Category: কল্পবিজ্ঞান

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী: সিন্স-৫২

দীর্ঘ আটাশ ঘণ্টা অমানুষিক পরিশ্রমের পর ক্লান্ত হয়ে টেবিলে যখন মাথা রেখেছি তখন সকাল হয় হয় অবস্থা। তার পরের প্রায় পুরো একটা দিন মরার মতো ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়েছি। এত পরিশ্রমের বদলা শরীর সুদে-আসলে তুলে নিতে এতটুকুও ভুল করল না। দিনকে দিন লিকলিকে হয়ে গেছি, টোপা টোপা কালি পড়েছে চোখের নিচে। ঘুম ভেঙে গেলে দেখি বিশাল গবেষণাগারের দূরের এক কোণার ডেস্কের টেবিল-ল্যাম্পটি নীল আলো ছড়িয়ে ক্ষীণভাবে জ্বলছে। চট করে বুঝতে খানিকটা অসুবিধা হল, এত রাতে কে কাজ করতে পারে। খানিকটা সময় লাগে ধাতস্থ হতে। ঘুমের ভাবটা ধীরে ধীরে কেটে যেতেই দেখতে পেলাম ড. নাহিদ আদনান কোণার ঐ ডেস্কে বসে এখনো কাজ... amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

half a viagra didnt work
tome cytotec y solo sangro cuando orino

চক্র

খুবই বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙে গেল। এত রাতে ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক। খুবই স্বাভাবিক। চারপাশে সব অপরিচিত। কোথায় ঘুমাইলাম আজ? নতুন জায়গায় ঘুমালে কিছুক্ষণ সময় লাগে কোথায় আছি বুঝতে। কিন্তু এ জায়গাটা কোথায়? আমি এখানে আসার ইতিহাস কী?   কোথায় যেন খুটখুট শব্দ হচ্ছে। শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। ঘুম ভাঙিয়েই বন্ধ হতে হবে? আবার ঘুমানোর চেষ্টা করব? নাকি কোথায় আছি বুঝব? শব্দ হচ্ছিল কোথায় দেখব?   আরাম আর কৌতুহলের যুদ্ধে আরাম আত্মসমর্পণ করল। বিছানা ছেড়ে নামলাম। সত্যিই এ জায়গা অপরিচিত। কখনও আসিনি এখানে। সুইচবোর্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছি। দরজার পাশে পেয়ে গেলাম। সুইচ দিতেই আলোয় প্রায় অন্ধ হয়ে গেলাম। চোখে আলো...

posologie prednisolone 20mg zentiva
renal scan mag3 with lasix
private dermatologist london accutane

JOURNEY…

রিনঝিন শব্দ ভেসে আসছে। চুড়ি, নূপুর অথবা অন্য কিছু। হতে পারে বীণার ঝংকার কিংবা অস্ত্রের সমস্বর সঙ্গীত।হতে পারে সে ধবংসের বাজনা কিংবা সৃষ্টির। হতে পারে সে একতারার টান কিংবা রাইফেলের সেফটি ক্যাচ খোলার শব্দ। বজ্রের গর্জন হতে পারে আবার হতে পারে মেঘমালার নৃত্য।  কিশোরীর তালে-তালে পা ফেলা ঘুঙুরের শব্দ যেমন হতে পারে, তেমনি হতে পারে কমান্ডের তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলা সৈন্যদের মার্চপাস্ট। জন্মের আহ্বান যেমন হতে পারে – মৃত্যুর অার্তনাদও তেমনি হতে পারে। শুধুই শব্দ শুনে তা আর বোঝার কোন উপায় খোলা নেই…।  আচ্ছা বৃষ্টি কি হতে পারে? হয়ত বা। অনেক বছর এই তল্লাটে বৃষ্টি হয়না। একটা প্রজন্ম বড় হয়েছে- সংসার করেছে আবার... zoloft birth defects 2013

side effects of quitting prednisone cold turkey

সায়েন্স ফিকশন – একদিন সত্যের ভোর…।

কম্পিউটার স্ক্রীনটার দিকে অবাক চোখে চেয়ে আছে অনামিকা। বাংলাদেশ নামক সবুজ একটা দেশের রাজধানী ঢাকার ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলে পড়ে সে। এবার দশম শ্রেণীতে উঠল। স্বপ্ন সাংবাদিকতায় পেশা গড়ার। অনেক বড় হবে সে। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে একবার ল্যাপটপটা খুলে না বসলে অনামিকার শান্তি হয়না। প্রতিদিনের পড়াশুনার খুঁটিনাটি বিষয় যেমন সে দেখতে ভালোবাসে ইন্টারনেটে, তেমনি ফেসবুকে কাজ করতেও মন্দ লাগে না। আর ফেসবুক কি আজ আর সেই ফেসবুক আছে? শুধু আড্ডা দেয়াই নয়। অনামিকার বয়সী ছেলেমেয়েরা ফেসবুক দিয়ে এখন দেশ পাল্টে দিতে পারে। মূমুর্ষ রোগীর রক্ত যোগাড় করা থেকে শুরু করে রাজাকারবিরোধী আন্দোলন – সবই তো হয় আজকে ফেসবুকের নীল দুনিয়ায়।...

হারানো সেই নীল…….

-এইটা কি? =বুঝতেসি না তো! -আমাদের তথ্যকেন্দ্র কিসু দিতে পারল না? =খোঁজ চলছে,পেলেই জানাবে! -আর ক্রিস্টালগুলো? রিড করে কিছু পাও নাই? =নাহ! সেইগুলা কিছুই জানাতে পারল না। -হুমম,বুঝাই যাচ্ছে না জিনিসটা কি! =সেইটাই!! দেখতেও কেমন বিদঘুটে! -হ্যা,পুরাই অদ্ভুত দেখতে। =মেইন বডি থেকে কেমন বিভিন্ন আকৃতির প্রবৃদ্ধির মত জিনিস বের হয়ে আছে! আমার তো দেখেই কেমন ঘেন্না লাগতেসে!! -তাছাড়া জায়গাটাও কেমন জানি! বিষাক্ত গ্যাসে ভরা! =কিন্তু আকাশটা অনেক সুন্দর কিন্তু! কেমন নীল! -থাক কবি হওয়া লাগবে না! এমনিতেই মাথার অনেক জায়গাই নষ্ট করেছ হাবিজাবি দিয়ে।এখন কবিতা দিয়ে না ভরলেও চলবে! =আচ্ছা বাদ! তথ্যকেন্দ্রে আবার যোগাযোগ কর তো!! -করার চেস্টা তো করছি...

para que sirve el amoxil pediatrico

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,... cialis new c 100

“আয় মামণি,আয় আয়। কাছে আয়,লক্ষী মা আমার।” মহিলাটি কি আবেগ দিয়েই না ডাকছে! সবুজ মাঠটির ঠিক মাঝে দাঁড়িয়ে। দু’হাত সামনের দিকে বাড়ানো। “আয় আমার পরীটা! আম্মুনি তোকে একটু জড়িয়ে ধরি।” দৃশ্যপটে এবার একটি পিচ্চির আগমন ঘটল। ঠিক লালপরী যেন। না,দেবশিশু। খিলখিল করে হাসছে। আর টলমল পায়ে ছুটে যাচ্ছে,মায়ের কাছে। মহিলার মুখ খুশিতে ঝলমল করছে এখন। চাপা উত্তেজণা তার দৃষ্টিতে। এইতো আর কয়েকটা মূহুর্ত পরেই,শিশুটি তার আম্মুনির বাড়িয়ে ধরা হাতের মাঝে গিয়ে আশ্রয় নেবে। হঠাৎ কী যেন ঘটে গেল! কয়েকজোড়া কাল হাত এসে শিশুটিকে পথিমধ্যে ছিনিয়ে নিল। মহিলার বিস্ফোরিত চোখজোড়ায় একরাশ অবিশ্বাস। শরীর কাঁপছে থরথর করে। পরমূহুর্তেই বেচারী হাঁটু ভেঙ্গে পড়ে... metformin tablet

অ্যাডভেঞ্চার অথবা হারিয়ে যাওয়ার গল্প বলে যাওয়া…

শী এর অপরুপা রহস্যময়ী নারী আয়েশা অথবা অ্যালান কোয়াটারমেইনের সাথে ওয়াইল্ড আফ্রিকায় চষে বেড়ানো… সাদামাটা জীবনের মারপ্যাঁচে পড়ে যারা একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে চান, দুর্গম শহর, রাজপথ বা মিসরের পিরামিডের ভেতরের অপার রহস্যে সামিল হতে চান, তাদের জন্য হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড হচ্ছেন আশ্চর্য এক জাদুকাঠির নাম। শৈশব কৈশোরে অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় বুঁদ করে রাখা এই কালজয়ী লেখকের আজ মৃত্যুদিবস। হেনরী রাইডার হ্যাগার্ড জন্মগ্রহণ করেন ১৮৫৬ সালের বাইশে জুন, ইংল্যান্ডের নরফোকের ব্রেডেনহামে। দশ ভাই বোনের সংসারে তিনি ছিলেন অষ্টম। বাবার সামর্থ ছিলো না, তাই পড়তে পারেননি ভালো কোন স্কুল কলেজে। আর্মিতে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে পাশ করতে পারেননি। এরপর ব্রিটিশ...