ইয়ুথ ফর বাংলাদেশঃ একটি স্বপ্ন, একটি প্রতিজ্ঞা

2601

বার পঠিত

বোকারাই স্বপ্ন দেখে পৃথিবীটা সুন্দর করে সাজানোর। অপদার্থরাই যুক্তিহীন আবেগে পথ চলে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে। আমাদের ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ এরকম কিছু বোকা আর অপদার্থের সংগঠন।

সময়টা ছিল ২০১২ সালের প্রথম দিকে। আমি আর আমার এলাকার ক্লোজ ছোট ভাই, শেকড় আহমেদ ফয়সাল এই দুজন মিলে দেশের তরুন প্রজন্মের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করতাম। আমাদের আলোচনায় উঠে আসতো বর্তমান রাজনিতির নানান দিকসহ তরুণ প্রজন্মের ভিতর যারা আলোচিত, তাদের কথা। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আমরা বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন্মূলক কাজকর্মে নিজেদের জড়িয়ে রেখেছিলাম। শেকর ‘সেভ দ্য পিপল’ এবং আমি ক্রান্তি নামের তারুণ্যভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন নিয়ে বেশ কিছু কাজকর্মও মাঠে নামিয়ে ফেলেছিলাম। আমি নিজেও ছিলাম সেভ দ্য পিপলের একজন নির্বাহী সদস্য।

শাহবাগের জাগরণ তখনো হয় নাই। কিন্তু, সেসময় তরুণদের দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন দেশব্যাপি বেশ আলোচিত ছিল। বিশেষ করে শিক্ষিত শহুরে তরুণদের মধ্যে জাগো ফাউন্ডেশন ও এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট করভী রাখসান্দ; ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ ও এর প্রতিষ্ঠাতা শাবহানাজ রশিদ দিয়া; বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ ক্যাম্পেইন ও তার প্রতিষ্ঠাত্‌ প্রেসিডেন্ট ইজাজ আহমেদের নাম ছিল মুখে মুখে। এই সংগঠনগুলোর ছিল বিপুল সংখ্যক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ স্বেচ্ছাসেবি। মনে পড়ে ২০১১ সালের নভেমবর মাসে জাগো ‘ইউনিভারস্যাল চিলড্রেন ডে’র রোড ইভেন্টে সারা বাংলাদেশ থেকে ৭০০০’এর মত স্বেচ্ছাসেবী মাঠে নামিয়েছিল। আর বিওয়াইএলসি বা ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভও তাদের বিভিন্ন প্রজেক্ট নিয়ে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছিল।

সাড়া তারা জাগাতেই পারে। কিন্তু, যে নেতিবাচক ব্যাপারটা তাদের মধ্যে ছিল, সেটা হল এরা সবাই কমবেশি পশ্চিমা দূতাবাসগুলোর ফান্ড ও অন্য্যান্য সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে কাজ করত। আর সেই দূতাবাসগুলোও নিশ্চয় এমনি-এমনি তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতোনা। তাদের নিশ্চয় এদের নিয়ে বড় রকমের কোন প্ল্যান রয়েছে। তাদের অনুষ্ঠানগুলোর অনেকগুলোই অনুষ্ঠিত হত অ্যামেরিকান সেন্টার বা এম্বাসিতে। এই ব্যাপারটিই আমাদের খারাপ লাগতো যে, করভী, দিয়া বা ইজাজ একদিকে আজকের তরুন সমাজের কাছে আইকনরুপে পরিগণিত হচ্ছে; অথচ এরা অন্যদিকে পাশ্চাত্য শক্তির এজেন্ট হিসেবেই যেন গড়ে উঠছে। আর এদের দ্বারা প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত হাজারও তরুণও কি তাহলে সেই দিকেই ধাবিত হচ্ছে —এইসব বিষয় নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত ছিলাম। আমাদের মনে হয়েছিল এদের পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদী ও সুবিধাবাদি আচরণ ও কাজকর্মের বিপরীতে এমন একটা তারুণ্যের শক্তির উপস্থিতি দরকার যারা কোন বিদেশী শক্তির দালাল হিসেবে কাজ করবেনা এবং তরুণদের মধ্যে সেসব ধ্যাণধারণাই ছড়িয়ে দেবে যা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের জন্য মঙ্গলময়ী হবে।

অনেকটা সেই চিন্তা থেকেই ইয়ুথ ফর বাংলাদেশের জন্ম, ২০১২ সালের জানুয়ারী মাসে। এটা গড়ে তোলার পিছনে অন্যতম লক্ষ্য এটাও ছিল যে, এখান থেকে আমরা দেশের নস্ট রাজনীতি ও অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হবো এবং সুস্থ ধারার রাজনৈতিক চিন্তাভাবনায় তরুণদের অনুপ্রাণিত করবো। will i gain or lose weight on zoloft

যাই হোক, কিছুদিনের মধ্যেই আমরা মাঠে নেমে যাই। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে ভারতীয় বিএসএফ কতৃক সীমান্তে হত্যা ও নির্যাতন বন্ধের দাবিতে আমরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন করি। আমাদের এই ইভেন্টটি তরুণদের মধ্যে মোটামুটি সাড়া জাগাতে সমর্থ হয়। আমাদের কাজকর্ম মানুষ পছন্দ করতে শুরু করে। আমাদের এই ইভেন্টের উপর ছবিসহ নিউজ এসেছিল দৈনিক সকালের খবর পত্রিকায়। এর পাশাপাশি এটিএন নিউজেও আমাদের ইভেন্টটির উপর নিউজ এসেছিল। নিচে সেই ইভেন্টের কিছু চিত্র তুলে ধরা হলঃ

431388_361672610512108_1124785067_n   423240_361673313845371_482011391_n  yfb  Shehzad Aman with Youth For Bangladesh

