Category: গণজাগরণ

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (দ্বিতীয় পর্ব)

শাহবাগ আন্দোলনের আগে জামায়াত মনে করেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়া নতুন প্রজন্মের অসংখ্য হুজুগের একটিমাত্র, ইন্টারন্যাশনাল লবিং করে, জোচ্চুরি করে, দুর্নীতি করে তারা তাদের নেতাদের বাঁচিয়ে আনতে পারবে। তারা কখনোই বুঝতে পারে নি যে কাদের মোল্লার রায়ের পর কয়েকজনের ডাকা শাহবাগের আন্দোলনটা এত বিশাল রূপ নিয়ে নেবে। আন্দোলনের প্রথম কয়েকদিন তারা জাস্ট দেখল, তারপর রাজিব হায়দার হত্যা থেকে শুরু হলো তাদের নতুন প্লান। তারা সাধারন জনগণের কাছে শাহবাগ আন্দোলনকে কলুষিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের নিরীহ জীবন কাদায় টেনে আনল। তবুও আন্দোলন থেমে থাকল না। আরো কয়েকজন আন্দোলনকারী খুন হলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হল। তবুও আন্দোলন চলতে... posologie prednisolone 20mg zentiva

about cialis tablets
will i gain or lose weight on zoloft

মইত্যা দালাল

।।১।। ১৯৬৬-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার লুৎফর রহমান খানের ছেলে মতিউর। নিজামী তার বংশের উপাধী ছিল না। লুৎফর ছেলের নাম রেখেছিলেন মতিউর রহমান। কিন্তু ছেলে যে জামাতে ইসলামে যোগ দিয়েছে। নামটা একটু ভারী করতে হবেনা? নাহলে তো নেতা নেতা ভাভ আসবেনা। তাই মতিউর তার নামের সাথে নিজামী যোগ করে নামটাকে করলে মতিউর রহমান নিজামী। হ্যাঁ, এইবার একটু ভারী ভারী মনে হচ্ছে। হলোও তাই, পরপর দুইবার মতি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলো। ২০১০ সালের ১৭ই মার্চ একটি জনসভায় ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে নিজামীর জীবনকে নবী...

সংবাদ ভ্যাট সম্পর্কিত কিন্তু সমস্যার অন্তরালে শুধুই অজ্ঞতা ও অবহেলা!!

বেশ কয়েকদিন যাবৎ বাংলাদেশে একটি ইস্যু নিয়ে অনেক কানাঘুষো চলছিলো। কেউ অন্য রকম তীব্র যন্ত্রণা থেকে বলছিল আর কেউ বলতে হয় তাই বলছিল। কিন্তু সকল কানাঘুষোর চূড়ান্ত দুই দিন আগেই দেশের মানুষ দেখেছে। দেশের সকল নিউজপেপারের প্রধান শিরোনাম ঠিক তেমনটারই ইঙ্গিত দেয়। “বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আরোপিত ৭.৫ % ভ্যাট বন্ধের দাবিতে ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আন্দোলনে পুলিশের গুলি, আহত আন্দোলনরত একজন শিক্ষক”! এই ধরনের শিরোনাম গতকাল মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের সকল সংবাদমাধ্যম, টেলিভিশন চ্যানেল বা ফেসবুকের মত সামাজিক মাধ্যমে। এরই রেশ ধরে এই কয়দিন শিরোনাম “বিক্ষোভে অচল ঢাকায় চরম ভোগান্তি”। এই শিরনামগুলোকে কেবলই তথাকথিত সংবাদ ভাবলে ভুল হবে। সংবাদের গভীরে যাবার আগে একটু...

