেখছিলাম। সেখানে দেখাচ্ছিল, বিজ্ঞানীরা এখন যেরকম ন্যানো সেল আবিস্কার করে ফেলেছে, মাহাকাশচারীডের দেহে তা স্থাপন করা হচ্ছে জীবানু ধ্বংসে। এভাবে ভবিষ্যতে আমরা অমরত্বের ঔষধ আবিস্কার করে ফেলতে পারি। তখন হয়তু দেখা যাবে মানুষ alcohol এর বদলে খাচ্ছে বিষ! half a viagra didnt work

যাই হোক আমার ভাই সেটা দেখে পরদিন আমার এক বান্ধবীর বড়বোনকে বলতে থাকল, ‘জানো শান্তা আপু, কিছুদিন পর না মানুষ বিষ খেতে শুরু করবে, discovery তে দেখিয়েছে।’ [অবস্থাটা বুঝলেন!]

 

আরেকদিন আমার ছোট আই আমার কাছে green house effect বুঝতে এসেছে। আমি আমার সমস্ত বিদ্যা বুদ্ধি দিয়ে ওকে বুঝালাম। ওজোনস্তরের ভাঙ্গনের বিষয়টাও বললাম। ফলাফল হল মারাত্মক। সে পরেওদিন স্কুলে যেয়ে বন্ধুদের বলা শুরু করল। ‘তোরা কি ওজন মাপোস? ওজোন তো একটা গ্যাস!’ [পুরকাই উলটাপালটা 69] posologie prednisolone 20mg zentiva

 

  wirkung viagra oder cialis

রাতুলের ক্ষেত্রে অনেকটা এরকম ঘটনাই ঘটেছিল। ও বিভিন্নভাবে বোঝাতে চেয়েছিল। কিন্তু কে কতটা গ্রহন করতে পারবে তা না ভেবেই। যার ফলত কারো কারো ধর্ম বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়েছে। আর শিলা আরো বেশি দ্বিধায় পড়ে গেছে। অর্থাৎ হিতে বিপরীত। তাই অনুরোধ কাউকে কিছু বোঝাতে চাইলে অবশ্যই এটা বুঝে নিন, কে কতটা হজম করতে পারবে। আপনাদের উদ্দেশ্য নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকার। কিন্তু national geographyতে একবার দেখেছিলাম আফগানিস্তানে মায়েরা মেয়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য, ওখানে মোটা স্বাস্থ্যবান মেয়েদের কদর বেশি থাকায় দিনে ২ কেজি করে দুধ খাওয়ায়। পায়ে চিমটা লাগিয়ে খাওয়ায়। মেয়েগুলো বদহজমে বমি করে। আবার খাওয়ায়!   আশা করব; আপনারা এরকম ভাবে হিতার্থে নামবেন না যেখানে বদহজম হবে।

আমার আরেক বন্ধু ক’দিন আগে প্রশ্ন করেছিল, ‘আমরা ছোটবেলা থেকে কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই ধর্ম বিশ্বাস করে আসলে এখন প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কেম ধর্ম ছাড়তে পারিনা?’ বলি, ছোটবেলায় যা না বুঝেই করেছি তা কি আবারো করব? আপনাদের কথামত যদি ছোটবেলায় অন্ধ বিশ্বাসে ধর্ম মেনে থাকি। এখন ১টা/২টা প্রমাণে ধর্মকে নাকচ করার কিছু নেই। আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে পরীক্ষা করার সময় স্নায়ূবিজ্ঞানী মারিয়ান ডায়মন্ড তাঁর মস্তিষ্কে গ্লিয়াল কোষের সংখ্যাধিক্য দেখেন। কিন্তু এর জন্য আইন্সটাইনের মস্তিষ্ক আলাদা বলা সম্ভব হয়নি। পেস বিশ্ববিদ্যালয়ে হাইনসও ২৮টি পরীক্ষা করে ১টিকে পৃথক গুরুত্ত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরেন। কিন্তু তারপরও আইন্সটাইনের মস্তিষ্ককে আলাদা কিছু বলা সম্ভব হয়নি।

মানুষকে এরকমকরেই জানার সময় দিন, সুযোগ দিন যাচাই করার। উপলব্ধি করে মানুষ নিজেই ধীরে ধীরে সঠিকটা গ্রহন করে নিবে আশা করি।

  missed several doses of synthroid

 

[ * রাতুলের কথার একটি অংশ লিখিনি। কারণ ঐ অংশটা প্রমাণনির্ভর ছিলনা । এখানে ঐ অংশটা তুলে দিলাম। যদিও মূল বিষয়ের সাথে এর সম্পৃক্ততা নেই।

 

রাতুল- আসলে ঐ সময়ে ধারনা ছিল। পৃথিবী স্থির আর সূর্য-চাঁদ ঘুরছে (পৃথিবীর চারদিকে)। সেজন্যই সূর্য-চাঁদের কক্ষপথের কথা। সূরা ফাতির (৪১) এ তো বলেইছে যে, আল্লাহ আকাশ এবং দুয়ের মাঝে পৃথিবীকে স্থির করে রেখেছেন যাতে ওরা কক্ষচ্যুত না হয়, ওরা কক্ষচ্যুত হলে কে ওদের স্থির রাখবে?’ আবার সূর্য যেহেতু একটা নির্দিষ্ট দিকে উঠে নির্দিষ্ট দিকেই অস্ত যায় কিন্তু চাঁদ একেকদিন একেকখানে ওঠে। তাই চাঁদের বিভিন্ন কক্ষপথে কথা বলা হয়েছে, আর সূর্যের নির্দিষ্ট সূর্যের নিজস্ব গন্ডির মধ্যে আবর্তনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তখনকার মানুষ কি মনে নিয়ে বলেছে সেটা তো এখন আমরা প্রমাণ করতে পারিনা। তাই এখন এভাবে উলটাপালটা বোঝানো হয়।’

 

এই অংশটা পরিস্কার করতে আরেকটা উদাহরনের সাথে মিলিয়ে নেই-

সিলেটের কোন এক গ্রামে আমার এক বান্ধবীর গ্রামের বাড়ি। ওর ফুপির বিয়ে হয় আত্মীয়ের মাঝে (আপন চাচাত ভাই-এর সাথে)। তাদের প্রথম সন্তান জন্ম নিলে দেখা যায় বাচ্চাটার মাথা অস্বাভাবিক রকমের লম্বা, ত্রিকোণাকার আর পুরো শরীর নীলাভ বর্ণের। বাচ্চাটা মৃত জন্ম নিয়েছিল। ঐ সময় গ্রামের সবাই বলতে শুরু করে জীনের প্রভাবে এমন হয়েছে। আমার বান্ধবী তখন খুব ছোট। ও তাইই বিশ্বাস করেছিল। খুব ভয় পেত তখন থেকে।   যাই হোক। পরে আমরা genetics পড়ার সময় দেখি আত্মীয়ের মাঝে বিয়েতেও অনুতসাহিত করা হয়। এর কারণ লিথাল জিনের ( কেবল লিথাল জিনের ক্ষেত্রে) কারণে ২৫% মৃত শিশু জন্মানোর সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া আরো নানারকম সমস্যা হবার ঝুঁকিও থাকে ( সাথে অন্যান্য কারণও থাকতে পারে এর পিছনে) । আমার বান্ধবী এগুলো জানার পর বাসায় বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু বোঝে না কেউ। বরং বলতে থাকে, ‘হ্যাঁ, গ্রামের মানুষ তো কত আগেই বলেছিল জীনের কারণে এমন হয়েছে’ (হাস্যকর না!?!) আমরা স্পষ্টত বুঝতে পারি এই জীন আর লিথাল জিন এক জিনিস নয়। এবং তারা লিথাল জিনের কথাও বোঝায়নি। কিন্তু আমরা মানুষকে এটা উপলব্ধি করাতে পারিনা। metformin gliclazide sitagliptin

