Category: তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব

পুরুষ রচিত ধর্মের চোখে নারী –পর্বঃ০২ (খৃষ্ট ধর্ম)

আমাদের দেশে সমাজ জীবনে নারীর তুলনামূলক অনুপস্থিতি এবং নারীর উপর ধর্ষবাদী পুরুষদের যৌন আগ্রাসন ও ধর্ষণের আধিক্য যে কোনও মানুষের চোখে পড়বে। এটা অবশ্য আমাদের দেশের একক অবস্থা নয়,বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে বহমান। খৃষ্টধর্ম মতে মানব জাতির স্বর্গ হতে পাপ-পংকিল দুনিয়ায় আগমনের জন্যে নারীই দায়ী। ঈশ্বরের আনুগত্য ভঙ্গ করার কাজ সেই সর্ব প্রথম শুরু করে। তাই খৃষ্টধর্ম মতে নারীরা হচ্ছে শয়তানের বাহন, নারীরা হচ্ছে এমন বিষধর সাপ যা পুরুষকে দংশন করতে কখনো পিছুপা হয়নি। আসুন এবারে দেখা যাক,খৃষ্ট ধর্মে নারীর স্থান কি রকম ছিল- খৃষ্টধর্মে উৎপত্তি তত্ত্ব (Genesis) থেকে বাইবেলের অসংখ্য অধ্যায়ে ও পদে নারীকে পূরুষের ব্যাক্তিগত সম্পত্তি ও পূরুষের দাসত্ব স্বীকার...

kamagra pastillas

পুরুষ রচিত ধর্মের চোখে নারী –পর্বঃ০১ (হিন্দু ধর্ম)

নারী কখনো জননী, কখনো কন্যা অথবা স্ত্রী। এই সবই নারীর অবস্থান। এই অবস্থান বেধে নারী এক এক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। জননী হিসাবে নারী সন্তান পালনে প্রধান ভুমিকা পালন করলেও ঐ সন্তানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন অধিকার জননীকে দেওয়া হয় না। পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক অবকাঠামোয় নারীকে নানা ভাবেই ছোট করে রাখা হয়েছে। আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে জৈবিক নারীকে এমনভাবে শিক্ষা-দীক্ষা দেয়া হয়, জন্মের পর থেকেই, যাতে তাদের মধ্যে নারীত্ব বা নারীধর্ম প্রবলরূপে বিকাশ লাভ করে। নারী কি শুধুমাত্র ভোগপণ্য, সন্তান উৎপাদন ছাড়া তার কি কোন নিজস্ব সত্তা নেই? এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে প্রায় ৪২০০ ধর্ম এবং প্রায় ২৮৭০ টা গডের উৎপত্তি হয়েছে বিভিন্ন একেশ্বরবাদী এবং বহুঈশ্বরবাদীদের...

হিন্দু ধর্মের এক বর্বর প্রথার নাম সতীদাহ

ধর্মের প্রতি মোহমুক্ত হয়ে তাকালেই দেখা যায়, ধর্মকে যতটা মানবিক হিসেবে প্রচার করা হয়, আসলে তা নয়। ধর্মটা মনুষ্যত্বের নয়, কতিপয় গোষ্ঠীর-গোত্রের। ধর্ম মানুষের মাঝে একতা গড়ে তোলে না, আনে বিদ্বেষ; যা আসলে উগ্র, হিংস্র, জংলী আচরণে পর্যবসিত হয়। কোনো ধর্মই গণমানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখায়নি।কিন্তু ধর্মবাদীরা মাঝেমাঝে সম্প্রদায়ে-সম্প্রদায়ে মিলে-মিশে থাকার কথা ঘোষণা করেন, শান্তিবাদী হিসেবে নিজেদের ঘোষণা করে্ন, সেটা একটা ফন্দী মাত্র কেবল। কারণ জগতে ধর্মের নামে, এক ধর্ম অন্য ধর্মের ওপর নিজের শ্রেষ্ঠত্ব-কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে মানব সভ্যতার গোড়া থেকেই অগণিত, অসংখ্য মানুষ খুন করেছে এবং আজও সে ধারা অব্যাহত আছে। ফলে ধর্ম আজ মানব-সভ্যতার কলঙ্ক হয়ে...

সনাতন/হিন্দু ধর্মের বর্ণ প্রথা সম্পর্কে সবিশেষ

সনাতন বা হিন্দু ধর্মের ভয়াবহ অভিশপ্ত অন্যতম প্রথা হলো বর্ণ প্রথা।যা মানুষকে উচুস্তর এবং নিম্নস্তরে বিভক্ত করা হয়েছে।অর্থাৎ হিন্দু ধর্ম অনুসারে সব মানুষ সমান নয় এবং এটি একটি জাত ধর্ম অর্থাৎ আপনি জন্মের সময় যে অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেন আপনার বর্ন পরিচয়ও তাই হবে।এই বর্ণ প্রথা মূলত বিভক্ত করা হয়েছে কর্মের ভিত্তিতে।আধুনিক সংস্কারক হিন্দুরা যদিও এখন এসব জাত-পাত মানেন না, কিন্তু মধ্যবিত্ত ও মধ্য-শিক্ষিত সমাজে এর প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।সাম্প্রদায়িকতাই এ ধর্মে বর্ণভেদের একমাত্র কারণ। নৈতিক আচরণভেদ, গায়ের রঙ ও পেশার ভিত্তিতে হিন্দু ধর্মে বর্ণভেদের সৃষ্টি হয়েছে।উচুবর্ণের হিন্দুরা তাদের দৃষ্টিতে যারা নিচুবর্ণ তাদেরকে নিয়ে প্রতিনিয়ত তুচ্ছ তাচ্ছিল,হাসি তামাশা করে এবং নিম্ন...

ধর্ম এবং নাস্তিক্যবাদ

আমরা সকলই বিভিন্ন কারণ-অকারণে ধর্ম এবং নাস্তিকতা নিয়ে একটু বেশী বাড়াবাড়ি করি।সেটা জেনে হোক,আর না জেনে হোক।তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে আমরা সকলই না জেনে ধর্ম নিয়ে একটু বেশী কথা বলি কোন প্রসঙ্গ পেলে হয় শুধু।কিন্তু বেশীর ভাগ লোকই ধর্ম সম্পর্ক ভালোভাবে ধারণা না নিয়েই মনগড়া তথ্য নিয়ে শুরু করে দেয় তর্ক এবং নিজের মনগড়া তথ্যকেই সত্য বলে জাহির করার জন্য হানাহানি শুরু করে দেয়।শুরুতেই আমি বলে রাখতে চাই ধর্ম সম্পর্কে আমিও তেমন কিছু জানিনা।তবে আমি আমার ব্যাক্তিগত উপলব্ধি থেকে ধর্ম বলতে যা বুঝি, ‘ধর্ম’ হচ্ছে কোন কিছুর গুণ বা বৈশিষ্ট্য। জলের ধর্ম তারল্য, অগ্নির ধর্ম তাপ; তেমনিভাবে মানুষের ধর্ম হচ্ছে...

metformin gliclazide sitagliptin

“ধর্মীয় মৌলবাদ একটি মানসিক ব্যাধি” এবং অভিজিৎ রায়ের “বিশ্বাসের ভাইরাস”

“বিশ্বাস নির্ভর সমাজে ধর্মের প্রভাব ব্যাপক। আমাদের পরিচিতি, রীতিনীতি, বিয়েসহ তাবৎ সামাজিক উৎসবে আমরা ধর্মের অস্তিত্ব খোঁজে পাই। কিন্তু আমরা ক’জনে জানি যে, ধর্মের বিস্তার আর টিকে থাকার ব্যাপারগুলো ভাইরাসের মত করে অনেকটা।” – অভিজিৎ রায় (বিশ্বাসের ভাইরাস) রাজীব হায়দার শোভন’কে উৎসর্গিত ২০১৪ সালে প্রকাশিত সদ্য প্রয়াত বিজ্ঞান লিখকও, গবেষক এবং প্রকৌশলী ডঃ অভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইয়ের কিছু অংশ এটি। এই বইয়ে আটটি অধ্যায় আছে। অধ্যায় গুলো নিম্নরূপঃ প্রথম অধ্যায়ঃ একজন নাফিস এবং বিশ্বাসের ভাইরাস দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ বিশ্বাসের ভাইরাসঃ থাবা বাবার রক্তবীজ তৃতীয় অধ্যায়ঃ ব্লগার গ্রেফতারঃ ভাইরাসাক্রান্ত বাংলাদেশ চতুর্থ অধ্যায়ঃ ধর্ম কেন ভাইরাসের সমতুল্য পঞ্চম অধ্যায়ঃ ধর্ম কি সত্যিই...

can levitra and viagra be taken together

ইশ্বরিক বিবর্তনঃ কেতাবী থেকে পৌরানিক

আহলে কিতাব। এরা এমন একটি গোষ্ঠী যাদের নির্দিস্ট একটি করে ধর্মগ্রন্থ রয়েছে। এই আহলে কিতাবদের ভেতরে টিকে আছে ইহুদী, খৃষ্টান আর মুসলিমরা। এদের সবার মোটামোটি কমন আর সাধারণ বৈশিষ্ট রয়েছে, এরা সকলেই নিরাকার এক ইশ্বরে বিশ্বাস করে। তবে খৃষ্টানরা এই ক্ষেত্রে খানিক ব্যাতিক্রম। তাঁদের পূজ্য যীশু নিরাকার নন। আর তিনি পূর্ন ঈশ্বরও নন আসলে। তিনি ইশ্বর পুত্র। আর ইশ্বর অনেকটা হিন্দু ধর্মের পরম ব্রম্মের মতন। আর তিনিও অতি অবশ্যই নিরাকার নন। কিন্তু ………………  হ্যাঁ একটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে। আসুন সেই কিন্তুর অর্থ খোজার চেষ্টা করি।  ওল্ড টেস্টামেন্ট। ওল্ড টেস্টামেন্ট হলো বাইবেলের পুরোনো অংশ। গ্যাব্রিয়েল বা জিব্রাইল কর্তৃক নিয়ে আসা ধর্মগ্রন্থ...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
metformin tablet

ছেমা

আরবীতে ছেমা বলে বাংলা ভাষায় গান, তাহার অবস্থা কিছু শোন মুসলমান। গান বাজনার আদবের কথা শোন বেরাদর, লাখে লাখে লোকে করে তাহার কদর। কেন কদর করে লোকে দেখনা ভাবিয়া, সকলেই পছন্দ করে ভাবিয়া চিন্তিয়া। যে জানে না কিছু সেও গান গায়, দুই এক পদ গাইলে তবে মনে শান্তি পায়। বোবা লোক দেখলে ভাইরে আন্দাজ করিবায়, মাত কথা জানে না ভাই সেও কুন কুনায়। অবোধ শিশু যারা মায়ের দুধ খায়, কেউ যদি কারণবশত ঐ শিশুরে কান্দায়। ঘুমাওরে ঘুমাওরে বলে যদি গান গায়, শিশুর গায়ে থাপ্পড় দিয়া হাতে তাল বাজায়। গানে আর তালে শিশু ঘুমাইয়া যায়। নদী যদি শুকাই যায় নৌকা ঠেকে...

about cialis tablets

কোনো বেধর্মী যেন তৃতীয় পক্ষ হতে না পারে !!

চট্রগ্রামে গিয়ে প্রথম নামলাম জি.ই.সি’র মোড়ে । জীবনে প্রথমবার চট্রগ্রামে পা রাখলাম । উদ্দেশ্য ছিল চাকরীর ইন্টারভিউ । ভোর ৫.৩০ এ গিয়ে যখন নামি, তখন সেখানে মাত্র ১টা চায়ের টং খোলা ছিল আর চারপাশটা ছিল বেশ নিরব । ভোরের সূর্য কেবল উঠি উঠি করছে তখন । নাইট কোচে ভালো ঘুম হলনা বলে পরপর দুই কাপ কড়া লিকারের চা পান করে নিলাম। প্রথম সিগারেটটা ধরিয়েছি সবেমাত্র, তখন ৫.৪৫ এর মতন বাজে । সিগারেট ফুঁকছি, এর মাঝে হঠাৎ করে খেয়াল করলাম আমার অদূরেই কয়েকজন বোরকা-পরিহিত মহিলারা এসে দাঁড়ালো । এই সাত সকালেই বোরকা পড়া দেখে কিছুটা বিস্মিত হলাম । তবে কিছুক্ষন যাবার...

