হননবাড়ি

302

বার পঠিত

ল্যান্ডফোনটা বিচ্ছিরি শব্দ করে বেজে ওঠে ।

রাত নয়টা বাজে । accutane prices

এই সময় ফোন আসার একটাই মানে ।

 

‘কোথায় ?’ ফোনটা রিসিভ করে জানতে চায় ডিটেক্টিভ আসিফ আহমেদ ।

‘মোহাম্মদপুরে ।’ ওপাশ থেকে শোনা যায় জিয়ার গলা । কিছুটা কাঁপল কি গলাটা ?

‘টেক্সট মি দ্যা অ্যাড্রেস ।’

 

তিনমিনিটে প্রস্তুত হয়ে বের হয়ে যায় আসিফ । renal scan mag3 with lasix

সাড়ে নয়টায় গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায় ও ।

ক্রাইম সীনে পৌঁছে দেখে মেডিকেল এক্সামিনার তোফায়েল পর্যন্ত নাক-কুঁচকে আছে ।

চারপাশে ক্রাইমসীন ইউনিটের সদস্যরা স্যাম্পল সংগ্রহে ব্যাস্ত । ছবি তোলা হচ্ছে কোন কিছু তুলে নেওয়ার আগে ।

বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে তোলা ছবিগুলো কাজে আসতে পারে পরে ।

 

‘কজ অফ ডেথ ?’ প্রত্যেকবারই ক্রাইম সীনে এসে প্রথম এই প্রশ্নটাই করে আসিফ ।

‘আননোন ।’  তবে এই প্রথমবারের মত ওকে হতাশ করে তোফায়েল । ‘ভিক্টিমের শরীরে ক্ষতের অভাব নেই । মর্গে নিয়ে ভালোমত দেখে বলতে পারব ।’

 

মৃত ছেলেটার দিকে ভালোমত তাকায় আসিফও ।

বুকে এবং মুখে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ণ । কেউ আক্রোশে যেন বার বার চিড়ে ফেলতে চেয়েছে শরীরটাকে ।

‘মার্ডার উইপন কি হতে পারে ?’ বোঝার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয় আসিফ ।

‘কোন ধরণের সোর্ড – সম্ভবত ।’

‘ভিক্টিমের আইডেন্টিটি ?’

‘এখনও জানি না ।’ তোফায়েল লাশের মুখের ভেতরটা পরীক্ষা করে । ‘স্যার – বলাটা ঠিক হবে কি না জানি না – তবে ভিক্টিমের মুখ দেখে মনে হচ্ছে প্রচন্ড ভীতি নিয়ে মারা গেছে  ।’

‘খুনীকে সামুরাইদের মত সোর্ড চালাতে দেখলে যে কারও ভয় পাওয়ার কথা । তোমার পয়েন্টটা কি ?’ বিরক্ত হয়ে বলে আসিফ ।

‘স্যার মাফ করবেন, কিন্তু যেভাবে দাঁতে দাঁত চেপে রয়েছে – তাতে মনে হচ্ছে ভয়টা তাৎক্ষণিক ছিল না ।’

‘থ্যাংকস তোফায়েল ।’ প্রশংসা করে আসিফ, ‘এর অর্থ খুনী ওকে বেশ কিছুক্ষণ অস্ত্রের মুখে রাখে । পরিচিত কেউ হওয়ারই সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি ।’ glyburide metformin 2.5 500mg tabs

চারপাশে তাকিয়ে সহকারী জিয়াকে খোঁজে – ছেলেটা গেল কোথায় ?

 

কোনমতেই বসকে বোঝাতে না পেরে মরিয়া হয়ে আসল কথাটা বলেই ফেলে তোফায়েল, ‘বাড়িটার বদনাম আছে স্যার ।’

চারপাশে ক্রাইম সীন ইউনিটের সদস্য – তারমাঝেই তোফায়েলকে প্রকান্ড এক ধমক দেয় আসিফ, ‘তোমার মুখে এই কথা শুনব ভাবিনি, তোফায়েল । এখন দ্রুত তোমার কাজটা শেষ কর । আর দয়া করে কেউ কি জানাবে জিয়াকে কেউ দেখেছে কি না ? ’

 

ঠিক এই মুহূর্তে প্রতিটি লাইট নিভে যায় বাসাটার । side effects of quitting prednisone cold turkey

ঘুটঘুটে অন্ধকারে ডুবে যায় সবাই ।

একটা ক্যামেরা অবশ্য ফ্ল্যাশ দিয়ে ওঠে এরই মাঝে – সিএসইউ এরই ক্যামেরা । তারপর গাঢ় অন্ধকার চারপাশে ।

থমকে যায় সবাই ।

 

‘এরকমটা প্রায় রাতেই হয় স্যার এই বাসায় ।’ কাঁপা গলায় বলে তোফায়েল, ‘এমনটাই শুনেছি ।’ nolvadex and clomid prices

হতভম্ভ ভাবটা কাটাতে এক সেকেন্ডের বেশি নেয় না আসিফ ।

মোবাইলের ফ্ল্যাশটা অন করে সিঁড়িঘরের দিকে ছুট লাগায় ও । নীচতলায় দেখেছে মেইনসুইচগুলোকে, মিটারের সাথে লাগানো ।

দোতলা থেকে নেমে এসে ফাঁকা গ্যারাজের এককোণে সুইচবোর্ডটা চোখে পড়ে আসিফের ।

আশেপাশে একটা মানুষ নেই ।

ওদিকে এগিয়ে যেতেই বিনাশব্দে চারপাশটা আলোয় ভেসে যায় ।

চারপাশে হতভম্ভের মত তাকায় আসিফ । সুইচবোর্ড কেউ স্পর্শ করেনি ।

কোথাও নেই কেউ এখানে ।

 

কি ব্যাখ্যা হতে পারে এর ?

হননবাড়ি

✭✭✭

ক্রাইম সীনের দিকে আবারও পা বাড়ায় আসিফ ।

 

এ বাসায় ইলেক্ট্রিসিটি কানেকশনে সমস্যা আছে । আর কিছু না ।

তবে তোফায়েলের মত একজন ডাক্তার যদি এতে ভয় পায় – এলাকাবাসী পাবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই ।

দোতলায় খুনটা হয়েছে ।

বাসাটা দোতলা-ই ।

 

মৃতদেহটা পড়ে আছে যে রুমে – এই রুমটাই একটু সাজানো গুছানো ।

অপর রুম দুটো খালি একেবারেই । doctorate of pharmacy online

মৃতদেহটা খাটে পা দুটো এলিয়ে পড়ে আছে । ঘরের একমাত্র জানালার কাছে একটা টেবিল । তাতে ল্যাপটপটা ছাড়া আর কিছু নেই ।

 

বাসাটা খুব একটা বড় তা নয় । private dermatologist london accutane

তবে একটা মাত্র ছেলের জন্য বাসাটা বড় । এখানে ও কি করছিল ?

কয়েক বছর খালি পড়ে থাকা বাসাতেই বা ভাড়া কেন নিয়েছিল তাড়াহুড়ো করে ।

কারও কাছ থেকে পালাচ্ছিল ছেলেটা ?

সহকারী জিয়াকে দেখা গেল এই মুহূর্তে ।

 

‘কোথায় ছিলে ?’ প্রশ্ন করে আসিফ ।

‘কাছেই, স্যার ।’ এড়িয়ে যায় জিয়া ।

 

জিয়ার শরীর থেকে সিগারেটের গন্ধ পায় আসিফ । ভাল করে তাকাতে ওর চোখ-মুখ যেন কিছুটা রক্তশূন্য মনে হয় ।

ও কর্মক্ষেত্রে এসে সিগারেট খাচ্ছিল ?

জিয়া সিগারেটটা তেমন খায় না – জানে আসিফ । বসের ধারে কাছে থাকার সময় তো নয়-ই ।

এমনটা নয় যে আসিফের কোন আপত্তি আছে – তবে স্যারকে শ্রদ্ধা করে এই কাজটা কখনই কর্মক্ষেত্রে করে না জিয়া ।

আজ ও ক্রাইম সীন থেকে বেড়িয়ে গিয়ে সিগারেট ধরিয়েছে ?

এমন কিছু কি দেখেছিল যেটা নাড়া দিয়েছে ওকে ?

 

ওই প্রসঙ্গে যায় না আসিফ ।

‘তাহলে – খুনের ব্যাপারটা কিভাবে জানে হোমিসাইড ?’ সরাসরি রিপোর্ট চায় আসিফ ।

ওদের গুরু-শিষ্যের মাঝে অলিখিত নিয়ম হয়েই আছে । যে আগে ক্রাইম সীনে পৌঁছতে পারবে সে ডেইটা কালেক্ট করে রাখবে ।

‘রাত আটটার দিকে মরণ চিৎকার শোনে পাশের বাসার দোতলার পরিবারটি । তারাই পুলিশে জানায় । সেখান থেকে লোক এসে মৃতদেহটা আবিষ্কার করে আমাদের জানায় ।’

‘বাড়িওয়ালার ব্যাপারে কি জানা গেল ?’ thuoc viagra cho nam

‘বাড়িটা মৃত বুড়ো শিকদারের । ’ জবাব দেয় জিয়া ।

 

ওর দিকে একটা ভ্রু উঁচু করে তাকায় আসিফ ।

‘এলাকাবাসী এই নামেই ডাকে শিকদারকে ।’ তাড়াতাড়ি বলে জিয়া, ‘ভালো নাম এখনও বের করতে পারি নি ।’

‘তাহলে এই মুহূর্তে বাড়িটার মালিকানা কার ?’

‘বুড়ো শিকদারের এক ছেলে আছে শুনেছি । এও শিকদার । শামীম শিকদার । ’

‘থাকে কোথায় ?’

‘এখান থেকে পাঁচ মিনিট দূরত্ব ।’ জিয়ার কথা শুনে আবারও একটা ভ্রু উঁচু হয়ে যায় আসিফের ।

‘কেন ? নিজের বাসা থাকতে আবার অন্য বাসায় ভাড়া দিয়ে থাকবে কেন ? তাও আবার একই এলাকায় ?’

‘কারণ -’ ফ্যাকাসে ভাবটা ফুটে ওঠে জিয়ার মুখে । ‘বাড়িটা ভূতুড়ে ।’

 

✭✭✭

 

শামীম শিকদারের বাসার ড্রইং রুমে বসে আছে আসিফ ও জিয়া ।

একটু পর হাত মুছতে মুছতে বেড়িয়ে আসে শামীম ।

ভদ্রলোকের বয়স পঁয়ত্রিশ হবে ।

 

‘আমি আসিফ আহমেদ ।’ উঠে হাত মেলায় আসিফ, ‘হোমিসাইড ব্রাঞ্চ থেকে ।’

হাত মেলালেও চেহারায় ভীতির ছাপ পড়ে ভদ্রলোকের ।

‘হোমিসাইড  ! কেন ?’

‘আপনার নতুন ভাড়াটের ব্যাপারে । আজ রাত আটটার দিকে খুন হয়ে গেছেন তিনি । আপনার বাসায় ।’

‘ওহ মাই গড !’ বিস্মিত ভরলোক বলেন । ‘কিভাবে ?’

‘জানার চেষ্টা চলছে । মি. শামীম – যদি কিছু না মনে করেন, আমার কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দিন ।’

‘নিশ্চয় । বলুন কি জানতে চান ?’

 

‘আপনার ভাড়াটের ব্যাপারে যতটুকু জানেন আমাদের বলুন ।’ সোজা হয়ে বসে  আসিফ । ইতস্তত করে বলেই ফেলে, ‘আমরা মৃতদেহে কোন আইডেন্টিটি খুঁজে পাইনি।’

‘উনার নাম ছিল আকাশ রহমান । আমাকে বলেছিলেন ছোট একটা চাকরী করেন মিল্ক ভিটা কোম্পানীতে । প্রাইভেট একটা ভার্সিটির নাম করে বলেছিলেন বিএসসি ওখান থেকে করা । আর কম খরচে ভাড়া খুঁজছিলেন । অবাকই হয়েছিলাম । আমার বাসা সব সময় খালি পড়ে থাকে – কেউ থাকতে চায় না । এমনকী আমিও থাকি না । তাই ভাড়াটা দেই উনাকে ।’

‘কেউ ভাড়া থাকতে চায় না কেন ?’ তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে থাকে আসিফ শামীমের দিকে । ‘আপনি-ই বা থাকেন না কেন ?’ cialis new c 100

 

‘মি. আসিফ -’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন শামীম শিকদার, ‘বাড়িটায় অস্বাভাবিক কিছু আছে ।’

‘রাবিশ ।’ বিড় বিড় করে আসিফ । এরপর জোরে বলে, ‘খুলে বলুন ।’

‘বাড়িটা বানিয়েছিল বাবা । বাবার একমাত্র ছেলে আমি । বাড়িটা টিনশেডের ছিল বহুদিন । তারপর একে দোতলা করা হয় – সেই উনিশশ নিরানব্বই সালে । তখন এদিকে বাড়িঘর ছিল কম । আর যাও ছিল সবই নীচ তলা অথবা দোতলা । বুঝতেই পারছেন – নিরানব্বই সালের কথা ।’

 

আগ্রহের সাথে আসিফের দিকে তাকান শামীম । মনোযোগ দিয়ে শুনছে কিনা জানতে চায় হয়ত । তাকে আশ্বস্ত করে আসিফ – চোখে ঝুলিয়ে রাখে একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ণ । বলে যান ভদ্রলোক –

‘ভাড়ার জন্য তখন লোকজন হন্যে হয়ে ঘুরত না । আমার বয়স তখন উনিশ । ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে গেলাম । কাজেই বাসা থেকে হলেই বেশি থাকা শুরু করলাম ।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে এক সেকেন্ড বিরতি নেন ভদ্রলোক । ‘একদিন শুনি – আত্মহত্যা করেছে মা । ছুটে আসি বাড়িতে । নীচতলাতে আমরা থেকে দোতলায় ভাড়া দিতাম । তখন দোতলা খালি ছিল । ভাড়াটে ছিল না । তবুও রাতের বেলা মা কেনই বা দোতলার ফ্যান ঝোলানোর আংটায় ফাঁসি নিলেন আমি আজও জানি না ।’

কয়েক সেকেন্ড চুপ হয়ে যান শামীম শিকদার । বেদনার ছাপ দেখা যায় তাঁর দুচোখে ।

 

নিজেকে সামলে নিয়ে আবারও বলতে শুরু করেন, ‘বাবা শোকে পাগলের মত হয়ে যান । আমি হলে কম থেকে বাবার সাথে বাসাতে থাকতে শুরু করলাম । এরই মাঝে ভাড়াটে আসল নতুন একটা । ছোট্ট একটা ফ্যামিলি – বাবা মা আর ছোট্ট একটা মেয়ে । ওদের মনে আছে কারণ সাতদিনের মাথায় মেয়েটাকে পাওয়া গেল বাবার মার ঘরেই । সিলিং ফ্যানে ঝুলে ছিল মেয়েটার লাশ ।’

 

পিঠ সোজা হয়ে যায় আসিফের, ‘আপনি নিজে দেখেছেন ?’

‘অবশ্যই !’ মাথা ঝাঁকান শামীম শিকদার । ‘পুলিশ প্রাইম সাসপেক্ট হিসেবে ধরে নিয়ে মেয়েটার বাবা-মাকেই । পরে কি হয়েছিল খোঁজ রাখতে পারিনি ।’

‘তারপর ?’ জিয়ার গলা শুনে বোঝা যায় গল্পটা ভালোভাবেই স্পর্শ করেছে ওকে ।

  metformin synthesis wikipedia

‘ছয় মাস কোন ভাড়া আসে না । এলাকায় হালকা পাতলা কথা শুরু হয়ে গেছে আমাদের বাসা নিয়ে ততদিনে । তারপর এল এক নববিবাহিত দম্পতি । পরিবারের অমতে প্রেমের বিয়ে ছিল ওদের । মেয়েটা আর ছেলেটাকে মানিয়েছিল বেশ । তখন প্রেম করতাম আমাদের ক্লাসেরই এক মেয়ের সাথে । ভাড়াটে দম্পতিকে দেখে ঈর্ষাই লাগত । ওদের অনেক সফল মনে হত । পরে অবশ্য রেমির সাথেই বিয়ে হয় আমার -’

‘আসল ঘটনায় চলে আসুন প্লিজ ।’ বাধা দেয় আসিফ । এই লোকের প্রেমকাহিনী শোনার চেয়েও বড় কাজ মাথায় চেপে আছে ওর ।

 

‘যা বলছিলাম । আমার ঈর্ষা কেটে যায় এক সপ্তাহের মাথাতেই ।’ ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলেন শামীম, ‘মেয়েটাকে পাওয়া যায় সিলিং ফ্যানে ঝুলে থাকা অবস্থায় – বেডরুমেই । ওই রুমেই ছেলেটা ছিল । পুলিশ ওকে নিয়ে যায় খুনের আসামী হিসেবে । মেয়ের বাবা আমাদের বাসায় এসে শোকে কেঁদেকেটে একাকার অবস্থা -’

