Category: কথাসাহিত্য

synthroid drug interactions calcium

আনন্দ বেদনার আসা যাওয়া….

অন্তুদের চারতলার ফ্ল্যাটে আজ আনন্দের ধুম, কিন্ত আনন্দটা চাপা। কোন কোলাহল নেই। আনন্দটা ছড়িয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে সবার চোখে চোখে মনে মনে। অন্তুর চাকরিটা যতোটা না তার দরকার ছিলো তার’চে বেশী দরকার ছিলো এই পরিবারের। তাই কারোরই আনন্দের সীমা নেই। গনিগঞ্জ থেকে গোলাপ চাচা ছুটে এসেছেন খবরটা পেয়ে। ছোটবেলা থেকে অন্তু তাকে “রোজ আংকেল” বলে ডাকে। এ নিয়ে গোলাপ চাচা বিরক্ত বা বিব্রত হননা। গদগদ হয়ে বলেন, ওরে অন্তুর মা দেখছিস, তোর পোলা আমারে ইংলিশ ভাষায় চাচা ডাকে, এই না হইলে শিক্ষিত পোলা। যদিও অন্তু তার চাকরি নিয়ে অতোটা উল্লাসিত নয়, সে চুপচাপ বসে আছে তার ঘরে। বেকার ছেলেরা সব’চে... can levitra and viagra be taken together

accutane prices

যে প্রেমটি হল না

এটা বড় আক্ষেপের কথা গেল প্রেমগুলোর দোষে তোমাকে যে ভাল লেগেছে তা হয়তো বলাই হবে না আবার প্রেমে পড়লে লোকে মন্দ বলবে চরিত্র নিয়ে টানাটানি শুরু হবে তাই প্রচন্ড ভাল লাগা স্বত্তেও তোমাকে আর সেটা বলছি না যেদিন প্রথম দেখেছিলাম তোমাকে ঠিক সেদিন থেকেই ঘটনা বুঝতে সময় লাগেনি আমার এক মূহুর্ত এরকম মূহুর্ত যে আরও এসেছে বার কয়েক জীবনে প্রতিটি প্রেমই বুঝি প্রথম প্রেমের মত প্রতিবারই মনে হয় এই বুঝি আজন্ম আকাঙ্ক্ষিত প্রেম এই বুঝি শেষ প্রেম, আর জীবনেও না… গেল প্রেম গুলোর মত তুমিও কি সেই গৎবাঁধা হবে নাকি আমাকে অবাক বিষ্ময়ে বিস্মিত করবে এই ভেবেই যে দিন রাত... cialis new c 100

can you tan after accutane

হ্যাপি ফুটবলিং :-)

ফুটবল খেলা চলছে !! সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল । দুটি দলের লক্ষ্যই জয় । কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজী নয় । খেলায় তখন টানটান উত্তেজনা । কিন্তু এই সময় হঠাৎ করেই সকল স্বাভাবিকতার ধারধারি না ঘেঁষে রেফারী বাবাজি একটি দলের ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেন । ব্যস, এবার আর সামলায় কে ! মূহুর্তের মাঝেই শুরু হয়ে গেল হৈ চৈ । “দলের ক্যাপ্টেনকে কেন লাল কার্ড দেওয়া হল” এই অযুহাতে খেলা বন্ধ করে মাঠের মাঝখানেই খেলোয়ারগুলো হাত–পা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করে দিল । কিন্তু অবাক কান্ড ! একটি দলে খেলোয়াড় তো থাকে ১১ জন । কিন্তু মাঠের মাঝে যে ১৬ জন দাঁড়িয়ে... venta de cialis en lima peru

missed several doses of synthroid

আমি একটা পাতার ছবি আঁকি. . .

মাঝ রাত্তিরে যে তুলসী বিলে পরীর মেলা বসে সে আমি জানতাম না। তুলসী বিল আমার সাত পুরুষের সম্পদ। আমার বাবা, তার বাবা। তার দাদা, তারও দাদার বিল ছিলো এই তুলসী বিল। এপার থেকে ওপার দেখা যায় না। মাঠ পেরিয়ে ঘাট পেরিয়ে, সমিরুদ্দির বর্গা জমি ডাইনে রেখে যতদূর চোখ যায়, তুলসী বিল শেষ হয় না। গেলো বছর বর্ষায় পোয়াতি গাভীর মতো টলমলে পানিতে মিজাইন্যার ছাও টা ডুইবা গেলো , ঘের দেয়ার ঘোষনা হল তুলসী বিলে। সেই থেকে দুই বর্ষা ছাপিয়ে তিন বর্ষা হাজির, ঘের দেয়া আর শেষ হয় না। সেই সে ভজনপুর থেকে রামচন্ডী, তেতুলিয়া থেকে শিলিগুড়ি ; তুলসী বিলে এক... buy kamagra oral jelly paypal uk

শিরোনামহীন কিছু অগোছালো ব্যাখ্যা!!- প্রথম অনুচ্ছেদ

দেশান্তরী হওয়ার পর দেখতে দেখতে প্রায় ৩ টা বছর পার করে দিলাম। খুব উত্তেজনা নিয়ে ইতালি পাড়ি জমিয়েছিলাম। ভাল ভাল ইউনিভার্সিটির  বড় ডিগ্রি নিব,  বড় কোম্পানিতে চাকরী করবো, হাজার হাজার ইউরো ডলার উপার্জন করব, মনের মানুষটিকে একদিন বিয়ে করে ঘর সংসারী হয়ে যাব। এক কথায় সিম্পেল লাইফ প্লান। কিন্তু আসলে সবার পেটে সব কিছু সহ্য হয় না, তেমনি সবার জন্য বিদেশের জীবন যাপন নয়। কেননা আজ দুই বছরে আমার আসে পাসের এতো বন্ধু বান্ধব, মামা, চাচা, ভাই বোন এর ভিতর একজন বাদে অন্য কাউকে পাইনি যে বা যারা আমাকে একটি বারের জন্য হলেও বলেছে যে পড়াশুনা শেষ করে দেশে কিছু...

স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাস

রিহানের পরিবারটা খুব ভালই ছিল।কিন্তু সব এলোমেলো হয়ে যায় যখন রিহানের মা মারা যায়।রিহান তখন ক্লাস এইটের ছাত্র।রিহানের মা মারা যাওয়ার কিছুদিনই পর তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে।আর তখনই রিহান বুঝতে পারে সময় হয়েছে নিজেকে নিজে দেখার।প্রচন্ড মানসিকভাবে শক্ত রিহান একদিন তার বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে।নিজের মায়ের স্থানে অন্য আরেকজনকে সে কিছুতেই দেখতে পারছিলনা। যাওয়ার সময় রিহান তার এক বন্ধুর আত্মীয়ের বাসার ঠিকানা নিয়া যায়,সেখানেই সে ওঠে কিন্তু তারা তাকে রাখে একজন কাজের ছেলে হিসেবে বিনিময়ে রিহান শুধু থাকতে আর খেতে পারবে।সময় পার হয়,রিহান নতুন বছরে একটি সরকারী স্কুলে যায় সেখানে একটি আবেদন করে তাকে যেন বিনা বেতনে...

“জেনেট কটেজ” বড়দের জন্য ছোটগল্প…

কৈশোরের শুরু থেকে আমার কাজ ছিলো নতুন নতুন মেয়েকে আমার প্রেমে মুগ্ধ করে ভোগ করে ছেড়ে দেয়া। এ ক্ষেত্রে আমার গ্ল্যামার, কথা বলার ভঙ্গি, সাধনা লব্ধ একটা আলগা ও দৃপ্ত ব্যাক্তিত্ব, তীব্র সেন্স অভ হিউমার অনেক সহায়তা করতো। কাউকে প্রেম নিবেদন করে ফিরতে হয়নি আমাকে। যদিও কোন প্রেমই দুই হপ্তার বেশী টেকেনি শরীরস্বর্বস্ব অনুভুতির কারনে, মেয়েরা আমার কাছে ছিলো বেডশিটের মতো, পুরনো হয়ে গেলে চুলকানি জাগতো। আলাদা হয়ে যেতাম। আমার বিছানার পার্ফর্মেন্স অবশ্য এতে বিশেষ সাহায্য করতো। প্রতিটা মেয়েই চাইতো তাদের গভীরে প্রবেশ করে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা আসা যাওয়া করি, কিন্ত আমি দুর্বল ছিলাম। আমি জানতাম এবং আমার দুর্বলতাটাকে...

zovirax vs. valtrex vs. famvir

সমাজ, দৃষ্টিভঙ্গী ও তিসা

¬রাতের অন্ধকার দূরে ঠেলে দিয়ে, চাঁদ টা কে আড়াল করে সূর্যটা পূর্ব আকাশে কিছুক্ষণ আগেই দেখা দিয়েছে।  তিসাদের বাসার বারান্দা থেকে সূর্যোদয়ে দৃশ্যটা খুব সুন্দর ভাবেই দেখা যায়। বারান্দাটা নানান গাছ দিয়ে সাজানো, ছোট্ট একটা বাগান বলা চলে একে। সকালের স্নিগ্ধ বাতাস, অন্ধকার দূর হয়ে ক্রমেই আলোর আধিপত্য বিস্তারের খেলার সাথে সঙ্গ দেয় পাখির কলকাকলি। দারুণ লাগে সময় টা।  তিসা বসে দেখছে, সূর্য ক্রমেই পূর্বাকাশে উদয় হচ্ছে।  তিসার গতরাত কেটেছে এই বারান্দায়  বসেই। হিন্দুধর্মে বলা আছে এ সময়ের অর্থাৎ এ ঊষা লগ্নের অধিষ্ঠিত দেবী হলেন দেবী ঊষা। তিনি নাকি, রাতের অন্ধকার দূর করে পৃথিবীকে আবার কর্ম চঞ্চল করে তোলেন। তিসার...

রোমন্থনকাল- কলিমুদ্দির লজ্জা…

১৯৭১ সালে কলিমুদ্দির বয়স ছিলো তেরো বছর। হাতে অস্ত্র তুলে যুদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট বয়স। তার সাথের সবাই তখন যুদ্ধে। মা ও মাটির টানে মাথায় কাফন বেঁধে বুকের রক্তে একটু একটু করে ছিনিয়ে আনছে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা সবুজের বুকে পবিত্র লাল। কিন্ত কলিমুদ্দি যুদ্ধে যান না ভয়ে, তিনি মরতে চাননা, তার বাবা বড়রূপনগর গ্রামে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান। গ্রামে তাদের অঢেল সম্পত্তি, ঘরে তিন তিনটা সোমত্ত সুন্দরী মেয়ে, অসুস্থ স্ত্রী আর একমাত্র সন্তানকে নিরাপদ রাখতেই সম্ভবত তিনি হায়েনাদের সাথে হাত মেলান। একাত্তর অনেক রহস্যের সময়!দুর্বোধ্য একাত্তরের রহস্যের কীনারা করা কঠিন। পরিস্থিতি মানুষকে অমানুষে রূপান্তরিত করেছিলো সে সময়। ★ তিনদিন ধরে কৃষ্ণটিলা ইউনিয়নের...

ত্রিনিদাদের পুজা এবং বাংলাদেশের পাগলাবাবার কানাডা অভিবাসি বিষয়ক কথন

অবৈধ পথে কানাডা গিয়ে যেভাবে স্থায়ী হলেন ‘পাগলাবাবা’] [সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখিত] ব্লগে লেখালেখির সূত্রে টরেন্টো প্রবাসি ‘পাগলা বাবা’র সাথে পরিচয় হয় আমার গত বছর নেটে। সেই সূত্রে ২-মাস আগে বাংলাদেশে এলে আমার বাসায় অবস্থান করে ‘পাগলাবাবা’। অনেক গল্প, অনেক কথা, অনেক হাসি-কান্নার অভিজ্ঞতা আর জীবন সংগ্রামের এক নাটকিয় কাহিনি শোনায় আমার প্রিয় বন্ধু ‘পাগালাবাবা’। কেমন করে প্রায় ১-বছর ধরে নানা অবৈধ পথে আমেরিকা ঢুকতে না পেরে, কিভাবে ঢুকলেন ক্যানাডাতে প্রায় ২৫-বছর আগে – তারই এক নাটকিয়, বিস্ময়কর, হৃদয়ঘন, আবেগ আপ্লুত, আর কৌতুহল উদ্দিপক জীবনময়তার অনবদ্য কথকতা আজকের লেখা। সে এখন আমার খুব প্রিয় বন্ধু! তাকে এয়ারপোর্টে বিদায় জানাতে যেতে...

levitra 20mg nebenwirkungen

শেষ মধ্যাহ্নভোজ(সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার একটি গ্রাম কামারগাঁও। মজার কিংবা বিস্ময়কর ব্যাপার হল এই গ্রামের সবাই চোর। শুধু চুরি নয়, এই গ্রামে খুন করা মশা-মাছি মারার মতই সাধারণ ঘটনা। ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে বুড়ো-বুড়ি সবার কাজ হল চুরি করা। আগে এ গ্রামে কোনো শিক্ষিত লোকই ছিলোনা। আজকাল এক-আধটা পরিবারের বাপ-মায়েরা বুঝতে পেরেছে যে তারা নিজেরা সারাজীবন চুরি করেছে বলে তাদের ছেলে- পুলেরাও চুরি করে জীবন-যাপন করবে এটা হতে দেয়া যায়না। সেই গ্রামের এক চোর জামাল মিয়া। জামাল মিয়া ঘরের দাওয়ায় বসে আছে। পাকঘর থেকে মুরগীর সালুনের ঘ্রাণ ভেসে আসছে। জামাল মিয়া রান্না হবার অপেক্ষায় আছে। মুরগীটা সে সকালেই পাশের...

ডাইন

আমি ডাইন। আমার নাম ডাইন। আমার পরিচয় ডাইন। আমি থাকি ধলপুকুরের পাশে একটা কুড়েতে। এই কুড়েতে আমার আগে আমার মা থাকত। তার আগে তার মা থাকত। তার আগে থাকত তারও মা। এই ঘরে কখনও কোনও পুরুষ থাকে না, থাকে নি। কারণ, আমি ডাইন। আমরা ডাইন। আমার জন্মের তারিখ নেই কোনও। ধলপুকুরের ওপারে যে ক্ষেতটা আছে, সেই ক্ষেতটারও ওপারে যে বুড়ো বটগাছটা আছে, যে বটগাছটার ছায়ার নাম সোনাতলা, সেই বটগাছটার সবচেয়ে ছোট ছেলেটার সমান বয়স আমার। আমার যেদিন জন্ম হয়েছিল, সেদিন আমি বুড়ো বটগাছটা জড়িয়ে ধরে অনেক কেঁদেছিলাম। অনেক! তবু, আমি মরে যাই নি। আমার আমিত্ব মরে যায় নি। পরদিন সকালে...

viagra in india medical stores
para que sirve el amoxil pediatrico amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires