Category: যুদ্ধাপরাধ

nolvadex and clomid prices

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (দ্বিতীয় পর্ব)

শাহবাগ আন্দোলনের আগে জামায়াত মনে করেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়া নতুন প্রজন্মের অসংখ্য হুজুগের একটিমাত্র, ইন্টারন্যাশনাল লবিং করে, জোচ্চুরি করে, দুর্নীতি করে তারা তাদের নেতাদের বাঁচিয়ে আনতে পারবে। তারা কখনোই বুঝতে পারে নি যে কাদের মোল্লার রায়ের পর কয়েকজনের ডাকা শাহবাগের আন্দোলনটা এত বিশাল রূপ নিয়ে নেবে। আন্দোলনের প্রথম কয়েকদিন তারা জাস্ট দেখল, তারপর রাজিব হায়দার হত্যা থেকে শুরু হলো তাদের নতুন প্লান। তারা সাধারন জনগণের কাছে শাহবাগ আন্দোলনকে কলুষিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের নিরীহ জীবন কাদায় টেনে আনল। তবুও আন্দোলন থেমে থাকল না। আরো কয়েকজন আন্দোলনকারী খুন হলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হল। তবুও আন্দোলন চলতে...

half a viagra didnt work

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (প্রথম পর্ব)

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ দলটা প্রচণ্ড বুদ্ধিমান একটা টিম। দেশের সবচেয়ে তুখোড় মেইনস্ট্রিম রাজনীতিবিদের থেকেও অনেক গুন বেশি রাজনীতি তারা বুঝে। ক্ষমতায় যাওয়া এদের মূল লক্ষ্য নয়, এটা তাদের প্লানের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। ওদের প্লান আরো অনেক বড় এবং তারা যাই করুক না কেন সব কাজই ওই বড় ছবিটা বাস্তবায়নের জন্য করে। ফাইন্যান্সিয়াল দিক থেকে জামায়াত সবচেয়ে সচ্ছল দল বলা যায়। এর বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ওরা বছরে প্রায় ২৭৮ মিলিয়ন প্রফিট করে যার ১০% খরচ হয় জামায়াত আর তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পেছনে। এর সাথে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান তো আছেই।“Apart from its business earnings, Jamaat has been receiving...

গণহত্যাকে অস্বীকারঃ গণহত্যারই একটা অংশ

পাকিস্তান ৭১ এ ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছিল, এটা মেনে নিলেও পাকিস্তান গণহত্যা করেছে, এটা মানতে আমাদের অনেকেরই আপত্তি। “তখন যুদ্ধ চলছিল দেশব্যাপী, যুদ্ধের সময় এমন হবেই” – তাদের যুক্তিটা অনেকটা এ ধরণের। আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র এই “যুক্তি”কে ঘিরে, তবে লেখাটা মৌলিক নয়।  ১৯৯৬ সালে প্রখ্যাত গবেষক Dr. Gregory H. Stanton একটা আর্টিকেল লিখেন “8 stages of genocide” নামে; যেখানে তিনি একটি গণহত্যা সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপর সংগঠিত গণহত্যাটিকে আমি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।   প্রথমেই দেখি, গণহত্যা বা Genocide বলতে আমরা কি বুঝি? Genocide  এর...

genocide_denial_law

সাত্বিক স্বাধীনতা

ষাটের দশকের শুরুর দিকে, সদ্যস্বাধীন ইজরায়েলে দ্রুত জনপ্রিয় হতে থাকে স্তালাগ ফিকশন নামের একধরণের যৌণউত্তেজক পত্রিকা। নাজি সেনারা কিভাবে মেয়েদের যৌণ অত্যাচার করতো, তার রগরগে বর্ণনা থাকতো সেখানে। এবং সেগুলো অল্পবয়েসী তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হতে থাকে, বিশেষ করে সদ্য বয়ঃসন্ধিতে প্রবেশ করা ইজরায়েলীরা এই বিকৃত চেতনাগুলোকে আপন করে নেয়া শুরু করে। ইজরায়েল সরকার এসব নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত হয়ে পরে এবং সেগুলোর প্রকাশনা নিষিদ্ধ করে দেয়। এইখম্যান ট্রায়ালের সময় স্তালাগ ফিকশন সম্পূর্ণরূপে বাজেয়াপ্ত করা হয়। জাতিগত হীনমন্যতা, নাজি অত্যাচারের ভয়াবহতা এবং কন্সেনট্রেশন ক্যাম্পের অস্বাভাবিক মুহুর্তগুলো ভিকটিমদের মধ্যে একধরণের সাররিয়েল অনুভূতির জন্ম দেয় বলে গবেষকেরা মনে করেন। অপরাধীর প্রতি একধরণের মমত্ববোধ জন্মায়,...

মইত্যা দালাল

।।১।। ১৯৬৬-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার লুৎফর রহমান খানের ছেলে মতিউর। নিজামী তার বংশের উপাধী ছিল না। লুৎফর ছেলের নাম রেখেছিলেন মতিউর রহমান। কিন্তু ছেলে যে জামাতে ইসলামে যোগ দিয়েছে। নামটা একটু ভারী করতে হবেনা? নাহলে তো নেতা নেতা ভাভ আসবেনা। তাই মতিউর তার নামের সাথে নিজামী যোগ করে নামটাকে করলে মতিউর রহমান নিজামী। হ্যাঁ, এইবার একটু ভারী ভারী মনে হচ্ছে। হলোও তাই, পরপর দুইবার মতি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলো। ২০১০ সালের ১৭ই মার্চ একটি জনসভায় ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে নিজামীর জীবনকে নবী...

দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট

পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে। গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা। ১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো। ১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস।ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ। ১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ-বিচার ‘লাইপজিগ ট্রায়াল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র...

synthroid drug interactions calcium

‘গণহত্যা অস্বীকার’ ও ‘নব্য-হানাদারি মানসিকতা’ রোধে আইন এবং এর তাৎপর্য

“Denial of the Holocaust is not an opinion, it is a political act which tries to bring Nazi thought into the mainstream.” -  Hans Rauscher, Columnist, Vienna Newspaper ‘Der Standard’ -দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নাৎসি প্রোপ্যাগান্ডার বিপরীতে আইন প্রণয়ন প্রেক্ষাপটে ভিয়েনার জনৈক কলাম লেখক। ১) ভূমিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালেও নাৎসি’দের অমানবিক নির্যাতন আর গণহত্যাকে অস্বীকার করার মত গোষ্ঠীর অভাব ছিল না। একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যখন দেশীয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা আর বিদেশী চরদের সমন্বয়ে পঁচাত্তরের পটপরিবর্তন হল, সেই থেকে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। তাই অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর পদক্ষেপ থেকে। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও সেই রুয়ান্ডা, নুরেমবার্গ...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

মানবতার স্বার্থেই যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা প্রয়োজন

যুদ্ধাপরাধী কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ৮ তারিখ থেকে তার ফাঁসি কার্যকরের দিন গণনা শুরু। কারা বিধি অনুযায়ী ১৪ তারিখ সন্ধ্যার মধ্যে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। ফাঁসির রায় দেয়ার পরপরই দেখলাম তার ফাঁসি কার্যকর হয়ে যাচ্ছে, এমন একটা ভাব চারদিকে। শেষ পর্যন্ত রায় লিখা, রায়ের কপি সাক্ষর, আইনজীবীদের সাথে সাক্ষাত করার সুযোগ দেয়া, ক্ষমা চাইবে কি চাইবে না এই নিয়ে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমার ধারনা, সরকার চাইছে কামারুজ্জামান তার অপরাধগুলো স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে নিক, কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে কামারুজ্জামান অযথা সময় ক্ষেপণ করছে। এই সময় ক্ষেপণের উদ্দেশ্য কিন্তু খুব খারাপ। একদিকে কামারুজ্জামান ক্ষমা চাওয়া নিয়ে...

পাকিস্তানী জারজ আব্দুল মোনায়েম খানের “শহীদ”!! মর্যাদা প্রাপ্তি এবং এক দুর্ভাগা জাতির গল্প…

কুখ্যাত জারজ গভর্নর মোনায়েম খান আজ আপনাদের বিস্ময়কর এক বীরের কথা শোনাবো। বাঙ্গালী জাতির সর্বকালের সবচেয়ে গৌরবের বীরত্বগাঁথা ৭১রের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মানুষটার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। দেশমাতা,স্বাধীনতা কিংবা যুদ্ধ – এই বড় বড় বিষয়গুলো বোঝার মতো পরিনত হয়তো হয়নি নবম শ্রেণীপড়ুয়া মোজাম্মেল হকের। কিন্তু সময়ের প্রয়োজন তাকে করে তোলে এক অদ্ভুত পরিনত যোদ্ধায়। এই অসম্ভব সাহসী যোদ্ধা পাক বাহিনীর দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করে এক অভাবিত বীরত্বগাঁথার জন্ম দেন। শুনতে রুপকথার মত শোনালেও এর প্রতিটা বর্ণ জ্বলজ্বলে সত্য। তার নিজের জবানিতেই তার এই অনন্যসাধারন বীরত্বের গল্প শুনি আমরা…   বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক( বীর প্রতীক) নবম শ্রেনীতে পড়তাম।...

levitra 20mg nebenwirkungen

সত্য কথা সহজভাবে!

২০০৯ এর নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ এবং যুদ্ধাপরাধ বিচারের অঙ্গিকার করার পর এই সরকারের সাথে দল সমর্থকের বাইরেও বিপুল সংখ্যক প্রগতিশীল, দেশপ্রেমী শিক্ষিত তরুণ-যুবক ইনভল্ভ হয়ে যায়। স্বাধীনতার শত্রুমুক্ত একটি সুন্দর, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখার আশায় এরা আন্তরিকতার সাথে সরকারের পাশে দাড়ায়। পরবর্তীতে উৎসাহিত হয়ে এদের সাথে সর্বক্ষেত্রে যোগ দেয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল লক্ষ সাধারণ মানুষ। শাহবাগ মুভমেন্ট ছিল তারই একটি আনুষ্ঠানিক বহিঃপ্রকাশ। এরপর আমরা দেখেছি, এই মানুষেরা দেশ বিরোধীদের মিথ্যে অপপ্রচার রোধ, নানামুখী ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন জনকল্যানমুখী কাজে অংশগ্রহণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনা থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দেখেছি, রানা প্লাজা ধ্বসের পর এরা উদ্ধার কাজে সরাসরি...

এ টি এম আজহারদের নির্লিপ্ততার উৎস ও ধর্মীয় কট্টরপন্থার দুষ্টচক্র

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের ফাসির রায় হয়েছে । ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বৃহত্তর রংপুরে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট চালিয়েছে এই ঘৃণ্য নরপশু। আজ ৪৩ বছর পর সেই অপরাধের প্রাপ্য শাস্তিটাই পেয়েছে সে । টিভির পর্দায় দেখলাম মুফতি আজহারও তার পূর্বসূরি নিজামী ,সাঈদী , মুজাহিদের মত বেশ স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই পুলিশ ভ্যান থেকে নেমে হেটে আসছে। বেশ সাবলীল , চোখে মুখে অপরাধ বোধের সামান্য ছায়াটুকুও নেই , নেই কোন গ্লানিও । শুধু অনাগত বিভীষিকাময় মৃত্যুর কথা চিন্তা করে সামান্য একটু বিমর্ষতা। আমি অবাক হয়ে ভাবি একজন মানুষের মানসিক ও আদর্শিক দৃঢতা ঠিক কি পরিমান শক্তিশালী থাকলে তার পক্ষে এরকম নির্লিপ্ত...

zovirax vs. valtrex vs. famvir

গল্প—গোল্ডফিশ

রাত ১.২০। সারাদিন জেগে থাকা ঢাকা শহরটাও এসময়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সবাই নিজ নিজ ঘরে ফিরে শুরু করে নিদ্রাদেবীর আরাধনা। তবুও এ সময়ে জেগে থাকে কিছু মানুষ। এ গল্পের প্রধান চরিত্র রশিদ মিয়া সেরকম একজন। রশিদ মিয়া ঢাকার গুলশান এলাকার একটি এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড। তাঁর পাহারা দেওয়ার সময় রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা। গুলশানের মতো এলাকায় রাত ১২টা-১২.৩০টা পর্যন্ত কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু এর পরে এই এলাকা একদম নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এই সময়ে একা বসে বসে পাহারা দেওয়া বড় কঠিন কাজ। এই সময়ে একাকীত্ব ঘিরে ধরে। রশিদ মিয়ার অবশ্য সেরকম কোন সমস্যা নেই। একা থাকতেই তাঁর বরং ভালো লাগে।...

গোলাম আজম… এক মহান ভাষা সৈনিকের নাম !!!!!!

“বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের নেতা, ডাকসুর সাবেক জিএস, ভাষা সৈনিক, মজলুম জননেতা অধ্যাপক গোলাম আজমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৯২ বছর বয়স্ক এই কারাবন্দীকে বুধবার বিকেল থেকে স্যালাইন দিয়ে রাথা হয়েছে।” _________ তৌহিদি ছাগকূলের খোয়ার বাঁশেরকেল্লা থেকে নেয়া। গোলাম আজম একজন ভাষা সৈনিক(!) তাদের মতে। দেখা যাক ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এক ভাষা সৈনিকের অবদান … ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে এসে ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন৷ সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) পক্ষ থেকে তাকে দেয়া একটি মানপত্রে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
tome cytotec y solo sangro cuando orino

মিথ্যাচার

এক সাগর আর্তনাদ, ধর্ষিতার বক্ষে মেশিনের আচড়! সব মুক্তি কাফেরের বেশে, রাজাকারের হাতেই ঈমানের কড়া! আমরা কুকুর অহেতুক চেঁচাই, ছেড়া মাংসের কাব্য শোনাই! সব হায়েনা এক কাতারে, মৃত্যুর মিছিল ওরা দেখেনা! সব শুয়ার একসাথে গান গায়, এইতো জেল থেকে মুক্তি, মাত্র অভিনয় শেষ! আর কয়েকটা বছর বেইবি!

৩০ লাখ বাঙালী হত্যার আইকনিক মিথ এবং বাস্তবতা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার সামরিক জান্তা নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২৮ মার্চ ১৯৭১-এর নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, অপারেশন সার্চলাইট-এর ঐ একরাতের হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারায় দশ হাজার নিরস্ত্র বাঙালী, যদিও ১ এপ্রিল নিউইয়র্ক টাইমস বলে ৩৫,০০০ হাজার বাঙালীর প্রাণহানি হয় অপারেশন সার্চলাইট’র একরাতে। সিডনির মর্নিং হেরাল্ড ২৯ মার্চ ১৯৭১-এ বলেছে অপারেশন সার্চলাইটে মোট নিহতের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ জন হতে পারে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু। তিনি গ্রেফতারের পূর্বে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর থেকে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে আটক ছিলেন। গোটা বাঙলা যখন স্বাধীনতার জন্য...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires
viagra en uk

সময়ের সাক্ষী :গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়ার কন্ঠে একাত্তর

একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলির কথা শুনে কাটল আজকের দিনটা – আমার জীবনে চিরস্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকবে সারাজীবন এই দিন। আজকে শাহবাগে আমরা কয়েকজন অনেক সুন্দর কিছু সময় কাটালাম একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়া ( আমরা আঙ্কেল , স্যার ইত্যাদি সম্বোধন করছিলাম – তিনি নিজেই বললেন কিসের স্যার , ভাইয়া বলবা ) , রাজু আঙ্কেল (রাজু আহমেদ) ,হেলাল আঙ্কেল , সাইফুল ইসলাম রঞ্জু আঙ্কেল এর সাথে। একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদেরকে শোনালেন যুদ্ধদিনের সেই পরশপাথর ছোঁয়ানো দিনগুলোর কাহিনী। পাশাপাশি আমাদের চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা হল তাঁদের সাথে। বিচ্ছু জালাল ভাইয়া এসেছিলেন লাল -সবুজ জামা গায়ে , বাংলাদেশের লাল...

আগমনী সভ্যতায়..

মেয়েটি জানালার ধারে বসে থাকে একা একা। বিস্তীর্ণ নীল আকাশটা একটু একটু করে কিভাবে ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায়! অবাক বিস্ময়ে তাই চেয়ে দেখে একাকী মেয়েটি। মেঘের পর মেঘ জুড়ে একসময় ঝুম বৃষ্টিতে চারধার একাকার হয়ে যায়। জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে একাকী মেয়েটি।  কিন্তু বৃষ্টি কেন যেন প্রতিবার ওর বাড়িয়ে দেয়া হাতটাকে ফাঁকি দিয়েই পালিয়ে যায়। অদ্ভূত এক ঘোরের মধ্যে প্রতিদিনের পথচলা। কোনো রোমান্টিসিজম কিংবা সাময়িক ফ্যান্টাসি নয়, বৃষ্টিকে মেয়েটি ভালোবাসে। নীল শাড়ি পরে চুল ছেড়ে দিয়ে বৃষ্টিতে নেচে বেড়াতে তার খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু ইট কাঠ পাথরের শহরে সেই স্বপ্ন যে পূর্ণ হবার নয়। তাই...

World Cup Vs War Cup

পুরো বিশ্ব এখন ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে হইচই। ফুটবল বিশ্বকাপ জ্বরে কাপছে পুরো বিশ্ব। কিন্তু এই পৃথিবীরই এক প্রান্তে মানুষ কাপছে আতঙ্কে। নিজের প্রিয় ফুটবল দলের জয়ে যখন  আমরা মুহুরমুহ পটকা ফুটাচ্ছি তখন পৃথিবীর একটি দেশে বৃষ্টির মত ঝরছে রকেটবোমা, মিসাইল। আমরা পটকা ফুটানোর আনন্দে আত্মহারা আর সেখানের বাসিন্দার বোমার শব্দে দিশেহারা। বলছিলাম ফিলিস্তিনের কথা। প্রতিদিন শত শত মানুষের রক্তের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে গাযার পথঘাট। সর্বশেষ হামলায় খান ইউনিস শহরের একটি কাফেতে বিশ্বকাপ দেখার সময় ন’জন প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে সংকটাপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলো, ফিলিস্তিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গাজা উপত্যকা, যেখানে প্রতিনিয়ত মানুষের অধিকার পদদলিত হচ্ছে এবং নিরীহ-নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।... capital coast resort and spa hotel cipro

zoloft birth defects 2013

মুক্তিযুদ্ধের ই-আর্কাইভ

_________________________________________________________________________ প্রিয় সুধী, মুক্তিযুদ্ধের উপর অনলাইন আর্কাইভে আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার ও গবেষণা কেন্দ্র Bangladesh Liberation War Library and Research Centre ফেসবুক পেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৭ সালে; বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও গবেষণা এবং প্রচার নিয়ে কাজ করছে এই সংগঠন। আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ব্যাপক বিকৃতি হয়েছে এবং বর্তমান সময়েও একটি দেশদ্রোহী মহল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির এই অপচেষ্টাকে ব্যর্থ করার জন্য, মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে ও সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস চর্চার খাতিরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক “অনলাইন-পাঠাগার/ সংগ্রহশালা” উদ্যোগটি গৃহীত হয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা মুক্তিযুদ্ধের...

para que sirve el amoxil pediatrico

“ধর্ম !!! শুধুই কি স্বার্থ রক্ষার ঢাল !!??”

যেকোনো ক্ষেত্রে ধর্মকে ব্যবহার করা এক কথায় বলতে গেলে “ধর্ম ব্যবসা” এখন আর আমাদের দেশে কিংবা সমাজে নতুন কিছু নয়। রাজনীতি, সমাজনীতি, নিজ নিজ জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা থেকে খেলার মাঠে পর্যন্ত ধর্মকে ব্যবহার করা হয় নিলজ্জভাবে।একদিন কিংবা দুদিনেই আমাদের সমাজে ধর্মকে এভাবে ব্যবহার করার প্রবণতা শুরু হয়নি। অনেকটা বিষাক্ত ভাইরাসের মত করেই আমাদের সমাকে অত্যন্ত কৌশলের সাথে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে এই ধর্মের অপব্যবহারকে। আমাদের দেশের জন্মের ইতিহাস থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত একটু একটু করে ধর্মের অপব্যহারকে মানুষের রক্তে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। যার কারণে খেলার মাঠের ইস্যু হোক কিংবা হোক কোন জাতীয় ইস্যু সব ক্ষেত্রেই ধর্মকে ব্যাবহার করা হয় প্রধান...