Category: বিজ্ঞান

স্বপ্নের কিছু অংশ

ইচ্ছে হলো সবার সাথে আমার বানানো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো শেয়ার করতে । সময় হলে দেখতে পারেন । ১। ক্যানভাসঃ  ২। অ্যান আনরিভিল্ড স্কেচঃ  ৩। এপার-ওপারঃ  ৪। প্রকৃতি (এটা আমার প্রযোজিত) ঃ  ৫। কন্টেম্নোঃ  ৬। বিপ্রতীপঃ    ভবিষ্যতে একজন চলচ্চিত্রকার হতে চাই । স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো কিছু উপহার দেবার । তারই উদ্দেশ্যে এতটুক ক্ষুদ্র চেষ্টা । সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন । স্বপ্নের লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/odhisroy সাথে থাকবেন আশা করি । clomid over the counter

metformin gliclazide sitagliptin
kamagra pastillas
acne doxycycline dosage

অপরিচিত বিরক্তকর কলদাতার পরিচয় বের করার উপায়

বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে আমাদের জীবন যাত্রা যেমন সহজ হয়েছে,ঠিক তেমনই আমাদের বিভ্রান্তিতে পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে আবার সেই বিভ্রান্ত থেকে মুক্তি পাবার জন্যই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে অনেকেই।আজ আমি তেমনই একটা বিষয় নিয়ে কথা বলব,মোবাইলের অপরিচিত বিরক্তকর কলদাতার পরিচয় বের করার সহজ উপায়।আশা করি অনেকটাই কাজে লাগবে।তবে হয়তো আপনি যতটুকু আশা করছেন ততটুকু না হলেও অনেকটাই কাজে দিবে।আমি নিজেই প্রয়োগ করে দেখিছি বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে।১০০%সমস্যার সমাধান না হলেও ৭৫% সমস্যার সমাধান হবে বলে আমি আশাবাদী।মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত।... all possible side effects of prednisone

viagra in india medical stores

সহীহ ইতিহাসনামা

(এক) ইতিহাস পড়ি এটাই শেষ কথা নয় আমার হাতেই রচিত হবে আগামীর ইতিহাস। ইতিহাসের একজন লেখকের বই পড়লে সব বুঝা যায়। দুই জনের পড়লে তুলনামূলক নিজ আদর্শে সত্য মিথ্যা অনুধাবন ও নির্ণয় করা যায়। বেশি লেখকের বই পড়লে দ্বিধায় পড়তে হয়। কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক নয়। একজন ঐতিহাসিক সময়ের স্বাক্ষী না গোপালের স্বাক্ষাী হয়ে সত্য মিথ্যা যা হউক যাচাই না করে নিজ আদর্শ, নিজ বিশ্বাস, নিজ পক্ষীয় ইতিহাস রচনা করে। ভবিষ্যৎ সেই ইতিহাস পড়ে নতুন প্রজন্ম কি জানবে? একথা আর নতুন করে না বলাই শ্রেয়। ইতিহাস সৃষ্টি থেকে আজ অবধী ঐতিহাসিকগণ ছিলেন তাদের সিংহ ভাগ ছিলেন কোন না কোন...

সহজ গণিত শিক্ষা : লগারিদম

মাধ্যমিকে পড়ার সময় আমার জন্য একটা বিভীষিকার নাম ছিল লগারিদম। কতগুলো হিজিবিজি বীজগাণিতিক সংকেত আর x, y, e এর প্যাচে পড়ে জীবনের অনেকটা সময় ফালাফালা হয়ে গেছে। তবে, ভয় পেয়ে কোন কিছুকে দূরে ঠেলে দিতে বা পিছু ফিরে আসতে কখনই পছন্দ করতাম না। এখানেও আসলাম না। নেট ঘেটে যতটুকু পারা যায় লগারিদম নিয়ে জানাশোনা বাড়ালাম। তাতে, স্কুলের রেজাল্টের হয়তো উন্নতি হয়নি, কিন্তু এই বিদঘুটে জিনিসটার প্রতি ভালবাসা তৈরি হতে সময় লাগেনি। শুনেছি, ভালবাসা নাকি ছড়িয়ে দিলে বেড়ে যায়। অনেক দিন ধরেই ভালবাসার এই এই অদ্ভুত ইকুয়েশনটার লাইভ এক্সপেরিমেন্ট করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু, করা আর হয়ে ওঠে না। তাই আজকে সব...

জলচর মৎস্য হতে স্তন্যপায়ী মানুষ; বিবর্তনবাদের মহা নাটকীয়তার পরিণতি

আজকের একবিংশ শতাব্দীতে এসে জীব বিবর্তনের প্রমাণ সম্পর্কে পেশাদার বিজ্ঞানী- গবেষকদের কেউই একে অস্বীকার করতে পারবেন না। জীব জগতে প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনগত উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীরা যৌক্তিক অনুসিদ্ধান্তে এসেছেন যা অস্বীকারের কিছু নেই। বিবর্তনের প্রমাণ বস্তুত জীববিজ্ঞানের অন্যতম শক্তিশালী ও সর্বব্যাপী প্রমাণ এবং জীববিজ্ঞানের সকল শাখা থেকেই এই প্রমাণগুলো পাওয়া গেছে। ডারউইন এবং তার সমসাময়িক বিজ্ঞানীরা শারীরবিদ্যা, ভ্রূণবিদ্যা, জৈব ভূগোল ও প্রত্নজীববিজ্ঞান থেকে যথেষ্ট তথ্য পেয়েছিলেন। কিন্তু ডারউইনের সময় জীনের ধারণা আসেনি। জীন ধারণার অগ্রগতির পর জিনেটিক্স, বায়োকেমিক্যাল, অণুজীব বিজ্ঞান সহ বিভিন্ন অনুষদ থেকে বিবর্তনের শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিবর্তন বস্তুত অপ্রমাণের মত কিছুই নয় আর। বিবর্তন এর...

দিয়া (৫)

#দিয়া ৫ -”বাবু”! আমি বাবু না, রীতিমত দাড়ি গোফ গজানো যুবক। পুরো যুবকও বলা যাবে না, লোকে যাকে বলে ম্যাচিউরড সেটা এখনো হয়ে উঠেনি। বালক কিশোর এবং যুবকের অদ্ভুত এক জগাখিচুড়ী হয়ে মাঝ পথে ঝুলে আছি। যে কোনো দিন যুবক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার সমুহ সম্ভাবনা বিরাজমান। পাশ ফিরে তাকিয়ে এদিক ওদিক খুজলাম। একবার উপরে একবার নিচে, ডানে বায়ে। হাতের ডান পাশে দুতলায় এক মেয়ে ফোনে কথা বলছে। কথা বলে আর হাসে। ধানমন্ডি লেক পাড়ের আড়াই কোটি টাকা দামের ফ্লাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে অচেনা কোনো বালিকা আদর মাখা কন্ঠে বাবু ডাকবে তাও আমার মত ছাল বাকলহীন ব্যাক্তিকে এটা পাগলে বিশ্বাস করলেও আমি...

মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণকারী পরজীবীদের গল্প

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের “Mind Suckers” নামক প্রবন্ধে কার্ল জীমার কিছু পরজীবীর আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করেছেন। দেখা গেছে এ ধরণের পরজীবীর আক্রমণের ফলে পোষকের নিজস্ব ইচ্ছাশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়। তারা তখন পরজীবীর নির্দেশনা মোতাবেক চালিত হয়। প্রকৃতির অদ্ভুত আর মজার এই ঘটনার বেশ কিছু উদাহরণ নীচে দেওয়া হলো। ১। আমরা জানি, র‍্যাবিস ভাইরাসের আক্রমণে জলাতঙ্ক রোগ হয়। প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করা না হলে এক পর্যায়ে এই ভাইরাস রোগীর মস্তিষ্ক দখল করে ফেলে এবং পানির প্রতি রোগীর আতঙ্ক তৈরি করে। এ সময় কিছু পান করতে গেলে বা পান করার কথা চিন্তা করলেই শুরু হতে পারে গলা আর স্বরযন্ত্রের পেশীতে ব্যথাময় খিঁচুনি। যেন...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

মহাশূন্যের “শূন্যতা” এবং কণা-প্রতিকণা

আজ মহাশূন্য নিয়ে আলাপ আলোচনা করা যাক। সত্যিকার অর্থে মহাশূন্য বলতে কি বুঝায়? কিংবা মৌলিক কণিকা গুলোর পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া কিভাবে এত বড় একটা বিশ্বজগতকে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর ধরে স্থিতিশীল রাখছে? সেই সাথে শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি বিষয়ক সামান্য কথা। এরিস্টটলের অনেক অবৈজ্ঞানিক থিওরীর মাঝে একটা থিওরী ছিলো, প্রকৃতি শূন্যস্থান বিরোধী। তাঁর এই মতবাদ সতেরশ শতক পর্যন্ত টিকে ছিলো কারণ তার পরে যারাই শূন্যস্থান তৈরীর চেস্টা করেছেন তারাই সফলতা পাননি। ছোটো একটা স্ট্র দিয়ে আমরা যখন কিছু পান করি, তখন স্ট্রর মাঝের বাতাস টেনে নিই এবং ভেতরে ফাঁকা স্থানটি পূর্ণ করে তরল পানীয় উঠে আসে। ১৭শ শতকে বিজ্ঞানী টরসেলী সর্বপ্রথম এরিস্টটলের...

A Power Blanket Around Bangladesh

একসময় বলা হত যে দেশে সালফিউরিক এসিড উৎপাদন যত বেশী সে দেশের শিল্প তত অগ্রসরমান। এখন বোধহয় যে সব দেশের মাথা পিছু বিদ্যুতের  ব্যবহার যত বেশী সে দেশেই তত বেশী এগিয়ে। এখন ক্ষুদ্র থেকে মাঝারী কিংবা কুটির এমনকি বৃহৎ শিল্প অথবা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিখাত সবই বিদ্যুতের ব্যবহারের সাথেই সম্পৃক্ত। আর তাই শক্তি কিংবা পাওয়ার কনজাম্পশনের মাথা পিছু হার দেখেই বুঝা সম্ভব কোন দেশ কতটা সম্বৃদ্ধ। সার্বিক বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহারের তুলনামূলক চার্ট [তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া]  এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম তা বের করা মুশকিল। তবে মাথা পিছু ২৮ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে ২০১২ সালের তথ্যানুযায়ী। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা বেশীরভাগ রাষ্ট্র শীত প্রধান...

বিবর্তনবাদ , জীবের বংশানুক্রমিক ক্রমবিকাশ

প্রাণের দুইটি প্রধান সত্ত্বা থাকে। একটি হচ্ছে ইন্সট্রাকশান সেট। এবং অপরটি ইনস্ট্রাকশান গুলোকে ফলপ্রসু করার জন্য একটি বায়ো-কেমিক্যাল মেকানিজম। জীববিজ্ঞানের ভাষায় অন্যভাবে বলা যায় জেনেটিক্স এবং মেটাবলিজম। মহাবিশ্বে সবকিছুই মূলত ক্যায়োটিক ফেইজে ধাবিত হয়, যেটাকে ফিজিক্সের ভাষায় বলে এনট্রপি। মহবিশ্বের মাঝে যদি আমরা আলাদা একটি সিস্টেম বিবেচনা করি তাহলে সেই সিস্টেমে শৃঙ্খলার পরিমাণ বাড়তে পারে অর্থাৎ এনট্রপির মান কমতে পারে। সেটা শুধু ঐ সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য সামগ্রিক মহাবিশ্ব তার আওতাধীন নয়। কিন্তু বস্তুত, ঐ সিস্টেমে এনট্রপির মান যে হারে কমে পারিপার্শ্বিক সিস্টেমে তার চেয়ে অনেক বেশি হারে বাড়তে থাকে। ধরে নিই প্রাণের সৃষ্টি একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া এবং এটি এনট্রপির বৃদ্ধির...

“ধর্মীয় মৌলবাদ একটি মানসিক ব্যাধি” এবং অভিজিৎ রায়ের “বিশ্বাসের ভাইরাস”

“বিশ্বাস নির্ভর সমাজে ধর্মের প্রভাব ব্যাপক। আমাদের পরিচিতি, রীতিনীতি, বিয়েসহ তাবৎ সামাজিক উৎসবে আমরা ধর্মের অস্তিত্ব খোঁজে পাই। কিন্তু আমরা ক’জনে জানি যে, ধর্মের বিস্তার আর টিকে থাকার ব্যাপারগুলো ভাইরাসের মত করে অনেকটা।” – অভিজিৎ রায় (বিশ্বাসের ভাইরাস) রাজীব হায়দার শোভন’কে উৎসর্গিত ২০১৪ সালে প্রকাশিত সদ্য প্রয়াত বিজ্ঞান লিখকও, গবেষক এবং প্রকৌশলী ডঃ অভিজিৎ রায়ের ‘বিশ্বাসের ভাইরাস’ বইয়ের কিছু অংশ এটি। এই বইয়ে আটটি অধ্যায় আছে। অধ্যায় গুলো নিম্নরূপঃ প্রথম অধ্যায়ঃ একজন নাফিস এবং বিশ্বাসের ভাইরাস দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ বিশ্বাসের ভাইরাসঃ থাবা বাবার রক্তবীজ তৃতীয় অধ্যায়ঃ ব্লগার গ্রেফতারঃ ভাইরাসাক্রান্ত বাংলাদেশ চতুর্থ অধ্যায়ঃ ধর্ম কেন ভাইরাসের সমতুল্য পঞ্চম অধ্যায়ঃ ধর্ম কি সত্যিই...

THE UNIVERSE: LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : LAST PART

.. পূর্বের দুইটি পর্বে আমরা মহাবিশ্বের উতপত্তি – গঠন – ভবিষ্যত সম্পর্কে জেনেছি…..। আরো জেনেছি টাইম – ট্রাভেল বা সময় পরিভ্রমণ সম্পর্কে। এবারে আসা যাক আমাদের জানা ৪.৯% মহাবিশ্ব সম্পর্কে।এঈ মহাবিশ্বের আলোচনায় আমার মনে হয় সব চাইতে দরকারী বিষয় হল নক্ষত্র অর্থাৎ তারা। তাহলে প্রথমে সেই তারাদের নিয়েই আলোচনা করা যাক… আমাদের সূর্য একটি নক্ষত্র। পৃথিবীতে সবরকম জীবন ধারনের এবং সবরকম প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চলা নির্ভর করে এই সূর্যের উপর। অন্যান্য গ্রহগুলোও সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজনিজ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে।অর্থাৎ আমাদের সৌরজগত এর কেন্দ্র হল সূর্য।পুরো মহাবিশ্বের বিচারে সূর্য হল একটি মাঝারি আকারের নক্ষত্র।এরকম আরো অনেক অনেক নক্ষত্র মহাবিশ্বে রয়েছে। আমাদের...

THE UNIVERSE : LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : PART-2

গত পর্বের ধারাবাহিকতায় চলতে গেলে এখন আমার নক্ষত্র গ্রহ – উপগ্রহ এসব নিয়ে আলোচনা করার কথা। তাই করব তবে একটু পরে।এই লেখাটা লেখার অন্যতম একটা উদ্দেশ্য হল নিজের মাথার মধ্যে কিলবিল করতে থাকা এ বিষয়গুলা কে একটা জায়গায় সাজিয়ে ফেলে নিজেকে ভারমুক্ত করা।এতো কথা বলার কারন হল-এ মূহুর্তে আমার মাথার মধ্যে টাইমট্রাভেল সম্পর্কিত কিছু ব্যাপার স্যাপার ঘোরা – ফেরা করতেসে। এগুলা লিখে না ফেলা পর্যন্ত শান্তি নাই।সেজন্য মহাবিশ্বের ঐ ৪.৯% নিয়ে আলোচনার আগে টাইম – ট্রাভেলের আলোচনাটা সেরে নেয়া যাক। “Time machine will be built someday, but has not yet been built, so the tourists from the future cannot reach...

THE UNIVERSE: LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : PART-1

অনন্ত রহস্যের আধার আমাদের এই মহাবিশ্ব।।তবে সেই রহস্য মালার সাথে পাল্লা দিয়ে অনেক অনেক গুণ বেশি কৌতূহলের আধার মানুষের মন।। বিজ্ঞান নামের জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় এই মহাবিশ্বের লুকিয়ে থাকা রহস্য আর সৌন্দর্য ভরা অসীমতা টা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়েছে মানুষের সামনে।।।।। একটা কথা অবশ্য ভুল বললাম। বিজ্ঞান কখনোই কোন জাদুর কাঠি নয়। বিজ্ঞান হল অক্লান্ত পরিশ্রম – পর্যবেক্ষণ – গবেষনা আর সত্যের প্রতিষ্ঠায় আত্মদানের প্রতিশব্দ। যে উদ্দেশ্য নিয়ে লেখাটা শুরু করেছি তা হল বিপুলা এ মহাবিশ্বের রহস্যের প্রতি কিছুটা আলোকপাত করা।।।।।মহাকাশবিদ আর বিজ্ঞানীদের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলে এখন তো আমরা সবাই জানি যে – পৃথিবী মহাবিশ্বের বিশালতার কাছে কোনো ইউনিক বস্তুই...

ইশ্বরিক বিবর্তনঃ কেতাবী থেকে পৌরানিক

আহলে কিতাব। এরা এমন একটি গোষ্ঠী যাদের নির্দিস্ট একটি করে ধর্মগ্রন্থ রয়েছে। এই আহলে কিতাবদের ভেতরে টিকে আছে ইহুদী, খৃষ্টান আর মুসলিমরা। এদের সবার মোটামোটি কমন আর সাধারণ বৈশিষ্ট রয়েছে, এরা সকলেই নিরাকার এক ইশ্বরে বিশ্বাস করে। তবে খৃষ্টানরা এই ক্ষেত্রে খানিক ব্যাতিক্রম। তাঁদের পূজ্য যীশু নিরাকার নন। আর তিনি পূর্ন ঈশ্বরও নন আসলে। তিনি ইশ্বর পুত্র। আর ইশ্বর অনেকটা হিন্দু ধর্মের পরম ব্রম্মের মতন। আর তিনিও অতি অবশ্যই নিরাকার নন। কিন্তু ………………  হ্যাঁ একটা কিন্তু থেকে যাচ্ছে। আসুন সেই কিন্তুর অর্থ খোজার চেষ্টা করি।  ওল্ড টেস্টামেন্ট। ওল্ড টেস্টামেন্ট হলো বাইবেলের পুরোনো অংশ। গ্যাব্রিয়েল বা জিব্রাইল কর্তৃক নিয়ে আসা ধর্মগ্রন্থ...

গুগল ক্রমকে সাজিয়ে নিন বাংলাদেশের পতাকার আদলে।। :)

ডিসেম্বর মাস এলেই আমরা দেখি আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমটা মনে হয় একটু বেড়েই যায়।। কত জনে কত কিছু করে, অনেকে ফেইসবুকের প্রোফাইল পিকচার চেইঞ্জ করে, কাভার পিকচার চেইঞ্জ করে আরো কত কি।। কিন্তু একটাবার কেউ চিন্তা করেছেন আপনার ব্যাবহার করা গুগল ক্রম ব্রাউজারের থিমটা যদি আমাদের এই বাংলাদেশের পতাকার থিমে পরিবর্তন করা যায়?? আইডিয়াটা আসলে দিয়েছে আমাকে আমার এক বড় আপু, তার আইডিয়া থেকেই বানিয়ে ফেললাম গুগল ক্রমের জন্য এই থিমটা। হতে পারে আপনার ইউজ করা থিমের মত আহামরি কিছু না, কিন্তু দেশের পতাকার আদলে গড়া একটা থিম তো তাই না?? থিম লিংকঃhttp://www.themebeta.com/node/87902 এইবার বলে দিয় কিভাবে থিমটা আপনার...

কম্পিউটার গেইমিং রিভিউ :- এক এ ভূমিকা

কম্পিউটারের এই যুগে গেইমিং খুবই জনপ্রিয় একটা বিষয়। পরিমিত গেইমিং সত্যিই অবসর বিনোদনের চমৎকার একটি মাধ্যম। তবে অবশ্যই সেটা সীমিত পরিসরে। ঘন্টার পর ঘন্টা গেইম নিয়ে পড়ে থাকাটা বিভিন্ন রকমের মানসিক রোগ সৃষ্টি করতে পারে। অনেকে গেইমিং নিয়ে এপিলেপ্সিতেও ভুগে। যাই হোক, আমার আজকের এই পোস্ট গেইম রিভিউ নিয়ে। সচরাচর ব্লগে মুভি রিভিউ দেখা যায়। আমি গেইম নিয়েই লিখি! আশা করি গেইমারদের কাজে লাগবে ব্যাপারটা। এই রিভিউটা একটি সিরিজ হিসেবে থাকবে। তাই গেইম রিভিউ লিখার শুরুতেই আমি প্রাথমিক কিছু কথা বলে নিতে চাই গেইমিং নিয়ে। মূলত গেইমিং কম্পিউটার নিয়ে। তথা কনফিগারেশান নিয়ে। ব্যাপার গুলো অনেকেই হয়তো জানেন। তাও বলার প্রয়োজনে...

“জার্নি টু মার্স”: ওরিয়ন; অনাগত ভবিষ্যতের পথে প্রথম মানব মহাযাত্রা

অদূরভবিষ্যতে মহাকাশচারীরা ওরিয়ন মহাকাশযানে চেপেই আমাদের অতি পরিচিত লাল গ্রহ ‘মঙ্গল’-এ যাত্রা করবে। আর এই অনাগত ভবিষ্যতের পথে মানুষের প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে আজকের এই মহাযাত্রা। মহাযাত্রা না বলে বাঙলায় মঙ্গল যাত্রা বলাই শ্রেয়। ইংরেজিতে মঙ্গল অর্থাৎ মার্স শব্দটির এমন অর্থবোধক অর্থ নেই বোধহয়। এই পোস্টটি যখন প্রকাশিত হবে ঠিক তখনই অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬:০৫ ঘটিকায় ‘ওরিয়ন’ মঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। নাসা’র কেনেডি স্পেস সেন্টার, ফ্লোরিডা থেকে মানবতার এই মহান মঙ্গল যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে সময়ের সবচে শক্তিশালী এই মহাকাশ যানটি। হুম এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন এই মাইলফলক সৃষ্টিকারী মহাকাশ যানটির নাম ‘ওরিয়ন’ বাঙলায় কালপুরুষ। যারা আকাশের দিকে তাকিয়ে তারকাপুঞ্জ...

will metformin help me lose weight fast
acquistare viagra in internet

জনসংখ্যা সমস্যা ও সরকারের করনীয়

কেইস স্টাডি-১ নাম: জসিম, বয়স : ২৮, (সাক্ষাৎকারের সময় ৪ অক্টোবর ২০১৪)। বিয়ে করছে ১১ বছর আগে, এক ছেলে এক মেয়ে! ছেলের বয়স ১০ মেয়ের ৫ বছর, দুই বাচ্চাকেই সে স্কুলে পড়ায়!  পেশায় রিকশা চালক, দৈনিক আয় ৩০০-৫০০ টাকা। স্বপ্ন দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা। পারলে সন্তান দুটাকে মানুষ করা না হয় বাকিটা আল্লাহর হাতে, কপালে যা লিখা আছে। অর্থাৎ তকদীরের উপর ছেড়ে দেয়া। পরিবার পরিকল্পনার কোন চিন্তা নেই আল্লাহ যে কয়টা দেয় সন্তান তাই হবে। কেইস স্টাডি-২ নাম: শফিক, বয়স; ১৭, (সাক্ষাৎকারের সময় ২০১৩ এর মাঝামাঝি), বিয়ে করেছে বছর খানেক আগে। এখনো সন্তান নেয় নি। পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। গড় দৈনিক আয়... about cialis tablets

irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

সায়েন্স ফিকশন – একদিন সত্যের ভোর…।

কম্পিউটার স্ক্রীনটার দিকে অবাক চোখে চেয়ে আছে অনামিকা। বাংলাদেশ নামক সবুজ একটা দেশের রাজধানী ঢাকার ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলে পড়ে সে। এবার দশম শ্রেণীতে উঠল। স্বপ্ন সাংবাদিকতায় পেশা গড়ার। অনেক বড় হবে সে। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে একবার ল্যাপটপটা খুলে না বসলে অনামিকার শান্তি হয়না। প্রতিদিনের পড়াশুনার খুঁটিনাটি বিষয় যেমন সে দেখতে ভালোবাসে ইন্টারনেটে, তেমনি ফেসবুকে কাজ করতেও মন্দ লাগে না। আর ফেসবুক কি আজ আর সেই ফেসবুক আছে? শুধু আড্ডা দেয়াই নয়। অনামিকার বয়সী ছেলেমেয়েরা ফেসবুক দিয়ে এখন দেশ পাল্টে দিতে পারে। মূমুর্ষ রোগীর রক্ত যোগাড় করা থেকে শুরু করে রাজাকারবিরোধী আন্দোলন – সবই তো হয় আজকে ফেসবুকের নীল দুনিয়ায়।...

can your doctor prescribe accutane
levitra 20mg nebenwirkungen
renal scan mag3 with lasix walgreens pharmacy technician application online