অবচেতন

351

বার পঠিত

গভীর রাত, ঘড়ির কাঁটা হিসেব করলে দুটো ছুঁই ছুঁই। সাব্বিরের খুব ভয় লাগছে। এত রাতে একা একা খুব কম মানুষই ভয়হীন ভাবে কাটাবে। তার বয়সে গরমের ছুটিতে নানা বাড়ী আসলে সবার ঝোঁক থাকে আম-কাঁঠাল খাওয়ার দিকে। সাব্বিরের এসবের লোভ নেই। তার থেকে বরং নানা বাড়ীর ছাদটাই তার ভাল লাগে, বিশাল ছাদ। ভাললাগার ছাদটা একান্তে পাওয়ার ইচ্ছায় এত গভীর রাতে তার ছাদে ওঠা।

ভয় যাতে না পায় সেজন্য সাব্বির হেডফোনে ফুল সাউন্ড দিয়ে গান শুনছে। মস্তিষ্ক গানের দিকে মনোযোগী থাকবে, ভয় জায়গা পাবে না। স্কুলে থাকার সময় অনেক ভুতের গল্প পড়ত সে, এখন কলেজে উঠে সেসব পড়া কি মানায়? এখন অপরিণত বয়সের সেই কাঁচা চিন্তাগুলোর কথা ভেবে ভেবে আপন মনে হাসতেই তার বেশী ভাল লাগে।

হা হা হা হা হা………………

চমকে উঠল সাব্বির, এত রাতে কে হাসে? শব্দ আসছে ছাদের সিঁড়ির ওপরের চাল থেকে। মেয়েলি হাসি, সাব্বির বুকে সাহস, মনে ভয় নিয়ে এগিয়ে গেল সিঁড়িঘরের দিকে। দেখল চালের উপর একটা মেয়ে বসে আছে। মেয়েটার মুখে এখনও হাসি। নারী ভুতদের তো পেত্নী বলে, পেত্নীরা দেখতে সুন্দর হয় বলে কোন গল্পে লেখা হয়েছে বলে জানা নেই সাব্বিরের। এই মেয়ে তো সুন্দরী বলেই মনে হল তার কাছে। অবশ্য সেই মুহূর্তে সৌন্দর্যের থেকেও রক্ত-মাংসের মানুষ হওয়াটাই প্রাধান্য পাচ্ছিল তার কাছে।

-এই মেয়ে তুমি কে?

= দাঁড়ান দাঁড়ান, ভাইয়া আমি, অপা।

অপা সাব্বিরের দূরসম্পর্কের ভাগ্নী হয়, আজ দুপুরেই নীলা আপু পরিচয় করিয়ে দিল তাদের। সাব্বি মনে মনে রাগ করল খুব, এই মেয়ের সাহস কত? আমার সাথে মজা করে? খুব একচোট ঝাড়তে হবে।

-এত রাতে ছাদে কি?

= সেই প্রশ্ন তো আমিও আপনাকে করতে পারি।

-তর্ক কর কেন? আর ওরকম বিদঘুটে হাসি দিলা কেন? হেডফোন তো তোমার গলার আওয়াজের কাছে ফেল মেরে যাবে।

= হাসব না? আসল গায়কের সাথে সাথে কেউ যদি বেসুরো গলায় গান গেয়ে পাড়া মাথায় তোলে তাহলে হাসি তো পাবেই।

সাব্বির হেসে ফেলল মেয়েটার কথা বলার ভঙ্গী দেখে, সাথে এই প্রথম গান শেখেনি বলে একটু মন খারাপও হল। কিন্তু বাইরে সেটা প্রকাশ করল না।

-আসেন, উপরে উঠে আসেন। এত রাতে ঝগড়া করতে হয় না। সেটা না হয় কালকে সকালের জন্যই তোলা থাক।

কথায় কথায় রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে গেল, সকালের সূর্য মাথা তুলবে তুলবে করছে। তার আগেই পৃথিবীতে মাথা তুলে দাঁড়াল একজোড়া প্রেমিক মন, তাদের অজান্তেই।

কত কথা চলতে থাকে তাদের, লুকিয়ে লুকিয়ে, গোপনে গোপনে। কেউ কাউকে বলেনা, “ভালোবাসি”। সবসময় মুখে না বললেও চলে।

কেটে গেল ১ টা বছর স্বপ্নের মত। দুজনেই নিজের নিজের আবাস থেকে সাব্বিরের নানাবাড়ী যাওয়ার সুযোগ খুঁজত। দুরত্ব বাধা হয়ে দাড়িয়ে যেত বেশীরভাগ সময়। acheter viagra pharmacie en france

হঠাৎ একদিন অপার ফোন বদলে দিল কিছু মুহূর্ত।

-সাব্বির তোমায় কিছু বলার ছিল।

= বল। sildenafil efectos secundarios

-আমার না খুব খারাপ একটা অসুখ হয়েছে, আমাকে বাবা সিঙ্গাপুর নিয়ে যাবে। আমার নাকি খুব বড় একটা অপারেশন হবে।

= কবে যাবা তুমি?

-এইতো এপ্রিলেই।

= কতদিন লাগবে?

-আমি পরশুই চলে যাচ্ছি। ওখানে ফুপুর বাসায় থাকব, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অপারেশন সব মিলিয়ে অনেক সময় লাগবে।

= আমি ততদিন কি করব?

- তুমি চিন্তা করবা না। আমি ফিরে এসেই ফোন দেব তোমায়। আর তুমি কিন্তু আবার ফোন দিও না, বুঝলা?

= আচ্ছা ঠিক আছে।

কেটে গেল ৬ মাস। অপার কোন ফোন নেই, সাব্বির অপেক্ষায় থাকে, একদিন ঠিক অপা ফোন দিয়ে আবার আগের মত বলে উঠবে, “এই পাগল, কি কর তুমি?”

(২)

সাব্বির?

- কি মা?

= তোর নীলা আপুর বিয়ে ১৭ তারিখ, যেতে পারবি তো?

-হ্যাঁ মা। পারব না কেন? cara menggugurkan kandungan 2 bulan dengan cytotec

মনে মনে লাফিয়ে উঠল সাব্বির। না পারলেও তাকে যে যেতেই হবে। নানাবাড়ি গিয়ে নীলা আপুর কাছ থেকে অপার খোঁজ নেয়া যাবে। তর সইছে না তার।

১৬ তারিখ পৌঁছল সাব্বির নানাবাড়িতে। নীলা আপু ব্যস্ত তার বিয়ে নিয়ে। তার কাছে ঘেঁষাই যাচ্ছে না। আর তাকে জিজ্ঞাসা করতে ভয়ও করছে সাব্বিরের। নীলা আপু বুঝে ফেলবেন না তো? নীলা আপুকে খুব সুন্দর লাগে সাব্বিরের। সুন্দর চেহারার মেয়েরা অনেক কিছু বুঝে ফেলে। আচ্ছা নীলা আপুকে কি আজকে অপার থেকে সুন্দর লাগছে? না, লাগছে না। এই সাজে অপাকে আরও সুন্দর লাগত।

-কিরে সাব্বির? ভরদুপুরে একা ছাদে কেন? কালো হয়ে যাবি তো। কেউ বিয়ে করবে না তখন। viagra sildenafil generic

= ধুর নানী, তোমার খালি আমার বিয়ের চিন্তা। cuanto dura la regla despues de un aborto con cytotec

-ওমা, থাকবে না? সুন্দরএকটা বৌ নিয়ে আসব তোর জন্য।

=  আহ নানী তুমিও না!! আচ্ছা নানী, সবাইকেই তো দেখছি বিয়েতে, আশফাক আঙ্কেলরা এলেন না যে?

- ওরা আসবে কি রে বাবা? ওদের কারোরই মন ভাল না।

= কেন?

-আর কেন? ওদের ছোট মেয়েটা মারা গেছে গতমাসে। বিদেশে নিয়ে গেল, কোন লাভ হলনা। ফুলের মত মেয়েটা!  চলে গেল রে। তুই নীচে আয়, একা একা দুপুরে ছাদে থাকতে নেই।

= যাও আমি আসছি।

নানী খেয়াল করলেন না তার আদরের নাতির গলা ধরে এসেছে। খেয়াল করলে বুঝতে পারতেন এর পাশাপাশি চশমার আড়ালের একজোড়া চোখে পানিও টলমল করছিল।

এরও একবছর পর সাব্বিরের ক্যান্সার ধরা পড়ে। ভারতের ব্যাঙ্গালোরের একটা হাসপাতালের বিছানায় অপারেশনের পর সাব্বিরের দেহটা ঘুমিয়ে ছিল প্রায় ৪ ঘন্টা। এ অচেতন ঘুমের মধ্যে হয়ত একবারের জন্য হলেও সাব্বির দেখতে পেয়েছিল অপার মুখটা।

 

does accutane cure body acne

You may also like...

  1. mycoplasma pneumoniae et zithromax
  2. চাতক পাখি বলছেনঃ

    সবই ঠিক আছে গল্প ভালও লেগেছে কিন্তু মাঘার এইখানে মাথা :তার ছিঁড়া: :তার ছিঁড়া: :তার ছিঁড়া: :তার ছিঁড়া: :তার ছিঁড়া: :তার ছিঁড়া: লাগলো…

    “দাঁড়ান দাঁড়ান, ভাইয়া আমি, অপা।

    অপা সাব্বিরের দূরসম্পর্কের ভাগ্নী হয়”

    ভাগ্নী মামারে ভাইয়া বলে ক্যান? — :-B :-B :-B :-B

  3. দুরন্ত জয় বলছেনঃ

    গল্প ভাল লেগেছে। কিছু স্থানে বর্ননার কার্পন্য ছিল।

    দাদা চোখে পানি এনে দিলেন যে!! আহ! এমনে কষ্ট কেন দেন। লেখকেরা এত্তগুলা পচা। clomid trying to get pregnant

    লিখা যান , আরও গল্প চাই……

    viagra generico prezzo farmacia
  4. blueberry 100 sildenafil review

প্রতিমন্তব্যঅংকুর বাতিল

আপনার ই-মেইল ও নাম দিয়ে মন্তব্য করুন *

Question   Razz  Sad   Evil  Exclaim  Smile  Redface  Biggrin  Surprised  Eek   Confused   Cool  LOL   Mad   Twisted  Rolleyes   Wink  Idea  Arrow  Neutral  Cry   Mr. Green

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>

Heads up! You are attempting to upload an invalid image. If saved, this image will not display with your comment. side effects of doxycycline in kittens