সব কথার পিঠেই উনার তর্ক আছে

254

বার পঠিত

সাধারন মানুষের বিশ্বাসই সবচাইতে মারাত্মক মরণাস্ত্র । তারা কোন সাত-পাঁচ না ভেবেই বিশ্বাসের জোরে যে কোন জায়গায় খুঁটি গেড়ে বসতে পারে । যুক্তির তোড় তাদের কাছে কোন মর্মার্থ বহন করে না । দিন আনি – দিন খাই টাইপের মানুষের এত সময় কই, সাত-পাঁচ ভাববার ? যেখানে যা কিছুই হোক না কেন, দিন শেষে নিজের পেটে ভাত জুটলেই তো হল !

এই ভাত জুটাবার জন্য কলুর বলদের মতন খাটতে সবাই রাজি । সে কোটিপতিই হোন না কেন, কিংবা রিক্সাচালকই হোন না কেন ? ঘরে বসে বসে কেউ সারাজীবন উদরপুর্তি করেছে, এমনটা প্রমাণ কখনোই দেখা যায় নি । এমনকি অনলাইনে আয় বলতে একটা ব্যাপার আছে । সেখানেও উপার্জনকারীকে কায়িক শ্রম দিতে হয় । “এমএলএম” নামে যে ডান হাত – বাম হাতের ব্যবসা সেখানেও দিন-রাত কায়িক শ্রম এবং বাগ্মীতা লাগে । একটা পিঁপড়াও কিন্তু বসে থাকে না । দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদেরকেও দৌঁড়াতে হয় উদরপুর্তীর জন্য । অসুস্থ এবং প্রতিবন্ধীদেরকেও কিন্তু কিছুটা শ্রম দিতে হয় এ জন্যে । অর্থাৎ, পৃথিবীর সকল প্রাণীকেই কাজ করতে হয় বেঁচে থাকবার জন্য । কিন্তু, বিশ্বাসের ঘোড়ায় চষে বেড়িয়ে খাবার গুলো কখনো আপনার আমার সামনে কাউকে নিয়ে আসতে দেখা যায় নি । অথচ, সবসময়ই বলতে শুনি – আল্লাহ যা খাওয়াইলেন ভালোই খাওয়াইলেন ।

বাহ !! কি চমৎকার শোনা গেল । তর্কে গেলেই শুনতে হয় – ইহা নাকি ললাটে লিখা ছিল !!
সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনি করে পাওয়া খাদ্য কিভাবে তাহলে ললাটের লিখন হয় !! ললাটের লিখনই যদি হবে, তাহলে কেন খাটুনি করব ?

প্রশ্ন আসতেই পারে, আল্লাহ কি তোমারে হাতে কইরা আইসা খাওয়াইয়া যাইব ?
না, আমি সেরকমটি কখনোই আশা করছি না । কারন , যা সম্ভব না সেটি আশা করাও বোকামী । তবে এর বিপরীতে আমার একটি পালটা প্রশ্ন আছে । শুনেছি, একজন মা তার সন্তানকে যতটা ভালোবাসে, আল্লাহ তার চেয়ে ৭০ গুন বেশি ভালোবাসেন তার প্রতিটি বান্দাকে । আল্লাহ যদি এতই ভালোবাসেন, তাহলে একজনকে কানা-ল্যাংড়া, আরেকজনকে সুস্বাস্থ্য দিলেন কেন ? মা কি তার কোন সন্তানকে কম ভালোবাসেন ? তাহলে আল্লাহর ভালোবাসায় এত ব্যস-কম কেন ?
এর বিপরীতেও প্রশ্ন শুনি – আল্লাহ তোমাকে সামর্থ্য দিছে, শক্তি দিছে, তোমাকে কাজ করে খাওয়ার জন্য ।
তাহলে আমি বলব – আল্লাহ তাহলে প্রতিবন্ধীদেরকে কেন এভাবে বানিয়েছেন ? তাদের কাছ থেকে আল্লাহ কি এমন কাজ আশা করেন ? ইবাদত নাকি পেট ভর্তি দোয়া ?

আল্লাহ কে? এমন প্রশ্নটা করাও নিষেধ আছে । শুনেছি – আল্লাহ নাকি বলেছেন তার অত্বিত্ব নিয়ে মাথা না ঘামতে । কারন, তিনি এতই ক্ষমতাশালী এবং এতই মহান যে, তাকে খুঁজতে গেলে মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলতে পারি আমরা । তার চেয়ে বরং এমনটা বললেই পারতেন – আমি নাই, আমারে খুঁইজাও লাভ নাই ।

পৃথীবির সৃষ্টি রহস্য আজ বিজ্ঞানের অবদানে আবিষ্কৃত হয়েছে । গবেষনা এমন একটি জিনিস যার থেকে সব কিছুই জানা সম্ভব । অথচ, সারা রাত-দিনের এত পরিশ্রম যখন ঐ একটা কথাতেই সঁপে দিতে হয়, তখন মনে হয় – অন্ধকার দেয়ালে কালো কোন ছায়া পাঁ উচিয়ে যেন তামাশা করে হেসে যাচ্ছে অবিরাম । তার তামাশার তর্জনী আমাদেরই পানে তাক করে রাখা ।

আরেকটা কথা, আল্লাহ তো সব কিছুই পারেন, জানেন । তাহলে নিশ্চিত এটাও জানতেন – কে কে নাস্তিক হবে ? কে কে আস্তিক হবে ? কে কে অনলাইনে আমার মতন হনুগিরি দেখাবে ! এত কিছুই যখন জানতেন, তাহলে আধুনিক কম্পিউটারের জনক এবং ইন্টারনেটের জনককে উনার আগে থেকেই দুনিয়াতে পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল । তাহলে উনার অস্ত্বিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে এমন পাগল দুনিয়াতে বেশি একটা সুবিধে করতে পারতো না। জানিনা, তারপরও কেন উনি তা করলেন না ? উনি সুমহান- এই জন্যেই হয়ত করেন নি । অন্তঃত উনার জায়গায় আর কেউ হলে কি করত জানিনা !!

এ কথার বিপরীতেও কথা আছে – আল্লাহ তোমাকে ছেঁড়ে দিছেন । দেখতে, তুমি কতদূর যেতে পারো ।
আমি আর কিছু কমু নাহ !! সব কথার পিঠেই উনার তর্ক আছে । তাতে কোন প্রকার যুক্তি থাক বা না-ই থাক । কিন্তু, বিষয়বস্তু ছাড়া আমি তর্ক করতে পারি না – তাই ক্ষান্ত দিচ্ছি । viagra in india medical stores

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> can you tan after accutane

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

wirkung viagra oder cialis
para que sirve el amoxil pediatrico
tome cytotec y solo sangro cuando orino