আবাল বাঙাল

আমার এই সেমিস্টারে প্রোজেক্ট এন্ড ল্যাবোরেটিজ নামে একটা কোর্স আছে। ক্লাসে প্রসঙ্গত কারনে আমি এলিয়েন। ম্যাক্সিমাম ইতালিয়ান আর সাথে স্পানিশ, চিলিয়ান, কম্বোডিয়ান, জার্মান মিলিয়ে একটা গ্লোবালাইজেশনের আখড়া হলেও এরা যে যার স্থানে নিজের জাতি সত্তায় আলাদা। সাউথ এশিয়ান দের ভিতর এক মাত্র আমিই আছি এখানে। একদিন প্রোফেসর আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসিল কোথা থেকে এসেছো হে বৎস? প্রতি উত্তরে খুব বিনয়ের সহিত বলিলাম বাংলাদেশ নামক এক ছোট বদ্বীপ জনাব। বাংলাদেশ!! তোমরা একটা জাতি বটে। তোমরা তো শেখ মুজিব এর দেশের মানুষ রাইট? ঈষৎ হাসিয়া কহিলাম, জি জনাব। আচ্ছা তোমরা উনাকে কি বলে ডাকো যেন? কঠিন একটা নাম আবেগে আপ্লূত হইয়া বলিলাম, বঙ্গবন্ধু... wirkung viagra oder cialis

স্বাধীনতা – এক উপলব্ধি

“The great revolution in the history of man, past, present and future, is the revolution of those determined to be free.” – John F. Kennedy বাঙালীর শোষিত হওয়ার ইতিহাস বহুদিনের। দিনের বললে ভুল হবে,বহু শতাব্দীর। শুধু বৃটিশ না,আফগান, মোঘল আরো অনেক জাতির কাছে শোষিত হয়েছে বাঙালী। শোষিত হতে হতে নিজের যে আলাদা একটা স্বত্ত্বা আছে, সংস্কৃতি আছে,ঐতিহ্য আছে তা কারো মনেই ছিল না। ১৯৪৭ এ বৃটিশদের শোষণ থেকে মুক্তি পেলেও বাঙালীর জন্য সেই মুক্তি ছিল নামেমাত্র। শোষণের বিন্দুমাত্রও কমেনি। বরং বেড়েছে। বাঙালীর টনক নড়ল যখন প্রথমবারের মত মুখের ভাষার উপর আঘাত হানা হলো। বাঙালীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপ্লব বায়ান্নোর “ভাষা...

metformin gliclazide sitagliptin

নকলের ভিড়ে…

আধুনিক পৃথিবীতে আসল থেকে নকল জিনিসের পরিমানই বেশি। খাবার,পোশাক,যন্ত্রপাতি তো ছিলই, যেই জিনিসটা বর্তমান সময়ে বেশি দেখা যায় তা হলো চেহারার নকল। প্রসাধনী, নানা ধরনের দেশি বিদেশি প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করে নিজেকে আলাদা রূপ দেয়াটা যেন প্রতিনিয়তই ঘটে। শুধু দেখাবার জন্যই না, প্রয়োজনের খাতিরেও বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার এর কোন বিকল্প নেই। টুথপেস্ট,শেভিং ক্রিম,শ্যাম্পু,কন্ডিশনার,ফেসওয়াস ইত্যাদিকে বিলাসিতা থেকে প্রয়োজন বলাই বোধহয় যুতসই হবে। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় এইসব প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার বিষয়ে একটু ভালোভাবে জেনে নিচ্ছেন কি? অনেক গরম, রাস্তা থেকে একটা পানির বোতল কিনে খাচ্ছেন। পানিটা কি বিশুদ্ধ? যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন,সেসব কি আসল? রাজধানীর নামিদামি শপিং মল থেকে শুরু করে...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

ফুল অফ কনফিউশান

কই যাই ?? যখন দেখি … চোখের সামনে ভুল হচ্ছে … ভুলগুলো এখন এতো স্বাভাবিক ??… ঠিক কিছু করতেই ভয় লাগে, অস্বাভাবিক লাগে দৃষ্টি কটু লাগে বরং ঠিক কিছু করতেই ….কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না, ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা যত সম্পর্ক আছে শুধুই শাময়িক চাওয়া-পাওয়ার। কারও আগে কেউ যেতে পারবে না, স্পেশাল কিছু করতে হলে করতে হবে লুকিয়ে। পাছে কেউ জেনে গেলে বিপদ, হতে পারে চুরি, লাগতে পারে কু দৃষ্টি, পিছু লাগতে পারে বিফলতা। কিন্তু কেনো ?? দশে মিলে কাজ করলে না ভাল হয় ?? সত্য এখন নাই, সত্য এর ভাঙ্গা-গড়া আছে… সত্য কে ভেঙ্গেচুরে মিথ্যার সাথে মিলিয়ে বলছে অতিসত্য। অবলীলায়...

