Category: প্রবন্ধ

তাজউদ্দীন আহমদঃ যিনি লড়েছিলেন স্রোতের বিপরীতে

  ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই দিবাগত রাতে দরদরিয়া গ্রামে কান্নার তীব্র চিৎকারে যে শিশু তার আগমন বার্তার খবর শুনিয়েছিল, তাকেই আমরা আরো ৪৫ বছর পর নতুন এক স্বাধীন দেশের ঊষালগ্নে ক্রন্দনরত অবস্থায় দেখতে পাব। সারাজীবন স্রোতের বিরুদ্ধে সাতার কাটা এই মহান লোকের নাম-ধর্ম-জাত সবকিছুই বিকৃত করে দিয়েছিল তখনকার শাসক-শোষকরা। তারা রটিয়ে দিয়েছিল যে, তিনি কোন মুসলমান নয়, তিনি একজন ভারতীয় হিন্দু, আসল নাম তেজারাম। পাকিস্তানকে ভাঙ্গার জন্যেই তিনি পাকিস্তানে প্রবেশ করেছেন। এমনকি ১৯৭১ এ একজন পাকিস্তানি অফিসার তাঁর শশুরকে জিজ্ঞেস করেছিল, “ সৈয়দ সাহেব, আপনি ছিলেন আরবি প্রফেসর এবং ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধেও আপনার অগাধ জ্ঞান রয়েছে। অথচ আপনার মেয়ের কি...

গণহত্যাকে অস্বীকারঃ গণহত্যারই একটা অংশ

পাকিস্তান ৭১ এ ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছিল, এটা মেনে নিলেও পাকিস্তান গণহত্যা করেছে, এটা মানতে আমাদের অনেকেরই আপত্তি। “তখন যুদ্ধ চলছিল দেশব্যাপী, যুদ্ধের সময় এমন হবেই” – তাদের যুক্তিটা অনেকটা এ ধরণের। আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র এই “যুক্তি”কে ঘিরে, তবে লেখাটা মৌলিক নয়।  ১৯৯৬ সালে প্রখ্যাত গবেষক Dr. Gregory H. Stanton একটা আর্টিকেল লিখেন “8 stages of genocide” নামে; যেখানে তিনি একটি গণহত্যা সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপর সংগঠিত গণহত্যাটিকে আমি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।   প্রথমেই দেখি, গণহত্যা বা Genocide বলতে আমরা কি বুঝি? Genocide  এর...

জয় বাংলা এক প্রেরণার নাম

  জয় বাংলা! বাঙ্গালীর প্রাণের স্লোগান। বাঙ্গালীর মুক্তি সংগ্রামের এক অনবদ্য স্থান দখল করে আছে “জয় বাংলা”। জয় বাংলার মাঝে আছে এক অদ্ভুত প্রেরনা। জয় বাংলা শব্দটি শুনলেই মুক্তির খোঁজে মন ছুটে। জয় বাংলা বাঙ্গালীর এক আত্মার বন্ধন যা কিনা প্রতিটি স্পন্দনে মিশে আছে। প্রতিটি রক্তকনায়, ঘামের ফোঁটায়, এক অপূর্ব মিল বন্ধন। বাঙ্গালীর এক আবেগের নাম জয় বাংলা! ছবিটি দেখুন! জয় বাংলা, ভ্যাট সামলা! জয় বাংলা কারো ব্যাক্তিগত সম্পত্তি নয়। প্রতিটি বাঙ্গালীর সাথে মিশে আছে জয় বাংলা! জয় বাংলা বলে আজ শিক্ষকের উপর হামলা হয়। ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে জয় বাংলার অপমান হয়, জয় বাংলা বলে বিশ্বজিৎ খুন হয়, হল দখলে...

