বৃষ্টির দিনের শেষ কদম ফুল (ডাইন ১)

679

বার পঠিত

এইবার কিছুটা বিরক্তি লাগছে। মহা এক শক্তিধরের পাল্লায় পড়েছি। শক্তিধরের নামটা খুব শক্ত। এর চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর তার ধ্বংসযজ্ঞ। কিন্তু আমিও কম যাচ্ছিনা। পথ ঘাট, গাড়ি বাড়ি সব উড়িয়ে দিচ্ছি সমানে। কিন্তু থামানো যাচ্ছেনা দুষ্টুটাকে। একসময় দুষ্টুটা আমাকে জাপটে ধরলো। ধরেই এক আছাড়! আমি আছাড়ের তোড়ে পৃথিবীর পরিধি ছাড়িয়ে কেন্দ্রের দিকে ঢুকে গেলাম। কিন্তু আমিও কম না। চেস্টা করছি প্রতিকণা মার শতগুন বর্ধিত করে দুষ্টুটাকে কাবু করতে। প্রায় একঘন্টা ধরেই চেস্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু লাভে খাতায় শূন্য। তবে আমার একটা প্লাস পয়েন্ট আছে। আমি মরে গেলেও আবার বেঁচে উঠতে পারি। কিন্তু দুষ্টুটার এই ক্ষমতা নেই। সে একবার মরে গেলেই শেষ!

রবিনের মোবাইলটা বারবার কেঁপে উঠছে প্রচন্ড শিহরণে। কিন্তু রবিন আজ ফোনটা ধরছেনা। তাকে নেশা পেয়েছে। একসময় বিরক্তি নিয়েই ফোনটা রিসিভ করলো রবিন। বললো,
-সমস্যা কি?
-কই? সমস্যা নেই তো! এমন করে কথা বলছো কেন?
-তো কেমন করে কথা বলতে হবে?
-আজ কলেজ যাওনি?
-না। কেন? কোনো কাজ আছে।
-পায়েল নাকি মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।
-হুঁ।
-আচ্ছা, আমি ফোন রাখছি।

একটা গালি দিয়ে ফোনটা রেখে দিলো রবিন। ফোন করেছিলো ডাইন। সকাইল্যার হাটে মাছ বিক্রয় করতো ডাইন। গ্রামে পঞ্চায়েত ডেকে ডাইনের বিচার করা হয়। তালুকদার বংশের শিক্ষিত ভদ্রলোক রবিন। ডাইনকে নিয়ে এসেছে সে অন্য এক শহরে। এই শহরে অনেক মাছ পাওয়া যায়। রবিন আর ডাইন দুইজনে মিলে কাঁচা মাছ খায়। দাঁতের ফাঁকে আঁটকে যায় কাঁচা মাছের টুকরো। সুস্থ সুন্দর দাঁতের জন্য প্রতিদিন দুইবার করে ব্রাশ করতে হয়। উপর থেকে নিচে, নিচে থেকে উপরে।

উপর থেকে নিচে, নিচে থেকে উপরে। চেস্টার কোনো ত্রুটি রাখছিনা আমি। কিন্তু দুষ্টুটাকে কেন যে কাবু করতে পারছিনা! একসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমার কিছু ক্ষমতা এলো। দুই হাতে যেন অসুরের শক্তি চলে এসেছে। দুষ্টুটার বিশাল মুখ বরাবর ঘুষি মেরে বসলাম। সে উড়ে চলে গেল অনেক দূরে। সেখানে আছাড় খেয়ে পড়লো। তার চোখ থেকে বেরিয়ে এলো গরম উত্তপ্ত লাভা। লাভা গুলো এইবার আমার দিকে তেড়ে আসছে। আমি পালিয়ে বাঁচতে চাইছি। লাফ দিয়ে শূন্যে ভাসছি, আবার সুপারসনিকের মত উড়ে যাচ্ছি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। কিন্তু লাভা গুলো আমার পিছু ছাড়ছে না। মহা যন্ত্রনা। কি করবো কিছু বুঝে উঠতে পারছিনা। হঠাৎ করেই আমি অনুভূতিশূন্য হয়ে গেলাম। বুঝতে পারলাম। আজকের দিনের মত লড়াই এখানেই সমাপ্ত।

