Category: কথাসাহিত্য

আমার ফটোগ্রাফার

ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করতে সেদিন তার সময় লেগেছিল পাঁচ মিনিট। লেন্স ঠিক করে ক্যামেরা হাতে দাঁড়াতে আরও অনেকক্ষণ। তারপর একের পর এক সমস্যা। হয়তো ব্যাগ থেকে পড়ে গিয়েছে কোন লেন্স; অথবা ছবি তোলার মাঝে আমার চোখ বন্ধ। এরকম আরও অনেক কিছু। তার উপর সময় নিয়ে ছিল ওর অসীম তাড়াহুড়ো। ছবি তোলার সময় ক্যামেরার ফ্ল্যাশ নিয়ে যার সমস্যা, তার আরও অনেক সমস্যা। যে ছবিটি তুলতে চাচ্ছে তার ফ্রেমটি ঠিক করা যাচ্ছে না, হয়তো আমি একটু নড়েছিলাম; তা নিয়েও তার কপালের মাঝে স্পষ্ট বিরক্তির ছাপ। আমার অসাধারণ নদীটির একটিও ছবি তুলতে যে কোনও আগ্রহ বোধ করেনি-সেই অদ্ভুত ছেলেটি “আমার ফটোগ্রাফার”। আমার...

zoloft birth defects 2013

ঈদের পরের আন্দোলন ১৮+

নিশুতি নির্জন রাত, ঝিঁঝিঁ পোকার অবিশ্রান্ত ডাক ছাড়া আর কোন শব্দ নেই, আলিশান বাড়িটার সিঁড়িঘরের নীচে আলপিন পতন নীরবতায় কোনার দিকে লুকিয়ে ছিলো চোরটা। রুটিনমাফিক চেকিংয়ে বেড়িয়ে সেদিকে চোখ গেলো তোবারক সাহেবের, নড়াচড়া টের পেতেই দেখলেন কালো দুটো পা থেকে দশটা সাদা নোখ তার দিকে তাকিয়ে হিহি করে হাসছে, তোবারক সাহেব খানিকটা ভড়কে গেলেন। তিনি পা’ধারীর মুখের দিকে তাকাবার প্রয়োজন মনে করলেন না, যা বোঝার বুঝে নিলেন। ষাট ওয়াটের বাতিটার সুইচ টিপে দিতেই দেখা গেলো চোরের পরনে ছাই রং এর হাওয়াই শার্ট আর ছেড়া ফাঁটা জিন্সের প্যান্ট। তোবারক সাহেব সেই ছাই রঙা শার্টের খসখসে কলারটা খপ করে ধরে টেনে হিঁচড়ে...

লেবুর শরবত, একটি সম্পর্ক এবং নির্মম একটি রসিকতা

মালিবাগ রেল গেট থেকে খিলগাঁয়ের দিকে যেতেই রাস্তার ডানদিকেই পড়ে মিলন হেয়ার কাটিং এন্ড সেলুন। সেই দোকানের নরসুন্দর রুবেল মিয়া আজ বেশ সকালবেলায় দোকানের সামনে এসে হাজির হয়েছে। দোকানের মালিক মিলন তখনও গভীর ঘুমে। গত কিছু দিন ধরেই রুবেল সকাল ৮ টার আগেই দোকানের আশেপাশে ঘুরঘুর করে। সবাই জানে যে সে মিলন হেয়ার কাটিং এর কর্মচারী তাই সাত সকালে দোকানের সামনে ঘোরাঘুরিতে কেউ কিছু মনে করে না। অবশ্য বিনা কারনে সাত সকালে রাস্তার মোড়ে ঘোরাঘুরি করার মত মানুষ রুবেল না। সকাল বেলা রাস্তার মোড়ে উপস্থিত হবার পিছনে তার একটা উদ্দেশ্য আছে। প্রতিদিন সকালে গার্মেন্টসের মেয়েরা দল বেধে সব কাজে যায়।...

