Category: বিনোদন

ভীনগ্রহের দানব এবং একটি পরিবারের গল্প

কথা বললে কিংবা কোনো শব্দ করলেই ভীনগ্রহের কিছু অন্ধ দানব সেই শব্দ অনুসরণ করে আসবে এবং সব লণ্ডভণ্ড করে ফেলবে । বাঁচতে হলে বলা যাবে না কোনো কথা , করা যাবে না কোনো শব্দ । যোগাযোগের জন্য শুধুমাত্র ইশারা আর সাংকেতিক ভাষার আশ্রয় নিতে হবে । এভাবেই বিলীন হয়ে গেছে পৃথিবীর প্রায় সব প্রাণী , টিকে আছে শুধু একটি পরিবার যেখানে মা এভলিন একজন ডাক্তার এবং বাবা লি একজন প্রকৌশলী । সেই পরিবারের বড় মেয়ে রেগান মূকবধির । এজন্য উদ্ভুত সমস্যার গুরুত্ব বুঝতে পারে না সে । সেকারণেই শহর ছেড়ে যাবার পথে ছোট্ট একটি ভুলে দানবের হাতে প্রাণ দিতে হয়... achat viagra cialis france

সানজুঃ এক পাপীর জাস্টিফিকেশন

বলিউডের অটোবায়োগ্রাফি সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি রীতি চলে এসেছে , যেটি হলো ‘জাস্টিফিকেশন’ । সমালোচিত যেকোনো মানুষকে নিয়ে সিনেমা বানানো হবে আর সেই সিনেমায় মানুষটিকে অনেকাংশেই পুতঃপবিত্র হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করা হবে । ইমরান হাশমি অভিনীত আযহারের পর সানজুও তেমন একটি জাস্টিফিকেশন । পুরো সিনেমাজুড়ে সঞ্জয় দত্তকে একজন ভালো ব্যক্তি এবং পরিস্থিতির শিকার একজন অসহায় মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে । সঙ্গদোষে মাদক সেবন আর তিনশ’র অধিক নারীর সাথে রাত কাটানো ছাড়া আর কোনো অপরাধেই তাকে দোষী বলা যাবে না । এক মহৎ কারণে সাথে একে-৫৬ রাইফেল রাখা , নিজেকে বাঁচাতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনের সাথে বন্ধুত্ব , জেল না খাটার প্রস্তাব পেয়েও... metformin gliclazide sitagliptin

নারী খেকো ফেসবুক সেলিব্রেটি

মেয়েদের যদি কোন সাধারণ ছেলে ইনবক্স করে তাহলে তারা বিরক্ত হয়।–উফ অসহ্য আর যখন সেলিব্রেটি নক করে,ভাইয়া…আমার যে কি ভালো লাগছে।–উফ অসাম যখন কোন সাধারণ ছেলে ইনবক্সে কথা বলার পর নাম্বার চায় তখন ছেলে হয়ে যায় লুচ্চা।–উফ বিরক্তিকর আর যখন সেলিব্রেটি ইনবক্সে কথা বলার পর নাম্বার চায় তখন, ভাইয়া আপনার নাম্বার দেন আমি ফোন দিচ্ছি।–উফ ফ্যান্টাসটিক যখন কোন সাধারণ ছেলে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে ভিডিও কল দেয় তখন ছেলে হয়ে যায় ইতর,বদামাইশ,ধান্ধাবাজ,নারীখেকো ইত্যাদি ইত্যাদি।–উফ ছাগলামী যখন কোন সেলিব্রেটি ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে মেয়েদের ভিডিও ফোন দেয়,হুম ভাইয়া কেমন আছেন,জানো ভাইয়া আমি তোমার অনেক বড় ফ্যান,তোমাকে যে আমার কি ভালো লাগে বলে বুঝাতে পারবো না।ভাইয়া...

১০০% ফেসবুক নারীবাদী,হুম !!

-ভাই,খুব প্যারায় আছি। -কেন? -নারী অধিকার নিয়ে কোন কথা বললেই কিছু লোকের চুলকানী উঠে যায়। -ও আচ্ছা। -ভাই,আপনি কি নারীবাদ সাপোর্ট করেন? -হুম,কেন? -না এমনি,তাহলে তো মিলেই গেল। -কী? -আপনিও নারীবাদে বিশ্বাসী আর আমিও। -হুম,ভালোই। -আচ্ছা ভাই, আপনি কিভাবে নারীবাদ সাপোর্ট করেন?আপনাকে না দেখলাম ওইদিন এক নারীবাদীর পোস্টে বিরোধীতা করতে। -হুম!যাউজ্ঞা,তুমি কিভাবে কর সেটাই আগে জানি। -ভাই ফেসবুকে করি।আর নারীবাদীরা যা পোস্টায় ওইটাতেই লাইকাই আর সহমত পোষন করি।আর যখন কোন নির্যাতিত নারীর কিছু বিষয় সব থেকে বেশী আলোচিত হয় তখন ধুমধাম পোস্টাই।যেমন,ধর্ষন,শ্লীলতাহানি আরো কত বিষয় আছে না! ভালো লাইকও পাই ভাই। -ও আচ্ছা,ভালো।চা-বিড়ি খাবা? -খাওয়া যায়।ভাই মেয়েটা দেখেন,খাসা মাল একটা,...

স্বপ্নের কিছু অংশ

ইচ্ছে হলো সবার সাথে আমার বানানো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো শেয়ার করতে । সময় হলে দেখতে পারেন । ১। ক্যানভাসঃ  ২। অ্যান আনরিভিল্ড স্কেচঃ  ৩। এপার-ওপারঃ  ৪। প্রকৃতি (এটা আমার প্রযোজিত) ঃ  ৫। কন্টেম্নোঃ  ৬। বিপ্রতীপঃ    ভবিষ্যতে একজন চলচ্চিত্রকার হতে চাই । স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো কিছু উপহার দেবার । তারই উদ্দেশ্যে এতটুক ক্ষুদ্র চেষ্টা । সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন । স্বপ্নের লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/odhisroy সাথে থাকবেন আশা করি । doctorate of pharmacy online

জীবন ও যৌবন – এক অতৃপ্ত গল্পকথা

সেদিন ঊর্মিলার বারান্দার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তাকে দেখার জন্যে মন খুব হাস-ফাস করতো। ঊর্মিলা মেয়েটা ভারী সুন্দরী। বয়স ২৩ বছর। গায়ের রং ফর্সা। দেহের গড়ন ভারী অদ্ভূত সুন্দর। টানাটানা চোখ, খাড়া নাক, কামরূপী ঠোঁট, উঁচু স্তন, কোমরে পাকা কুমড়ার গড়ন আর বেশ চোখ ছানাবড়া করে দেওয়ার মতো অতিকায় বিশাল নিতম্ব। দেখে কোন পুরুষের অতৃপ্ত বাসনা মুহূর্তেই জেগে উঠতে পারে। ঊর্মিলা আমার চেয়ে বয়সে বছর তিনেক বড়। আমাদের বাড়ির পাশের বাড়িতে আসার আগে ঊর্মিলারা উত্তরবঙ্গের দিকে ছিল। বিশুদ্ধ প্রকৃতি তাকে তার অঢেল সম্পদ দিয়ে ঊর্মিলাকে জগতের উপযোগী করে তুলেছে। ঊর্মিলাকে আমি যেদিন প্রথম দেখি, সেদিন আমার চোখদুটো এক অদ্ভূত সৌন্দর্যের দর্শন...

zithromax azithromycin 250 mg

ঈদের পরের আন্দোলন ১৮+

নিশুতি নির্জন রাত, ঝিঁঝিঁ পোকার অবিশ্রান্ত ডাক ছাড়া আর কোন শব্দ নেই, আলিশান বাড়িটার সিঁড়িঘরের নীচে আলপিন পতন নীরবতায় কোনার দিকে লুকিয়ে ছিলো চোরটা। রুটিনমাফিক চেকিংয়ে বেড়িয়ে সেদিকে চোখ গেলো তোবারক সাহেবের, নড়াচড়া টের পেতেই দেখলেন কালো দুটো পা থেকে দশটা সাদা নোখ তার দিকে তাকিয়ে হিহি করে হাসছে, তোবারক সাহেব খানিকটা ভড়কে গেলেন। তিনি পা’ধারীর মুখের দিকে তাকাবার প্রয়োজন মনে করলেন না, যা বোঝার বুঝে নিলেন। ষাট ওয়াটের বাতিটার সুইচ টিপে দিতেই দেখা গেলো চোরের পরনে ছাই রং এর হাওয়াই শার্ট আর ছেড়া ফাঁটা জিন্সের প্যান্ট। তোবারক সাহেব সেই ছাই রঙা শার্টের খসখসে কলারটা খপ করে ধরে টেনে হিঁচড়ে...