 

আমার এই পোস্টটি একটি ঘটনার উপর আলোকপাত করে লেখা। সেজন্য অনেকেই বলতে পারেন শুধুমাত্র একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন সবার কাছে অনুরোধ করে? এরকম বেশ কয়েকটি ঘটনা দেখেছি। এখন সেগুলোর উল্লেখ করলে বিতর্ক অন্যদিকে গড়াবে বলে উল্লেখ করলাম না।

একান্ত ব্যক্তিগত উপলব্ধি; উপলব্ধিগত ভুল সমালোচনা ও পরামর্শ আশা করে। ]

You may also like...

  1. অংকুর বলছেনঃ

    ছাগু জিনিসটা বুঝেন? অতিরিক্ত নাস্তকতা ফলানোও কিন্তু এক ধরণের ছাগুত্ব। যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে। তাই নিজের বিশ্বাস কখনো কারো উপর চাপানোর চেষ্টা করতে নেই। সে ধর্মবিশ্বাসী হোক আর নাস্তিকই হোক।

  2. এইটা আসল প্রশ্ন নয়! আসল প্রশ্ন হচ্ছে আসমানি কিতাবটি কি সূর্যকেন্দ্রিক [হ্যালিওসেন্ট্রিক সোলার সিস্টেম…] সৌরজগৎ এর কথা বলেছে নাকি পৃথিবীকেন্দ্রিক [জিওসেন্ট্রিক সোলার সিস্টেম…] এর কথা বলেছে!! আমি বেশী সময় স্বল্পতার কারণে আপাতত আপনাকে উইকি’র একটা অংশ দিচ্ছি ভাল করে আপনার বন্ধু শিলা এবং তার শিক্ষিকাকে পড়তে দিয়েনঃ

    Let us see what makes the Qur’an geocentric:

    It is very clear from the Qur’an and scientific observations that the moon makes rounds around the earth. The Qur’an mentions the sun and the moon in such a way as if they are following each other
    [ Qur'an 91:1-2 - By the sun and his brightness, And the moon when she followeth him]
    What could this actually mean other than that the sun takes a path similar to that of the moon (which does indeed go around the earth once per month, and to an ancient person seems to do so on a nightly basis)? The word translated “follow” is used many other places to mean recite, but is primarily defined as to follow, go or walk behind, follow in way of immitation, of action etc. and is often used for animals like camels following behind each other [2].
    The floating/swimming/running (the verb جري) of the sun is always mentioned with that of the moon, and in these verses they are nearly always mentioned in the context of night and day (21:33, 39:40, 31:29, 35:13, and 39:5; the exception being 13:2). See also 14:33 (though note that the word translated “constant in their courses” is daibayni, which is simply a verb meaning to strive, toil, labour, hold on or continue [3]).
    Qur’an 36:37-40 Qur’an 36:37-40 is a passage about night and day. Right after describing the change from day to night it says that the sun runs on to a resting place for it (a few translations use instead, “appointed term”, though in nearly all other verses where we find قرر [4] as a participle they translate it as a place of settlement or an abode or resting place). There are also sahih hadith that use the same Arabic word as in verse 36:38 to mean a resting place as part of the sun’s daily cycle Sahih Muslim 1:297 (for the Arabic of this hadith, see here).

    The alternative view was that it refers to the sun’s final resting on the last day. There are other verses (35:13, 31:29, 39:5, 13:2) that mention the sun and moon floating/swimming (with the same verb as is translated “run” in 36:38) for a term appointed (لِأَجَلٍ مُّسَمًّى which does have that meaning – مُسْتَقَرٍّ in 36:38 is a different word). Another version of the above mentioned hadith (e.g. Sahih Bukhari 9:93:520 – for the Arabic see here) probably supports this view, with a different ending indicating that the مُسْتَقَرٍّ (resting place) in 36:38 refers to the end of the world when the sun is asked to rise from its setting place (مِنْ مَغْرِبِهَا). Whichever interpretation was intended, the sun’s movement is nevertheless mentioned right after describing day and night, just as the next verse mentions the different mansions appointed for the moon each night. The whole passage is about day and night and the sun and moon’s movement in that context.

