Category: ব্যক্তিত্ব

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে

‘I Want 2 Love U’ একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। https://www.facebook.com/want2love/videos/2058546160827924/ যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না। এখন আসি প্রথম পয়েন্ট থেকেই।আমি একজন চেইন স্মোকার। কিন্তু এর মানেই সিগারেট খাওয়া কোন আধুনিকতা না কিংবা ভালো কোন কাজ না। আর পাবলিক প্লেসে অনেক দেশের এবং বাংলাদেশের কিছু কিছু জাগায় স্মোক করা নিষেধ। সে সব জাগায় কড়াকড়ি থাকার কারণে আলাদা স্মোকিং...

আমার মা

মানুষ মরে গেলে আর ফিরে আসে না বা মারা যাওয়া ব্যাপারটা কি তার সাথে আমার পরিচয় ১লা ফেব্রুআরি ২০০৩।আম্মু মারা যাওয়ার প্রায় চার মাস পর।সেদিন আমার স্টেপমমের প্রথম দিন ছিলো আমাদের বাসায়।সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি আম্মু রান্না ঘরে এই দৃশ্যে কোনই অবাক করার মত কিছুই নাই কিন্তু কেন জানি হঠাৎ করে মার কথা মনে পরে গেল সাথে সাথে আমি আমার দাদির রুমে চলে যাই।সেখানে ততোদিন পর্যন্ত মার কতগুলো শাড়ি রাখা ছিল।দেখেই কেমন যেন কান্না পেয়ে গেল।১লা ফেব্রুআরি আমি শেষবারের মত কেঁদে ছিলাম। আমার তারপর কখনোই কান্না আসেনি। কান্না না আসার পিছনেও কিছু কারন ছিলো।সময়টা মেবি ২০০২ এর সেপ্টেম্বরের শুরুর...

তাজউদ্দীন আহমেদঃ যোগ্য নেতার প্রকৃত উদাহরন

তাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এমন এক ব্যতিক্রমধর্মী, মৌলিক চিন্তাশীল, বিস্ময়কর রকমের ন্যায়নিষ্ঠ, দুর্দান্ত রকমের সত্যপ্রিয়, দুরদৃষ্টি সম্পন্ন, আত্মপ্রচার বিমুখ ও স্বাধীনচেতা মানুষ যার নির্মল জীবনাদর্শনকে অনুসরনের মধ্যে শান্তি ও ন্যায়ের সুকঠিন পথটি নির্মান করা সম্ভব। বঙ্গতাজ তাজঊদ্দীন আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পরস্পর পরস্পরের কাধ মিলিয়ে তৎকালীন সময়ে তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন আওয়ামী লীগ। তাদের দুইজনের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রমেই ধাবিত হচ্ছিল স্বাধীনতার দিকে। তাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন তখন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। দলের যাবতীয় সকল নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের খসড়া প্রনয়ন করতেন তিনি যাতে তুলির শেষ আচড় পড়ত বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গতাজের জুটি সেই সময় বাংলার রাজনীতি অঙ্গনে...

cialis new c 100

শামসুর রহমান ও বাংলা সাহিত্য ( সাক্ষাৎকার )

আজ শামসুর রহমানের ৮৭ তম জন্মদিন। বাংলা সাহিত্যের যুগ শ্রেষ্ঠ কবির প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা। বাংলাদেশে খ্যাতিমান সাহিত্য সম্পাদক প্রয়াত মীজানুর রহমান তার বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ‘মীজানুর রহমানের ত্রৈমাসিক পত্রিকা’য় ১৯৯১ সালে ‘শামসুর রাহমান সংখ্যা’ ছেপে ছিলেন। এতে প্রয়াত সাহিত্যিক অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদের নেয়া বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিমান কবি শামসুর রহমানের একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিলো “শামসুর রাহমান: নিঃসঙ্গ শেরপা”। কিছু অংশ আজ প্রকাশ করলাম। হুমায়ুন আজাদ: শামসুর রাহমান, পৌষের-এ ভোরবেলায় আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। আপনাকে প্রথম দেখেছিলাম সম্ভবত বাইশ বছর আগে, তখন আপনি এতো পরিচিত ছিলেন না। এর মাঝে পৃথিবী, বাঙলাদেশ, আপনি, আমি সবাই বদলে গেছি। আমি...

metformin gliclazide sitagliptin

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উক্তি

১।”আমরা পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে,আমরা ক্ষমতার জন্যে রাজনীতি করি না।জনগণের অধিকার আদায়ের জন্যই আওয়ামিলীগ রাজনীতি করে।” ২।”প্রধানমন্ত্রী হবার কোন ইচ্ছা আমার নেই।প্রধানমন্ত্রী আসে এবং যায়।কিন্তু যে ভালোবাসা ও সম্মান দেশবাসী আমাকে দিয়েছেন,তা আমি সারাজীবন মনে রাখবো।অত্যাচার নিপীড়ন এবং কারাগারে নির্জন প্রকোষ্ঠকেও আমি ভয় করি না।কিন্তু জনগণের ভালোবাসা যেন আমাকে দূর্বল করে ফেলেছে।” ৩।”অযোগ্য নেতৃত্ব,নীতিহীন নেতা ও কাপুরুষ রাজনীতিবিদদের সাথে কোনোদিন একসাথে হয়ে দেশের কাজে নামতে নেই।তাতে দেশসেবার চেয়ে দেশের ও জনগণের সর্বনাশই বেশি হয়।” ৪।”মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে।যদি সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন,তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।” ৫।”পবিত্র ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না।যদি কেউ বলে...

সাকা বৃত্তান্ত

[১] “সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী” যিনি  সংক্ষেপে “সাকা চৌধুরী” নামে পরিচিত। বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ উত্থাপিত ছয় দফার বিরোধী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুত্রও তার ব্যতিক্রম নন। স্বাধীনতার সময় অবস্থানের বিষয়ে পরে আসছি। স্বাধীনতা উত্তর যেসব রাজাকার এদেশে ফিরে এসেছে, সুযোগ সুবিধা বহন করেছে,গাড়িতে পতাকা লাগিয়েছে,তাদের সকলের মধ্যে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম, সবচেয়ে উদ্ধত,নোংরাভাসী,অসভ্য এবং হিংস্র। তার চট্টগ্রামের “গুডহিল” বাসাটি শুধু একাত্তরেই না,একাত্তরের পরেও নব্বই দশক পর্যন্ত মানুষের জন্য এক বিভীষিকার নাম ছিল। সাকা চৌধুরী একাত্তরের আগে ও পরে অনেক খুন,ধর্ষণের সাথে জড়িত ছিল।... metformin tablet

A Beautiful Mind– অন্তর্মুখী এক দানব কিংবা শ্বাশত ভালোবাসার গল্প…

১৯৪৭ সাল। Princeton University এর গনিতশাস্ত্রের নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গনিত বিভাগের চেয়ারম্যান যখন প্রেরনাদায়ী বক্তব্য রাখছিলেন তাদের জন মোর্স কিংবা আলবার্ট আইনস্টাইন হবার আহ্বান জানাচ্ছিলেন, তিনি হয়তোবা জানতেনও না, হলরুমের এক কোনায় চুপচাপ বসে থাকা সোনালি চুলো ছেলেটা একদিন সবাইকে চমকে দেবে, বিস্ময়ে করবে বাকহারা। আসলে কেই বা ভাবতে পেরেছিল? সবার কাছ থেকে আলাদা একলা চুপচাপ থাকা John Nash এর গনিতশাস্ত্রের সম্মানজনক বৃত্তি Carnegie Scholarship পাওয়াটাই ছিল এক অদ্ভুত বিস্ময়।কেননা একই স্কলারশিপ পাওয়া Martin Hansen ততদিনে মোটামুটি একজন বিখ্যাত মানুষ। নাজি সাইফার আর নন-লিনিয়ার ইকুয়েশনের উপর দু দুটো থিওরি আবিস্কার করে হ্যানসেন তখন লাইমলাইটে। সে তুলনায় জন ন্যাশ পুরোপুরি অপরিচিত।...

renal scan mag3 with lasix

লিওনিদাস–দ্য ট্র্যাজিক হিরো

তাঁকে ডাকা হতো ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামে। তাঁর নাম লিওনিদাস। পুরো নাম লিওনিদাস ডা সিলভা। এ মানুষটিকে মনে করা হয় বাইসাইকেল কিকের জনক। তাঁকে আরও একটা নামে ডাকা হত। ‘দ্য রাবার ম্যান।’ বিশ্বকাপে তাঁর অভিষেক হয়েছিলো ১৯৩৪ সালে স্পেনের বিপক্ষে। ঐ ম্যাচে হেরে গেলেও ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি আসে তাঁর পা থেকেই। সেই বিশ্বকাপ শুরু থেকেই ছিল নকআউট পর্বের। তাই স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ায় সেবারে আর কিছু করে দেখানোর সুযোগ পাননি। তবে ১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপ শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র লিওনিদাসময়। ১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সে। গোটা ইউরোপজুড়ে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগমনধ্বনি। সেই বিশ্বকাপও ছিল নকআউট পর্বের। অর্থাৎ হারলেই গুডবাই। প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল...

দ্য গ্যালোপিং মেজর

তাঁকে ডাকা হত “গ্যালোপিং মেজর” নামে। আর্মিতে থাকার সময় আর্মির ফুটবল দলে খেলতেন। গ্যালোপিং মেজর নাম পান সেখান থেকেই। ইংরেজিতে গ্যালোপ(gallop) শব্দের অর্থ দ্রত ছোটা। বল পায়ে খুব দ্রুত ছুটতে পারতেন তাঁর সতীর্থরা তাঁকে এই নাম দেন। ১৯৫৩ সালে হাঙ্গেরি জাতীয় দল ইংল্যান্ডে গেলো একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে। সেই ম্যাচ শুরুর আগে ইংল্যান্ড দলের একজন খেলোয়াড় হাঙ্গেরি জাতীয় দলের ক্যাপ্টেনকে দেখিয়ে মন্তব্য করলেনঃ “আমরা ওদেরকে খুন করবো। বুঝেছো? আমরা ওদেরকে খুন করে ফেলবো মাঠে।” ব্রিটিশদের দুর্ভাগ্য যে হাঙ্গেরির ক্যাপ্টেন ছিলেন গ্যালোপিং মেজর ওরফে ফেরেঙ্ক পুসকাস নিজেই। এর পরের ৯০ মিনিটে যা হল তার জন্য হয়তো সেই ইংলিশ খেলোয়াড় বহুবার আফসোস...

posologie prednisolone 20mg zentiva
clomid over the counter

চাওয়া-পাওয়া

স্কুল জীবনের শেষ দিকের কথা, বরই আঁতেল মার্কা হাবলু টাইপ স্টুডেন্ট কাতারের যদি নাম চাওয়া হয়; আমার নাম আসবে সবার আগে। একবার খেলার মাঠ থেকে দূরে অনুষ্ঠানের শব্দ কানে আসতেই ছুটে গেলাম ওই দিকে গিয়ে দেখি বেশ গান বাজনা চলছে এ এক আরেক জগত। চেনা মানুষের সংখ্যা খুব কম যারা আছে অনেক দূরে, কথা বলা সম্ভব না; জিজ্ঞেস করা সম্ভব না যে, হচ্ছেটা কি ?? দাড়িয়ে রইলাম স্যারের বক্তৃতা চলছে, আমার ক্লাসের একজন বন্ধু (অনিক) আমার পিছে দেখে অবাক হই। কারন অনিকতো ছুটি হবার পরেই বাসায় চলে যায়, আর গোত্রেরের ও পার্থক্য থাকায় ভাল বন্ধু বলা যাবে না; শুধু ক্লাসমেট।...