এ অকাল-মৃত্যূর দায় কার ঘাড়ে ?

জিয়াদকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টার তৎপরতার ইতি টানার ঠিক ১০ মিনিট পর স্থানীয় ছেলেদের বিশেষ উদ্যোগে জিয়াদকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু উদ্ধারকৃত জিয়াদ ততক্ষনে লাশ,দায়িত্বরত ডক্টর তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। সেই সাথে একটি সাড়ে তিন বছরের সম্ভাবনাময় প্রানের অকাল প্রয়ান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতাকে দেখিয়ে দিলো। এখন প্রশ্ন হলো- কার উপর পড়বে এই নিস্পাপ শিশুর অকালে ঝরে যাওয়ার দায়? ওয়াসার এই প্রোজেক্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ইঞ্জিনিয়ারকে পূর্বেই বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আমি মনে করি শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানকে বরখাস্ত বা গ্রেফতার করলেই এর দায় মুক্ত হওয়া যাবেনা।তাতে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবেনা। যদিও এই অনুশীলনীটা... venta de cialis en lima peru

একটি নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু(জিয়াদ)

জিয়াদ। মৃত এই ছেলেটা ২ দিনেই সকলের মনে যায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কোল ফাকা হয়েছে একজন মায়ের। তার এই মৃত্যুর দায়ভার কার? জানি কেও নিতে চাইবে না। শিশু জিয়াদ ৬০০ ফুট নিচে ছিল না, সম্ভবত সে নিচে সাবমারসিবল পাম্পের সাথে আটকে ছিল, কিন্ত যখন এটি তুলে ফেলা হয় সে নিচে পানিতে পড়ে যায়। সাবমারসিবল পাম্প থাকে মূলত পানির নিচে, কিন্ত ঐ স্থানে পানির লেয়ার আরো নিচে চলে গেছিল, পরিত্যাক্ত ঐ পাম্পটি ছিল পানির লেয়ারের অনেক উপরে, জিয়াদ খুব সম্ভবত ঐ পাম্পের সাথেই আটকে ছিল, কিন্ত যখন ঐ ছোট পাইপটি তুলে ফেলা হয় তখন সে ঐ জায়গা থেকে পড়ে যায় সাবমারসিবল...

সায়েন্স ফিকশন – একদিন সত্যের ভোর…।

কম্পিউটার স্ক্রীনটার দিকে অবাক চোখে চেয়ে আছে অনামিকা। বাংলাদেশ নামক সবুজ একটা দেশের রাজধানী ঢাকার ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলে পড়ে সে। এবার দশম শ্রেণীতে উঠল। স্বপ্ন সাংবাদিকতায় পেশা গড়ার। অনেক বড় হবে সে। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে একবার ল্যাপটপটা খুলে না বসলে অনামিকার শান্তি হয়না। প্রতিদিনের পড়াশুনার খুঁটিনাটি বিষয় যেমন সে দেখতে ভালোবাসে ইন্টারনেটে, তেমনি ফেসবুকে কাজ করতেও মন্দ লাগে না। আর ফেসবুক কি আজ আর সেই ফেসবুক আছে? শুধু আড্ডা দেয়াই নয়। অনামিকার বয়সী ছেলেমেয়েরা ফেসবুক দিয়ে এখন দেশ পাল্টে দিতে পারে। মূমুর্ষ রোগীর রক্ত যোগাড় করা থেকে শুরু করে রাজাকারবিরোধী আন্দোলন – সবই তো হয় আজকে ফেসবুকের নীল দুনিয়ায়।...

পথ

“রা’আদ ভাই, গল্প তো আরেকটা লাগবে। হাজার দেড়েক শব্দের।” নির্ঝর ঘরে ঢুকতে ঢুকতে কথাটা রহমান রা’আদের দিকে ছুড়ে দিল। রা’আদ সাহেব অবাক হলেন না। নির্ঝরের কথা বলার ধরণই এমন। কোন ভূমিকা ছাড়া হঠাৎ কিছু নিয়ে কথা বলতে শুরু করবে। যেমনটা এখন করল। কারও বাসায় এলে দরজা খোলার পর সাধারণত অভিবাদনমূলক কিছু বলা হয়। ঘরের বাসিন্দা বলে ভেতরে আসতে। তারপর অতিথি ঘরে ঢোকে। নির্ঝর তার ধারে কাছে দিয়েও গেল না। কলিং বেল এ শব্দ করল। রা’আদ সাহেব দরজা খুললেন। আর অনুমতির অপেক্ষা না করেই মোটামুটি নির্দেশের স্বরে হাজার খানেক শব্দের একটা ছোট্ট গল্পের অনুরোধ করে নির্ঝর ঘরে ঢুকে গেল। রা’আদ সাহেব...

metformin tablet

মুভি রিভিউ-Singhum Returns এবং বাংলাদেশ

সচরাচর হিন্দী মুভিগুলোতে কোন কাহিনী থাকেনা। শুধু বিনোদন থাকে। কিন্তু কিছু কিছু মুভিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ফুটে উঠে। রোহিত শিট্টি বরাবরই একজন কমেডি ফিল্ম ডিরেক্টর হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি তার একটি ছবি রিলিজ পেয়েছে। “সিঙ্ঘাম রিটার্নস। আমি সচরাচর হিন্দী মুভি নিয়ে বেশি কথাবার্তা বলতে পছন্দ করিনা। কিন্তু এই মুভিটি দেখে আমার বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট মনে পড়ে গেল তাই বলছি। আমি বিস্তারিত কিছু বলব না। শুধু প্রেক্ষাপটটা বলব। এখানে মূখ্য চরিত্র একজন পুলিশ অফিসার। তিনি অত্যন্ত সাহসী এবং ভাল মনের মানুষ। শুরুতেই দেখা যায় কিছু বখাটে ছেলে বাইক নিয়ে বেহাল্লাপনা করে বেড়ায় এবং একজন ট্রাফিক সার্জনের সাথে বেয়াদবি করে। সেই সার্জন সেই অফিসারটির...

বাংলাদেশের পথে..

সোনালি সবুজ বাংলার রূপ খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। চিরকালের বাঁধাধরা নিয়মের গন্ডি পেরিয়ে কয়েকটা দিন মুক্ত হাওয়ায় নি: শ্বাস নেবার জন্য দরকার একটু গ্রাম থেকে ঘুরে আসা। বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে একটু ছুঁয়ে দেখা। অনেক জীবনের দামে এই ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় আজ আমাদের। প্রকৃতিরাণীর অপরূপ খেয়ালে সাজানো বাংলার পথে প্রান্তরে তাই জীবনের ছোঁয়া ঘুরে বেড়ায়। হাত বাড়ালেই সে জীবনকে ছোঁয়া যায়, ভালোবাসতে জানলেই সে জীবনকে ভালোবাসা যায়। সোনার বাংলাদেশ তার রুপের পসরা সাজিয়ে অপেক্ষা করে তার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নেবার। বাংলা মায়ের ভালোবাসা, এর সাথে আর কিছুর তুলনা হয়না কখনই…।   আন্ত:নগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছুটে চলে বাংলার পথ...

viagra en uk

একাত্তরের অক্ষয় ইতিহাস : বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম রঞ্জুর স্মৃতিতে একাত্তর:(২)

প্রথম পর্ব : http://sovyota.com/node/3723  … ডুমুরিয়া অঞ্চলের একটি অপারেশনে আমরা পাকিস্তানি আর রাজাকারদের পুরো ১১ দিন ১১ রাত ঘেরাও করে রাখি। ২ঘন্টা করে পালাক্রমে আমরা পাহারা দিতাম। আমাদের তো রসদের চিন্তা নেই – স্থানীয় মানুষজনই আমাদের খাবার দিয়ে যায়। সেই সাথে হ্যাভারস্যাকে রুটিও আছে। কিন্তু পাকিস্তানিরা যখন দেখে যে আর ২/১ দিনের বেশি রসদ তাদের নেই – তখন তিনশ মিলিশিয়া নিয়ে তারা আত্মসমর্পণ করে। এই অপারেশনগুলোতে প্রথমে একটানা দুই ঘন্টা ফায়ার চলত। তারপর ওরা ফায়ার করলে আমরাও ফায়ার করি, আমরা ফায়ার করলে ওরা ফায়ার করে এরকম হত। গ্রেনেডের স্প্লিন্ট এর দাগ এখনো আছে। একবার অপারেশনে এক বড়ভাই জানালা দিয়ে ফায়ার...

walgreens pharmacy technician application online

সময়ের সাক্ষী :গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়ার কন্ঠে একাত্তর

একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলির কথা শুনে কাটল আজকের দিনটা – আমার জীবনে চিরস্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকবে সারাজীবন এই দিন। আজকে শাহবাগে আমরা কয়েকজন অনেক সুন্দর কিছু সময় কাটালাম একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়া ( আমরা আঙ্কেল , স্যার ইত্যাদি সম্বোধন করছিলাম – তিনি নিজেই বললেন কিসের স্যার , ভাইয়া বলবা ) , রাজু আঙ্কেল (রাজু আহমেদ) ,হেলাল আঙ্কেল , সাইফুল ইসলাম রঞ্জু আঙ্কেল এর সাথে। একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদেরকে শোনালেন যুদ্ধদিনের সেই পরশপাথর ছোঁয়ানো দিনগুলোর কাহিনী। পাশাপাশি আমাদের চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা হল তাঁদের সাথে। বিচ্ছু জালাল ভাইয়া এসেছিলেন লাল -সবুজ জামা গায়ে , বাংলাদেশের লাল...

accutane prices

আগমনী সভ্যতায়..

মেয়েটি জানালার ধারে বসে থাকে একা একা। বিস্তীর্ণ নীল আকাশটা একটু একটু করে কিভাবে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায়! অবাক বিস্ময়ে তাই চেয়ে দেখে একাকী মেয়েটি। মেঘের পর মেঘ জুড়ে একসময় ঝুম বৃষ্টিতে চারধার একাকার হয়ে যায়। জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে একাকী মেয়েটি।  কিন্তু বৃষ্টি কেন যেন প্রতিবার ওর বাড়িয়ে দেয়া হাতটাকে ফাঁকি দিয়েই পালিয়ে যায়। অদ্ভূত এক ঘোরের মধ্যে প্রতিদিনের পথচলা। কোনো রোমান্টিসিজম কিংবা সাময়িক ফ্যান্টাসি নয়, বৃষ্টিকে মেয়েটি ভালোবাসে। নীল শাড়ি পরে চুল ছেড়ে দিয়ে বৃষ্টিতে নেচে বেড়াতে তার খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু ইট কাঠ পাথরের শহরে সেই স্বপ্ন যে পূর্ণ হবার নয়। তাই...

can you tan after accutane

World Cup Vs War Cup

পুরো বিশ্ব এখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে হইচই। ফুটবল বিশ্বকাপ জ্বরে কাপছে পুরো বিশ্ব। কিন্তু এই পৃথিবীরই এক প্রান্তে মানুষ কাপছে আতঙ্কে। নিজের প্রিয় ফুটবল দলের জয়ে যখন  আমরা মুহুরমুহ পটকা ফুটাচ্ছি তখন পৃথিবীর একটি দেশে বৃষ্টির মত ঝরছে রকেটবোমা, মিসাইল। আমরা পটকা ফুটানোর আনন্দে আত্মহারা আর সেখানের বাসিন্দার বোমার শব্দে দিশেহারা। বলছিলাম ফিলিস্তিনের কথা। প্রতিদিন শত শত মানুষের রক্তের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে গাযার পথঘাট। সর্বশেষ হামলায় খান ইউনিস শহরের একটি কাফেতে বিশ্বকাপ দেখার সময় ন’জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সংকটাপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলো, ফিলিস্তিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গাজা উপত্যকা, যেখানে প্রতিনিয়ত মানুষের অধিকার পদদলিত হচ্ছে এবং নিরীহ-নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।...

achat viagra cialis france

অসুস্থতা না টালবাহানা!

এদেশে সব ভালো কাজেই বিলম্ব হয়, নিজামীর ফাঁসি তেও যে এমনটাই হবে,সেটা মোটামুটি জানা কথা, অসুস্থতার অযুহাতে রায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন তো প্রথম শুনলুম মাইরি! হর্তাকর্তারা বলেনঃ ৪২ বছরের কলংক?? তা ধুয়ে পেলতে একটু তো সময় লাগবেই বটে(আলসেমির ভঙ্গিমায়).. তা তো লাগবোই, গোলাম আজমকে বসাইয়া খাওয়ানো হচ্ছে। হোক না আরেকটা! তার ক্ষেত্রেও একই রকম উপসর্গ দেখা গিয়েছিল প্রসাশনের! আজ হবে, কাল হবে, এরকম করতে করতে এরপর এমন হওয়া হয়েছে, যে, শেষমেষ তো গোলাম আজমের ফাঁসির দড়িটাই ছিড়ে গেল গলা থেকে, এবার আবার নিজামী অধ্যায় শুরু। কাঁদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর নিয়ে তো ভালোই লুকোচুরি হয়েছিল, তারপর তো একরকম পাবলিক ও...

Middle East Respiratory Syndrome (MERS)

Middle East Respiratory Syndrome (MERS) হচ্ছে মূলত একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ।  এটা সর্বপ্রথম সৌদিআরব এ ধরা পরে। এটি   MERS-CoV নামের একটি coronavirus এর আক্রমনে হয়ে থাকে। এটি একটি ছোঁয়াচে র যেসব মানুষ MERS এ আক্রান্ত বলে নিশ্চিত হয়েছেন তারা সবাই শ্বাসকস্টজনিত সমস্যায় ভুগেছেন। যেমন জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট। অধিকাংশ রোগীর নিউমোনিয়া হয়ে থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে কিডনি ফেইলর। নিশ্চিতভাবে MERS-CoV ইনফেকশন আছে এমন মানুষের ৩০% এ পর্যন্ত মারা গেছেন। যেসব মানুষের MERS-CoV Infection সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া উচিতঃ ১। জ্বর (  ≥ 38°C , 100.4°F ) ২। নিউমোনিয়া অথবা শ্বাসকস্ট ৩। যারা আরব রাষ্ট্রগুলোর সম্প্রতি ভ্রমণ করে এসেছেন ৪। আরব রাষ্ট্রগুলোর...

renal scan mag3 with lasix

ময়দা নিয়ে কিছু বিখ্যাত মনিষীর থেউরি।

বিশেষ সেই সূত্রগুলো নিম্নে দেয়া হলঃ  \m/ ১.নিউটন, “ময়দা সুন্দরীর সৌন্দর্য তার মুখে মাখায়িত ময়দার সামানুপাতে পরিবর্তিত হয়।” ২.পিথাগোরাস, “ময়দা সুন্দরীর দুই গালে মাখায়িত ময়দার ওজনের বর্গফল একটি বৃহত্তর ময়দার বস্তার ওজনের বর্গফলের সমান।” ৩.রামফোর্ড, “ময়দা হচ্ছে ময়দা সুন্দরীর বাহ্যিক অবস্থা যা ঐ সুন্দরীর প্রতি কোন সচেতন ছেলের আগ্রহ ব্যাস্তানুপাতে এবং অচেতন ছেলের আগ্রহ সামানুপাতে পরিবর্তন করে।” ৪.হাইগেন, “ময়দা এমন একটি পদার্থ যা ময়দা সুন্দরীর সৌন্দর্যের জন্য অপরিহার্য এবং যার স্থিতিস্থাপকতা কম কিন্তু ঘনত্ব খুবই বেশী।” ৫.ফ্যারাডে, “ময়দা বিশ্লেষনের মাধ্যমে কোন কালো চামড়ার উপর ময়দার প্রলেপ সৃষ্টি করাকে ময়দাপ্লেটিং বলে। “