Category: মুক্তিযুদ্ধ এবং একাত্তর

যুদ্ধশিশু

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে বিপুল সংখ্যক গর্ভবতী নারীর গর্ভপাতের জন্য WHO এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় অস্ট্রেলিয়ান ডক্টর জিওফ্রে ডেভিস। বীনা ডি কস্টা বলে এক ভদ্রমহিলা ২০০২সালে ডক্টর জিওফ্রে ডেভিসের সিডনিতে একটা সাক্ষাৎকার নেন যুদ্ধ পরবর্তী এদেশের নারীদের অবস্থা জানার জন্য। সে সাক্ষাৎকারে জিওফ্রে ডেভিস জানান দিনে ১০০ জনের মত সবমিলিয়ে লাখের উপর মেয়েদের গর্ভপাত করেছেন তিনি তার ছয় মাসের বাংলাদেশ অবস্থান কালে। মূলত তিনি ৩০ সপ্তাহের কম বয়সী গর্ভবতীদের গর্ভপাত করতেন। এই এক লাখের পরেও আর অনেক মেয়েই ছিল যাদের সময় অনেক বেশি হয়ে যাওয়ায় গর্ভপাত করা সম্ভব হয় নি। ঠিক কত জনের বাচ্চা হয়েছিল তা বলতে পারেন নি...

ovulate twice on clomid

বুদ্ধিজীবী, নাকি মুক্তিযোদ্ধা : কারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান?

আসছে ডিসেম্বর মাস। বাঙালির মাস, ভূমির মাস বেঁচে থাকার উৎসব। বঙ্গোপসাগরে যত ফোঁটা পানি আছে তারচেয়ে বেশি শোক, বিরহ, কষ্ট, যন্ত্রণার পর ডিসেম্বর ১৬। বঙ্গোপসাগরে যতগুলো ঢেউ আছে তার চেয়ে বেশি ক্ষোভে, বিদ্রোহের, বীরত্বের পর ডিসেম্বর ১৬। স্বাধীন ভূখণ্ড। নিজেদের আকাশ। নীল নীল, সাদা সাদা, কালো সাদা মেঘেদের সাথে সমুদ্র হাওড় নদী বিলের যুগলবন্দীর বাংলাদেশ। পৃথিবীর যুদ্ধের ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম যুদ্ধ “বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ”। সম্মুখ যুদ্ধ, নিরীহ নিরস্ত্র মেরে জন সংখ্যা কমানো, জ্ঞানী হত্যার করে পথভ্রষ্ট করা, একই যুদ্ধের কয়েক রকম চেহরা। আগামী মাসকে সামনে রেখে যেমন উৎসব হবে তেমনি কোথাও কোথাও কান্নার, দীর্ঘ শ্বাসের খরস্রোতা জলধারাও বইবে। এর সাথে বের হয়ে...

তাজউদ্দীন আহমদঃ যিনি লড়েছিলেন স্রোতের বিপরীতে

  ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই দিবাগত রাতে দরদরিয়া গ্রামে কান্নার তীব্র চিৎকারে যে শিশু তার আগমন বার্তার খবর শুনিয়েছিল, তাকেই আমরা আরো ৪৫ বছর পর নতুন এক স্বাধীন দেশের ঊষালগ্নে ক্রন্দনরত অবস্থায় দেখতে পাব। সারাজীবন স্রোতের বিরুদ্ধে সাতার কাটা এই মহান লোকের নাম-ধর্ম-জাত সবকিছুই বিকৃত করে দিয়েছিল তখনকার শাসক-শোষকরা। তারা রটিয়ে দিয়েছিল যে, তিনি কোন মুসলমান নয়, তিনি একজন ভারতীয় হিন্দু, আসল নাম তেজারাম। পাকিস্তানকে ভাঙ্গার জন্যেই তিনি পাকিস্তানে প্রবেশ করেছেন। এমনকি ১৯৭১ এ একজন পাকিস্তানি অফিসার তাঁর শশুরকে জিজ্ঞেস করেছিল, “ সৈয়দ সাহেব, আপনি ছিলেন আরবি প্রফেসর এবং ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধেও আপনার অগাধ জ্ঞান রয়েছে। অথচ আপনার মেয়ের কি...

