Category: রাজনীতি

গণতন্ত্র স্মৃতি টুর্নামেন্ট

প্রতি ৫ বছর পর পর আমাদের শহরে গণতন্ত্র স্মৃতি টুর্নামেন্ট নামে একটা ঐতিহ্য বাহী টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয় । দুটি দল এই টুর্নামেন্ট জেতার জন্য মরণপণ লড়াই করে থাকে । রিয়াল-বার্সার ধ্রুপদী লড়াইয়ের চেয়ে কোন অংশেই কম নয় যেন এ লড়াই। তাই ভালবেসে আমরাও এই লড়াইকে এল ক্লাসিকো বলে ডাকি। মাঠের টুর্নামেন্ট গড়ানোর আগে মাঠের বাইরে যে লড়াইটা হয় সেটাও কম আকর্ষণীয় নয়। প্রতিবারের মত এবারো সেই লড়াইয়ের উৎস নির্দলীয় টুর্নামেন্ট কমিটি। এই কমিটির গঠনের উদ্দেশ্যে দুই দলের মধ্যে ঐতিহ্য বাহী গোলটেবিল বৈঠক চলছে।   “এ” দলঃ আমরা তো বি দলের প্রধানরে টেলিফোন করছিলাম । কইছিলাম আপনারা আসেন। কিছু লোকের নাম...

গন্তব্য বার্ন ইউনিট

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জামালুর ইসলাম পেশা অটো চালক,মুখে পোড়া দাগ।খোজ নিয়ে জানা গেল ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন,মালিকের অনুরোধে কাঁচামাল নিয়ে বের হয়েছিলেন গন্তব্য ছিল কারওয়ান বাজার,কিন্তু গণতন্ত্রের আম্মু বাহিনীর ছোড়া পেট্রোল বোমা তার গন্তব্য পরিবর্তন করে নিয়ে যায় বার্ন ইউনিটে আড্ডা,ফেসবুকিং,ঘোরাঘুরি আর পড়াশোনা ইত্যাদি করে ভালোই সময় কাটছিল দুই বান্ধবি সাথী আর যুথি,সামনে পরিক্ষা ফর্ম ফিলাপ করতে কলেজে গিয়েছিল।ফেরার পথে বাসে বসে অন্য বান্ধবিদের সাথে আড্ডা মেরে ভালোই সময় কাটাচ্ছিল।পরিক্ষা শেষে কে কে কি প্ল্যান করবে সেই চিন্তাও করতে থাওক্ল।চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকল ঘুরতে যাওয়া আর হই হুল্লার করার দৃশ্য,হঠাত আর্ত চিতকারে নেমে আসে বাস্তব জগতে।সবাই হুরোহুরি করে বাস থেকে নামছে।বান্ধবিদের কেউ...

সাধারন নিয়ে অসাধারন রাজনীতি

  খেপছেন, তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওরফে পিঙ্কি ম্যাডাম প্রচন্ড খেপছেন। এতো খ্যাপা তিনি এর আগে কুন সময় খেপে নাই। তাঁর অবস্থা এই রকমের ব্যারাছেরা যে গত ৪৪ বছরেও এই এরকম দুরবস্থা তাঁর দেখতে হয়নাই। এই কথা শুইনা আমাগো ছক্কু মিয়া ভুরু কুচকাইয়া জিগায় “ম্যাডাম এতো খেপলো ক্যান ?” আরে খেপবো না, উনার কথা এখন আর কেউ শুনে না, আর শুনবোই বা কে, শুনার মতো আশেপাশে কেউ থাকলে তো শুনবো। নিজের পেটের পোলাই তাঁর কথা শুনলো না আর এখন তো আশে পাশে কেউ নাই। ছক্কু মিয়া কপালডা আরো কুচকাইয়া জিগায় “হের পোলায় আবার হের কোন কথা...

গোলাপি শাড়ির ভাঁজে…

কবিতা চিনিস? এক একটা শব্দ ওই ছুড়ে দেয়া ইটের চেয়ে শক্তিশালী বুলেটের চেয়ে মসৃন! আমি ভাঙ্গি থরে থরে সাজানো জাতীয়তাবাদ আলোকের চেয়েও বেশী বেগে বজ্রাঘাতে। যদিও পল্টনের ওই ভাঙাচোরা ঘরখানা অভিশাপের কথা বলে, গোলাপি শাড়ির ভাঁজে চুয়ে চুয়ে পড়ে প্রচন্ড পাপ শালীনতা ভুলে যাওয়া বখাটে কবির কাছে তুই এক বিবস্ত্র মদ মেদহীন বৃদ্ধার শরীর। আর কিছু না! তোর রক্তের তৃষা আমায় সমূলে জাগায় নীপিড়িত মানুষের কাছে জেনেছি, অনেক ক্ষুধা তোর সিক্ত প্রাচীরে অভ্যর্থনা জানায় কামনার তিরতিরে আবহ! কোন এক ফাল্গুনে ঘরে এসে আমি তোকে ধর্ষন করে ফেলে যাবো রাস্তায় লাখো লাখো সম্ভ্রমের প্রতিশোধ। সেদিন তোকে কাঁদতে হবে মেনোপজের দেয়াল ভেঙে...

হরতাল!

হরতাল মূলত একটা গুজরাটি শব্দ। যা সর্বাত্মক ধর্মঘটের প্রকাশক। অন্যভাবে বললে এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা। মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। জন গুরুত্বপূর্ণ কোন ইস্যুতে রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে। এই প্রথাটি শুধুমাত্র এই উপমহাদেশেই প্রচলিত। গাড়ী ভাংচুর, জান-মালে অগ্নিসংযোগ, অরাজকতা সৃষ্টি এসবের নাম হরতাল নয়। যে কোন দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে, কিন্তু মানা না মানা জনগণের ব্যাপার। মানুষ মেরে, ভাংচুর করে, আগুন দিয়ে হরতাল মানতে বাধ্য করাটা অন্যায়, অন্যায্য এবং অগণতান্ত্রিক। বাংলার ইতিহাসে একটি মাত্র হরতালের আহবানই ন্যায্য ও জনগুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭১ সালে সেই হরতালের আহবান করেছিলেন বঙ্গবন্ধু... private dermatologist london accutane

এ অকাল-মৃত্যূর দায় কার ঘাড়ে ?

জিয়াদকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টার তৎপরতার ইতি টানার ঠিক ১০ মিনিট পর স্থানীয় ছেলেদের বিশেষ উদ্যোগে জিয়াদকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু উদ্ধারকৃত জিয়াদ ততক্ষনে লাশ,দায়িত্বরত ডক্টর তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। সেই সাথে একটি সাড়ে তিন বছরের সম্ভাবনাময় প্রানের অকাল প্রয়ান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতাকে দেখিয়ে দিলো। এখন প্রশ্ন হলো- কার উপর পড়বে এই নিস্পাপ শিশুর অকালে ঝরে যাওয়ার দায়? ওয়াসার এই প্রোজেক্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ইঞ্জিনিয়ারকে পূর্বেই বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আমি মনে করি শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানকে বরখাস্ত বা গ্রেফতার করলেই এর দায় মুক্ত হওয়া যাবেনা।তাতে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবেনা। যদিও এই অনুশীলনীটা...

পুলিশের বর্বরতা ও প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান ডানপন্থী মনোভাব

গতকাল পত্রিকায় দেখলাম শাহবাগ মোড়ে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলনরত এক ছাত্রীকে পিছন থেকে লাথি মারছে এক পুলিশ অফিসার। কি বীভৎস বর্বরতা। আমরা এ কোন সমাজে বাস করছি ? আমাদের দেশটা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ? এরই নাম কি নারীর অধিকার যেখানে বিশ্ব বিদ্যালয়ের নীতির প্রতিবাদ করায় একজন নারীকে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তায় দাড়িয়ে পুলিশের লাথি খেতে হয়? এরই নাম কি গণতন্ত্র ? এই হতভাগ্য শিক্ষার্থীরা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচী পালন করছে না। টেন্ডার বাজি ,চাঁদাবাজির সুবিধার্থে ক্ষমতায় যাওয়ার মরণপণ আন্দোলনও করছে না। তাদের এই আন্দোলন নিজামী , সাঈদীর মত কুখ্যাত রাজাকারদের মুক্তির দাবিতেও নয়। তাদের চাওয়া খুব সামান্য। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে...

দেশাত্ববোধ বনাম বিরোধীতাবোধ : কিঞ্চিত দীর্ঘশ্বাস

ঘরে টিভি আছে। গ্রামে সাধারণত সবার বাড়ী টিভি থাকেনা বা থাকলেও খেলা দেখার সময় তরুনেরা বড় টিভি ওয়ালা, হৈ হুল্লোড় করা যায় এবং পরিস্কার দেখা যায় এমন বাড়ীতেই ভিড় জমায়। সেই সুবাদে খেলার সময় আমার ঘরে প্রচুর দর্শকের উপস্থিতি ঘটে। বিশেষ করে ক্রিকেট খেলার সময়। তো আমি খেলা দেখতে উপস্থিত থাকলে অপেক্ষাকৃত কমবয়সী যারা খেলা দেখতে আসে তারা প্রত্যেকেই খেলা বিষয়ক কোন মন্তব্য করতে গেলে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয়। এই যেমনঃ ম্যাচে আমাদের প্লেয়াররা কোন LBW এর আবেদন করলে আর আম্পায়ার না দিলে তারা বলবে, “দেখছেননি শাহিন ভাই; শালার আম্পায়ার ইজি LB টা দিলো না(আসলে LBW ছিলোই না!)? বিপক্ষ...

নিরপেক্ষতার মানদন্ড এবং আমাদের নিরপেক্ষতা

নিরপেক্ষতা আসলে কি?    নিরপেক্ষতা বা Neutralism কে রাজনৈতিক আদর্শের ক্ষেত্রে দল নিরপেক্ষ বা Nonalignment ও বলা যেতে পারে। শান্তিকালীন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে রাজনৈতিক বা আদর্শগত সম্মিলনে দল নিরপেক্ষ থেকে মতামত দেয়াকেই নিরপেক্ষতা বলে। তাহলে কি দাঁড়াল?  এখন কোনটা কে নিরপেক্ষতা বলব? বিচারক নিরপেক্ষ থাকেন কিভাবে? আচ্ছা বিচারক কি খুনি বা বাদির প্রশ্নে নিরপেক্ষ থাকেন? নাকি বিচারক খুনি বের করেন? আমরা এইটা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি বিচারক আসামি আসলেই খুনি কিনা তা যাচায় করেন সমস্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ এবং সংখ্যালঘিষ্ঠ মতামতের যথাযথ ও পক্ষপাতহীন প্রতিফলনের ভিত্তিতে অর্থাৎ নিরপেক্ষতা বলতে বুঝায় সত্যের পক্ষে থাকাকে।  বিচারক শুনানি শুনে বের করবেন আসল সত্য কি? আর নিরপেক্ষতার মানদণ্ড...

একটি শোকাবহ দিনের ইতিহাস এবং একটি ঐতিহাসিক গল্প!!

>>ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বর বাড়িতে এসেছেন RAW (ভারতের সিক্রেট সার্ভিস)- এর রিসার্চ ও অ্যানালাইসিসি উইংয়ের পরিচালক কাও। তিনি এসেছেন পানবিক্রেতার ছদ্মবেশে। শেখ মুজিবুর রহমান বিরক্ত গলায় বললেন, “আমি আপনাকে চিনি। অনেকেই আপনাকে চেনে। আপনার ছদ্মবেশ ধরার প্রয়োজন পড়ল কেন? “কাও বললেন, “মাঝে মাঝে নিজেকে অন্যরকম ভাবতে ভালো লাগে বলেই ছদ্মবেশ। আপনাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মেজর রশীদ, ফারুক, লে. কর্নেল ওসমানী এই নিয়ে আলোচনায় বসেন জেনারেল জিয়াউর রহমানের বাসায়। এই বিষয়ে আপনাকে তথ্য দিতে এসেছি।” শেখ মুজিব বললেন, “আপনারা অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ। পানবিক্রেতার ছদ্মবেশে যে আমার কাছে তথ্য দিতে আসে তার কথায় আমার বিশ্বাস নেই।” ” আপনার সামনে মহাবিপদ। ” ” মহাবিপদ আমি...

মুক্তিযুদ্ধ, চীনাবাম ও বঙ্গবন্ধু

মুক্তিযুদ্ধে বামদের ভূমিকা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বেশ বিতর্ক আছে। ঐ সময় বামেরা অনেক দল ও উপদলে বিভক্ত ছিল। এমনকি চীনপন্থীদের মধ্যেও মাওপন্থী, নকশালপন্থী, হকপন্থী, তোহাপন্থী, সর্বহারা (সিরাজ শিকদারের সন্ত্রাসী গ্রুপ) সহ অসংখ্য দল, উপদল ও গ্রুপ ছিল । ৭১ এ যুদ্ধাকালীন সময়ে তাদের বেশির ভাগেরই অবস্থান ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে। মূলতঃ ষাটের দশকে চীন-রাশিয়া মেরু করণের সময়ে মওলানা ভাসানীকে কেন্দ্র করেই চীনাপন্থীরা একত্রিত হয়। আবার চীন-পাকিস্তান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকায় আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ভাসানী সক্রিয় হতে পারেন নি। অন্য দিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বাড়তে থাকায় চীনাপন্থীরা কখনোই আওয়ামী লীগকে আস্থায় নিতে পারে নি। এই আস্থাহীনতাই ৭০ এর পরে আওয়ামীলীগ ও...

“ধর্ম !!! শুধুই কি স্বার্থ রক্ষার ঢাল !!??”

যেকোনো ক্ষেত্রে ধর্মকে ব্যবহার করা এক কথায় বলতে গেলে “ধর্ম ব্যবসা” এখন আর আমাদের দেশে কিংবা সমাজে নতুন কিছু নয়। রাজনীতি, সমাজনীতি, নিজ নিজ জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা থেকে খেলার মাঠে পর্যন্ত ধর্মকে ব্যবহার করা হয় নিলজ্জভাবে।একদিন কিংবা দুদিনেই আমাদের সমাজে ধর্মকে এভাবে ব্যবহার করার প্রবণতা শুরু হয়নি। অনেকটা বিষাক্ত ভাইরাসের মত করেই আমাদের সমাকে অত্যন্ত কৌশলের সাথে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে এই ধর্মের অপব্যবহারকে। আমাদের দেশের জন্মের ইতিহাস থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত একটু একটু করে ধর্মের অপব্যহারকে মানুষের রক্তে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যার কারণে খেলার মাঠের ইস্যু হোক কিংবা হোক কোন জাতীয় ইস্যু সব ক্ষেত্রেই ধর্মকে ব্যাবহার করা হয় প্রধান...

অসুস্থতা না টালবাহানা!

এদেশে সব ভালো কাজেই বিলম্ব হয়, নিজামীর ফাঁসি তেও যে এমনটাই হবে,সেটা মোটামুটি জানা কথা, অসুস্থতার অযুহাতে রায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন তো প্রথম শুনলুম মাইরি! হর্তাকর্তারা বলেনঃ ৪২ বছরের কলংক?? তা ধুয়ে পেলতে একটু তো সময় লাগবেই বটে(আলসেমির ভঙ্গিমায়).. তা তো লাগবোই, গোলাম আজমকে বসাইয়া খাওয়ানো হচ্ছে। হোক না আরেকটা! তার ক্ষেত্রেও একই রকম উপসর্গ দেখা গিয়েছিল প্রসাশনের! আজ হবে, কাল হবে, এরকম করতে করতে এরপর এমন হওয়া হয়েছে, যে, শেষমেষ তো গোলাম আজমের ফাঁসির দড়িটাই ছিড়ে গেল গলা থেকে, এবার আবার নিজামী অধ্যায় শুরু। কাঁদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর নিয়ে তো ভালোই লুকোচুরি হয়েছিল, তারপর তো একরকম পাবলিক ও...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

টু দেশের সিনিয়র পলিটিশিয়ানস

ডিয়ার সিনিয়র পলিটিশিয়ানস, আপনারা কি কখনো অবসর নিবেন না? সারাজীবন রাজনীতি করে কি পেলেন? না শান্তিতে একটা রাত ঘুমাতে পারছেন, না পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিয়েছেন? গুম, হত্যা, মৃত্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী এইসব আতংকের ভিতরেই কাটিয়ে দিয়েছেন পুরোটা জীবন। এটা কি মানুষের জীবন? পার্টি পার্টি করে জীবনের শেষ ভাগে চলে এসেছেন। কদিন পরেই এই পার্টি ছেড়ে, এই ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাবেন অনেক অনেক দূরে। মৃত্যুর পরে কেউ কি আপনাদের এত এত অবদান স্মরণ করবে? আপনারা কি অতীতের কারোটা স্মরণ করছেন? তাহলে আপনি কেনো ভাবছেন, আপনার ভাগ্যে ব্যতিক্রম কিছু ঘটবে? আর আপনারা নিশ্চয় জীবনের এই শেষভাগে এসে দারুণ ক্লান্ত! পার্টি করতে করতে ক্লান্ত, যা...

cialis new c 100

ইয়ুথ ফর বাংলাদেশঃ একটি স্বপ্ন, একটি প্রতিজ্ঞা

বোকারাই স্বপ্ন দেখে পৃথিবীটা সুন্দর করে সাজানোর। অপদার্থরাই যুক্তিহীন আবেগে পথ চলে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে। আমাদের ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ এরকম কিছু বোকা আর অপদার্থের সংগঠন। সময়টা ছিল ২০১২ সালের প্রথম দিকে। আমি আর আমার এলাকার ক্লোজ ছোট ভাই, শেকড় আহমেদ ফয়সাল এই দুজন মিলে দেশের তরুন প্রজন্মের নানান দিক নিয়ে আলোচনা করতাম। আমাদের আলোচনায় উঠে আসতো বর্তমান রাজনিতির নানান দিকসহ তরুণ প্রজন্মের ভিতর যারা আলোচিত, তাদের কথা। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আমরা বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন্মূলক কাজকর্মে নিজেদের জড়িয়ে রেখেছিলাম। শেকর ‘সেভ দ্য পিপল’ এবং আমি ক্রান্তি নামের তারুণ্যভিত্তিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন নিয়ে বেশ কিছু কাজকর্মও...

metformin tablet
renal scan mag3 with lasix

৪০-বছরের ভারত-বাংলাদেশ বৈরিতা : সমাধান কোন পথে?

গত বছর কোলকাতার রাস্তায় টেক্সিতে ভ্রমনকালে বাংলাভাষী টেক্সিওয়ালার খেদোক্তি ছিল, ‘‘একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের প্রায় ২০,০০০ সেনার রক্তে বাংলাদেশ রঞ্জিত হলেও এবং তখনকার অভাবী কোলকাতার মানুষের বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রতি অকৃত্রিম সমর্থন, আর ১-কোটি শরণার্থীকে নানাভাবে সহযোগিতার পরও, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কেন এতো ভারত-বিদ্বেষী? কেন বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে নানা কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারী সন্ত্রাসীদের সহায়তা করে? বাংলাদেশ কি পাকিস্তান’’? এরূপ অভিযোগ আরো শুনেছি হিন্দীভাষী চেন্নাইগামী ট্রেনযাত্রীর মুখে ‘করোমন্ডল এক্সপ্রেসে’। যদিও কোলকাতার অধিকাংশ মানুষ ‘বাংলাদেশ’ শব্দটির ব্যাপারে খুবই ‘নস্টালজিক’ এবং পশ্চিম বঙ্গের মতই তারা মনেপ্রাণে রাজনৈতিক বাংলাদেশকে ভালবাসে, বিশেষ করে এক সময় যাদের পূর্বপুরুষরা বাস করতো পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে। সুসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মত...

মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষনের দাবী…

ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, ঘটবেই। গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে যে কোন দলই ক্ষমতায় আসতে পারে এবং সেটা স্বাভাবিক ও অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। ভয়টা হল অন্য জায়গায়! যদি স্বাধীনতা বিরুধীরা আরেকবার জয়ী হতে পারে তবে এই ইতিহাস বিকৃতিকারীরা মুক্তিযুদ্ধের কোন ডকুমেন্টই তারা আর অবশিষ্ট রাখবে না। কেননা অতীতেও তারা এরকম করেছে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক মুল্যবান আলামত ও দলিল-দস্তাবেজ তারা নষ্ট করেছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলা একাডেমি ও আদালতে বর্তমানে যে সব ডকুমেন্ট বা দলিল-দস্তাবেজ রয়েছে তাও পুরোপুরি সংরক্ষিত অবস্থায় নেই।যে কোন দুর্ঘটনা বা অগ্নি সংযোগে হারিয়ে যেতে পারে মুল্যবান দলিল সমুহ। সরকার ও এসব দলিল পত্র সংরক্ষনে এখন পর্যন্ত কার্যকরি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কালের কন্ঠ পত্রিকার...

ভারতের স্বাধীনতা – প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার

রাণী নামের ছোট্ট মেয়েটি । আজ তার জন্মদিন । ১৯১১ সালের ৫ মে ঠিক এই দিনে মিউনিসিপ্যাল অফিসের হেড কেরানী জগদ্বন্ধু ওয়াদ্দেদার এর ঘর আলোকিত করে আসেন আমাদের সবার পরিচিত প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার । আদর করে মা প্রতিভাদেবী তাঁকে “রাণী” ডাকতেন । । তাঁদের পরিবারের আদি পদবী ছিল দাশগুপ্ত। পরিবারের কোন এক পূর্বপুরুষ নবাবী আমলে “ওয়াহেদেদার” উপাধি পেয়েছিলেন, এই ওয়াহেদেদার থেকে ওয়াদ্দেদার বা ওয়াদ্দার । চট্টগ্রামের ধলঘাট গ্রাম । পড়ালেখার সুযোগসুবিধা তেমনটি নেই । তারপরও জগবন্ধু প্রতিভাদেবী তাদের আদরের মেয়েটিকে পড়ানোর জন্য সেসময়ে তাদের পক্ষে যতটা সম্ভব তা দিয়েছিলেন । শুরুতেই তৃতীয় শ্রেণী , ডাঃ খাস্তগীর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয , ১৯১৮...

walgreens pharmacy technician application online