লাবিব #১

১. লাবিবকে আমি চিনি ক্লাস ফোর থেকে৷ হুট করেই কোথা থেকে যেন উড়ে এসেছিলো৷ গাট্টাগোট্টা শরীর, গোলগাল একটা মুখ৷ চেহারাটা খুব সাধারন কিন্তু চোখদুটো একেবারে পাথরের মত৷ হাসির কোন চিহ্ন নেই মুখে৷ পিঠে ঝোলানো একটা অনেকদিনের পুরোনো মলিন কিন্তু অক্ষত ব্যাগ৷ ওকে ভর্তি করাতে এসেছিলো ওর কোন এক কাকা৷ যাকে এরপর আর কোনদিন দেখিনি৷ কাকাটা সারাক্ষনই স্যারের সামনে বসে হাসছিলো ফ্যাকফ্যাক করে৷ কিন্তু লাবিব হাসছিলো না৷ চোখমুখ শক্ত করে পাশের চেয়ারটায় বসে ছিল শুধু৷ আমার মনে আছে৷ কেন মনে আছে জানিনা কিন্তু লাবিবের প্রথম দিনগুলোর কথা আমার বেশ ভালভাবে মনে আছে৷ আমাদের স্কুলটার নাম ছিল বুড়িচং আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়৷...

ভালোবেসে চলে যেতে নেই

ফোনটা ভাইব্রেট করেই চলছে।স্ক্রিনের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি।হাত কাপছে।এতোদিন,এতো বছর পর আবার সেই অতি পরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসছে আজ নাম্বারটা দেখে বুকের মাঝে কেমন যেন কাপুনিটা একটু বেড়ে গেলো।মনে হচ্ছে বুকের মধ্যে কাল বৈশাখী ঝড় উঠেছে।আর থাকতে পারলামনা সেই নাম্বারের দিকে চেয়ে থাকতে। এইবার ফোনটি হাতে নিয়ে চোখ বন্ধ করে রিসিভ করলাম।ওপাশ থেকে ভেসে আসলো সেই পরিচিত কন্ঠস্বর।এতো বছর পর একটুও বদলায়নি।সেই আগের মতোই আছে………………। হ্যালো…………………………!!! কি হলো?কিছু বলছ না যে?ভুলে গেছ নাকি?নাকি চিনতে পারোনি? ঃ না আসলে ৫ বছর পর এই নাম্বার থেকে কোন ফোনের আশা করিনাই।তাই বুঝতে পারছিনা কি বলে উঠব। :ও পাশ থেকে আসলে কয়েকদিন...

প্রেম এবং এল ক্লাসিকোর গল্প

নিশার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ছোট খালার বাসায় । বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সবে মাত্র পাশ করেছি। সদ্যই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে জয়েন করেছি ।  হঠাৎ একদিন কোন এক অজ্ঞাত কারনে ছোটখালা আমাকে ডেকে পাঠালেন। অবশ্য ছোট খালা কি কারণে ডেকে পাঠাতে পারেন সেটা বের করা আমার জন্য তেমন কোন কঠিন কাজ ছিল না। আমাদের এই ছোট খালা মানুষের বিয়ে দিয়ে অদ্ভুত এক ধরনের আনন্দ পান। আমাদের আত্মীয় স্বজনদের অনেকেরই বিয়ে হয়েছে তার মাধ্যমে। অন্যের বিয়ে দেবার ব্যাপারে তার কখনো ক্লান্তি দেখিনি । কারো বিয়ের আয়োজন করা যে আনন্দময় কাজ হতে পারে সেটা শুধুমাত্র তাকে দেখেই বুঝতে শিখেছি । অন্যের বিয়ে দিতে এত আনন্দ পেলেও শুনেছি...

আমার মায়ের মোটর বাইক এবং কিছু শুকর ছানার আচরন

আমার মা একসময় বেশ কয়েকবছর ব্র্যাকের চাকরি করেছিল। সম্ভবত সেসব আরো ২০ বছর আগের কথা। তো ব্র্যাকে তাদের চাকরিতে অফিস থেকে সবাইকে একটি করে বাইক দেয়া হত। আমার মাও পেয়েছিল, আমার মা সহ তার আরও অনেক নারী সহকর্মীরা বাইক পেয়েছিল এবং তারাও বাইক চালাতো। বাইক চালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গার ব্র্যাকের অধীনে থাকা স্কুলগুলো ভিজিট করতো। তাদের বাইক চালাতে যেই সমস্যায় পরতে হয়েছিল, সেটা হল, রাস্তায়ঘাটে তো কোন মেয়ে সচরাচর বাইক চালাতে দেখা যায় না, এখনই দেখা যায় না, আরও বিশ বছর আগে তো সেটা কল্পনাই করা যায় না। তো রাস্তায় ঘাটে সবাই অবাক হত, এসব মেয়েদের বাইক চালাতে দেখে। কেউ...

all possible side effects of prednisone

বাইয়া

আসু। মানে আসমান। আমাদের বড় ছেলে। পুরোটা স্কুল জীবন কাটিয়েছে একা একা। বন্ধুবান্ধব কখনও তেমন ছিল না। খুব একটা মিশুক ছিল না কখনই। ছেলে আড্ডাবাজ হলে বাবা-মা বরাবরই বিরক্ত হয়। তাই বলে ছেলে অতি ঘরকুনো হলে যে সেটা কোন বাবা-মা পছন্দ করে তাও নয়। আমরাই আসুকে বলতাম, বাইরে গিয়ে একটু খেললেও পারিস কিংবা তোর কোন বন্ধুবান্ধবকে বাসায় আনলেও তো পারিস। আসু খানিকটা অভিমান জড়ানো গলায় বলত, “বাইরে যাব কেন? আমার বাসায় খেলার মত কেউ নাই কেন? সবার ভাইবোন থাকে, আমার কেন নাই?” প্রথমদিকে আমি বা রাত্রি মুখ টিপে হাসতাম। কিন্তু, পরে ব্যাপারটা শুধু মুখ টিপে হাসার মধ্যে থাকল না। আসু...

accutane prices

অবতার

২০১৫ সালের কোনো এক রাতে যখন রইসুদ্দিনের চারটি বউ স্বামী অধিকারনিয়ে ঝগড়া করছিলো, সেই রাতেগৌতমের মতই সুখের সংসার ছেড়ে বেরিয়ে পরলেন সানি লিওন। তিনিও মহাপুরুষ হবেন বলে। মহাপুরুষ হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে, বেরিয়ে আসা। শুরুটা করতে হয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে, এরপর ধ্যান বেরিয়ে আসে, শেষে জ্ঞান বেরিয়ে আসে। সব শেষে নারী দেহের সান্নিধ্যে সামাজিক অসামাজিক অনেক কিছু বেরিয়ে আসে। আজ পর্যন্ত কোন মহাপুরুষ মহিলা হলো না। এটা হতাশা নাকি নিয়তি? বাসে লাফিয়ে উঠার সময় একটি মহাপুরুষের উত্তরাধীকারী ছুঁয়ে দিলো সানিকে, সহজ ভাষায় হাতিয়ে দেয়া। মহাপুরুষরা শুধু হাতাহাতিতে ব্যস্ত।আচ্ছা, নারীরা কি মহাপুরুষ হতে পারে ?   তার কতো ইচ্ছা ছিল...

মধ্যরাতের বৃষ্টি ও লাল রঙ

১। ওই যে বাবুই পাখির একটা বাসা না? হুম। এই শহরে বাবুই এল কোথা থেকে!! দুইটা বাবুই দেখা যাচ্ছে। এই বৃষ্টিতে ঘরের মধ্যে ওরা কি করে? সুখ দুঃখের গল্প?? ওদের কত মজা! মনের কথা বলতে মুখ খুলতে হয় না…মৌনতাই বলে। পথ পার হতে হয় না। উঁড়লেই চলে।। আচ্ছা বৃষ্টিতে কখনো আকাশে পাখি উঁড়তে দেখেছো? আমি দেখি নি। কেন ওড়ে না?ওদের কি জলের মাঝে ডানা ডুবিয়ে দিতে মন চায় না? আমার মতোন ওরাও কি বৃষ্টি ভালবাসে না? নাকি ভয় পায় কখন মেঘের ফাঁক দিয়ে বিদ্যুত্‌ পরী গর্‌জে উঠবে আর চমকে দেবে ওদের? আজকের বৃষ্টিটা এরকম করে ঝরছে কেন? ঝরঝর ঝরঝর। এভাবে...

গ্লোবাল খেয়ে লোকাল ভাবনা, প্রসঙ্গঃ নারীর পর্দা প্রথা

চা, কফি সফট ড্রিংক্স, জুস, কিংবা এনার্জি ড্রিংক্স; এইসব কি বঙ্গীয় খাবার নাকি লাচ্ছি, মাঠা কিংবা লাবাং? পাশাপাশি সব কিছু খেতে কোন সমস্যা হচ্ছে আপনার? কিংবা আমার? আমাদের? হচ্ছে না একটুও খুব সহজেই আমরা সব মানায় নিয়েছি, গ্রহণ করেছি সত্যকে সহজে। আপেল, কমলা অথবা ব্ল্যাকবেরী কি আমাদের ফল কিংবা হালের স্ট্রবেরী? নাকি বরই, পেয়ারা, আতাফল আর ঢেউয়া -লটকন এইসব আমাদের ঐতিহ্যবাহী ফল? কই সবই তো নির্দ্বিধায় খাচ্ছি একসাথে! ভালকে সত্যকে গ্রহণ করতে কোন সমস্যা হয় নি বাঙালী নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর। ফ্রেন্স ফ্রাই আর ফ্রাইড চিকেন কিংবা চাইনিজ আর থাই ফুড এই তল্লাটের ভোজন রীতির অংশ? আমি জানতাম খিচুড়ি, তেহেরি কিংবা ভর্তা...

synthroid drug interactions calcium

আত্মতৃপ্তি

  আমার কি দৌড়ানো উচিত? নাকি স্বাভাবিক ভাবে হেটে যাওয়া উচিত? আমার পাশ দিয়ে একের পর এক গাড়ি ছুটে চলছে।কার ট্যাক্সি রিক্সা ট্রাক ।আমার কি কোন গাড়ি নেওয়া উচিত? ট্যাক্সি বা রিক্সা? কিসে যাওয়া উচিত বাসায়? সন্ধ্যা বেলায় চারিদিকে উজ্জ্বল আলো।প্রতিটি দোকান চমৎকার আলোতে আলোকিত। আমার এখন কেমন লাগছে? কিছুক্ষণ আগে যা হল তা কি আমার জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।জীবন পালটে দেওয়ার মত কোন ঘটনা? কি হয়েছে ? আমার শরীর কি খসে পড়েছে? কোন অঙ্গ নিঃসাড় হয়ে গেছে? কোথাও নোংরা লেগেছে? কোথাও চাপ পড়েছে? কোথাও ব্যাথা পেয়েছি? এমন কিছু কি হয়েছে যাতে আমার জীবন কাল থেকে আর ঠিক ভাবে চলবে...

সেক্স & দ্যা সিম্প্যাথি… (১)

খুশির যথেষ্ট কারন ছিলো গ্রোভারের, সে ভেবে পাচ্ছিলোনা কি করবে!… এতোদিনের ক্ষুধা, আপাদমস্তক তৃষ্ণা সে চেপে বসে আছে, যা আজ মিটিয়ে নেবার অনবদ্য পথ বেরিয়ে গেছে। যে যাবার সে চলে যাক, তৃষ্ণা! সে তো ছিলোই, সে থেকে যাবে, হয়তো সত্তুর আশি অবধি। এ বড় দুর্বোধ্য আকাঙ্খা, বড় দুর্বিষহ আকর্ষন। গ্রোভার কুদর্শন নয়, তবুও কেনো জানেনা তার দিকে মেয়েরা কোন টান অনুভব করেনা! যুগের সাথে তাল মিলিয়ে স্টাইল, ট্রেন্ড, ফ্যাশন, অনেক মেনে দেখেছে সে, কাজের কাজ কিছুই হয়না। যদিও এ নিয়ে আক্ষেপ নেই তার, আজকে তো একদমই নেই! সিমরান! মনে পড়ে গ্রোভারের! একরকম জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছিলো তার কাছে, প্রথম...

