Category: সাম্প্রতিক

নারীর সমঅধিকার ব্যর্থতার কারন নারী নিজেই

নারীদের অধিকার আদায় করা, নারী নির্যাতন বন্ধ করা সমাজের সবার মানসিকতা না বদলানো পর্যন্ত প্রায় অসম্ভব।নারীর অধিকারের প্রশ্নে সাংবিধানিক ও আইনগত জোড়ালো সমর্থন থাকা সত্ত্বেও পুরুষতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিদ্যমান থাকার কারণে আমাদের সমাজে নারীদের এখনো সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।আমাদের দেশে নারীদের অধিকার সচেতনতার অভাবে নারীরা একদিকে যেমন তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ এবং আইনী সহায়তা থেকে বঞ্চিত, অন্যদিকে বৈষম্যমূলক আইনের কারণে তাদের নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।যদিও নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। উভয়ের শ্রমে-ঘামে, মেধা-মননে আজকের সভ্যতা এ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।কিন্তু আমরা নারীদের প্রাপ্য অধিকার বুঝিয়ে দিতে অক্ষম।আর তার জন্য মেয়েদেরও কিছু যে দোষ আছে!আমরা যদি একটু পিছনে গিরে তাকাই তাহলেই বুঝতে পারব নারীদের... zovirax vs. valtrex vs. famvir

cialis new c 100

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্টপতি আব্দুল হামিদের ভাষনকে কেন্দ্র করে মিথ্যা গুজব

সকাল থেকেই “প্রথম আলো” নিউজ লিঙ্কের কিছু অংশ অনলাইনে কিংবা ফেসবুকে ঘুরপাক খাচ্ছে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে নিয়ে এবং কিছু অতি উৎসুক ফেসবুকাররা তা বিতর্কিতভাবে ভাবে বিভিন্ন অনলাইন পেইজ অথবা ফেসবুকে পাবলিক পোস্ট করে নিজেকে জ্ঞানীর ভাণ্ডার হিসাবে দাবিতেই ব্যস্ত।যাই হোক,যে কথাটি নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে সেটা সরাসরি তুলে ধরি।তারপর না হয় এক লাইনে উত্তরটা দেওয়া যাবে। “মনে ইচ্ছা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন। ভর্তিও হয়ে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। ভর্তির কাজকর্ম শেষে গেলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে। বঙ্গবন্ধু সব শুনলেন। তারপর জানিয়ে দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, পড়তে হবে সেন্ট্রাল ল কলেজে। আর রাজনীতি করতে হবে কিশোরগঞ্জে। সেন্ট্রাল...

বর্ণমালা ভয় শিখায়………………. মাননীয় মন্ত্রী, আমরা কুশিক্ষায় শিক্ষিত – ১

অনেক দিন তুমুল বৃষ্টিতে ভেজা হয় না। স্রোতস্বিনী নদীতে সাঁতার দেওয়া হয় না। শরতের কাশবনে ঢুকে অকারণ চিৎকার দিয়ে নীরবতা আরও বাড়িয়ে দিই না। না দেখলাম বৃষ্টি, না দিলাম সাতার, নাই বাড়ালাম নীরবতা, গ্রামের কুয়াশা দেখা যাবে, শীত শীত রাতে পোকা মাকড়ের ডাক শোনা যাবে, কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধার সাথে পরিচয় হবে কম কি? দেই ছুট। দুধের সাধ দুধেই মিটাই! এক সময় প্রচুর ঘুরে বেড়ানোর কারণে রাস্তা-ঘাট সম্বদ্ধে একটা ধারনা ছিল। মানুষজনের চাল চলন সম্বদ্ধে ধারনা ছিল। বেশিরভাগ রাস্তা ঘাটই ভাঙাচোরা ছিল। এখন অবস্থা ধারনার বিপরীত। গুটিকয়েক রাস্তা বাদ দিলে বেশিরভাগ রাস্তাই ভালো। কোথাও কোথাও ফোর-লেন হচ্ছে, কোথাও আবার নতুন রাস্তা...

পুলিশ যেন কোলবালিশ! মাননীয়, আমরা কুশিক্ষায় শিক্ষিত – ২

পুলিশ জনগণের বন্ধু। এটা কেবল মুখের কথা। কেবলই শরতের সাদা মেঘ। ভেসে ভেসে চলে যাবে কিন্তু বৃষ্টি হয়ে নামে না। ঐ বাক্যটাও এমন। অবস্থা কেন এমন? অবস্থা এমন করা হয়েছে তাই এমন। এমন করা হয়েছে বহু আগেই। আর নীতি-নৈতিকতা, মানবতা, ভাবনা, গভীরভাবে সমাজের কোথায়ই বা আছে। তবে আশার কথা পরিবর্তন খুব ধীর গতিতে হলেও হচ্ছে। পুলিশের কাছে একতরফা আদি বাঙালিয়ানা খুঁজলে হবে না। পুলিশ তো আমাদেরই পরিবারের সদস্য। আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কৌশলে কুশিক্ষা ঢুকানো হয়েছে, সাংস্কৃতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা হয়েছে, ধর্মের ভিতর তীব্র উগ্রতা সৃষ্টি করা হয়েছে সূফী ধারা বাদ দিয়ে কয়েক যুগ। পুলিশও এ সমাজেরই অংশ। আগে মানুষ,...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

সাজু খাদেম প্রসঙ্গ !

সাজু খাদেম ভালো না,সে থার্ড ক্লাস কৌতুক করেছে তিন মেয়ে সেলিব্রেটির সামনে এবং তারা যেহেতু কোন প্রতিবাদ করে নাই তারাও থার্ডক্লাস মেরুদণ্ডহীন বলে দাবি করতাছে অনেক নারীবাদী সেলিব্রেটিরা।ভাইয়া/আপুরা একটু থামেন,সাজু খাদেম খারাপ আর আপনারা ধোয়া তুলসী পাতা!সাজু খাদেম যদি এতোই থার্ড ক্লাস প্রকৃতির হতো তাহলে মিডিয়া জগতের মেয়েরাও তা বিরোদ্ধে লিখতো স্বপক্ষে না এটাই স্বাভাবিক।আর তিলকে তাল বানানো যেন বাংগালীর জাতীয় অধিকার।সাজু খাদেমের সাথে কিংবা তাদের সাথে সাজুর এরকম ভালো বন্ধুসুলভ সম্পর্ক আছে দেখেই সে এমন কৌতুক করেছে এটাই স্বাভাবিক।কিন্তু আপনাদের গবেষণা দেখে মনে হচ্ছে সাজু খাদেম তাদের জোর পূর্বক টিচ করেছে।আমার ধারণা মোটেও না,কৌতুকের মূল রহস্যটাই হলো মানুষকে হাসানো...

সংখ্যালঘু শব্দ মানেই নির্যাতনের শিকার (২০১৬) !!!

সংখ্যালঘু শব্দ মানেই নির্যাতনের শিকার। মুল অপরাধীদের আড়াল করে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয় যে কোন দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীরাই। আর শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। সাম্প্রদায়িকতা শব্দটির আক্ষরিক অর্থ সম্প্রদায়গত চিন্তা। সেই সম্প্রদায় হতে পারে ভাষাভিত্তিক, ভূখ-ভিত্তিক, গোত্র ও বর্ণভিত্তিক কিংবা আদিবাসীভিত্তিক। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এ উপমহাদেশে সব কিছু ছাপিয়ে ধর্ম পরিচয়ই সম্প্রদায়ের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ধর্মের ভিত্তিতে সাতচল্লিশে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি দেশ হয়েছে। আবার একাত্তরে এ দেশের মানুষ সেই পাকিস্তানকে নাকচ করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ যার প্রথম সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশে প্রতি বছরই...

আলোচনার শীর্ষে যখন ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ !!

গত রোববার চার অস্ত্র ও গ্রেনেডধারী উরির সামরিক ঘাঁটিতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ১৭ ভারতীয় সেনাকে হত্যা করে; হামলায় আহত হন আরও ৩৫ জন। পরে হামলাকারীরাও পাল্টা গুলিতে মারা যান।কাশ্মীরে হামলা চালিয়ে ১৭ জন ভারতীয় সেনাকে হত্যার পর ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।উরি সেনাঘাঁটিতে হামলার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত ।অন্যদিকে এই হামলা ভারতেরই সাজানো ঘটনা।আর পাকিস্তান পাল্টা অভিযোগ করছে কাশ্মীরে তীব্র সহিংস গণবিক্ষোভ থেকে দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা করছে ভারত। যে বিশেষ সময়ে ঘটনাটি ঘটেছে, তা থেকেই সেটা স্পষ্ট বলে পাক সংবাদপত্রগুলোর দাবি।বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক-টুইটারের মাঝেও ক্রমশ উত্তেজনার ফলেই চুলচেরা বিশ্লেষন করছে বিভিন্ন দেশের সাধারণ রাজনৈতিক... half a viagra didnt work

synthroid drug interactions calcium

ইস্যু যখন শ্যামল কান্তি স্যার

অনেকেই দেখতাছি স্যার শ্যামল কান্তির ইস্যু নিয়ে মসজিদ এবং মসজিদের মাইক নিয়ে দোষারুপ শুরু করে দিছে।আচ্ছা ভাই,আপনি মসজিদ কিংবা মন্দিরের বা যেকোন ধর্মীয় উপাসনালয়ের দোষ দিয়ে কি কোন লাভ আছে?সেটা হলো সবে মাত্র একটা জড় বস্তু(ঘর)।কারণ,অনেকেই বলা শুরু করছে,আপনি মসজিদের মাইক থেকে আযান দিয়ে দেখুন কয়জন নামাজী উপস্থিতি হয়?কিন্তু সেই মসজিদ থেকে মাইক দিয়ে ধর্ম অবমাননার ভুয়া ঘোষণা দেওয়া হয় তাহলে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে যাবে লাঠি, দা-চাপাতি নিয়ে।যুক্তিটা অবশ্যই ভালো মনে হয়েছে।কিন্তু একটা কথা চিন্তা করে দেখেনতো,রাস্তার পাশে যখন কোন লোক একসিডেন্ট হয় কিংবা বিপদে পড়ে আমরা কয়জন তারপাশে যাই এবং ভীড় জমাই (যদিও একজন দুজন যাবার পর...

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (দ্বিতীয় পর্ব)

শাহবাগ আন্দোলনের আগে জামায়াত মনে করেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়া নতুন প্রজন্মের অসংখ্য হুজুগের একটিমাত্র, ইন্টারন্যাশনাল লবিং করে, জোচ্চুরি করে, দুর্নীতি করে তারা তাদের নেতাদের বাঁচিয়ে আনতে পারবে। তারা কখনোই বুঝতে পারে নি যে কাদের মোল্লার রায়ের পর কয়েকজনের ডাকা শাহবাগের আন্দোলনটা এত বিশাল রূপ নিয়ে নেবে। আন্দোলনের প্রথম কয়েকদিন তারা জাস্ট দেখল, তারপর রাজিব হায়দার হত্যা থেকে শুরু হলো তাদের নতুন প্লান। তারা সাধারন জনগণের কাছে শাহবাগ আন্দোলনকে কলুষিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের নিরীহ জীবন কাদায় টেনে আনল। তবুও আন্দোলন থেমে থাকল না। আরো কয়েকজন আন্দোলনকারী খুন হলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হল। তবুও আন্দোলন চলতে... wirkung viagra oder cialis

private dermatologist london accutane

বিচারহীনতায় বাংলাদেশ

যখন একটি রাষ্ট্রে বিচারহীনতার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, অযাচিত রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায় তখনই সমাজের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে থাকে। আর তখনই রাজনৈতিক প্রভাবে অপরাধরীরা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে। গোটা দেশটাই হয়ে উঠে অপরাধ রাজ্য। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে সমাজের বিশেষ বিশেষ ব্যক্তি। ঘটনার বিশ্লেষণ বা তরজমা এখন আর জনমানসে খুব একটা প্রভাব ফেলছে না। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে কোপাকুপির আতঙ্ক। কে কখন সন্ত্রাসীদের চাপাতির লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন এই ভয় পেয়ে বসে আছে দেশের সকল শ্রেনীর কিংবা বিশেষ কিছু লোকের মনে।কারণ কে কোথায়,কিভাবে এই টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন তা আমাদের কারো জানা নাই। আর কী অপরাধে মানুষ একের পর এক খুন হচ্ছেন...

can your doctor prescribe accutane

গণহত্যাকে অস্বীকারঃ গণহত্যারই একটা অংশ

পাকিস্তান ৭১ এ ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছিল, এটা মেনে নিলেও পাকিস্তান গণহত্যা করেছে, এটা মানতে আমাদের অনেকেরই আপত্তি। “তখন যুদ্ধ চলছিল দেশব্যাপী, যুদ্ধের সময় এমন হবেই” – তাদের যুক্তিটা অনেকটা এ ধরণের। আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র এই “যুক্তি”কে ঘিরে, তবে লেখাটা মৌলিক নয়।  ১৯৯৬ সালে প্রখ্যাত গবেষক Dr. Gregory H. Stanton একটা আর্টিকেল লিখেন “8 stages of genocide” নামে; যেখানে তিনি একটি গণহত্যা সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপর সংগঠিত গণহত্যাটিকে আমি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।   প্রথমেই দেখি, গণহত্যা বা Genocide বলতে আমরা কি বুঝি? Genocide  এর...

can levitra and viagra be taken together
tome cytotec y solo sangro cuando orino

বিধর্মী/নাস্তিক হত্যা কি ইসলাম স্বীকার করে???

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন সামাদকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।নাজিমুদ্দিন সামাদের ওপর আক্রমণের সময় তার সঙ্গে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাউথ ইস্টের শিক্ষার্থী নাজিবের ওপরও আক্রমণ হয়। সৌভাগ্যক্রমে নাজিব বেঁচে যান।রাত নয়টার দিকে ঢাকার পুরনো অংশ সূত্রাপুরের একরামপুর ট্রাফিক মোড়ে কয়েকজন যুবক সামাদের গতিরোধ করে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে গুলি করে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। ওই সময় হত্যাকারীরা ‘আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। নাজিমউদ্দীনকে যে বা যারা খুন করেছে তারা একটা ভিন্ন মতবাদ,ভিন্ন দর্শন,ভিন্ন চিন্তার পার্থক্যের ভিত্তিতেই খুন করেছে। আর এই ভিন্ন পার্থক্যটা হচ্ছে প্রগতিশীলতা,নাস্তিকতা,ধর্মান্ধদের সমালোচনা কিংবা বিশেষ...

doctus viagra

মইত্যা দালাল

।।১।। ১৯৬৬-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার লুৎফর রহমান খানের ছেলে মতিউর। নিজামী তার বংশের উপাধী ছিল না। লুৎফর ছেলের নাম রেখেছিলেন মতিউর রহমান। কিন্তু ছেলে যে জামাতে ইসলামে যোগ দিয়েছে। নামটা একটু ভারী করতে হবেনা? নাহলে তো নেতা নেতা ভাভ আসবেনা। তাই মতিউর তার নামের সাথে নিজামী যোগ করে নামটাকে করলে মতিউর রহমান নিজামী। হ্যাঁ, এইবার একটু ভারী ভারী মনে হচ্ছে। হলোও তাই, পরপর দুইবার মতি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলো। ২০১০ সালের ১৭ই মার্চ একটি জনসভায় ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে নিজামীর জীবনকে নবী...

দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হলো গৃহবধূকে

জ্ঞানবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে বিশ্ব অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করলেও এখনো কিছু কিছু নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা মানব সমাজকে তাড়া করে বেরাচ্ছে।এর একটি হচ্ছে নারী নির্যাতন। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং সমাজের উন্নয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু তারপরও সাধারণভাবে তারা শান্তি, নিরাপত্তা ও অধিকারের দিক দিয়ে এখনো পুরুষের সমকক্ষ নয়।বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও বেড়েছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। নারী নির্যাতনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রূপ হচ্ছে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতন।যে নারী ও পুরুষ জীবনে সুখী হওয়ার জন্য সংসার জীবন গড়ে তুলেছেন, তাদের কাছে এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত দুঃখজনক।নারী নির্যাতনের আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে, শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই তার লিঙ্গ নির্ধারণ।...

বাংলাদেশ দিন দিন এক আতংক রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে

বাংলাদেশ দিন দিন এক হিংস্র আতংক রাষ্ট্রে পরিনত হচ্ছে।সমগ্র জাতি আজ স্তব্ধ ও নিস্তব্ধ।কারন সমগ্র জাতিকে আজ,ঘাতকের চাপাতি কিংবা বুলেট তাড়া করে বেড়াচ্ছে। সম্প্রতি দেশের আরাজকতা ভয়ংকর পরিস্হিত তাই প্রমান করে। বছরের শুরু থেকেই প্রকাশ্য দিবা লোকে একে একে বেশ কয়েক জন মুক্তমনা ব্লগার হত্যা দিয়ে শুরু করলেও বর্তমানে এই হিংস্রতা দাঁড়িয়েছে বিদেশী নাগরিক থেকে শুরু করে প্রকাশক,পুলিশ এবং কি সাধারন মানুষ।এ যেন রক্তের হলি খেলা চলছে সাম্প্রতিক কাল ধরে। দেশে দিন দিন বেড়েই চলছে চাপাতির কোপে হত্যাযজ্ঞ।হত্যার কারণে দেশের মুক্ত-চিন্তক মানুষ,সুশীল সমাজ লেখক,প্রকাশক এবং কি এখন সাধারণ জনগণও চিন্তিত। দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। নাগরিকদের নিরাপত্তা দেয়ার...

একের পর এক ব্লগার হত্যার কারণ প্রশাসন এবং সরকারের নিরবতা

একবিংশ শতাব্দী যাকে বলা হছে ডিজিটাল যুগ,এই যুগ কে কেন্দ্র করে মানুষ অগ্রসর হচ্ছে নতুন এর দিকে।আর এই নতুন সময় চলছে ইন্টারনেট ভিত্তিক। ইন্টারনেট এ কোনো প্রকার কাজে শারীরিক ভাবে থাকার ও প্রয়োজন নেই, তাই এই মাধ্যমকে বলা হয়ে থাকে সেফ জোন। কিন্তু এখন এই সেফ জোন হচ্ছে মৃত্যুর প্রধান কারণ।গত কয়েক বছরে হয়েছে একাধিক ব্লগার হত্যা। এই ব্লগার হত্যার সব কারনই প্রায় একই ছিল। ব্লগার ও প্রকাশক ফয়সাল আরেফীন দীপনসহ ৫ ব্লগার খুন হয়েছেন চলতি বছরে এবং দুই বছরে প্রকাশ্যে ও গোপনে নয়জন ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছে।হামলা হয়েছে বেশ কয়েকজনের ওপর। প্রতিটি ঘটনার পর মামলা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে...

metformin synthesis wikipedia
glyburide metformin 2.5 500mg tabs

মক্কার ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বিভিন্ন জনের অভিমত

গত ১২ সেপ্টেম্বর মসজিদুল হারাম শরীফের ক্রেন ভেঙ্গে পড়ে হজ্ব করতে যাওয়া ১৭০ জন হাজি নিহত এবং অসংখ্য হাজি আহত হওয়া থেকে শুরু করে হজের শেষ দিন ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারতে গিয়ে হাজিরা পদদলিত হয়ে ঘটনায় অন্তত ৭১৭ জন হাজি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ৮৬৩ জন।এ নিয়ে চলছে বিভিন্ন সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের লোকদের মাঝেও তর্ক-বিতর্ক।আসুন জেনে নেওয়া যাক,হাই প্রোফাইল ব্যাক্তিবর্গের এ দূর্ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন অভিমত- নিহতদের শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে অক্সফোর্ড ইসলামিক ইনফরমেশন সেন্টারের ওই ইমাম আরও বলেন, ‘ঘটনাটি হৃদয় বিদারক হলেও বিনা হিসাবে সরাসরি জান্নাতে পৌঁছানো সৌভাগ্যবান মুসল্লিদেরকে অভিনন্দন জানাই’।... about cialis tablets

সাধারন মানুষ আজ জিম্মি প্রশাসন কিংবা রাজনৈতিক দলে

নিজেকে তোমরা প্রশ্ন কর আজ দেশের এই অবস্থা কেন? নেই কোন সুখের প্রশান্তি,শুধু যে হাহাকার! তবু বারে ফিরে তাকাই একটু খানি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলার আশ্বাসে। জানিনা সেই নিঃশ্বাস ফেলাও হয়তো কোন একদিন পাপ হয়ে যাবে অথবা হয়ে যাবে দোষর কোন কালো মেঘের ঘনছায়া।কারণ আমরা দিনকে দিন হারিয়ে ফেলছি মানবতা, সামাজিক মূল্যবোধ।আর মনে ধারণ করছি হিংস্রতা,বিদ্ধেষ,হানাহানি ইত্যাদি ইত্যাদি।হারিয়ে ফেলেছি আমরা সামাজিক অবক্ষয়,প্রশাসনের উপর আস্থা।আমাদের দেশের আইন প্রশাসন কিংবা সমাজের হিংস্রতার দিকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে খেয়াল করলে বিশ্বের অন্য রাষ্ট্র গুলো শুধু হতভাগই হবে না বরং আমরা নিকৃষ্টতম জাতিতে স্বীকৃত পেয়ে নোবেলও পেয়ে যেতে পারি।একটি সুগঠিত সুন্দর জাতি,দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে... buy kamagra oral jelly paypal uk

zithromax azithromycin 250 mg

কোন দুর্ঘটনাই মানুষের জন্য কাম্য না।

“মানুষ মানুষের জন্য”-এই কথাটি কে বলেছিল তা আমার ঠিক জানা নেই।তবে এ-কথা অনেক ক্ষেত্রে আবার অনেকাংশে মিথ্যা বলেও প্রমানিত হয় তা মানুষের ব্যবহার এবং কথার মাঝেই।মানুষ নামের দু’পা বিশিষ্ট প্রানী যেমন মানবতা দেখিয়ে সর্বোচ্চ স্তম্ভে উঠতে পারে,ঠিক তেমনই এই জ্ঞানীদের নিচে নামতে এবং নিকৃষ্ট পথ বেছে নিয়ে অন্য পথ চলতেও তেমন কোন দিধ্বাবোধ করে না।এর জন্য একটা অংশ স্বভাবতই দ্বায়ী হয়ে দাড়াচ্ছে ধর্ম নামের অন্ধকার অধ্যায় গুলো।মানুষ আজও ধর্মের কারনের বিজ্ঞানের অনেক সত্যকে উড়িয়ে দিয়ে ধর্মের অযৌক্তিক নিয়মকেই মেনে চলছে।হ্যাঁ আমার এই কথা শুনার পর হয়তো আমাকে বিধর্মী,নাস্তিক কিংবা ধর্মবিদ্বেষী নাসারা ইহুদীদের এজেন্ট ভেবেও ট্যাগ দিতে পারেন।আমার কোন সমস্যা নাই।তবে...

নারী নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ ছিল,আছে এবং থাকবে

নারী নির্যাতন,ধর্ষণ,খুন,শিশু নির্যাতন,রাহাজানি,সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর লুটপাট,আগুন,মন্দির,মূর্তি,গির্জা,প্যাগোডা ভাংচুর ইত্যাদি ইত্যাদি অপরাধ যেন আজ আমাদের খবরের কাগজ কিংবা অনলাইন নিউজ পোর্টাল অথবা টিভির পর্দার নিচ দিয়ে ভেসে চলা হাইলাইট যেন আমাদের জীবনের একান্ত সঙ্গী।এগুলার মধ্যে নারী নির্যাতন,ধর্ষণ,ধর্ষণ অতঃপর খুন করে ফেলে রেখে গেছে দূর্বৃত্তরা।এনিয়ে আমরা কিছুদিন সুশীলতা,লিখালিখি করে প্রতিবাদ,টিভিতে টক শো করবে চেতনাময়ী বুদ্ধিজীবীরা,আবার অনেকেই নির্যাতিত মেয়ের পক্ষ হয়ে যোগ দিবে মানব বন্ধনে ধর্ষকদের সনাক্ত করন করে শাস্তির দাবিতে।অনেক সময় অপরাধীদের প্রশাসনের আওতায় আনা হয়।কিন্তু তাদের কি শাস্তি দেওয়া হয় বা দেওয়া হয় কিনা তা আমাদের আদৌ জানা নেই।হয়তো তারা ক্ষমতাবান লোকের দ্বারা জামিনে বের হয়ে যায় অতঃপর একই ঘৃণ্য অপরাধে জড়িত হয়ে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec