একজন সাকিব এবং একটা কিছু অর্থহীন চিত্রকল্প…

586

বার পঠিত

10409336_522759294517924_4060903005388730422_n

অনেক অনেক দিন আগের কথা। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজ্য ছিল সেটা। কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর হলে কি হবে, শক্তিসামর্থ্যের দিক দিয়ে সেই রাজ্যটা ছিল তুলনামূলক দুর্বল। আর তাই আশেপাশের রাজ্যগুলোর সাথে যুদ্ধে সবসময় শোচনীয় ভাবে হেরে যেত সেই রাজ্যটা। অস্ত্র, গোলাবারুদ যে কম ছিল তা নয়, কিন্তু সমস্যা হল সেই রাজ্যে কোন সত্যিকারের বীরযোদ্ধা ছিল না। ফলে যুদ্ধকৌশল এবং পরিকল্পনার অভাবে সেই রাজ্যটা হেরে যেত প্রতিবার। রাজ্যের সবচেয়ে জঘন্য ছিল যুদ্ধ পরিচালনাকারী কাউন্সিল। একগাদা অথর্ব নিষ্কর্মা অপদার্থ পরিচালনা করত সেই কাউন্সিলটি এবং নিজেদের অযোগ্যতা ঢাকতে সবসময় দোষ চাপাত যোদ্ধাদের উপর। মাঝে মাঝে দুইএকজন যোদ্ধা বীরত্ব দেখাতেন, কিন্তু তা ছিল নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। যিনি এক যুদ্ধে অসাধারন যুদ্ধ করলেন, দেখা গেল পরের যুদ্ধেই তিনি সবার আগে আত্মসমর্পণ করেছেন। ফলে সেই রাজ্যের সৈন্যদের মনোবল একেবারে ভঙ্গুর অবস্থায় থাকতো সবসময়। তারপর হঠাৎ একদিন এক অভাবিত বীরের আগমন ঘটল সেই রাজ্যে। রাজ্যের সাত জনমের ভাগ্য হয়ে আসা সেই অসমসাহসী বীরযোদ্ধাকে যুদ্ধের প্রতিটি অংশে, যুদ্ধ ময়দানের সর্বত্র অসামান্য বীরত্বে যুদ্ধ করতে দেখা গেল। প্রতিপক্ষকে প্রায় এক হাতে উড়িয়ে দিলেন সেই বীর, পরিনত হলেন বিপক্ষ রাজ্যগুলোর অকল্পনীয় ভীতিকর ত্রাসে। রাজ্যের জনগন প্রথমে অসামান্য ভালোবাসায় প্রানের প্রিয় আপনজন হিসেবে হৃদয়ের ঠিক মাঝে ঠাই দিল সেই বীরকে, বরন করে নিল অকৃতিম ভালোবাসায়। এভাবেই কেটে গেল বেশ কিছুদিন।

তারপর একদিন হঠাৎ আবিষ্কৃত হল , সেই যুদ্ধ কাউন্সিলের নিতান্তই জঘন্য অপদার্থগুলো ঈর্ষা ও হিংসায় মারা যাচ্ছে। কারন অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা গেল, অসাধারন ব্যক্তিত্বের অধিকারী নিপাট সৎ সেই স্পষ্টভাষী বীর রাজ্যের যুদ্ধ কাউন্সিলকে কোনোরূপ তোষামোদ (সহজ বাঙলায় তেল মারা ) করে চলছেন না। বরং সুযোগ পেলেই আকণ্ঠবিস্তৃত দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতিতে ডুবে থাকা এই যুদ্ধ কাউন্সিলের প্রতিটি অপকর্মের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বীর। কেননা এভাবে যদি সবাই মুখ বুজে সব অপকর্ম সয়ে যায়, তবে প্রতিটি যুদ্ধেই তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত। কিন্তু এর ফলে যুদ্ধ কাউন্সিলের ভয়ংকর রোষের মুখোমুখি হলেন তিনি। যুদ্ধ কাউন্সিলের আকাটা প্রাণীগুলো প্রথমে কোড অফ কন্ডাক্ট নামের শেকলের সাহায্যে তাকে চুপ করাতে চাইল, কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে তাকে সম্ভাব্য প্রতি পদক্ষেপে হেনস্থা আর অপদস্ত করবার চেষ্টা করতে লাগলো। আর এই কাজে অন্যতম মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে তারা ব্যবহার করল জাতীয় পতিতা বলে বিবেচিত কিছু সংবাদবাহককে। সংবাদবাহকদের কাজ হল ছলে বলে কৌশলে যেভাবেই হোক জাতীয় বীরকে অপমান করা, অপদস্থ করা, জনগনের চোখে তাকে নিকৃষ্ট এবং বিশ্বাসঘাতক হিসেবে প্রমান করা। ওহো, আরেক শ্রেণীর কথা তো বলাই হয় নি। সবাই সেই বীরকে ভালবাসলেও জনগনের মধ্যে একটা শ্রেণী ছিল, যারা সুযোগ পেলেই বীরকে বিশ্রীভাবে অপমান করতে ভালবাসত। এ কাজটি তারা করত বীরের সাফল্য, খ্যাতি ও জনপ্রিয়তাকে ভয়ংকরভাবে ঈর্ষা করার কারনে। যখন জাতীয় পতিতা সংবাদবাহকেরা সেই বীরের নামে নানা উদ্ভট বানোয়াট মনগড়া সব কথা প্রচার করত, তখন এই প্রতিবন্ধী অসুস্থ মানুষগুলোই সবার আগে এটা নিয়ে হইচই বাধিয়ে দিত এবং আরও মিথ্যার প্রলেপ লাগিয়ে সর্বত্র প্রচার করত। যদিও শেষ পর্যন্ত জানা যেত, সবই মিথ্যা এবং অতিরঞ্জিত। মজার ব্যাপারতা হচ্ছে, তখন কিন্তু ভুল এবং মারাত্মক মিথ্যা প্রচার করে বীরকে এরকম নিদারুণ অপমানের জন্য বেশ্যা সংবাদবাহকেরা বিন্দুমাত্র ক্ষমা চাইত না। কেননা সেই মুহূর্তে যে তারা নতুন বানোয়াট সংবাদ বানাচ্ছে বীরের নামে, ক্ষমা চাইবার সময় তাদের কোথায়? অবস্থা এতটাই ভয়ংকর পর্যায়ে চলে গেল যে, সেই প্রতিবন্ধীগুলো সেই বীরের মা আর স্ত্রীকেও ছাড়ল না। বিচিত্র রকমের জঘন্য ও নিকৃষ্ট সব কথা বলতে লাগলো তারা। আর এদিকে পতিতা সংবাদবাহক এবং যুদ্ধ কাউন্সিলের দুর্নীতিবাজ পচাগলা প্রাণীগুলো আছেই… ক্ষোভে দুঃখে, অভিমানে অসম্ভব প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে একদিন বীর নীরবে সেই রাজ্য ছেড়ে চলে গেল। 

বীর চলে যাবার পর কাউন্সিল এই মর্মে ঘোষণা দিল, রাজ্য আজ এক বেয়াদব নিমকহারাম হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। এই খবর প্রকাশ করতে গিয়ে বেশ্যা সংবাদবাহকেরা লিখল, এই নিকৃষ্ট যোদ্ধাকে আরও আগেই বের করে দেয়া দরকার ছিল, এর কারনে সব যোদ্ধারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। আর প্রতিবন্ধী অসুস্থ সমাজ বিশ্বাসঘাতকের বিদায়ের খুশিতে তিনদিনের আনন্দমিছিল বের করল। এখন আর তাদের সীমাহীন ঈর্ষায় পুড়তে হবে না, আপদ বিদায় হয়েছে। কিন্তু দেশের সিংহভাগ জনগন প্রচণ্ড দুঃখ আর কষ্ট পেল, এই বীর ছাড়া পরবর্তী যুদ্ধে তারা কীভাবে টিকবে, সেই দুশ্চিন্তা গ্রাস করল তাদের। খুব দ্রুতই ভয়ানক বাস্তব হয়ে দেখা দিল তাদের আশঙ্কা…

এরপরের যুদ্ধে তারা শোচনীয়ভাবে হেরে গেল এবং নিদারুণ লজ্জার মুখোমুখি হল। তারপরের যুদ্ধেও লজ্জাজনক হার, তারপরের যুদ্ধের শুরুতে বিপক্ষ দল যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাল এবং বলল এরা এতটাই অপদার্থ যে এরা আমাদের সাথে যুদ্ধ নামারও যোগ্য নয়। এরা এদের সর্বশ্রেষ্ঠ বীরকে নিকৃষ্টভাবে অপমান করেছে, এরা নিতান্তই নর্দমার কীট… এভাবে একের পর এক রাজ্য যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাতে থাকল এবং ধীরে ধীরে রাজ্যটা পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নিকৃষ্ট রাজ্যে পরিনত হল। পরে অবশ্য যুদ্ধ কাউন্সিল, বেশ্যা সংবাদবাহক কিংবা প্রতিবন্ধী সমাজ-সবাই তাদের ভুল বুঝতে পেরেছিল, কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। আর রাজ্যের সিংহভাগ জনগন সেই বীরের জন্য আকুল হয়ে কাঁদলেও সেটা নিতান্ত অপ্রয়োজনীয় ছিল। কারন যখন রাজ্যের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বীরকে নিকৃষ্ট ও জঘন্য উপায়ে অপমান করা হচ্ছিল, তার পরিবারকে জড়িয়ে কুৎসিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছিল, তাকে দেশদ্রোহী বানিয়ে বিশ্বাসঘাতক উপাধি দেয়া হচ্ছিল, তখন রাজ্যের এই বিশাল জনগন চুপ করে ছিল, তারা এই বীরের পক্ষে দাড়ায়নি। বীরের পাশে দাঁড়াবার মত কাওকে খুঁজে পাওয়া যায়নি সেদিন… 

আমি সব সময় দেশের হয়ে খেলতে চাই। অন্তত আরো দশ বছর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চাই আমি। আইপিএল জিতে বাংলাদেশে এসে আমি বলেছি, বাংলাদেশের হয়ে একটি ম্যাচ জিতে যে আনন্দ, পুরো আইপিএল ট্রফি জিতেও সে আনন্দ নেই। এতেই আমার দেশের হয়ে খেলার ব্যাপারে ধারণা নিতে পারেন। অনেকেই মনে করে আমি ২০১৯ বিশ্বকাপের পর অবসর নিবো। কিন্তু সত্য হলো আমি ২০২৩ সালের বিশ্বকাপও খেলতে চাই

                                                                                                                                                                           –  সাকিব আল হাসান

‪‎আমাদের‬ ক্ষমা করো হে বীর, আমাদের ক্ষমা করো…  

kamagra pastillas
can your doctor prescribe accutane

You may also like...

  1. অংকুর বলছেনঃ

    আমরা আসলে যোগ্যের সম্মান দিতে জানিনা, যারা বলে সাকিব টাকার জন্য এমন করছে তারা হয়ত জানেনা সাকিবের যত টাকা আছে তা ব্যাংকে রেখে দিলে মিনিমাম এক কোটি খালি ইন্টারেস্টই পাবে। আশরাফুল এর মত কুলাঙ্গার এর জন্য দরদ উছলাইয়া পড়ে আর সাকিব রাজাকার!

  2. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    আমাদের দেশে শামিম ওসমানদের জন্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের লোক থাকে কিন্তু সাকিবদের জন্যে কেউ না!! খুবই দুঃখজনক…

  3. রাহাত মুস্তাফিজ বলছেনঃ

    ভাল লিখেছ। শেয়ার দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু অতিথিদের শেয়ার দেয়া মনে হয় কিছুটা ঝামেলার্।

    zovirax vs. valtrex vs. famvir
  4. খুব ভালো লিখেছেন ভাইয়া। কোন কিছু বলার নাই… শুধু বলবো-

    আমাদের‬ ক্ষমা করো হে বীর, আমাদের ক্ষমা করো…

    :( :( :(

    glyburide metformin 2.5 500mg tabs
  5. চাতক বলছেনঃ

    ভাল লাগলো আপনার পোস্ট, আর সাথে সাথে প্রচণ্ড কষ্ট

    amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
    will i gain or lose weight on zoloft
  6. অমিত লাবণ্য বলছেনঃ

    এরশাদ বলেছেন- metformin gliclazide sitagliptin

    একই দেশে কখনো দুইরকমের আইন হতে পারেনা,। একই অপরাধের জন্য দুইরকমের সাজা হতে পারেনা। সেটা শুধু একটাই হতে পারে- যে যারা দোষী তারা দোষী, যারা ভালো তারা ভালো আর যারা খারাপ তারা খারাপ।

  7. ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

    para que sirve el amoxil pediatrico

    গুছিয়ে কথা গুলো লিখেছেন। ভালো লাগলো। সাকিবকে নিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করছিঃ

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

viagra vs viagra plus

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

walgreens pharmacy technician application online