গণহত্যা ১৯৭১: ভয়াবহতার চিত্র

যে কোন গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী ও উপস্থিত সাক্ষীদের সংখ্যা যতবেশী কমতে থাকে সে গণহত্যার অস্বীকারকারীদের সংখ্যাও ততবেশী বাড়তে থাকে। এমন না যে, তারা সরাসরি সম্পূর্ণ ঘটনাকে অস্বীকার করে ফেলে, বরং ঘটনাটাকে স্বীকার করেই ঘটনার ভয়াবহতার ও নৃশংসতার তীব্রতা ও মাত্রা কমানো শুরু করে। একাত্তরেপাকিস্তানিরা যে ধরণের নির্যাতন করেছিল তার ভয়াবহতা কিংবা ব্যাপকতা আমাদেরএই প্রজন্মের কাছে অনেকটা অকল্পনীয়, কখনো কখনো অবিশ্বাস্য মনে হয়। এই সুযোগটা আজে লাগিয়ে কিছুটা সত্য ও কিছুটা মিথ্যের আশ্রয়ে বিভিন্ন যুক্তির জাল বিস্তার করে এই অস্বীকারকারীরা সহজেই নতুন প্রজন্মের মগজ ধোলাই করে  এবং এর ফলশ্রুতিতে যা হয় সেটার প্রভাব  আমাদের দেশের চতুর্দিকে বিদ্যমান। ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা...

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (দ্বিতীয় পর্ব)

শাহবাগ আন্দোলনের আগে জামায়াত মনে করেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়া নতুন প্রজন্মের অসংখ্য হুজুগের একটিমাত্র, ইন্টারন্যাশনাল লবিং করে, জোচ্চুরি করে, দুর্নীতি করে তারা তাদের নেতাদের বাঁচিয়ে আনতে পারবে। তারা কখনোই বুঝতে পারে নি যে কাদের মোল্লার রায়ের পর কয়েকজনের ডাকা শাহবাগের আন্দোলনটা এত বিশাল রূপ নিয়ে নেবে। আন্দোলনের প্রথম কয়েকদিন তারা জাস্ট দেখল, তারপর রাজিব হায়দার হত্যা থেকে শুরু হলো তাদের নতুন প্লান। তারা সাধারন জনগণের কাছে শাহবাগ আন্দোলনকে কলুষিত করার জন্য আন্দোলনকারীদের নিরীহ জীবন কাদায় টেনে আনল। তবুও আন্দোলন থেমে থাকল না। আরো কয়েকজন আন্দোলনকারী খুন হলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় হল। তবুও আন্দোলন চলতে...

চিঠি

‘তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়’ – কোন নেতার এমন উদাত্ত আহ্বানের সাথে তাঁর দেশের জনগণের এই যে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন সেটা একাত্তরের বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন জায়গায় এত প্রবলভাবে দেখা দিয়েছিল কি না সন্দেহ হয়। আক্ষরিক অর্থেই একাত্তরের মুক্তির সংগ্রাম হয়ে উঠে এক ‘জনযুদ্ধ’ – যেখানে অংশ নিয়েছিলেন সমাজের প্রতিটি শ্রেণীর জনগন। যেমন ছিলেন সামরিক প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত যোদ্ধা, তেমনি ছিলেন ‘সমর’ বিষয়ক পূর্ণ অজ্ঞ জনসাধারণ। আমাদের সামরিক মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিলেন যুদ্ধ বিষয়ক তাদের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে, আর সাধারণ মানুষগুলো পাকি জানোয়ারদের মুখোমুখি হয়েছিল তাদের বুকের আবগকে সর্বশ্রেষ্ঠ অস্ত্র বানিয়ে। সেই আবেগের সাথে যখন মিলিত হয়েছিল রিভলবার,...