wirkung viagra oder cialis

ঘৃণা

ঝুম বৃষ্টির মধ্যে কারাগারে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য রাখা সেলে শুয়ে আছে কাম্রু।ইদানীং রাত হলেই খিল খিল করে হাসা অনেক নারীর কন্ঠ শুনতে পান।কয়েক দিন ধরেই রাতে ঘুম হচ্ছে না।আজ তো বোধহয় হবেই না,আগামিকাল রিভিউ এর রায় আসছে।চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর ব্যার্থ চেস্টা।মাঝেমধ্যে মনে পড়ছে সেই দিনগুলির কথা।আর আফসুস হচ্ছে,আরেক বার ক্ষমতায় এলেই মন্ত্রী হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার,তারপর প্রত্যাহ সকালে উঠে গেয়ে উঠতেন পাক সার জমিন সাদ বাদ। গানটা গাওয়ার সাথে সাথে দিলটার মধ্যে কেমন যেন প্রশান্তি বয়ে যায়,শরিরে উত্তেজনা আসে।আর এইসব বাদ দিয়া কি একটা মালাউনের জাতীয় সংগীত গায় পোলাপান। এই পোলাপান গুলাই নস্টের গোড়া ৭১ এই বেয়াদ্দপ গুলার জন্যই...

প্রতিশোধ

___১___ দীপ্ত, বয়স আঠারো উনিশ। লম্বাটে চেহারা। ফর্সা। অন্যদের থেকে একটু আলাদা। রাতে ঘুমাতে ঘুমাতে ভোর হয়ে যায় আর সকালে ঘুম ভাঙতে ভাঙতে  দুপুর। নিশাচর বলা চলে। পড়ে ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে। ছাত্র হিসেবে ভাল বলতে শিক্ষকেরা দ্বিধা করলেও ভাল রেজাল্টের কারণে আর কিছু বলতে পারে না তাকে। কলেজে যাওয়াটা তার মনের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। করার মত কাজ না থাকলেই কলেজে যায়। বলেই ছিলাম অন্যদের থকে আলাদা। অনেকের কাছেই তারছিঁড়া  নামেই পরিচিত। তাহমিদ, রাসেল, রবিন ও সুপ্ত ওরই মত তারছিঁড়া। এই তারছিঁড়াদের নিয়েই দিপ্ত’র  সারারাত কাটে। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য কোডিং করে রাতভর। এদের নিয়েই দিপ্তর জগৎ। মেঘলা। মেঘের মতই দুরন্ত।...

ovulate twice on clomid

স্বাধীনতা – এক উপলব্ধি

“The great revolution in the history of man, past, present and future, is the revolution of those determined to be free.” – John F. Kennedy বাঙালীর শোষিত হওয়ার ইতিহাস বহুদিনের। দিনের বললে ভুল হবে,বহু শতাব্দীর। শুধু বৃটিশ না,আফগান, মোঘল আরো অনেক জাতির কাছে শোষিত হয়েছে বাঙালী। শোষিত হতে হতে নিজের যে আলাদা একটা স্বত্ত্বা আছে, সংস্কৃতি আছে,ঐতিহ্য আছে তা কারো মনেই ছিল না। ১৯৪৭ এ বৃটিশদের শোষণ থেকে মুক্তি পেলেও বাঙালীর জন্য সেই মুক্তি ছিল নামেমাত্র। শোষণের বিন্দুমাত্রও কমেনি। বরং বেড়েছে। বাঙালীর টনক নড়ল যখন প্রথমবারের মত মুখের ভাষার উপর আঘাত হানা হলো। বাঙালীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপ্লব বায়ান্নোর “ভাষা...

posologie prednisolone 20mg zentiva

ক্রিকেট বিশ্বায়ন: একটি নাটকের শিরোনাম

তারা ক্রিকেট বিশ্বায়নের কথা বলে বেড়ায় । এতটাই বিশ্বায়ন ঘটেছে যে , বিশ্বকাপে ১৬টি দেশের পরিবর্তে ১৪টি দেশ অংশ নিতে পারে । চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে র্রাংকিংয়ের নবম আর দশম দেশ খেলার সুযোগ পায় না । তাদের বিশ্বায়নের প্রভাবে ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা কেনিয়া আর সুপার সিক্স খেলা কানাডা ক্রিকেটবিশ্ব থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছে । পাকিস্তান , ইংল্যান্ড , ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পরেও আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে । জন ডেভিসন , স্টিভ টিকোলো বা কেনেডি ওবায়ার মতো ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের করুণ সমাপ্তি ঘটেছে তাদের বিশ্বব্যাপি ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রভাবে ! আইসিসির লভ্যাংশের সিংহভাগ যায় ক্রমান্বয়ে ভারত , অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের...