    There is only one moon and one sun in the entire Qur’anic universe. The position of all these celestial bodies within this universe are clearly described in the Qur’an. For example, the heavens are above the earth, and the sun, moon and stars are within the heavens.
    [ Qur'an 71:15-16 - Have you not seen how Allah created the seven heavens one above the other, setting in them the moon as a light and the sun as a lantern? ]
    The Qur’an mentions heavenly bodies traveling in their own orbits, but so do the concepts of day and night each a have an orbit. None of the bodies are supposed to run into each other.
    The heavens are firmly held in place lest they move from where they are and fall on the earth. [ Qur'an 2:22-29, Qur'an 35:41, Qur'an 21:104, Qur'an 17:92, and Qur'an 34:9 ]

    সূর্যের কক্ষপথের প্রশ্ন পরে!! তবে আপনার মূল ভাব বোধহয় আমি ধরতে পেরেছি… irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

    will i gain or lose weight on zoloft
  3. কিছু একটা ঘুরছে কিন্তু কেন্দ্রে কী?

    অনেকেই হয়ত মানবেন না, তবু বলছি নাস্তিকদেরও একটা ধর্ম আছে এবং তারা এ পৃথিবীর যে কোন ধর্মের থেকে অনেক অনেক বিশ্বাসী তাদের ধর্মে এবং এদের কোন মতবিরোধও নেই।।।।।।

  4. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    ইটা আসল প্রশ্ন নয়! আসল প্রশ্ন হচ্ছে আসমানি কিতাবটি কি সূর্যকেন্দ্রিক [হ্যালিওসেন্ট্রিক সোলার সিস্টেম...] সৌরজগৎ এর কথা বলেছে নাকি পৃথিবীকেন্দ্রিক [জিওসেন্ট্রিক সোলার সিস্টেম...] এর কথা বলেছে!! আমি সময় স্বল্পতার কারণে আপাতত আপনাকে উইকি’র একটা অংশ দিচ্ছি ভাল করে আপনার বন্ধু শিলা এবং তার শিক্ষিকাকে পড়তে দিয়েনঃ

    Let us see what makes the Qur’an geocentric:

    It is very clear from the Qur’an and scientific observations that the moon makes rounds around the earth. The Qur’an mentions the sun and the moon in such a way as if they are following each other
    [ Qur'an 91:1-2 - By the sun and his brightness, And the moon when she followeth him]
    What could this actually mean other than that the sun takes a path similar to that of the moon (which does indeed go around the earth once per month, and to an ancient person seems to do so on a nightly basis)? The word translated “follow” is used many other places to mean recite, but is primarily defined as to follow, go or walk behind, follow in way of immitation, of action etc. and is often used for animals like camels following behind each other [2].
    The floating/swimming/running (the verb جري) of the sun is always mentioned with that of the moon, and in these verses they are nearly always mentioned in the context of night and day (21:33, 39:40, 31:29, 35:13, and 39:5; the exception being 13:2). See also 14:33 (though note that the word translated “constant in their courses” is daibayni, which is simply a verb meaning to strive, toil, labour, hold on or continue [3]).
    Qur’an 36:37-40 Qur’an 36:37-40 is a passage about night and day. Right after describing the change from day to night it says that the sun runs on to a resting place for it (a few translations use instead, “appointed term”, though in nearly all other verses where we find قرر [4] as a participle they translate it as a place of settlement or an abode or resting place). There are also sahih hadith that use the same Arabic word as in verse 36:38 to mean a resting place as part of the sun’s daily cycle Sahih Muslim 1:297 (for the Arabic of this hadith, see here).

  5. কোনকিছুই অতিরিক্ত ভাল না, তা প্রমানিত সত্য। ভাল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ মাশিয়াত।

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

capital coast resort and spa hotel cipro