তথাকথিত দেশপ্রেমিক নিয়ে কিছু কথা

1282

বার পঠিত

আমার একটা বন্ধু আছে, তার নামটা আমি উহ্য রাখতে চাই। তার ভাষ্য স্পষ্ট এবং নিরেট- “আমি সরকারী চাকুরী করব এবং ঘুষ খাব। যেখানে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ নেই, সেখানেও আমি ঘুষ খাবার ক্ষেত্র তৈরী করব।” সে আরেকটি কথা প্রায়ই সগর্বে বলে- “আমি দেশপ্রেমিক নই, এটা আমার দেশ নয়” আমার বন্ধুটিকে আমি পছন্দ করি, অন্তত সে দেশপ্রেমিকদের মত হিপোক্রেট নয়। সে বলেনি- আমি দেশের জন্য হেন করব তেন করব। দেশের প্রতি তার প্রবল বিতৃষ্ণা, তার এই বিতৃষ্ণা আমার মধ্যেও কাজ করে।

এখন আমি ব্যাক্তিগত একটা ঘটনা বলি, আমি কোচিঙে গিয়েছি। কোচিংটির মালিকানা হলো জামায়াত-শিবিরের। সকালে ক্লাস ছিলো- আমি আর আমার ভাই কোচিঙে ঢুকেছি। কেউ তখনো আসেনি। হঠাৎ দেখি মেঝেতে একটা ৫০০ টাকার নোট। আমি নোটটা তুলে পরিচালকের রুমে গেলাম। গিয়ে বললাম, ভাইয়া এই টাকাটা এখানে পাওয়া গিয়েছে। এটা সম্ভবত আপনার পকেট থেকেই পড়েছে। সে তড়িঘড়ি করে বললো- টাকাটা দাও। আমরা টাকাটা তাকে দিলাম, সে টাকাটা নিয়ে তার পকেটে রেখে দিলো। অথচ টাকাটা যদি সত্যি তার হতো তাহলে সে অবশ্যই তার পকেট খুঁজে দেখতো তার কোনো টাকা হারানো গিয়েছে কিনা। পরবর্তীতে “টাকা পাওয়া গিয়াছে” এই মর্মে কোনো নোটিশও পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ মহানুভব ধার্মিক, আল্লাহর পথে মর্দে মুজাহিদ শিবির কর্মী পরিচালক সাহেব টাকাটি গাপ করিয়া দিয়াছেন।

সেইদিনের সেই ঘটনার পর বারবার আফসুস করতে লাগলাম, শালা হাতে পাওয়া ধন পায়ে ঠেলে দিলাম। এর পর থেকে আমি পণ করলাম যে জীবনে যদি কখনো টাকা কুড়িয়ে পাই এবং সঠিক মালিককে না পাই তাহলে তা আমি নিজেই গাপ করিয়া দিব। এবং কিছুদিন পর আমি এবং এক বড় ভাই রাস্তায় ৫০০ টাকা কুড়িয়ে পাই। উনি, মহানুভবতার সাথে টাকাটা একটা মসজিদে অথবা মন্দিরে দান করতে চাইলেন- আমি উনাকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে একটা বিরিয়ানীর দোকানে যেতে রাজী করালাম এবং চার বন্ধু মিলে বিরিয়ানী ভক্ষণ করলাম।

এখন আসি পূর্বের প্রসঙ্গে। আমরা জাতি হিসেবে যে হিপোক্রেট তা কিন্তু আজ থেকে নয়। যুগ যুগ ধরেই। ছোটবেলায় আমরা রচনা লিখি- বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই, মানুষের সেবা করতে চাই, বিনামূল্যে চিকিৎসা করতে চাই। আমি নিজেও লিখেছি। অথচ আমার লিখতে ইচ্ছা করতো- আমি বড় হয়ে একজন সঙ্গীত শিল্পী হতে চাই। কিন্তু সঙ্গীত শিল্পী হতে চাই এ কথাটা লিখলে রচনায় মার্ক্স কম পাব তাই কখনোই মনের কথাটা প্রকাশ করতে পারিনি। ঠিক এভাবে শৈশব থেকে আমাদের হিপোক্রেসি বিষয়ে বিশেষ তালিম দেয়া হয়েছে। সারা বাংলা ঘুরে হাতে গোনা কয়েকজন ডাক্তার পাওয়া যাবে যারা জীবনে এক টাকা ভিজিট গ্রহণ করেননি রোগীর কাছ থেকে, হাতে গোনা কয়েকজন রাজনীতিবিদ পাওয়া যাবে যারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে তার ভাতিজাকে স্কুল-কলেজে ভর্তি করাননি, চাকুরী পাইয়ে দেননি।

৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ, অনেকেই দেশ ছেড়ে পগার লাফ দিয়েছিলো ভারতে। আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন। এই রাজাকার এবং চোর-বাটপার, দালালের ভূমিতে দাঁড়িয়ে, তাই আমি আমার বন্ধুটিকেই সমর্থন করছি- যে কিনা হিপোক্রেসি করে বলেনি- আমি মানুষের মত মানুষ হতে চাই, আমি দেশের জন্য জীবন দিতে চাই, আমিই আসল দেশপ্রেমিক।

০৭/০৭/২০১৪

private dermatologist london accutane
can you tan after accutane

You may also like...

  1. অংকুর বলছেনঃ

    ৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ, অনেকেই দেশ ছেড়ে পগার লাফ দিয়েছিলো ভারতে। আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন।

    what did you mean? আপনি কি তাদেরকে অস্বীকার করেন যারা মুক্তিযোদ্ধাদের ঠাই দিত? তাদেরকে কি অস্বীকার করেন যারা সারা দিনন মিলিটারীদের হাত থেকে পরিবারকে বাঁচিয়ে রাস্তায় খাবার হাতে দাঁড়িয়ে থাকত? যে কখন একজন মুক্তি আসবে, খাবে? তাদেরকে অস্বীকার করেন যারা নিজের দেশের মাটি ছেড়ে যেতে চায়নি? দেশের মাটিতে শেষ নিশ্বাস ফেলতে চেয়েছে? মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা কত জানেন? যারা সরাসরি যুদ্ধ করেনি তাদেরকে কি আপনি মুক্তিযোদ্ধা বলবেন না? যারা শরনারথি শিবিরে ছিল সেখানে কি যুদ্ধের থেকে কম কিছু ছিল? না বুঝে আজাইরা প্যাচাল ছাগুদের সাথে গিয়া পারেন।

  2. অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

    ইয়া গজবি! :O

    পোষ্ট দিলাম কি নিয়া আর মন্তব্য আসলো কি নিয়া? :O

    বাই দা উয়ে, আপনি পোষ্টটা কোন অর্থে দেয়া হয়েছে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। পোষ্টের মূল বক্তব্য
    ছিলো তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের হিপোক্রেসি।

    “আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন।”

    “অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার” আপনি আপনার চারপাশে প্রত্যহ ইহার অসংখ্য নিদর্শন
    পাইবেন।

    এই অংশটুকু আবার পড়ুন-

    “এই রাজাকার এবং চোর-বাটপার, দালালের ভূমিতে দাঁড়িয়ে, তাই আমি আমার বন্ধুটিকেই সমর্থন করছি- যে কিনা হিপোক্রেসি করে বলেনি- আমি মানুষের মত মানুষ হতে চাই, আমি দেশের জন্য জীবন দিতে চাই, আমিই আসল দেশপ্রেমিক।”

  3. সহমত পোষণ করতে পারলাম না বলে দুঃখ প্রকাশ করছি।

    আমার দৃষ্টিকোণ থেকে জাতি হিসেবে আমাদের যদি কোন দুর্বলতা থেকে থাকে, সেটা হচ্ছে – আমরা প্রবলভাবে নৈরাশ্যবাদী। যেটা এই পোস্টেই খুব ভালভাবে ফুঁটে উঠেছে। আমরা উদাহরণ হিসেবে সবসময়ই পছন্দ করি আমাদের পশ্চাৎপদতা। মোড়ের টংয়ের দোকানের বিশাল বিশাল ঝড়ো সংলাপের শেষে আমরা সবসময়ই একটাই সিদ্ধান্তে আসি – এই দেশকে দিয়ে কিছু হবে না। এই দেশের সবাই চোর-বাটপার। তার উদাহরণেরও অভাব হয় না। কারণ আমরা সেটাই উদাহরণ হিসেবে দেখাতে চাই।

    চাইলে বিশাল সংলাপ দেয়া যায় এর ওপর। সেটা করব না। স্রেফ আপনার পোস্টের আলোকেই বলি, আপনি সেই কোচিংয়ের পরিচালককে দেখে নিজেকে বদলে ফেলেছিলেন। কিন্তু, আপনার সেই বড় ভাইকে দেখে কিন্তু নিজেকে বদলে ফেলেননি। প্রকারান্তে, তাকেই বাধ্য করেছিলেন সবার উদরপূর্তি করাতে। এবং শেষ পর্যন্ত উদাহরণ হিসেবে সেই অসাধুতাকেই টেনে আনলেন। সাধুতা নয়। kamagra pastillas

  4. অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

    রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা মন্দির অথবা মসজিদে দেয়াটা নিতান্তই বোকামী। আপনি এটাকে
    অসাধুতা বলতে পারেন না। আপনি বলতে পারতেন, যে এই টাকাটা আমরা না খেয়ে কোনো এক
    গরীব শিশুকে সাহায্য করতে পারতাম, একটা নতুন কাপড় কিনে দিতে পারতাম।

    আমি যখন কিছু লিখি , তখন তার এন্টি লজিকটা ভেবে লিখি। একতরফা লিখে যাইনা।

    আমার পোষ্টের উদ্দেশ্য অসাধুতা নয়, বরং সেইসব অসাধুদের নিয়ে যারা মুখে বলে আমি দেশপ্রেমিক আর দেশপ্রেমিকের গদিতে গিয়ে দেশের বলাৎকার করে। এর চেয়ে আমি একজন অসাধুকে
    পছন্দ করি যে হিপোক্রেসি না করে সরাসরি তার মনের ইচ্ছাটা বলে দেয়। আপনি পোষ্টটা কেন
    দেয়া হয়েছে সেটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।

    • অংকুর বলছেনঃ

      অমিত লাবন্য আপনার এই পোস্টে দেশপ্রেমিকেদের তাচ্ছিল্য করা হয়েছে সেইটা স্পষ্ট। আপনি আর আপনার বন্ধু হচ্ছেন সেই গোত্রের যারা কুকুরের জীবনযাপন করেন। আজকে জন্ম,কিছুদিন খাওয়াদাওয়া,তারপর মৃত্যু। আপনাদের দৃষ্টিতে দেশ নিয়ে কথা হলেই শুধু নেগেটিভ জিনসগুলো ধরা পরে। পজিটিভ হতে শিখুন। যেই দেশ আপনাকে এত কিছু দিয়েছে তার কিছুটা হলেও শোধ করুন। চায়ের দোকানে বা ব্লগ ফেসবুকে দেশ রসাতলে যাচ্ছে এইসব না বলে রসাতল থেকে তুলে আনুন পারলে। নাহলে চুপ করুন।দেশ সম্পর্কিত কিছু বলার অধিকার আপনার নেই। দেশের এইট্টি পারসেন্ট মানুষের মত কুকুরের জীবনযাপন করুন।

      walgreens pharmacy technician application online
      • দেশের এইট্টি পারসেন্ট মানুষের মত কুকুরের জীবনযাপন করুন।

        যেই নেগেটিভ মেন্টালিটির কারণে অমিত লাবণ্যকে ধুয়ে দিচ্ছিলেন, ফাইনালি সেটা আপনার মাঝেও দেখা গেল। ;)

        accutane prices
      • অংকুর, আপনাকে আমি এই কথাগুলো বলছি- আমি কতটুকু কিভাবে ভাবি আর কুকুরের
        মত জীবন যাপন করি নাকি করিনা, সেটা আমার পারিপারশ্বের মানুষ জানে। জানানোটা
        মুখ্য নয়, কাজ করাটা মুখ্য। আপনি পোষ্টের অর্থ বুঝতেই সক্ষম হননি। আমি লিখেছি
        9 আর আপনি বুঝেছেন 6 , তালগোল পাকিয়ে করে ফেলেছেন 69. যেহেতু যেহেতু
        জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে কথা উঠলো-

        কখনও কি ভেবে দেখেছেন যে-

        *আমাদের জন্মের গুরুত্ব কি?
        *আমাদের কর্তব্য কি?
        *আমরা কে?
        *আমাদের জন্ম কেন হয়?

        যদি স্বয়ং কে জানা যায় তবে এ সকল প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।

        প্রত্যেক ব্যক্তি সৃষ্টিকর্মের রূপ হয়, কিন্তু সেটা কেউ জানেই না। ছাই’এ লুপ্ত অঙ্গার দেখা যায়না। আর অজ্ঞানে আচ্ছন্ন আত্মাকে চেনা যায়না।

        যে স্বয়ং কে চিনতে পারেনা, তার এই ইচ্ছা হয় যে তাকে অন্যেরা চিনবে। অন্যেরা তাকে বোঝায় সে কে, কেমন। কিন্তু অন্যেরা তো স্বয়ং অজ্ঞানে আচ্ছন্ন থাকে। তারাও যদি স্বয়ং কে না চেনে তবে আমাদেরকে কি করে বলবে আমরা কে!

        *আমি কে তা জানার জন্য আমাকে কি করতে হবে?

        ধর্মকে ধারণ করতে হবে। ধর্মের স্থাপনার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

        *কিন্তু ধর্ম আদতে কি?

        ধর্ম কি জানার পূর্বে ধর্মের আধার কি জানতে হবে। ধর্মের পাঁচটি আধার হয়।

        →জ্ঞান
        →ন্যায়
        →প্রেম
        →সমর্পণ
        →ধৈর্য zithromax azithromycin 250 mg

        এই পাঁচটি আধারের একত্রে ধারণই হচ্ছে ধর্ম।

        আমাদের জন্ম এই পাঁচটি আধার প্রাপ্ত করার জন্য হয়।

        -গোবর্ধন গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ, মহাভারত থেকে……

    • রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা মন্দির অথবা মসজিদে দেয়াটা নিতান্তই বোকামী। আপনি এটাকে অসাধুতা বলতে পারেন না। আপনি বলতে পারতেন, যে এই টাকাটা আমরা না খেয়ে কোনো এক গরীব শিশুকে সাহায্য করতে পারতাম, একটা নতুন কাপড় কিনে দিতে পারতাম।

      আপনি কি সেটাও করেছিলেন? করেননি কিন্তু। আপনার যেই বড় ভাই মসজিদে সেই টাকাটা দান করে দিতে চেয়েছিল, তাকে যদি বলতেন কোন পথশিশুকে নতুন কাপড় কিনে দেয়ার কথা, তিনি কি বিন্দুমাত্র আপত্তি করতেন? করতেন না কিন্তু। আপনি কিন্তু মোটেই সেদিকে যান নি। half a viagra didnt work

      all possible side effects of prednisone
  5. অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

    আমার এই লেখাটিতে আমি জনসমর্থন পাবোনা আমি জানি। মানুষের ইমোশনে হিট দিয়ে দেশপ্রেমের
    বুলি ঝেড়ে দু’টো হিট বেশি খাওয়া যায়। আমি খুব খুশি হই যখন দেখি সবাই আমার বিপরীতে বলছে।
    যেদিন পৃথিবীর সবাই আমার দিকে আঙুল তাক করবে সেদিন সবথেকে খুশি হব আমি। কারন
    আমি হিপোক্রেসি করে স্বস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চাইনি।

    • বুলি ঝেড়ে দুটো হিট বেশি কামাতে না চাওয়া আর সূক্ষ্মভাবে মা,মাটি আর মানুষের অপরিমেয় দেশপ্রেমকে বুলশিট বলে অপমান করা কিন্তু এক না… ;)

      • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

        এই অংশটুকু আবার পড়ুন- সম্ভবত রোজা রাখার ফলে চোখে ঝাপসা দেখছেন

        এখন আসি পূর্বের প্রসঙ্গে। আমরা জাতি হিসেবে যে হিপোক্রেট তা কিন্তু আজ থেকে নয়। যুগ যুগ ধরেই। ছোটবেলায় আমরা রচনা লিখি- বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই, মানুষের সেবা করতে চাই, বিনামূল্যে চিকিৎসা করতে চাই। আমি নিজেও লিখেছি। অথচ আমার লিখতে ইচ্ছা করতো- আমি বড় হয়ে একজন সঙ্গীত শিল্পী হতে চাই। কিন্তু সঙ্গীত শিল্পী হতে চাই এ কথাটা লিখলে রচনায় মার্ক্স কম পাব তাই কখনোই মনের কথাটা প্রকাশ করতে পারিনি। ঠিক এভাবে শৈশব থেকে আমাদের হিপোক্রেসি বিষয়ে বিশেষ তালিম দেয়া হয়েছে। সারা বাংলা ঘুরে হাতে গোনা কয়েকজন ডাক্তার পাওয়া যাবে যারা জীবনে এক টাকা ভিজিট গ্রহণ করেননি রোগীর কাছ থেকে, হাতে গোনা কয়েকজন রাজনীতিবিদ পাওয়া যাবে যারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে তার ভাতিজাকে স্কুল-কলেজে ভর্তি করাননি, চাকুরী পাইয়ে দেননি।

        ৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ, অনেকেই দেশ ছেড়ে পগার লাফ দিয়েছিলো ভারতে। আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন। এই রাজাকার এবং চোর-বাটপার, দালালের ভূমিতে দাঁড়িয়ে, তাই আমি আমার বন্ধুটিকেই সমর্থন করছি- যে কিনা হিপোক্রেসি করে বলেনি- আমি মানুষের মত মানুষ হতে চাই, আমি দেশের জন্য জীবন দিতে চাই, আমিই আসল দেশপ্রেমিক।

        • যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার।

          মানে দেশে বাকি থাকা সাড়ে ছয় কোটি মানুষের মধ্যে সাড়ে সোয়া তিন কোটি বা তারও বেশি ছিল রাজাকার, পাকিদের দালাল। ইজন্ট ইট? অমিত লাবণ্য, আপনার কি বিন্দু মাত্র ধারণা আছে আপনি কী বলছেন?

      • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

        এই পোস্টে মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করে কিছু বলা হয়নাই। বলা হয়েছে যে যুদ্ধ করেছে গুটিকয়েক মানুষ আর তার সুযোগ নিয়ে দেশের ** মারছে বাকী বাঙালীরা। আপনার কাছ
        ত্থেকে এত শিশু সুলভ দুর্বল ব্লগিং আশা করা যায়না। ফেড আপ জাস্ট…

  6. আমার এই লেখাটিতে আমি জনসমর্থন পাবোনা আমি জানি। মানুষের ইমোশনে হিট দিয়ে দেশপ্রেমের বুলি ঝেড়ে দু’টো হিট বেশি খাওয়া যায়

    সবাইকে নিজের মতো কেন ভাবেন !!! আমাদের দেশে এখনো এমন অনেক মানুষ আছেন যারা নিজেদের জীবনের চেয়েও দেশকে বেশি ভালোবাসেন। আর তাঁদের এই ভালোবাসা দেশের স্বার্থে নিজেদের হিট খাবার স্বার্থে নয়।

    আমি খুব খুশি হই যখন দেখি সবাই আমার বিপরীতে বলছে।

    তারমানে আপনি কি সকলের বিপরীতে গিয়ে দেশকে আর দেশকে যারা ভালোবাসে তাঁদের অপমান করে হিট খাবার চেষ্টা করছেন না !!!

    puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
    • তারমানে আপনি কি সকলের বিপরীতে গিয়ে দেশকে আর দেশকে যারা ভালোবাসে তাঁদের অপমান করে হিট খাবার চেষ্টা করছেন না !!!

      তুমি কেন ঘষ, আমি তাহা জানি… ;)

    • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

      ইয়া কুতুবি!

      আমি কখন বললাম এই দেশের সবাই খারাপ? আমি শুধু সেসব লোকেদের নিয়ে বলেছি
      যারা দেশপ্রেমের নামে দেশের বলাতকার করছে। পোষ্ট ভাল করে না পড়ে মন্তব্য করা ঠিক না
      ফাতেমা। এখনো পর্যন্ত তিনজন এই পোস্টে মন্তব্য করলো, তিনজনেরই একই দশা।

      • যুক্তি দিয়ে কথা বলুন। আপনার বিপরীতে গেলেই যে ভাববেন যে লেখা না পড়ে মন্তব্য করেছি সেটা কিন্তু খুব বড় একটা ভুল হবে। ব্লগে আলোচনা সমালোচনা হবেই তা বলে যে আপনি এমন কথা বলবেন সেটা মোটেও ঠিক নয়।সবার মতামত এক বলেই যে “না পড়ে মন্তব্য” করা হয়ে যাবে এটা আবার কেমন কথা !!!! doctorate of pharmacy online

      • এখনো পর্যন্ত তিনজন এই পোস্টে মন্তব্য করলো, তিনজনেরই একই দশা।

        ধরে নিলাম, আমরা আপনার বক্তব্য বুঝতে পারিনি। কিন্তু, চারজন মন্তব্য করে চারজনই যখন উল্টোটা বোঝে, তখন কি এই সিদ্ধান্তে আসা যায় না যে, আপনিই আপনার বক্তব্য পরিষ্কার করতে পারেন নি।

        • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

          ক্লান্ত, আমার পোষ্টটা আসলেই একটু কঠিন ছিলো। ভুলটা অবশ্যই আমার,
          কারন জানো কি? কারন এখানে যারা মন্তব্য করেছেন তাদেরকে তো কিছুটা হলেও
          চিনি- এদের দেশপ্রেম নিয়ে সংশয় নেই। কিন্তু প্রত্যেকেই অতি আবেগী।
          ফ্রি থিংকিং বা ফ্রি রাইটিং এ আবেগের জায়গাটুকু প্রায় নেই বললেই চলে। এটা চলে
          মৌলিকতা এবং যুক্তি নির্ভর। লেখার স্টাইল প্রবন্ধমত। একটা উদাহরণ দেই-
          প্রমথ চৌধুরীর “সাহিত্যে খেলা” প্রবন্ধ এখনো পাবলিক ভালোমত ধরতে পারেনাই।

          কারন যখন আমরা অতি আবেগী হয়ে পড়ি- তখন যদি কেউ আমার সামনে
          বলে- “আমি রাজাকারদের কথা বলছি”- তখন এটাকে শোনায় এরকম- “আমি রাজাকারদের পক্ষে কথা বলছি”

          এজন্যেই সবাইকে অনুরোধ করেছি- এই পোষ্টের প্রতিটি লাইন একটা নো ম্যান’স ল্যান্ডে গিয়ে পড়ার জন্য। যেখানে আপনি একজন অবসারভার, আপনি যেখানে
          পারফর্মার না। \m/ tome cytotec y solo sangro cuando orino

          • আপনার মত একজন অতি উচ্চমানের প্রাবন্ধিক, সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতির কালপুরুষ, নন-হিপোক্রেট, নো ম্যানস ল্যান্ডার, বাংলা সাহিত্যের ত্রাণকর্তা, নিরাবেগী মান্তব্যিক, থ্রি ফিংকারকে এই চর্ম চক্ষে দেখেছি বলে আমি গর্বিত এবং পুলকিত বোধ করছি।

          • কন্ট্রোল ইউর আবেগ। আবেগ কন্ট্রোল করে মন্তব্য করুন।

          • জনাব অমিত লাবণ্য, আপনার পোস্টের আগা থেকে গোঁড়া পুরোটাই আবেগে মোড়ানো, আপনি জেনে অথবা না জেনে কিছুটা অবারচিনের মত ভুল শব্দ ভুলভাবে প্রয়োগ করে আঘাত দিয়েছেন আমাদের সবচেয়ে আবেগের জায়গায়, বাঙ্গালীর শেকড়ে… আর আপনি বলছেন আবেগ কন্ট্রোল করে মন্তব্য করতে… :-/

            এভাবে হাসাবেন না স্যার… [-X পেটে খিল ধরে যায় তো… #:-S

          • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

            জনাব ডন, কোন শব্দটি আপনার চেতনা বা দেশপ্রেম দন্ডে আঘাত করেছে আপনি এখনো দেখাতে পারেন নি। শুধু ত্যানা পেচাচ্ছেন

          • জনাব ডন, কোন শব্দটি আপনার চেতনা বা দেশপ্রেম দন্ডে আঘাত করেছে আপনি এখনো দেখাতে পারেন নি।

            আমি বলছি, এই লাইনটা আমাকে আঘাত করেছে। দেশপ্রেমদণ্ড শব্দটা নিশ্চয়ই ঈমানদণ্ডের অনুকরণেই করা হয়েছে। আর অনলাইনে বিচরণ করে এবং আবাল নয়, এমন যে কেউ জানে এখানে দণ্ড বলতে শিশ্নকেই বোঝানো হয়। দেশপ্রেমকে যখন আপনি শিশ্নের সাথে তুলনা করেন, তখন আপনার নিতম্বের ওপরে Coccyx অস্থির প্রসারণ ভালমতই টের পাওয়া যায়।

      • যখন বলেন, এই দেশে থেকে যাওয়া বেশিরভাগ মানুষ ছিল রাজাকার আর চাটুকার, তখন দেশের বেশিরভাগ মানুষকেই খারাপ বলা হয় না? না’কি আপনার কাছে রাজাকারেরা আদর্শপুরুষ?

        • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

          “এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ খারাপ”

          এটা আমি উচ্চকন্ঠেই বলি। এখনো বলছি—-
          এই দেশ রাজাকারদের দেশ, এটাও বলছি—–

          অপেক্ষা করেন এবং দেখেন— মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যেভাবে বিকৃত হচ্ছে, এবং চর্চা
          প্রায় নেই বললেই চলে। আজ থেকে ৫০ বছর পর তখনকার প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা বলবে- “মুক্তিযুদ্ধ বলে কিছু হয়নাই, সব মিডিয়ার সৃষ্টি”

          সম্ভবত বুঝাতে পারলাম আমার বক্তব্য

          • ফাইনালি টিনের চশমাটা আপনিই পরলেন। স্বাধীনতার পর ১৫ বছর ছিলাম পাকি ভাবাদর্শের সেনা শাসনে। তারপরের ৫ বছরের কথিত গণতন্ত্রও এমন ছিল, যেখানে মিডিয়ায় বঙ্গবন্ধুর নাম নেয়াও নিষিদ্ধ ছিল। গোলাম আযম পুনর্বাসিত হয়েছিল। জামাতের রাজনীতি অনুমদিত হয়েছিল।

            সেই সময় আর এখনকার পার্থক্যটা আপনি দেখতে না পেলেও আমরা ঠিকই দেখতে পারি। পাঁচ বছর আগের থেকে এখন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বেশি সচেতনা। গণজাগরণ নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু, অস্বীকার করার জো নেই, এর মাধ্যমেই বহু তরুণ মুক্তিযুদ্ধকে জেনেছে। ব্লগ বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে জানার ক্ষেত্র অনেক বেশি প্রসারিত হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে মুক্তিযুদ্ধকে অনেক বেশি জানে। আজ থেকে ৫০ বছর পর তখনকার প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা বলবে- আমার বাংলাদেশ, আমার গর্ব।

            আপনি সেটা না দেখে বালুতে মুখ গুজে বসে থাকলে কিছু করার নেই।

          • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

            ইলেক্ট্রনের মন্তব্য দ্রষ্টব্য

          • সেই সময় আর এখনকার পার্থক্যটা আপনি দেখতে না পেলেও আমরা ঠিকই দেখতে পারি। পাঁচ বছর আগের থেকে এখন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক বেশি সচেতনা। গণজাগরণ নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু, অস্বীকার করার জো নেই, এর মাধ্যমেই বহু তরুণ মুক্তিযুদ্ধকে জেনেছে। ব্লগ বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে জানার ক্ষেত্র অনেক বেশি প্রসারিত হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে মুক্তিযুদ্ধকে অনেক বেশি জানে। আজ থেকে ৫০ বছর পর তখনকার প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা বলবে- আমার বাংলাদেশ, আমার গর্ব।

            আপনি সেটা না দেখে বালুতে মুখ গুজে বসে থাকলে কিছু করার নেই।

            আপাতত বালুই তার ভরসা… :o)

          • আপনারে বললাম, বালুতে মুখ গুজতে। আপনি তা না করে ইলেকট্রনকে পাশে পেয়ে তার কমেন্টের মাঝেই মুখ গুজে রইলেন? ইলেকট্রন তার কোন কমেন্টে পঞ্চাশ বছর পরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ভবিস্যৎবাণী করল?

  7. ৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ, অনেকেই দেশ ছেড়ে পগার লাফ দিয়েছিলো ভারতে। আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন। এই রাজাকার এবং চোর-বাটপার, দালালের ভূমিতে দাঁড়িয়ে, তাই আমি আমার বন্ধুটিকেই সমর্থন করছি- যে কিনা হিপোক্রেসি করে বলেনি- আমি মানুষের মত মানুষ হতে চাই, আমি দেশের জন্য জীবন দিতে চাই, আমিই আসল দেশপ্রেমিক।

    জনাব অমিত লাবণ্য, পুরো লেখাটায় আপনি যা বলতে চেয়েছেন, সেটা এক অর্থে খুব ভুল না। তবে অর্ধসত্য সেই কথাগুলোও নিতান্তই আবর্জনা হয়ে যায় যখন শেষ প্যারায় আপনি উপরোক্ত কোট করা কথাগুলো নিতান্ত নির্দ্বিধায় বলে ফেলেন… [_( আশা করি, কথাগুলো আরেকবার পড়বেন, নিজেকে হিপোক্রেট না বানাতে চেয়ে আপনি যে ৭১রের লাখো শহীদকে কি বিস্ময়করভাবে অপমান করেছেন, সেটা বুঝবেন…

    আপনার বোঝার অপেক্ষায় রইলাম… :-w

    • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

      এখানে কোনো শহীদকে অপমান করা হয়নি। এই দেশ রাজাকারের দেশ, এই দেশ হিপোক্রেটের
      দেশ। ইলেক্ট্রনের কমেন্ট দ্রষ্টব্য। আবেগ দিয়ে ব্লগিং হয়না। আবার বলছি, আপনি নো ম্যান”স ল্যান্ডে দাঁড়িয়ে মন্তব্য করুন।

    • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

      ডন ভাই, একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। পোস্টে কেবল একটি লাইনই লিখা হয়েছে প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে। সেটা হল, “

      যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন।”

      এখানেই আমার কেবল একটু দ্বিমত আছে। দেশ ছেড়ে অনেকেই পালাতে পারেন নি সত্যি। তবে, অনেকে পালানোর সুযোগ পেয়েও পালিয়ে যাননি। আর তারা সত্যিই নির্মমভাবে শহীদ হয়েছেন, ধর্ষিত হয়েছেন। শহীদ হওয়া কিংবা ধর্ষিত হওয়ার চেয়ে পালিয়ে যাওয়াই কি উত্তম ছিলোনা? আবার আমার মনে হয়না এই লাইনটি দ্বারা তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের বুঝিয়েছেন। কারন, প্রথম লাইনেই বলেছিলেন, “

      ৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ”

      । আর সত্যিই মানুষ খুব একটা বেশি ছিলোনা। হ্যাঁ, পরোক্ষ যুদ্ধটাও যুদ্ধ। মুক্তিদের খাবার দেয়া, সাহায্য করা, অস্ত্র পৌঁছে দেয়া। কিন্তু সবাই যদি সাহায্য করতেই লাইন ধরে থাকতো, তার মানে সবাই যদি সাহস করে প্রত্যক্ষ যুদ্ধে না গিয়ে পরোক্ষ যুদ্ধ করতে চাইতো, দেশকি স্বাধীন হত? একটু নিউট্রাল চিন্তা করেই দেখুন। তাই, মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেম নিয়ে অমিত লাবণ্য ভাইয়ের সন্দেহ আমি পোস্টের কোথাও দেখিনি। তিনি, রাজাকার-চোর-বাটপারের দেশ বলেছেন শেষে। এটা তো মুক্তিযোদ্ধাদের বলেন নি। সত্যিই কি এই দেশটা চোর বাটপারের না? নয়তো, রাজাকারের গাড়িতে পতাকা উঠে কিভাবে? রাজাকার মন্ত্রী হয় কিভাবে? ক্ষুদার জ্বালায় একজন মুক্তিযোদ্ধা ভিক্ষা করে কিভাবে? উত্তরটা পরিষ্কার। ৭১ এর দেশপ্রেম এখন নেই। এখন সব কিছুই একটা হিপোক্রেসি। যেদিন প্রত্যেকে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে, আমি দেশের জন্য কাজ করি, সেইদিন বুঝবো হিপোক্রেসি কিছুটা কমে গেছে। কিন্তু যতদিন সবাই একসাথে দেশপ্রেমের কোরাস গাইবে, ততদিন বুঝবো এসব কিছু আসলেই পারফেক্ট হিপোক্রেসি। :(

      • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

        দুপুর থেকে এই সহজ কথাগুলোই বুঝাতে চেয়েছিলাম। অথচ জানিনা, কিসের কারনে
        এই সহজ বাংলা কথাগুলোর তারা উল্টো ব্যাখ্যা করলো। অহেতুক ক্যাচাল করা
        ব্লগিং এর উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য হলো ভালোমত পড়ে, বিশ্লেষণ করে মন্তব্য দেয়া।
        এটা পেলাম না। এটা ছিলো ব্লগে আমার প্রথম মৌলিক পোষ্ট। ভবিষ্যতে আরও মৌলিক
        লেখা লিখব। এবং আমি এটাও জানি যে আবারো অনেকে- “আমি রাজা’ এতটুক বলার
        সাথে সাথেই বুঝে ফেলবেন আমি রাজাকার।

        “ভারত না চাইলে এই আমরা কখনোই মুক্তিযুদ্ধে জিততে পারতাম না”

        এ কথাটা বলার কারনে আমাকে ভারতের দালাল ট্যাগ দিতে অনেকে আগ্রহী হবেন আশা করি।

      • আর সত্যিই মানুষ খুব একটা বেশি ছিলোনা। হ্যাঁ, পরোক্ষ যুদ্ধটাও যুদ্ধ। মুক্তিদের খাবার দেয়া, সাহায্য করা, অস্ত্র পৌঁছে দেয়া। কিন্তু সবাই যদি সাহায্য করতেই লাইন ধরে থাকতো, তার মানে সবাই যদি সাহস করে প্রত্যক্ষ যুদ্ধে না গিয়ে পরোক্ষ যুদ্ধ করতে চাইতো, দেশকি স্বাধীন হত

        স্যার ইলেকট্রন, আপনি যে পয়েন্ট থেকে পোস্টকর্তার ভুল শব্দচয়ন এবং দ্বিধাবিভক্ত যুক্তিকে সমর্থন করছেন, আমিও ঠিক সেই পয়েন্ট থেকেই বলছি, ৭১রে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন এবং যারা মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনবাজি রেখে খাইয়েছেন, পরিয়েছেন, পরিশেষে নিজের জীবনটাও উৎসর্গ করেছেন, তারা সকলেই যোদ্ধা… আপনি বলেছেন পরোক্ষ যুদ্ধটাও যুদ্ধ, কিন্তু পোস্টকর্তা কিন্তু সেইটা বোঝাতে পারেননি। বরং তার পিকিউলার এবং উদ্ভট শব্দচয়ন এটাই বুঝিয়েছে যে, একাত্তরে গুটিকয় মানুষ যুদ্ধ করেছিল এবং বাকিরা তাদের বিরোধিতা করেছিল। এতে একদিক দিয়ে অসংখ্য মা-বোন, বন্ধুস্বজনদের পর্দার পেছনে অসামান্য ত্যাগকে অস্বীকার করা হল, আবার তাদের বানিয়ে দেয়া হল রাজাকার জারজ… পৃথিবীর অন্য সকল বিষয়ে এধরনের ভুল শব্দে এ ধরনের বাতুলতা সহ্য করা যায়, কিন্তু আমার মাতৃভূমির জন্য যারা অকাতরে প্রান দিয়ে গেল, তাদের ব্যাপারে আমি অন্তত এই ধরনের ভুল সহ্য করবো না… দুঃখিত…

        আর আমি আমার উপরোক্ত মন্তব্যেই বলেছি, পুরো পোস্টের সাথে আমার তেমন দ্বিমত নেই, কেননা রাজাকারের গাড়িতে পতাকা উঠে কিভাবে? রাজাকার মন্ত্রী হয় কিভাবে? ক্ষুদার জ্বালায় একজন মুক্তিযোদ্ধা ভিক্ষা করে কিভাবে? , এই সকল প্রশ্ন আজ আমাদের দাড় করিয়ে দিচ্ছে ভয়ংকর এক সত্যের সামনে… কিন্তু এতো চমৎকার একটা লেখা এধরনের অমার্জনীয় ভুল শব্দচয়ন এবং উপসংহারের জন্য আবর্জনায় পরিনত হবে, এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়…

        দুঃখিত অমিত লাবণ্য, আবেগের বাড়াবাড়ি আপনার মধ্যেই আশঙ্কাজনকভাবে লক্ষ্য করছি… [-(

        • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

          আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার। যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন।

          আবার লক্ষ করুন-

          অধিকাংশই রাজাকার, চাটুকার

          যারা দেশ ছেড়ে পালাতে পারেননি, তারা বেঘোরে প্রাণ দিয়েছেন venta de cialis en lima peru

          বেঘোরে প্রাণ দেয়া মানে বুঝেন? বেঘোরে প্রাণ দেয়া মানে হলো নির্বিচারে, অসহায়ভাবে প্রাণ দেয়া। যেটা এই দেশের ৩০ লক্ষ মানুষ দিয়েছিলেন।

          পোষ্টের কোন শব্দটি নিয়ে আপনার সমস্যা আমি তো বুঝতে পারছিনা। না কি
          বিরোধীতা করতে হবে, তাই জেগে থেকে ঘুমের ভান ধরে আছেন?

      • মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেম নিয়ে অমিত লাবণ্য ভাইয়ের সন্দেহ আমি পোস্টের কোথাও দেখিনি। nolvadex and clomid prices

        হ্যাঁ, তিনি সেটা দেখাননি ঠিকই। কিন্তু, যারা মুক্তিযুদ্ধে যায়নি, তাদের চূড়ান্তভাবে অপমান করেছেন। তাদের বেশিরভাগকে ফেলে দিয়েছেন, রাজাকার চাটুকারের পর্যায়ে।

  8. ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

    অনেক ক্ষেত্রেই দেশপ্রেম হিপোক্রেসি তবে সকল ক্ষেত্রেই না। অন্যদের ব্যাপারে ডিসকাস করার ক্ষমতা আম্র নেই, কিন্তু নিজের ব্যাপারটা বলি। যদি আমি ৭১ এ জন্ম নিতাম আমি অবশ্যই যুদ্ধে যেতাম না। আমি তল্পিতল্পা নিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতাম। কিন্তু তার মানে এই না যে, আমি দেশপ্রেমিক না। যারা ভারত চলে গিয়েছিলো তারাও দেশপ্রেমিক ছিলেন। কারন, তারা পারতেন, পাকিস্তানের গোলাম-রাজাকার-চাটুকার হতে। কিন্তু তারা সেটা করেন নি। স্রেফ, যুদ্ধ করার সাহস তাঁদের ছিলোনা বলেই তাঁরা পালিয়ে গিয়েছিলেন। আর, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতেও একজন দেশপ্রেমিকের অসীম সাহস লাগে।

    জহির রায়হান তাঁর “সময়ের প্রয়োজনে” গল্পে এর খুব সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। ক্যাম্পে যখন ক্যাম্প প্রধান সবাইকে লাইন ধরে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,”তোমরা কেন যুদ্ধ করছো?” প্রশ্নটা শুনে সবাই বিভ্রান্ত হয়ে যায়। আসলেই কিসের জন্যে যুদ্ধ করছে তাঁরা? দেশপ্রেম? না তো! সকলের মাঝে একটা গুঞ্জন তৈরী হয়েছিলো। দেশ তো ভৌগলিক ব্যাপার! তাহলে কি? কিসের প্রয়োজনে? অবশেষে সবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যে, তাঁরা সময়ের প্রয়োজনে যুদ্ধ করছেন। স্বাভাবিকভাবেই দেশপ্রেমের অহংকারটা মুক্তিযোদ্ধাদের ছিলোনা। এখনও সেই সাহস কেউ করেনা। আমি নিজেও বলছি আমি দেশপ্রেমী নই। তাহলে আমি কেন অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলি? সময়ের প্রয়োজনে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, দেশপ্রেম তাদের নেই। সত্যি বলতে কি, যারা যুদ্ধে গেছেন, তাদের অধিকাংশই ছিলো স্বজন হারা। কারো পোয়াতি বৌয়ের পেট থেকে মিলিটারি কুকুররা পাড়া দিয়ে সন্তান বের করে গুলি করে মেরেছিলো, কারো বৃদ্ধ বাবাকে বেয়নেটের খোঁচায় রক্তাক্ত করেছে, কতজনের মা বোন হয়েছে ধর্ষিত। তাই তাঁদের পক্ষে যুদ্ধে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তাঁরা যদি মিলিটারি না মারতেন, তাঁদের ঘুম হত না। প্রচন্ড জিঘাংসাই তাঁদেরকে নির্ঘুম রাত জাগাতো। তাই তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হত, কেন এসেছো যুদ্ধে? তাঁরা বলতেন তাদের সাথে ঘটে যাওয়া অনাচারের জবাব দিতে। আর, জবাব তারা দিয়েছেন, মাথায় পতাকা বেঁধে হাতে স্টেন গান নিয়ে।

    কিন্তু রুমী? ক্র্যাক প্লাটুন? কি দরকার ছিলো রুমী ছেলেটার আমেরিকার ফ্লাইট ক্যানসেল করে অস্ত্র হাতে নেয়ার? এখানে স্পষ্টত দেশপ্রেম ছাড়া আর কোনো যুক্তিই খাটেনা। আবার, যারা দেশত্যাগ করে শরণার্থী হয়েছেন, তাঁরাও অনুরূপ ভাবে দেশপ্রেমিক। যদি সেটা না হতেন, তবে বাংলাদেশে এক কোটি শরণার্থীর বদলে জন্ম নিতো এক কোটি গোলাম আজম-সাঈদী। আর সেটা হয়নি। কেন? কারন দেশপ্রেম!!

    আচ্ছা, যদি পাকিস্তান যুদ্ধে জয়ী হত, তাহলে এই মুক্তিযোদ্ধাদেরই দেশদ্রোহী বলে ফাঁসি দেয়া হত। তার মানে তারা ঠিক কতবড় ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করেছেন সেটা ভাবলেই আমার মাথা নত হয়ে আসে। দেশপ্রেমের প্রশ্ন অনেক পরের ব্যাপার, শুধু তাঁদের আত্মত্যাগটাই ভেবে দেখলেই বুঝা যায়, সময়ের প্রয়োজনে তারা দেশপ্রেমের কী এক মহাসাগরের জন্মদিয়েছেন! আর সেটা অশিক্ষিত কৃষকটা নিজের সন্তান হারিয়ে, কিংবা শিক্ষিত রুমী নিজের দেশের টানে কিংবা দেশ ছেড়ে যাওয়া শরণার্থী রাজাকারের খাতায় নাম না লিখিয়ে। মোট কথা পুরো নয়টি মাস জুড়ে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা শেষে কত সুন্দরভাবে একটা উপসংহারে মিলিত হল-”দেশপ্রেম”।

    আর ৬৯ হাজার ৮৩৩ মোটেই খুব বেশি নয়। পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পনই করেছে ৯৬ হাজার! তাছাড়া মারাও গিয়েছিলো। অতএব, এত ট্রেইনড সৈন্যের বিরুদ্ধে অনভিজ্ঞ বাঙালি মোটেই বেশি কিছু ছিলো না। এদিক থেকে ভারতের প্রতি সত্যিকার অর্থেই কেবল এই সাহায্যটার জন্যই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। নয়তো আমাদের দেশটাই আজকে জন্মাতো না। অনেকেই হয়তো ইস্যু পেঁচাতে চাইবেন, ৬৯ হাজার যোদ্ধা পারতো ভারতের সাহায্যের ছাড়া। কারন তাদের দেশপ্রেম ছিলো। আমি মানি না। দেশপ্রেম কোস্টারিকার মাঝেও ছিলো কিন্তু নেদারল্যান্ডের সাথে পারেনি। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মাঝেও ছিলো কিন্তু তাও তারা পারেনি। প্যালাসিও, হিগুয়েইনদের মাঝেও আছে, কিন্তু তারা মেসি হতে পারেনা। অতএব, শক্তি অনেক বড় একটা ফ্যাক্ট। কিন্তু তাও অবাক হয়ে যাই স্রেফ বীরত্বে! আমরা টেকনিকালি হয়তো পাকিস্তানি মিলিটারির চেয়ে পিছনে। কিন্তু, আমাদের একটা জিনিসের অভাব ছিলোনা। সাহস! দেশপ্রেমের চেয়েও যুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় নিয়ামক ছিলো সাহস! বীরশ্রেষ্ট মোস্তফা কামালকে একা ফেলে আসা মুক্তিযোদ্ধারা কি দেশপ্রেমিক ছিলেন না? অবশ্যই ছিলেন! কিন্তু মোস্তফা কামালের যদি সেদিন একা লড়ার সাহসটা না থাকতো সেদিন আরো ৩০-৪০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে মরতে হত! ভাবা যায়? একজন মানুষ! একটা স্টেনগান! সামনে তিন জিপ মিলিটারি! প্রায় বিশমিনিট ধরে একলাই ফায়ার করেছিলেন! জিপ তিনটিকে আগাতেই দেননি। এই সুযোগেই বাকি যোদ্ধারা পালাতে পারে! কতটা সাহস থাকলে এটা করা যায়? মৃত্যু নিয়ে খেলা??

    অতএব, যুদ্ধচলাকালীন সময়ে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেমের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি তাঁদের সীমাহীন সাহসকে! তারা ট্যাঙ্ক দেখে ভয় পাননি। একটা স্টেনগান নিয়েই দাঁড়িয়ে গিয়েছেন চলন্ত ট্যাঙ্কের সামনে। আর, পররবর্তীতে কয়জন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকী হয়ে উঠেছেন সেটাও আমাকে ভাবায়। “একজন রাজাকার চিরকালই রাজাকার, কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা চিরকালই মুক্তিযোদ্ধা নয়।”

    সবশেষে ৭১ এ মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেম নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় আমার নেই। কিন্তু আমি বেশি অবনত হই, তাঁঁদের সাহস দেখে। অবশ্য, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশে দেশপ্রেমটা একটা বড় হিপোক্রেসি। এরশাদের মত পাবলিকও নিজেকে দেশপ্রেমিক দাবী করেন। সত্যিকার অর্থেই দেশপ্রেমিকের বিন্দুমাত্র দাম আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি। যেখানে পুলিশ একটা ১৭ বছরের ছেলেকে বলে, “ওরা শিবির হইলে তোর সমস্যা কি?” এমনকি ছেলেটা ডিবির কাছে যাওয়ার পর থানায় শিবিরকর্মীরা এসে চাপ দিয়ে যায় ছেলেটার জীবন ধ্বংস করতে, তখন দেশপ্রেম দেখিয়ে আমার আসলেই ভরসা নেই। তাই উক্ত পোস্টের সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে ১০০% সহমত। তবে, শেষের প্যারায় আপনি স্পষ্টতই মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেন নি, কিন্তু কথাগুলো একটু কেমন যেন মনে হয়েছে আমার। বিশেষ করে বেঘোরে প্রান দেওয়া কথাটা। যারা থেকে ছিলো দেশে তারা অনেকেই পালাতে পারেনি বলে, সেটা সত্যি। কিন্তু অনেকেই থেকে গিয়েছিলো ইচ্ছা করে। সেটাও বুঝতে হবে আমাদের। যারা প্রত্যক্ষযুদ্ধ করেছে, তারা ইচ্ছা করেই করেছে, আর অনেকেই ছিলো পরোক্ষ যুদ্ধে। এসব অস্বীকার করা যায়না। আর, বিরিয়ানি না খেয়ে টাকাটা দিয়ে পুঁচকা কোনো একটা গরীব বাচ্চাকে জামা কিনে দিলেও পারতেন। আমি একবার দিয়েছিলাম। ওদের হাসিটা সত্যিই দেখার মত। চেস্টা করে দেখতে পারেন। হাসিটা অবশ্যই আপনি কখনো ভুলবেন না! তবে, আবার অপরিচিত বাচ্চাকে দিতে যাইয়েন না! আমি একবার কিউট একটা বাচ্চা মেয়েকে একটা চকোলেট দিছিলাম। মেয়েটা চিৎকার করে বলছিলো,”আম্মু!! দেখোনা! ছেলেধরা!” সেদিন আরেকটু হলে ভেজালেই পড়তাম!! হাহাহাহা……

    • যাস্ট একটা প্রশ্নের উত্তর দেন।

      আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার।

      এই লাইনটার সাথে আসলেই আপনি সহমত পোষণ করেন?

      • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

        প্যারাটা আরেকটু ভালোভাবে পড়ুন। অমিত লাবণ্য ভাই বুঝাতে ভুল করে ফেলছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের রাজাকার বলবেন, এত বড় বেকুব তিনি নন। কিন্তু আপনারা কেন বুঝতে পারছেন না, তিনি কথাটা মুক্তিযোদ্ধাদেরই বলেন নাই! প্যারাটা হল,

        //৭১ এ যুদ্ধ করেছিলো গুটিকয়েক মানুষ, অনেকেই দেশ ছেড়ে পগার লাফ দিয়েছিলো ভারতে। আর যারা দেশে ছিলো তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলো রাজাকার, চাটুকার।//

        মানে, এখানে মুক্তিযোদ্ধা, শরণার্থী আর রাজাকার এই তিনটা জিনিসকে বুঝানো হইছে। আর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সত্যিই চাটুকারের অভাব ছিলোনা। মাটির ময়না ছবিটা দেখলেই বুঝবেন। কেবল মাত্র কোনো না কোনোভাবে নির্যাতিত মানুষ গুলোই মুক্তিদের সাহায্য করেছিলো। অন্যরা ঠিকই প্রথম দিকে মুক্তিদের ডিমোরালাইজড করেছিলো। হ্যাঁ, তাদের মাঝে সবাই রাজাকার না, কিন্তু আংশিক চাটুকার বলা যায়। আবার যুদ্ধ যখন শেষের দিকে তখন অনেকে পল্টিও খেয়েছে। আপনি নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারেন না তখনো বাংলাদেশে অনেক এরশাদ ছিলো। শান্তি কমিটির লোকসংখ্যা আহামরি কম ছিলোনা। মুক্তিযুদ্ধের দলিল দ্রষ্টব্য।

        কিন্তু বারবারই বলছি, যারা দেশে ছিলো তাঁদের সবাই চাটুকার-রাজাকার ছিলেন না। কিন্তু অনেকেই ছিলেন এটাও শতভাগ উড়িয়ে দেয়া যায়না। নয়তো, ৬৯ হাজার মুক্তিযোদ্ধাদের দেশে এত আল বদর, আল শামস, রাজাকার আসে কিভাবে? কত রাজাকার যে যুদ্ধের পর পল্টি খাইছে সেটার হিসাব কারো কাছে আছে?

        • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

          আমি এটাই বুঝাতে চেয়েছিলাম, যে অধিকাংশই চাটুকার ছিলো। আজ যদি
          একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা হয়, দা বিটার ট্রুথ ইজ মুসলমানদের অধিকাংশই
          জামায়াত-শিবির-হেফাজতকে ভোট দিবে। এন্ড দ্যাট ইজ দা আল্টিমেট বিটার
          ট্রুথ ইন বাংলাদেশ।

          • একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা হয়, দা বিটার ট্রুথ ইজ মুসলমানদের অধিকাংশই জামায়াত-শিবির-হেফাজতকে ভোট দিবে।

            জনাব ইলেকট্রন আপনি কি এর সাথেও সহমত পোষণ করেন। এদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি চিরদিন নির্বাচনে কারচুপী করে জয়লাভ করেছে? সুষ্ঠু নির্বাচন হলে চিরদিন জামাত জয়লাভ করত?

          • নোপ চিরকাল দুর্নীতি করেনাই। বর্তমান প্রোপাগান্ডায় এমনটাই হবে।
            যে দেশের মানুষ দাবী করে আমি বাঙালি নই, আমি মুসলিম। সে দেশে
            জামায়াত-শিবির ভোট পাবে এটাই স্বাভাবিক। আওয়ামীলীগের মধ্যেও
            প্রচুর লোক আছে যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনা এবং শুধুমাত্র ধর্মের
            কারনে পাকিস্তাঙ্কে তাদের ভাই মনে করে। কিন্তু স্বার্থের কারনে আওয়ামীলীগের
            পতাকা তলে আশ্রয় নিয়েছে।

          • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

            কালবৈশাখি, জামাতকে কতজন সমর্থন করে জানিনা, তবে ধর্মের ইস্যু অনেক বড় ইস্যু। পূর্বে এতটা সফল তারা ছিলোনা। জামাত সফল ভাবে লীগকে নাস্তিক প্রমান করতে পারছে। আমি বেশি কিছু বলতে গেলে আদালত অবমাননা হবে। তাই, কোনোদিন দেখা হলে ঘটনা গুলো বলবো। সিদ্ধান্ত তখন আপনিই নিবেন।

          • জামাত সফলভাবে সত্তরেও আওয়ামী লীগকে নাস্তিক প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই নির্বাচনের ফলাফল আশা করি আপনাকে মনে করিয়ে দিতে হবে না।

            আর একটা জিনিস খেয়াল করলাম। যতবারই আপনাকে আমি হ্যাঁ-না প্রশ্ন করছি, ততবারই আপনি সেটা এড়িয়ে যাচ্ছেন, প্রকারান্তে পিছলে যাচ্ছেন।

            আবার প্রশ্ন করছি, আপনি কি মনে করেন

            ১. নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এখন জামাত জয়যুক্ত হবে?
            ২. এদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি চিরদিন জোচ্চুরি করে নির্বাচনে জিতেছে?

          • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

            উত্তর কি চোখে পড়েনা? বাই দা উয়ে আপনি বারবার বলছিলেন শব্দ প্রয়োগ , আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ– কোন শব্দে আপনার আপত্তি?

        • আমি আগেই বলছিলাম, অমিতদার মত একজন অতি উচ্চমানের প্রাবন্ধিক, সাহিত্য-শিল্প-সংস্কৃতির কালপুরুষ, নন-হিপোক্রেট, নো ম্যানস ল্যান্ডার, বাংলা সাহিত্যের ত্রাণকর্তা, নিরাবেগী মান্তব্যিক, থ্রি ফিংকারের বক্তব্য আমার মাথার ওপর দিয়ে যাবে। তিনি যাহা লিখুন, অরিজিনালি কী বুঝিয়েছেন, সেটা কেবল আপনার মত উচ্চতর মাগজিকেরাই বুঝতে পারবেন।

          যাই হোক, দেশে থাকা সাড়ে ছয় কোটি মানুষের মধ্যে বেশিরভাগকে চাটুকার হতে হলে, সোয়া তিন কোটিরও বেশি মানুষকে পাকিস্তানপন্থী হতে হয়। আবারও জিজ্ঞেস করছি, আপনি কি সত্যিই মনে করেন, এদেশের মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কোন সমর্থন ছিল না? মুজিব ষড়যন্ত্র করে এই দেশকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করেছে?

          আর মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে আলবদরে যোগদানের রেশিও বেশি হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারণ, তখন সেটাই সুবিধাজনক পেশা। তাই, হালকা পাকি সমর্থক হলেই যোগ দিয়ে ফেলতে পেরেছে। কিন্তু, সবকিছু ত্যাগ করে যারা মাতৃভূমিকে ভালবাসতে পেরেছে, তারাই কেবল মুক্তিযোদ্ধা হতে পেরেছে। এই দু’টো জিনিসকে সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। আর অত পল্টিবাজ থাকলে, এই দেশটা কখনই স্বাধীন হত, তা যতই ভারত সহায়তা দিক – সেটা আপনি বিশ্বাস করতে পারেন কি’না জানি না।

          • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

            আমাকে অহেতুক ইনসাল্ট করার দরকার ছিলোনা। যাই হোক, আপনি প্রশ্ন করেছেন,

            আপনি কি সত্যিই মনে করেন, এদেশের মানুষের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কোন সমর্থন ছিল না? মুজিব ষড়যন্ত্র করে এই দেশকে পাকিস্তান থেকে আলাদা করেছে?

            পুরো অপ্রাসঙ্গিক একটা প্রশ্ন। এখানে এত গভীরে ঠিক কোন কারনে যেতে হচ্ছে বুঝতেছিনা। আমি কথা বলতেছি অমিত দার পোস্ট নিয়ে।

            বলতেছি, নিউট্রাল চিন্তা করেন। সুবিধাজনক পেশা বলেই যোগ দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি এত ইজিলি আল বদরের বৈধতা দিয়ে দিলেন দেখে আমি সত্যিই অবাক হলাম। আর, ৬ কোটি বাঙালির মাঝে দেশপ্রেম থাকা সত্ত্বেও কেন মাত্র ৬৯ হাজার যুদ্ধ করেছিলো সেটা সত্যিই চিন্তার বিষয়। লক্ষের ঘরটাও স্পর্শ করলোনা। মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেম নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই। তাই, আমি তাদেরকে আমার হিসাবের বাইরে রাখলাম। বাকি ৬ কোটি মানুষ যদি অধিকাংশই দেশপ্রেমিক থাকে, তাহলে ঠিক কোন কারনে লক্ষ্যাধিক পাকিস্তানি সৈন্য থাকার পরেও অনভিজ্ঞ বাঙালি যোদ্ধা মাত্র ৬৯ হাজার? বাকি ৬ কোটি বাঙালি শুধু সাহায্যের জন্যই রেডি ছিলো? তাদের মাঝে সাহসের অভাব ছিলো। আর তাই আপনি পরোক্ষ মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেমের সাথে জীবনের ঝুঁকি নেয়া প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেমের তুলনা করতে পারেন না। এটাও একপ্রকার হিপোক্রেসি।

          • মোটেই অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করিনি। আপনার বক্তব্যের অনুসিদ্ধান্তই এটা।

            যদি বেশিরভাগ মানুষের সেখানে চাটুকারিই করে, তার মানে বেশির ভাগই স্বাধীন রাষ্ট্র চায়নি। তার মানে, বাঙালিরা না চাইলেও মুজিব ষড়যন্ত্র করে দেশকে স্বাধীন করেছে। will i gain or lose weight on zoloft

          • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

            ক্লান্ত, বাঙালীরা স্বাধীনতা চেয়েছিলো। সেই সংখ্যাটা কম। আপনাকে বুঝিয়ে
            বলি, এ দেশের মানুষ পাকিস্তানের বুটের লাথি খেয়েও পাকিস্তান জিন্দাবাদ
            বলতে চেয়েছিলো একমাত্র ধর্মের কারনে। এবং এ দেশের মানুষের ধারনা
            ছিলো মুজিব ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তানকে আলাদা করেছে। মুজিব নাস্তিক এসব ধারনা ছিলো মুসলিমদের মাঝে।

          • অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

            মুজিব হত্যার পর বাঙালীদের উল্লাসের কথা শুনেছেন? ট্যাংকের উপর ফুলের মালা পড়ানোর কথা শুনেছেন??

            বাঙালীদের এখনো ধারনা যে মুজিবের কারনেই দেশে এত ভেজাল সৃষ্টি
            হয়েছিলো, আর বর্তমানে মুজিব কন্যার জন্য বর্তমানে ঝামেলা। তাই এ
            দেশে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে শিরকের ফতোয়া দেয়া হয়।

          • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

            আমি আপনাকে মুনতাসীর মামুনের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে কোনো বই সাজেস্ট করবো। সত্য কথা হল, অনেক বাঙালিই যুদ্ধ চায়নি। তারা শুধু অন্ন চেয়েছিলো পাকিস্তানিদের কাছে। মাটির ময়না মুভিটা দেখলেই স্পষ্ট হবে। মুক্তিযুদ্ধে রিলিজিয়ন অনেক বিশাল একটা ফ্যাক্ট ছিলো। আপনি এটা জানা উচিত। খুব হাস্যকরভাবে ইমোশান ব্যবহার করছেন। এখানে কাউকে অপমান করা হয়েছে বলে আমার মনে হয়না। ১৯৭১ এ যদি চাটুকার বেশি না থাকতো, শেখ মুজিবের মৃত্যুতে এভাবে মিষ্টি বিতরনের সাহস কেউ পেত না। এটা একটা লজ্জা। ভয়ঙ্কর লজ্জা। মুনতাসীর মামুন ঠিকই বলেছেন,”বঙ্গবন্ধু একটা অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন।” কথা একদমই সত্যি। এর চেয়ে তুখোড় সত্যি আমি আর শুনেছি বলে মনে হয়না। আশা করি, আপনি অন্তত মামুনের চেয়ে বড় মাপের মুক্তিযুদ্ধ গবেষক নন।

            metformin tablet
          • সত্য কথা হল, অনেক বাঙালিই যুদ্ধ চায়নি।

            হু! অস্বীকার করিনা সেটা। কিন্তু, অনেকেই যুদ্ধ চায়নি আর বেশিরভাগই যুদ্ধ চায়নি – এদুটো কথার পার্থক্য বোঝার বয়স আশা করি আপনার হয়েছে।

            অমিতদা তার পোস্টে সরাসরি বলেছেন, একত্তরে দেশে যত মানুষ ছিল তার অধিকাংশই ছিল চাটুকার/ রাজাকার। তার মানে বেশিরভাগই যুদ্ধ চায়নি। অর্থাৎ, আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা ভুল ছিল।

            আপনিও কি তাই মনে করেন? দয়া করে হ্যাঁ/না দিয়ে উত্তর দেবেন। যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আমি নতমস্তকে আপনার বিজয় স্বীকার করে এই পোস্ট থেকে বিদায় নেব।

          • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

            তার মানে বেশিরভাগই যুদ্ধ চায়নি। অর্থাৎ, আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা ভুল ছিল।

            হাস্যকর। সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে কী যায় আসে? সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফালতু একটা আইডিওলোজি। আমিও যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিশ্বাসী হতাম তাহলে আপনাকেই পাল্টা প্রশ্ন করতাম, “৬ কোটির মাঝে ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা। তার মানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি যুদ্ধে অংশ নেয়নি। তাহলে কি মুক্তিযুদ্ধটা ভুল ছিলো?”

            কিন্তু আমি সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিশ্বাসী না। আপনার কি ৬ কোটি সংখ্যাটার কাছে ৭০ হাজার কম মনে হচ্ছেনা? যেটাই হোক, এটা আলোচনা করার মত কোনো টপিক হতে পারে সেটা আমি কখনোই চিন্তা করিনাই। আমাদের দেশে যদি বিশ্বাসঘাতক কম থাকতো তবে জাতির পিতাকে যুদ্ধের মাত্র ৪ বছরের মাথ্যা এত নৃশংস ভাবে খুন করা হতনা, তাঁর মৃত্যুতে আনন্দ উৎসব হতনা, অবৈধ সেনা অভ্যুত্থান হতনা, এরশাদের মত ভন্দ গদিতে বসতোনা, সবাই মিলে দেশটাকে চেটেপুটে খেত না, দেশটা প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে এত ধর্ষিত হতনা।

          • সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে কী যায় আসে? সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফালতু একটা আইডিওলোজি।

            ঠিক আছে! মানলাম, সংখ্যাগরিষ্ঠতা বালছাল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে কিছু আসে যায় না। এখনই আমাদের গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা বাদ দিয়ে স্বৈরতন্ত্র চালু করা দরকার। সব মানলাম। renal scan mag3 with lasix

            এখন বলেন, আপনি কি মনে করেন একাত্তরে বেশিরভাগ মানুষ পাকিদের চাটুকার ছিল? বেশিরভাগ মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে ছিল?

          • ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

            এখনই আমাদের গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা বাদ দিয়ে স্বৈরতন্ত্র চালু করা দরকার।

            আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলতেছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা একসময় গিয়ে ইউনিভার্সাল হয়ে যায়। একসময় সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভাবতো সূর্য ঘুরছে পৃথিবী স্থির। এর বিরোধীতা করায় “বেয়াদব” গ্যালিলিও কে ওরা শাস্তিও দিয়েছিলো। আপনি যদি তখন জন্মাতেন আপনিও সেইদলেই থাকতেন। যেহেতু আপনি সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে পূজো করেন। আর সত্য যখন প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল, তখন এইবার গ্যালিলিওর পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাড়লো। পথ পথিকের সৃষ্টি করেনা, পথিকই পথের সৃষ্টি করে। তেমনি, গণতন্ত্র স্বীয় গুণে সংখ্যাগরিষ্ঠের বিশ্বাস অর্জন করেছেন কিন্তু এজেন্ডা ভিত্তিক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠরা গণতন্ত্রের জন্ম দেয়নি। এজন্যই এক নায়কতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়লেও গণতন্ত্র জনপ্রিয় হয়েছে নিজের গুণে, সংখ্যাগরিষ্ঠের গুণে নয়। এটুকু বুঝবেন আশা করি। আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সর্বোত্তম যাচাই করবোনা, সর্বোত্তম যাচাই করেই সেই বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবো। এটাই কাম্য। যদি এর বিপরীত কিছু ঘটে তাহলে উন্নতি উ তে আঁটকে থাকবে, চন্দ্রবিন্দুর চাঁদ কখনোই দেখা হবেনা। আর আপনার প্রশ্নের জবাব ইতোমধ্যেই অনেকবার দিয়েছি। পাকিদের চাটুকারের রেশিও যদি বেশি না হত তাহলে ৬ কোটি মানুষের মাঝে ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা কেন? বাকিদের দেশপ্রেম কোথায় ছিলো? আবারও বলছি, এটা বিতর্ক করার মত টপিক না। উন্নত মস্তিষ্কের ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই পোস্টের বিষয় বস্তুকে যেভাবে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরিয়ে দিয়েছেন এতেই আমি পুলকিত, বিষ্মিত, বিমোহিত। আর বেশি পুলকিত হতে চাচ্ছিনা। মুগ্ধ হবার সর্বনিম্ম সীমা ক্যালকুলাসের ধারাপাত পরিপূর্ণ করে সর্বোচ্চ সীমায় গিয়ে সর্বংসহা মনোভাবের পরিধিকে অতিক্রম করে এই জ্ঞানহীন ইলেকট্রনের জ্ঞানেন্দ্রিয় বিকশিত করার গুরুদায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাছে অজ্ঞান করে ফেলে সেই শঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে এই দফায় এই বিতর্ক হতে অবসর গ্রহন করাকেই সর্বাপেক্ষা শ্রেয়তর মনে করছি। amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

    • পক্ষে-বিপক্ষের জবাব পড়ে ভাল লাগছে। চমৎকার বিতর্ক। অনেক কিছু শিখছি।
      ইলেক্ট্রন ভাই, আপনার এই কমেন্টের কথাগুলো ভাল লেগেছে। ভাল যুক্তি।
      শুধু এটুকু বলবেন কি- আপনি যে বলেছেন, “যুদ্ধচলাকালীন সময়ে আমি মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেমের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি তাঁদের সীমাহীন সাহসকে!”
      দেশপ্রেম না থাকলে এই সাহসটা আসলো কোথা থেকে? সময়ের প্রয়োজনে? can levitra and viagra be taken together

  9. অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

    আমার এই পোষ্টে এই একটা কমেন্ট এলো, যাকে আমি কমেন্ট বলি। যাকে আমি ব্লগিং বলি,
    ধন্যবাদ ইলেকট্রন। কারন আপনি যুক্তি দিয়ে বিচার করেছেন। যদি ভারত সমর্থন না দিতো
    তাহলে আমরা কখনোই এই যুদ্ধে জিততে পারতাম না। ভারত চেয়েছিলো বলেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। অথচ অতি আবেগী বাঙ্গালিরা সে কথা বেমালুম অস্বীকার করে যায়।

    এই পোষ্টের উদ্দেশ্য ছিলো তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের হিপোক্রেসি নিয়ে। এখানে কোনো মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু বলা হয়নি। অনেক মুক্তিযোদ্ধা বর্তমানে দেশের বলাতকার করছে।
    যে দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের পাছায় লাথি মারে রাজাকারের সন্তান, সে দেশকে আমি রাজাকারের
    দেশ বলাটা কি খুব ভুল?

    বাকী যারা মন্তব্য করেছেন সবাই আবেগের বশবর্তী হয়ে পোষ্টের উদ্দেশ্য না বুঝে মন্তব্য করেছেন
    আবেগ দিয়ে প্রেম করা যায়, প্রেমের উপন্যাস লেখা যায়। যুক্তিবাদী চিন্তা বা মুক্তচিন্তা করা যায়না।
    ধন্যবাদ সবাইকে, আমার যা বলার ছিলো তা ইলেকট্রন বলে দিয়েছে।

  10. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    আলোচ্য ব্লগ পোস্টে অমিত লাবন্যের কথাকে অতিরঞ্জন করে মাথায় ডুকিয়ে প্যাঁচাই ফেলা হয়েছে। কোথায় জানি পড়েছিলাম না জানি কার কাছে শুনেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধারা তিন ধরণের।
    ক) Freedom fighter by choice অর্থাৎ, স্বেচ্ছায় নিজের পছন্দে মুক্তিযোদ্ধা
    খ) Freedom fighter by chance অর্থাৎ, অনিচ্ছা সত্ত্বেও সুযোগের মুক্তিযোদ্ধা
    গ) Freedom fighter by force অর্থাৎ, হেরে যাওয়ার ভয়ে বা লুটপাট করে নিজের অপকর্ম ঢাকতে মুক্তিযোদ্ধা বেশ বরণ বা জোড় করে মুক্তিযোদ্ধা। metformin synthesis wikipedia

    সুযোগ সন্ধানী এবং জোড় করে অন্যায় ঢাকতে মুক্তিযোদ্ধা সাজা লোকের সংখ্যায় আসলে বেশী ছিল বলেই আমার ধারণা। মুক্তিযুদ্ধ বুঝে মন থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া লোকের সংখ্যা আসলেই খুব বেশী না। তেমন টি হলে আজ ৪২ বছর পর দেশের এই অবস্থা থাকত না। মুক্তিযুদ্ধকে না বুঝতে পারার একটা মূল কারণ আমাদের শিক্ষা। যতদিন মানুষ ভাববে একটা মানচিত্র আর ভূখণ্ডের মাঝেই মানুষের মৌলিক মুক্তি বিদ্যমান ততদিন মানুষের মুক্তি হবে কীভাবে বলুন? মানচিত্রের স্বাধীনতা কেবলই একটা ধাপ মাত্র…

    আমরা স্বাধীনতার কথা বলি সবসময় মুক্তির কথা বলি! আচ্ছা স্বাধীনতা কি? আমি মানুষ যদি পাখির মত পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়া গোটা দুনিয়া ঘুরতে না পারি তবে কি স্বাধীন হতে পারব? সত্যিই কি তা নয়?
    রুশো স্বাধীনতাকে ভেঙ্গে বলেছিলেন ‘স্ব অধীনতা’!! আমরা কি স্ব অধীন থাকতে পারছি? পেরেছি? হুম আমি মানছি রাষ্ট্রীয় গণ্ডিতে স্বাধীনতা মানব সভ্যতার পূর্ণাজ্ঞ স্বাধীনতা অর্জনের একটা ধাপ। তার অর্থ কখনই এই না আমরা আজীবন জাতীয়তাবাদে আবদ্ধ থাকবো।। মানুষের সাম্য এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার সবচে বড় অন্তরায় হচ্ছে ‘ধর্ম’ এবং ‘রাষ্ট্র’…

    মানুষের মানবিক মূল্যবোধের মুক্তির জন্যে যে যুদ্ধ চলছে গত ২৬০০ বছর ধরে সেটাই আমার কাছে মানুষের মৌলিক! আমাদের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ আসলে বঞ্চনা এবং শোষণ থেকে মুক্তির যুদ্ধ এটাকে আমরা স্বাধিকার বা সার্বভৌমগত মুক্তির আন্দোলনও বলতাম।

    এইখানে অমিত কতটা কীভাবে ব্যখ্যা করতে চেয়েছেন আর পেরেছেন আমি জানি না তবে মানুষের মৌলিক মানবিকতার বা মূল্যবোধের মুক্তির কথা বলতে গিয়ে তিনি শেষে মহান স্বাধীনতার আন্দোলনকে এনে কিছু পাঠককে বিভ্রান্ত করে ফেলছেন বলে আমার ধারণা যা পরে ইলেকট্রনের মন্তব্যের প্রতিমন্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে অনেকাংশে…

  11. অমিতদা, আপনার পোস্টটা বর্তমানে সভ্যতায় সর্বোচ্চ পঠিত পোস্ট। কংগ্রাটজ! ::-bd

  12. চাতক বলছেনঃ

    জাতীয়তাবাদ যতটা না মানবিক তারচে বেশী সর্বগ্রাসী। অমিত বাবুর পোস্ট নিয়েই হুদাই সবাই চুলকাইল। কে জানি আবার বলে তুমি কেন ঘষ আমি জানি ;)

    • হা হা হা! স্ট্যান্ড এত তাড়াতাড়ি বদলে যায় চাতকদা?

      অথচ, বছরখানেক আমার আরেকটা জাতীয়তাবাদী পোস্টে আপনার কমেন্ট ছিল –

      আপনরা ৩ টা মাত্র লিখা! সবগুলোই ভাল!!
      শুধু ভাল বললে কম হবে…
      আপনার ফ্যান হইয়া গেলাম। অনেক অনেক শুভ কামনা রইল! metformin gliclazide sitagliptin

      জাতীয়তাবাদ ভাল, শুধু ভাল নয়, তার চেয়েও বেশি থেকে সর্বগ্রাসী হতে বুঝি মাত্র এক বছর লাগে?

      সত্যিই আপনাদের মত মহামান্যদের কথা বুঝতে আমার আরও সাতবার জন্ম নেয়া দরকার।

      • চাতক বলছেনঃ

        প্রেমকেও মাঝে মাঝে সর্বগ্রাসী মনে হয় তবে তারপরও মানুষ প্রেম করে। জাতীয়তাবাদ আমি অস্বীকার করিনি বোধহয়। আপনি আমার মন্তব্য ভাল করে পড়েন নি বোধহয়। সময়ের প্রয়োজনে জাতীয়তাবাদী হতে আমি বিব্রত না তবে সবকিছুর একটা সিমানা আছে। কতটা জাতীয়তাবাদী মানবিক তাও হিসেব কষবার সময় হয়েছে দাদা।

        যা হোক আপনি আমাকে মনে হয় ভুলভাবে ইন্টারপ্রেট করছেন বছরখানেক আগে আমি কোন ব্লগে ছিলাম না। চাতক সভ্যতায় প্রথম আর সভ্যতার বয়স বোধহয় বছর হয় নি। ;)

  13. ঐতিহাসিক পোষ্টটার কমেন্টগুলো পড়লাম। নতুন করে বলার কিছু নাই।
    শুধু একটা বিষয়ে বলে পারছিনা।এ জাতিরে দিয়ে কিচ্ছু হবে না- টাইপ চিন্তা ভাবনাই আমাদের পিছিয়েছে। এ ধরনের চিন্তা কোনভাবেই আমাদের সাথে যায় না, যেখানে আমাদের অতীত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কিছু ইতিহাস রচনা করে গেছে।
    ইস! আমাদের জাতিসত্বার পরিচয় যদি সবাই জানতো, তাহলে সে অনুপ্রেরণা থেকেই আমরা অনেক এগিয়ে যেতাম।

    • দুরন্ত জয় বলছেনঃ

      অমিত দার মূল উদ্দেশ্য সম্ভবত ছিল এই ম্যসেজ দেয়া যে ‘নিশ্চুপ বন্ধুর চেয়ে চিহ্নিত শত্রু শ্রেয় ‘ এ টাইপ কিন্তু তাল গোক পাকিয়ে ফেলেছেন

      • হ্যা, ইলেক্ট্রন দা ন আসলে ঠিক মতন ক্লিয়ারই হতাম না সবাই।
        অমিত দা, যে সূক্ষ্ম বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চেয়েছেন সে রকম লেখা, ইতিহাস, চলচ্চিত্র আমরা তো আরও দেখি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্রে। যেমনঃ খুব সম্প্রতি দেখা “Flags of our Father” মুভিটার কথা উল্লেখ করছি। একটা যুদ্ধের শতভাগই দেশপ্রেম থেকে যায় না। এ নিয়েও লেখা থাকা উচিত। সত্য অপ্রিয় হলেও ইতিহাস থাকা উচিত, বিতর্ক থাকা উচিত।
        ব্যক্তিগতভাগে আমার নিজের চলচ্চিত্র নির্মাণের ইচ্ছা। অমিত দা’র বিষয়বস্তু নিয়ে এখনই মুভি নির্মাণ ঠিক হবেনা বলে মনে হয়। এ কারণে যে- মূল ইতিহাসগুলো নিয়েই তো এখনও মুভি হয়নি। আগে সে জায়গাগুলোর ঘাটতি পূরণ হোক। নাহয়, ‘মেহেরজান’ চলচ্চিত্রগুলো সাধারণ মানুষ এখনও মেনে নিতে পারবে না।
        এছাড়া, অমিতদা তার লেখায় ছোট্ট ছোট শব্দ বা লাইনে মারাত্মক কিছু ভুল করে ফেলেছে, নাহয় প্লটটা খারাপ লাগতো না।

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.