রায় পরিবারের শত বর্ষের ইতিহাস – [ আমার মা চিত্রা রায়ের জবানীতে)

382 missed several doses of synthroid

বার পঠিত

আমাদের এই রায় পরিবারের ইতিহাস লিখতে গেলে হয়তো কয়েক শত বছর পিছনে চলে যেতে হবে । এর উৎস কোথায় , কবে কিভাবে এখানে এই রায় পরিবার জন্মগ্রহন করেছিলো তার ইতিহাস হয়তো বা কয়েক শতকের । কিন্তু শত বর্ষের ইতিহাস মাত্র দুটো পুরুষেই সীমাবদ্ধ থাকছে।

আমার পিতামহ স্বর্গীয় শ্রী বিপীন চন্দ্র রায় ১৮৭২ সালে ময়মনসিংহ জেলার লামকাইনে জন্ম গ্রহন করেন । তাঁর পিতার নাম ছিলো শ্রী মুক্তারাম রায় । মুক্তারাম রায় তার পিতা মাতার এক মাত্র সন্তান হলেও তাঁর ঘরে ছিলো পাঁচ সন্তান । দুই পুত্র গিরীশ চন্দ্র রায় ও বিপীন চন্দ্র রায় এবং তিন কন্যা । গিরীশ চন্দ্র রায় তার পিতা মাতার প্রথম পুত্র হলেও সংসার জীবনে অবৈষয়িক এবং বাল্যকাল থেকেই গান বাজনা নিয়েই বেশি মেতে থাকতেন । অপরদিকে বিপীন রায় ছিলেন যেমন বৈষয়িক তেমনি বুদ্ধিমান ও বিচক্ষন । তৎকালীন সমাজে গ্রামীন লোক দের মধ্যে লেখা পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছিলো না । তাই পারিবারিক আর্থিক স্বচ্ছলতা থাকা সত্বেও বিপীন রায় ছাত্র বৃত্তি পাশ করার পরে অধিক পড়াশুনায় তাকে নিরুতসাহিত করা হয় । কিন্তু পড়াশুনার প্রতি অনুরাগ ইংরেজি শেখার অদম্য আগ্রহ তাঁকে কোন প্রতিকুল অবস্থায় ও পড়াশুনা থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি । লামকাইন গ্রাম থেকে তিন মেইল দূরে এক পোস্ট মাস্টার থাকতেন । বিপীন রায় প্রতিদিন বিকেল বেলায় তাঁর কাছে যেতেন ইংরেজি শিখতে । সেখানে রাত্রি যাপন করে ইংরেজি পড়তেন । অবশেষে ১৮৯৬ সালে ময়মনসিংহ সিটি স্কুল থেকে তিনি এন্ট্রানস পাশ করেন । এখানে উল্লেখ্য যে সিটি স্কুলের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মহোদয় তাঁর গৃহ শিক্ষক ছিলেন । ১৮৯৮ সালে বিপীন রায় কোলকাতার এক কলেজ থেকে এফ এ পাশ করেন আর সেই কলেজেই বি এ ভর্তি হন ।কিন্তু ১৮৯৯ সালে কোলকাতায় মহামারী রূপে প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটে । এতে প্রচুর লোক মৃত্যু বরন করেন । তাই সেখান থেকে এসে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে বি এ পরীক্ষা দেন।

ময়মনসিংহ সিটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে তিনি তার চাকুরী জীবন শুরু করেন এবং দীর্ঘ ১২ বৎসর এখানে শিক্ষকতা করেন । তাঁর শিক্ষক জীবনের প্রিয় ছাত্র ছিলেন ভারতের খ্যাতনামা সাহিত্যিক ঐতিহাসিক এবং সমালোচক ডঃ নীহার রঞ্জন রায় । তার নামানুসারেই আমার পিতার নাম নীহার রঞ্জন রায় রাখেন ।

১৯১২ সনে তিনি ঢাকা জেলার মনোহরদী থানায় বিবাহ করেন । বিয়ের এক মজার ঘটনা প্রচলিত আছে । কথিত আছে যে শ্রী বিপীন রায় অধিক বয়সে বিবাহ করবেন বলে মেয়ের বাড়ীতে যেয়ে বিয়ে করবেন না । ছেলের বাড়িতে বিয়ে হবে । কন্যা যাত্রীরা সকলে দাবী করলেন যে তাঁরা হাতীতে চড়ে বরের বাড়ি আসবেন । তাই বাধ্য হয়েই পাশের গ্রামের জমিদার বাবুর কাছ থেকে হাতি চেয়ে নিয়ে কন্যা যাত্রীদের আসার ব্যবস্থা করা হয় । বাড়ির কাছাকাছি আসলে পরপর কয়েকটা বাজী ফোটাবার প্রচন্ড শব্দে হাতী সয়ারীদের নিয়েই দ্রুত গতিতে পেছনে দৌড়াতে থাকলে কন্যা যাত্রীদের অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হন কেউ কেউ গাছের ডালে ঝুলে আত্মরক্ষা করেন । পরে বিপীন রায়ের ভগ্নিপতি যিনি জমিদার বাবুর প্রিয় বন্ধু ছিলেন তিনি সাইকেল নিয়ে হাতী নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন । যাই হোক বিয়ের পরে সংসারের পুরো দায়িত্ব তার উপর এসে পড়ায় ময়মনসিংহ সিটি স্কুলের শিক্ষকতা বাদ দিতে বাধ্য হন ।

তখনকার দিনে গ্রামবাসীদের লেখাপড়ার প্রবনতা মোটেও ছিলো না । প্রায়ি ছিল নিরক্ষর । এই নিরক্ষর মূর্খ গ্রাম বাসীদের সন্তান দের লেখা পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য পাশের গ্রামের এক ধনী লোকের সহযোগীতায় তিনি একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন । বিদ্যালয়ের নাম ছিলো কান্দিপাড়া আসকর আলী সরকার ইংরেজী উচ্চ বিদ্যালয় । দীর্ঘ দিন এই স্কুলে শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি নিরক্ষরতা দূরীকরনের চেষ্টায় ব্রতী হন এবং শিক্ষার আলো দিয়ে এলাকাবাসীর অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করেন । এখানে উল্লেখ্য যে তখন এই এলাকায় আশে পাশের কয়েক মাইলের মধ্যে তিনি ই ছিলেন ইংরেজি জানা শিক্ষক লোক । তাই এলাকাবাসীর লেখা পড়া সংক্রান্ত অনেক কাক তাঁকে করে দিতে হত ।

পুরুষ শাসিত পরিবারে তিনি ছিলেন কর্তা । সন্তান সংখ্যা ছিলো ৯ জন । ৪ ছেলে ৫ মেয়ের পরিবারের অভ্যন্তরে কর্তৃত্ব করতেন তাঁ বাল্য বিধবা এক বোন । নাম ছিলো কাদম্বীনী দেবী । তিনিই ছেলে মেয়েদের দেখাশুনা থেকে সব কিছু করতেন । মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত সিন্দুকের চাবি তাঁর কাছেই ছিলো ।

আমার পিতামহ বিপীন রায়ের জন্মের পূরব থেকেই রায় পরিবারের সচ্ছলতা ওই এলাকায় বিশেষ স্থানের অধিকারী ছিলো । এলাকাটি ছিলো ভাওয়ালের রাজার জমিদারীর অন্তর্গত । চাষ যোগ্য জমি তো প্রচুর ছিলোই । তার উপর ততকালীন সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থায় গ্রামের কৃষক দের মধ্যে সুদে টাকা লগ্নি দেয়াও আয়ের উৎস ছিলো । গ্রাম টি ছিলো দক্ষিন লামকাইন ও উত্তর লামকাইন এই দুই অংশে বিভক্ত । স্বাভাবিক কারনে সমাজ ও ছিলো দুইটি । এর মধ্যে সক্ষিন লামকাইনের সমাজপতি ছিলেন বিপীন রায় । ভাওয়ালের রাজকুমারের মৃত্যু সম্পর্কিত চাঞ্চল্যকর বিখাত মামলা পরিচালনার জন্য টাকার প্রয়োজন হলে রাজার তিন বোন জ্যোতির্ময়ী , কৃপাময়ী কিরনময়ী উক্ত এলাকার একটি তালুক বিক্রি করলে শ্রী বিপীন রায় তৎকালীন ২৬ হাজার টাকা দিয়ে তালুক ক্রয় করেন । এক মহা আড়ম্বর পূর্ণ অনুষ্ঠানের মাআধ্যমে তা দখল করা হয় ।

১৯৩৫ / ৩৬ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধান মন্তী জনাব ফজলুল হক সাহেব ঋন শালিষী বোর্ড গঠন করলে লগ্নির প্রায় ২ লক্ষ টাকা অনাদায়ো থেকে যায় । এই শোকেই বিপীন রায় অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়েন । ১৯৪৩ সালে তিনি মৃত্যু বরন করেন । তাঁর স্ত্রী আজো বেঁচে আছেন ।

 

আমার পিতার নাম আগেই উল্লেখ করেছি শ্রী নীহার রঞ্জন রায় । তিনি ১৯২০ সালে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার অন্তর্গত লামকাইন গ্রামের রায় পরিবারে তৎকালে জন্ম গ্রহন করেন । ৯ ভাই বোনের মধ্যে নীহার রায় দ্বিতীয় । বাড়ীতেই তিনি তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেন । পরে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে চতুর্থ শ্রেনীতে ভর্তি হন । ছাত্র জীবনে তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন বলে অতি সহজেই শিক্ষক দের মনোযোগ আকর্ষণ করেন । নির্ধারিত বছর অসুস্থতার জন্য ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিতে না পারলেও পরবর্তী বৎসর ১৯৩৮ সনে দুইটি বিষয়ে লেটার মার্ক সহ কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন । এরপর তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকা গমন করেন এবং জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন । ১৯৪০ সালে তিনি প্রথম বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । উচ্চতর শিক্ষার আশা নিয়ে তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক শ্রেনীতে ভর্তি হন । ১৯৪২ সালে সাবসিডিয়ারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । ১৯৪৩ সালে স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবার কথা । কিন্তু তখন সারা দেশে ভারত বর্ষে ইংরেজদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠেছে । ১৯৪২ সনে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ” ভারত ছাড়” আন্দোলনের মহা বিক্ষোভের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষনা করা হয় এবং স্বাভাবিক কারনেই পরীক্ষাও অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে যায় ।

ইতিমধ্যে ১৯৪৩ সনে তদানীন্তন রাজকীয় ভারতীয় বিমান বাহিনীতে অপারেটর হিসাবে প্রশিক্ষন নিয়ে তিনি উড়িষ্যার বালেশ্বর জেলার অন্তর্গত চন্ডীপুর নামক স্থানে ৫৯০ নং এ এস ই দায়িত্ব প্রাপ্ত হন । এখানে তিনি দক্ষতার সাথে দীর্ঘ ১৪ মাস দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৪৪ সালের শেষের দিকে রামু ও কক্সবাজার বদলী হন । এখানে দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা কালীন সময়ে তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন । ১৯৪৪ সালে তিনি দুইটি জাপানী বোমারু বিমান ভূ মধ্য সাগরে ভূ পতিত করে কর্তৃপক্ষের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই ১৯৪৩ সালে তাঁর পিতৃ বিয়োগ ঘটে । এতো বড় শোক ও তাঁকে কর্তব্য কর্ম থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি । এখান থেকে বদলী হয়ে বোম্বের বেলগাঁ জেলায় এবং ১৯৪৫ সালে নতুন দীল্লি তে বদলি হন । ১৯৪৬ সালে যুদ্ধ শেষ হলে স্বেচ্ছায় চাকুরী থেকে অবসর নেন ।

১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তদানীন্তন বেসামরিক সরবরাহ বিভাগে চাকুরী লাভ করেন । দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি এই বিভাগে চাকুরী করেন । ১৯৫০ সালে ব্যপক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরে এদেশ থেকে অনেক হিন্দু পরিবার ভারতে চলে যায় । আমাদের পরিবারে এক মাত্র আমার পিতা ছাড়া সকলে ভারতে চলে যায় । ফলে আমার পিতা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন । চাকুরী জীবনে তিনি নানা আয়গা ঘুরে বেরিয়েছেন । ১৯৫২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার বাইমহাটী গ্রামে ততকালীন কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা স্বর্গীয় জগদীশ মিত্রের জ্যেষ্ঠা কন্যার সাথে পরিনয় সূত্রে আবদ্ধ হন । চাকুরী জীবনের অস্থায়ী বাস পিতৃ ভিটায় আত্মীয় স্বজন হীন অবস্থায় ১৯৬৭ সালে তিনি বাইমহাটী গ্রামে একটি বাড়ি করেন । তার পর থেকে আমরা বাইমহাটির বাসিন্দা ।

 