ovulate twice on clomid

চাওয়া-পাওয়া

স্কুল জীবনের শেষ দিকের কথা, বরই আঁতেল মার্কা হাবলু টাইপ স্টুডেন্ট কাতারের যদি নাম চাওয়া হয়; আমার নাম আসবে সবার আগে। একবার খেলার মাঠ থেকে দূরে অনুষ্ঠানের শব্দ কানে আসতেই ছুটে গেলাম ওই দিকে গিয়ে দেখি বেশ গান বাজনা চলছে এ এক আরেক জগত। চেনা মানুষের সংখ্যা খুব কম যারা আছে অনেক দূরে, কথা বলা সম্ভব না; জিজ্ঞেস করা সম্ভব না যে, হচ্ছেটা কি ?? দাড়িয়ে রইলাম স্যারের বক্তৃতা চলছে, আমার ক্লাসের একজন বন্ধু (অনিক) আমার পিছে দেখে অবাক হই। কারন অনিকতো ছুটি হবার পরেই বাসায় চলে যায়, আর গোত্রেরের ও পার্থক্য থাকায় ভাল বন্ধু বলা যাবে না; শুধু ক্লাসমেট।...

SONY Alpha 7s রিভিউ

a7s হলো Sony’s full-frame mirrorless lineup এর তৃতীয় মডেল, একটি ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা যেটিতে স্টিল ছবির দক্ষতার পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিং এর উপরেও অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও a7s মূলত স্টিল শুটার, Sony জোরালোভাবে দাবি করছে এর মেইন ফোকাস হচ্ছে ভিডিওগ্রাফি। a7s সম্পর্কে যেই জিনিসটা আপনার সর্বপ্রথম জানা দরকার সেটা হল, এটি Internally 1080P ভিডিও এবং External Recorder এ 4K ভিডিও হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। Internal 1080P ফুটেজটি XAVC S ফরমেটে রেকর্ড হয়, যেটি Sony র XAVC System এর আরও একটি Consumer -friendly ভার্সন। যাইহোক, যদিও a7s এর বডি এর 24 এবং 36MP সিস্টার মডেলগুলোর মতই, তবুও a7s এবং a7R...

হুজুরদের কি মন বলে কিছু নেই?

প্রায় দুই বৎসর আগের কথা। আমার এক দুঃসম্পর্কের মামা আছে। মামার একটি হালকা পাতলা মাল্টি মিডিয়ার দোকানও আছে। সেই দোকানে শুধু কম্পিউটারের মাদ্ধমে মোবাইল ফোনে গান লোড দেওয়া হয়। মামার দোকানে খুব একটা কাস্টমার আসতো না। শুধু গান লোড এর জন্য খুব বেশি কাস্টমার আসেও না। তাই সারাদিন আমরা বন্ধুরা মামার দোকানে বসে কম্পিউটারে ‘এইজ অব এম্পায়ার’ গেম খেলতাম। তখন রমজান মাস। ঈদ এর আর মাত্র সপ্তাহের মত দিন বাকি। আমি বিকাল বেলা দোকানে একাই বসে বসে গেম খেলায় ব্যস্ত। ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকার এক হুজুর দরজায় দাড়িয়ে।  হুজুর দরজা থেকেই আমাকে জিগায় যে এই দোকানের যে মালিক সে কোথায়।...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

যৌবনের পদ্মফুল

রাফি বরাবরই শান্ত এবং লাজুক স্বভাবের ছেলে । সবার সাথে ঠিকভাবে , সৌজন্য রক্ষা করে কথা বলতে পারে না । তার এ স্বভাবের জন্য বন্ধুমহলেও সে এখন একটা হাসির পাত্র । এজন্য সে তাদের সাথেও তেমন মেশে না । পড়ালেখার প্রচুর চাপ সহ্য করতে করতে দশম শ্রেণিতে উঠলো রাফি । ক্লাসে তার রোল নম্বর ৭ , যাকে বলে লাকি সেভেন । তবে সে মোটেও লাকি ছিল না । তার এমন চুপচাপ , অতীব শান্ত স্বভাবের কারণে স্যার – ম্যাডামরাও তার প্রতি আশাহত এবং বিরক্ত । প্রতিদিনই ধমক এবং অপমান সহ্য করতে হয় তাকে । সাথে বাবা-মায়ের একগাদা দুশ্চিন্তা তো আছেই...

acne doxycycline dosage

রোমান্টিক থ্রিলারঃ ‘রাতগল্প’

‘রাতগল্প’ সিগারেটের পুড়ে যাওয়া ফিল্টার এ্যাশট্রে তে গুঁজে দিয়ে, হালকা ধোঁয়া ছেড়ে, মেয়েটির দিকে এবার খানিকটা দৃষ্টিপাত করে আবির। কিছুক্ষণ ধরেই বেশ তাড়া দিচ্ছে মেয়েটি, “হু, কি যেনো বলছিলেন?” “যা করবেন, তাড়াতাড়ি করেন?” মেয়েটির কথায় তেমন কর্ণপাত না করে বেশ শান্ত গম্ভীর গলায় পাল্টা প্রশ্ন আবিরের.. “আপনি কদ্দিন হলো এখানে আছেন?” “ক্যান?” “দরকার আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি?” “৩ বছোর” “হু” “কিন্তু আপনে এইগুলা দিয়া কি করবেন?” “কৌতুহল? জানার আগ্রহ বলতে পারেন!” কৌতুহলী দৃষ্টিতে চারপাশে চোখ বোলায় আবির। সিড়ি পেরিয়ে আরো ক ‘টা ঘরের সাথে লাগোয়া এ ঘরটা বেশ ছিমছামই বলা চলে। চার’তলা বাড়ির দোতলার এই মাঝারি আকারের ঘরের ভেতরকার...

টমেটো আর পেন্সিল কম্পাসের গল্প

তুহিন বসেছে বাসের দ্বিতীয় সারিতে। জানালার পাশের সিটটা খালিই ছিল। সেখানে বসে নি। বিশেষ কারণে। বাসের ভিড় এখনও তেমন একটা বাড়ে নি। তবে এতক্ষণে বেশ কয়েকটা “মাল” ওঠার কথা ছিল। এখনও একটাও ওঠে নি। বাস মালিবাগ থেকে মৌচাকের দিকে এগোচ্ছে। মৌচাক মোড়ে বাস থামতেই অবশেষে উঠল, সেই অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু – একটা খাসা মাল। সম্ভবত, নর্থ সাউথে পড়ে। উত্তর-দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়। তুহিন মনে মনে হাসল। এইসব আজগুবি নাম যে তারা কোথায় পায় আল্লাই জানে। নাম হচ্ছে তাদের কলেজের। রাজউক। সেইরকম ভাব! তুহিন মালটার দিকে তাকাল। খাসা চেহারা। এই প্রাইভেট ভার্সিটির মেয়েগুলো না…! এত সুন্দর কীভাবে হয়? দেখলেই ইচ্ছে করে টমেটোর মত...

মতিকথন

মাইরি বলচি দাদা , মতি একখান চিজ আছে । বছর দুই আগে একবার মতির লগে আড্ডা দিতাচি শুক্রাবাদের এক চিপায় । খেয়াল কৈরা দেখলাম একটু পর পর মতি বিচি চুল্কাইতেছে । শুধিলাম , কাহিনী কি মতি , বিচির মধ্যে কি খোসপাচড়া হৈয়াছে ? মতি বিরস বদনে জবাব দিলো , সোনো কিরিম মনে কৈরা বিচিতে শক্তি দৈ লাগাইচিলুম বছর কয়েক আগে । শক্তির এমনই শক্তি , বিচি ফুলিয়া ঢোল হৈয়া গেছিলো । প্রতি আমাবস্যার রাতে বিচির গিটে গিটে বিষ উঠে । তখন চুলকাইতে চুলকাইতে খিচুনি উইডা যায় । শইলডা জ্বলে । প্রলাপ বিলাপও করি শুনছি । শুনিয়া বড় আগ্রহ বোধ হইলো...

capital coast resort and spa hotel cipro

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,... about cialis tablets

acquistare viagra in internet

সত্যজিত রায় এর স্ক্রিপ্ট থেকে স্টিভেন স্পিলবার্গ ET তৈরি করেছিলেন! জানেন কি ?

  আপনি জানেন কি? কোন অফিশিয়াল প্রমান বা রেফারেন্স নেই কিন্তু এটা আসলেই ঘটেছিলো! মাস্টার মাইন্ড সত্যজিত রায় এর স্ক্রিপ্ট থেকে স্টিভেন স্পিলবার্গ ET তৈরি করেছিলেন ! ১৯৬৩ সালে ইসমাইল মার্চেন্ট আর জেমস আইভরি একসাথে একটা মুভি করেন যার নাম ছিলো ” দ্য হাউজ হোল্ডার ” । এই টিমের অনেকের সাথে সত্যজিত রায়ের অনেক ঘনিষ্ঠ ওঠাবসা ছিলো! ঐ মুভির ডিভিডি রিলিজের দিন জেমস আইভরি সত্যজিত রায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন, নিজেকে সত্যজিত রায়ের বেশ ফ্যান হিসেবে প্রমান দেন। উপরের প্রস্তাবনা টুকু গুরুত্বপূর্ন কারন নিচে এটা কাজে লাগবে! ‘ফ্রেন্ডলি এলিয়েন কন্সেপ্ট’ এটার ধারনা সর্বপ্রথম এই সত্যজিত রায়ই প্রচলন করেন/ভাবেন! অ্যামেরিকান ফ্যানদের জন্য...

এই সেই চলচ্চিত্র যেটা ইতিহাস লেখে আর আলোকিত করে!

 গত বছর প্রথম প্রিমিয়ার এর পর থেকেই ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে আসছিল যে এখন পর্যন্ত দাসত্বের উপরে নির্মিত সবচেয়ে ভালো ছবি “12 years a slave”। এটা আসলেই একটা বড়-সড় চ্যালেঞ্জিং দাবি এবং আমার মনে হয় আসলেই যৌক্তিক দাবি ছিল এবং একই সাথে এই প্রশ্নটা উঠে আসে যে আসলে অন্যান্য দাসত্ব ভিত্তিক মুভির সাথে প্রতিযোগিতার জায়গাটা আসলে কোথায়? ব্রিটিশ ডিরেক্টর Steve McQueen এর “12 years a slave” Solomon Northup নামের আপ্সটেট নিউয়র্কে বসবাসরত এক কালো-আমেরিকান পরিবারে জন্ম নেওয়া জন্ম-স্বাধীন নাগরিকের আত্ম-স্মৃতিকথা থেকে অ্যাডাপ্টেড স্ক্রিনপ্লে। Solomon Northup ১৮৪১ সালে কিডন্যাপ হন এবং দক্ষিনে লুইজিয়ানা প্লান্টেশনের এক মালিকের কাছে বিক্রি হন দাস হিসেবে। দাসত্ব...

পেইজ থ্রি (২০০৫): আলো ঝলমল মিডিয়া জগতের অন্ধকারময় কাহিনী

 ভারতের জাতীয় পুরষ্কারপ্রাপ্ত পরিচালক মধুর ভাণ্ডারকরকে সবাই বিশেষ ধরণের পরিচালক হিসেবেই চেনে । গতানুগতিক মশলা মুভি না বানিয়ে উনি জোর দেন বাস্তব জীবন, শো বিজ জগত এবং অফ ট্র্যাকের কাহিনীর প্রতি । উনার পাঁচটা মুভি আমি দেখেছি – ফ্যাশন, কর্পোরেট, দিল তো বাচ্চা হ্যায় জী, হিরোইন এবং পেইজ থ্রি । সবগুলো মুভি নিয়েই হইচই হয়েছে । তবে আজ আমি লিখতে বসেছি মধুরের ছয় নাম্বার ছবি “পেইজ থ্রি” নিয়ে । যখন এটি মুক্তি পায়, তখন আমি এইচএসসি পরীক্ষার্থী । পত্রিকায় মুভিটি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি পড়ে নামটা গেঁথে গিয়েছিলো মনে আর গতকাল সকল অপেক্ষার অবসান করে (অনেক দেরীতে হলেও) দেখে ফেললাম অসাধারণ...

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

দুই প্রতারক

১.||…………… “না..না..না.. ইমপসিবল, এ আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভব না, তুমি ভাবলে কি করে মাত্র ১ লাখে আমি ওই বিজ্ঞাপনে কাজ করবো, আশ্চর্য্যওওও”, গলাখানা কিঞ্চিৎ উচুঁ করেই ননস্টপ এভাবেই ফোনে কাউকে ঝারি মেরে যাচ্ছিলেন মডেল শুমু। অপর প্রান্তে কে আছে বোঝা মুশকিল তবে এ প্রান্তে শুমু ছাড়াও আরো এক ব্যাক্তি যে উপস্থিত তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। হালকা ক্রোধ সহযোগে গলার স্বর খানিকটা উঁচু করে বলা কথাগুলো ফোনের ওপ্রান্তের বদলে এপ্রান্তের লোকটাকে শুনিয়ে ভালোমতো শক লাগিয়ে দেওয়ার প্ল্যান মোটামুটি সাকসেসফুল। পাশের সোফায় বসে অবাক বিস্ময়ে হা করে সেল্ফ ক্লেইমড সুপারস্টরের কথা শুনে চলেছে সে। উদাস বদন ও চোখ মুখের চাহনি দেখে অনুমান...

clomid over the counter