কণ্ঠে গান আর হাতে রাইফেল নিয়ে যুদ্ধজয়ী এক বীরের উপাখ্যান…

“-ওই গান থামা। পাকসেনারা শুনলে বুইঝা যাইবো তুই কোথায়। তোর মরণের ভয় নাই নাকি?’ -আরে মরবোইতো একদিন। ভয় পাওয়ার কী আছে? গান গাইয়া লই” এমনই গান পাগল ছিলেন মানুষটা। একাত্তরে যখন জীবন বাঁচা আর মরার সান্নিধ্যে ছিল তখনও গানকে ভুলেন নি তিনি।হাতে অস্ত্র আর কণ্ঠে গান নিয়েই করেছিলেন যুদ্ধজয়! শুধু একাত্তরেই নয় দেশের জন্য লড়েছেন আটষট্টি- ঊনসত্তরেও। মাত্র সতের বছর বয়সে যোগ দিয়েছিলেন আন্দোলনে। সে সময়ে ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর হয়ে পাকিস্তান সরকারেরবিরুদ্ধে গান গাইতে গিয়েও বুক কাঁপেনি তাঁর। জেলায় জেলায় ঘুরতেন তাঁরা, গান গাইতেন সরকারের বিরুদ্ধে। পুলিশের তাড়া খেয়ে অসংখ্যবার দৌঁড়েপালিয়েছেন তিনি। এভাবেই কেটে যায় আটষট্টি-ঊনসত্তর-সত্তুর।সূচনা হয় স্বাধীনতার বছর,উত্তাল পুরো...

“ধর্মীয় মৌলবাদ একটি মানসিক ব্যাধি” এবং অভিজিৎ রায়ের “বিশ্বাসের ভাইরাস”

“বিশ্বাস নির্ভর সমাজে ধর্মের প্রভাব ব্যাপক। আমাদের পরিচিতি, রীতিনীতি, বিয়েসহ তাবৎ সামাজিক উৎসবে আমরা ধর্মের অস্তিত্ব খোঁজে পাই। কিন্তু আমরা ক’জনে জানি যে, ধর্মের বিস্তার আর টিকে থাকার ব্যাপারগুলো ভাইরাসের মত করে অনেকটা।” – অভিজিৎ রায় (বিশ্বাসের ভাইরাস) রাজীব হায়দার শোভন’কে উৎসর্গিত ২০১৪ সালে প্রকাশিত সদ্য প্রয়াত বিজ্ঞান লিখকও, গবেষক এবং প্রকৌশলী ডঃ অভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইয়ের কিছু অংশ এটি। এই বইয়ে আটটি অধ্যায় আছে। অধ্যায় গুলো নিম্নরূপঃ প্রথম অধ্যায়ঃ একজন নাফিস এবং বিশ্বাসের ভাইরাস দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ বিশ্বাসের ভাইরাসঃ থাবা বাবার রক্তবীজ তৃতীয় অধ্যায়ঃ ব্লগার গ্রেফতারঃ ভাইরাসাক্রান্ত বাংলাদেশ চতুর্থ অধ্যায়ঃ ধর্ম কেন ভাইরাসের সমতুল্য পঞ্চম অধ্যায়ঃ ধর্ম কি সত্যিই...

ডাঃ ভূপেন হাজারিকা এবং এক বিস্মৃত ইতিহাসের গল্প…

– Tarique Linclon & Rahman Raad   মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষদিকে মারাত্মকভাবে আহত হয় বাবু, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের চার নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার; পারিবারিক নাম Ruhel Ahmed​। – বোন এবং দুই ভাইয়ের মাঝে মেজো ছিলেন তিনি। একাত্তরে বয়স ছিল মাত্র ১৯, সদ্য এইচ এস সি পাস করে বুয়েটের আর্কিটেকচারে ভর্তি হয়েছিলেন। বাসা ছিল ধানমন্ডিতে, তাঁদের ধানমন্ডির বাসা একাত্তরে ছিল সেইফ হাউজ। এমনকি জাতীয় দৈনিকে একবার তাঁর বাসার টিএনটি নাম্বারটা একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের হেল্প লাইন হিসেবে পত্রিকায় চলে আসে। সে আরেক কাহিনী। আজ অপরাজেয় সেই ১৯ বছরের দামাল ছেলের অন্যরকম একটি ইতিহাস তুলে ধরবো। ৪৩ বছর আগের এক গৌরবময় অনন্যসাধারণ ইতিহাস… সম্মুখযুদ্ধে...

শুভ জন্মদিন প্রিয় তিমিরহনণের কবি …

মা কুসুমকুমারী দাশ এর বিখ্যাত কবিতা ” আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড়ো হবে!” – সত্যিকার অর্থেই কাজের মাধ্যমেই বড় হয়েছিলো ছোট্ট মেলু! রবীন্দ্র উত্তর যুগের প্রধানতম কবি হিসাবে স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন তিনি! সদা অর্থকষ্টের মধ্যে থেকেও রচনা করে গেছেন বিখ্যাত সব কবিতা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তীর্যক সমালোচনা ও মনোবেদনায় অধিকাংশ কবিতা ছিলো অপ্রকাশিত! মৃত্যুর পর প্রকাশিত প্রত্যেকটি কবিতায় পায় পাঠক জনপ্রিয়তা! প্রথমদিকে তার “ক্যাম্পে” কবিতাটি সমালোচনার শিকার হয়ে অশ্লীল হিসাবে চিহ্নিত হলেও পরবর্তীতে স্বীকৃতি পেয়েছেন শতাব্দীর “শুদ্ধতম কবি” হিসাবে! প্রেম আর প্রকৃতির অসম্ভব এক মিলন তাঁর প্রত্যেকটি কবিতায়! এইবাংলার রূপে এতোটায় বিমুগ্ধ ছিলেন যে...

একজন মানজারুল ইসলাম রানা এবং ইতিহাস বদলে দেওয়া এক দ্রোহের গল্প…

১৯৮৪ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনায় জন্মগ্রহন করা মানজারুল ইসলাম রানার বাঙলাদেশ দলে টেস্ট অভিষেক ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তার আগে ঘটে ওয়ানডে অভিষেক। ৭ নভেম্বর ২০০৩ মোহাম্মদ রফিকের ইনজুরির কারনে তিনি সুযোগ পান জাতীয় দলে। বাংলাদেশের একমাত্র বোলার হিসেবে জীবনের প্রথম ওভারের ৩য় বলে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভনকে স্রেফ বোকা বানিয়ে যখন তিনি আউট করেন, তখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর। সেই থেকে শুরু। ধীরে ধীরে একজন পারফেক্ট অলরাউনডার হয়ে উঠতে থাকেন মানজার। তৎকালীন বাংলাদেশ দলে রফিককে সাপোর্ট দেবার মত একজন কার্যকরী বাঁহাতি স্পিনার এবং একই সাথে লেটঅর্ডারে প্রয়োজনের সময় দ্রুত রান তোলার দক্ষতা থাকায় কোচ ডেভ...

৫২’এর শেখ মুজিব

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস, সমগ্র পূর্ব বাংলা জুড়ে চলছে আন্দোলন। কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টনে এক জনসভায় ঘোষনা দিলেন, “উর্দুই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে।” তখনকার একমাত্র রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামিলীগ, ছাত্রদের সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবাদের সংগঠন যুবলীগ একসাথে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাল। এদিকে টানা ২৬ মাস জেলে থাকার পর অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেখ মুজিবকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখানে বসেই তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা তোয়াহা, কাজী গোলাম, অলী, শওকত মিয়া সহ বেশ কয়েকজনের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন ও সভা করে সংগ্রাম পরিষন গঠন করা হবে। পাশাপাশি ১৬ই...

zoloft birth defects 2013

চে গুয়েভারা এবং একজন বিস্মৃত বীরের গল্প…

হোমপেজে হঠাৎ একটা ছবি আসলো, চে গুয়েভারার। নিচে বিশাল ক্যাপশন, চির অমর তুমি হে মৃত্যুঞ্জয়ী বীর। পোস্টদাতা আমার এক বন্ধু, লাল টুপী পইড়া ঘুইরা বেড়ায়, বিপ্লব চাই বিপ্লব চাই চিৎকারে দুনিয়া কাঁপায়া। ইনবক্সে নক দিলাম, দোস্ত কি খবর? — লাল সালাম দোস্ত, কেমন আছস? —ভালো। ইয়ে মানে, দোস্ত হায়দারের নাম শুনছস? —কোন হায়দার? ওই যে হিন্দি মুভিটা? শহীদ কাপুর তো পুরাই জোসসসসস… —নাহ। আমাগোর হায়দার। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর এসজিএস কমান্ডো ছিল, ৭১রে গেরিলাযুদ্ধের সংজ্ঞাই পাল্টায়া দিছিল… — নাহ, চিনতে পারলাম না। এতো পুরান ঘটনা… ৬৫’ সালে আর্মিতে যোগ দিছিল মুক্তো, মায়ের খুব আদরের পোলা ছিল। সেই বছরই ট্রেনিং শেষ কইরা কমিশন...

দলনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবী এবং একটা শুয়োরের জন্মবৃতান্ত

গতকাল রংপুরের পিশাচ আজহারের ফাঁসির রায় হইছে। অনলাইনে দলনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীদের বেশ গম্ভীর গলায় মতপ্রকাশ করতে দেখলাম, আরে এইটা তো হাসিনা সরকারের আইওয়াশ কর্মসূচী, তলে তলে পৃথিবী আঁতাতময়। এক বড় ভাই পয়েন্ট টু পয়েন্ট লজিক দিয়ে প্রতিবাদ করল, স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়া একজন সাথে সাথে বললেন, এই যে আইছে শেখ মুজিবের মুরিদ। কমেন্টটার বিরুদ্ধে অবাক হয়ে তাকায়া থাকলাম কিছুক্ষণ, রাজাকারের বিরুদ্ধে কথা বলার পাশাপাশি যেখানে সেখানে বঙ্গবন্ধুকে টেনে এনে তাচ্ছিল্য করাটাও আজকাল চালু স্টাইল, যুদ্ধের সময় এই লোক পাকিস্তানের জেলে তার জন্য খোঁড়া কবরের পাশে আরামআয়েশে নয় মাস কাটায়ে দিছে, হু ইজ হি? ২৪ ঘণ্টা হি ইজ নোবডি, হি... venta de cialis en lima peru

আলতাফ মাহমুদ, শুভ জন্মদিন হে বীর…

পাকিস্তান হবার পর প্রথম আঘাতটা এসেছিল ভাষার উপর, ছোট্টবেলায় মায়ের মুখে শুনতে শুনতে যে মিষ্টি মধুর ভাষায় কথা বলতে শিখেছি আমরা, মাথামোটা পাকিস্তানিগুলো সেই বাঙলাকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল, চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল উর্দু। বাঙলা মায়ের দামাল ছেলেরা সেটা মানেনি, বুকের তাজা রক্ত অকাতরে রাজপথে ঢেলে রক্ষা করেছিল মায়ের মুখের মিষ্টি বুলির অধিকার। তাদের সেই অসামান্য আত্মত্যাগকে স্মরণ করে লেখা হয়েছিল সেই অমর পঙক্তিমালা, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? সুর দিয়েছিলেন মানুষটা, পরম যত্নে গভীর বিষাদমাখা সুরের বাঁধনে বেঁধেছিলেন কথাগুলোকে, সৃষ্টি হয়েছিল এক অবিস্মরণীয় গানের। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটায় খুব ভোরে উঠে প্রভাতফেরির সাথে হাঁটতে হাঁটতে...

private dermatologist london accutane

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃ বিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প…

——-রাআদ রহমান এবং মাসরুফ হোসেন  শুরুর কথাঃ  “What is it that makes these boys have no fear???” আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র; ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানি বিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সঙ্গীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন, তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখে ব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন। এটা দেখে আমার মাথাতেও একই প্রশ্নই খেলছিল। এই যে যাঁরা যুদ্ধে প্রাণ দেয়, এরাও তো আমাদের মত মানুষ। এরা আমাদের মতই ঝঞ্ঝাটহীন জীবনের স্বপ্ন দেখেছে কোন এক সময়ে, আনন্দের সাথে জীবন কাটিয়ে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃদ্ধকালে মরতে চেয়েছে। কিন্তু যুগে যুগে...