Category: কবিতা

ভালোবাসার ৪ টি প্রিয় কবিতা

প্রেমের কবিতা / ভালোবাসার কবিতা  কারো কারো জন্য এমন লাগে কেন! – তসলিমা নাসরিন জানি না কেন হঠাৎ কোনও কারণ নেই, কিছু নেই, কারও কারও জন্য খুব অন্যরকম লাগে অন্য রকম লাগে, কোনও কারণ নেই, তারপরও বুকের মধ্যে চিনচিনে কষ্ট হতে থাকে, কারুকে খুব দেখতে ইচ্ছে হয়, পেতে ইচ্ছে হয়, কারুর সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে বসতে ইচ্ছে হয়, সারাজীবন ধরে সারাজীবনের গল্প করতে ইচ্ছে হয়, ইচ্ছে হওয়ার কোনও কারণ নেই, তারপরও ইচ্ছে হয়। ইচ্ছের কোনও লাগাম থাকে না। ইচ্ছেগুলো এক সকাল থেকে আরেক সকাল পর্যন্ত জ্বালাতে থাকে। প্রতিদিন। ইচ্ছেগুলো পুরণ হয় না, তারপরও ইচ্ছেগুলো বেশরমের মত পড়ে থাকে, আশায় আশায়...

বাংলা কবিতায় ছন্দ কত প্রকার ও কি কি?

এটি মূলত তিন প্রকার। যথাঃ ১. স্বরবৃত্ত ছন্দ। ২. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ। ৩. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ। নামগুলো হয়ত বা আমাদের সবারই চেনা। কিন্তু, এদের প্রকৃত ব্যবহার আমাদের অনেকেরই জানা নেই। তাই চলুন, এ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি।   ছন্দ সম্পর্কে জানার আগে, চলুন প্রথমে আমরা কিছু চিহ্ন সম্পর্কে জেনে নেই। কারন, এগুলোর ব্যবহার দেখেই আমরা ছন্দ চিনব। এগুলো একেক ছন্দে একেকভাবে ব্যবহার হয়, আর এদের সুষ্ঠু ব্যবহার কবিতাকে করে তোলে সার্থক ও শ্রুতিমধুর। এগুলো হল, ‘‘অক্ষর”, ‘‘মাত্রা”, ‘‘মুক্তাক্ষর”, ‘‘বদ্ধাক্ষর বা যুক্তাক্ষর”, ‘‘পর্ব”, ‘‘অতিপর্ব” ইত্যাদি। আপাতত এই কয়টি জানলেই চলবে। তাই, এখন এগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।   সবার আগে অক্ষর নিয়ে আলোচনা...

অভিমান

তুমি তো নির্লিপ্ত আজও, কেমন করে সবার মত এড়িয়ে যাও কে জানে তা, আমার চোখের টলটলে জল; তুমি কি পাথর? এই অপলক দৃষ্টি তোমায় বলে না কিছুই? এই ঠোটে কি পাওনা খুজে অন্য ভাষা? তোমায় ঘিরেই যখন আমার বাঁচার আশা তখন তুমি বুঝছো না যে দুঃখে আমি কতটা কাতর। তুমি তো জানো বুকে আমার তৃষ্ণা কিসের, যে যন্ত্রণায় কাতরাই তা কোন সে বিষের, কি করে তবু অটল তোমার নিঠুর নিষ্ঠা একবারও উল্টালে না সেই মনের পৃষ্ঠা। আকাশে আমি কি খুঁজি তাও তোমার নয় অজানা কিসের জন্য আমার এ নির্মল প্রতিক্ষা তাও তো জানো, তবুও কেন যাচ্ছ করে মিছেমিছে এ অভিনয়,...

সেই যাযাবর

সেদিনও দুই চাকায় ভর দিয়ে, বাতাসে লোহার ভেলা ভাসিয়ে; একলা ভ্রমণে, উদাসী চনমনে। খসখসে পিচের অমসৃণ প্রেমে সে যাযাবরের পা থাকেনা থেমে। যাচ্ছ কতদূরে? শুধায় ভবঘুরে। বিদ্রোহী সূর্যটা ঘাড়ে উঠে বসে, দিনের চাঁদটা তারে দেখে হাসে। পথ আঁকাবাঁকা, ঘুরে চলছে চাকা। পথের মায়ায় যাবে নাহয় হারায়ে, নাগরিক এসব কোলাহল তাড়ায়ে, সব পেছনে ফেলে, এক যাযাবর ছেলে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১২/০৩/২০১৭