উঠে দাঁড়ালো রবিন। নেশাগ্রস্তের মত ঢুলুঢুলু চোখে। ফ্রিজের কাছে গেল ধীর পায়ে। ফ্রিজ খুলে দেখলো ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। কালচে হয়ে গেছে রক্ত। আজ আর ফ্রিজে কোনো মাছ নেই। পায়েল নাকি মাথা ঘুরে পড়ে গেছে এটা শুনার পর রবিনের উচিত ছিলো সাথে সাথেই পায়েলের খবর নেয়া। দেরী হয়ে গেছে। ঝটপট রেডি হয়ে রবিন ছুটতে লাগলো কলেজের দিকে। নেশার ঘোর কাটতেই রবিন অনুভব করলো করুণ আর্তনাদ। “পায়েল মাথা ঘুরে পড়ে গেছে!” রবিন একপ্রকার হিস্টিরিয়াগ্রস্ত রোগীর মত চিৎকার করে ছুটতে লাগলো। রাস্তায় প্রচন্ড ট্রাফিক জ্যাম। তার ইচ্ছে করছে উড়ে যেতে পায়েলের কাছে। কিন্তু সে তো আমার মত শক্তিশালী নয়। তাই পারছেনা। প্রকৃতি তার শক্তিকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে। অগত্যা রবিন জ্যাম ঠেলে এগুতে লাগলো কলেজের দিকে।

অনেকদিন পর ডাইন সকাইল্যার হাট থেকে তাজা মাছ কিনে এনেছে। যদিও রবিন বারবার নিষেধ করেছে সকাইল্যার হাটে না যাওয়ার জন্য। কারন ঐ এলাকায় মানুষ আর জন্তুরা যেন একই বিন্দুতে এসে মিশেছে। ডাইনরা গোপনে মানুষের রক্ত চুষে নেয়, কিন্তু মানুষ নিজেদের রক্ত নিজেরা ঝরায়; জানোয়ার নিজেদের রক্ত নিজেরা চাটে। ডাইন চিৎকার করে জিজ্ঞেস করলো, “রবিন ঘরে আছো?” রবিনের চিরচেনা কণ্ঠস্বরের অনুপস্থিতি ডাইনকে উত্তর দিলো, “রবিন ঘরে নেই”। তাহলে কোথায় গেছে রবিন? পায়েলের কাছে? না তো! পায়েলের খবর যখন ডাইন রবিনকে দিয়েছিলো তখন রবিন সেটাকে বরাবরের মতই গুরুত্ব দেয়নি। ডাইন মিছেমিছিই রবিনকে সন্দেহ করে। রবিন ডাইনের সাথে যতই খারাপ ব্যবহার করুক, রবিনের সুগঠিত হৃৎপিন্ডের অলিন্দ-নিলয়ে কেবল ডাইনের প্রতিধ্বনি। এসব কথা নিজের মনে মনে ভেবে নেয় ডাইন। লাল রঙের ব্যাগ থেকে একটা তাজা মাছ বের করে। খাওয়া শুরু করে সে। একটা…দুইটা…তিনটা…চারটা…

একটা…দুইটা…তিনটা…চারটা!!! পায়েলের ডান চোখের কিছুটা উপরে চার চারটে সিলাই করা হয়েছে! রবিনের ভিতরে মোচড় দিয়ে উঠে! সাদা রঙের ব্যান্ডেজ কিছুটা লালচে হয়ে গেছে। পায়েলের এখনো জ্ঞান ফেরেনি। রবিন পায়েলের মাথার কাছে বসে আছে। মাথায় হাত বুলাচ্ছে। চুলে বিলি কেটে দিচ্ছে। পায়েল এখন আর আগের মত চুলে শ্যাম্পু করেনা। তার চুলে এখন চৈত্রের রুক্ষতা। পায়েলের প্রতি একসময় নেশাগ্রস্ত ছিলো রবিন। খুব বেশি। অবশ্য এখন রবিনের নেশা আমাকে ঘিরেই বেশি। ঘরে যতক্ষন থাকে আমাকে নিয়েই তার সময় কাটে। বাইরে গেলেই পায়েল। কিন্তু ডাইনের জন্য কেবল গভীর রাতে সামান্য সময় বরাদ্দ রাখে রবিন। “ডাইনটা আস্ত একটা বোকা!” মনে মনে ভাবে রবিন। ডাক্তারের সাথে কথা বলে রবিন জানতে পারে অবস্থা তেমন গুরুতর নয়। তবে একটা জিনিস ডাক্তারের কাছে অনেক কনফিউজিং লেগেছে। সেটা হল, পায়েলের রক্ত নাকি সাধারন রক্তের মত নয়। অনেকটাই ভিন্ন। ডাক্তার বললো পায়েলের বোন মেরোতে অবাঞ্চিত কিছু পদার্থের উপস্থিতি আছে। পায়েল সুস্থ হলে এটা নিয়ে আরো পরীক্ষা করা হবে। রবিনের সেলফোনটা বেজে উঠলো। ডাইনের কণ্ঠস্বর, -আমি তোমার জন্য কোনো মাছ রাখিনি! স্যরি! -আমিও রাখিনি। -কি রাখনি? -নিজেকে। -কি বললে? বুঝলাম না। -আমি নিজের খাবার নিয়ে আসবো। ফোন কেটে দিলো রবিন। পায়েল সুস্থ হোক। সুস্থ হলেই যা হবার তা হবে। ডাইন মেয়েটা খুব সহজসরল হলেও তাকে ফেলে চলে যেতেও খুব খারাপ লাগবে না রবিনের। সে ডাইনের প্রতি দায়বদ্ধ নয়। হ্যাঁ, সে হয়তো একসময় ডাইনকে পছন্দ করতো, একসময় হয়তো পঞ্চায়েতে তাকে গ্রাম ছেড়ে যেতে বলায় রবিন নিজের গলায় কোপ দিয়েছিলো। কিন্তু রবিন বদলে গেছে। সে সকালে বিকালে বদলায়, কারনে অকারনে বদলায়। একটু রাত করেই আজ বাসায় ফিরলো রবিন। ব্যাগে করে দুইটা রুই মাছ এনেছে। ডাইনকে ডাকলো। মেয়েটা ঘুমিয়ে গেছে। অবশ্য ঘুমিয়ে গেছে রবিনের নির্দেশেই। রবিনের নির্দেশ-ডাইনকে প্রতিদিন রাত দশটার আগেই ঘুমাতে হবে। কারন, গভীর রাতে সঙ্গত কারনেই রবিনের প্রয়োজনে ডাইনকে জেগে উঠতে হয়। ঝটপট মাছ দুটো খেয়ে রবিন নিজের রুমে আসে। এসেই রবিন আমার প্রতি আবার নেশা গ্রস্ত হয়ে পড়ে।

আজ যেভাবেই হোক দুষ্টুটাকে একটা উচিত শিক্ষা দিতে হবে। আমি উড়ে গিয়ে পড়লাম অনেক দূরে বিশাল একটা বিল্ডিং এর কাছে। আমি বিল্ডিং টাকে কাঁধে তুলে নিলাম। এরপর দুষ্টুটার মাথার উপর আছড়ে ফেললাম। মনে হল দুষ্টুটার অনেক ব্যথা লাগলো। এইবার আমার সারা শরীর থেকে বেরিয়ে আসতে লাগলো গাঢ় আগুনের ফুলকির মত উজ্জ্বল রশ্মি। সেগুলোকে এক বিন্দুতে জড়ো করে আমি ছুঁড়ে মারলাম দুষ্টুটার মাথা বরাবর। মাথাটা ফেটে চৌচির হয়ে গেল। তলোয়ার বের করে সমানে চালাতে লাগলাম দুষ্টুটার মাথার প্রতিটি খন্ডে। এইবার দেখলাম দুষ্টুটা আর উঠেও দাঁড়াতে পারছেনা। বুঝলাম, এতদিন পর আজ আমি জিতেছি! আমি হাতের তলোয়ার উঁচিয়ে উল্লাস করতে লাগলাম।

“যাহ শালা!” তীক্ষ্ণ হাসি ফুটে উঠলো রবিনের মুখে। এতদিন পর গেইমটা কমপ্লিট করতে পারলো। এখন আরেকটা গেইমের নেশায় পেয়ে বসবে রবিনকে। রবিন এইবার আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিবে। অবশ্য এটাই নিয়ম। কার্য হাসিলের পর মানুষ সেটাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। মানুষ যে কোনো কিছুকে ব্যবহার করে, কিন্তু ভালোবাসেনা। তবে রবিন কেন জানি ভালোবাসে। সে কি মানুষ না? আমাকে ছুঁড়ে ফেললে তাতে আমার কোনো কষ্ট হবেনা, কারন আমি নিতান্তই গেইমের একটা চরিত্র। কিন্তু ডাইনের কি হবে?

