নাবিক পরিচয়ের অন্তরালে এক নিষ্ঠুর ঔপনিবেশিকের গল্প

769

বার পঠিত

বলা হয়ে থাকে দুনিয়াজোড়া খ্যাতি পাওয়া এই ইতালীয় একটি নতুন বিশ্ব আবিষ্কার করেছিলেন। আসলেই তাই আবিষ্কার করেছিলেন একটি ভূখণ্ড, বিশাল গুপ্তভাণ্ডার সহ এক অমূল্য ভূখণ্ড। স্পেনের রাজা ফারডিনান্দের মতান্তরে রানী ইসাবেলার অর্থায়নে অনুসন্ধানরত সফল এই খ্যাতনামা নাবিকের নাম ‘ক্রিস্টোফার কলম্বাস’। আর সেই সোনার খনির ভূখণ্ডের নাম আজকের অ্যামেরিকা। (তথ্যসূত্রঃ বায়োগ্রাফি ডট কম) doxycycline monohydrate mechanism of action

ক্রিস্টোফার কলম্বাসের বাংলা নামটি নেয়া হয় ইংরেজি “Christopher Colombus” বা ‘ক্রিস্টফার্‌ কলাম্বাস্‌’  হতে, যা মূলতঃ লাতিন ‘Christophorus Columbus’ বা ‘ক্রিস্তোফোরুস্‌ কোলুম্বুস্‌’ হতে এসেছে। ইতালির জেনোয়া শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তাই স্থানীয়ভাবে তার নামের ইতালীয় ভাষায় ‘Cristoforo Colombo’ বাক্রি’স্তোফোরো কোলোম্বো’  ছিল। পরে তিনি যখন তৎকালীন ক্যাস্টিল রাজ্যের (বর্তমান স্পেনেরাণী ইসাবেলের অর্থায়নে এবং উদ্যোগে আমেরিকায় অভিযাত্রা করেন, তিনি তাঁর নামের স্পেনীয় রূপ Cristóbal Colónক্রিস্তোভ়াল্‌ কোলোন্‌ ‘  দ্বারা পরিচিত ছিলেন। (তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া)

১৪৫১ সালে ইটালির জেনোয়া প্রজাতন্ত্রের একটি তাঁতি পরিবারে এই অভিযাত্রী এবং নাবিকের জন্ম। কিশোর বয়সে ভূমধ্যসাগরে নৌযাত্রা করেই তার নাবিক বা অভিযাত্রী জীবনের শুরু। এইসব অভিযাত্রা ছিল বাণিজ্যিক। এমনই একটি ভ্রমণ তাকে আজকের গ্রীস তখনকার ‘Khios’ দ্বীপে নিয়ে যায়। ধরে নেয়া হয় পরবর্তীতে এই আকর্ষণই তাকে এশিয়ার দিকে টানে।

Image of The landing of Columbus at San Salvador, October 12, 14

শিল্পীর তুলিতে কলম্বাসের নৌযাত্রা

 প্রথম অভিযানঃ

১৪৭৬ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের অভিযাত্রার মধ্য দিয়েই তার পেশাগত অভিযাত্রা এবং নাবিক জীবনের শুরু হয়। যদিও তার এই প্রথম সমুদ্রযাত্রায় তিনি পর্তুগাল উপকূলে ফরাসি জলদস্যু দ্বারা আক্রান্ত  হয়ে জীবন হারাতে বসেছিলেন। তাদের বাণিজ্যিক জাহাজ সহ সকল কিছু পুড়িয়ে ফেলে আক্রমণকারীরা। তারপর কলম্বাস নিকটস্থ উপকূল পর্তুগালে নিবাস ঘরেন। এইখানেই ১৪৮০ সালে কলম্বাস ‘Felipa Perestrello’ কে বিয়ে করেন। এই সংসারে তার একটি সন্তান ছিল, নাম ডিয়াগো। কিছুদিনের মাঝেই তার স্ত্রী মারা গেলে কলম্বাস স্পেনে পারি জমান। ১৪৮৮ সালে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘Beatriz Enriquez de Arana’ এর ঘরে জন্ম নেয় দ্বিতীয় সন্তান নাম ফারনান্ডো

এরই মধ্যে কলম্বাস ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ থেকে পূর্ব এবং পশ্চিমে প্রবাহিত আটলান্টিক স্রোতে জ্ঞান অর্জনে আফ্রিকা  এবং অন্যান্য অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। মধ্যপ্রাচ্য মাধ্যমে বাণিজ্যিক পথে মুসলিম আধিপত্যের ভারত ও কঠিনতম চীন ভ্রমণ করেন। ১৪৮৩ সালে পর্তুগালের রাজা জন দ্বিতীয়র কাছে কলম্বাস তার পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলেন। তাতে ছিল আটলান্টিক হয়ে পশ্চিমের দিকে ইন্ডিজে (এশিয়া) যাওয়ার পরিকল্পনা।  পর্তুগালের রাজা যখন তার পরিকল্পনায় রাজি হলেন না। পরবর্তীতে কলম্বাস তা স্পেনের রাজা ও রানিকে দেখান। ধারণা করা হয়ে থাকে পরবর্তীতে স্পেনের রাজা ও রানী কলম্বাসের পরিকল্পনায় অর্থায়নে রাজী হন।

christopher-columbus-kids_480x360

শিল্পীর তুলিতে কলম্বাস

 নতুন বিশ্বের সন্ধানেঃ 

অতঃপর ১৪৯৬ সালে, Castille এর Ferdinand  এবং Aragon এর ইসাবেলার সাথে একই প্রস্তাব রাখেন কলম্বাস। প্রজাতন্ত্রের উত্তরাধিকারী নটিক্যাল বিশেষজ্ঞরা খুব সন্দিহান ছিল এবং প্রাথমিকভাবে কলম্বাস পুনরায় প্রত্যাখ্যাত হন। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েন নি। অবিরত লবিং বা তদবির করতে থাকেন। অবশেষে এল সে মহেন্দ্রক্ষণ। স্প্যানিশ সেনাবাহিনী ১৪৯২ সালের জানুয়ারিতে গ্রানাডার মুসলিমানদের উপনিবেশ দখল করে, ক্রমাগত সম্রাজ্য বিস্তারের বাসনায় অগাস্ট ১৪৯২ সালে কলম্বাসের অভিযানে  অর্থ যোগান দিতে একমত হয় স্পেনের রাজদরবার। ৩ অগাস্টেই পাল তুলেন কলম্বাস ৩৬ দিনের অভিযান শেষে কলম্বাস তার সহযাত্রীরা আজকের বাহামা দ্বীপে পা রাখেন। তখন কলম্বাস সেই দ্বীপের নাম দেন ‘San Salvador’ আজকে বাহামা দীপপুঞ্জ।

Viajes_de_colon_en.svg

কলম্বাসের অভিযাত্রা সমূহের রেখাচিত্র

এরপর কলম্বাস আরও তিনটি সফল অভিযাত্রা করেন এবং যথাক্রমে কিউবা, হিস্পানিওলা, জ্যামাইকা, ত্রিনিদাদ, মার্গারিটার অনুসন্ধান পান। এই আবিষ্কারের কৃতিত্ব স্বরূপ ১২ অক্টোবরকে কলম্বাস ডে পালন করা হয়। ১৯৩৭ সাল থেকে ইউএস প্রেসিডেন্ট  Franklin D. Roosevelt এই দিনকে সরকারী ছুটিও ঘোষণা করেন। 

কলম্বাস বিতর্কঃ

সবাই যেখানে ক্রিস্টোফার কলম্বাস এর ১৪৯২ সালের সমুদ্রের নীল পাল – ওয়ালা অভিযাত্রীরূপে আমেরিকা আবিষ্কারক হিশেবে জানে। এইদিকে মার্কিনরা প্রতি অক্টোবর দ্বিতীয় সোমবার একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ছুটির সঙ্গে উদযাপন করে এই আবিষ্কারক স্মরণ করতে সম্মান জানাতে। ঐতিহাসিক জানতে গিয়ে  ক্রিস্টোফার কলম্বাস এর বাস্তব জীবন সম্পর্কে আরো গবেষণার অবকাশ আছে বলে সাম্প্রতিক অনেক গবেষণায় বের হয়ে এসেছে। বিতর্কের নায়ক হিসেবে এই এক্সপ্লরারএর  প্রাপ্য সম্মানের বৈধতা উপর প্রশ্ন উদিত হয়েছে। তার কারণ একাধিক। একটু বিতর্কগুলো দেখি।

আমেরিকা‍য়  ক্রিস্টোফার কলম্বাসের দ্বিতীয় সমুদ্রযাত্রায় আদিবাসীদের অর্থাৎ স্থানীয় অধিবাসীদের দাস হতে বাধ্য করেন এবং স্বর্ণ উত্তোলনের জন্য খনন করতে ব্যবহার করেন। কলম্বাস প্রথম যেদিন অ্যামেরিকার মাটিতে পা রাখেন ঐদিনই নাকি স্থানীয়দের সরলতা দেখে কলম্বাস বলেন ‘বাহঃ এরা তো বেশ সহজ সরল এরা ভাল দাস হবে’।

YouTube Preview Image

এবং তিনি করেছেনও তাই। হিষ্ট্রি চ্যানেলের ওয়েবসাইটে ‘Columbus’ Quest for Gold’ শীর্ষক ৩ মিনিটের ভিডিওটি দেখলে তার নৃশংস দাস সর্দারের এবং জলদস্যু মানসিকতার অভিব্যাক্তির প্রকাশ পায়।  তাছাড়া বাইয়োগ্রাফি ডট কমে ক্রিস্টোফার কলম্বাস দ্যা স্লেভ মেইকার নামের একটা ভিডিও আছে। “Who Brought Slavery to America”  শিরোনামের ৪১ মিনিটের ভিডিওতে ইউটিউবে আমরা দেখতে পাই তিনি কতটা অমানবিক এক নাবিক ছিলেন। এক ভূখণ্ড থেকে দাস প্রথার অভিশাপই শুধু সংক্রমিত করেন নি অ্যামেরিকা ভূখণ্ডের তথা গোটা একটা জাতির বিশাল একটা অংশের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে তিনি ধ্বংস করেছেন।

বিতর্কের শুরু হয় আই এম দ্যা উইটনেস  ডট কমে যখন  “Who Brought the Slaves to America?”  প্রবন্ধ টি প্রকাশ করেন Walter White Jr. ওয়াল্টার হোয়াইট স্পষ্ট করে তাঁর গবেষণায় দেখান অ্যামেরিকায় দাসপ্রথার গোড়াপত্তন হয় কলম্বাসের হাত ধরে। এবং কলম্বাসের সেই আলোড়ন সৃষ্টিকারী অভিযাত্রার অর্থায়নও স্পেনের রানী ইসাবেলা করেন নি। এর অর্থায়নে ছিলেন “Luis de Santangelo”। তিনি সর্বমোট ১৭,০০০ ডুকাটস (Ducuts) বা ৫০০০ পাউন্ড যা বর্তমানে ৫০,০০০ পাউন্ড অর্থলগ্নি করেন কলম্বাসের এই প্রজেক্টে। 

taino

কলম্বাস হিস্পানিওলাকে জীবন্ত নরকে পরিণত করেন sito sicuro per comprare cialis generico

কলম্বাসের এই অভিজাত্রার সহযাত্রীরা হলেন আরও পাঁচ  ‘Maranos’ (Jews who had foresworn their religion and supposedly became Catholics); তারা হলেন Luis de Torres , দোভাষী Marco, সার্জন Bemal আর চিকিৎসক Alonzo de la Calle and Gabriel Sanchez এবং এরা  সবাই ছিলেন ইহুদী। 

কলম্বাস মূলত তার দ্বিতীয় অভিজাত্রায় ১৭ টি নৌবহরের ১২০০ পাইরেটসকে নিয়ে তার এই দাস ব্যবসা এবং স্বর্ণ আরোহণের নির্মম অভিযান শুরু করেন। তার সম্পর্কে বলতে গিয়ে ওয়াল্টার হোয়াইট বলেন কলম্বাস ছিলেন সম্পদ লোভী মানুষ। সম্পদ আরোহণে তিনি এমন কিছুই বাদ রাখেন নি যা দস্যু বা দাসদের প্রভুরা করত। কখনই ভাল মন্দ এবং নৈতিকতার কথা তিনি ভাবেন নি। অঙ্গচ্ছেদ, জীবন্ত পুড়িয়ে মারা থেকে শুরু করে পশুর মত অকথ্য নির্যাতনের প্রমাণ মিলে গবেষণায়।

তাই এই কলম্বাস ইতিহাসে যতটা না হিরো মানবতার জন্য ততটাই ভিলেন। তিনি একটি ভূখণ্ডের মানুষের জন্য অভিশাপ। আর এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হত ঐ ভূখণ্ডকে ৪০০ বছর রক্ত দিতে হয়েছে। তিনি স্থানীয় মানুষের উপর অমানবিক অত্যাচার করেছেন। কলম্বাসের নাবিক এবং এক্সপ্লোরার পরিচয়ের অন্তরালে আসলে এক নিষ্ঠুর ঔপনিবেশিকের বসবাস। যেমনটি আমাদের এইখানে কলনিয়ালরা করেছে ১৫০০ সালের পর থেকে। নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা আর নৃশংসতায় এই নাবিকের কৃতিত্বের ইতিহাস। তার হাতে নাবিকের দিকদর্শন নলের সাথে ছিল মানবতা হরণীয়া বন্ধুকের নল। এই ইতিহাস মানবতা আঘাতের রক্তের।

কে এই  ওয়াল্টার হোয়াইটঃ

 ওয়াল্টার হোয়াইট হচ্ছে ইউএস হোয়াইট টেলিভিশনের জনপ্রিয় গবেষণাধর্মী সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’ এর কেন্দ্রীয় চরিত্র। এই সিরিজ সবসময় মিথ্যাকে ভেঙ্গে সত্যের বা সাদার উন্মোচন করে।  ওয়াল্টার হোয়াইট একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রসায়নের শিক্ষক। যিনি তাবৎ দুনিয়ার মিথ্যাকে ভাঙতে সদা তৎপর। আইএমডিবি’তে ৯.৬ রেটিং পাওয়া এই টিভি সিরিজ ২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত মোট ৫ টি সফল সিজন শেষ করে।

IMG_1453

কলম্বাসের একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য

কলম্বাসের সুযোগ ছিল একটি মানব বসতির উত্থানের ইতিহাসকে গৌরবউজ্জ্বল এবং সাফল্যমণ্ডিত করার। না তিনি করেছেন রক্ত রঞ্জিত ৪০০ বছরের নির্মম দাসপ্রথার সূচনা। হুমায়ূন আজাদ স্যারের সুরে তাই বলতে হয় ইতিহাস অনেক সময় অনেক চুনোপুঁটি বা নির্দয়কেও মহানের মর্যাদা দেয়। দুনিয়াজুড়ে অগাধ সম্মান পাওয়া এই নাবিকের মুখোশ উন্মোচন শুরু হয়েছে। পৃথিবী নতুন করে ইতিহাস এবং সত্য জানার অপেক্ষায়। ১৪৯২ সালের আগের ২০ মিলিয়ন মানুষের জনবসতির এই ভূখণ্ডের লক্ষাধিক মানুষকে কলম্বাসের সাঙ্গোপাঙ্গরা নির্মমভাবে হত্যা করে এবং দাস হতে বাধ্য করে। cialis 10 mg costo

এই অসাধারণ অভিযাত্রী এবং নাবিক এবং নিষ্ঠুর ঔপনিবেশিক ৪১ বছর বয়সে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হন। ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্লেগ এবং চোখের রক্তক্ষরণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৫/৫৬ বছর বয়সে এই বিতর্কিত নাবিকের জীবনাবসান হয় ১৫০৬ সালের ২০ মে স্পেনে। diflucan 150 infarmed

তথ্যসূত্রঃ
ক) বায়োগ্রাফি ডট কম
খ) উইকিপিডিয়া বাংলা
গ) উইকিপিডিয়া ইংরেজি
ঘ) দ্যা হিষ্ট্রি ডট কম
ঙ) আই এম দ্যা উইটনেস  ডট কম, এবং
চ) পোস্টের সকল হাইপারলিংক সমূহ
ছ) ব্রেকিং বেডের ওয়াল্টার হোয়াইটের গবেষণা।

You may also like...

  1. অর্ফিয়াস

    অর্ফিয়াস বলছেনঃ

    অসাধারণ লেখা লিংকন ভাই :-bd

    তবে, স্প্যানিশ কনকোয়েস্ট এর সবচেয়ে ঘৃণিত নাম কিন্তু কলম্বাস না, হার্নান্দো পিজারো।
    তুপাক আমারোর হত্যা দিয়ে শেষ হলেও, তার আগে আছে জঘন্য এক নোংরা কলোনিয়ানিজম এর ইতিহাস।

    তার সুযোগ ছিল একটি মানব বসতির উত্থানের ইতিহাসকে গৌরবউজ্জ্বল এবং সাফল্যমণ্ডিত করার। না তিনি করেছেন রক্ত রঞ্জিত ৪০০ বছরের নির্মম দাসপ্রথার সূচনা। হুমায়ূন আজাদ স্যারের সুরে তাই বলতে হয় ইতিহাস অনেক সময় অনেক চুনোপুঁটি বা নির্দয়কেও মহানের মর্যাদা দেয়। দুনিয়াজুড়ে অগাধ সম্মান পাওয়া এই নাবিকের মুখোশ উন্মোচন শুরু হয়েছে। পৃথিবী নতুন করে ইতিহাস এবং সত্য জানার অপেক্ষায়।

    এটাই হচ্ছে কথা lasix tabletten

  2. ক্রিস্টোফার কলম্বাস একজন জলদস্যু। একটা আস্ত মহাদেশ ধ্বংস করেছেন তিনি। আজও আমেরিকায় নেটিভদের বাইরের অধিবাসী হিসেবে দেখা হয় যদিই তথাকথিত স্ক্যান্ডিনেভীয় ইউরোপীয়রাই আসল দখলদার।

  3. রাজু রণরাজ বলছেনঃ

    তথ্যবহুল এবং গোছানো লেখা তারিক ভাই, অসাধারন ♥♥♥ kan metformin krossas

  4. পৃথিবী তাকে চেনে একজন মহান অভিযাত্রী হিসেবে, আমেরিকার আবিষ্কারক হিসেবে, কিন্তু আদতে তিনি ছিলেন একজন নির্মম , নিকৃষ্ট ঔপনিবেশিক, আমেরিকার দীর্ঘ ৪০০ বছরের দাসপ্রথার জনক, লালনকারী… X-( X-(

    অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে উঠে আসা একরাশ ঘৃণা রইল কলম্বাসের জন্য… >:P >:P ventolin evohaler online

    আর লিংকন ভাই, নতুন করে আপনার লেখনীর কথা আর কি বলব? ~x( ^:)^ ^:)^ এই ব্যাপারে এর আগে ভাসা ভাসা জানতাম, আজ পুরো ব্যাপারটা পরিস্কার হল… অশেষ কৃতজ্ঞতা ভাই… %%- %%- %%- %%- =D> =D> :-bd >:D<

    ~O) পানের দাওয়াত দিয়ে রাখলাম। :P গ্রহন করলে খুবই খুশি হব…

    free sample of generic viagra
  5. ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ online pharmacy in perth australia

    অসাধারন তথ্যের পারমুটেশান-কম্বিনেশানে একজন ঐতিহাসিক ঔপনিবেশিকের উপাখ্যান কিন্তু জমে গেছে ভালোভাবেই! আপনার পরিশ্রমকে সাধুবাদ জানাতে হয়।

    কলম্বাসের ব্যাপারে বলতে গেলে, “ঠাডা পইড়া বগা মরে ফকিরে কয়, আমার কেরামতি” টাইপের। একজন মানুষের যখন উদ্দেশ্য সৎ থাকে তখন সে সফল কিবা ব্যর্থ সেটা পর্যালোচনা করার অবকাশ থাকেনা। কিন্তু কেউ যখন সাম্রাজ্য স্থাপনের উন্মত্ততায় বলীয়ান হয়ে দাসপ্রথার মত ঘৃণ্য একটা প্রথাকে মাথা তুলে দাঁড় করায় তখন সেখানে তার সততা এবং প্রাথমিক উদ্দেশ্য নিয়ে অন্ধকার ঘনীভূত হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। ইতিহাস দাবী করে ভিন্ন কথা। সেখানে কলম্বাসের সাহসিকতার প্রশংসা করা হয় আর এটাই অনুমেয়। কারন ইতিহাস বিজয়ীর জয়গানে ব্যস্ত। এখানে পরাজিতরা নিষ্ঠুরভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং উহ্য! সেই নীতি অনুসরন করে ইতিহাস সর্বদা চাটুকারিত্ব করে জয়ীদের। কিন্তু সেই জয়ের পিছনে আঁকা থাকে রক্তের আল্পনা, শিশুর নীরব আর্তনাদ কিংবা বাস্তুহারাদের অশ্রু-প্রপাত। আর এসব কিছুকে প্রতিহত করে সাহসিকতার সাথে আটলান্টিক পাড়ি দেয়ার পেছনে প্রাথমিক উদ্দেশ্যটা ইতিহাসে উহ্য থাকলেও বাস্তুহারা আদিবাসীদের অ্যাকুয়াস হিউমারে সিক্ত হয়ে সেটা বিশ্ববাসীর কাছে ইতোমধ্যেই তিক্ত হয়ে উঠেছে। তাইতো, চেঙ্গিস খান মঙ্গোলিয়ার দেবপুরুষ হলেও সবার কাছে সেটা নয়। যত বড় ক্ষতি তত বড় লাভ!

    অনেকে একটা কথা প্রায়শই বলে, বড় কিছু পেতে হলে ছোটো কিছু বিসর্জন দিতে হয়। বস্তুত, আমি এই বাক্যের কঠোর সমালোচনায় আগ্রহী। আসলে ছোটোবড় এর মাপকাঠি আমরা নির্ধারন করবো কিভাবে? একটা ছেলে গ্রাজুয়েশন প্রাপ্ত হতে তার জীবন থেকে ৩০ বছর ঝরে গেল। এখানে আমি ৩০ বছরকে একদমই ছোটো করে দেখার পক্ষপাতী নই। তাই, আমার কাছে ব্যাপারটা উল্টো। সেটা হল, ছোটো কিছু পাওয়ার জন্য বড় কিছু বিসর্জন দিতে হয়। আর এই নীতিতেই রাজা বাদশা ঔপনিবেশিকরা নিজেদের বড় কিছু (বিবেক-মানবতা) বিসর্জন দিয়ে অধিকার করেছেন ছোটো কিছু (বিস্তীর্ণ জনপদ, বলিষ্ঠ জনবল)। এটাকে আমি পজিটিভলি নিই কি করে?

    কলম্বাসের টপিকেও আমি একই অনুসিদ্ধান্তে আসতে আগ্রহী। তিনি একটি মহাদেশ আবিষ্কার করলেন, সেটা একটা সৎ উদ্দেশ্য, কিন্তু এর পেছনে তিনি দাসত্বের মত ছোটো কিছুকে নৃশংস ভাবে মাথা তুলে দাঁড় করালেন তার বড় কিছু মানবতা বিসর্জন দিয়ে! আমি ভালো বলি কি করে! ৯৯ জনে বিসর্জন দেয়, ১ জনে বিসর্জিত ঝিনুক হতে নিজের স্বার্থে মুক্তো ছিনিয়ে নেয়। আমি সেই একজনকে কিংবদন্তী বলিনা, বরং তাকে শাসক বলি; সেই একজনকে ইতিহাস বলিনা, বরং তাকে শোষক বলি।

  6. অংকুর বলছেনঃ

    কলম্বাস ছিলেন সম্পদ লোভী মানুষ। সম্পদ আরোহণে তিনি এমন কিছুই বাদ রাখেন নি যা দস্যু বা দাসদের প্রভুরা করত। কখনই ভাল মন্দ এবং নৈতিকতার কথা তিনি ভাবেন নি। অঙ্গচ্ছেদ, জীবন্ত পুড়িয়ে মারা থেকে শুরু করে পশুর মত অকথ্য নির্যাতনের প্রমাণ মিলে গবেষণায়।

    :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd

    cialis online australia
  7. চমৎকার তথ্যবহুল একটি লেখা কলম্বাস সম্পর্কে এতোটা বিস্তারিত আগে কখনই পড়া হয় নি। দারুন লিখেছেন ভাইয়া… (*) (*) (*) :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd m/ m/ m/ m/

    prednisone side effects menopause
  8. এ ব্যাপারে আগে থেকেই ভাসা ভাসা জ্ঞান থাকলেও ডিটেইলে এটা নিয়ে কখনও পড়া হয়নি। আপনার সুবাদে সেটা হয়ে গেল ভাল ভাবেই। তবে, স্রেফ সে দাস প্রথার স্রষ্টা আর তার স্বপক্ষে প্রমাণ না দিয়ে সাথে তার কার্যাবলীর একটা মোটামুটি বর্ণনা থাকলে পোস্টটা আরও সমৃদ্ধ হত বলে আমার বিশ্বাস।

  9. মাশিয়াত খান বলছেনঃ

    তার সুযোগ ছিল একটি মানব বসতির উত্থানের ইতিহাসকে গৌরবউজ্জ্বল এবং সাফল্যমণ্ডিত করার। না তিনি করেছেন রক্ত রঞ্জিত ৪০০ বছরের নির্মম দাসপ্রথার সূচনা। হুমায়ূন আজাদ স্যারের সুরে তাই বলতে হয় ইতিহাস অনেক সময় অনেক চুনোপুঁটি বা নির্দয়কেও মহানের মর্যাদা দেয়। দুনিয়াজুড়ে অগাধ সম্মান পাওয়া এই নাবিকের মুখোশ উন্মোচন শুরু হয়েছে। পৃথিবী নতুন করে ইতিহাস এবং সত্য জানার অপেক্ষায়।

    @};- @};-

    propranolol hydrochloride tablets 10mg
  10. অনেক সুন্দর লেখা! অজানা অনেক কিছু জানতে পারলাম এই লেখাটা পড়ে, ভায়িাকে ধন্যবাদ! :D :)

প্রতিমন্তব্যতারিক লিংকন বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. metformin er max daily dose

is viagra safe for diabetics
prednisone side effects moon face