‘এরপরের ঘটনা ?’ লোকটা খালি ডিটেইলস থেকে সরে যাচ্ছে দেখে বিরক্ত হয় আসিফ ।

 

‘এর পর তিনবছর কোন ভাড়া ওঠে না । এলাকায় বদনামের সীমা থাকে না ।’  বলে চলেন শামীম শিকদার, ‘তারপর ভাড়া নেয় কুসংস্কারে ঘোর অবিশ্বাসী এক পরিবার । দুই ছেলে এবং বাবা মা । ঠিক একসপ্তাহের মাথায় বাবা-মা দুইজনকেই মৃত পাওয়া গেল । বড় ছেলেটা ড্রাগসের সাথে জড়িত ছিল । তাকে সন্দেহ করে নিয়ে যায় পুলিশ ।  ’

 

‘এঁরা মরলেন কিভাবে ?’ জানতে চায় আসিফ ।

‘গলা কাটা ছিল দুইজনেরই । ছুরিটা পাওয়া যায় বড় ছেলেটার খাটের তোষকের নিচে ।’

‘সেজন্য আপনি নিজেও মনে করেন বাসাটায় ভৌতিক কিছু আছে ?’

‘আমার কাহিনী এখনও শেষ হয়নি ।’ এবার আসিফকেই বাধা দেন ভদ্রলোক । ‘তখন আমি ভার্সিটির শেষ বছরে । ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হলে চলে গেছি । এরই মাঝে একদিন এক প্রতিবেশী চলে আসেন আমার হলে । আমাকে বাসায় নিয়ে যান । গিয়ে দেখি -’

কথা বলতে পারেন না শামীম, ঠোঁটদুটো কাঁপে শুধু ।

প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে থাকে আসিফ আর জিয়া ।

 

‘বাবার মৃতদেহ পড়ে ছিল দোতলার বেডরুমে । দুই হাতের রগ কেটে আত্মহত্যা করেছেন তিনি ।’

 

✭✭✭

পরদিন সকাল ।

ইন্টারেগেশন রুমে বসে আছে একজন মানুষ । can your doctor prescribe accutane

তাকে আয়নার এপাশ থেকে দেখে আসিফ আর জিয়া ।

পাতলা চুল মাথায় ভেতরের মানুষটার । চোখ দুটো ঢুলু ঢুলু ।

একনজরে দেখলে বোঝার উপায় নেই ড্রাগ ব্যাবসায়ী এই লোক ।

 

গতকালই আকাশ রহমান অর্থাৎ ভিক্টিমের নামে নিজস্ব ডাটাবেজে সার্চ দিতেই পাওয়া যায় এর নাম ।

মাদকের সাথে যুক্ত থাকায় একবার ধরা পড়ে পুলিশের কাছে ।

যেকোন আইন-শৃংখলা বাহিনীর জিম্মায় কোন অপরাধের অভিযুক্ত ধরা পড়লেই ডাটাবেজে তার পাওয়া যাবতীয় তথ্য তুলে রাখা হয় এখন । নারকোটিকসের বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে জানা যায় আকাশের সাথে কাজ করতে থাকা একমাত্র কমন মানুষের নাম – জয়নাল খসরু ।

 

নারকোটিক্স কন্ট্রোল থেকে আরেকটু তথ্য দিয়ে সাহায্য করে ওদেরই একজন আন্ডারকাভার এজেন্ট । শেষ পর্যন্ত তার জানামতে নতুন কিছু নিয়ে একসাথে কাজ করছিল আকাশ আর খসরু । কাজেই এদের মাঝে বিবাদ থাকতেই পারে ।

ড্রাগস নিয়ে ঝামেলা হয়ে আজ পর্যন্ত কম হত্যাকান্ড হয় নি ।

 

জিজ্ঞাসাবাদ করতে এই মুহূর্তে তাকে টেনে আনা হয়েছে হোমিসাইড ব্রাঞ্চের ইন্টেরোগেশন রুমে ।

 

দরজা খুলে ঢুকে পড়ে আসিফ ।

‘আমাকে কেন আনা হয়েছে এখানে, ডিটেক্টিভ ?’ ব্যাগ্র ভঙ্গিতে বলে খসরু ।

‘হেরোইনের চালান নিয়ে কাজ করছিলে তুমি ।’ এগিয়ে গিয়ে টেবিলের অপর পাশের চেয়ারে বসে আসিফ । ‘তুমি আর আকাশ ।’

‘অ্যাবসার্ড !’ টেবিলে থাবা দিয়ে বলে ওঠে খসরু, ‘আকাশ আর আমি কেবল বন্ধু । ওর কাছ থেকে কিছু শুনেই আমার পেছনে লাগবেন না উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া । ’

‘তোমাকে এখানে হেরোইন ব্যাবসার জন্য আনা হয় নি, খসরু ।’ মাথা নাড়ায় আসিফ, ‘ও ব্যাপারে আমার কোন আগ্রহ নেই । কেন তোমাকে এখানে আনা হয়েছে সে ব্যাপারে না জানার ভান করে অযথাই সময়ক্ষেপন করছ ।’

‘মুখ ফুটে বলবেন কি ?’ ব্যাঙ্গের সুরে বলে খসরু ।

পিত্তি জ্বলে গেলেও শান্ত রাখে নিজেকে আসিফ, ‘আকাশ রহমানের মার্ডার । ইউ আর আওয়ার প্রাইম সাসপেক্ট, খসরু ।’

‘হোয়াট !’ চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যায় এবার খসরু । ‘আকাশ ইজ ডেড !’

