Category: অনুগল্প

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

সে আছে (অনুগল্প)

-তুমি কখন এলে? -তুমি যখন ঘুমাচ্ছিলে। -ও। ডাকলেই পারতে। -অনেকদিন ঘুমাওনি না? -না তেমন কিছুনা, একটু ক্লান্ত ছিলাম। রুমের চারপাশটা একবার ঘুরে দেখে নিয়ে মেয়েটি আবার খাটের কাছে এসে বসলো। কিছুক্ষন পর বলল, ‘শুভ তোমার ঘরের এই অবস্থা কেন?’ শুভঃ আমিতো এমনি ছিলাম, আমার ঘরও। শুধু মাঝের সময়টায় তুমি ছিলে তাই……… -থাক সেসব কথা, শেইভ করোনা কেন? শুভঃ সময় পাইনা একদম। -দেবদাস সাজার শখ, আমি সব বুঝি। তোমাকে একদম মানাচ্ছেনা। শেইভ কর এখনি। শুভঃ পরে করবো। -না এখনি। শুভঃ এখনি! -হুম। শুভঃ তুমি অনেক জেদি হয়ে গেছো। -একা থাকলে হয়তো সবাই হয়। শাসন করার ও কেউ নেই এখন। শুভঃ কিছু... walgreens pharmacy technician application online

doctus viagra

দুই প্রতারক

১.||…………… “না..না..না.. ইমপসিবল, এ আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভব না, তুমি ভাবলে কি করে মাত্র ১ লাখে আমি ওই বিজ্ঞাপনে কাজ করবো, আশ্চর্য্যওওও”, গলাখানা কিঞ্চিৎ উচুঁ করেই ননস্টপ এভাবেই ফোনে কাউকে ঝারি মেরে যাচ্ছিলেন মডেল শুমু। অপর প্রান্তে কে আছে বোঝা মুশকিল তবে এ প্রান্তে শুমু ছাড়াও আরো এক ব্যাক্তি যে উপস্থিত তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। হালকা ক্রোধ সহযোগে গলার স্বর খানিকটা উঁচু করে বলা কথাগুলো ফোনের ওপ্রান্তের বদলে এপ্রান্তের লোকটাকে শুনিয়ে ভালোমতো শক লাগিয়ে দেওয়ার প্ল্যান মোটামুটি সাকসেসফুল। পাশের সোফায় বসে অবাক বিস্ময়ে হা করে সেল্ফ ক্লেইমড সুপারস্টরের কথা শুনে চলেছে সে। উদাস বদন ও চোখ মুখের চাহনি দেখে অনুমান...

thuoc viagra cho nam

জোছনাকুমারী

রাত গভীর হয়ে আসছে ক্রমশ। একটা,  দুইটা,  তিনটা করে তারাগুলো জ্বলে উঠছে ধীরে ধীরে। দিনভর ব্যস্ত নগরী ঢাকার ইট কাঠের কোন এক ঘরের বারান্দায় বসে ছোট্ট শিশু টিকে তারা দেখাচ্ছে মা। কেউ হয়ত দূর অজানায় বসে আধো আধো কণ্ঠে আবৃত্তি করে যাচ্ছে – টুইঙ্কল টুইঙ্কল লিটল স্টার, হাউ আই ওয়ান্ডার হোয়াট ইউ আর! ব্যস্ত নগরীর বুকে রাত নেমে আসছে ক্রমশ। আজো এইসব ইট কাঠ পাথরের ঘরে স্বপ্ন বোনা হয়। ছোট্ট মেয়েকে বুকে নিয়ে মা আজো রুপকথার রাজকন্যা – রাজপুত্রের গল্প শোনান। সে গল্প শুনতে শুনতে মেয়েটি নিজেকে কল্পনা করে পারুল বোন হিসেবে, যার সাত ভাই ফুলের মাঝে ঘুমিয়ে আছে। কানের...

acquistare viagra in internet

আজ কাল পরশুর গল্প

আমি একটা বিদেশী দূতাবাসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। সেখানে আমারও আগে আরও অনেক মানুষ দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে সারি ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। কারও চোখে জীবিকা অর্জনের স্বপ্ন, কারও চোখে নতুন  সৌন্দর্য দেখার স্বপ্ন। আমার কোন স্বপ্ন নেই। কারণ আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমি এসেছি আমার ফুফাতো ভাইয়ের সাথে। সে বিদেশে যাবে, ভিসা পাওয়ার অপেক্ষা কেবল। সে আমাকে গাধা বলে ডাকে। আমার কর্মকাণ্ডের সাথে নাকি গাধার আচরণগত মিল আছে। আমিও বাধ্য ছেলের মত সকালবেলায় ৪০ টাকার রাস্তা ২০০ টাকা খরচ করিয়ে তাকে এখানে নিয়ে এসে গাধামোর আরেকটা উজ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। ভাইয়া আমার এই কর্মকাণ্ডে বিরক্ত হয়ে আমাকে স্থান ত্যাগ করার...

para que sirve el amoxil pediatrico

আনন্দ সঙ্গম… (প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য)

শেফালী আপা বসে আছেন বারান্দার ইজি চেয়ারে, তার আঙ্গুলের ডগায় অনেকখানি চুন। অনুরাগ অবাক হয়ে লক্ষ্য করলো তিনি পান খাচ্ছেন না, তাকে সে কখনোই পান খেতে দেখেনি! সে ভেবে পেলোনা একটা মানুষ শুধু শুধু চুন কিভাবে খাবে! তাকে অবাক করে দিয়ে শেফালী আপা চুনটুকো তার মুখে মেখে নিলেন, তাকে আগের’চে একটু ফর্সা দেখালো। তখনি অনুরাগ বুঝতে পারলো ক্রিমকে সে চুন ভেবে ভুল করেছিলো। ‘কি রে কি ভাবছিস?’ অনুরাগ তার পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের দিকে তাকিয়েছিলো, সেদিকে তাকিয়েই জবাব দিল, – কিছু ভাবছিনা তো! ‘কিছু তো বটে! কাল না তোর জন্মদিন ছিলো? স্যরি রে আসতে পারিনি। তোর বয়েস কতো হলো এবার?’ -...

metformin tablet

অতঃপর ভালবাসা (চন্দ্রার গল্প)…………

রিকশা থেকে নেমে চারদিকে ভালো করে দেখার চেষ্টা করল চন্দ্রা।সবকিছুই আগের মতই আছে তবে কেন জানি বুকের মধ্যে এক চাপা কষ্ট।কোন কিছু হারিয়ে ফেলার কষ্ট! এই জায়গাটা চন্দ্রার ভীষণ পছন্দের।রোজ বিকেল সে সময় পেলেই এই জায়গাটাতে বেড়াতে আসে। এই কোলাহল,ভিড়-ভাট্টা, গাড়ি-ঘোড়ার শব্দ ভীষণ রকমের পছন্দ করে চন্দ্রা। এগুলোর মধ্যে অসাধারণ রকমের এক ভালো লাগা আছে চন্দ্রার।কিন্তু আজ যেন তার কিছুই ভালো লাগছে না। চন্দ্রা হেঁটে চলছে ফুটপাতের উপর দিয়ে, ইচ্ছা ছিল চার রাস্তার মোড়ের টং দোকানে বসে চা খাবে কিন্তু নাহ্ এখন আর সে ইচ্ছা করছে নাহ্। চন্দ্রা ফুটপাত ঘেঁষা কফিশপ টাতে গিয়ে ঢুকল। দিনের এই সময় টা তে কফিশপের...

প্রিয় একগোছা রজনীগন্ধা

ভোরবেলায় প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ঘুম ভেঙ্গেছে আজকে। ঘুমাতেই যাওয়া হয়েছে রাত ৪টার পর। সকালে যেহেতু কোন কাজ নেই তাই আজ অনেকবেলা করে ঘুম থেকে উঠা যেত। কিন্তু স্বপ্নটা দেখে ঘুম ভেঙ্গে গেল। সবাই বলে ভোরবেলার সপ্ন সত্যি হয়। এই স্বপ্নটা সত্যি হলে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হয়ে যাওয়া যাবে। তাই স্বপ্নটা দেখার পর আর ঘুম আসেনি। তারপরেও অনেকক্ষণ পর বিছানা ছাড়া হয়েছে। এতক্ষন শুয়ে শুয়ে ঘরের তারাগুলোর দিকে তাকিয়ে স্বপ্নটার কথা ভাবা হচ্ছিল। স্বপ্নটা দেখার পেছনে কারণটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। অবশ্যই আজকে বিকেলে একজনের সাথে দেখা করতে যেতে হবে। কেউ একজন আজ অপেক্ষায় আছে। আজ কোন বিশেষ একজনের অভিমান ভাঙ্গাতে যেতে... about cialis tablets

শহুরে দীর্ঘশ্বাস

অফিস থেকে ফিরেই মোস্তবা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে থাকে। ছেলের গায়ের ঘ্রান নিতে ভাল লাগে। তার ছেলের বয়স এগারো মাস। ছেলে যখন বাব্বা বাব্বা করে মা’কে আংগুল উঁচিয়ে ইশারা করে মা মা করে তখন মোস্তবা বুঝে নেয় মা তাকে মেরেছে। তখন সে ছেলের ফুঁলে উঠা ঠোঁটে চুমু খায়। ঝুমুরকে খুব বকে দেয়, তুমি আমার ছেলেকে আজ সারা দিন কয়বার মারছো, শুনি? এইটুকু একটা ছেলে তোমার মারতে কষ্ট হয়না? মায়া লাগেনা? ঝুমুর তখন কোমরে আঁচল গুজে রান্না ঘরের দিকে হাঁটা ধরে। দুধ গরম করতে হবে। বাবুর সন্ধা-খাবারের সময় হয়েছে। মোস্তবা পিছন পিছন হাটে। রান্না ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ায়, কথা বলছো না...

zithromax azithromycin 250 mg

অমিমাংসীত

এক।। স্টেশনের ওয়েটিং বেঞ্চিতে বসে আছে মাইশা । তার বস ভঙ্গিটি বিষণ্ণ । সাড়ে এগারোটায় তার ট্রেন । সময় প্রায় হয়ে এল । কিন্তু তার ব্যত চোখ এখনো এদিক ওদিক কাকে যেন খুঁজে বেড়াচ্ছে । সে চোখে স্পষ্ট হতাশা, আশা ভঙ্গের । মাইকে লাস্ট এনাউন্সিং টা শোনা গেল । ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল সে । ধীর পায়ে এগিয়ে গেল তার কামরার দিকে । তার হতাশা এখন ক্ষোভে রূপ নিয়েছে । ‘হারামির এত্তবড় সাহস,আমাকে সি অফ করতে আসে না ! আর জীবনেও বদমাইশটার সাথে কথা বলব না’- দাঁত কিড়মিড়িয়ে উঠে সে । ট্রেনের সিঁড়িতে পা রাখতেই চোখের কোণা দিয়ে কাকে যেন...

অনাব্যক্ত প্রেম

:এক টাকা হবে প্লিজ? :কি? :নাভিনা,দশ টাকা ফ্লেক্সি দেয়না। তাই একটাকা বেশি দিতে হয়। :আমাকে দেখে কি হাতেম তাই মনে হয়? :জ্বীনা,একটাকা দিতে হাতেমতাই হওয়া লাগেনা। :এই নেও ফকির,আর কখনো কল দেবেনা।আমি ফকিরের সাথে কথা বলবনা। (রাত ১০ টা) : হ্যালো,নাভিনা! :নাভিনা মারা গেছে। :হ্যাঁ জানিতো।চল্লিশার খবর নিতে ফোন দিলাম। :শয়তান,সারাদিন ফোন দেওনাই কেন? :বলছিলানা,ফকিরেরে সাথে কথা বলবানা,তাই ফোন দেইনি। :তো এখন বুঝি বড়লোক হয়ে গেছ? :ফোন দিয়ে কথা বলার মতো বড়লোক হইছি। :মানে কি ? :সন্ধায় টিউশনির টাকাটা পাইলাম,তাই ফোন দিলাম। :তো বল,কি বলবা? :বলবনা,ঐ যে ঐদিন কি বলতে চাইলা যে। : কিছুনা। :ধুর মেয়ে বলতো! :এত ভাব নিয়ে...

ফটোগ্রাফি

- এই কি করছ ? – কি করছি মানে ? – এভাবে ছবি তুলছ কেন ? সবসময় খালি ছবি ছবি ছবি . . . আমি এইসব Don’t like . – তুলছি তো কি হয়েছে ?  নিজের বউয়ের ছবি তুলছি ।  অন্য মেয়ের তো তুলছিনা । … … … এক দৃষ্টিতে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছে রূপা ।  কিছুক্ষণ আগে শুভ একবার উকি দিয়ে গেছে ।  রূপাকে একটু খেলতে যাওয়ার কথা বলতে এসেছিল ।  রূপা তার দিকে তাকালোই না । আজকাল মা কেমন জানি রেগে রেগে থাকে ।  এইতো সেইদিন স্কুলের কোন একটা ফাংশন ছিল ।  সেই অনুষ্ঠানে শুভ আবৃত্তি করবে । ... clomid over the counter

levitra 20mg nebenwirkungen

বৃষ্টিতে ধুয়ে যায় বেকার প্রেমিকের লজ্জা…

ছাতা হাতে তরুনীদের খুব সুন্দর লাগে।শাড়ি পরা কোন তরুনী রিকশায় হুড ফেলে বাহারি ছাতা মেলে যাচ্ছে।ঠোটে তার অবচেতন হাসির ছোয়া।চোখ গুলি অকারণে এদিক সেদিক ঘুরছে,চুলগুলি মৃদু হাওয়ায় দুলছে। রাস্তায় বের হলেই আজকাল আতাহারের চোখে কেবল সুন্দরী তরুণীদের মুখ ঘুরাফেরা করে। সকল রূপবতী তরুণীকে তার পরিচিত মনে হয়। আতাহারের প্রেমিকা আছে।তার এইসব ভাবা উচিৎ না।কিন্তু তবু যে কেন তার এমন হয় সে বুঝে না।একটা হালকা অপরাধবোধ তাকে মাঝে মাঝেই শাসন করে।কিন্তু খুব একটা লাভ হয়না। খুব চিন্তিত মনে আতাহার ফুটপাত ধরে হাটছে।আজ নিতুর জন্মদিন।কথা ছিল জন্মদিন উপলক্ষে বিকেলে শাহাবাগে ফুচকা খাওয়াবে। মধ্যবিত্ত প্রেমগুলি এমনিতে খুব সরল এবং সুখের মনে হয়।শুধু প্রেমিকার...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

বকুল তলায় শিউলি ঝরে অন্ধকারে… ১৮ +

অন্ধকারে বকুল তলায় শিউলি ফুলের ঝরে পরা দেখিনি,তবে কি করে বুঝবো ক্ষুধার কি করুন জ্বালা?অথচ কত নির্মমতায় শুষে নেয় গন্ধ,মাড়িয়ে যায় সকল রূপ লাবণ্য-শরীর ক্ষুধায় কাতর একটি ভদ্র কুকুর।                                                           তবু ভোরের অপেক্ষায় থাকে গন্ধবিহীন মলিন শিউলি,বাসি ফুলের মালা গাঁথে যদি কেউ?                                                          রাত পুহালে,চড়ুইদের...

কাত্তিকদা মেট্টিক পাশ

সেবার কাত্তিকদা মেট্টিক পাশ করিয়াছিল। মেট্টিক! সে এক মহা হাঙ্গামার ব্যাপার-স্যাপার। প্রতিটা নোট বইয়ের কোনাকাচি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয়। কোন কোণা থেকে কোন কোশ্চেন আছে আর তার উত্তর কোথায় সবচেয়ে ছোট করে লেখা আছে তার সব জানতে হয়। জানতে হয়, কোন ব্লেডে সব চেয়ে বেশি ধার। কোন নোটের কোন পাতাটা কেটে শরীরের কোথায়, কিভাবে লুকিয়ে রাখতে হবে – তার সবকিছু জানতে হয় মেট্রিক পরীক্ষা দেবার জন্য। পুরসিলাত পার হবার মতই নাকি কঠিন সেই মেট্রিক পরীক্ষা। সেখানে পরীক্ষা দিতে গেলে হঠাৎ হঠাৎ বড় বাবুরা এসে হাজির হয়। সাথে সাথে সব নোটের কাটাছেড়া লুকিয়ে ফেলতে হয়। ধরা পড়লে একেবারে এক্সপেল করে দেয়।...

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ইহা একটি এপিক নির্বাচন!!!

ঘটনা সেই উনিশও ভুরভুরা সালের। শহরের সেক্রেড হার্ট স্কুল ছেড়ে এলাকার হাই স্কুলে ষষ্ট শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছি। শহুরে হওয়ায় ক্লাসের অধিকাংশ পলাপাইন প্রথম দিকে আমাকে খুব একটা পছন্দ করতনা। কিন্তু আমি চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলাম। ক্লাসের সব থেকে পাওয়ারফুল পোলা ছিল অর্ণব বসু। সে এলাকার পোলা, স্কুলের পাচিল টপকাইলে ওর বাড়ি। সবাই তাকে চিনে। সে ক্লাসে ঢুকলেই হই হই পড়ে যায়। আমি ওরে দেখে মজা পাইতাম। সব সময় প্রথম বেঞ্চে ওর শিট বুকিং করা থাকতো। এদিকে আমি ব্যাক বেঞ্চার ধীরে ধীরে সামনের সিটে বসার বদ অভ্যাস করলাম। ওর সাথে কথা বলা শুরু করলাম। আস্তে আস্তে বুঝলাম পোলা তো পুরা আগুনের গোলা!! ভালো...

অবচেতন

গভীর রাত, ঘড়ির কাঁটা হিসেব করলে দুটো ছুঁই ছুঁই। সাব্বিরের খুব ভয় লাগছে। এত রাতে একা একা খুব কম মানুষই ভয়হীন ভাবে কাটাবে। তার বয়সে গরমের ছুটিতে নানা বাড়ী আসলে সবার ঝোঁক থাকে আম-কাঁঠাল খাওয়ার দিকে। সাব্বিরের এসবের লোভ নেই। তার থেকে বরং নানা বাড়ীর ছাদটাই তার ভাল লাগে, বিশাল ছাদ। ভাললাগার ছাদটা একান্তে পাওয়ার ইচ্ছায় এত গভীর রাতে তার ছাদে ওঠা। ভয় যাতে না পায় সেজন্য সাব্বির হেডফোনে ফুল সাউন্ড দিয়ে গান শুনছে। মস্তিষ্ক গানের দিকে মনোযোগী থাকবে, ভয় জায়গা পাবে না। স্কুলে থাকার সময় অনেক ভুতের গল্প পড়ত সে, এখন কলেজে উঠে সেসব পড়া কি মানায়? এখন অপরিণত...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

আনন্দ বেদনার আসা যাওয়া….

অন্তুদের চারতলার ফ্ল্যাটে আজ আনন্দের ধুম, কিন্ত আনন্দটা চাপা। কোন কোলাহল নেই। আনন্দটা ছড়িয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে সবার চোখে চোখে মনে মনে। অন্তুর চাকরিটা যতোটা না তার দরকার ছিলো তার’চে বেশী দরকার ছিলো এই পরিবারের। তাই কারোরই আনন্দের সীমা নেই। গনিগঞ্জ থেকে গোলাপ চাচা ছুটে এসেছেন খবরটা পেয়ে। ছোটবেলা থেকে অন্তু তাকে “রোজ আংকেল” বলে ডাকে। এ নিয়ে গোলাপ চাচা বিরক্ত বা বিব্রত হননা। গদগদ হয়ে বলেন, ওরে অন্তুর মা দেখছিস, তোর পোলা আমারে ইংলিশ ভাষায় চাচা ডাকে, এই না হইলে শিক্ষিত পোলা। যদিও অন্তু তার চাকরি নিয়ে অতোটা উল্লাসিত নয়, সে চুপচাপ বসে আছে তার ঘরে। বেকার ছেলেরা সব’চে...

synthroid drug interactions calcium
will i gain or lose weight on zoloft

হ্যাপি ফুটবলিং :-)

ফুটবল খেলা চলছে !! সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল । দুটি দলের লক্ষ্যই জয় । কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজী নয় । খেলায় তখন টানটান উত্তেজনা । কিন্তু এই সময় হঠাৎ করেই সকল স্বাভাবিকতার ধারধারি না ঘেঁষে রেফারী বাবাজি একটি দলের ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেন । ব্যস, এবার আর সামলায় কে ! মূহুর্তের মাঝেই শুরু হয়ে গেল হৈ চৈ । “দলের ক্যাপ্টেনকে কেন লাল কার্ড দেওয়া হল” এই অযুহাতে খেলা বন্ধ করে মাঠের মাঝখানেই খেলোয়ারগুলো হাত–পা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করে দিল । কিন্তু অবাক কান্ড ! একটি দলে খেলোয়াড় তো থাকে ১১ জন । কিন্তু মাঠের মাঝে যে ১৬ জন দাঁড়িয়ে...

স্বপ্ন ও আত্মবিশ্বাস

রিহানের পরিবারটা খুব ভালই ছিল।কিন্তু সব এলোমেলো হয়ে যায় যখন রিহানের মা মারা যায়।রিহান তখন ক্লাস এইটের ছাত্র।রিহানের মা মারা যাওয়ার কিছুদিনই পর তার বাবা আরেকটি বিয়ে করে।আর তখনই রিহান বুঝতে পারে সময় হয়েছে নিজেকে নিজে দেখার।প্রচন্ড মানসিকভাবে শক্ত রিহান একদিন তার বাড়ি থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে।নিজের মায়ের স্থানে অন্য আরেকজনকে সে কিছুতেই দেখতে পারছিলনা। যাওয়ার সময় রিহান তার এক বন্ধুর আত্মীয়ের বাসার ঠিকানা নিয়া যায়,সেখানেই সে ওঠে কিন্তু তারা তাকে রাখে একজন কাজের ছেলে হিসেবে বিনিময়ে রিহান শুধু থাকতে আর খেতে পারবে।সময় পার হয়,রিহান নতুন বছরে একটি সরকারী স্কুলে যায় সেখানে একটি আবেদন করে তাকে যেন বিনা বেতনে...

achat viagra cialis france
side effects of quitting prednisone cold turkey