পরনিন্দা বা ভ্রমণের খেরোখাতা

484

বার পঠিত

হুট করে পাখি দেখতে আর তার ছবি তুলতে যাবার প্রস্তাব এলো জনৈক শিক্ষকের কাছে থেকে। আমরা দুইজন প্রায় রাজি হয়ে গেলাম। প্রায় কথাটা বলার কারণ এই শিক্ষকের স্বার্থপরতার জন্য প্রায় প্রতিবারই আমরা কানে ধরি- ‘আর না! স্যারের সাথে আর যদি কোনদিন বাইর হইসি তো নাম পাল্টায়া ফেলবো!’ আমরাও মানুষ- তাই স্যারের সাথে আবারো বের হই, আবারো কান ধরি! আমাদের নাম কিন্তু বদলায় না! এখানে আমরা মানে আমি- নিতান্তই বেকার মানুষ- পত্রিকার জন্য ফরমায়েশি কলম ঘষা ছাড়া আর একটা কাজই পারি- সেটা পাখির ছবি তোলার জন্য ঘুরে বেড়ানো। আর আরেকজন সজীব নজরুল হৃদয়- নাহ, এখানে তিনজন নয়, তিনজন মিলিয়ে একজন (আকৃতিতেও প্রায় তিনজন), আমাদের হাড়জোড়া দেয়ার কবিরাজ।

নিয়মমতো বেরিয়ে এলাম ঘর থেকে, উদ্দেশ্য কাপ্তাই। স্যারের সুবাদে বন বিভাগের অসাধারণ সুন্দর বাংলোটা পাওয়া গেলো। অবশ্য আগেই আমাদের মোবাইলের নির্ভুল অ্যাপ জানিয়ে দিয়েছিল- বুধ-বিষ্যুদ আকাশের মন খারাপ। স্যার অবশ্য এসব মানেন না- তিনি আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আমরা তাকে বোঝাই, আল্লায় তো এখন আর ওহী নাজিল করবে না- তাই এই অ্যাপের উসিলায় এখন আমাদের ভবিষ্যৎ জানান। তবুও স্যার সন্দেহবাদী। তাই বৃষ্টি কাটানোর প্রয়োজনীয় রসদ নিয়ে স্যারের সঙ্গী হলাম আমরা।   একটি বর্ষণমুখর সকালে আমরা হাজির হলাম কাপ্তাইয়ে। স্যারকে মনে করিয়ে দেয়া হলো, স্যার, ‘আমাগো স্মার্টফোনের অ্যাপ কইলাম মিছা কথা কয় নাই’! যে স্যার ঢাকায় বাসে বসেও সন্দেহবাদী ছিলেন- তিনি এবার আশাবাদী। একদম বামদল থেকে লাফ দিয়ে জামাত করার মতোই এই দল বদল- ‘আল্লাহ চাহে তো বৃষ্টি থেমে যাবে, সারাদিন ছবি হবে, জঙ্গলে ঘুরে’। সস্তা হোটেলে চুলওলা পরোটা আর ডিমপোচ দিয়ে নাস্তা সেরে বনফুল বাংলোয় পদার্পণ। বাইরে বৃষ্টি নিয়ে বারান্দায় বসে আমি আর হৃদয় ভাই বৃষ্টি কাটানোর রসদের সদ্ব্যবহার শুরু করলাম। কর্ণফুলী নদী, নৌকা,  দূরের পাহাড়, নদীতে নৌকাগুলো রসদের জন্য আরো মায়াময় লাগতে শুরু করলো!

বনফুল থেকে নদী

 

কর্ণফুলী নদী, বারান্দা থেকে

বেলা একটায় বৃষ্টি ধরে এলে বের হলাম পাখির খোঁজে। সময়টা যদিও ভালো নয়- পাখির ছবি তোলার জন্য, তবুও আশাবাদী ছিলাম- বৃষ্টির জন্য হয়তোবা সারা সকাল খেতে পায়নি- এখন হয়তো বেরোবে খাবারের সন্ধানে। সে আশায় গুড়ে বালি! কেবল একখানা কেশরাজ ফিঙে সম্বল। আর একগাদা পোকার ছবি পেলাম। পোকার ছবি যদিও তুলি না, তারপরও বাধ্য হয়েই তুললাম। এরপর গন্তব্য সোজা রাঙ্গুনিয়ার শেখ রাসেল বার্ড স্যাংকচুয়ারি। কোদালা বিটের জঙ্গলের ভেতরে বন বিভাগের এই জঙ্গল ধ্বংসের আয়োজন। জঙ্গলের ভেতরে খাঁচা তুলে সেই জঙ্গলের পাখিগুলোকেই খাঁচায় আটকে রাখা হয়েছে।

খাঁচাবন্দি দেশি পাখি can levitra and viagra be taken together

খাঁচাবন্দী বনমোরগ

 

_RSL1140

খাঁচাবন্দি মদনটাক

_RSL1148

 

লালবুক টিয়ার ছানা- বন্দি

বনমোরগ, কালেম, কাঠময়ূর, মদনটাক, ময়না, লালবুক টিয়া খাঁচায় বন্দী বিদেশি আরো পাখির সাথে। লালবুক টিয়াগুলোর শরীরে এখনো ঠিকমতো পালক গজায়নি। জঙ্গলের ভেতরের গাছগুলো থেকেই ধরা হয়েছে এগুলো। টাকা খরচ করে জঙ্গলে খাঁচা বানিয়ে, জঙ্গলের পরিবেশ নষ্ট করে এই বিনোদন কোন সুস্থ মানুষের চিন্তা হতে পারে না। আমাদের স্যারকে জানালাম, ‘স্যার এটা নিয়ে আপনার লেখা উচিত, হাজার হোক প্রথম আলুতে লেখেন- আপনার অনেক পাঠক, আমরা ব্লগে লিখি, ১০ জনে লেখা পড়লেই বগল বাজাই’। ইনিয়ে বিনিয়ে এড়িয়ে গেলেন তিনি! বন বিভাগ থেকে বেশ কিছু সুবিধা কম বেশি পেয়ে থাকেন তিনি। লক্ষীকে পায়ে ঠেলে দেয়ার মতো বোকামি তিনি করবেন না।

কেশরাজ ফিঙে

কেশরাজ ফিঙে

পোকা

পোকা

পোকা

  about cialis tablets

মনোক্ষুণœ হয়ে ব্যাংছড়ির দিকে যাত্রা শুরু করলাম। শেষ বিকেলে হনুমানের দল হুপহাপ শব্দ করে এডাল ওডাল করে হারিয়ে গেল আমাদের দেখে। হনুমানে দলের অন্যদের আগ্রহ না থাকায় তারা বেশ খানিকটা এগিয়ে গেল। আর আমার পরদিনের মন খারাপের রসদটাও যুগিয়ে গেল। হৃদয় ভাই বেশ খানিকটা সামনে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে আছে, স্যার তারও সামনে। ইশারায় জানতে চাইলাম- কাহিনী কি? তিনিও ইশারায় জানিয়ে দিলেন- এই মাত্র স্যার ধাওয়া করে একটি পাখি উড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা যারা পাখির ছবি তুলি- তারা সাধারণত জঙ্গলে গিয়ে যথাসম্ভব কম কথা বলি, কোন প্রাণীকে ধাওয়া করি না। বরং দেখামাত্রই জায়গায় দাঁড়িয়ে ক্যামেরার শাটারে ক্লিক করে শার্প একটা ছবি নেওয়ার চেষ্টা করি। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যাই, এমনকী এমনটাও হয় যে, দশ কদম এগিয়ে যেতে ১৫-২০ মিনিট লেগে যায়। সেখানে স্যারের এমন ব্যবহার! তাও পাখিটা মালয়ী নিশি বক, বাংলাদেশের বিরল আবাসিক পাখি। এই পাখি ১২ জন ফটোগ্রাফারের সামনে নিশ্চিন্তে দশ মিনিট পোজ দিয়ে ছবি তোলে, আর সেই পাখিকে এভাবে ভয় দেখানো- ফল পরদিনও এই পাখির আস্তানায় গিয়ে পাখিটিকে খুঁজে না পওয়া। স্যার কথায় কথায় আওয়াজ তোলেন- আমি অমুকেরও দশ বছর আগে থেকে পাখি দেখে বেড়াই- তাই খোটা মারার সুযোগ ছাড়লাম না- ‘স্যার  এতদিন ধরে পাখি দেখে এটাও শেখেননি- পাখিকে ধাওয়া করতে হয় না’! তারপরও স্যার নির্লজ্জের মতো বললেন, ‘ধাওয়া কই করলাম, কাছে গিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম’! আরও কিছুক্ষণ থাকার সাধ থাকলেও স্যারের চায়ের নেশার জন্য বিসর্জন দিলাম সেই বিকেলের পাখি খোঁজা।  রাতে আমার আর হৃদয় ভাইয়ের রসদ শেষ করতে হবে। তাই রাত বারোটার পর বনফুলের বারান্দায় বসে রসদ শেষ করে ঘুমোতে ঘুমোতে প্রায় তিনটে বেজে গেল।

 

 

চারপাশে রাতের পোকাদের আহাজারি শুনে ঘুম থেকে উঠলাম সকাল সাতটায়। বাইরে বৃষ্টি, মেঘ। তাই সবকিছু গুছিয়ে আবারো বিছানায় এলিয়ে পড়া। সকাল নয়টায় সূর্যের হাসি! আমরাও বের হয়ে গেলাম। স্যার ছাদে গিয়ে সকাল থেকেই ছবি তোলার চেষ্টায়। ডাক দিতেই তিনি জানালেন- সকাল থেকে তিনি টয়লেটে যাননি। তার জন্য অপেক্ষা করতে। আমরা জবাব দিলাম স্যার সামনেই অপেক্ষা করছি, আসেন। তার তড়িৎ উত্তর- ‘সারা সকাল ঘুমাইয়া কাটাইলা, এখন ১০-১৫ মিনিটের জন্য তোমাদের দেরি হবে’। উনি নিতান্তই প্রায় বাপের বয়সী, তার উপর শিক্ষক, এই দুইটা জিনিস না হইলে স্যারের ‘কানপট্টিতে’ একখান ‘বন চটকনা’ মাইরা শুয়ায় দেওয়ার ইচ্ছা হইতেসিলো। মেজাজ সামলে বললাম, ‘আপনি হাগু কইরা আসেন, আমরা সামনে আছি’। ১০ টা পর্যন্ত স্যারের অপেক্ষায় থাকার পরও স্যারের টিকির খোঁজ নাই। রাতে ফোন চার্জে দিয়ে ঘুমিয়েছিলাম, সকাল বেলায় দেখি চার্জার খোলা। স্যার রাতে টয়লেটে যাওয়ার সময় যতœ করে খুলে রেখেছিলেন, সারারাত চার্জে যদি ফোন নষ্ট হয়। ফলাফল আমার সস্তা চাইনিজ স্মার্ট ফোনে ৯% চার্জ, হৃদয় ভাইয়ের অরিজিনাল আইফোন ফোরে ৭%। তাই ফোন ঘরেই আবারো চার্জে দিয়ে রেখে আসা।

সকালে এমন অপেক্ষার সময়ে দেখা মিলল, এশীয় তেল শালিকের। ভারতীয় উপমহাদেশে মূলত আন্দামান, নিকোবরের বাসিন্দা, মাঝে মাঝে বেড়াতে আসে ভারতের উত্তর-পূবে। তবে আমাদের এখানে ১২ মাস থাকে কেবল কাপ্তাই আর কক্সবাজারে। বেশ আগে একটা রেকর্ড আছে হবিগঞ্জের রেমা- কালেঙ্গার দিকে। আরো একটু এগিয়ে দেখা মিলল কেশরাজ ফিঙের বাসার। বাসায় বাচ্চারা কিছুক্ষণ পরপর ঞা করছে খাবারের আশায়, আমাদের দেখে কেশরাজ দম্পতি খানিকটা দূরে গিয়ে বসেছে। থাক, বাচ্চারা খাক- এই চিন্তায় তাদের আর বিরক্ত করলাম না। এভাবে হাঁটতে হাঁটতে আবারো গেলাম সেই মালয়ী নিশিবকের কাছে। পথে শামা আর গলাফোলা ছাতারে খানিকটা সময় দিলো। গলাফোলা ছাতারের শিষ নকল করা বেশ সহজ, নকল করলে কাছে এসে দেখে যায়, কে তাকে নকল করছে। আমরাও সেভাবে ডেকে এনেই তার ছবি তুললাম। মালয়ী নিশিবকের দেখা পেলাম না আর। ভয় পেয়ে হয়তো এলাকা-ছাড়া হয়েছে। আমাদের পরদিন চিটাগং বার্ড ক্লাবও সেখানে গিয়ে দেখা পায়নি এই পাখির।

এশীয় তেল শালিক

 

এশীয় তেল শালিক

এরপর ঝিরি ধরে হাঁটতে থাকা। ঝিরির ঠান্ডা পানিতে হৃদয় ভাইয়ের ফটোসেশন চলল খানিকক্ষণ। এরপর ক্ষান্ত দিয়ে রুপলাছড়ার মারমা পাড়ায় গিয়ে খানিক তামাক- চা সেবন। এর মধ্যেই এলো ঝুম বৃষ্টি। ক্যামেরা-ব্যাগ দোকানে রেখে বৃষ্টি বিলাসে মত্ত হলাম আমরা। বৃষ্টি শেষে রুপালি আকাশ- তবে আলো যথেষ্ট নয় ছবির জন্য। জঙ্গলের অধিবাসীরা মাথায় কলাপাতা বেঁধে ঘরে ফেরার পায়তারা করছে, আর আমরাও কিছু ছবি তুলে নিলাম। জঙ্গল থেকে যখন বেরিয়ে যাবো, তখন দেখা হল আমাদের ‘স্যার’ এর সাথে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ১ টা। স্যারের ৯টার সময়কার ১০-১৫ মিনিট শেষ হলো দুপুর একটায়।  এবার ফিরতি পথে দেখা হলো দুইটা ধনেশের সাথে। স্যার নিশ্চিতভাবে বললেন- এটা টিয়ার ডাক। তিনি অমুক তমুকের চেয়েও পাখির ডাক ভালো চেনেন। কারণ তিনি অমুক- তমুকের পাখি দেখার বয়সেরও ১০ বছর আগে থেকে পাখি দেখেন! তাই নির্দ্বিধায় স্যারের বক্তব্য মেনে নিলাম। তবে ভুল ভাংলো যখন এক সেকেন্ডেরও ষাট ভাগের এক ভাগ সময়ে মাথার উপর দিয়ে ঘন সেগুনের বড় বড় পাতার আড়াল দিয়ে উড়ে গেল দুটি ধনেশ। স্যারের বিদ্বান চেহারাটা তখন দেখার মতোই হয়েছিল। আগের দিনও বিকেলে স্যার আমার মত মূর্খের সাথে লাটোরা আর টিয়ে’র ডাক বোঝাতে গিয়ে এমন ধরা খেয়েছিলেন। স্যারের উপর আরো একবার বিলা!

মারমা দম্পতি

কালো মাথা বুলবুল

 

কালো মাথা বুলবুল ovulate twice on clomid

সাদাগলা বুলবুল

 

সাদাগলা বুলবুল

 

_RSL1326

গলাফোলা ছাতারে

_RSL1341

নীলকন্ঠ

_RSL1362

_RSL1391 viagra vs viagra plus

 

কমলামাথা দামা

যা হোক দুপুরে খেতে গিয়ে আবারো সমস্যা। কাপ্তাইয়ে খাওয়ার ভালো রেস্তোরাঁর অভাব আছে- সত্যি। তবে খুঁজলে ভালো ভাতের রেস্তোরাঁর অভাব নেই। স্যার খুজে ফিরে সস্তা এক হোটেল খুঁজে বের করলেন (আগের রাতেই)। যে হোটেলে ভাতের প্লেটে ময়লা ফ্রি, তরকারির সাথে আরো কত কী যে ফ্রি ছিলো!  খাবার দাবার নিয়ে নাক উঁচু ভাব নেই আমার। এনিথিং এডিবল আমার পেটে নির্দ্বিধায় তার জায়গা করে নেয়। তবে একবার শুধু স্যারকে বলা হয়েছিল- স্যার পাশের জুম রেস্তোরাঁ খারাপ না- স্যারের ফেসিয়াল এক্সপ্রেশনে হৃদয় ভাই চুপ মেরে গেলেন। তবে বিলের ব্যাপারে কিন্তু সেই সস্তা হোটেল কখনোই ছাড় দেয়নি। প্রতিবেলার খাবারে হয়তো জুম থেকে ১০০-১৫০ টাকা কম হয়েছে! ১০০-১৫০ টাকার জন্য হাইজিনে ছাড় দেয়া মানুষ দুনিয়ায় বিরল! যা হোক- লেট লাঞ্চ করে বিকেলে কাপ্তাই -রাঙামাটি নতুন সড়কে এক চক্কর মেরে বনফুলে প্রত্যাবর্তন। কাপ্তাই রাঙামাটি সড়কে কালো মাথা বুলবুল, ডোরাপাখা ছোট লাটোরা, তিলা মুনিয়া দেখে ফেরত এলাম।  রাত আটটার গাড়ি আমাদের তুলে নিল- বনফুলের গেট থেকেই। এখানেও সস্তার তিন অবস্থা! এস আলম, হানিফ, শ্যামলী গাড়ি থাকতেও স্যার টিকেট করলেন ডলফিনের। খাড়া সিট, মাথা রাখার জায়গাটা একদমই কার্ভ নয়। ঢাকায় এসে পুরো দুই দিন কাফ কলার পরে শুয়ে থাকতে হলো আমার! আর পথের বিড়ম্বনা! লিচু বাগানে ৩৫ মিনিটের বিরতি- কারণ টিকেট বিক্রি হয়নি অনেকগুলো- সেই সিট পুরিয়ে তারপর আবার রওনা দিলো ঢাকার দিকে। চট্টগ্রামেও বিরতি ছিল খানিকক্ষণ। এভাবে প্রায় প্রতি স্টপেজে ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলো গাড়ি। আর ফলাফল- হাইওয়ের জ্যাম ধরতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি আমাদের গাড়িকে। কাপ্তাই থেকে ছেড়ে আসা ৮টার শ্যামলী রাত সাড়ে তিনটায় ঢাকায়, আর আমাদের ডলফিন- সকাল সাড়ে সাতটায় শেরাটন মোড়! (ওরে এখানেই যখন রাখবি- তখন আরেকটু রাত করেই না হয় রাখতি! শাকুরাতে ঢুঁ মারা যেত তাহলে)। সেখানে এসে জানান দেয়া হলো- গাড়ির তেল শেষ! আমার বাসা কুদরাত-এ- খুদা সড়কে। তাই ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশে! স্যারের কলাবাগান কতোক্ষণে এসেছিল- তা জানা নেই! doctorate of pharmacy online

zoloft birth defects 2013

You may also like...

  1. can you tan after accutane
  2. স্পীকার বলছেনঃ viagra en uk

    অনেক ভালো লেগেছে । ছবিগুলো আপনার তোলা ? অনেক সুন্দর ছবি তুলতে পারেন তো । লেন্স কোনটা কোনটা ব্যাবহার করেন ? কমলামাথা দামা , গলাফোলা ছাতারে এই দুটো ছবির ফ্রেমিং অসম্ভব ভালো লেগেছে । চালিয়ে যান । :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd %%- %%- %%-

  3. প্রিয় তালিকায় নিলাম।
    সেই রকম একটা পোস্ট লেখা ও ছবি দুটাই দারুন……

  4. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    চমৎকার পোস্ট। আপনে ভাই মানুষ ভালা না। আবার ভ্রমণের নেশা ধরায় দিলেন…
    দারুণ পোস্ট, ভ্রমন এবং প্রকৃতি প্রেম নিয়ে নিয়মিত পোস্ট চাই!

    :-bd :-bd :-bd =D> =D> =D> venta de cialis en lima peru

  5. জন কার্টার বলছেনঃ

    চমৎকার পোস্ট, আর ছবিগুলো অসাধারণ…… ধন্যবাদ ভাই

    tome cytotec y solo sangro cuando orino
  6. অনুস্বার বলছেনঃ

    এই ধরনের পোস্ট পড়তে গেলে সব সময়ই একটা ফিলিংস চলে আসে… ~x( :bz :bz উড়ে বেড়াতে মন চায় m/ m/

    অসাধারন লিখেছেন ভাই আর অসাধারন ফটোগ্রাফী =D> %%-

  7. লেখাটা কেমন সে ব্যাপারে তো সবাই বলেছে। আমি শুধু ছবিগুলোর ব্যাপারে আমার মুগ্ধতা প্রকাশ করে যাই… অসাধারণ জনাব , অসাধারন… %%- :-bd :bz

    এরকম আরও ফটো ব্লগের অপেক্ষায়… :-w

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

acquistare viagra in internet
all possible side effects of prednisone