বাংলদেশ হেরেছে, ভারত চুরি করে জিতেছে! বাণিজ্যের কাছে ক্রিকেট পরাজিত হয়েছে

আজকে ভারত—বাংলাদেশ ম্যাচ টা ব্যাক্তিগতভাবে অনেকাংশেই আমার কাছে পাতানো সাজানো গোছানো ভারতীয় রিয়েলিটি টিভি শো গুলোর মতো মনে হয়েছে। শুধু এ ম্যাচ না, এ গোটা ওয়ার্ল্ডকাপটাকেই কেনো যেনো আমার কাছে ভারতীয় বস্তাপঁচা টিভি রিয়েলিটি শো এর মতো মনে হইতেছে। যেগুলো তে আগে থেকেই উইনার—রানার্স আপ ফিক্সড করা থাকে। যেমনঃ, ঐ শো গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগী যতই ভালো পারফর্ম করুক লাভ নাই; চাবি থাকে শো ডিরেক্টরের হাতে, সেই হর্তাকর্তা, সে নানাভাবে টুইস্ট-সিমপ্যাথি সংযোজন ও কর্তন করে টিআরপি বাড়াইয়া শো পরিচালনা করে; একসময় ট্যাকাটুকা উইঠা গেলে শো খতম করা হবে। এখানে মাঝখান দিয়া লাভ টা কি হইলো বলেন তো দেখি?? লাভ হচ্ছে,...

acquistare viagra in internet

A Power Blanket Around Bangladesh

একসময় বলা হত যে দেশে সালফিউরিক এসিড উৎপাদন যত বেশী সে দেশের শিল্প তত অগ্রসরমান। এখন বোধহয় যে সব দেশের মাথা পিছু বিদ্যুতের  ব্যবহার যত বেশী সে দেশেই তত বেশী এগিয়ে। এখন ক্ষুদ্র থেকে মাঝারী কিংবা কুটির এমনকি বৃহৎ শিল্প অথবা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিখাত সবই বিদ্যুতের ব্যবহারের সাথেই সম্পৃক্ত। আর তাই শক্তি কিংবা পাওয়ার কনজাম্পশনের মাথা পিছু হার দেখেই বুঝা সম্ভব কোন দেশ কতটা সম্বৃদ্ধ। সার্বিক বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহারের তুলনামূলক চার্ট [তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া]  এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম তা বের করা মুশকিল। তবে মাথা পিছু ২৮ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে ২০১২ সালের তথ্যানুযায়ী। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা বেশীরভাগ রাষ্ট্র শীত প্রধান... can levitra and viagra be taken together

ছোট গল্প – স্রোতের বিপরীতে

(১)  পল্লব হালদার ফটোগ্রাফিটা শুরু থেকেই ভাল করতেন। কবি মন নিয়ে ঝোলা কাঁধে বেড়িয়ে পড়তেন এদিক সেদিক। সে ঝোলায় খাতা-কলম এর বদলে থাকতো ক্যামেরা- ডিএসএলআর। আমাদের হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালাটা শুধু জাত চেনাতেই পারছিলেন না। পরিচিতি বাড়াতে তাকে অগত্যা পরিচিত মহলের সুন্দরী কন্যাদের দিকেই ফিরতে হলো। শাটার পড়তে লাগলো হেমন্তের শেষ বৃষ্টির পর শীতের মত হুড়মুড় করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে সে খ্যাতি ছড়ালো মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এর মতো। ‘অসাধারণ ফটোগ্রাফার’ মন্তব্যের সংখ্যা স্বীয় ভুখন্ড অতিক্রম করতেই তার মনে হলো- এসব তো আত্মপ্রতারণা! কাব্যরসের যথেষ্ট উপাদান পেলেও কবির কাব্যগাঁথা রচনা হচ্ছিলো না। ‘এখানে গল্প কোথায়?’ ভাবলেন, হালের স্রোতে গা না ভাসিয়ে তাকে...

buy kamagra oral jelly paypal uk