‘উঁহু ।’ মাথা নাড়ে আসিফ, ‘হি ওয়াজন’ট জাস্ট ডেড – হি ওয়াজ মার্ডারড ।’

‘কেন আমাকে সন্দেহ করা হচ্ছে – আমার মোটিভ কি থাকতে পারে !’ নিজের দিকে ফিরে আসে আবার খসরু ।

‘টাকা মেরে দিয়েছিল না তোমার ? ওকে মেরে সেটা উদ্ধার করেছ তুমি ।’ অন্ধকারেই ঢিল ছোঁড়ে আসিফ । টাকা নিয়ে কিছু জানে না ও । তবে ড্রাগ ব্যাবসাতে খুনোখুনির ঘটনা এমনই হয়ে থাকে ।

খসরুকে চমকে উঠতে দেখে বোঝে ঠিক জায়গাতেই ঢিল লেগেছে ।

 

‘টাকা মেরেছিল সত্য । কিন্তু খুন করি নি আমি, ডিটেক্টিভ !’ মরিয়া হয়ে বলে খসরু, ‘আমাকে আপনার বিশ্বাস করতে হবে । আকাশ কোথায় আমি জানতাম না ।’

‘বেশ ! বেশ !!’ আনন্দের সাথে মাথা দোলায় আসিফ , ‘তাহলে ভূতে এসে মেরে গেছে ওকে – এই বলতে চাও তো ?’

‘সাপ্লাইয়ে নকল জিনিস দিয়েই পুরো টাকা ডেলিভারি করার চেষ্টা করে আকাশ এতটুকুই জানি আমি । কাল বিকেলে টাকা নিয়ে যায় ও । তারপর আর খোঁজ পাইনি আমি ।’ গলার স্বর চড়ে যাচ্ছে খসরুর । ‘আমি ব্যাপারটা খেয়াল করি রাত দশটায় । প্রতিটা প্যাকেট আলাদা করে পরীক্ষা করতেই বুঝতে পারি অর্ধেকটা নকল জিনিস গছিয়ে গেছে বাটপাড়টা !’ zovirax vs. valtrex vs. famvir

 

‘আমি বরং বলি কি হয়েছিল -’ ওকে থামায় আসিফ, ‘বিকেলে টাকা নিয়ে চলে যায় আকাশ । ওর মাঝে মেরে দেয়ার ইচ্ছে ছিলই পুরোটা । সেজন্য দ্রুত একটা বাসা ভাড়া নেয় । তুমি তাকে ফলো করেছিলে ও বের হওয়ার পরপরই । নিশ্চয় মনে সন্দেহ জেগেছিল তোমার । আকাশের ভাবভঙ্গীতে বুঝতে পারো – টাকাটা জায়গামত ডেলিভারী দেয়ার কোনই ইচ্ছে নেই ওর । ও নতুন বাসাতে উঠে পড়ে সন্ধ্যা সাতটায় । তুমিও ঢুকে পড়ে খুনটা করে টাকার ব্যাগ নিয়ে বেড়িয়ে যাও । কি ? ভুল বললাম ?’ ভ্রু নাচায় আসিফ ।

‘অসম্ভব !’ আবার লাফিয়ে ওঠে খসরু । ‘সাতটা থেকে নয়টা আমি ছিলাম যাত্রাবাড়িতে । একটা প্রাইভেট পার্টি ছিল । আপনি চাইলে গেস্টদের নাম দিয়ে দিতে পারি – নিজেই দেখে নিন ।’

 

*

ইন্টেরোগেশন রুম থেকে আসিফ বের হতেই পিছু নেয় জিয়া ।

‘স্যার , খসরুর অ্যালিবাই চেক করতে লোক লাগানো হয়েছে ।’

‘হুম । আমার মনে হয় সত্য কথাই বলেছে ও । প্রশ্ন একটাই – টাকাটা গেল কোথায় ?’

‘আসলেই কি আধিভৌতিক কিছু আছে, স্যার ?’ ভয়ে ভয়ে বলে জিয়া, বসকে রাগাতে চায় না, ‘হয়ত এবার আমরা অযথাই মানুষের পেছনে ছুটছি ?’

  capital coast resort and spa hotel cipro

‘লিসেন, জিয়া ।’ ঘুরে ওর দিকে তাকায় আসিফ, ‘প্রতিটা খুন করে একজন খুনী । কোন ভূত-প্রেত নয় । ওই সোর্ডটা ধরে থাকা হাতটা একটা মানুষের হাত । আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার – টাকাপয়সা ভূতের কাজে লাগে না । ফর গডস সেক – আর এসব ভূতের কথা আমার সামনে বলবে না ।’

‘স্যার – ক্রাইম সীনের ওখানে আমিও কিছু দেখেছিলাম ।’  স্বীকার করে অবশেষে জিয়া । ‘সবার আগে আমিই ঢুকি ওখানে । সিএসইউ তখনও পৌঁছে নি । পুলিশের একজন মাত্র ছিল । সেও বাইরে দাঁড়িয়ে । রাতে বেলায় কেউ ঢুকতে চায় না ও বাসায় । আমি ওকে দুটো ধমক দিয়ে দ্রুত উঠে যাই দোতলায় ।’

‘দেন ?’ আসিফও কৌতুহলী হয়ে ওঠে । জিয়ার আতংক স্বাভাবিক নয় । যথেষ্ট সাহসী মানুষ ও ।

 

‘সদর দরজা থেকে দেখতে পাই বেডরুমে সিলিং থেকে কেউ ঝুলে আছে । আমি ভেবেছিলাম ওটাই আমাদের সীন । কিন্তু ওদিকে এগুতেই বিনা নোটিসে সব আলো নিভে গেল বাসার । হত চকিত হয়ে মোবাইলের ফ্লাশলাইট জ্বালাতেই দড়াম করে লেগে যায় বেডরুমের দরজা । ভয় তখনও তেমন পাইনি, স্যার । কিন্তু বেডরুমের দরজা আবারও টান দিয়ে খুলতেই দেখলাম -’

একমুহূর্ত থামে জিয়া, ‘বেডরুমটা সম্পূর্ণ ফাঁকা । অথচ কয়েক সেকেন্ড আগেই কাওকে ঝুলতে দেখেছি আমি !’

‘আজ রাতেই তোমার সন্দেহ কেটে যাবে, জিয়া ।’ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে  ওকে অভয় দেয় আসিফ ।

‘মানে স্যার ?’ about cialis tablets

 

‘আজ সারারাত আমি থাকব বুড়ো শিকদারের বাড়িতে । তুমিও যাচ্ছ আমার সাথে । কিছু থাকলে দুইজনেই দেখব আজ ।’

 

✭✭✭

শুধু একটা ঘরের লাইট জ্বালিয়ে বসে আছে আসিফ আর জিয়া ।

দোতলার সেই রুমে ওরা – যেখানে গতকাল রাতে খুন হয়ে গেছে আকাশ রহমান ।

 

গা ছম ছমে একটা অনুভূতি হচ্ছে জিয়ার ।

এই ফ্লোরেই অপঘাতে মারা গেছে সাতজন মানুষ ।

খুব একটা শান্তি লাগার কথা না । বসের দিকে তাকায় একবার ।

অন্ধকারে চেহারা না দেখা গেলেও – একেবারে শান্ত অবয়ব ডিটেক্টিভ আসিফ আহমেদের ।

 

‘স্যার !’ ভয়ে ভয়ে ডাক দেয় জিয়া ।

‘বল ।’

‘খসরুর অ্যালিবাই তো মিলে গেল । যাত্রাবাড়িতেই ছিল ও সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত । ও আমাদের খুনী নয় এতো এখন নিশ্চিত । ’

‘তো ?’

‘আগের মার্ডার আর সুইসাইডগুলোর ব্যাখ্যা কিভাবে দেবেন ?’

‘সহজ – স্বাভাবিক ঘটনা ওগুলো । আধিভৌতিক কিছু নয় । জায়গাটার দিকে না তাকিয়ে মানুষগুলোড় দিকে তাকাও !’ লম্বা শ্বাস নেয় আসিফ, ‘শামীম শিকদারের বাবা-মার মাঝে সমঝোতা কেমন ছিল আমি জানি না । পারিবারিক কোন অশান্তি থেকে শামীমের মা আত্মহত্যা করেন । আত্মহত্যা নতুন কিছু নয় এদেশে । ছোট্ট মেয়েটার মৃত্যুর পেছনে আমার সন্দেহ হয় ওর বাবাকে । সন্দেহ আর পারিবারিক অশান্তির কুফল হতে পারে । এরপরের পরিবারটা সদ্য বিয়ে করা একটা দম্পতি । বড়লোকের অভিমানী মেয়ে । বাবা-মাকে ছেড়ে অভাবের সংসার শুরু আর ছেলেটার ব্যাবহারকে অবহেলা মনে করা বোকা মেয়েটা হয়ত মনে করে ভুল করেছে ও । বাসায় ফিরে যেতে পারে না – ওই পথ বন্ধ । আত্মহত্যা করে নিজেকে শেষ করে দেয় ও  ।’

 

আসিফ চুপ হয়ে যায় ।

‘আর এর পরের পরিবার ?’ জানতে চায় জিয়া ।

‘জানো তুমি । নেশাসক্ত ছেলেটা হত্যা করে বাবা মাকে । আর শিকদার বুড়ো হয়ত একা একা এত খুনের অভিযোগ বুকে নেয়া বাড়িটাতে থাকতে থাকতে আত্মহত্যা করেন নিঃসঙ্গতা আর ভীতির সম্মিলিত চাপে ।’

 

কোন শব্দ ছাড়াই নিভে গেল ঘরের আলো এই সময় ।

আৎকে ওঠে জিয়া ।

লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ায় আসিফ, ‘আমি নীচে গেলাম । মেইনসুইচের কাছে কেউ আছে ।’

 

জিয়া কিছু বলার আগেই অদৃশ্য হয়ে যায় আসিফ টর্চ জ্বালিয়ে । আজ সাথে করে নিয়ে এসেছে ।

একদমে নীচে নেমে সুইচগুলো দেখে অবাক হয় আসিফ । সবই অন করা ।

তাও একবার অফ করে অন করে – তথৈবচ ।

কোন লাভ হয় না , চারপাশ ডুবে থাকে অন্ধকারেই । গ্যারেজের লাইটটা জ্বলছিল তখন । এখন সেটাও বন্ধ  ।

কালিগোলা অন্ধকারে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে আসিফ ।

 

এই সময় দোতলায় শুরু হয় জিয়ার চিৎকার ।

সেই সাথে বিকট শব্দে কারও অট্টহাসি ।

অশরীরি সে চিৎকার উপেক্ষা করার মত নয় – আসিফের গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায় ।

জিয়ার মত সাহসী একজন মানুষ আতংকে এভাবে চেঁচাতে পারে  ?

  will i gain or lose weight on zoloft

প্রাণপনে ছুট দেয় ও ওপরের দিকে  ।

দড়াম দড়াম করে দরজা খোলা বন্ধ হওয়ার শব্দ পায় নীচ থেকেই ।

কোনমতে দোতলায় উঠে মেইন দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে আসিফ ।

খুব ভালো করেই মনে আছে সিঁড়িঘরে বের হওয়ার সময় খুলেই বের হয়েছিল ।

 

গায়ের জোরে লাথি দিতে থাকে ও দরজাতে ।

জিয়া ভেতর থেকে অন্যভাবে  চিৎকার দেয় এবার ।

কেউ যেন অসহ্য যন্ত্রণা দিচ্ছে ওকে । সেই সাথে ভেসে আসে বিকট অট্টহাসি – ও কার কন্ঠ ??

 

পাগলের মত লাথি দিতে থাকে আসিফ দরজাতে ।

জিয়ার চিৎকার আস্তে আস্তে নিস্তেজ হতে থাকে ।

 

কাঁধের দানবীয় ধাক্কায় যখন আসিফ দরজার কবাট খুলে ফেলেছে ; জিয়ার কন্ঠ থেমে গেছে ততক্ষণে ।

উদ্যত পিস্তল হাতে লাফিয়ে ঘরটায় ঢুকে বেকুব হয়ে যায় আসিফ – সারা শরীরে অনেকগুলো ক্ষত নিয়ে পড়ে আছে জিয়া ।

টর্চটা গড়াগড়ি খাচ্ছে মাটিতে । amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

 

জিয়ার শরীরের ক্ষতস্থান থেকে কল কল করে রক্ত বেরিয়ে আসছে ।

অন্যান্য রুম গুলো খুঁজে দেখতে দেখতে তৃণাকে ফোন দেয় আসিফ, ওদের অপারেট তৃণা ।

লোকেশন জানিয়ে দ্রুত মেডিক টীমকে পাঠাতে বলে ঠিকানা দিয়ে ।

  acquistare viagra in internet

সবগুলো রুম ঘুরে হতভম্ভ হয়ে যায় আসিফ । walgreens pharmacy technician application online

কোথাও নেই কেউ ।

✭✭✭

জিয়াকে ওই অবস্থাতে একা ফেলে রেখেই বুলেটের মত বাসাটা থেকে বেরিয়ে দৌড় দেয় আসিফ ।

সময় নষ্ট করা যাবে না ।

এবার ফসকে গেলে খুনীকে আর পাওয়া যাবে না ।

 

আরেক বিল্ডিং-এ ঢুকে পড়ে তিনতলায় উঠে পড়ে আসিফ ।

এক গুলিতে নব ছুটিয়ে দেয় ও দরজার ।

জানে কলিং বেল দিলে আধঘন্টার মাঝে সাড়া পাওয়া যাবে না । viagra in india medical stores

 

‘এই শীতকালে রেইনকোট পড়ে আছেন কি মনে করে ? নাইটভিশনই বা গলায় ঝুলিয়েছেন কেন স্যার ?’ গম্ভীরমুখে বলে আসিফ , ‘জামায় কি লাগিয়েছেন ? টমেটো সস ?’

পিস্তল তুলে মানুষটার মাথায় ধরে এবার, ‘ইউ আর আন্ডার অ্যারেস্ট ফর টু মার্ডারস অ্যান্ড প্রে – সো দ্যাট ইট ডাজনট টার্ন ইনটু থ্রি ।’

 

*

ইন্টেরোগেশন রুম ।

 

‘আপনাকে কষ্ট করে এখানে আনার দরকার ছিল না, মি. শামীম শিকদার।’ পাথরের মুখ করে বলে আসিফ । ‘এভিডেন্স এখানে যতগুলো আছে – নিঃসন্দেহে আকাশের মার্ডার আর জিয়ার অ্যাটেম্পট টু মার্ডারের কেসে ফেঁসে যাচ্ছেন আপনি । হান্টিং নাইফটাও চমৎকার !’

‘এখানে অহেতুক প্রশ্ন করার মানে কি ?’ হ্যান্ডকাফ নাড়ীয়ে বলেন শামীম শিকদার ।

‘পরে আসছি সে কথায় ।’ irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

‘আকাশের ভাড়ার টাকা ব্যাগ থেকে বের করতে দেখে আপনার মাঝে লোভ চেগিয়ে ওঠে । বাড়ির রহস্য আপনার বাবার মৃত্যুর দিন থেকেই জানতেন আপনি । কাজেই সহজেই মেরে ফেলতে পারেন আকাশকে । আপনার বাবা ছিলেন একজন অদ্ভুত মানুষ । আজ সকালে গিয়ে আপনার বাড়ীটায় একচক্কর দিয়ে এসেছি । বাইরে থেকে মাপা দৈর্ঘ্যের সাথে ভেতরের দৈর্ঘ্য মিলছিল না কিছুতেই । কি সমস্যা বলুন তো ?’ levitra 20mg nebenwirkungen

কিন্তু কিছু বলেন না অপরাধী  ।

‘আপনার বাবা – দোতলার বেডরুমের শেষ মাথার দেওয়ালের ওপাশে তিনফুট জায়গা রেখে দিয়েছিলেন তিনি । মই বেয়ে সহজেই দোতলা থেকে নীচতলা যাওয়া যায় । দেওয়ালের সাথে খাপে খাপে মেশানো সাড়ে তিনফিট দরজা দূটো নীচতলাতেও বোঝা যায় না, দোতলাতেও না  । দুইতলা জুড়েই এই গোপন চেম্বার – সংযোগ রক্ষা করছে দুটি তলার ।  মইটা যে ঘরে – ওই অদ্ভুত ঘরটাতেই আছে সমস্ত বাসার পাওয়ারের একটা বাইপাস । একটি মাত্র মেইন সুইচ – যেটার সাহায্যে পুরো বাড়িটার কারেন্ট সাপ্লাই থামিয়ে দেয়া যায় অনায়াসে ! সেই সাথে ওখানেই একটা এক্সিট পয়েন্ট আছে – যা দিয়ে বের হওয়া যায় রাস্তার ওপাশের ম্যানহোলে ! অদ্ভুত ডিজাইনের বাড়িটা কেন করেছিলেন আপনার বাবা – জানতে অনেক দেরী হয়ে যায় আপনার । তাই না ?’

 

চুপচাপ তাকিয়ে থাকে শামীম শিকদার ।

 

‘সোজা বাংলায় আপনার বাবা ছিলেন একজন সাইকোপ্যাথ । আপনি বাইরে ছিলেন – আপনার মাকে মেরে ফেলে সিলিং-এ ঝুলিয়ে দিলেন আপনার বাবা । তখন ভেবেছিলেন আত্মহত্যা । কিন্তু একাধারে ছোট্ট মেয়েটা মারা যাওয়ার পর নবদম্পতির মৃত্যু আপনার চোখে অস্বাভাবিক ঠেকে । তবুও সব ভুলে যেতে থাকেন আপনি । তৃতীয় ভাড়াটের বেলায় যদিও বড় ছেলের ঘাড়ে সব দোষ চাপানো হল  – মানতে পারেন না আপনি । বাবা-মাকে খুন করে ফেলার পেছনে কোন যুক্তি খুঁজে পান না । সেই সাথে প্রথমবারের মত সন্দেহ করেন আপনার বাবাকে । ’

 

একটা কথাও বলে না জুনিয়র শিকদার তবুও  ।

 

‘ফাইনাল পরীক্ষার মাঝে এলাকাকে জানিয়ে হলে চলে গেলেন । আবার ফিরে আসলেন চুপিসারে । বাবাকে দোতলার বেডরুমে খেদিয়ে নিয়ে গিয়ে চেপে ধরেন । প্রতিটি ফ্যামিলির মৃত্যুর ব্যাপারে স্বীকোরক্তি আদায় করেন আপনি । আমার ধারণা ক্লোরোফর্মের কাজটাই বেশি ছিল আপনার বাবার অভিযানগুলোতে  ? ঘুমন্ত পরিবারের সদস্যরা বেডরুমে শুয়ে থাকত – ঘুমে বিভোর – ক্লোরোফর্ম চেপে একে একে অজ্ঞান করে শুধু শিকারকে বেছে নিয়ে মেরে ফেলেছেন আপনার গুণধর বাবা – জেনেও হয়ত আপনি চেপে যেতেন । কিন্তু  মায়ের মৃত্যুর কথা স্বীকার করতেই আর দেরী করেন না –বাবার দুই হাতের রগ কেটে দিয়ে সরে পড়েন কিচেন নাইফটা ওখানেই বাবার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ।’

  viagra vs viagra plus

বোবায় ধরেছে যেন শামীম শিকদারকে । প্রতিবাদও করে না ; স্বীকারও করে না । কাজেই ভিন্ন পথ ধরে আসিফ ।

 

‘আকাশকে খুনটা করে টাকার ব্যাগ কুক্ষিগত করে আবারও ফিরে আসলেন ডামি নিয়ে । ম্যানহোলে অবিরাম ঝরে পানি । তাতে ভিজবেন কেন? কাজেই রেইনকোটের একেবারে মোক্ষম ব্যাবহার করেন । প্রথমে আমার সহকারী ঢোকার আগেই ম্যানহোল বেয়ে ঢুকে যান বাসায় । ঝুলিয়ে দেন ডামিটা ।’

 

‘টাইমিং ভালোই হয়েছিল আপনার ।’ একটু থেমে আবার বলে আসিফ, ‘জিয়া দোতলায় উঠতেই নীচ থেকে লাইট নিভিয়ে দ্রুত মই বেয়ে উঠে আসেন । দোতলার বেডরুমের দরজা লাগিয়ে দেন দড়াম করে । তারপর ডামি নিয়ে একই পথে কেটে পড়েন । গতকাল রাতে আপনার কাছে বাসার চাবি চেয়ে নিই আমি আর জিয়া – তখনই আমাদের সরিয়ে দেয়ার প্ল্যানটা করেন । তবে গতকাল জিয়াকে ছুরি মারার সময় জুতো ওর রক্তে ভিজে গেছিল সেটা খেয়াল করেন নি ।’

 

এই পর্যায়ে এসে চোখের পাতা একটু কাঁপে শামীমের । লক্ষ্য না করার ভান করে বলেই যায় আসিফ ।

‘আপনি তখন একহাতে রেকর্ডার নিয়ে পালাতে ব্যাস্ত । যেটায় অট্টহাসি রেকর্ড হয়ে অযথাই বাজাচ্ছিলেন । নাইটভিশনের সুবিধে নিয়ে জিয়াকে ইচ্ছেমত ছুরি মারতে ভালোই লেগেছে আপনার সন্দেহ নেই । ঠিক এভাবেই নাইটভিশন চোখে অন্ধকারে ভয় দেখিয়ে কাবু করে হান্টিং নাইফ দিয়ে ঝাঝরা করে দেন আপনি আকাশ রহমানকে ! বাবাকে খুন করতেই ছাড়েন নি ! ’

 

গর্জে ওঠে শামীম শিকদার, ‘দ্যাট গাই কিল্ড মাই মম ! আমার কি করার কথা ? বাবা বলে আহ্লাদে গলে যাওয়ার কথা ??’

 

আটকে রাখা নিশ্বাসটা ছেড়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ায় আসিফ ।

আসামীর মুখ থেকে স্বীকারোক্তি পাওয়া গেছে । এখানে ওর কাজ শেষ । can you tan after accutane

একটা কথাও না বলে বাইরে বেড়িয়ে আসে ও ।

  metformin tablet

‘জিয়াকে একবার হাসপাতালে গিয়ে দেখে আসা যায় ’ – মনে মনে ভাবে ডিটেক্টিভ আসিফ আহমেদ ।

You may also like...

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * all possible side effects of prednisone

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

doctus viagra
venta de cialis en lima peru