সবটুকু সুখ

মেয়ে , তুমি আজ বিকেলের ম্লান আলোকিত সূর্যটা দেখেছো ? বুঝেছিলে ওটা তখন তোমাকে কী বলেছিলো ? দিনের সবটা আলো তোমায় দিয়ে সে হয়েছে ক্লান্ত , পরিশ্রান্ত তবুও শে তোমার রাতকে আলোকিত করতে দায়িত্ব দিয়েছে চাঁদটাকে , কালো রাতটায় যাতে তুমি ভয় না পাও , তাই জোছনা তোমার শরীর ছুঁয়েছে স্নান করেছ তুমি নরম আলোতে , হয়েছো স্নিগ্ধ । কিন্তু তুমি কি বুঝতে পেরেছো ওরা কেনো তোমার যত্ন নিচ্ছে ? কারণ আমি ওদের বলে দিয়েছি , তুমি যেন ভালো থাকো সবসময় । আমার রৌদ্রজ্জ্বল দিন আজ মেঘে ঢাকা জোছনায় আলোকিত রাত এখন অমানিশায় আঁধার , তবুও তোমাকে কোনো দুঃখ ছুঁতে...

জলদস্যু

মাস্তুলের চূড়ায় কাকের বাসায় রয়েছে আশায় যদি দেখা পায় কোন কিনারায় রামের নেশায় মাতাল হয়ে যায় তবু ভরসায় কালো পতাকায় খুলিতে তাকায় মজা লুটায় জলদস্যুতায়। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৭/১০/২০১৬

side effects of drinking alcohol on accutane

নীল বাঘের পরাবাস্তবতা

ফুটপাথে পড়ে আছে ডানা ভাঙা প্রজাপতি; তখনও শহরে মেঘে রোদে খেলছে, হিমলকুচি করুণা নিয়ে দেখছে ব্যস্ততার দ্রুতি, নীল ডোরায় নীল বাঘ কেবল দুলছে। মগজ ধোলাইয়ের ধকল সামলে ঘুমের রাজ্যে- যেতে পায়ের তলে শিরশিরিয়ে ওঠে। তখনও নীল বাঘ ডানা ঝাপটায় খুশির অতিশয্যে, এক চিলতে রোদ যদি বা একটু জোটে। নীল বাঘকে নিয়ে উড়ে যায় সবুজ বাজপাখি। লু হাওয়াতে পুড়ে যাচ্ছে পালক। ডানা ভাঙা প্রজাপতির অন্তিমকালে এসে দেখি, তালি দেয় একদল মৃন্ময় বালক। খসে পড়ে নীল ডোরা, খসে পড়ে রঙ ও রেণু। মুছে যায় নাগরিক ছবি বৃষ্টিতে। নীল বাঘের জন্য প্রজাপতি বাজায় করুণ বেণু, পরাবাস্তব জীবনের সুর সৃষ্টিতে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ০৫/০৮/২০১৬ can levitra and viagra be taken together

পুড়তে দেবে কি?

আলোর গতিতে ছুটছি; বাতাসে গগনবিদারী চিৎকার- চিরে দেয় নীরব রাতের আঁধার। তবুও আমি অজান্তে থেমেছি।   থামতে দেবে কি?   অসংজ্ঞায়িত ত্রিমাত্রিক বাস্তব। পালার মঞ্চে অভিনয়ের আকাল। রহস্যঘেরা অনিত্য আগামীকাল; অতীত এখন ঝাপসা সব।   মনে থাকবে কি?   হতে দাও কিছু অবিচার- দোষগুলো নিজেরাই ক্ষমা চায়, প্রেম রাতজাগা ভোরের অপেক্ষায়। সে আগুনে জ্বলে ছারখার।   পুড়তে দেবে কি?   সরে যাচ্ছি, হচ্ছি নির্বাসিত। ধ্রুব সঙ্গী অস্পৃশ্য এক ছায়া, প্রতিশোধ- এক নেশাময় মায়া। প্রেমের অস্ত্রে তীব্র আহত।   আঘাত হানবে কি?   সূর্যগ্রহণের আঁধারে ভীত- তবুও অসংখ্য আলোর কারণ ছেঁড়া বাঁধনে করছে বারণ সে আগুনেই হব মৃত।   পুড়তে দেবে...

অসমাপ্ত

আমি শহরের কেন্দ্রস্থলে গিয়েছিলাম , আমি নিবিড় মনে ফুটপাথে হাঁটছিলাম। মানুষগুলো অবাক চোখে তাকিয়ে ; তাদের ঠিকরে আসা দৃষ্টি বেঁকিয়ে, আমি সবময়েই ছিলাম শান্ত। মানুষেরা কী কখনই জানতো- ঘুম ভেঙে প্রথম হৃদস্পন্দনের অনুভূতি? যখন আমি একা, বিরুদ্ধে (প্রায়) জাতি আমার হেঁটে যাওয়া দেখে তারা ভাবে কি- ঐশ্বরিক বাণী দেয় আমায় আবাবিল পাখি? আর প্রশংসনীয়রূপে যে অনুগ্রহ তালিমপ্রাপ্ত, সেখানে জরিমানা দাও , আমরা খুব অনুতপ্ত। ভেবেছিলাম আমার সবকিছু ছিল আমাদের ইচ্ছাগুলো নিজেদেরই দিল আত্মসম্মান। আর বাতির জন্য অপেক্ষা করে , আর মাংস ছেড়ে গেল,কিন্তু রুটিগুলো অভিশপ্ত নারে। এমনই এক শান্ত গ্রীষ্মের রাতে , মস্তিষ্ক ঝাঁঝরা করব আমি এক বুলেটে। -মিনহাজ উদ্দিন...

can your doctor prescribe accutane

শব্দ করো না

শব্দ করো না। দেশ ঘুমাচ্ছে। জাতি ঘুমাচ্ছে। শশশসসস…. একদম কোন শব্দ করো না। মিছিল করো নীরবে। প্রতিবাদ হোক নিঃশব্দে। খবরদার জাগিও না। শব্দ করো না। দেশ ঘুমাচ্ছে। বিশ্ব ঘুমাচ্ছে। আমরা জেগেও ঘুমাচ্ছি। আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখছি। জেগেও ঘুমিয়ে থাকা মানুষকে জাগানো যায় না। শব্দ করো না। আমরা সবাই ঘুমাচ্ছি। শুভ রাত্রি। শুভ স্বপ্ন।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৬/০৬/২০১৬ buy kamagra oral jelly paypal uk

ছায়ালীন

নগরীর আশেপাশে যত ভীতু পাখি ছিল তারা তাদের পালকগুলো আগলে রাখতে শিখেছে শুধু শেখেনি মানুষ কিভাবে চোখের বিবমিষা কাটিয়ে সেখানে চাষ করতে হয় ভালবাসার। বৃত্তান্ত জানতে চেয়ে উপসংহারে আটকে গেল জীবন অতলে দীর্ঘশ্বাস গোপন রেখে ছায়ালীন যাপন, জীবনের ।।

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

মুক্তির দাম

টিনের সেপাই এসে চালায় কাঠের তরবারি মৃত প্রজাপতি রঙ ছড়িয়ে যাচ্ছে উড়ি উড়ি, জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে আরেকটি নতুন প্রাণ- শেষ করতে দিচ্ছে নিষ্পাপ ধারাল ছুরি শান। পিয়নের এসে দিয়ে যাবে চিঠি- ঠিকানাবিহীন, পায়ের নিচে ফুটিয়ে যাবে হুল একটি আলপিন, প্রজাপতির অভিমানে ফিঙে হয়ে চলে গেলে- কতখানি অশ্রুজলের দামে তুমি মুক্তি কিনে নিলে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৯/০৫/২০১৬

private dermatologist london accutane

নিয়ন ঈশ্বর, নাস্তিক অন্ধকার

হে অন্ধকার, আমার পুরোনো বন্ধু; আরেক দফা আড্ডা জমে উঠুক। কারণ এক দৃষ্টে তাকিয়ে থেকে তুমি তার বীজ রেখে গিয়েছিলে, আমি তখন বোধহয় ঘুমাচ্ছিলাম এবং দৃষ্টি যে আমার মস্তিষ্কের মধ্যে রোপণ করা হয়েছিল- সে এখনও বিদ্যমান, এখনও সবাক নীরবতা মধ্যে অস্থির স্বপ্নের জগতে আমি একা হাঁটি খোয়া আর বালি বিছানো সরু রাস্তায়। একটি রাস্তায় হলদে আলোর বাতি জ্বলে ওঠে কয়েকবার সুতীব্র চেষ্টায়। আমি শীতল এবং স্যাঁতসেঁতে অন্ধকারে লুকিয়ে যেতে অন্ধকারের বন্ধুত্ব পাই। আমার চোখ একটি নিয়ন আলোর ফ্ল্যাশ দ্বারা ছুরিকাহত হলে, সেই রাতে বিভক্ত চোখে জমজ দেখেছি এবং সবাক নীরবতা স্পর্শ করে নগ্ন আলোকে আমি দেখেছি সহস্র মানুষ, হয়তো আরো...

doctorate of pharmacy online
thuoc viagra cho nam

যান্ত্রিক কপোট্রন

মাথায় কপোট্রন -যেন যান্ত্রিক।   চিন্তাগুলো সব হিপোক্রেটিক, পথ হারিয়ে হয়ে যায় বেগতিক। মধ্যপন্থিহীন আস্তিক – নাস্তিক। মাথায় কপোট্রন – যেন যান্ত্রিক।   অভিশাপ দেয় কুমন্ত্রী তান্ত্রিক। বলির পাঁঠা জনতা সে প্রান্তিক। ঘিলুতে নয়, ঝামেলা আন্ত্রিক। শিল্পায়ন ভুলে হও প্রাকৃতিক।   আক্রান্ত কপোট্রন-যেন যান্ত্রিক।   সাদা কপোত- শান্তির প্রতীক। হল যে দাঙ্গা অতি সাম্প্রতিক। মিথ্যেবাদী নেতা – গণতান্ত্রিক। প্রোগ্রামড কপোট্রন – যান্ত্রিক।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ১৪/০৪/২০১৬

viagra en uk
doctus viagra

অণুকাব্যগুলো অশ্লীল নয়

১। ন্যাংটো হয়ে পুতুলগুলো আসে; যাই চাই তাই দেখিয়ে খিলখিলিয়ে হাসে। সবাই আমরা পুতুল হয়েই আছি। যেমনে তারা নাচায় তেমনি করেই নাচি। ২। গত মিনিটে হয়ে গেল আরও কটি ধর্ষণ, যাক, পর্দায় তারই দৃশ্য, কানে হেডফোন। লোলুপ দৃষ্টিতে গিলে খাচ্ছে যেন চোখ, অভুক্ত নরখাদকের চলছে যে রাজভোগ। ৩। কুপিয়ে ভেবেছ বাঁধবে হুরের সাথে জুটি, সার্চবক্সে লিখে দিলে ছোট্ট করে ‘চটি’, মহাপুণ্য পরে হয়ে যাক একটুখানি পাপ, মহান ঈশ্বর ক্ষমাশীল, করে দেবে মাফ। ৪। অণুকাব্যগুলো অশ্লীল? নাহ, কভু নয়! অশ্লীলতা কেবল মগজের ভাঁজে রয়। শব্দগুলোতে পেয়েছে তুমি খুব আঘাত? আঘাত কেবল দেয় মানুষেরই দুহাত। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৬/০৪/২০১৬

বেখায়ালী

যোজন যোজন দূরে হারিয়ে গেছ তুমি ফিরে পাবার নেইকো কোন আশা তবুও কেন এতো মিছে মায়ায় বেখায়ালি জীবন কাটছে ভবের পাড়ে। আখি খুলে চেয়ে দেখ ঐ নীল আকাশের বুকে উঠেছে নতুন সূর্য,পাখিরা করছে কলরব। নগরী হয়ে উঠেছে ক্রমশ ব্যস্তময় একা মনে বসে আছি জানালার পাশে। বেলা শেষে রাত এসে জানালার প্রানে কড়া নাড়ে পাখিরা নীড়ে ফিরেছে,চাঁদ মামা আলো ছড়াচ্ছে। রাতের সংগী হয়েছে নতুন করে নিকোটিনের ধোয়া আর গিটারের টুং টাং কর্কশ শব্দ বেখায়ালী সবকিছুতেই তবু জীবনটা কাটছে বেশ। kamagra pastillas

missed several doses of synthroid

মনে রেখো

যদি ভুলে যাও নাহয় আমাকে মনে রেখো আমার ভালোবাসা , যা ছিলো একমাত্র তোমারই জন্য সঙ্গী হোক স্মৃতিগুলো তোমার জীবনে । কবিতাগুলো লিখেছি তোমায় ভেবে স্বপ্নজুড়ে হেঁটে বেড়িয়েছো তুমি , আর অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখেছি তোমার হাসি তৃপ্ত দুচোখ মেলে । বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যাবেলা তোমার অপেক্ষায় অশ্রুর সাগরে ভেসে কেটেছে সময় , এই তোমাকে হন্যে হয়ে খুঁজেছি মনের অলিগলি , অদূর সীমানায় । ক্লান্ত এ মন ভেঙেছে কঠিন আঘাতে কিন্তু দেয়নি তোমাকে হারাতে কখনো , ভালোবাসার গভীর আবেশে ছুঁয়েছে অধরা সবকিছু ভুলেও শুধু তোমাকে চেয়েছে । ভুলে যেতে পারো তুমি , যেতেই পারো মনে রেখো আমার এই আকুলতা , তোমার জন্য...

আমার প্রথম কবিতা : ঈশ্বর?

কে তুমি হে সাধু সন্ন্যাসী? ঘুরিয়া বেড়াও পর্বত-গিরি। খুঁজিছো কি তুমি ইশ্বরে? করিছো কি তার সাধনা? কি ফল পেলে তুমি এ সাধনার? পেয়েছো কি খোঁজ তাঁর? সেই ইশ্বরের? জানি পাওনি! পাবেওনা! বৃথাই জীবন তোমার! জীবনের এই ক্ষণ গুলো তুমি নষ্ট করছো রোজ, এপথে খুঁজে কেউ কোনোদিন পায়নি প্রভূর খোঁজ! ওহে মুসাফির, যাচ্ছো কোথায়? খোদার ঘর করতে তওয়াফ মক্কা আর মদিনায়? মিলবে কি বন্ধু, খোদার দেখা সেথায়? না? তবে কেন মানুষ যায়? কেবলই পূণ্যের আশায়? এ তো ভাই বড় স্বার্থপরতা! করলে শুধু নিজের পূণ্যেরই চিন্তা? তোমারই পাশে অনাহারে কাঁদে তোমারই আরেক ভাই, তার কথা ভেবে নিশ্বাস ফেলার ফুরসত তোমার নাই। চারিপাশে... glyburide metformin 2.5 500mg tabs

নস্টালজিয়া

শৈশব যেন আরেকবার ফিরে আসে- কাঁদছে মন বড় হবার ফাঁদে ফেঁসে।   অলস দুপুরে আধো তন্দ্রা ঘুম ভেঙে রৌদ্রস্নানে আমি আর গঙ্গাফড়িঙে কাটিয়ে দিয়েছি কত বেলা, জগত তখন কেবলই খেলা।   স্বাধীনচেতা শৈশব মন যা খুশি চায়। মাথায় ছিল না বোঝা, কর্তব্যের দায়। পাপেরা আমায় ভাবত বুঝি অচ্ছুৎ। গল্পে ছিল পরী, দৈত্যি-দানো, ভূত   হারিয়ে গেল কোন দেশে-   কৈশোর যেন আরেকবার ফিরে আসে- কাঁদছে মন বড় হবার ফাঁদে ফেঁসে।   বৃষ্টি মানে কাদা মেখে বল নিয়ে ছোটা – পুকুরে সাঁতার, ঝাঁপাঝাঁপি,মজা লোটা। যুক্তিহীন সেই সময় আবেগের, অর্থহীন কাজ, শুধু অপেক্ষা ডাকের।   ক্লাসের শেষে বন্ধু, আড্ডা আর হইচই- গল্প-গানে...

walgreens pharmacy technician application online

কবিতারা প্রতারণা করে না

এখনও রাস্তার নেড়ি কুকুরের মত ঘৃণ্য, তবুও কবিতারা প্রতারণা করে না। শেষ কাঁটাতারের বেড়া হয়েছে ছিন্নভিন্ন। কবিতারা পাশেই আছে, সরে না।   জোছনায় তারা গোনা অহেতুক মানুষকে কেন কবিতারা বড় ভালবাসে? হেঁটে বেড়ানো এক মৃত পঁচাগলা লাশকে দেখে কবিতারা কাছে আসে!   জঘন্যতম নিকৃষ্ট প্রজাতির দুদণ্ড শান্তিতে- কবিতারা নিজেদের করে উৎসর্গ। চারপাশ নরক ঘিরে রাখা প্রাণীগুলোকে কবিতারা দেখিয়ে যায় স্বপ্ন স্বর্গ।   ভ্রমে থাকা ‘পবিত্র’ প্রাণীগুলো চলে যায়। তবু কবিতারা প্রতারণা করে না। আঁধারে জোনাকির আলোয় পথ দেখায়- হাত ধরে কবিতারা কভু ছাড়ে না।   -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২৬/১১/২০১৫

metformin tablet