দ্যা জামায়াতে ইসলামী এজেন্ডা (প্রথম পর্ব)

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ দলটা প্রচণ্ড বুদ্ধিমান একটা টিম। দেশের সবচেয়ে তুখোড় মেইনস্ট্রিম রাজনীতিবিদের থেকেও অনেক গুন বেশি রাজনীতি তারা বুঝে। ক্ষমতায় যাওয়া এদের মূল লক্ষ্য নয়, এটা তাদের প্লানের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। ওদের প্লান আরো অনেক বড় এবং তারা যাই করুক না কেন সব কাজই ওই বড় ছবিটা বাস্তবায়নের জন্য করে। ফাইন্যান্সিয়াল দিক থেকে জামায়াত সবচেয়ে সচ্ছল দল বলা যায়। এর বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ওরা বছরে প্রায় ২৭৮ মিলিয়ন প্রফিট করে যার ১০% খরচ হয় জামায়াত আর তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পেছনে। এর সাথে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান তো আছেই।“Apart from its business earnings, Jamaat has been receiving...

glyburide metformin 2.5 500mg tabs

মুজিব বাহিনী : স্বাধীনতার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর বিকল্প পরিকল্পনা

[এই লিখাটি মুজিব বাহিনীর পূর্নাঙ্গ ইতিহাস নয়, বিভিন্ন প্রাপ্য তথ্যের ভিত্তিতে জানার চেষ্টা মাত্র।] সাবেক ভারতীয় সেনাপ্রধান স্যাম মানেকশ এর এক সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায় তাজউদ্দিন আহমেদ এর সাথে আলোচনার পর শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী তাকে ডেকে বাংলাদেশকে সামরিক সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে তাদের প্রস্তুতি কেমন তা জানতে চান। পাশাপাশি বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেও নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশের প্রেক্ষিতে ১৫ই মে ১৯৭১ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী আনুষ্টানিকভাবে আমাদের মুক্তিবাহিনীকে সহায়তা প্রদান শুরু করলেও তার আগে থেকেই তারা বিভিন্ন রকমের সহায়তা দেয়া শুরু করে। ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে তাজউদ্দিন আহমেদের গোপনে ভারত যাত্রা এবং সেখানে পৌঁছে কিভাবে কি হয়েছিল সে ব্যাপারে বিস্তারিত অন্যদিন।...

walgreens pharmacy technician application online
accutane prices

গণহত্যাকে অস্বীকারঃ গণহত্যারই একটা অংশ

পাকিস্তান ৭১ এ ত্রিশ লক্ষ লোক হত্যা করেছিল, এটা মেনে নিলেও পাকিস্তান গণহত্যা করেছে, এটা মানতে আমাদের অনেকেরই আপত্তি। “তখন যুদ্ধ চলছিল দেশব্যাপী, যুদ্ধের সময় এমন হবেই” – তাদের যুক্তিটা অনেকটা এ ধরণের। আমার এই লেখাটা শুধুমাত্র এই “যুক্তি”কে ঘিরে, তবে লেখাটা মৌলিক নয়।  ১৯৯৬ সালে প্রখ্যাত গবেষক Dr. Gregory H. Stanton একটা আর্টিকেল লিখেন “8 stages of genocide” নামে; যেখানে তিনি একটি গণহত্যা সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাঁর কাজের ওপর ভিত্তি করে আমাদের উপর সংগঠিত গণহত্যাটিকে আমি তুলনামূলকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি।   প্রথমেই দেখি, গণহত্যা বা Genocide বলতে আমরা কি বুঝি? Genocide  এর...

wirkung viagra oder cialis

স্মৃতিচারণ এবং পাকবধের উচ্ছ্বাস

১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল….. ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের যে অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সেই বাংলাদেশ সরকার -এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলার অন্তর্গত ভবেরপাড়া আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর)  শপথগ্রহণের মাধ্যমে। শেখ মুজিবুর রহমান এর অনুপস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে এই সরকার গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী করা হয় তাজউদ্দীন আহমদকে। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে এইদিন বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে  ঘোষণা করা হয় এবং আমরা বিশ্বের সামনে আরো বেশি গ্রহণযোগ্যতা লাভ করি। ঘোষণাপত্রের একটি অংশ: “সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়েছেন সে ম্যান্ডেট...

all possible side effects of prednisone
can you tan after accutane
genocide_denial_law

সাত্বিক স্বাধীনতা

ষাটের দশকের শুরুর দিকে, সদ্যস্বাধীন ইজরায়েলে দ্রুত জনপ্রিয় হতে থাকে স্তালাগ ফিকশন নামের একধরণের যৌণউত্তেজক পত্রিকা। নাজি সেনারা কিভাবে মেয়েদের যৌণ অত্যাচার করতো, তার রগরগে বর্ণনা থাকতো সেখানে। এবং সেগুলো অল্পবয়েসী তরুণদের মাঝে জনপ্রিয় হতে থাকে, বিশেষ করে সদ্য বয়ঃসন্ধিতে প্রবেশ করা ইজরায়েলীরা এই বিকৃত চেতনাগুলোকে আপন করে নেয়া শুরু করে। ইজরায়েল সরকার এসব নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত হয়ে পরে এবং সেগুলোর প্রকাশনা নিষিদ্ধ করে দেয়। এইখম্যান ট্রায়ালের সময় স্তালাগ ফিকশন সম্পূর্ণরূপে বাজেয়াপ্ত করা হয়। জাতিগত হীনমন্যতা, নাজি অত্যাচারের ভয়াবহতা এবং কন্সেনট্রেশন ক্যাম্পের অস্বাভাবিক মুহুর্তগুলো ভিকটিমদের মধ্যে একধরণের সাররিয়েল অনুভূতির জন্ম দেয় বলে গবেষকেরা মনে করেন। অপরাধীর প্রতি একধরণের মমত্ববোধ জন্মায়,...

kamagra pastillas

শরণার্থী-১৯৭১, দুর্দশার গল্প

অনেক দীর্ঘশ্বাস, অনেক অভুক্ত শিশুর কান্না,  অসহায় মায়েদের নীরব চাহনি, একটু আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি, একটু পরে পরে লাশের খাতায় নতুন সংখ্যা এসবই ছিল শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর দৃশ্য।   আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সাথে শরণার্থী শব্দটা অনেক ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। নিজেদের স্থায়ী আবাস ছেড়ে কত কষ্ট করেছে মানুষগুলো ভাবলেও এখন কান্না এসে যায়।   একটু খাবার, একটু আশ্রয়, একটু নিরাপত্তার জন্য মানুষগুলোকে ১৩০ মাইল কিংবা তার বেশিও হাটতে হয়েছে। কেউ পৌছাতে পেরেছিলো ক্যাম্পগুলোতে আবার কেউ পথিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছিলো হানাদারদের থাবায়। চুকনগরের ঘটনাটা তো এমনই ছিল। কত জায়গা থেকে লোক জড়ো হয়েছিলো ভারতে পাড়ি দেবে বলে। কিন্তু কয়েক ঘন্টায় পাকিস্তানিদের হিংস্রতায় কমে গিয়েছিলো শরণার্থীদের...

মইত্যা দালাল

।।১।। ১৯৬৬-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার লুৎফর রহমান খানের ছেলে মতিউর। নিজামী তার বংশের উপাধী ছিল না। লুৎফর ছেলের নাম রেখেছিলেন মতিউর রহমান। কিন্তু ছেলে যে জামাতে ইসলামে যোগ দিয়েছে। নামটা একটু ভারী করতে হবেনা? নাহলে তো নেতা নেতা ভাভ আসবেনা। তাই মতিউর তার নামের সাথে নিজামী যোগ করে নামটাকে করলে মতিউর রহমান নিজামী। হ্যাঁ, এইবার একটু ভারী ভারী মনে হচ্ছে। হলোও তাই, পরপর দুইবার মতি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলো। ২০১০ সালের ১৭ই মার্চ একটি জনসভায় ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে নিজামীর জীবনকে নবী...

doctorate of pharmacy online

বাংলা মায়ের স্বাধীনতা

বর্ষপরিক্রমায় দিন আসে দিন দিন যায়।মহাকালের অনন্ত পরিক্রমায় প্রবাহমান এমনি অসংখ্য দিনক্ষনের হিসাব কে রাখে?তবু বর্ষপঞ্জির শেকেলে বেধে রাখার চেষ্টা করি।২১ শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস,২৫ শে মার্চ সেই ১৯৭১ সালের কালজয়ী বাঙ্গালীর রক্তঝরা বিভীষিকা রাত এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমাদের বর্ষপঞ্জির এমনি একটি দিন যা রক্তের আখরে লেখা।এই মহান দিনগুলা আজ শুধু বর্ষপঞ্জিকাতেই দিনকে দিন আটকে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী জাতির চেতনায়। কিন্তু চেতনাতো বসে থাকার পাত্র নয়।খোচা দেওয়াই যার স্বভাব,সংগ্রামই যার লক্ষবস্তু,প্রতিবাদই যার কন্ঠস্বর সেই চেতনা কি আর বসে থাকবে?না তা হতে পারে না।চেতনার মিতালী যাদের সাথে তারা এখনো দূর্বল।কিন্তু চেতনা তো চেতনাই।দূর্বলকে সবল করাইতো চেতনার কাজ।সব কিছুরই...

zithromax azithromycin 250 mg

শহীদ বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবস

১৯৪১ সালে পাকিস্তানে সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদীর হিন্দু বিদ্বেষ আর ব্রিটিশপ্রীতি ধারণ করে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম দিয়েছিলো। বাংলাদেশের জামায়াতীরাও হিন্দু বিদ্বেষে টইটুম্বুর। তদুপরি যেসব প্রগতিশীল চিন্তা- চেতনা এবং উদার সমন্বয়বাদী, মানবতাবাদী, অসাম্প্রদায়িক-ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনের ভিত্তিতে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।তারই প্রেক্ষিতে ১৯৪৭ সালে যে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তা নির্ধারণ করে ভারত ভাগ হয়েছিল, পাকিস্থান নামের এক নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সেই দ্বিজাতি তত্ত্ব যে এদেশের মানুষের কোন মঙ্গল বয়ে আনতে পারেনি তা অচিরেই প্রমাণিত হয়ে গিয়েছিল। এই তথাকথিত দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে সৃষ্ট পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্থানের মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছিল নানা রকম অসঙ্গতি আর অসন্তোষের।কখনও সামরিক শাসনের নামে,কখনও বা গনতন্ত্রের নামে ঘৃন্য অপকৌশল প্রয়োগ করে...

metformin gliclazide sitagliptin

বাঙালীর জন্মশত্রু মৌলবাদীদের নিরন্তর ষড়যন্ত্রের বিপরীতে আমাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আমার এক পরিচিত জন । যিনি প্রত্যক্ষ ভাবে একাত্তরের ঘাতক সংগঠন জামাতের রাজনীতির সাথে জড়িত। গত কয়েকদিন পূর্বে তিনি খুব জোরে জোরে ই বলছিলেন , নিজামী – মুজাহিদ- সাইদীকে ফাঁসি দিয়ে দিলে তো আমাদের আর কেউ রাজাকার বলতে পারবেনা । যদি ও তিনি সাইদি কে রাজাকার বলতে নারাজ। এভাবেই প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারন মানুষের মধ্যে ধুয়ো তুলে খুনি, ধর্ষক জামাতিদের সাধু সাজানোর নিরন্তর পায়তারা চলছে দির্ঘ দিন ধরে। গ্রামের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের ঘাড়ে ইতিমধ্যে এরা জেঁকে বসেছে। তারা জামাতের ভন্ডামী ঢাকতে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় করা মানবতা বিরোধী কর্মকান্ডের দায়ে রাজাকারদের বিচারকে পুরোনো মিমাংসিত বিষয় বলে চালয়ে দিচ্ছে । সাধারন মানুষ...

এক দৌলা মিয়া

দৌলার জন্ম কুমিল্লা জেলার শালদানদী গ্রামে। দীর্ঘাকৃতি,স্বাস্থ্যবান এবং শক্তসামর্থ দেহের অধিকারী কর্তব্যে সদা নিবেদিতপ্রাণ আমাদের এই দৌলা। চোখে তার লালমাইয়ের বুনোতা। একাত্তরে আমাদের যেকয়টি রণক্ষেত্র পুরো নয় মাসজুড়ে উত্তপ্ত ছিলো তার মধ্যে ছিলো ফেণী-বিলোনিয়া, কামালপুর এবং আমাদের দোলার এই গ্রাম শালদানদী। দেশ কি? পৌরনীতি,সমাজনীতির কঠিন সেই সংজ্ঞা দৌলা বোঝেনা, দেশ বলতে চেনে সে শুধু নিজ গ্রামকেই, গ্রামের ছোট্ট নোংরা পুকুরকে, বাতাসে সবুজ ধানক্ষেতের সোনালী শীষগুলোর থির থির কাঁপনকে। কিন্তু দৌলা চেনে খাকী পোশাকের সেই পাইয়্যাদের, বোঝে তারা শত্রু,তারা হানাদার, তাড়াতে হবে তাদের এই বাংলার মাটি থেকে ; প্রয়োজনে উৎসর্গ করতে হবে প্রাণ। যুদ্ধ শুরু হবার পরপরই তাই নিজ স্ত্রী আর...

zoloft birth defects 2013
irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একাত্তরে রংপুরের স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত কোডসমূহ

রংপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত কোডসমূহ:   1.পাকবাহিনী → R.F. 2.পাঞ্জাব রেজিমেন্ট → P.R. 3. বেলুচ রেজিমেন্ট → B.R. 4. রাজাকার → R.F. 5. লাইট মেশিনগান → L.M.G. 6. ভারী মেশিনগান → H.M.G. 7. মর্টার → M.G. 8. জয়পুরহাট → তৃতীয় বাড়ী 9. পাঁচবিবি → দ্বিতীয় বাড়ী 10. হিলি → ১ম বাড়ী 11. ক্যাম্প → বাড়ী 12. ট্রেঞ্চ → কুঠুরি 13. কর্ণেল → বড়কর্তা 14. বিগ্রেডিয়ার → বড় ভাই 15. মেজর → মেজ ভাই 16. ক্যাপ্টেন → ছোট ভাই 17. বিহারী → N.B. 18. গোলাগুলি→ রাগারাগি 19. D.I.B → টিকটিকি 20. পশ্চিম পাকিস্তানি → লাল কুকুর 21. Indian-Pak Border → বেড়া   [তথ্যকৃতজ্ঞতা: একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র -নবম খন্ড]  

buy kamagra oral jelly paypal uk

একাত্তরে যশোরের প্রত্যক্ষদর্শীরা (১ম পর্ব)

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের  দলিলপত্রের অষ্টমখন্ডে গণহত্যা, ধর্ষণ ও প্রাসঙ্গিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে। সেখান থেকেই যশোরের প্রত্যক্ষদর্শীদের করা কিছু বর্ণনা তুলে দেওয়া হলো: এ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, কোতয়ালী থানা, যশোর। সাক্ষাৎকারের তারিখ:১৭-০৩-৭৩ । এপ্রিলের সাতাশ তারিখে তিনি নিজের বাসার খোজ নিতে যান। মায়ের অনুরোধে বাসায় রাত কাটান। সেই রাতেই তাকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় পাকসেনারা। তার আগে বাসায় তাকে এবং তার বৃদ্ধ বাবাকে চোখ বেঁধে বাসার মধ্যেই বেধড়ক মারা হয়। সেখান থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্যাতনের শিকার হন। সুবেদার মেজর শাহজি আমাকে সবগুলি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে। আমি মারের দরুণ থাকতে না পেরে কিছু কিছু প্র্রশ্নের উত্তর স্বীকার করি আর যেগুলো...

স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা প্রসঙ্গে

শোকাবহ পনেরই আগস্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। যার একটি অংশ ছিল এরকমঃ “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে ষাট বছরেরও আগে, জাপানে পড়াশোনা করতে এসেছে একাত্তর সালে স্বাধীন হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট একটি দেশের এক যুবক। অবাক হয়ে সে লক্ষ্য করে, এই এতবছর পরেও সেখানে বিপুল দাপটের সাথে পরম তাচ্ছিল্যে ঘোরাফেরা করছে মার্কিন সেনাদল। প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তর ঘটেছে, তাও এর পরিবর্তন ঘটেনি। কবে ঘটবে, কেউ জানেনা। জাপানের তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে একেবারেই গরীব ওই যুবক যে দেশের মানুষ সেই দেশটি। তবুও, সেই দেশে বিজয়ের পরের দিন থেকে আজ পর্যন্ত সগর্বে কোনও বিদেশী সৈন্য ঘোরাঘুরি করেনা। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সাথে যুদ্ধপরবর্তী...

viagra vs viagra plus
levitra 20mg nebenwirkungen