Category: প্রহসন

“মন পাবি দেহ পাবি ভ্যাট পাবি না” ও একটি প্ল্যাকার্ড

                                                                                        মন পাবি, দেহ পাবি, ভ্যাট পাবিনা। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাট বিরোধী আন্দোলনে একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা। তাতেই কিছু থার্ড ক্লাস লোকের শুরু হলো চুলকানি! কারণটি কি জানেন? কারন মানুষটি মেয়ে! কারন মানুষটি একজন নারী। একজন পুরুষ বা একজন ছেলে ওই প্ল্যাকার্ড টি যদি ধরতো,ছবি তুলতো তাহলে কিচ্ছুই হতো না! কারন সে ছেলে সে সব কিছুই করতে পারে। তার... buy kamagra oral jelly paypal uk

একজন ফেসবুক সেলিব্রেটির একদিন

সকালে ঘুম হইতে উঠিতে উঠিতে সচরাচর সকাল দশটা বাজিয়া যায় পথিকের। কিন্ত গত কিছুদিন ধরিয়াই তাহাকে প্রতিদিন সকাল আটটার আগেই ঘুম হইতে উঠিতে হইতেছে। রাত জাগিয়া দেশ ও জাতির জন্য মহা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করায় এত তাড়াতাড়ি ঘুম হইতে উঠিতে সচরাচর কোন ইচ্ছাই হয় না পথিকের কিন্ত তাহার বড় বোন এই বাসায় বেড়াইতে আসিবার পর হইতে সে এই গভীর সমস্যায় পতিত। শুধু সমস্যা না , যাহাকে বলে গুরুতর সমস্যা। পথিকের বোনের ৪ বছর বয়সী ছেলে রুদ্র সকাল ৯টা হইতেই তাহার ঘরে প্রবেশ করিয়া “মামা মামা চকলেট খামু” বলিয়া চিৎকার শুরু করে। তা করুক, ইহা তাহার বাক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার। কিন্তু সমস্যা...

লেবুর শরবত, একটি সম্পর্ক এবং নির্মম একটি রসিকতা

মালিবাগ রেল গেট থেকে খিলগাঁয়ের দিকে যেতেই রাস্তার ডানদিকেই পড়ে মিলন হেয়ার কাটিং এন্ড সেলুন। সেই দোকানের নরসুন্দর রুবেল মিয়া আজ বেশ সকালবেলায় দোকানের সামনে এসে হাজির হয়েছে। দোকানের মালিক মিলন তখনও গভীর ঘুমে। গত কিছু দিন ধরেই রুবেল সকাল ৮ টার আগেই দোকানের আশেপাশে ঘুরঘুর করে। সবাই জানে যে সে মিলন হেয়ার কাটিং এর কর্মচারী তাই সাত সকালে দোকানের সামনে ঘোরাঘুরিতে কেউ কিছু মনে করে না। অবশ্য বিনা কারনে সাত সকালে রাস্তার মোড়ে ঘোরাঘুরি করার মত মানুষ রুবেল না। সকাল বেলা রাস্তার মোড়ে উপস্থিত হবার পিছনে তার একটা উদ্দেশ্য আছে। প্রতিদিন সকালে গার্মেন্টসের মেয়েরা দল বেধে সব কাজে যায়।...

বাংলদেশ হেরেছে, ভারত চুরি করে জিতেছে! বাণিজ্যের কাছে ক্রিকেট পরাজিত হয়েছে

আজকে ভারত—বাংলাদেশ ম্যাচ টা ব্যাক্তিগতভাবে অনেকাংশেই আমার কাছে পাতানো সাজানো গোছানো ভারতীয় রিয়েলিটি টিভি শো গুলোর মতো মনে হয়েছে। শুধু এ ম্যাচ না, এ গোটা ওয়ার্ল্ডকাপটাকেই কেনো যেনো আমার কাছে ভারতীয় বস্তাপঁচা টিভি রিয়েলিটি শো এর মতো মনে হইতেছে। যেগুলো তে আগে থেকেই উইনার—রানার্স আপ ফিক্সড করা থাকে। যেমনঃ, ঐ শো গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগী যতই ভালো পারফর্ম করুক লাভ নাই; চাবি থাকে শো ডিরেক্টরের হাতে, সেই হর্তাকর্তা, সে নানাভাবে টুইস্ট-সিমপ্যাথি সংযোজন ও কর্তন করে টিআরপি বাড়াইয়া শো পরিচালনা করে; একসময় ট্যাকাটুকা উইঠা গেলে শো খতম করা হবে। এখানে মাঝখান দিয়া লাভ টা কি হইলো বলেন তো দেখি?? লাভ হচ্ছে,...

viagra vs viagra plus

গণতন্ত্র স্মৃতি টুর্নামেন্ট

প্রতি ৫ বছর পর পর আমাদের শহরে গণতন্ত্র স্মৃতি টুর্নামেন্ট নামে একটা ঐতিহ্য বাহী টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয় । দুটি দল এই টুর্নামেন্ট জেতার জন্য মরণপণ লড়াই করে থাকে । রিয়াল-বার্সার ধ্রুপদী লড়াইয়ের চেয়ে কোন অংশেই কম নয় যেন এ লড়াই। তাই ভালবেসে আমরাও এই লড়াইকে এল ক্লাসিকো বলে ডাকি। মাঠের টুর্নামেন্ট গড়ানোর আগে মাঠের বাইরে যে লড়াইটা হয় সেটাও কম আকর্ষণীয় নয়। প্রতিবারের মত এবারো সেই লড়াইয়ের উৎস নির্দলীয় টুর্নামেন্ট কমিটি। এই কমিটির গঠনের উদ্দেশ্যে দুই দলের মধ্যে ঐতিহ্য বাহী গোলটেবিল বৈঠক চলছে।   “এ” দলঃ আমরা তো বি দলের প্রধানরে টেলিফোন করছিলাম । কইছিলাম আপনারা আসেন। কিছু লোকের নাম...

কিছু প্রগালাপ, প্রসঙ্গঃ সংলাপ

“Hope is a good breakfast, but it is a bad supper.” ― ফ্র্যান্সিস্‌ বেক‌ন (Francis Bacon) [২২শে জানুয়ারি, ১৫৬১ - ৯ই এপ্রিল, ১৬২৬] প্রতিদিন সকালেই মনে হয় আজ সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। আজ বিকাল থেকে আর মানুষ পুড়ে মরবে না কিংবা বার্ন ইউনিটে কাতরাবে না। তাঁদের নিয়ে নোংরা রাজনীতি করবে না রাজনৈতিকেরা। একটা সময় ছিল যখন নেতারা আন্দোলন করে জনগণের জন্যে নিজের জীবন দিয়ে দিতেন। দিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী থেকে বঙ্গবন্ধু কিংবা চে গুয়েভারা। আর আজ আমাদের রাজনৈতিকরা নিজেদের স্বার্থে পুড়ে মারছে নিরীহ জনগণকে। তাই ফ্র্যান্সিস্‌ বেক‌নের কথাটাই মনে হয়। সকালের আশাবাদ নিয়ে অফিসে যাওয়া হয় আর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে টিভি ছাড়লেই...

দুর্শব্দ #১

ক. মহসিন সাহেব হাজী মানুষ। একবার না। তিনবার হজ্জ্ব করেছেন তিনি। সামনের বছর আল্লাহ তৌফিক দান করলে, আরও একবার করার ইচ্ছে আছে।  নামাজ পড়তে পড়তে তার কপালে দাগ পড়ে গেছে। এলাকার মসজিদে প্রথম কাতারে তার জন্য একটা জায়গা বরাদ্দ থাকে। মাথায় সব সময় টুপি, মুখে নূরানি দাঁড়ি, সবসময় মুখে আকণ্ঠ বিস্তৃত হাসি। শরীর থেকে সব সময় আতরের সুগন্ধ আসে। তার মুখটা দেখলেই যে কারও মন ভাল হয়ে যায়। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি তিনি। আল্লাহ পাক তাকে সবকিছু দু’হাত ভরে দিয়েছেন। মোহাম্মদপুরে তার আলিশান বাড়ি। টাকা পয়সা দু’হাতে খরচ করেও যেন শেষ হতে চায় না। স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে নিয়ে তার আদর্শ সুখী পরিবার।  ...

অনুগল্পঃ ‘নারী’

হসপিটালের বিছানায় হুশ ফিরতেই, ঝাপসা চোখে চারপাশের কঠিন বাস্তবতাগুলোকে বুঝে ফেলেছিলাম আমি। আশপাশের মানুষগুলির কটাক্ষ ভরা চাহনি আর মার সাথে সাদা পোশাকের নার্সের তিক্ত ব্যবহার হতাশার দীর্ঘশ্বাস গুলিকে শুধু দীর্ঘই করছিলো। বাঙ্গালী মেয়ের জীবন কত বিচিত্র তাই না? শৈশবের সদ্য বুঝ জ্ঞান হতে শুরু করেছে কি করেনি, শাসনের শেকল বেড়িটা এঁটে যায় পায়ে। এটা কোরোনা, সেটা কোরোনা, এটা তোমার নয়, ওখানে তোমার যাওয়া চলবে না। বেশ চোখে চোখে রাখা যাকে বলে। বয়সটা খানিক বাড়তে শুরু করেছে কি চারপাশের তীর্যক কথা কিংবা চাহনিগুলোও কেমন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে বন্দীশালার পরিধি আর ক্রমশ কমতে থাকে বাইরে বেরুবার পথ।...

‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্তর কাজ’

 বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর ‘সেঁজুতি শোণিমা নদী’ উক্ত শিরোনামের এই চমৎকার পোস্ট সবার সাথে শেয়ার না করে পারলাম না।   অনন্তর চলচ্চিত্রের আঙ্গিক, অভিনয়, উচ্চারণ সবকিছু নিয়েই সমালোচনা থাকতে পারে, কিন্তু ম্যাড়ম্যাড়ে ঢাকাই ছবিতে একটা ‘চকচকে’ ভাব নিয়ে আসেন তিনি। ইন্ডাস্ট্রির বেহাল দশার মধ্যেও বিশাল বিনিয়োগ করে একের পর এক ছবি বানানোর সাহসটাও তিনিই দেখিয়েছেন। বিশেষ ধরনের কাহিনিবিস্তারে আর সংলাপ প্রক্ষেপণের ‘গুণে’ অনন্তর ছবি বিরতিহীন বিনোদনের খোরাক যোগায়। আর সে-কারণেই, ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘মোস্ট ওয়েলকাম টু’ নিয়েও প্রত্যাশার পারদ ছিল উঁচুতে। প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার সিনেমা দেখার পর বলতে হচ্ছে, সেই প্রত্যাশার প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তিনি। বিরক্তির কারণ অনেকগুলোই।...

can you tan after accutane

ভালো থাকবেন, অনেক বেশি ভালো থাকবেন ; পর্ব – ১

- হ্যালো, আপনি অনেক ভালো লিখেন। – তাই নাকি? জানতাম না তো । তবে প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ। – দেখুন, আমি কাউকে সহজে প্রশংসা করিনা। আপনার লিখা আমার কাছে ভালো লাগে তাই বললাম। – আবারো ধন্যবাদ আপনাকে। – আচ্ছা, আপনি থাকেন কোথায়? – দুঃখিত, এই মূহুর্তে ব্যক্তিগত কোন তথ্যাদি দিতে পারছিনা । – কেন? আপনি কি ভয় পাচ্ছেন আমাকে? ভয় নেই, আমি মেয়ে হয়ে আপনার কি ক্ষতি করব? – ভয় পাচ্ছি না। তবে একটু ব্যস্ত আছি। – নতুন কিছু লিখছেন? – হুম। – কি লিখছেন? আমি কি জানতে পারি? – ফেবু ওয়ালে চোখ রাখলে অবশ্যই পারবেন। তবে একটু ধৈর্য্য ধরুন। -...

বিয়ে সম্পর্কে এই উক্তিগুলো করেছেন বিখ্যাত মানুষেরা…..–পর্ব ১

\m/ বিয়ে সম্পর্কে এই উক্তিগুলো করেছেন বিখ্যাত মানুষেরা।  >:)    :-bd   তাদের নাম এখানে উল্লেখ করা হল না এই কারণে যে এগুলো আসলে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষেরই মনের কথা,প্রাণের কথা। আর এই কথা গুলোকেই আমরা বাণী চিরন্তনী বলে আখ্যায়িত করেছি। বাণীসমূহঃ ১-বিয়েঃ একটি বৈধ ও ধর্মসম্মত অনুষ্ঠান যেখানে দুজন বিপরীত (সাধারণত) লিঙ্গের মানুষ পরস্পরকে জ্বালাতন করা এবং পরস্পরের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করার শপথ নেয় ততদিনের জন্য যতদিন না মৃত্যু এসে তাদেরকে আলাদা করে। ২-সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে একটু ভালোবাসা,একটু আদর,একটু কোমলতা পাওয়া – একে এক কথায় কি বলে বলতে পারেন? একে বলে আপনি ভুল বাসায় এসেছেন। ৩-আমি বহুদিন আমার স্ত্রীর সাথে... zovirax vs. valtrex vs. famvir

কাত্তিকদা মেট্টিক পাশ

সেবার কাত্তিকদা মেট্টিক পাশ করিয়াছিল। মেট্টিক! সে এক মহা হাঙ্গামার ব্যাপার-স্যাপার। প্রতিটা নোট বইয়ের কোনাকাচি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হয়। কোন কোণা থেকে কোন কোশ্চেন আছে আর তার উত্তর কোথায় সবচেয়ে ছোট করে লেখা আছে তার সব জানতে হয়। জানতে হয়, কোন ব্লেডে সব চেয়ে বেশি ধার। কোন নোটের কোন পাতাটা কেটে শরীরের কোথায়, কিভাবে লুকিয়ে রাখতে হবে – তার সবকিছু জানতে হয় মেট্রিক পরীক্ষা দেবার জন্য। পুরসিলাত পার হবার মতই নাকি কঠিন সেই মেট্রিক পরীক্ষা। সেখানে পরীক্ষা দিতে গেলে হঠাৎ হঠাৎ বড় বাবুরা এসে হাজির হয়। সাথে সাথে সব নোটের কাটাছেড়া লুকিয়ে ফেলতে হয়। ধরা পড়লে একেবারে এক্সপেল করে দেয়।...

হীরক রাজার ঘুমের দেশে, গুম উঠেছে নাভিঃশ্বাসে

গবেষক: হীরকের রাজা মহান অতিপুষিয়ে দিবেন সবার ক্ষতি,কার কতো লস হয়েছে, হারিয়েছো যত জনলিস্ট করো, লিস্ট করো, রাজা চাইলে কতক্ষণ!রাজা চাইলে ফিরিয়ে দিতে পারেন আস্ত বাঁশ,থাকলে কারো আওয়াজ দিয়েন, জীবিত কিংবা লাশ!(রাজার প্রবেশ)রাজা: (কেশে) কী হে গবেষক, আপন মনে কী কও,চারিদিকে চলছে গুম, ভয় ডর একটু পাও!গবেষক: রাজা যে কি বলেন, গুম কোথায়, সব বানোয়াটমিডিয়ার কাজ, সব মিথ্যে, সবই মিথ্যার হাট।রাজা: এত সাহস! রাজার বিরুদ্ধে কারসাজি,গবেষক: আর বলছি কি, সব পাজি, সব পাজি। রাজা: ওরা শুধু রাজা দেখেছে, এখনো সাজা দেখেনি…গবেষক: অচীরেই দেখবে, রাজা কি আর সাজা দিতে শেখেনি?রাজা: সাজা মানে, কঠিন সাজা, গুম নিয়ে করো ফাজলামি,গবেষক: মানুষের জান-মাল নিয়ে...

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর!

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি, গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান, সেই গোচারণ, সেই শান্ত সামগান, নীবারধান্যের মুষ্টি, বল্কলবসন, মগ্ন হয়ে আত্মমাঝে নিত্য আলোচন মহাতত্ত্বগুলি। পাষাণ পিঞ্জরে তব নাহি চাহি নিরাপদে রাজভোগ নব– চাই স্বাধীনতা, চাই পক্ষের বিস্তার, বক্ষে ফিরে পেতে চাই শক্তি আপনার, পরানে স্পর্শিতে চাই ছিঁড়িয়া বন্ধন অনন্ত এ জগতের হৃদয়স্পন্দন। ১৯ চৈত্র, ১৩০২ রবী ঠাকুরের এই কবিতার সাথে সবাই ই কম বেশি পরিচিত। পুরো কবিতা যদি আমরা কেউ কেউ নাও জেনে থাকি তবুও মাধ্যমিকে পড়েছেন আর কবিতার প্রথম লাইনটি দেখেননি বা...

levitra 20mg nebenwirkungen

মুক্তিযুদ্ধের দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষনের দাবী…

ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, ঘটবেই। গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে যে কোন দলই ক্ষমতায় আসতে পারে এবং সেটা স্বাভাবিক ও অবশ্যই সমর্থনযোগ্য। ভয়টা হল অন্য জায়গায়! যদি স্বাধীনতা বিরুধীরা আরেকবার জয়ী হতে পারে তবে এই ইতিহাস বিকৃতিকারীরা মুক্তিযুদ্ধের কোন ডকুমেন্টই তারা আর অবশিষ্ট রাখবে না। কেননা অতীতেও তারা এরকম করেছে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক মুল্যবান আলামত ও দলিল-দস্তাবেজ তারা নষ্ট করেছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলা একাডেমি ও আদালতে বর্তমানে যে সব ডকুমেন্ট বা দলিল-দস্তাবেজ রয়েছে তাও পুরোপুরি সংরক্ষিত অবস্থায় নেই।যে কোন দুর্ঘটনা বা অগ্নি সংযোগে হারিয়ে যেতে পারে মুল্যবান দলিল সমুহ। সরকার ও এসব দলিল পত্র সংরক্ষনে এখন পর্যন্ত কার্যকরি কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। কালের কন্ঠ পত্রিকার...

যে প্রেমটি হল না

এটা বড় আক্ষেপের কথা গেল প্রেমগুলোর দোষে তোমাকে যে ভাল লেগেছে তা হয়তো বলাই হবে না আবার প্রেমে পড়লে লোকে মন্দ বলবে চরিত্র নিয়ে টানাটানি শুরু হবে তাই প্রচন্ড ভাল লাগা স্বত্তেও তোমাকে আর সেটা বলছি না যেদিন প্রথম দেখেছিলাম তোমাকে ঠিক সেদিন থেকেই ঘটনা বুঝতে সময় লাগেনি আমার এক মূহুর্ত এরকম মূহুর্ত যে আরও এসেছে বার কয়েক জীবনে প্রতিটি প্রেমই বুঝি প্রথম প্রেমের মত প্রতিবারই মনে হয় এই বুঝি আজন্ম আকাঙ্ক্ষিত প্রেম এই বুঝি শেষ প্রেম, আর জীবনেও না… গেল প্রেম গুলোর মত তুমিও কি সেই গৎবাঁধা হবে নাকি আমাকে অবাক বিষ্ময়ে বিস্মিত করবে এই ভেবেই যে দিন রাত...

হ্যাপি ফুটবলিং :-)

ফুটবল খেলা চলছে !! সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল । দুটি দলের লক্ষ্যই জয় । কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজী নয় । খেলায় তখন টানটান উত্তেজনা । কিন্তু এই সময় হঠাৎ করেই সকল স্বাভাবিকতার ধারধারি না ঘেঁষে রেফারী বাবাজি একটি দলের ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেন । ব্যস, এবার আর সামলায় কে ! মূহুর্তের মাঝেই শুরু হয়ে গেল হৈ চৈ । “দলের ক্যাপ্টেনকে কেন লাল কার্ড দেওয়া হল” এই অযুহাতে খেলা বন্ধ করে মাঠের মাঝখানেই খেলোয়ারগুলো হাত–পা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করে দিল । কিন্তু অবাক কান্ড ! একটি দলে খেলোয়াড় তো থাকে ১১ জন । কিন্তু মাঠের মাঝে যে ১৬ জন দাঁড়িয়ে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
tome cytotec y solo sangro cuando orino