সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ইহা একটি এপিক নির্বাচন!!!

279 efek samping minum obat viagra

বার পঠিত

ঘটনা সেই উনিশও ভুরভুরা সালের। শহরের সেক্রেড হার্ট স্কুল ছেড়ে এলাকার হাই স্কুলে ষষ্ট শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছি। শহুরে হওয়ায় ক্লাসের অধিকাংশ পলাপাইন প্রথম দিকে আমাকে খুব একটা পছন্দ করতনা। কিন্তু আমি চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলাম। ক্লাসের সব থেকে পাওয়ারফুল পোলা ছিল অর্ণব বসু। সে এলাকার পোলা, স্কুলের পাচিল টপকাইলে ওর বাড়ি। সবাই তাকে চিনে। সে ক্লাসে ঢুকলেই হই হই পড়ে যায়। আমি ওরে দেখে মজা পাইতাম। সব সময় প্রথম বেঞ্চে ওর শিট বুকিং করা থাকতো।
এদিকে আমি ব্যাক বেঞ্চার ধীরে ধীরে সামনের সিটে বসার বদ অভ্যাস করলাম। ওর সাথে কথা বলা শুরু করলাম। আস্তে আস্তে বুঝলাম পোলা তো পুরা আগুনের গোলা!! ভালো লেগে গেল ওকে । :|

যাই হউক ক্লাস শুরু হওয়ার ১- ২ সপ্তাহের মাথায় নারায়ন স্যার এসে ঘোষণা দিল যে এই ক্লাস থেকে একজন ক্যাপ্টেন নির্বাচন করা হবে। সাথে সাথে ক্লাসে দুই গ্রুপ ভাগ হয়ে গেল। আমি তখন ও বুঝিনাই কি চলছে। হটাৎ করে শেখ, ফয়সাল, মুকুল ও সাইদুর আমার কাছে আসলো এবং আমাকে এই দায়িত্ব নেবার জন্য বলল। কিন্তু আমি তো ধরে নিয়েছি এই গুরু দায়িত্ব একমাত্র অর্ণবকেই মানায়। তারপরও নিজের চাপা ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে দাঁড়িয়ে গেলাম। ওদিকে অর্ণব ও ওর গ্রুপ দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেল।  :এতো হাসি আমি কই রাখুম: turisanda cataloghi cipro

এদিকে আমি তো শিউর যে অর্ণব জিতবে। সুতরাং কোন রকম রেশা রেশিতে না গিয়ে খুব বন্ধু সুলভ ভাবেই ওকে বললাম, চিন্তা করোনা আমি নিজেও তোমাকে ভোট দিব। ও আমাকে অবাক করে বলল, আমিও তোমাকে ভোট দিব। আহা কি মধুর সে বন্ধুত্ব।  :দেবদূত:

যাই হউক স্যার সবাইকে একটা ছোট কাগজে তাদের পছন্দের প্রার্থীর নাম লিখে সুন্দর করে ভাজ করে টেবিলের উপর জমা দিতে বলল। আমি তখন সবার মুখের দিকে একবার করে তাকানোর চেষ্টা করলাম, খেয়াল করলাম সবাই মুহূর্তে খুব গভীর একটা চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেল। যেটা দেখে আমার ঠোঁটের কোনায় হাসি খেলা করে করে গেল। মনে হোল, এরা এই মুহূর্তে জীবনের সব থেকে কঠিন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে যাচ্ছে!! হয়তবা সেই শৈশবে ওইটাই ছিলও অনেক বড় সিদ্ধান্ত। 

যাই হউক আমি সুন্দর করে একটা চারকোনা ছোট আকারের একটি কাগজ ছিঁড়ে তাতে সুন্দর গোটা গোটা অক্ষরে লিখলাম, “অর্ণব বসু” । এইবার মেয়েদের সাইটে চোখ দিলাম। প্রায় ১৮ জন মেয়ে ছিল আমাদের ক্লাসে। সবাই দেখি একজন আর একজনের দিকে খুব রহস্যময় চোখে চাহনি দিচ্ছে!! কিন্তু কিছু বুঝলাম্না। এখন বুঝি কেন সেদিন কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। কেননা ফ্রয়েড রিসার্চ চালিয়ে ৩০ বছরেও যেখানে মেয়েদের বুঝিনাই সেখানে আমি পিচ্চি ভাল সহজ সরল পোলা ১৮ টা মেয়েকে কিভাবে বুঝব?  [-X

নির্দিষ্ট সময় শেষে সবাই এক এক করে তাদের সেই মূল্যবান ব্যালট পেপারটি টেবিলে জমা দিতে লাগলো। আমি যেমন অর্ণবকে ভোট দিয়েছিলাম ঠিক তেমনি অর্ণব ও আমাকে ভোট দিয়েছিল। কেননা দুইজন দুইজনার কাগজ দেখেছিলাম। এক পর্যায়ে সবাই যে যার মত পেপার জমা দিয়ে গেল। ছেলেরা এক সাইডে আর মেয়েরা অন্য সাইডে।

সমগ্র ক্লাসে টান টান উত্তেজনা। পাশের ক্লাস থেকে সপ্তম শ্রেণীর ময় মুরব্বী রা উঁকি ঝুঁকি মারছে। এখন গণনার কাজ শুরু হবে, গণনার কাজে সাহায্যের জন্য ডেকে নেয়া হোল পিচ্চি অনুপম কে। প্রথমে মেয়েদের সাইট থেকে গোনা শুরু হোল। একটা করে কাগজ খোলে আর এক সাইডে রাখে আর অনুপম মিট মিট করে হাসে । খুব একটা ভাবান্তর আমার হোল না। খিচ ধরে পড়ে থাকলাম। এবার ছেলেদের টা গোনা শুরু হোল। যে সাইডে মেয়েদের টা পড়েছিল তার অপর সাইডে এইবার ব্যালট পেপার জমা হতে থাকলো। এবং ১ টি কি ২ টি পেপার বাদে ছেলেদের বাকি ৩৯ টি পেপার ঐ সাইডে জমা পড়লো। তখন তো দুইজনের ভিতরই চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুইজনই পাশাপাশি একই সিটে খিচ ধরে বসে আছি।  :-??

এদিকে স্যার ও নির্বাচনের এহেন পরিস্থিতিতে কিছুটা অবাকই হোল। এবং ক্লাসের ভবিষ্যৎ প্রতিনিধি নিয়ে কিছুটা চিন্তায় যে তিনি পড়েছিলেন সেটা আমি হরফ করে বলতে পারি। কিছু করতেও পারছেন না কেননা নির্বাচন সকল বিধি নিষেধ মেনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে।  :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি:

কেননা এই ভোট একটি ক্লাসের মান সম্মানের ব্যাপার। এবং নারায়ন স্যার ছিলেন এই সদ্দ হাই স্কুলে পা দেয়া লাউয়ের ডগার মত কচি মনের ৫৮ টি শিশুর ক্লাস শিক্ষক। চিন্তা তার হবে ছাড়া আর কার হবে!! কারন ফলাফল অনুযায়ী এমনি একজন প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে যাকে ক্লাসের ১৮ টি মেয়ের কেউই ভোট দেয় নি !!!   

পুনশ্চঃ কবিতায় পড়েছি, “পৃথিবীর যা কিছু মঙ্গল চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার গড়িয়াছে নারী অর্ধেক তার নর” …… কথাটা এখন মনে প্রানে বিশ্বাস করি। তখন করতাম নাহ। মুদ্দা কথা বুঝতাম ই নাহ। কচি কচ কচ করা সরল মনে এতটাই দাগ কেটেছিল যে তারপর ৫ বছর আমি ঐ স্কুলে ছিলাম। এবং এই ৫ টি বছর ঐ ১৮ জনের মেয়ে জাত টাকে এতটাই ডমিন্যান্ট করেছি যে, ভয়ে আমার সামনে এসে কথা বলত না!! এবং যত টুকু মনে পড়ে, ক্লাস টেনের একেবারে শেষের দিকে গিয়ে কয়েকটার সাথে কথা বলতাম তাও অনেক ফর্মাল।  যাই হোক খুব জেদি এই তৎকালীন হাই স্কুল জীবনে ৫ বছর রাজত্ব করা ক্যাপ্টেন!! আর সেই ৫ বছর ছিলও আমার ও আমার আশেপাশের মানুষের জীবনের স্বর্ণযুগ!!! অবশ্যই এর পিছনে ছিল অনেক স্যার, ম্যাডাম, বন্ধু বড় ভাইয়ের অবদান!! অনেক বেশী ভালোবাসি এই মানুষ গুলোকে!!!!  :গোলাপ নিন: :দেবদূত: :x sildenafil basics 100 mg filmtabletten

You may also like...

  1. চাতক বলছেনঃ

    ইয়াং ক্যাপ্টেন। ইউ ডিড জাস্ট মোস্ট অব দ্যা বাঙালী স্টুডেন্ট ডু। নস্টালজিক আপনার পোস্ট। ভাল লাগলো। নিজের চোখেই শৈশবকে ফিরে পেয়ে ভাল লাগলো!!
    :প্লিজ, টেল মি মোর: :প্লিজ, টেল মি মোর: :প্লিজ, টেল মি মোর: %%- %%- %%- %%-

  2. cialis online pharmacy forum
  3. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    ছোট্ট বেলার সে কথা… সব মনে করিয়ে দিলেন! কি দিন ছিল আহাঃ খুব খারপ মানুষ আপনি!
    :x :x =(( =(( =(( :কস কি মমিন?: :কস কি মমিন?: :কস কি মমিন?:

  4. অংকুর বলছেনঃ

    অনেক সুন্দর লিখেছেন ভাই । =D> =D> =D> :-bd :-bd :-bd

প্রতিমন্তব্যঅংকুর বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

diflucan one time dose yeast infection

viagra generico prezzo farmacia

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong> prednisone side effects in dogs long term

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.