১৯৬৩ সনের আগস্ট মাসে তৎকালীন ই পি সি এস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার বান্দরবান থানার সার্কেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন । দীর্ঘদিনের অবহেলিত এবং অধিকারবঞ্চিত এই এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালান এবং উপজাতীয় এলাকাবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের অন্বেষায় আত্মনিয়গ করেন । তাঁর প্রচেষ্টায় প্রথম সেখানে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মসূচী গৃহীত হয় এবং সরকারের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয় । দীর্ঘ ছয় বৎসর ওখানে চাকুরীরত থাকার পর নিজ চেষ্টায় ১৯৫৯ সনে তিনি বরিশাল  জেলার মূলাদী থানায় বদলী হন ।

তিনি চাকুরী জীবনে তাঁর সততা কর্তব্য নিষ্ঠা এবং অত্যন্ত দায়িত্বশীল সরকারী কর্মচারী হিসাবে যথেষত সুনাম কুড়িয়েছেন । ১৯৭০ সনে সর্বনাশা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে ভোলা মহকুমার তজুমুদ্দিন থানায় বদলি হন । এখানে এসে তিনি তিনটি থানার সার্কেল অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন । নিজের সততা , দৃঢ় মনোবল কর্তব্য নিষ্ঠা এবং সরবোপরি মানুষের প্রতি ভালবাসার দ্বারা উদ্দীপ্ত হৃদয় নিয়ে আশ্রয় হারা সম্পদ হারা স্বজন হারাদের মহা শ্বশানে দাঁড়িয়ে তাদের মাঝে আবার প্রানের সঞ্চার করেন । হতাশা গ্রস্ত মানুষের মাঝে কর্মের স্পৃহা সৃষ্টি করেন । তার প্রচেষ্টায় অনুন্নত এই এলাকার প্রভুত উন্নতি সাধিত হয় । ১৯৭১ সনের স্বাধীনতা যুদ্ধেও মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সাহায্য ও সহযোগীতা করে পাক বাহিনীর হাতে নিগৃহীত হয়েছেন । দীর্ঘ ৯ বৎসর তিনি এখানে দায়িত্ব পালন করার পর ১৯৭৯ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে খুলনা বদলী হন । ১৯৮০ সনে জামালপুর এবং জামালপুর থেকেই চাকুরীর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার দরুন ১৯৮০ সনের ৩১ ডিসেম্বর থেকে তিনি অবসর গ্রহন করবেন ।

 

উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে অনেক চড়াই উতড়াই পেড়িয়ে ইতিহাসের আঁকা বাঁকা পথে রায় পরিবার আজ অনেক দূরে সরে এসেছে । রায় পরিবারের অনেকেই ময়মন্সিং এর লামকাইন গ্রমের সেই রায় পরিবারের বাস্তুভিটা দেখেনি । কিন্তু তার ঐতিহ্য তার আভিজাত্যের ইতিহাস উনবিংশ শতাব্দীর অথবা তারো আগের সেই রায় পরিবার আমাদের অনুপ্রেরনার উৎস হয়ে থাকবে ।

 

এই লেখাটি আমার মা ৮০ এর দশকে  বি এড পড়ার সময় লিখেছেন । বর্তমানে আমার দাদু বেঁচে নেই । তিনি আমার ছোট বেলার চিঠি লেখার মানুষ ছিলেন । তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই ।

 

 

  doctorate of pharmacy online

 

 

 

You may also like...

  1. খুব চমৎকার লাগলো লেখাটা… :গোলাপ নিন: %%- চালিয়ে যান আপু… :-bd :-bd viagra en uk

  2. চাতক পাখি বলছেনঃ

    :-bd :-bd :-bd :-bd
    ভাল লাগল আপনার প্রাঞ্জল ভাষার এই বর্ণনা। আর স্যালুট আপনার দাদু এবং মা’কে
    :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু:

  3. সত্যিই চমকপ্রদ। :দে দে তালি: :দে দে তালি: :দে দে তালি: about cialis tablets

    viagra in india medical stores
  4. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    আগেই পড়েছিলাম মন্তব্য করা হয় নি। সত্যিই প্রেরণাদায়ক…
    ভাল লাগল পড়ে :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি:

  5. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    ভাল লাগলো দিদি… :জয় গুরু: :জয় গুরু: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: private dermatologist london accutane

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.

side effects of quitting prednisone cold turkey
puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec