Category: গ্রন্থ পর্যালোচনা

বই পর্যালোচনাঃমিরপুরের ১০টি বধ্যভূমি

“বিহারীরা আমার বোন আমেনাকে ড্রামের পেছন থেকে বের করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।আমার বোন চিৎকার করে বাঁধা দেবার চেষ্টা করে,পরে তাঁর দেহটি হঠাৎ নিথর হয়ে যায়। সেই নিথর দেহের উপর পালাক্রমে চলে ধর্ষণ। ধর্ষণ শেষ হলে নিথর দেহটিতে তিনটি গুলি করে” … বর্ণনা দিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান মোমেনা বেগম। প্রায় ২ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলে তিনি আরও জানান- “লাশগুলো মিলিটারি ও বিহারীরা টেনে গাড়িতে করে কালাপানি বধ্যভূমির দিকে যায়।আমি পালিয়ে গাবতলীতে আত্মীয়ের বাসায় চলে যাই। প্রায় ২ মাস প লুকিয়ে পরিবারের লাশের সন্ধানে “কালাপানি বধ্যভূমিতে” যাই। গিয়ে দেখি যেন একটা মৃত্যুপুরী। অসংখ্য মানুষের ছড়ানো ছিটানো লাশ আর লাশ। কিছু কিছু...

“সতীত্ব বনাম বহুগামিতা” – নারী কেমন আছে আমাদের সমাজে

নারীর অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ পিতা স্বামী পুত্র দ্বারা প্রতিপালিত বিয়ের আগে পড়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পুরুষের আকাঙ্ক্ষা শিক্ষিত বউ শ্রমজীবী নারী বনাম অলস গৃহিণী ধর্ষণ – নারীর প্রতি পুরুষের নিকৃষ্ট তম অত্যাচার সিদ্ধান্ত নারীর সে কি উন্মুক্ত রাখবে নাকি ঢেকে রাখবে ঐশ্বরিক বিধানে নারী পণ্য শুধু নারী নাকি পুরুষও পণ্য ঃ রোকেয়া – বাংলার নারী অধিকার আন্দোলনে একমাত্র উদ্ধত অহমিকা নারীর সতীত্ব বনাম পুরুষের বহুগামিতা নারীবাদ – নারী মুক্তির একমাত্র হাতিয়ার   উপরের সূচীপত্রটি অনন্য আজাদের প্রথম বই সতীত্ব বনাম বহুগামিতা বই থেকে নেওয়া। শুরুতেই তিনি নারীর অতিত নিয়ে লিখেছেন। অতিত বলতে কি বুঝাতে চেয়েছেন সেটি শিরোনাম পড়ে বুঝা যায় নি।...

synthroid drug interactions calcium

এই শহরে মেঘেরা একা – Book Promotion

মানুষের মনকে কখনোই কৌটো বন্দি করতে নেই। মন হবে উন্মুক্ত আকাশের মত যেখানেথাকবে শুধু স্বাধীনতা আর উদারতা। যেখানে সাদাকালো ভেদাভেদ থাকবে না। মানুষের জীবনে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু মানুষের প্রতিটি মুহূর্ত শ্রেষ্ঠ সময়ের অংশ। মানুষের উচিৎ প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার চেষ্টা করা। তা না হলে মানুষ এবং একটি রোবোটের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। রোবোট চলে মানুষের বানানো লজিক দিয়ে কিন্তু একজন মানুষ চলবে তার আবেগ দিয়ে। এখানে লাভ ক্ষতির প্রশ্নটা গৌণ। -“নগরের বিস্মৃত আঁধারে” – একুয়া রেজিয়া একুয়া রেজিয়া। না, যা ভাবছেন তা না। এক অণু নাইট্রিক এসিড, দুই অণু হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণে গঠিত রাজঅম্ল নয় যা যেকোনো ধাতুকে...

রিভিউ-১৯৫২

মনে করুন আপনি একটি গাড়িতে বসে।গাড়িটি চলছে কোন পাহাড়ি রাস্তায়।একটু পর পর অজানা তীক্ষ্ণ বাঁক।এরপরেও গাড়ির গতি ক্রমশ বেড়েই চলছে।আপনার কাছে ব্যাপারটা প্রচণ্ড উত্তেজনাকর যেমন মনে হচ্ছে,আবার ভয়ও পাচ্ছেন।না না আমি এর সাথে এই উপন্যাসটির সরাসরি তুলনা করছি না।কারন ঐ দুর্গম রাস্তায় উত্তেজনার চেয়ে বিপদের পরিমাণটাই বেশি।আর এই উপন্যাসটি পড়লে লাভ ছাড়া কোন ক্ষতি নেই।আমি মূলত তুলনা করছি এই দুটির মাঝের উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলোর।তুলনা করছি দুটির ক্রমশ বেড়ে যাওয়া গতির।আর অজানা বাঁকের তো দুই ক্ষেত্রেই ছড়াছড়ি।আসলে উপন্যাসটির তুলনা হয়ত করা উচিত রোলার কোস্টার রাইডের সাথে।তবে হ্যা উপন্যাসটি পড়ার সময় একটা মানসিক অশান্তি আপনার সঙ্গী হবে।আপনার মনে হবে কখন এটা পড়া শেষ... venta de cialis en lima peru

রিভিউ-সাম্ভালা ট্রিলজি

রিভিউ-সাম্ভালা ট্রিলজি বাংলাদেশের হাজার হাজার গ্রামের মধ্যে অতি সাধারন এক গ্রাম।কাহিনীর শুরু হয় সেখান থেকেই।কিন্তু এই অসাধারন কাহিনী আটকে থাকেনি ঐ সাধারন গ্রামে।আটকে থাকেনি সময়ের বেড়াজালেও।বাংলাদেশের নানা জায়গা থেকে বিশ্বের নানা স্থানে পৌঁছে গেছে কাহিনীর পরিধি,পৌঁছে গেছে বর্তমান থেকে সুদূর অতীতে। কাহিনী সংক্ষেপ- একটি শব্দ-যাকে ঘিরে আবির্ভূত হচ্ছে রহস্য।“সাম্ভালা”।কি এই সাম্ভালার অর্থ?এটা কি কোন জিনিসের নাম?কোন জায়গার নাম?কোন মানুষের নাম?কোন জাতির নাম? নাকি অন্য কিছু!বেশ কিছু মানুষ নেমেছে এই সাম্ভালার খোঁজে।তবে প্রত্যেকেরই উদ্দেশ্য ভিন্ন। সাম্ভালা- অদ্ভুত এক লোক।হাজার বছর ধরে পথ চলছে সে।অন্যদিকে এক শয়তানের সাধক আর তার একনিষ্ঠ বাহিনী।আর সাধারণ ছেলে রাশেদ।নিজ বন্ধুকে হত্যার মিথ্যা অভিযোগে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে...

রিভিউ-দ্য এইট

বইটির ব্যাককভারে লেখা আছে,“দ্য দা ভিঞ্চি কোড পড়ে যেসব পাঠক রোমাঞ্চিত হয়েছেন বহুস্তরবিশিষ্ট সিক্রেটের দ্য এইট পড়ে আরেকবার মুগ্ধ হবেন তারা”।বইটি পড়তে পড়তে বারবার আমি এই কথাটার সার্থকতা উপলব্ধি করেছি।সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়েছি।কাহিনী যত এগিয়েছে এই মুগ্ধতা বেড়েছে,বিন্দুমাত্রকমেনি। বাস্তবিকই বহুস্তরবিশিষ্ট কাহিনী বলতে যা বোঝায় দ্য এইট তাই।বইটিতে মূলত বর্ণিত হয়েছে দুই সময়ের দুটি কাহিনী যা বইয়ের শেষে এসে মিলিত হয়েছে এক বিন্দুতে।দুটো কাহিনীই সমান্তরালভাবে চলেছে।একটি কাহিনীর শুরু ১৭৯০ সালে,অন্যটির ১৯৭২ সালে।এই দুই সময়ের দুই কাহিনীর কেন্দ্রে রয়েছে দুই নারী।১৭৯০ সালে শুরু হওয়া কাহিনীতে মিরিয়ে,আর ১৯৭২ সালের কাহিনীতে ক্যাথারিন।মূলত তাদের ঘিরেই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।আর এই ভিন্ন সময়ের ভিন্ন চরিত্রের দুই নারীকে...

কুরসি নামা

কুরসি নামা বইটি ২০১২ এর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় নান্দনিকপ্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। জাকির তালুকদার বাংলা সমকালীন সাহিত্যে ইতিমধ্যেই পরিচিত নাম। বড় বোন ক্যামেলিয়া দিন কয়েক আগে বইটা দিলো গিফট হিসেবে। পড়ে ফেললাম। পড়ে ফেললাম না বলে বইটা আমাকে দিয়ে নিজেকে পড়িয়ে ফেললো বললেও খুব একটা অন্যায় বলা হবে না। শুরুতেই বইটার পাঠসংক্ষেপ, যা বইয়েই লেখা আছে সেটা একাত্তরের অব্যবহিত পরে জন্ম নেয়া পিতৃপরিচয়হীন একটি শিশুর প্রতিকূল সমাজবাস্তবতায় মনস্তাত্ত্বিক ঘাত প্রতিঘাতে বেড়ে ওঠা দিয়ে উপন্যাসের শুরু। যার মা যৌবনে বিরুপ প্রতিবেশের মাঝে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নিয়েছে উদ্বন্ধনে। তার জন্মঅ থেকে বড় হয়ে উঠার পুরো সময়কাল শুধু নিগৃহীত হওয়ার বিবর্ণ ঘটনায় ভরপুর। সে...

জর্জ অরওয়েল

Who controls the past controls the future, who controls the present controls the past.’-George Orwell ‘1984’ (1949) জর্জ অরওয়েল ছিলেন একজন বৃটিশ সাংবাদিক এবং লেখক যিনি বিংশ শতাব্দীর দুইটি বিখ্যাত বই “এনিম্যাল ফার্ম ” এবং ” নাইন্টিন এইট্টিফোর ” এর জন্য বিখ্যাত। ২০০৮ সালে টাইমস সাময়িকীর শ্রেষ্ঠ ৫০ জন লেখকের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েল ১৯০৩ সালের ২৫ জুন বিহারের মতিহারে জন্মগ্রহণ করেন। জর্জ অরওয়েল মূল নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। অরওয়েলের বাবা রিচার্ড ওয়ামেসলি ব্লেয়ার ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের আফিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ১৯০৪ সালে অরওয়েল মায়ের সঙ্গে ইংল্যান্ডের হেনলি অন টেমসে চলে আসেন। অতঃপর ১৯১২... nolvadex and clomid prices

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

অ্যাডভেঞ্চার অথবা হারিয়ে যাওয়ার গল্প বলে যাওয়া…

শী এর অপরুপা রহস্যময়ী নারী আয়েশা অথবা অ্যালান কোয়াটারমেইনের সাথে ওয়াইল্ড আফ্রিকায় চষে বেড়ানো… সাদামাটা জীবনের মারপ্যাঁচে পড়ে যারা একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচতে চান, দুর্গম শহর, রাজপথ বা মিসরের পিরামিডের ভেতরের অপার রহস্যে সামিল হতে চান, তাদের জন্য হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড হচ্ছেন আশ্চর্য এক জাদুকাঠির নাম। শৈশব কৈশোরে অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় বুঁদ করে রাখা এই কালজয়ী লেখকের আজ মৃত্যুদিবস। হেনরী রাইডার হ্যাগার্ড জন্মগ্রহণ করেন ১৮৫৬ সালের বাইশে জুন, ইংল্যান্ডের নরফোকের ব্রেডেনহামে। দশ ভাই বোনের সংসারে তিনি ছিলেন অষ্টম। বাবার সামর্থ ছিলো না, তাই পড়তে পারেননি ভালো কোন স্কুল কলেজে। আর্মিতে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু তাতে পাশ করতে পারেননি। এরপর ব্রিটিশ...

কপালকুণ্ডলা – বাংলাসাহিত্যের দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস

“তুমি অধম — তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?” “পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” প্রথম লাইনটা শোনেনি, এমন বাঙালি বোধহয় না খুঁজে পাওয়া যাবে। আর দ্বিতীয় লাইনটাকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক ডায়লগের স্বীকৃতি দেয়া হয়। দুটো লাইনই বঙ্কিমচন্দ্রের এক উপন্যাসের অংশ — কপালকুণ্ডলা । তীর্থযাত্রীদের নৌকা পথ হারিয়ে এক মোহনায় উপস্থিত হয়। জনবিচ্ছিন্ন সে জায়গায় নৌকার সবার আহারের কথা চিন্তা করে নবকুমার বনের মধ্যে কাঠ আনতে যায়। কিন্তু, এর মাঝে জোয়ার চলে এলে সবাই নবকুমার কে রেখেই চলে যায়। সেখানে নবকুমার এর দেখা হয় এক কাপালিকের সাথে। কাপালিক চায় তাকে ভৈরবীর কাছে বলি দিতে। কিন্তু, কাপালিকের আশ্রিতা কপালকুণ্ডলার সহায়তায় নবকুমার...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
doctus viagra
buy kamagra oral jelly paypal uk
zovirax vs. valtrex vs. famvir