জীবনের জয়গাঁথা।

404

বার পঠিত

‘মৃত্যু ‘ নামের ব্যাপারটা নিয়ে কয়েকদিন ধরে অনেক কথা ভাবছি। “জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে..” তবুও তো মানুষ সবকিছুর বিনিময়ে হলেও বাঁচতে চায়। জীবনের কি যে এক চিরন্তন দুর্নিবার আকর্ষণ!  প্রতি মূহুর্তে আর একটু  বেশিক্ষণ বেঁচে থাকার ইচ্ছা। আর এক সেকেন্ড বেশি নি:শ্বাস নেয়ার অত্যুগ্র বাসনা। পৃথিবী মাতা কি এক অদ্ভূত বাঁধনে বেঁধে রেখেছেন আমাদের – যে কারণে “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে – মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই..” জীবনের যুদ্ধে পরাজয়ের একেবারে শেষ সীমানায় থাকা মানুষটিও শেষ মূহুর্তে একবার ঘুরে দাঁড়ায় – নতুন করে আর একটিবার বাঁচার জন্য…। half a viagra didnt work

একটা মানুষের মৃত্যু কখনোই শুধু একটা জীবনের সমাপ্তি হয়ে আসেনা। পৃথিবীতে জন্ম নেয় মানুষ বেঁচে থাকবার অধিকার নিয়ে। একটা মানুষ শুধুই একটা জীব নয় – সে অনেক অনেক বেশি মূল্যবান। সে কারো সন্তান,  কারো বাবা কিংবা মা কিংবা কারো ভাই / বোন। কারো ভালোবাসা। দুনিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস হিসেবে আমি মনে করি মানুষ। একটা ভাইয়ের মৃত্যু হলে বোন হারায় তার সব চাইতে প্রিয় সাথী। তার খেলার সাথী, গল্প করার,  ঝগড়া করার সাথী। মা হারায় তার সন্তান – তার বুকের মানিক। বাবা হারায় তার বৃদ্ধ বয়সে হাত ধরার হাতিয়ার।  একটা মানুষের মৃত্যু! সে কি এতই সহজ ব্যাপার?

তবু আমাদের বাংলাদেশের মায়েরা হাসিমুখে সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে দিতেন। আমাদের মেয়েরা তার ভাইয়ের জন্য,  প্রেমিকের জন্য, স্বামীর জন্য সারাদিন চোখের জলে ভেসে প্রার্থনা করতেন – কখনও বা নিজেরাই অস্ত্র হাতে তুলে নিতেন কিন্তু চোখের জলে ভাইকে, স্বামীকে দুর্বল করে দিতেন না। আমি একটা মেয়ে, আমি নিজেকে দিয়ে বুঝি। জেনে শুনে আমি নিজে মৃত্যুর মুখে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারব দেশের জন্য, কিন্তু আমার ভাইকে কিংবা ভালোবাসার মানুষটিকে!  বুক কেঁপে ওঠে ভাবলে। কত বড় আত্মত্যাগ আমাদের নারীরা বায়ান্ন থেকে একাত্তরের রক্তভেজা পথ ধরে আজ পর্যন্ত করে আসছেন! আম্মা যে শহীদ রুমীকে বলেছিলেন – ” যা তোকে দেশের জন্য কুরবানি করে দিলাম। তুই যুদ্ধেই যা।” এই কথাটা একজন মা যখন ছেলেকে বলেন তখনই বুঝতে হয় – এই জাতিকে কেউ কোনদিন হারাতে পারবেনা। কোনোদিন না…। 

মায়ের সামনে সদ্যজাত শিশু সন্তানকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্ত্রীর সামনে স্বামীকে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে – সেই শহীদের কবর দিতে দেয়া হয়নি। সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে বুকে নিয়ে প্রসূতি মা স্বামীর মৃতদেহ আগলে ধরে রক্তগঙ্গায় পরে থেকেছেন দিনের পর দিন। ভাই মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার ‘অপরাধে’ বোনকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পবিত্র কোরান শরীফ পাঠরতা মায়ের কোল থেকে কোরান শরীফ কেড়ে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। জন্মিলে মরিতে হবে – তবুও মানুষ কখনো গুলি খেয়ে মৃত্যু চায়না, বেয়নেটের মৃত্যু চায়না,  ধর্ষিতা হয়ে জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকতে চায়না। কিন্তু এইসব মূল্য দিতে হয়েছে আমাদেরই পূর্বজদেরকে – বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য…। মৃত্যুর কোলে মাথা রেখে জীবনের গান গাওয়া হয়ত একেই বলা হয়। মৃত্যুর বিনিময়ে এই শহীদেরা, মুক্তিযোদ্ধারা, বীরাঙ্গনারা,  একাত্তরের অবরুদ্ধ বাংলাদেশ ও সারা পৃথিবীর সবখানের বাঙালিরা, মানুষেরা আমাদের যে জীবন উপহার দিয়েছিলেন..!   buy kamagra oral jelly paypal uk