একজন রবীন্দ্রনাথ এবং বাঙালির আবহমান সাংস্কৃতিক ভাবনা

পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলা প্রদেশের অধিকাংশ মানুষই মুসলিম জাতীয়তাবাদের স্বার্থে রবীন্দ্রনাথ বিরোধী ছিলো। তাদের প্রিয় কবি হয়ে উঠেছিলো নজরুল ইসলাম। নজরুল সঙ্গীত সমূহকে দাবী করা হচ্ছিলো পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ বিকাশের ভাস্কর্য রূপে। বস্তুত সঙ্গীতের ক্ষেত্রে নজরুল ছিলেন সনাতনী। তিনি ভারতীয় গানের সনাতন রীতিকেই অগ্রসর করে নিয়ে গেছেন। তাঁর গানে ছিলো আসরের আমেজ, বেলোয়ারি কাচের আওয়াজে তাঁর গান মুখরিত ছিলো। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ঠিক উল্টো। তিনি বাঙালিকে আসর থেকে টেনে বের করে নিয়ে এসেছিলেন এবং সঙ্গীতকে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন ব্যক্তির কানে। ফলে, নজরুলের মাঝে আমরা একদিকে দেখতে পাই সাম্রাজ্যবিরোধীতা, অন্যদিকে একটি সামন্তবাদী সঙ্গীতচর্চার মাঝে নিজেকে বিলীন করে দেয়া। এই স্ববিরোধীতা কেন নজরুল করেছিলেন...

সঠিক বাংলা বানান ব্যবহার করুন, বাংলা ভাষাকে অবিকৃত রাখুন!

ফেসবুক এবং বাংলা ব্লগগুলোয় অনেক লেখা দেখা যায় যেখানে বাংলা বানানের যথেচ্ছ ব্যবহার করা হয়, যতি চিহ্নের বংশ ধ্বংস করা হয়। যারা ফেসবুকে বা ব্লগে লিখেন, ধরে নেওয়া যায় তারা বেশিরভাগই অন্ততপক্ষে দশম শ্রেণি পাশ করেছেন। তাই দশম শ্রেণি পাশ করা একজনের কাছ থেকে ভুল বাংলা বানান দেখতে পাওয়া কোন স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণি থেকে আমরা বাংলা এবং ইংরেজি ব্যাকরণ পড়া শুরু করি (নিশ্চিত নই এখন কোন শ্রেণি থেকে পড়ানো শুরু হয়)। তন্মধ্যে ইংরেজি আমাদের মাতৃভাষা নয় বলে এটায় হওয়া ভুল ভ্রান্তি মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু বাংলা ভাষার সাধারণ বানানগুলোর ভুল হতে দেখলে বা যতিচিহ্নের বেঠিক ব্যবহার...

doctorate of pharmacy online
levitra 20mg nebenwirkungen

আমাদের ভবিষ্যৎ – কালের আয়নায় প্রতিবিম্ব।

আমরা কবিতা লেখি, গান গাই, সাহিত্য রচনা করি, প্রেমিক/প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদনও করি। শেষটা বাদে সব কিছুই বাংলায় চলে। আগের দিস্তা-দিস্তা কাগজ, খুচরো ডায়েরি, আর্ট পেপার আজ কিবোর্ডের দখলে। আমরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত থাকছি – ফেইসবুক,টুইটার,ইন্সটাগ্রাম, ভাইভার,ট্যাঙ্গ,মেজেঞ্জার,এডাল্ট সাইট আরো কত কী! বিজয় আর অভ্র (এন্ড্রয়েডে রেডমিক) আমাকে আপনাকে বাংলা লিখতে সাহায্য করছে না বলে দিচ্ছে বললে ভালো হয়। আমরা সাহিত্যিক হয়ে যাচ্ছি রাতারাতি, নাট্যকার হয়ে যাচ্ছি ঘন্টা পেরোনোর আগেই, অদ্ভুত আমাদের স্বভাব। একটা প্রেমপত্র লিখেই ছাড়পত্রে কি ভুল তা বের করা শুরু করি। ।।২।। ২০১৩ সালে গনজাগরণ মঞ্চের যাত্রা শুরু হলে ব্লগার বিরোধীদের চেহারা দেখা যায়। যদি আমি ভুল...

wirkung viagra oder cialis

পরাভূতদের রাজ্যে

জীবনটা সত্যি বেশ অদ্ভুত! আমি কি, আমি কি হতে চাই? প্রশ্নগুলো যখন একের পর এক কড়া নাড়তে থাকে মস্তিষ্কের দরজায়, আর আপনি কে এলো এই অবেলায় তা দেখার জন্য জানালা দিয়ে মুখ বারিয়ে আগুন্তুক চেনার চেষ্টা করেন, সেই অদ্ভুত সময়টাই আপনাকে পরাভুত করে তোলে দ্রুত। কথাটি লিখবার ইচ্ছা ছিল পরাভুত করে তোলে ধীরে ধীরে, তার পর মনে হল ঠিক ধীরে ধীরে তো করেনা, তাহলে হয়তবা আমি এবং আমার মত সবাই অথবা সবাই এবং সবার মত আমি নিজেকে সময়ের হাতে তুলে না দিয়ে সবকিছু ঠিক গুছিয়ে নিতে পারতাম, ঠাট বজিয়ে বলতে পারতাম, আমি ভাঙ্গবও না মচকাব ও না। কিন্তু প্রত্যেকটা ঘটনা...

আমার ফটোগ্রাফার

ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করতে সেদিন তার সময় লেগেছিল পাঁচ মিনিট। লেন্স ঠিক করে ক্যামেরা হাতে দাঁড়াতে আরও অনেকক্ষণ। তারপর একের পর এক সমস্যা। হয়তো ব্যাগ থেকে পড়ে গিয়েছে কোন লেন্স; অথবা ছবি তোলার মাঝে আমার চোখ বন্ধ। এরকম আরও অনেক কিছু। তার উপর সময় নিয়ে ছিল ওর অসীম তাড়াহুড়ো। ছবি তোলার সময় ক্যামেরার ফ্ল্যাশ নিয়ে যার সমস্যা, তার আরও অনেক সমস্যা। যে ছবিটি তুলতে চাচ্ছে তার ফ্রেমটি ঠিক করা যাচ্ছে না, হয়তো আমি একটু নড়েছিলাম; তা নিয়েও তার কপালের মাঝে স্পষ্ট বিরক্তির ছাপ। আমার অসাধারণ নদীটির একটিও ছবি তুলতে যে কোনও আগ্রহ বোধ করেনি-সেই অদ্ভুত ছেলেটি “আমার ফটোগ্রাফার”। আমার...

আমার মায়ের মোটর বাইক এবং কিছু শুকর ছানার আচরন

আমার মা একসময় বেশ কয়েকবছর ব্র্যাকের চাকরি করেছিল। সম্ভবত সেসব আরো ২০ বছর আগের কথা। তো ব্র্যাকে তাদের চাকরিতে অফিস থেকে সবাইকে একটি করে বাইক দেয়া হত। আমার মাও পেয়েছিল, আমার মা সহ তার আরও অনেক নারী সহকর্মীরা বাইক পেয়েছিল এবং তারাও বাইক চালাতো। বাইক চালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গার ব্র্যাকের অধীনে থাকা স্কুলগুলো ভিজিট করতো। তাদের বাইক চালাতে যেই সমস্যায় পরতে হয়েছিল, সেটা হল, রাস্তায়ঘাটে তো কোন মেয়ে সচরাচর বাইক চালাতে দেখা যায় না, এখনই দেখা যায় না, আরও বিশ বছর আগে তো সেটা কল্পনাই করা যায় না। তো রাস্তায় ঘাটে সবাই অবাক হত, এসব মেয়েদের বাইক চালাতে দেখে। কেউ...

গ্লোবাল খেয়ে লোকাল ভাবনা, প্রসঙ্গঃ নারীর পর্দা প্রথা

চা, কফি সফট ড্রিংক্স, জুস, কিংবা এনার্জি ড্রিংক্স; এইসব কি বঙ্গীয় খাবার নাকি লাচ্ছি, মাঠা কিংবা লাবাং? পাশাপাশি সব কিছু খেতে কোন সমস্যা হচ্ছে আপনার? কিংবা আমার? আমাদের? হচ্ছে না একটুও খুব সহজেই আমরা সব মানায় নিয়েছি, গ্রহণ করেছি সত্যকে সহজে। আপেল, কমলা অথবা ব্ল্যাকবেরী কি আমাদের ফল কিংবা হালের স্ট্রবেরী? নাকি বরই, পেয়ারা, আতাফল আর ঢেউয়া -লটকন এইসব আমাদের ঐতিহ্যবাহী ফল? কই সবই তো নির্দ্বিধায় খাচ্ছি একসাথে! ভালকে সত্যকে গ্রহণ করতে কোন সমস্যা হয় নি বাঙালী নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর। ফ্রেন্স ফ্রাই আর ফ্রাইড চিকেন কিংবা চাইনিজ আর থাই ফুড এই তল্লাটের ভোজন রীতির অংশ? আমি জানতাম খিচুড়ি, তেহেরি কিংবা ভর্তা...

synthroid drug interactions calcium

ক্রিকেট বিশ্বায়ন: একটি নাটকের শিরোনাম

তারা ক্রিকেট বিশ্বায়নের কথা বলে বেড়ায় । এতটাই বিশ্বায়ন ঘটেছে যে , বিশ্বকাপে ১৬টি দেশের পরিবর্তে ১৪টি দেশ অংশ নিতে পারে । চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে র্রাংকিংয়ের নবম আর দশম দেশ খেলার সুযোগ পায় না । তাদের বিশ্বায়নের প্রভাবে ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা কেনিয়া আর সুপার সিক্স খেলা কানাডা ক্রিকেটবিশ্ব থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছে । পাকিস্তান , ইংল্যান্ড , ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পরেও আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে । জন ডেভিসন , স্টিভ টিকোলো বা কেনেডি ওবায়ার মতো ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের করুণ সমাপ্তি ঘটেছে তাদের বিশ্বব্যাপি ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রভাবে ! আইসিসির লভ্যাংশের সিংহভাগ যায় ক্রমান্বয়ে ভারত , অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের...

A Power Blanket Around Bangladesh

একসময় বলা হত যে দেশে সালফিউরিক এসিড উৎপাদন যত বেশী সে দেশের শিল্প তত অগ্রসরমান। এখন বোধহয় যে সব দেশের মাথা পিছু বিদ্যুতের  ব্যবহার যত বেশী সে দেশেই তত বেশী এগিয়ে। এখন ক্ষুদ্র থেকে মাঝারী কিংবা কুটির এমনকি বৃহৎ শিল্প অথবা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিখাত সবই বিদ্যুতের ব্যবহারের সাথেই সম্পৃক্ত। আর তাই শক্তি কিংবা পাওয়ার কনজাম্পশনের মাথা পিছু হার দেখেই বুঝা সম্ভব কোন দেশ কতটা সম্বৃদ্ধ। সার্বিক বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহারের তুলনামূলক চার্ট [তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া]  এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম তা বের করা মুশকিল। তবে মাথা পিছু ২৮ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে ২০১২ সালের তথ্যানুযায়ী। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা বেশীরভাগ রাষ্ট্র শীত প্রধান...

side effects of drinking alcohol on accutane

কিছু প্রগালাপ, প্রসঙ্গঃ সংলাপ

“Hope is a good breakfast, but it is a bad supper.” ― ফ্র্যান্সিস্‌ বেক‌ন (Francis Bacon) [২২শে জানুয়ারি, ১৫৬১ - ৯ই এপ্রিল, ১৬২৬] প্রতিদিন সকালেই মনে হয় আজ সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। আজ বিকাল থেকে আর মানুষ পুড়ে মরবে না কিংবা বার্ন ইউনিটে কাতরাবে না। তাঁদের নিয়ে নোংরা রাজনীতি করবে না রাজনৈতিকেরা। একটা সময় ছিল যখন নেতারা আন্দোলন করে জনগণের জন্যে নিজের জীবন দিয়ে দিতেন। দিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী থেকে বঙ্গবন্ধু কিংবা চে গুয়েভারা। আর আজ আমাদের রাজনৈতিকরা নিজেদের স্বার্থে পুড়ে মারছে নিরীহ জনগণকে। তাই ফ্র্যান্সিস্‌ বেক‌নের কথাটাই মনে হয়। সকালের আশাবাদ নিয়ে অফিসে যাওয়া হয় আর সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে টিভি ছাড়লেই...

THE UNIVERSE: LET’S TALK ABOUT ASTROPHYSICS : PART-1

অনন্ত রহস্যের আধার আমাদের এই মহাবিশ্ব।।তবে সেই রহস্য মালার সাথে পাল্লা দিয়ে অনেক অনেক গুণ বেশি কৌতূহলের আধার মানুষের মন।। বিজ্ঞান নামের জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় এই মহাবিশ্বের লুকিয়ে থাকা রহস্য আর সৌন্দর্য ভরা অসীমতা টা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়েছে মানুষের সামনে।।।।। একটা কথা অবশ্য ভুল বললাম। বিজ্ঞান কখনোই কোন জাদুর কাঠি নয়। বিজ্ঞান হল অক্লান্ত পরিশ্রম – পর্যবেক্ষণ – গবেষনা আর সত্যের প্রতিষ্ঠায় আত্মদানের প্রতিশব্দ। যে উদ্দেশ্য নিয়ে লেখাটা শুরু করেছি তা হল বিপুলা এ মহাবিশ্বের রহস্যের প্রতি কিছুটা আলোকপাত করা।।।।।মহাকাশবিদ আর বিজ্ঞানীদের লাগাতার প্রচেষ্টার ফলে এখন তো আমরা সবাই জানি যে – পৃথিবী মহাবিশ্বের বিশালতার কাছে কোনো ইউনিক বস্তুই...

কামিনী কথা

‘আমাদের বাসার প্রধান ফটকের সামনে একটা কামিনী ফুলের গাছ আছে। কামিনী ফুলের বৈশিষ্ট্য হল বৃষ্টি হওয়ার আগে আগে ফুটে,বৃষ্টির সাথে ঝরে পড়ে যায়। পুরো বাড়ি কামিনী ফুলের গন্ধে মো মো করতে থাকে। শুভ্র একটা ফুল। ধরা যায়না। ধরার আগেই ভেঙে পড়ে। জীবনটাও ঠিক এইরকম। কামিনী ফুলের মত। তার খুশির সময় পুরো এলাকাকে খুশির কথা জানিয়ে দেয়া। কামিনী ফুল যেমন তার সুগন্ধ দিয়ে পুরো এলাকা সুরভিত করে তোলে, তার খুশির খবর সবদিকে জানিয়ে দেয়। তার খুশিতে সবাই খুশি হয়। জীবনটা এমনই হওয়া উচিত। মানুষ কামিনী ফুল না। তাই তার খুশি প্রকাশ করার পদ্ধতিও এক হবেনা এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে...

জনসংখ্যা সমস্যা ও সরকারের করনীয়

কেইস স্টাডি-১ নাম: জসিম, বয়স : ২৮, (সাক্ষাৎকারের সময় ৪ অক্টোবর ২০১৪)। বিয়ে করছে ১১ বছর আগে, এক ছেলে এক মেয়ে! ছেলের বয়স ১০ মেয়ের ৫ বছর, দুই বাচ্চাকেই সে স্কুলে পড়ায়!  পেশায় রিকশা চালক, দৈনিক আয় ৩০০-৫০০ টাকা। স্বপ্ন দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা। পারলে সন্তান দুটাকে মানুষ করা না হয় বাকিটা আল্লাহর হাতে, কপালে যা লিখা আছে। অর্থাৎ তকদীরের উপর ছেড়ে দেয়া। পরিবার পরিকল্পনার কোন চিন্তা নেই আল্লাহ যে কয়টা দেয় সন্তান তাই হবে। কেইস স্টাডি-২ নাম: শফিক, বয়স; ১৭, (সাক্ষাৎকারের সময় ২০১৩ এর মাঝামাঝি), বিয়ে করেছে বছর খানেক আগে। এখনো সন্তান নেয় নি। পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। গড় দৈনিক আয়...

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,...

নাস্তিকদের কাছে অনুরোধ

আমার খুব ঘনিষ্ট বন্ধুদের একজন রাতুল। মানুষ হিসেবে ও যেরকম অসাধারণ তেমনি অনবদ্য বন্ধু হিসেবে। খুব রসিক আর পরোপকারী। খুব রসিক হওয়ায় ওকে ছাড়া আমাদের আড্ডা প্রায়ই নেতিয়ে যেত। আবার প্রায় আড্ডা ভেঙ্গে যেত ওর কারণেই। কারণটা হল ওর নাস্তিকতা। এটা কোন সমস্যা না যে ও নাস্তিক। সমস্যা এই যে, ও সবসময় চেষ্টা করত ওর আশেপাশের সবাইকে ওর ধারনাগুলো বলতে, বোঝাতে। সবসময় যে সমস্যা হত তাও না। প্রায়ই ও সফল হত। আমার আরেক বান্ধবী শিলাও ধীরে ধীরে ওর পথ ধরেছিল। ওর সাথে থাকার সুবাদে বা বিবাদে শিলারও ধর্ম থেকে বিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। যাই হোক আমাদের আড্ডায় প্রায়ই এসব নিয়ে কথা...

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার... zithromax azithromycin 250 mg

all possible side effects of prednisone

হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ (পর্ব -২) কৃত্তিবাস ও কল্লোলের সাথে মিলিয়ে ফেলবার অপচেষ্টা…

    পঞ্চাশের দশকের ইউরোপের সংঘটিত কিছু টাইমস্পেসিফিক বা তৎকালীন সময় কেন্দ্রিক কিছু শিল্প-সাহিত্য আন্দোলনের আদলে বাঙলা সাহিত্যেও এক বিপ্লবের চেষ্টা চলেছিল। অনেকেই সেই আন্দোলনের চেষ্টার সাথে হাংরি আন্দোলনকে মিলিয়ে ফেলবার চেষ্টা করেন।আসলে কল্লোল বা কৃত্তিবাস গোষ্ঠীর তৎকালীন আন্দোলন ছিল বড়ই সাজানো -গোছানো যুক্তিগ্রন্থনা নির্ভর নিটোল বাস্তবতায় ভরা অদ্ভুতুড়ে এক পরিহাস(যেখানে সাহিত্যিকগন নতুনভাবে নতুনচিন্তায় নবআবিস্কারে মাতার বদলে আন্দোলন আন্দোলন বলে চেঁচিয়ে আবার নিজের চেনাজানা জগতের খোলসের মাঝে ঢুকে যেতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন), অতএব ইউরোপীয় উপনিবেশিকতার চৌহদ্দিতে গড়ে ওঠা সে আন্দোলন বাঙলা সাহিত্যে নতুন ধারা সৃষ্টি তো দূরে থাক,ন্যূনতম বিদ্রোহের আমেজও সৃষ্টি করতে পারেনি। যার অবধারিত ফলফলে এক সময়ের বিপুল...

thuoc viagra cho nam
cialis new c 100