একথা বলে নেয়া ভাল আমরা ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’-এর সাথে যারা আছি, তারা সবাই হয় স্টুডেন্ট, নয়তো সদ্য চাকরিতে ঢোকা তরুণ। আমাদের পড়াশুনা না হয় চাকরি-বাকরি নিয়েই বেশি ব্যাস্ত থাকতে হয়। এর মাঝেও সংগঠন ধীরে হলেও এগিয়ে চলেছে।
এরি মধ্যে অনলাইনে বিদেশী অর্থে চলা এসব সংগঠনের সাথে আমাদের মাঝে মধ্যেই ঠোকাঠুকি লাগতো। করভী রাখসান্দের সাথে একবারতো আমাদের ফেসবুকে ঠোকাঠুকি ভালোই জমে উঠেছিলঃ

https://www.facebook.com/ShakorAhmed/posts/446424212067841

এছাড়াও, এসব সংগঠনের অনেকেই বাংলাদেশে সমকামী আন্দোলনের সমর্থক বলে, তাদের সাথে মাঝে মাঝেই ফেসবুকে তর্কযুদ্ধ হতো। আমরা শুধু তর্কযুদ্ধ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলেও তারা অনলাইনে আমাদের উপর, বিশেষ করে আমার উপর ভালোই আক্রমণ চালাতো। এর মাধ্যমে আমাদের কোন ক্ষতি হয়নাই। বরং, তারাই প্রমাণ করেছে তারা কতটা নিচে নামতে পারে। তারউপর একবারতো, হিলারী ক্লিনটনের সাথে দিয়া, ইজাজ, করভীর ছবি দেখে সেখানে আমি একটা তির্যক কমেন্ট করার পর আমার ফেসবুক একাউন্টই ব্যান হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এতে তাই আরও প্রমাণ হয়, আমরা তাদের ‘নেক-নজরে’ ভালোভাবেই আছি।

এখানে বলে রাখা ভাল যে, আমাদের সংগঠন এবং আমি ব্যাক্তিগতভাবে কারও সাথে শত্রুতা বা বিদ্বেষে বিশ্বাসী নই। আমাদের কারও আদর্শ বা কাজকর্মের সাথে বিরোধ বা বৈপরিত্ত থাকতে পারে; কিন্তু ব্যাক্তি হিসেবে কারো প্রতি আমাদের এমন ধারণা নেই যে, তাদের ছায়া মাড়ানো যাবেনা। আমরা মনে করি, আজ কারও সাথে আমাদের হয়তো আদর্শগতভাবে নাও মিলতে পারে; কিন্তু, তারা যদি নিজেদেরকে শুধরাতে পারে, দেশ ও দশের কল্যাণের জন্য, তাহলে অবশ্যই ভবিষ্যতে তাদের সাথে একসাথে কাজও করা যেতে পারে। আর আমেরিকাসহ পাশ্চাত্য দেশগুলো সম্মন্ধে শুধু নেতিবাচক ধ্যানধারণাই করিনা; বরং এটাও মনে করি গণতন্ত্র ও মানুষের ব্যাক্তিস্বাধীনতার চর্চায় যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশগুলো আদর্শ। তাই, সবার প্রতি বন্ধুত্তের হাত আমাদের বাড়ানোই রয়েছে।

২০১২ সালের ১৬-ই ডিসেম্বর আমরা আমাদের দ্বিতীয় ইভেন্টটি করি। আমাদের দ্বিতীয় ইভেন্টটি ছিল আক্ষরিক অর্থেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, তাদের দেশীয় এজেন্ট এবং দেশের নস্ট রাজনীতির বিরুদ্ধে চমতকার প্রতীকি একটা প্রতিবাদ। ‘হে বিজয়! আলোর স্রোতে এখনো মুক্তি খুজে ফিরি’ শীর্ষক আমাদের এই ইভেন্টিটিতে আমদের সংগঠনের ৩০-৩৫ জন সদস্য হাতে মোমবাতি নিয়ে, চোখে লাল কাপড় বেঁধে পাঁচ মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে দেশের বিদ্যমান নস্ট রাজনিতি, অপশক্তির দালালি এবং তারুণ্যের পথভ্রষ্টতার বিরুদ্ধে প্রতীকি প্রতিবাদ জানায়। ওদের সবার সামনে জ্বলজ্বল করছিল কয়েকটি মশাল। এবারে আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় মিডিয়ার কাছ থেকে সেরকম রেসপন্স না পেলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের এই ব্যাতিক্রমি ইভেন্টটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। যার কারণে ‘ক্রাইম দুনিয়া’ নামের একটি জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ পরবর্তীতে শাহবাগ আন্দোলনের সাথে আমাদের এই ইভেন্তটির তুলনা করে পোস্টও দিয়েছিল। তারা এটাও লিখেছিল যে, শাহবাগের প্রতিবাদী আন্দোলনের শুরুটাতো ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২-তেই (আমাদের ইভেন্টটির দিন) হয়েছিল। নিচে সেই ইভেন্টের কিছু ফটো তুলে দেয়া হলঃ

 

1045041_412824462172568_30297500_n   077e217794ce01cad4caba694b26248e-400x356

50fbc513b5087fa51f0e7793920b9436-400x250

এই ইভেন্টটির প্রচারণায় আমাদের প্রেসিডেন্ট ফয়সালের লেখা ফেসবুক নোটটিও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলঃ

https://www.facebook.com/notes/shakor-ahmed-uv/497362773636667

তারপর তো শাহবাগের আন্দোলন বাংলাদেশের সবার সবটুকু মনযোগ কেড়ে নিল। মূল ধারার তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ধারাটা যেন অনেকটাই ফিরে এল। আগে ইমরান সরকার আমাদের মতই একজন সাধারণের চোখে অচেনা মানুষই ছিলেন। কিন্তু, শাহবাগ আন্দোলনের পর ইমরান সরকার এবং লাকি আক্তারের মত মানুষেরা সবার কাছে অতি পরিচিত মুখ হয়ে গেলেন। তারা হয়ে উঠলেন এক ধরণের সেলিব্রিটি। প্রেক্ষাপট থেকে অনেকটাই যেন তিরোহিত হল করভী, ইজাজ আর দিয়ারা। ইন ফ্যাক্ট, করভী রাখসান্দ অনেকভাবেই শাহবাগ আন্দোলনের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে আন্দোলনে নিজেকে শো-অফ করতে চেষ্টা করেছিল। জাগোর গুডউইল এম্যাসেডর ওয়াসফিয়া নাজরীন এসে ইমরান আর লাকি আক্তারের সাথে ছবি তুলেও নিয়ে গেলেন। কিন্তু, ইমরান সরকার করভীকে আগে থেকেই চিনতেন এবং খুব একটা পছন্দও করতেন না। কাজেই, করভীর শাহবাগ আন্দোলনে ভূমিকা রাখার ইচ্ছেটাও পূরণ হয়নি।

এই শাহবাগ আন্দোলনেও প্রথমদিকে আমাদের ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ ভালভাবেই মাঠে ছিল। ৫ই ফেব্রুয়ারি যখন এই আন্দোলন শুরু হয়, তখন আমাদের ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’-এর প্রেসিডেন্ট ফয়সাল আহমেদ খুলনায় ছিল। ৮ই ফেব্রুয়ারি ও খুলনায় ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’-এর যেসকল মেম্বার ছিল, তাদের নিয়ে খুলনার শিববাড়ি মোড়ে ব্যানার আর মোমবাতি নিয়ে যুদ্ধপরাধিদের ফাঁসির দাবিতে অবস্থান নিয়েছিল। নিচে তার কিছু চিত্র তুলে দেয়া হলঃ

 

5bcc1e564e6378295195de7c896e8718-400x267     22ad199c45c8eca07521d68ad6908c1e-400x267

পরে ও যখন ঢাকায় ব্যাক করলো দুই-একদিন পড়ে, আমরা ঠিকই শাহবাগে অবস্থান নিয়েছিলাম। যদিও একজন ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি ফাঁসির বিপক্ষে ছিলাম, তারপরও সংগঠনের বেশিরভাগের মতামত শাহবাগে যাওয়ার পক্ষে থাকায় আমিও সেখানে ছিলাম। কিন্তু, ২-১ দিনের মধ্যেই আমরা বুঝে গেলাম যে এই জাগরণকে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের কাজে ব্যাবহার করতে চাইছে। এবং এতে ছাত্রলীগের ছেলেদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তখন, বিষয়গুলো অনুধাবণ করে আমরা সেখান থেকে নিজেদের অবস্থান সরিয়ে নিলাম।

তারপর, দীর্ঘ প্রায় সাত-আট মাস আমরা মোটামুটি নিস্ক্রিয় ছিলাম। পরে, দেশে রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, পুলিশের গুলিতে মানুষের মৃত্যু এবং হরতাল ও অবরোধে নিরপরাধ মানুষ পুড়িয়ে মারার প্রক্রিয়া আমাদেরকে খুব নাড়িয়ে দেয়। আমরা জানতাম আমরা বড় আকারে তেমন কিছু করতে পারবোনা এবং আমাদের কোন আন্দোলন দেশের শাসক গোষ্ঠি বা রাজনৈতিক দলগুলোকে কিছুই পরিবর্তন করতে পারবেনা। তারপরও আমরা আমাদের জায়গায় থেকে নিজেদের ক্ষুদ্র সামর্থ্যের মধ্য হতে প্রতিবাদী কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলাম । ‘আমরা বাঁচতে চাইঃ রাজনীতিবিদরা দৃষ্টি দাও’ শীর্ষক ইভেন্টতি অনুষ্ঠিত হয় গত বছরের ১৬ই ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ গেটে। যদিও এই ইভেন্টটি করে আমরা খুব বেশি রেসপন্স পাই নাই, আমরা আমাদের সবকিছু দিয়ে ইভেন্টটাকে ভালভাবে আয়োজন করার চেষ্টা করেছি। ৩০-৩৫ জন সদস্যের উপস্থিতিতে আমাদের এই ইভেন্টটি অত্যন্ত কালারফুল একটি আয়োজন ছিল বলেই বিশ্বাস করি। এতে আমাদের অনুপ্রাণিত করতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজিমউদ্দিন খান। নিচে এই ইভেন্টের কিছু ফটো তুলে দেয়া হলোঃ

1488094_488966937891653_975255872_n     1488055_715513008461398_833052102_n

 

1486757_715513011794731_1051053518_n     997028_491727617615585_1573708216_n

 

আমরা এখন পর্যন্ত হয়তো তেমন বড় কিছু অর্জন করতে পারি নাই। কিন্তু, যেই আমাদের এই ইভেনন্টগুলোতে এসেছে, তারাই স্বীকার করেছে যে আমাদের আয়োজঙ্গুলো অত্যন্ত সুন্দর ছিল এবং আমাদের অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনার কথাও তারা আমাদের কাছে প্রকাশ করেছেন।

আমরা জানি ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কেবল একটি স্বপ্ন ও প্রতিজ্ঞার নাম। একটি সম্ভাবনার নাম। হিন্দি ‘যুবা’ সিনেমার মত, দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়ালদের মত আমরা হয়তো নিকট ভবিষ্যতে কিছুই করতে পারবোনা। তবুও আমরা স্বপ্ন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের কাজেকরমে তেমন কোন বাধার সম্মুখীন হই নাই। কিন্তু ভবিষ্যতে নিশ্চিতভাবেই হয়তো তা হতে পারে। আমরা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আলোর মশাল উরধে ধরে রাখার প্রত্যয়ই ব্যক্ত করে যাব। কেননা, দেশকে নিয়ে দেশের মানুষকে নিয়ে আমাদের স্বপনটা অনেক বড়ই।

সংগঠনের কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শীগ্রই আবার আমরা কিছু নতুন আইডিয়া নিয়ে মাঠে নামছি।

আমাদের সংগঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ফেসবুকে আমাদের পেজ আর গ্রুপের সাথে যুক্ত হোনঃ https://www.facebook.com/YouthForBangladesh

আমাদের একটি ওয়েবসাইটও আছেঃ http://www.youth.live.com.bd will metformin help me lose weight fast

আমাদের কাজকর্ম ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নিমিত্তে যে কোন আলোচনা, সমালোচনা, পরামর্শ আমরা গ্রহণ করতে প্রস্তুত আছি।

  irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

You may also like...

  1. উদ্দেশ্য সৎ ও ভালো হলে আপনার সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি ।

  2. মনে কিছু নেবেন না ভাইজান । আসলে বাংলাদেশে এত এত সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে এবং হচ্ছে যার বেশিরভাগের ধান্ধাই হচ্ছে নতুন কিছু করার নামে শুধু ত্যানা বেঁচা, ফটো সেশন, চান্দাবাজি আর অর্থ লুটপাট! এই অসংখ্যদের ভিড়ে প্রকৃত সৎ উদ্দেশ্যে গঠিত সংগঠনগুলিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে ।

  3. যদিও একজন ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি ফাঁসির বিপক্ষে ছিলাম, তারপরও সংগঠনের বেশিরভাগের মতামত শাহবাগে যাওয়ার পক্ষে থাকায় আমিও সেখানে ছিলাম

    অর্থাৎ, কাদের মোল্লার ফাঁসি হোক এটা আপনি ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে চান নি।
    আর কতো……………?

  4. অংকুর বলছেনঃ

    আপনাদের সংগঠনটির জন্য শুভকামনা রইল । কিন্তু

    যত ভালো উদ্যোগই হোক ব্লগে মনে হয় প্রচার প্রচারণা করা উচিত না । আর আপনি যেই ব্যক্তির ফেসবুক আইডি দিয়ে তাকে আক্রমন করেছেন বা যেই সংগঠনগুলোকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন বিষয়টা ভালো লাখলো না

    ধন্যবাদ

  5. আপনি ব্লগে সংগঠনের প্রচার করছেন তা কি ঠিক!! আর ফাঁসি চাননি মানবাধিকার কর্মী হিসেবে? বাহ।

  6. অনুস্বার বলছেনঃ

    যদিও একজন ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি ফাঁসির বিপক্ষে ছিলাম, তারপরও সংগঠনের বেশিরভাগের মতামত শাহবাগে যাওয়ার পক্ষে থাকায় আমিও সেখানে ছিলাম।

    যদিও বিশিষ্ট ন্যায়ের সৈনিক মাহচুদুর রহমানের থিউরি অবলম্বন করে আমি আমার পিতা শহীদ আবদুল কাদের মোল্লার পুশি রোধ করতে পুটুঁ উন্মুক্ত করে কান্নাকাটির সিদ্ধান্ত নিয়াছিলাম, তারপরও পিছনে থাকা নধর লেঞ্জাখানা প্রকাশ হইয়া যাইবার ভয়ে আমি পুটুঁর উপর মানচুধিকারের তাবু টাঙ্গানোর সিদ্ধান্ত নেই। :-?

    এইটাই তো কইতে চাইলেন, আমান সাব… নাকি? :-j

    বাট দ্যা ইউনিভার্সাল ট্রুথ ইজ, লেঞ্জা ইজ ইম্পসিবল টুঁ হাইড… :-”

    • চাতক বলছেনঃ

      >:) >:) >:) >:) >:) >:) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) [-O< [-O< [-O< [-O< [-O< :)) :)) :)) :)) :)) :)) ^:)^ ^:)^ @-) @-) @-) ;;) ;;) ;;) ;;) 8-X 8-X 8-X 8-X 8-X 8-X

    • শেহজাদ আমান বলছেনঃ

      নারে ভাই কাদের মোল্লা বা জামাতের প্রতি আমার কোন ফ্যাসিনেশন নাই। আমার সমন্ধে আপনার ধারণা তাই ঠিক নয়।

      • @ শেহজাদ আমান,

        “নারে ভাই কাদের মোল্লা বা জামাতের প্রতি আমার কোন ফ্যাসিনেশন নাই। আমার সমন্ধে আপনার ধারণা তাই ঠিক নয়।”

        আর হাসাইস না । কমেন্টস গুলোতে দেখলাম তুই অনেককেই তুমি বলে সম্বোধন করেছিস । আমার মনে হয় বয়সে বড় হলে যথেচ্ছা ব্যবহার করা যায় – অন্তঃত তোর কমেন্টস দেখে তাই মনে হয়েছে । তাই এখন থেকে তোকে আমি “তুই” বলেই ডাকবো । বুঝছস হালার পুত । মাইন্ড করিস না আবাল । আমরা আমরাই তো । :D

        • শেহজাদ আমান বলছেনঃ

          সমস্যা নাই। বড় ভাইকে তো অনেকেই তুই বলে ডাকে, তাই না?

          • @ শেহজাদ আমান,

            সমস্যা নাই। বড় ভাইকে তো অনেকেই তুই বলে ডাকে, তাই না?

            হ তা ডাকে । কিন্তু এইডা তো জানস যে, বড় ভাইয়ের মাইন্দে লাগলে মাঝে মাঝে আবার বিচিভাঙ্গা মাইর কপালে জোটে । তাই তোরে সাবধান কইরা দিতাছি, ভালা হইয়া যা বুকাসুচা ।

            আর তোর লগে কি তর্ক করুম ক ? লিখছস প্রচারণামূলক পোস্ট আর ট্যাগাইছস রাজনীতি ট্যাগ !!!

            হালা আবাল !! আসলে তোরে আবাল কইয়া দেশ-বিদেশের আবাল গোষ্ঠিকে অপমান করতাছি । কারন আবাল দের নূন্যতম একটা কোয়ালিটি থাকে । তুই তো কোয়ালিটিলেস আবাল ।

    • অংকুর বলছেনঃ

      যদিও বিশিষ্ট ন্যায়ের সৈনিক মাহচুদুর রহমানের থিউরি অবলম্বন করে আমি আমার পিতা শহীদ আবদুল কাদের মোল্লার পুশি রোধ করতে পুটুঁ উন্মুক্ত করে কান্নাকাটির সিদ্ধান্ত নিয়াছিলাম, তারপরও পিছনে থাকা নধর লেঞ্জাখানা প্রকাশ হইয়া যাইবার ভয়ে আমি পুটুঁর উপর মানচুধিকারের তাবু টাঙ্গানোর সিদ্ধান্ত নেই। :-?

      :-bd :-bd :-bd

  7. চাতক বলছেনঃ

    আমি আমি আমি আমরা আমরা আমরা । সকলে মিলে আমরা আমরা আর আমি একটু অন্যরকম আমরার মাজে। তাই আমিই আমি এবং আমিই আমরা।
    ভাই আপনিই আপনি আপনার সমতুল্য কেউ না আর। আপনাকে বিপ্লবী অভিবাদন।
    এইবার আপনি আর আপনার শহীদ কাদের মোল্লা (রাঃ) এক সাথে খান **ন।

    আপনার ইয়ুথ ফর পাকিস্থানের জন্য শুভ কামনা।
    ভুলে যাইয়েন না আপনার সব কিছু সকলের জানা।

    :)) :)) :)) :)) :D :D :D :D =)) =)) =))

  8. অর্ফিয়াস

    অর্ফিয়াস বলছেনঃ

    করভী, দিয়া বা ইজাজ কিংবা ইরেশের মতো কর্পোরেট প্রস্টিটিউট দের বাইরে এসে কিছু করতে চাওয়ার প্রচেষ্টা কে স্বাগত জানাই। তবে খাল থেকে উঠে আবার যেন কুয়াতে না পরেন :)>-

  9. আমাদের সমাজের মানুষগুলো ঠিক কাঁকড়ার মত… কেউ উপরে উঠলেই, সবাই মিলে তাকে টেনে নামাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে….

    ক্লাস টেনে পড়াকালীন “দুর্জয়” নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলাম… কিন্তু কাঁকড়া সমাজের কারনে তা সফল হতে পারেনি…। তবেআনন্দের বিষয় এই যে, আমার থিমটি অনুসরন করে একটি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল কলেজের নামে ফাউন্ডেশন খোলে….

    শুভকামনা রইল আমান ভাই… :)

  10. মন্তব্য করার আগে পোস্টটি ভাল করে পড়া উচিত ছিল…এই লাইনটা বাদ পরে গেছে— :(

    “”যদিও একজন ব্যক্তিগতভাবে এবং একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি ফাঁসির বিপক্ষে ছিলাম, তারপরও সংগঠনের বেশিরভাগের মতামত শাহবাগে যাওয়ার পক্ষে থাকায় আমিও সেখানে ছিলাম”

    মন্তব্য প্রত্যাহার করছি….!!!!!!!

    • প্রথমে পড়ে নিলে আর ইয়ুথ ফর পাকিস্তানের জন্য শুভকামনাখানা নষ্ট হত না। লক্ষণীয় ব্যাপারটা হচ্ছে পোস্টকর্তা খুব সুকৌশলে তার একগাদা ভ্যাজর ভ্যাজরের মাঝে শহীদ কাদের মোল্লার জন্য কান্নাকাটি করে ফেলছেন… ;-) এতে আপনার মত প্রথমে আমিও টাসকি খাইছিলাম… [-( পরে ভালমত পড়ে ঘটনা বুঝলাম… :-?

        • অংকুর বলছেনঃ

          শুধু ব্লগ লেখলেই একটা বাচ্চা ছেলে বা বাচ্চা মেয়ে ম্যাচিউরড হয়ে যায় না।

          what did you mean to say! শুনেন ভাই । পি এইচ ডি করেও অনেক বুইড়া মানুষ হতে পারেনা । আমরা হয়ত ম্যাচিউরড না । তবে মানুষ । কিছু মানুষের মত কুকুর না ।

        • অনুস্বার বলছেনঃ

          আপনি সবাইকে তুমি তুমি করে সম্বোধন করছেন কেন , জানতে পারি? @-) ছোটবেলার থেকে দেখে আসছি, সাধারণ ভব্যতাজ্ঞান অনুযায়ী অপরিচিতদের তুমি ক্রে বলার নিয়ম… :-” , সমালোচনা করার অধিকার সবারই আছে। কিন্তু আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, শহীদ কাদের মোল্লার ফাসির বিরোধিতা করায় আপনাকে মাথায় তুলে নাচতে হবে। আর যারা যারা নাচতে অস্বীকার করবেন, তারাই আপনার মতে অবারচিন… :-??

          জানতে চাচ্ছিলাম, আমিও কি অবারচিনের দলে পড়ে গেলাম? … :-?

        • ~x( ~x( আসলে, কি বলবো, অত্যন্ত ভালো মন নিয়ে ‘সভ্যতা’ইয় ব্লগিং করতে এসেছিলাম। কিন্তু, শুভ অনুভূতিগুলো আসলে এভাবেই কিছু অবারচীনের কাছে নস্ট হয়ে যায়।

          ডন, রাইন, জয়, তোমরা এখনো অনেক ছোট। তোমাদের অনেক কিছু এখনো শেখার বাকি আছে। শুধু ব্লগ লেখলেই একটা বাচ্চা ছেলে বা বাচ্চা মেয়ে ম্যাচিউরড হয়ে যায় না। তার ঊপরে যদি, তারিক লিঙ্কনের মত একজন ভাবগুরু থাকে, তাহলে তোমাদের মত টিনেজারের পক্ষে সঠিক রাস্তার খোজ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ~x( ~x(

          ভাল মন নিয়ে ‘সভ্যতা’য় ব্লগিং করতে এসেছিলেন? যতদূর জানি, আপনি কমপক্ষে ৫০ টি ব্লগের ( আপনার ভাষ্যমতে) সদস্য। এবার আপনি ভেবে দেখুন, আপনি একজন কতো উচু দরের অর্বাচীন! ডন, রাইন, জয় এরা আপনার ছোট হলে বলতেই হয় আপনিও আমার চেয়ে অনেক ছোট। আবার আমার চেয়েও বড় যে কেউ এখানে নাই তাই বা বলি কি করে? সুতরাং সামঝে………

          তারিক লিঙ্কন যে আপনাদের উপর কতটা আছর করেছে সেটা আপনার বিদ্বেষ দেখলেই বোঝা যায়, ওখানেই তারিক লিঙ্কনের সার্থকতা। টিন এজারদের জন্য আপনার এতো দরদ দেখে মনে হয় আপনাকে করুণা করা উচিত। ওদের চিন্তা শক্তিকে এতো ক্ষুদ্র আর মূল্যহীন ভাবার কারনে আপনাকেই একদিন তার মূল্য দিতে হবে!

          এখনও সময় আছে…………

          • কারে কি বলতেছেন আইজুদ্দিন ভাই… :-” এই সহজ কথাগুলোই যদি উনি বুঝতেন, তাহলে তো আর তেনার মহাপ্রাচীর বানাতেন না… >:P

          • শেহজাদ আমান বলছেনঃ

            রাসেল ভাই তো আমারে ইন্ডাইরেক্ট থ্রেট দিয়া দিলেন। কি আর করা আমি ভাই দুর্বল মানুষ! কিছুই তো করতে পারুম না আপনেরা যদি আমারে গুম বা খুন করেন। খালি আপনার নাম, আইপি এড্রেস, ঠিকান— এসব আমার প্রিচিত মানুশদের দিয়া কইলাম যে এই ঘটনা।

            অফটপিকঃ আপনার মধ্যে কিঞ্চিত বিবেক অবশিষ্ট আছে বলেই মনে করি। এখন আপনি চেষ্টা করলে নস্ট রাজনৈতিক দল ছেড়ে নতুনভাবে চিন্তা-ভাবনা করতে পারবেন, যদি আপনি চান। তাহলে, হয়তো নিয়মিত কলা-রুটি পাবেন না, কিন্তু দেশের মানুষের জন্য নিরলোভভাবে কিছু করার জন্য মনে শান্তি পাবেন।
            কাজেই, যতদিন আপনারা আমারে গুম বা খুন না করতেছেন, আপনাদের মত পাড় আওয়ামী লীগারদের নষ্ট রাজনীতি ছেড়ে সঠিক রাস্তায় আশার আহ্বান জানিয়ে যাব। para que sirve el amoxil pediatrico

            আমার কথায় মাইন্ড করলে ছুটু ভাই হিসেবে আমারে ক্ষমার দ্রিশটিতে দেইখেন…!

          • অনুস্বার বলছেনঃ

            রাসেল ভাই তো আমারে ইন্ডাইরেক্ট থ্রেট দিয়া দিলেন। কি আর করা আমি ভাই দুর্বল মানুষ! কিছুই তো করতে পারুম না আপনেরা যদি আমারে গুম বা খুন করেন। খালি আপনার নাম, আইপি এড্রেস, ঠিকান— এসব আমার প্রিচিত মানুশদের দিয়া কইলাম যে এই ঘটনা

            জমানা বদলেছে, বদলেছে থ্রেট দেওয়ার ধরনও… :-” তা স্যার আমানের কি ইচ্ছা? আইজুদ্দিনকে গুম করবেন নাকি লাশটা অন্তত ফেরত দেবেন? :-? আপনি শিক্ষক হিসেবে চমৎকার, জানেন তো? কত কিছুই না শিখলাম আপনার কাছে। সেদিন শেখালেন ভব্যতাজ্ঞান আর শেখাচ্ছেন কীভাবে সুক্ষ উপায়ে লাইফ থ্রেট দিতে হয়… ^:)^ ^:)^ ^:)^ অসাধারন… X-( X-( X-( X-(

  11. অংকুর বলছেনঃ

    আপনি মানবতা কর্মী ? মানবতা কি ? আপনাদের কাছে মানবতার সংঙ্গা কি আলাদা ?

  12. শুধু ব্লগ লেখলেই একটা বাচ্চা ছেলে বা বাচ্চা মেয়ে ম্যাচিউরড হয়ে যায় না।

    ওহ্‌ আচ্ছা বুঝলাম। আসলেই আপনি ঠিক বলেছেন।ওরা আসলেই ম্যাচিউরড নয়। আরে প্রকৃত ম্যাচিউরড তো হলেন আপনি !! তবে এটাও মনে রাখা ভালো যে নিজেকে যে জ্ঞানী ভাবে এবং সবার সামনে সেরম ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চায় সে কিন্তু আসলে জ্ঞানী নয়… আশাকরি আমি কি বোঝাতে চেয়েছি আপনি সেটা বুঝতে পেরেছেন জনাব… :-)

    তার ঊপরে যদি, তারিক লিঙ্কনের মত একজন ভাবগুরু থাকে, তাহলে তোমাদের মত টিনেজারের পক্ষে সঠিক রাস্তার খোজ পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

    তাইবুঝি 8-| মারাত্মক কথা বলেছেন তো দেখছি 8-X তা আপনার মতো কাদের মোল্লার সৈনিকের কাছে বুঝি আমরা সঠিক পথের সন্ধান পেতে পারি তাইনা ??? :-? তাহলে আর দেরী করছেন কেন মশাই দিয়ে দিন না সঠিক পথের সন্ধানটা… 8->

    about cialis tablets
    • কাদের মোল্লা মানুষ ছিলেন । আর একাত্তরে যাদেরকে মেরেছে এই কসাই কাদের তারা তো জানোয়ার ছিল । ^:)^ ^:)^ ^:)^ ^:)^ ^:)^ ^:)^

      • শেহজাদ আমান বলছেনঃ

        প্লিজ ভাই, এভাবে বলবেন না। কাদের মল্লা জানোয়ার ছিলেন ৭১-এ, এতে কোন সন্দেহ নাই। আমি কিন্তু বলি নাই যে রাজাকারদের বিচার করা যাবেনা। বিচারে যে রায় হয়, সেটা তাদের প্রাপ্য। এখানে ফাসিটা একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার না। দরকার রাজাকারদের শাস্তির রায়, আর তার সঠিক বাস্তবায়ন।
        আর মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত। শুধু আমি না, পৃথিবীতে অনেক মানুশই আছেন, যারা মৃত্যুদন্ডকে সমর্থন করে না। বিষয়টা এর চেয়ে বেশি কিছু না।

  13. ওনেক আগে থেকেই ওদের তুমি বা তুই বলে সম্মোধন করি।

    আপনার মানসিকতা, রুচি যে কতোটা নিচু সেইটা আপনার এই কথা মাধ্যমেই বোঝা যায় আমান। ব্লগ এ কে বড় কে ছোট সেইটা দেখার বিষয় না। আপনার কথার ভাবে বোঝা যায় আপনি কি যেন এমন মুরুব্বি তাই আপনি সবাইরে তুমি তুই বলার রাইট রাখেন। আরে মিয়া ছাগলামীর তো একটা শেষ আছে আপনার দেখি তারও কোন লক্ষণ নাই 8-| আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হয় না। কিন্তু আপনার এইসব ছাগলামী দেখে আর চুপ থাকতে পারি না।

  14. @শেহজাদ আমান,

    কিন্তু, যে নেতিবাচক ব্যাপারটা তাদের মধ্যে ছিল, সেটা হল এরা সবাই কমবেশি পশ্চিমা দূতাবাসগুলোর ফান্ড ও অন্য্যান্য সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে কাজ করত। আর সেই দূতাবাসগুলোও নিশ্চয় এমনি-এমনি তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করতোনা। তাদের নিশ্চয় এদের নিয়ে বড় রকমের কোন প্ল্যান রয়েছে। তাদের অনুষ্ঠানগুলোর অনেকগুলোই অনুষ্ঠিত হত অ্যামেরিকান সেন্টার বা এম্বাসিতে। এই ব্যাপারটিই আমাদের খারাপ লাগতো যে, করভী, দিয়া বা ইজাজ একদিকে আজকের তরুন সমাজের কাছে আইকনরুপে পরিগণিত হচ্ছে; অথচ এরা অন্যদিকে পাশ্চাত্য শক্তির এজেন্ট হিসেবেই যেন গড়ে উঠছে। আর এদের দ্বারা প্রভাবিত ও অনুপ্রাণিত হাজারও তরুণও কি তাহলে সেই দিকেই ধাবিত হচ্ছে —এইসব বিষয় নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত ছিলাম। আমাদের মনে হয়েছিল এদের পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদী ও সুবিধাবাদি আচরণ ও কাজকর্মের বিপরীতে এমন একটা তারুণ্যের শক্তির উপস্থিতি দরকার যারা কোন বিদেশী শক্তির দালাল হিসেবে কাজ করবেনা এবং তরুণদের মধ্যে সেসব ধ্যাণধারণাই ছড়িয়ে দেবে যা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের জন্য মঙ্গলময়ী হবে।

    আপনার নিজের লেখা আরেকটি কথা -

    আমাদের সংগঠন এবং আমি ব্যাক্তিগতভাবে কারও সাথে শত্রুতা বা বিদ্বেষে বিশ্বাসী নই। আমাদের কারও আদর্শ বা কাজকর্মের সাথে বিরোধ বা বৈপরিত্ত থাকতে পারে; কিন্তু ব্যাক্তি হিসেবে কারো প্রতি আমাদের এমন ধারণা নেই যে, তাদের ছায়া মাড়ানো যাবেনা। আমরা মনে করি, আজ কারও সাথে আমাদের হয়তো আদর্শগতভাবে নাও মিলতে পারে; কিন্তু, তারা যদি নিজেদেরকে শুধরাতে পারে, দেশ ও দশের কল্যাণের জন্য, তাহলে অবশ্যই ভবিষ্যতে তাদের সাথে একসাথে কাজও করা যেতে পারে।

    এবং উপরিউক্ত অনুচ্ছেদের বাকী অংশটুকু –

    আর আমেরিকাসহ পাশ্চাত্য দেশগুলো সম্মন্ধে শুধু নেতিবাচক ধ্যানধারণাই করিনা;

    বরং এটাও মনে করি গণতন্ত্র ও মানুষের ব্যাক্তিস্বাধীনতার চর্চায় যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশগুলো আদর্শ।

    তাই, সবার প্রতি বন্ধুত্তের হাত আমাদের বাড়ানোই রয়েছে।

    প্রথম অনুচ্ছেদে খুব স্পষ্টভাবেই ব্যক্তি এবং সাংগাঠনিক আক্রমন প্রকাশ পেয়েছে ( বোল্ড করা অংশটুকুতে ) ।
    দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আবার গাইলেন সাম্যের সুর এবং তৃতীয় অংশটুকুতে ঘুরে ফিরে সেই পা চাটার ইচ্ছাটাই প্রকাশ করলেন পাশ্চাত্যের । আরে বোকা, যে ব্যক্তি তার লেখা একটা আবেগী প্রচারনা গল্পের ছত্রে ছত্রে বলার ভাষা বদলায় এবং সুর বদলায় ক্ষণে ক্ষণে, তার তৈরি কিংবা পরিচালিত সংগঠনের আসল উদ্দেশ্য যে সমাজ গড়া সেটা বিশ্বাস করতে বলবেন না দয়া করে । বরং এটা বলুন যে – “আমরা ছলে-বলে, কলে-কৌশলে যুদ্ধাপরাধীদের পক্কপাতিত্ব করার এক মোক্ষম উপায় এবং চামে-চিকনে তা বাস্বাতবায়ন করবার এক কথিত প্রগতিশীল কর্মসূচি হাতে তুলে নিয়েছি ।”

    আর আপনাদের মতন বিশিষ্ট আবেগী যুক্তিবাদী ছাগলেরা লেখার শুরুতেই যে এরূপ ছাগলামী আর মূর্খতার পরিচয় দেবেন,তা তো স্বাভাবিক ।

    বোকারাই স্বপ্ন দেখে পৃথিবীটা সুন্দর করে সাজানোর । অপদার্থরাই যুক্তিহীন আবেগে পথ চলে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে

    আরে ছাগল, অপদার্থ তো তারেই বলে, বিন্দুমাত্র শিক্ষার আলো এবং জ্ঞানের ছোঁয়া নেই যার মাঝে । সে আবার সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে কিভাবে ? তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ তো আপনি নিজেই । তাই আপনাকে বলছি –
    বোকাদোচারাই এমন সব বিদ্বেষমূলক কথা লিখে আবার উপরে উপরে চুচিলের তকমা লাগিয়ে স্বপ্ন দেখে পৃথিবীটা সুন্দর করে সাজানোর ।
    আশা করি আবেগে ঘাস না চিবিয়ে এবং ত্যানা না পেচিয়ে যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়ে তর্ক করে যাবেন ।

    • আশা করি আবেগে ঘাস না চিবিয়ে এবং ত্যানা না পেচিয়ে যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দিয়ে তর্ক করে যাবেন ।

      :-w :-w :-w

    • শেহজাদ আমান বলছেনঃ

      ভাইয়ু, কেউ জামাত করলে তার সমালোচনা যদি করা যায়, কেউ পাশ্চাত্য শক্তির দালালী করলে তার সমালোচনা করা যাবেনা কেন? private dermatologist london accutane

      তবে, আমি কিন্তু এটা স্পষ্টতই লিখেছি যে আমরা তাদের আদর্শকেই ঘৃণা করি। ব্যক্তিগতবাভে তাদের প্রতি বিদ্বেষ না রাখারই পক্ষপাতি। কারণ, তারা যদি বর্তমানের ধনবাদি আর দালালীর আদর্শ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে, তবে তাদের সাথে ভবিষ্যতে বিবাব্দের যাওয়ার কন ইচ্ছেই তো নেই; বরং একসাথে কাজ করার আশা রাখি।

      আর পাচাটা আমাদের কাজনা। বরং, যাদের সাথে আমাদের মতবিভেদ আছে, তাদের যদি কোন ভাল গুণ থাকে, সেটা স্বীকার করাকে পাচাটা বলেনা!

      আর, আপনার কথাবার্তা উগ্র আওয়ামী লীগারদের মত মনে হচ্ছে। কারও সাথে মতের মিল না হলেই উগ্র আওয়ামী লীগাররা ছাগু, জামাত, সুশীল ইত্যাদি টাইটেল দিয়ে দেয়। আওয়ামী লীগাররা ভয় পায় যে কোন নতুন শক্তির উত্থানকে। কোন নতুন শক্তির উত্থানের সম্ভাবনা দেখলে তাদের হিস্টেরিয়া হয়। ছলে-বলে-কোশলে তাকে দমানোর জন্য এমন নিচে নাই, যেখানে তারা নামতে পারেনা।

      • মেসেঞ্জার সাহেবের জন্য দুঃখ লাগতেছে। বেচারা আপনার জন্য তেনাবিদরে না চিনেই আপনাকে লাইনে আসার আহ্বান জানাইছিলেন… #-o মাফ করে দেন ভাই উনাকে… যেমনে তেনা পেচাইতেছেন, একটু পর পুরা বাংলাদেশই আপনার তেনার মধ্যে হারায়া যাবে… :-? #:-S missed several doses of synthroid

      • হ এ কারনেই তো তুই মানবতা চুদাইতে গিয়া যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির বিপক্ষে যাস । ঐ হালার পাকির পুটু চাটা দালাল, মানবতাবিরোধীর ফাঁসির বিপক্ষে থাকলে তুই মানবতাবাদী কর্মী ক্যামনে হস রে !

        তোরে উচিত কি জানস ? শুয়োরের পুটু চাটানো তারপর বনে নিয়া উলংগ ছাইরা আসা । বান্দরও তোরডা ধইরা হাসবো । আর তুইও বান্দরেরডা ধইরা হাসবি হালা মাদার্চুদ ।

        • @ পাছা শেহজাদ,

          এক কাজ করিস তো । তুই তো আবার ফেসবুকে তোর লেখা বিভিন্ন ব্লগের লেখাগুলো শেয়ার করে ডায়লগ ঝারস – আমার লেখা অমুক ব্লগে তমুক শিরোনামে এত দিন ধরে পাঠক পছন্দের শীর্ষে ছিল ।

          এইবার এক কাজ করিস । এই ব্লগের লেখাটা ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার দিয়ে লিখিস – সভ্যতা ব্লগে আমার এই লেখাটা পুস্টাইতে না পুস্টাইতেই পাছা সেট করে দিছে ।

          হালার পাছা শেহজাদ । [ পাছা - পাকিস্তানি ছাগল ]

  15. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    আপনার পোস্টটি প্রথমে পরে যাচ্ছিলাম প্রথম খটকা লাগলো যখন বললেন বিদেশি এম্বাসি সাহায্য করছে তাদের নিশ্চয় তাদের কোন উদ্দেশ্য আছে। তাহলে আপনারা একাজ করছেন আপনার উদ্দেশ্য কি? প্রশ্নটি কি অমূলক।

    এর পর গণজাগরণ মঞ্চের ইমরান লাকি ছেলিব্রেটি হতে সেখানে যায় নি। নিজের জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য গিয়েছে। আপনি নিজের আদর্শের সাথে বিশ্বাস ঘতকতা করে কেন গেলেন? ক্যমেরায় আসার জন্য?

    আওয়ামিলিগ কর্মীর আধিক্য? আপনি কি যুদ্ধাপরাধির দল জামাত শিবিরের আধিক্য কামনা করছিলেন? আওয়ামিলীগের কর্মিরা কি রাজাকারের ফাঁসি চাইতে পারে না?

  16. @ পাছা,

    আমার কেন যেন মনে হইতেছে আপনি তারিক লিঙ্কন ভাই!

    আরে তুই তো ছাগলের ১৩ নাম্বার বাচ্চা । =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =))

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.