Category: সমালোচনা

সানজুঃ এক পাপীর জাস্টিফিকেশন

বলিউডের অটোবায়োগ্রাফি সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি রীতি চলে এসেছে , যেটি হলো ‘জাস্টিফিকেশন’ । সমালোচিত যেকোনো মানুষকে নিয়ে সিনেমা বানানো হবে আর সেই সিনেমায় মানুষটিকে অনেকাংশেই পুতঃপবিত্র হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করা হবে । ইমরান হাশমি অভিনীত আযহারের পর সানজুও তেমন একটি জাস্টিফিকেশন । পুরো সিনেমাজুড়ে সঞ্জয় দত্তকে একজন ভালো ব্যক্তি এবং পরিস্থিতির শিকার একজন অসহায় মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে । সঙ্গদোষে মাদক সেবন আর তিনশ’র অধিক নারীর সাথে রাত কাটানো ছাড়া আর কোনো অপরাধেই তাকে দোষী বলা যাবে না । এক মহৎ কারণে সাথে একে-৫৬ রাইফেল রাখা , নিজেকে বাঁচাতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনের সাথে বন্ধুত্ব , জেল না খাটার প্রস্তাব পেয়েও... venta de cialis en lima peru

doctorate of pharmacy online

অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে

‘I Want 2 Love U’ একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। https://www.facebook.com/want2love/videos/2058546160827924/ যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না। এখন আসি প্রথম পয়েন্ট থেকেই।আমি একজন চেইন স্মোকার। কিন্তু এর মানেই সিগারেট খাওয়া কোন আধুনিকতা না কিংবা ভালো কোন কাজ না। আর পাবলিক প্লেসে অনেক দেশের এবং বাংলাদেশের কিছু কিছু জাগায় স্মোক করা নিষেধ। সে সব জাগায় কড়াকড়ি থাকার কারণে আলাদা স্মোকিং...

মুসলিম নারীদের বস্তাবন্দী করার ধান্ধা কাঠ মোল্লাদের

হঠাৎ করেই বাল্যকালের এক মেয়ে বান্ধবীকে খোঁজে পাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।যদিও তার সাথে বাল্যকালে খুব একটা বেশী পরিচিতি বা খেলার সাথী ছিলো তাও না।যখন কিন্ডার গার্ডেনে পড়া হয় তখন শুধু এক সাথে স্কুলের গাড়িতে করে যাওয়া আসা আর ঠুকড়া-ঠুকড়ি পর্যন্তই সম্পর্ক ছিলো।এই ঠুকড়া-ঠুকড়ি থেকে এক পর্যায়ে তাকে একদিন গালে চপেটাঘাতও করেছিলাম।আর সেদিন অপ্রাসঙ্গিকভাবে কান্না করে একটা কথা বলেছিলো যা,আজও স্পষ্ট কানে বেজে উঠে এবং সেই সময়ের দৃশ্যটাও চোখে ভেসে উঠে। যাইহোক,পরবর্তীতে তার প্রতি আমার একটা ভালো লাগাও কাজ করে।কিন্তু সেটা কখনো বলা হয়নি।আর বলবোই বা কি করে!তখনও অনেক ছোট বাচ্চা দুজনেই।যার কারণে, ভালো লাগাটা মনের মাঝে পোষে রাখা হয়ে...

doctus viagra
synthroid drug interactions calcium

আড়ালে যে সাম্প্রদায়িকতার হাসে!

আমরা উপরে উপরে যে যেমনি হই, ভিতরে ভিতরে সবাই কমবেশী সাম্প্রদায়িকতা পোষন করি।হোক সে মুসলিম আর হোক সে হিন্দু।আমার বাস্তবে জীবনে ঘটে যাওয়া একটা কথা বলি।আমার যেহেতু ধূমপান করার বদ অভ্যাস আছে।সেই সুবাদে বিভিন্ন দোকানদারের সাথে একটা ভালো সম্পর্ক থাকে অনেক জাগায়।যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ধূমপান করতে পারি এবং কোন বিধি নিষেধ ছাড়াই দোকানের ভিতর প্রবেশ করে নিজের হাতেই সিগারেট নিয়ে খেতে পারি দোকানদেরকে না বলেও।কারণ এই জায়গায় একটা বিশ্বাস আছে আমার প্রতি এবং তার প্রতি আমারো।তবে ভদ্রতার খাতিরে বলেই নিজের হাতে নিই যা নিবার কিন্তু দোকানদার ভাইদের বলেই।তবে আমার মত অনেকেই কিন্তু সে দোকানগুলায় যাওয়া আসা করে তারাও যেন স্বাচ্ছন্দ্যে একটু...

সংবাদ ভ্যাট সম্পর্কিত কিন্তু সমস্যার অন্তরালে শুধুই অজ্ঞতা ও অবহেলা!!

বেশ কয়েকদিন যাবৎ বাংলাদেশে একটি ইস্যু নিয়ে অনেক কানাঘুষো চলছিলো। কেউ অন্য রকম তীব্র যন্ত্রণা থেকে বলছিল আর কেউ বলতে হয় তাই বলছিল। কিন্তু সকল কানাঘুষোর চূড়ান্ত দুই দিন আগেই দেশের মানুষ দেখেছে। দেশের সকল নিউজপেপারের প্রধান শিরোনাম ঠিক তেমনটারই ইঙ্গিত দেয়। “বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরোপিত ৭.৫ % ভ্যাট বন্ধের দাবিতে ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আন্দোলনে পুলিশের গুলি, আহত আন্দোলনরত একজন শিক্ষক”! এই ধরনের শিরোনাম গতকাল মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের সকল সংবাদমাধ্যম, টেলিভিশন চ্যানেল বা ফেসবুকের মত সামাজিক মাধ্যমে। এরই রেশ ধরে এই কয়দিন শিরোনাম “বিক্ষোভে অচল ঢাকায় চরম ভোগান্তি”। এই শিরনামগুলোকে কেবলই তথাকথিত সংবাদ ভাবলে ভুল হবে। সংবাদের গভীরে যাবার আগে একটু...

“স্বাক্ষরতা অভিযান” – সামাজিক কর্মকান্ডের আড়ালে আসলে কাদের ‘মাস্টার প্ল্যান’ বাস্তবায়িত হচ্ছে ?

চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্ন উপজেলা সন্দ্বীপে দীর্ঘদিন ধরে “স্বাক্ষরতা অভিযান” নামে একটা কর্মসূচি চলছে। যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শত শত ছেলেকে স্বেচ্চাসেবক হিসেবে সংগঠিত করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে কোটি টাকার এই প্রজেক্ট কি শুধুই সামাজিক কর্মকান্ড নাকি আড়ালে থাকা কোন গোষ্ঠির বৃহৎ কোন পরিকল্পনার অংশ ? প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে সন্দ্বীপের ভৌগলিক অবস্থানের একটা রিভিউ দেই, তাহলে ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার বোঝা যাবে।   সন্দ্বীপঃ চট্টগ্রাম তথা বাংলদেশের মূল ভুখন্ড হতে বিচ্ছিন্ন এ অঞ্চলটা যথেষ্ঠ মৌলবাদী অধ্যুষিত। এর অদূরেই চট্টগ্রামের মূল ভুখন্ড সীতাকুন্ড যা আরেক সাম্প্রদায়িক জামাত-শিবির অধ্যুষিত অঞ্চল। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এটা অত্যন্ত সম্পদশালী...