  doctorate of pharmacy online

নীল পৃথিবীর বুকে মৃত্যুর মিছিলকে যেন থামতে নেই। গাজা উপত্যকায় ষাট বছরের বেশি সময় ধরে চলছে যুদ্ধ – তাদের শিশুরা হয়ত কখনো নীল আকাশে সাদা তুলোর মত মেঘের খেলা দেখেনি। দেখেছে উদ্যত অস্ত্রের গর্জন,   ট্যাঙ্ক এর রণ নিনাদ। এক দিনের শিশু – পৃথিবীটা দেখার আগেই তাকে চলে যেতে হয়েছে পৃথিবী ছেড়ে। যুদ্ধ নামের এই আগুন নিয়ে খেলাটা কি এবারে বন্ধ হতে পারেনা! মাঝে মাঝে আমার না ফিলিস্তিনীদের উপরেই রাগ হয়। কেন ওরা একতাবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে না আজো! হামাস – পি এল ও – ফাতাহ নিয়ে দ্বিমুখী ত্রিমুখী তর্ক আমার মাথার তিন মাইল উপর দিয়ে যায়। কেন ওরা “যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা ” করেনা? হয়ত বা ওদের একজন বঙ্গবন্ধু নেই বলে। হায়রে পিতা! তোমাকেও তো আমরা হারিয়ে ফেলেছি কত বছর আগে!  can your doctor prescribe accutane

আজো পৃথিবীর বুকে সূর্য  ওঠে,  অস্ত যায়। গোধূলি মায়ায় আজো নতুন নতুন স্বপ্ন বোনা হয়। চাঁদের আলোয় আজো তেমনি মায়ামাখা, যেমনটা ছিল পৃথিবীর যাত্রার প্রথম দিনটিতে। আজো মানুষ ভালোবাসে, আজো মানুষ লড়াই করে তার অধিকারের জন্য।  আজো বাঙালি লড়ে পূর্বজদের রক্তের বদলা নেয়ার জন্য। নবান্নের ধানে আজো জীবনের ছোঁয়া- ধানের সবুজ খেতে দোল দিয়ে যাওয়া কোমল  বাতাসের মত। মৃত্যুর কোলে মাথা রেখে আজো জীবনের গান গাওয়া হয়। নিস্তব্ধতার বুক চিরে আজো জেগে ওঠে সোনালি মানচিত্র ,  বেজে ওঠে  - “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…”  doctus viagra

achat viagra cialis france

You may also like...

  1. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    আম্মা যে শহীদ রুমীকে বলেছিলেন – ”
    যা তোকে দেশের জন্য কুরবানি করে দিলাম। তুই
    যুদ্ধেই যা।” এই কথাটা একজন মা যখন
    ছেলেকে বলেন তখনই বুঝতে হয় – এই
    জাতিকে কেউ কোনদিন হারাতে পারবেনা।
    কোনোদিন না…। zithromax azithromycin 250 mg

    “যার যা কিছু
    আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা ” করেনা?
    হয়ত বা ওদের একজন বঙ্গবন্ধু নেই বলে।

    synthroid drug interactions calcium
  2. আজো বাঙালি লড়ে পূর্বজদের রক্তের
    বদলা নেয়ার জন্য। নবান্নের
    ধানে আজো জীবনের ছোঁয়া- ধানের
    সবুজ খেতে দোল দিয়ে যাওয়া কোমল
    বাতাসের মত।
    —-কথাগুলি বেশ ভাল লাগল।

  3. acne doxycycline dosage
para que sirve el amoxil pediatrico

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * accutane prices

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> all possible side effects of prednisone

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

venta de cialis en lima peru
clomid over the counter
viagra en uk