সব কথার পিঠেই উনার তর্ক আছে

সাধারন মানুষের বিশ্বাসই সবচাইতে মারাত্মক মরণাস্ত্র । তারা কোন সাত-পাঁচ না ভেবেই বিশ্বাসের জোরে যে কোন জায়গায় খুঁটি গেড়ে বসতে পারে । যুক্তির তোড় তাদের কাছে কোন মর্মার্থ বহন করে না । দিন আনি – দিন খাই টাইপের মানুষের এত সময় কই, সাত-পাঁচ ভাববার ? যেখানে যা কিছুই হোক না কেন, দিন শেষে নিজের পেটে ভাত জুটলেই তো হল ! এই ভাত জুটাবার জন্য কলুর বলদের মতন খাটতে সবাই রাজি । সে কোটিপতিই হোন না কেন, কিংবা রিক্সাচালকই হোন না কেন ? ঘরে বসে বসে কেউ সারাজীবন উদরপুর্তি করেছে, এমনটা প্রমাণ কখনোই দেখা যায় নি । এমনকি অনলাইনে আয় বলতে...

যদি কেউ কথা না কয়. . .

আমার কেন মানবতাবাদী হতেই হবে ? প্রথমেই ধরে নেই আমি একজন প্রচলিত ধর্মে অবিশ্বাসী মানুষ। নাস্তিক। ঈশ্বরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করি। আমার বেঁচে থাকতে, টিকে থাকতে, আমার অস্তিত্ব রক্ষার্থে কোনো কল্পিত ঈশ্বরের আমার প্রয়োজন নেই। এখন অধিকাংশ অবিশ্বাসীর ক্ষেত্রে যা হয়, ধর্মের কল্পিত ঐশ্বরিক অংশকে বাতিল করে দিয়ে বরং নৈতিক দিকগুলো ধারন করেন। যদিও ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষাগুলো ধর্ম থেকে আসে না, আসে মানুষের পারিপার্শ্বিক সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ থেকে। আমার ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে তাই প্রশ্ন; আমার কেন নীতিবান হতেই হবে? আমার কেন মানবতাবাদী হতেই হবে? আমার কেন মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন হতেই হবে ? ব্যাপারটার বিস্তারিত আলোচনার পূর্বে তাই কিছু সংশ্লিষ্ট আলোচনার...

side effects of quitting prednisone cold turkey

ইসলামের পবিত্র বাণী ভার্সাস উল্কাপতন, বজ্রপাত ইত্যাদি প্রসঙ্গ

কোরান : বজ্রপাত-উল্কাপতন সম্পর্কে কি বলে ? নিশ্চয় আমি পৃথিবীর আসমানকে সুসজ্জিত করেছি নক্ষত্রমালার সুষমা দিয়ে এবং সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে। ফলে শয়তানের দল উর্ধ্বজগতের কোন কিছু শুনতে পারে না এবং তাদের প্রতি সব দিক থেকে উল্কা নিক্ষেপ করা হয় কিন্তু কোন শয়তান হঠাত্‍ কিছু শুনে ফেললে, এক জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তার পদানুসরণ করে (কোরান ৩৭:৬,৭,৮,১০); বজ্রপাত ঘটার উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখানো বা কাউকে আঘাত করা (কোরান ১৩:১২-১৩); আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সাজিয়েছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্য জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি (কোরান ৬৭:৫); তুমি কি জানো সহসা আঘাতকারী বস্তুটি কি? এটা একটা...

renal scan mag3 with lasix

প্রসঙ্গ নারী : ধর্মীয় আর সামাজিক বর্বর আইন নারী খৎনা Female Circumcision

নারী খৎনা যা নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ, নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ এবং নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই নামেও পরিচিত; বলতে বোঝানো হয় সে সকল কার্যপ্রণালী যেগুলোতে স্ত্রী যৌনাঙ্গের আংশিক বা পুরোপুরি অপসারণ করা অথবা সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনো চিকিৎসা বহির্ভূত কারণে নারীর যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করা হয় বা ক্ষত সৃষ্টি করা হয়। এটি সেই ধরণের কার্যপ্রণালীগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়, যেগুলো আন্তলৈঙ্গিকদের জন্যে লিঙ্গ প্রতিস্থাপন সার্জারি বা যৌনাঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়। এর চর্চা সারা পৃথিবীতেই আছে, কিন্তু প্রধানত আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়াতেই এর চর্চা বেশি দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রক্রিয়াটিকে চার ভাগে ভাগ করেছে: টাইপ ১, ২, ৩ এবং ৪। তিন নম্বর কার্যপ্রণালীটিকে ঘিরে...

doctus viagra
posologie prednisolone 20mg zentiva