লজ্জাগাঁথা…

দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মানুষটার, আটটা… আপনার পায়ে আটবার অপারেশন করার বহু আগেই আপনি পঙ্গু হয়ে যাইতেন। একটা অপারেশনের পরেই ঠিকভাবে হাঁটতে পারে খুব কম মানুষ…সেও যে ঠিকঠাক পারে , তা কিন্তু না। প্রতিবার রান আপের পরেই তার হাঁটুতে পানি জমে, নী ক্যাপ লাগানো হাঁটু দুটো ফুলে যায়, দেখতেই ভয় লাগে, তার যন্ত্রণা হয় কিনা সেটা কখনো ভেবে দেখার সময় হয়নি। পায়ের পানি সিরিঞ্জ দিয়ে বের করে ফেলতে হয়, অনেক সময় খেলা চলাকালীনই কাজটা করে সে, পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন ক্রিকেটারকে এমন কাজ করতে হয়নি… আর ১০টা মানুষের মত হইলে সেও হয়তো থাইমা যাইত। কিন্তু সে থামে নাই, থামতে...

ক্রিকেট বিশ্বায়ন: একটি নাটকের শিরোনাম

তারা ক্রিকেট বিশ্বায়নের কথা বলে বেড়ায় । এতটাই বিশ্বায়ন ঘটেছে যে , বিশ্বকাপে ১৬টি দেশের পরিবর্তে ১৪টি দেশ অংশ নিতে পারে । চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে র্রাংকিংয়ের নবম আর দশম দেশ খেলার সুযোগ পায় না । তাদের বিশ্বায়নের প্রভাবে ২০০৩ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা কেনিয়া আর সুপার সিক্স খেলা কানাডা ক্রিকেটবিশ্ব থেকে প্রায় হারিয়েই গিয়েছে । পাকিস্তান , ইংল্যান্ড , ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর পরেও আয়ারল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে । জন ডেভিসন , স্টিভ টিকোলো বা কেনেডি ওবায়ার মতো ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের করুণ সমাপ্তি ঘটেছে তাদের বিশ্বব্যাপি ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার প্রভাবে ! আইসিসির লভ্যাংশের সিংহভাগ যায় ক্রমান্বয়ে ভারত , অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের... kamagra pastillas

wirkung viagra oder cialis

হরতাল!

হরতাল মূলত একটা গুজরাটি শব্দ। যা সর্বাত্মক ধর্মঘটের প্রকাশক। অন্যভাবে বললে এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদের ভাষা। মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। জন গুরুত্বপূর্ণ কোন ইস্যুতে রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে। এই প্রথাটি শুধুমাত্র এই উপমহাদেশেই প্রচলিত। গাড়ী ভাংচুর, জান-মালে অগ্নিসংযোগ, অরাজকতা সৃষ্টি এসবের নাম হরতাল নয়। যে কোন দল বা সংগঠন হরতাল আহবান করতে পারে, কিন্তু মানা না মানা জনগণের ব্যাপার। মানুষ মেরে, ভাংচুর করে, আগুন দিয়ে হরতাল মানতে বাধ্য করাটা অন্যায়, অন্যায্য এবং অগণতান্ত্রিক। বাংলার ইতিহাসে একটি মাত্র হরতালের আহবানই ন্যায্য ও জনগুরুত্বপূর্ণ ছিল। ১৯৭১ সালে সেই হরতালের আহবান করেছিলেন বঙ্গবন্ধু...

কোনো বেধর্মী যেন তৃতীয় পক্ষ হতে না পারে !!

চট্রগ্রামে গিয়ে প্রথম নামলাম জি.ই.সি’র মোড়ে । জীবনে প্রথমবার চট্রগ্রামে পা রাখলাম । উদ্দেশ্য ছিল চাকরীর ইন্টারভিউ । ভোর ৫.৩০ এ গিয়ে যখন নামি, তখন সেখানে মাত্র ১টা চায়ের টং খোলা ছিল আর চারপাশটা ছিল বেশ নিরব । ভোরের সূর্য কেবল উঠি উঠি করছে তখন । নাইট কোচে ভালো ঘুম হলনা বলে পরপর দুই কাপ কড়া লিকারের চা পান করে নিলাম। প্রথম সিগারেটটা ধরিয়েছি সবেমাত্র, তখন ৫.৪৫ এর মতন বাজে । সিগারেট ফুঁকছি, এর মাঝে হঠাৎ করে খেয়াল করলাম আমার অদূরেই কয়েকজন বোরকা-পরিহিত মহিলারা এসে দাঁড়ালো । এই সাত সকালেই বোরকা পড়া দেখে কিছুটা বিস্মিত হলাম । তবে কিছুক্ষন যাবার...

can levitra and viagra be taken together
para que sirve el amoxil pediatrico

হাংরি আন্দোলন — এক অভূতপূর্ব দ্রোহের বিস্ফোরণ…

হাংরি আন্দোলন, বাঙলা সাহিত্যের এক অদ্ভুত ক্রান্তিকালে আরও অদ্ভুতুড়ে এক আন্দোলনের নাম।মাত্র ২১ বছর বয়েসে কলকাতার কবি মলয় রায় চৌধুরীর মাথার পেছন দিকের গ্রে সেলগুলোতে যখন এই আন্দোলনের দামামা প্রথম বেজে উঠল, তখন কেউ হয়তবা ধারনাও করতে পারেননি যে একসময় এই আন্দোলনই পাল্টে দেবে রবীন্দ্র-নজরুল পরবর্তী বাঙলা সাহিত্যের স্রোতধারা, বদলে দেবে অন্য সংস্কৃতি থেকে ধার করা ময়ুর পুচ্ছ দিয়ে কালজয়ী সাহিত্য তৈরির মত সাময়িক আত্মঘাতী প্রবনতাকে…   স্বদেশী আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী নেতাদের দেখানো এক সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত দেশের স্বপ্ন যখন টকে গিয়ে পচতে শুরু করল আর সেই পচনের ধারা ধীরে ধীরে বাঙলা সংস্কৃতির সৃজনশীলতাকে খেতে শুরু করে কালজয়ী সাহিত্যিক জন্মাবার সব...

জাতীয় বেশ্যা আর বড়লোকের ফার্মের মুরগি সংক্রান্ত কিছু অপ্রয়োজনীয় কথা…

প্ল্যানটা বহুত আগের থেকেই ছিল। বালেরকণ্ঠ যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন সাকিবকে বহুত রিকোয়েস্ট করে প্রথমালু মাঝে মাঝে ওর কাছ থেকে কিছু লেখা পাইত। আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে, তখন বালেরকণ্ঠ বহুত কাঠ-খড় পুড়ায়ে, হাতে পায়ে ধরেও সাকিবরে তাদের পত্রিকায় কলাম লেখাইতে পারে নাই। তারপর থেকেই সাকিব বালের কণ্ঠের চোখে পৃথিবীর সেরা অপরাধী হয়ে গেল। মজার ব্যাপারটা হচ্ছে, প্রথমালুর বিশিষ্ট ক্রীড়া আবাল স্যার উটপোঁদ শুভ্র ছিলেন ফলেন স্টার মোহাম্মদ আশরাফুলের বিশিষ্ট ভক্ত অনুরাগী। আশরাফুল ম্যাচের পর ম্যাচ জঘন্যভাবে বাজে খেলে আসলেও তিনি নিয়ম করে প্রতি সপ্তাহে দুইটা বা তিনটা অসাধারন রিপোর্ট করতেন আশরাফুলের নামে। কেননা তখন আশরাফুলের মায়াময় চেহারা আর...

can your doctor prescribe accutane
side effects of quitting prednisone cold turkey
amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

অসুস্থতা না টালবাহানা!

এদেশে সব ভালো কাজেই বিলম্ব হয়, নিজামীর ফাঁসি তেও যে এমনটাই হবে,সেটা মোটামুটি জানা কথা, অসুস্থতার অযুহাতে রায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন তো প্রথম শুনলুম মাইরি! হর্তাকর্তারা বলেনঃ ৪২ বছরের কলংক?? তা ধুয়ে পেলতে একটু তো সময় লাগবেই বটে(আলসেমির ভঙ্গিমায়).. তা তো লাগবোই, গোলাম আজমকে বসাইয়া খাওয়ানো হচ্ছে। হোক না আরেকটা! তার ক্ষেত্রেও একই রকম উপসর্গ দেখা গিয়েছিল প্রসাশনের! আজ হবে, কাল হবে, এরকম করতে করতে এরপর এমন হওয়া হয়েছে, যে, শেষমেষ তো গোলাম আজমের ফাঁসির দড়িটাই ছিড়ে গেল গলা থেকে, এবার আবার নিজামী অধ্যায় শুরু। কাঁদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর নিয়ে তো ভালোই লুকোচুরি হয়েছিল, তারপর তো একরকম পাবলিক ও... ovulate twice on clomid

মোহাম্মদ আশরাফুল- এক বিস্ময়ের নাম, এক প্রানপ্রিয় ভালোবাসার নাম, এক বিশ্বাসঘাতকের নাম…

বেশ কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ(বিপিএল)য়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান, একসময়ের বিস্ময় বালক    মোহাম্মদ আশরাফুলকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হল। অনেককেই দেখছি তার এই শাস্তি প্রত্যাহারের ব্যাপারে সোচ্চার হতে। অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন আশরাফুলের নাকি এখানে কোন দোষ নেই। তাকে নাকি বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তার শাস্তি প্রত্যাহারের দাবিতে করা মানববন্ধনে অনেকে এটাও বলার চেষ্টা করেছেন, মোহাম্মদ আশরাফুল সম্পূর্ণ নির্দোষ, তাকে নাকি  ফিক্সিংয়ে বাধ্য করা হয়েছে !! এখন প্রশ্ন হল  মোহাম্মদ আশরাফুল আসলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নামে কি করেছেন? তার অপরাধ কি আদৌ শাস্তি পাবার মত? তাকে শাস্তি দেওয়াটা কি ভুল হইছে? নাকি...

zoloft birth defects 2013

ভেঙ্গে পড়ছে মেকী সকল মানবিক সংঘ-পরিষদ

ঘটনা-একঃ  (সমাজ) ঘটনার সূত্রপাত ৩০ মার্চ, ২০১৪। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য রাহী ও উল্লাস কলেজে যাচ্ছিল বেলা এগারোটার দিকে, তখন স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংঘ ইসলামী ছাত্র শিবিরের পঞ্চাশ থেকে ষাটজন ক্যাডার তাদের উপর হামলা চালায়। অবশ্যই ধর্মানুভূতির জুজু পুঁজি করে। ঘটনা-দুইঃ  (শিক্ষা)   গত ৩ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসির  তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৫ জুন। তবে স্থগিত ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা গত ৮ জুন নেয়া হয় । এখানের শেষ নয় শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য যেখানে মূল্যবোধের সৃষ্টি এবং মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রার ক্রমান্বয় ঠিক রাখা মাঝে মাঝে সেখানেও তীব্র...

tome cytotec y solo sangro cuando orino

মিডিয়া…! কী শেখাচ্ছে আমাদের?

CN (কার্টুন নেটওয়ার্ক) চ্যানেলে একটা প্রোগ্রাম হয় “জাস্ট ফান” টাইপের… সেখানে কিছু মানুষ বিভিন্ন করম আজগুবি কাজ কারবার করে জন সাধারণকে ভড়কে দেয়। দূর থেকে গোপন ক্যামেরায় সেগুলো ধারন করা হয় এবং সেটা দেখিয়ে মজা করা করা হয়। এই ধরনের প্রোগ্রাম যে আমি বিদেশী চ্যানেলেই প্রথম দেখি তা নয়। বাংলা চ্যানেলেই বোধহয় প্রথম আমি এগুলো দেখেছিলাম… অনেক আগে “একুশে টিভি” (তখন সরকারী ছিল)-তে দেবাশীষ রায়ের উপস্থাপনায় “পথের প্যাঁচালী” নামের একটা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান হতো। সেই প্রোগ্রামের একটা অংশ ছিল “প্যাঁচালী মদন”! জনসাধারনকে নিয়ে পাবলিক প্লেসে একটা ইভেন্ট হতো। সেখানে একজন মানুষকে বোকা বানানো হতো… চূড়ান্ত বোকা বানানো লোকটিকে বিভিন্ন গিফটের সাথে “প্যাঁচালী...

ত্রিশোত্তর বাঙলা কবিতায় কলাকৈবল্যবাদ, অস্তিত্ববাদ ও তিন দ্রোহি কবি [পর্ব -৩]

তৃতীয় দ্রোহি : সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (ইতোমধ্যে ১ম ও ২য় পর্ব পোস্ট দেয়া হয়েছে) আমার কথা কি শুনতে পাও না তুমি ? কেন মুখ গুঁজে আছো তবে মিছে ছলে ? কোথায় লুকাবে ? ধূ-ধূ করে মরুভূমি ; ক্ষ’য়ে-ক্ষ’য়ে ছায়া ম’রে গেছে পদতলে । আজ দিগন্তে মরীচিকাও যে নেই ; নির্বাক, নীল, নির্মম মহাকাশ । নিষাদের মন মায়ামৃগে ম’জে নেই ; তুমি বিনা তার সমূহ সর্বনাশ । কোথায় পলাবে ? ছুটবে বা আর কত ? উদাসীন বালি ঢাকবে না পদরেখা । প্রাকপুরাণিক বাল্যবন্ধু যত বিগত সবাই, তুমি অসহায় একা ।। ফাটা ডিমে আর তা দিয়ে কী ফল পাবে ? মনস্তাপেও লাগবে না...

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর!

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি, গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান, সেই গোচারণ, সেই শান্ত সামগান, নীবারধান্যের মুষ্টি, বল্কলবসন, মগ্ন হয়ে আত্মমাঝে নিত্য আলোচন মহাতত্ত্বগুলি। পাষাণ পিঞ্জরে তব নাহি চাহি নিরাপদে রাজভোগ নব– চাই স্বাধীনতা, চাই পক্ষের বিস্তার, বক্ষে ফিরে পেতে চাই শক্তি আপনার, পরানে স্পর্শিতে চাই ছিঁড়িয়া বন্ধন অনন্ত এ জগতের হৃদয়স্পন্দন। ১৯ চৈত্র, ১৩০২ রবী ঠাকুরের এই কবিতার সাথে সবাই ই কম বেশি পরিচিত। পুরো কবিতা যদি আমরা কেউ কেউ নাও জেনে থাকি তবুও মাধ্যমিকে পড়েছেন আর কবিতার প্রথম লাইনটি দেখেননি বা...

acne doxycycline dosage

হ্যাপি ফুটবলিং :-)

ফুটবল খেলা চলছে !! সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল । দুটি দলের লক্ষ্যই জয় । কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজী নয় । খেলায় তখন টানটান উত্তেজনা । কিন্তু এই সময় হঠাৎ করেই সকল স্বাভাবিকতার ধারধারি না ঘেঁষে রেফারী বাবাজি একটি দলের ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেন । ব্যস, এবার আর সামলায় কে ! মূহুর্তের মাঝেই শুরু হয়ে গেল হৈ চৈ । “দলের ক্যাপ্টেনকে কেন লাল কার্ড দেওয়া হল” এই অযুহাতে খেলা বন্ধ করে মাঠের মাঝখানেই খেলোয়ারগুলো হাত–পা ছোঁড়াছুড়ি শুরু করে দিল । কিন্তু অবাক কান্ড ! একটি দলে খেলোয়াড় তো থাকে ১১ জন । কিন্তু মাঠের মাঝে যে ১৬ জন দাঁড়িয়ে...

missed several doses of synthroid
capital coast resort and spa hotel cipro
viagra en uk
clomid over the counter