গভীর রাত। রবিন ডাইনকে জাগিয়ে তুলে। ডাইন বরাবরের মতই প্রস্তুত। কিন্তু আজ রবিন একটা সিগারেট ধরায়। দুই আঙুলের আলতো স্পর্শে চুম্বন করে ধূসর বস্তুটার ঠোঁটে। সেটার একপ্রান্ত লজ্জায় যেন লাল হয়ে যায়। কিছু লজ্জা ধোঁয়া হয়ে উড়ে যায়। আর লজ্জায় আস্তে আস্তে ছোট হতে থাকে ধূসর বস্তুটি। ডাইন বলে, -আজ কি হল তোমার? – কই? কি হবে? -আজ অন্যরকম মনে হচ্ছে? -শোনো ডাইন, তোমাকে একটা কথা বলবো। -বল। -আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালোবাসি। ডাইন চোখ বড় বড় করে তাকায় রবিনের দিকে। ঠোঁটের কোণে একটা তীক্ষ্ণ হাসি রবিনকে ছুরির মত কাটতে থাকে। রবিন দুই টুকরো হয়ে যায় সেই ছুরির আঘাতে। তার এক টুকরো আবিষ্ট হয় ডাইনের বাহুডোরে আদিম উচ্ছ্বাসে, আরেক টুকরো পড়ে থাকে পায়েলের শিয়রে।

পরদিন সকালে রবিনের সেলফোনটা বেজে উঠে। ডাইন তখন ঘুমাচ্ছে। ক্লান্তির একটা ছাপ লেগে আছে ডাইনের সারা মুখে। তাকালে বরং আরো বেশি নেশাগ্রস্ত লাগে। এত সুন্দর কেন মেয়েটা? সেলফোনের অন্য প্রান্তে পায়েলের কণ্ঠস্বর,

-ক্রপেন, আমাদেরকে যেতে হবে।
-বলছো কি ট্রিনিটি! এত তাড়াতাড়ি! আর কিছুটা দিন?
-তুমি ভালো করেই জানো আমরা এই গ্রহে মোটেই নিরাপদ নয়। এই গ্রহে 0.034% কার্বন ডাই অক্সাইড দিয়ে আমাদের চলেনা! তাছাড়া…
-ডাইনের কথা বলছো?
-হুঁ। মেয়েটার প্রতি তুমি একটু বেশি…
-মোটেই না। আমাদের মিশন ছিলো মানুষের বোন মেরো সংগ্রহ করে সেটার সাথে আমাদের বোন মেরোর হাইব্রিডাইজেশান করা। আমরা সেটা করেছি কিন্তু!
-হুম। আরেকটা খারাপ খবর!
- কি? সিন্ড্রাট্রিপা আবার আক্রমন করেছে?
-হুঁ!
-শিট! আমাদের ক্রাফট লঞ্চ কর। হারি আপ!
-ওকে। আমি রাখছি। তুমি তাড়াতাড়ি স্ট্রিম পয়েন্টে আসো।

ডাইনকে আলতো করে চুমু দেয় রবিন কিংবা ক্রুপেন। ডাইন তখনো ঘুমাচ্ছে। ঘুমের মাঝে সকাইল্যার হাটের স্বপ্ন দেখছে সে। রবিন তখনো সিন্ড্রাট্রিপার সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। উপড়ে ফেলছে তার নাক মুখ। কিন্তু দুষ্টু সিন্ড্রাট্রিপার মৃত্যু নেই। তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসছে লাভা। রবিন লাফ দিয়ে শূন্যে ভাসছে, আবার সুপারসনিকের মত উড়ে যাচ্ছে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়। কিন্তু লাভা গুলো তার পিছু ছাড়ছে না। মহা যন্ত্রনা। কি করবে কিছু বুঝে উঠতে পারছেনা। রবিন স্পষ্টভাবেই দেখলো লাভা গুলোর মাঝে সাঁতার কেটে বেড়াচ্ছে অজস্র মাছ; সকাইল্যার হাটের তাজা মাছ।

You may also like...

  1. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    দারুণ বললেও ক হবে।

    অনেক ভাল লেগেছে বন্ধু। অনেক ভাল লেগেছে।

    লিখে যাও…… সভ্যতায় স্বাগতম।

  2. চাতক পাখি বলছেনঃ

    অসাধারণ :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু:
    চমৎকার আপনার গল্প, মন্ত্রমুগ্ধকর :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি: :কুপায়ালাইছ মামা-ভিক্টরি:

  3. অসাধারণ !!!! চমৎকার লিখেছেন… :দে দে তালি: :দে দে তালি: :দে দে তালি: :দে দে তালি:
    সভ্যতায় স্বাগতম… :চলেন চা খাই: :চলেন চা খাই: :চলেন চা খাই:

  4. গল্পটার মূল থিমটা বুঝতে আমার কেন যেন সময় লাগলো অনেক… পুরোপুরি বুঝতে পেরেছি কিনা জানি না, তবে কেন যেন এক বিচিত্র অনুভূতির সৃষ্টি হল গল্পটা পড়ে… :-? লেখককে একরাশ %%- %%- আর ভালোবাসা এরকম অসাধারন একটা লেখা লিখবার জন্য… :এতো দিন কই ছিলি?: :এতো দিন কই ছিলি?: mycoplasma pneumoniae et zithromax

    কিপিটাপ, ম্যান…

  5. ইলেকট্রন রিটার্নস বলছেনঃ

    cuanto dura la regla despues de un aborto con cytotec

    হা হা হা। সত্যি বলতে কি, কালবৈশাখীর “ডাইন” গল্পটা পড়ে ভাবলাম এটাকে একটু অন্যভাবে লিখি। আমার উদ্দেশ্য ছিলো পাঠককে কনফিউজড করে দেয়া। তাই, গল্পের “আমি” চরিত্রটাকে প্রথমাংশে চূড়ান্ত সতর্কতার সাথে ধোঁয়াশায় রেখেছি। গল্পের প্রায় শেষাংশে পাঠক বুঝতে পারলো “আমি” একটা গেইমের চরিত্র।

    যাই হোক, অন্যরকম অনুভূতি ছুঁয়ে যাক আপনাকে। অসংখ্য ধন্যবাদ গল্পটা পড়ার জন্যে। accutane prices

  6. শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান কালবৈশাখীর মত রিটার্ন এর জন্যে
    :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু:
    %%- %%- %%- %%- %%- %%- %%-

    viagra para mujeres costa rica
    diflucan one time dose yeast infection
  7. তারিক লিংকন বলছেনঃ

    “সকাইল্যার হাট” শব্দটার ব্যবহার আমার কাছে অনবদ্য লেগেছে। এমনিতেই গল্পটি চমৎকার। কিন্তু বাস্তবের ডাইন আর রবিন চুপ ক্যান? :-bd :-bd :-bd :-bd :-bd
    তারা কি লজ্জা পাইছে? ইলেকট্রনকে আবার লিখতে দেখে চমৎকার লাগছে। বায়েজিদ ভাইয়ের সাথে একমত। ইলেকট্রন তার তড়িৎ দিয়ে সবাইকে চমকায় দিবে!!

  8. মাশিয়াত খান বলছেনঃ

    অসাধারন… :জয় গুরু: :জয় গুরু: :জয় গুরু:

  9. ভাল কথা! ডাইন কিন্তু মানুষের নাম না। ডাইন মানে হচ্ছে ডাইনী!

  10. ডিবি ফুলিশেরা গল্প লেখা দূরে থাক, এমন স্টাইলে চিন্তা করতে পারে, সেটাই জানতাম না!!! ~x( X_X $-)

  11. metformin slow release vs regular
  12. ভাই মনে কিছু নিয়েন না, আমার কাছে ব্যাপক হাস্যকর লাগছে গল্পটা।

প্রতিমন্তব্যঅংকুর বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন * ventolin spray precio mexico

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment.