Category: অনুগল্প

কেই সেই পরবর্তী টার্গেট ??

শহরের একই থানার অন্তর্ভুক্ত বেশ কিছু পাশাপাশি এলাকায় খুন,মাদক ব্যবসায়ী,মাদক সেবনকারী,ছিনতাইকারী,চোর,ডাকাতের পরিমান বেড়েই চলছে।কে খুন করছে,বা কে এই যুব সমাজের মাঝে মাদক ছড়িয়ে দিচ্ছে,এবং কারাই বা রাতের অন্ধকারে অন্যের বাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি,ডাকাতি কিংবা ছিনতাই করছে পথচারীদের টাকা,মোবাইল কিংবা স্বর্বস?পুলিশের উৎপাতও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কারন উপর তলা থেকে বেশ চাপ পোহাতে হচ্ছে ডিউটিরত অফিসারদেরো।এর মধ্যেই এলাকার বেশ কজন যুবককে সন্দেহাতীত আটক করা হচ্ছে এবং তাদের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।কিন্তু আটককৃত বখাটে যুবকরাও কোন হদীস দিতে পারছেনা এসব কে বা কারা করচ্ছে।এর মধ্যেই গত ১১ মাসে ১১ জন উপজাতি মেয়ে ধর্ষন অতঃপর খুন করা হয়েছে।দিনের পর দিন অপরাধের সংখ্যা বেড়েই...

কারো অপেক্ষায় ছিলাম

: জ্বি বলেন,,, : কি করো,,? : কারো অপেক্ষায় ছিলাম,,,,।। : এখনও কি অপেক্ষা করছ,,,,? : নাহ সে এখন তার উপস্থিতি প্রকাশ করেছে,,,।।। : ওহ তাই,,,? : হুম,,, একটা কথা বলি,,? : নাহ : আই লাভ ইউ : আই হ্যাট ইউ,,, : রিয়্যালি,,,? : হুম : পাক্কা,,,? : হুম পাক্কা,,,।। : তা কাকে ভালবাস,,,??? : বলব না : বলতে হবে না,,,,তুমি তোমার ওই ভালবাসার মানুষকে নিয়েই থাকো,,,।।। : এই কই যাও,,,??? : জানিনা,,,।। : রাগ করো ক্যান,,,?? : রাগ করব ক্যান,,,,, আমার সেরকম কেউ আছে যার উপর আমার রাগ করার অধিকার আছে,,,,,।।। : সরি : তোমরা মেয়েরা ওই একটাই শিখছো,,,সরি... walgreens pharmacy technician application online

এক গুচ্ছ কামিনী এবং বড় হবার গল্প!

কামিনী ফুল কেন প্রিয় এইটা একটা প্রশ্ন বটে। আমি নিজেও জানিনা এই ফুল কেন এতো পছন্দ করি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই পছন্দের ব্যাপারে কারন গুলি দিনদিন গুরুত্ব হারায়। একসময় ভুলে যাই কেন পছন্দ করতাম কিংবা করি। তখন শুধু পছন্দ করি, ভালো লাগে, ভালোবাসি এই ব্যপারগুলিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও ব্যাপার টা অনেকটাই এমন। দেখা যায়, যে সব কারনে একজনকে ভালোবাসতাম সেই কারনগুলিই একসময় ঐ মানুষটার ভিতর থেকে বিলুপ্ত হতে থাকে। কিন্তু মানুষটার প্রতি ভালোবাসা কিংবা ভালো লাগা আগের মতোই থাকে। কামিনী ফুল প্রথম চিনেছি আমি যখন চতুর্থ শ্রেণী তে পড়ি। আমার প্রাইমারি স্কুল জীবন কেটেছে একটা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের আন্ডারে অবস্থিত প্রাইমারি...

can you tan after accutane

টুনির আব্বা আম্মার গোপন ফোন আলাপ চারিতা

অনিক : হ্যালো বিন্তি : কি কর? অনিক : এইত তোমার কথায় ভাবছি।। বিন্তি : ও তাই? অনিক : কেন বিশ্বাস হয় না? বিন্তি : হয়,তবে! অনিক : তবে?তবে কি? বিন্তি : কিছু না। খাইছ? অনিক : নাহ,এইমাত্র ভার্সিটি থেকে আসলাম একটু রেস্ট নিচ্ছিলাম।তুমি? বিন্তি : অনেক আগেই খাইছি।পরীক্ষা না ছিল তোমার?কেমন হইছে? অনিক : হুম,বেশী ভালো না।সব ভুলে গেছি প্রশ্ন পেয়ে।আমাকে রেখেই খাইলা,আসলে তোমরা মেয়েরা খুবই স্বার্থপর। বিন্তি : হ,অনিক কুত্তা আগেই বলছে আমারে। অনিক : মহাজ্ঞানী অনিক বলতে পারনা?কুত্তা বলো কেন?নাকি কুত্তার প্রেমে হাবুডুবু খাইতাছ? বিন্তি : হ,চলতাছে তোমার সমস্যা?তোমাকে ফোন দেওয়াই আমার ভুল হইছে সরি। অনিক :...

শাড়ি কথা

*আমার লিখা গুলো মূলত আমি কেন্দ্রিক, নিজের জীবনকে ঘিরেই অনেকটা। কারো যদি অতি সাধারণ একটি মেয়ের গল্প পরতে ইচ্ছা করে তবেই বাকিটুকু পড়ুন। অন্যথা অযথা সময় নষ্ট হবে, সময়ের মুল্য অনেক। আমার লিখা আমার পরিচিত দু চার জনের খুব পছন্দ, মাঝে সাঝে তারাই আমাকে লিখতে অনুপ্রেরণা যোগায়। অনেকে বলে, বেঁচে থাকার খোঁড়াক জুগিয়েছি তাঁদের জন্যে। আমি বলি সে রকম কিছুই বোধ হয় না। আমি মূলত আমার জন্য লিখি, কারো যদি তা পরে তা ভালো লাগে, আমি সেই আনন্দেই কিছু চুড়ি ভাঙবো। এটি আমার স্মৃতিচারণ আর ভবিষ্যৎ ইচ্ছার গল্প। আপাতত অনুগল্প হয়েই থাক। লিখাটি ঠিক কোন বিভাগে যাবে বুঝতে পারছি না,...

side effects of quitting prednisone cold turkey
clomid over the counter

ঘৃণা

ঝুম বৃষ্টির মধ্যে কারাগারে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের জন্য রাখা সেলে শুয়ে আছে কাম্রু।ইদানীং রাত হলেই খিল খিল করে হাসা অনেক নারীর কন্ঠ শুনতে পান।কয়েক দিন ধরেই রাতে ঘুম হচ্ছে না।আজ তো বোধহয় হবেই না,আগামিকাল রিভিউ এর রায় আসছে।চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর ব্যার্থ চেস্টা।মাঝেমধ্যে মনে পড়ছে সেই দিনগুলির কথা।আর আফসুস হচ্ছে,আরেক বার ক্ষমতায় এলেই মন্ত্রী হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার,তারপর প্রত্যাহ সকালে উঠে গেয়ে উঠতেন পাক সার জমিন সাদ বাদ। গানটা গাওয়ার সাথে সাথে দিলটার মধ্যে কেমন যেন প্রশান্তি বয়ে যায়,শরিরে উত্তেজনা আসে।আর এইসব বাদ দিয়া কি একটা মালাউনের জাতীয় সংগীত গায় পোলাপান। এই পোলাপান গুলাই নস্টের গোড়া ৭১ এই বেয়াদ্দপ গুলার জন্যই...

শোকের রঙ লাল, নীল, কখনো সাদা!

নিশি কাঁদলে চোখে জল আসেনা। অথবা যখন কান্না করা দরকার তখন সে কাঁদতে পারে না। এই যেমন গত পর্শুদিন রাতে জহিরের বাবা মারা গেলো, সবাই কি কান্না! শুধু নিশির চোখে জল নেই। সবাই কাঁদে আর নিশির চোখের দিকে তাকায়, নিশির চোখে জল নেই! কি বিব্রতকর! নিশি যেন লজ্জায় বাঁচে না, দুঃখে মরে যেতে ইচ্ছে করে। কেন এমন হয়? অথচ মনসুর চাচা আমাকে কত আদর করতো, ভালোবাসতো। আচ্ছা, কান্না টা কেন আসে, ভালোবাসা, মায়া থেকে? নাকি অন্যকিছু? আমি তো চাচা কে অনেক ভালোবাসতাম! তবে কেন চাচা মারা যাওয়াতে আমার কান্না আসলো না! নিশি কিছুতেই ভেবে পায়না। চাচা মারা যাওয়াতে যত না...

viagra en uk

এস.এস.সি. রেজিস্ট্রেশানের দিন

আজকে জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশান করা। সবাইকে গতকালই বলে দেওয়া হয়েছে প্রিন্সিপাল স্যার এর উপস্থিতিতেই এই কাজটা সম্পাদন হবে, তাই প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী যেমন বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, নামের বানান সঠিক ভাবে লিখে একটা কাগজে লিখে আনতে। বেশ আগের কথা মোবাইলের এর প্রচলন খুব একটা শুরু হয়নি। যে কেউ ইচ্ছা করলেই মোবাইলে ফোন করে কথা বলে, তথ্য ঠিক করে নেওয়ার উপায়টা খুব একটা সস্তা হয়নি। রেজিস্ট্রেশান এর দিন- একটু শীত শীত সকাল, ঠাণ্ডা পড়েছে। বেশি কনকনে না, সবে শীতের শুরু। আমাদের চোখেমুখে এখনও ঘুম। আমাদের সামনে একজন স্টাফ প্রত্যেকে রেজিস্ট্রেশান পেপার দিচ্ছে। আর রেজিস্ট্রেশান...

metformin tablet

চাওয়া-পাওয়া

স্কুল জীবনের শেষ দিকের কথা, বরই আঁতেল মার্কা হাবলু টাইপ স্টুডেন্ট কাতারের যদি নাম চাওয়া হয়; আমার নাম আসবে সবার আগে। একবার খেলার মাঠ থেকে দূরে অনুষ্ঠানের শব্দ কানে আসতেই ছুটে গেলাম ওই দিকে গিয়ে দেখি বেশ গান বাজনা চলছে এ এক আরেক জগত। চেনা মানুষের সংখ্যা খুব কম যারা আছে অনেক দূরে, কথা বলা সম্ভব না; জিজ্ঞেস করা সম্ভব না যে, হচ্ছেটা কি ?? দাড়িয়ে রইলাম স্যারের বক্তৃতা চলছে, আমার ক্লাসের একজন বন্ধু (অনিক) আমার পিছে দেখে অবাক হই। কারন অনিকতো ছুটি হবার পরেই বাসায় চলে যায়, আর গোত্রেরের ও পার্থক্য থাকায় ভাল বন্ধু বলা যাবে না; শুধু ক্লাসমেট।...

অসম্পূর্ণ

চোখ থেকে দুই ফোঁটা রক্ত গড়িয়ে পড়ে রাজীবের ভাতের প্লেটে। সেই মুহূর্তে কামনায় জ্বলতে থাকা কুকুরটির চিৎকার রাজীবের কাছে প্রচন্ড অসহ্য লাগে। অবাধ্য কুকুরটি রাজীবের দীর্ঘদিনের গৃহপালিত শুয়োরটির কথা মনে করিয়ে দেয়। দুটাই নিমক হারাম। রাজীব ওদের মারতে গিয়েও মারতে পারেনা। কানে আঙুল চেপে ভাতের প্লেট সামনে নিয়ে বসে থাকে নিশ্চুপ। আজকে বারবার হাতঘড়ি দেখে মিথ্যা তাড়াহুড়ার বাহানা করছেনা রাজীব। দাঁত দিয়ে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে নখও কাটতে দেখা যাচ্ছেনা তাকে। শক্ত করে নিচের ঠোঁট দাঁতে কামড়ে চেপে বসে থাকে রাজীব। শুয়োরের সাথে এক গৃহে বাস করার এটাই সমস্যা। ভাতের প্লেটটাকে সযত্নে উল্টে রেখে দেয় বিছানার উপর। তোষকের নিচে কুচকুচে কালো...

হাতির বিষ

  শুভর ঠিক মুখোমুখি বসে আছে রুমকি। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ওর দিকে। রুমকি- তুমি কি আমার কথা শুনবে? শুভ- শুনছি তো… রুমকি- আমার বন্ধুরা তোমায় নিয়ে হাসাহাসি করে… শুভ- আচ্ছা? (মাথা এপাশ ওপাশ দুলিয়ে) কেন? রুমকি- তুমি জানোনা! এই ওটা দাও, দাও এক্ষনি আমার কাছে… রুমকি খুব রেগে আছে বুঝাই যাচ্ছে, রিস্ক নেওয়া ঠিক হবেনা। তাই কথা না বাড়িয়ে বিরিয়ানির প্যাকেটটা রুমকির হাতেই তুলে দিতে হল। রুমকি- তুমি কি আমায় ভালবাসো? শুভ- বাসিতো। রুমকি- যদি আমাকে চাও তো, এই বেশি বেশি খাওয়াকে ছাড়তে হবে, স্বাস্থ্য কমাতে হবে। শুভ- আচ্ছা। (ভালবাসার জন্য এইটুকু কষ্ট নাহয় সে করবেই) চার মাস পর, শুভর...

doctorate of pharmacy online
puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

ভারতসাগর( প্রথম তৃষ্ণা)…

মধুমিতা প্রেমের প্রথম পাঠ নিয়েছিলো রিয়া মাসীর কাছে, ঠিক প্রেম নয়! অন্যকিছু। ভারতসাগরের পারে বসে রিয়া মাসী একের পর এক গল্প বলে যেতো, মধুমিতা শুনতো আর ভাবতো জগতে কতোকিছুই না সম্ভব, তার গায়ে কাঁটা দিতো, তার ভেতর শিরশিরে একটা অনুভুতি জাগতো। খুব গভীরে কোথাও একটা দুরারোগ্য শুন্যতা অনুভব করতো সে। খুব ভোরে যখন পুরো জগন্নাথপুর ঘুমে কাতর দু একটা রিক্সার টুন টুন আওয়াজ ছাড়া কিছু নেই তখন রিয়া মাসীর হাত ধরে মধুমিতা দীঘির ঘাটে এসে দাঁড়ায়। পুরোনো গেটটা আর বাঁধানো ঘাটটাকে ভীষন আপন মনে হয় তার। রিয়া মাসী ভারত সাগরের ইতিহাস জানেনা। সে বলে এ দিঘীর জলে গঙ্গার ধারা এসে...

ফসিল

- ৩০১৫ এর ২৫ শে মার্চ। সাইমন,রাসেল আর মালিহা এক মিনি এয়ার ক্রাপ্ট এ করে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে ভেসে যাচ্ছে। হিউম্যান রিসার্চ প্রোজেক্টের জন্য ফসিলের প্রয়োজন। প্রফেসর ম্যাডিনসন হঠাৎ এদিক্টাই আসার জন্য সিগন্যাল দিয়েছেন। অগত্যা এই তীব্র তুষারপাতের মধ্যে -৯০℃ তাপমাত্রার এশিয়া অঞ্চলে আসতে হচ্ছে। ঘন্টায় ৭৫০০০ কিমি বেগে ছুটছে যানটি। মালিহার অসস্তি লাগছে। তার পূর্বপুরুষরা পৃথিবীর এদিকটায় থাকত নাকি। প্রফ্রেসর ম্যাডিনসনের কড়া নির্দেশ যেতে যেতে ব্রেইন চিপ ৫ থেকে হিস্টোরিগুলো শুনতে শুনতে যেতে হবে। স্মৃতিগুলোকে বার বার স্কান করে সে শুনছে ভয়াবহ সেই দিন গুলোর কথা। কিন্তু তার ব্রেইন চিপ তাকে এগুলো সিগনাল দিচ্ছে ! প্রফেসর এ গুলো...

রোমান্টিক থ্রিলারঃ ‘রাতগল্প’

‘রাতগল্প’ সিগারেটের পুড়ে যাওয়া ফিল্টার এ্যাশট্রে তে গুঁজে দিয়ে, হালকা ধোঁয়া ছেড়ে, মেয়েটির দিকে এবার খানিকটা দৃষ্টিপাত করে আবির। কিছুক্ষণ ধরেই বেশ তাড়া দিচ্ছে মেয়েটি, “হু, কি যেনো বলছিলেন?” “যা করবেন, তাড়াতাড়ি করেন?” মেয়েটির কথায় তেমন কর্ণপাত না করে বেশ শান্ত গম্ভীর গলায় পাল্টা প্রশ্ন আবিরের.. “আপনি কদ্দিন হলো এখানে আছেন?” “ক্যান?” “দরকার আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি?” “৩ বছোর” “হু” “কিন্তু আপনে এইগুলা দিয়া কি করবেন?” “কৌতুহল? জানার আগ্রহ বলতে পারেন!” কৌতুহলী দৃষ্টিতে চারপাশে চোখ বোলায় আবির। সিড়ি পেরিয়ে আরো ক ‘টা ঘরের সাথে লাগোয়া এ ঘরটা বেশ ছিমছামই বলা চলে। চার’তলা বাড়ির দোতলার এই মাঝারি আকারের ঘরের ভেতরকার...

nolvadex and clomid prices

মুক্ত বিহঙ্গ (রোমান্টিক গল্প)

[এক] মোটা একটা বই নিয়ে বসে আছে তানহা । এ মেয়েটা বই ছাড়া আর কিচ্ছু চিনে না । অনেকের ধারণা মরার আগে কেউ যদি ওকে জিজ্ঞাসা করে তোমার শেষ ইচ্ছা কি তাহলে সে বলবে- আমার কবরের মাঝে কিছু বই দিয়ে দাও ! এখানে বেড়াতে এসেও ও বই ছাড়ে নি । পড়তে পড়তে চোখের অবস্থা ১২ টা বাজিয়েছে । বয়স মাত্র ২০ কিন্তু এ বয়সেই ওর চোখে ২.৭৫ বিবর্ধন ক্ষমতার চশমা । আরেকটু বুড়ো হলে না জানি চোখে কি উঠবে ? ওর পাশে বসে কফি খাচ্ছে স্নেহা । তানহার বেস্ট ফ্রেন্ড । কিন্তু তানহার সাথে ওর স্বভাবের একটুও মিল নেই ।...

টমেটো আর পেন্সিল কম্পাসের গল্প

তুহিন বসেছে বাসের দ্বিতীয় সারিতে। জানালার পাশের সিটটা খালিই ছিল। সেখানে বসে নি। বিশেষ কারণে। বাসের ভিড় এখনও তেমন একটা বাড়ে নি। তবে এতক্ষণে বেশ কয়েকটা “মাল” ওঠার কথা ছিল। এখনও একটাও ওঠে নি। বাস মালিবাগ থেকে মৌচাকের দিকে এগোচ্ছে। মৌচাক মোড়ে বাস থামতেই অবশেষে উঠল, সেই অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু – একটা খাসা মাল। সম্ভবত, নর্থ সাউথে পড়ে। উত্তর-দক্ষিণ বিশ্ববিদ্যালয়। তুহিন মনে মনে হাসল। এইসব আজগুবি নাম যে তারা কোথায় পায় আল্লাই জানে। নাম হচ্ছে তাদের কলেজের। রাজউক। সেইরকম ভাব! তুহিন মালটার দিকে তাকাল। খাসা চেহারা। এই প্রাইভেট ভার্সিটির মেয়েগুলো না…! এত সুন্দর কীভাবে হয়? দেখলেই ইচ্ছে করে টমেটোর মত... accutane prices

তুরাগ

‘কিরে ছেলেটা কি আজকেও আসবে নাকি?’- জানতে চাইলো রিপা। ‘গত তিন বছরে তো একবারো মিস দেয়নি, ঝড় থাকুক, রোদ থাকুক, কি মহা দুর্যোগ, তুরাগ পৌছে গেছে সবখানে’। লিলি একটু হাসলো। রিপাঃ নিয়ে নিলেই পারিস। লিলিঃ এর প্রতি সেই অনুভুতিটাই কাজ করেনা। কি করি বল? অফিস থেকে বেরিয়ে রাস্তার পাশে এসে দাড়ালো লিলি। রিপা ব্যাস্ত রিকশা খোজায়। ছেলেটা এসে লিলির পাশে দাড়ালো। আরেকবার ভাল করে লিলি দেখে নিলো ছেলেটাকে।   লিলিঃ তুমি আবার এসেছো? ছেলেঃ হুম, ভালবাসার কথা শুনাতে চলে এলাম। লিলিঃ তুরাগ, তোমাকে আমি বলেছি অনেকবার, তোমার ভালবাসার কথা শোনার কোন আগ্রহ নেই আমার। তুরাগঃ তাহলে আমাদের ভালবাসার কথা কাকে...

অনুগল্পঃ ‘নারী’

হসপিটালের বিছানায় হুশ ফিরতেই, ঝাপসা চোখে চারপাশের কঠিন বাস্তবতাগুলোকে বুঝে ফেলেছিলাম আমি। আশপাশের মানুষগুলির কটাক্ষ ভরা চাহনি আর মার সাথে সাদা পোশাকের নার্সের তিক্ত ব্যবহার হতাশার দীর্ঘশ্বাস গুলিকে শুধু দীর্ঘই করছিলো। বাঙ্গালী মেয়ের জীবন কত বিচিত্র তাই না? শৈশবের সদ্য বুঝ জ্ঞান হতে শুরু করেছে কি করেনি, শাসনের শেকল বেড়িটা এঁটে যায় পায়ে। এটা কোরোনা, সেটা কোরোনা, এটা তোমার নয়, ওখানে তোমার যাওয়া চলবে না। বেশ চোখে চোখে রাখা যাকে বলে। বয়সটা খানিক বাড়তে শুরু করেছে কি চারপাশের তীর্যক কথা কিংবা চাহনিগুলোও কেমন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে বন্দীশালার পরিধি আর ক্রমশ কমতে থাকে বাইরে বেরুবার পথ।...

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,...

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

acquistare viagra in internet