Category: একাত্তরের দলিল

missed several doses of synthroid

গণহত্যা ’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস(পর্ব- ০২)

পূর্বের পর্বটিতে আমি তুলে ধরেছিলাম বরইতলা,বাবলা বন এবং বেলতলী বধ্যভূমির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি বধ্যভূমি কিংবা সেই জায়গাগুলোতে সংঘটিত গণহত্যার কথা তুলে ধরা হলেও, বাদ পরে গেছে অধিকাংশ বধ্যভূমিতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস। এমনও হয়তো অনেক বধ্যভূমি রয়েছে যেগুলোর কোন চিহ্নই এখন আর পাওয়া যায় না। শুধু লোকমুখে শোনা যায় সেসব জায়গার ইতিহাস। অনুসন্ধান করতে গেলে তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নই পাওয়া যায় না সেসব জায়গা থেকে। কিন্তু এমনটা কি হবার কথা ছিল ? আমাদের শহীদ পিতা মাতাদের বীরত্বগাঁথার ইতিহাসগুলো কি হারিয়ে যাবার ছিল এমনি ভাবে ? অতন্ত্য দুঃখের হলেও সত্যি যে এমনটাই হয়েছে। আজ কালের বিবর্তনে...

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ । যা ছড়িয়ে দিয়েছিল সারা বিশ্বে সংগীত দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার ইচ্ছেটা । আমরা স্বাধীনতার জন্য লড়ছি আর সেই সব ভিনদেশী মানুষ গুলো আমাদের জন্য চেষ্টা করছে তাও আবার যে দেশটি চায় না স্বাধীন হোক এই দেশটা, সেই মাটিতেই ! গানতো গানই ! গানে আবার শোক-দুঃখের আবহ কেন ? এমন প্রশ্ন যাদের মনে ছিল, ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট তারা বর্ণে-শব্দে উত্তর পেয়ে যান সে প্রশ্নের ! সে প্রশ্নের উত্তর ছিল একটি কনসার্টের মাধ্যমে, ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে ! আর ঐ প্রশ্নের উত্তর দেন বিশ্বের দু’জন সঙ্গীতগুরু সদ্য প্রয়াত সেতার বাদক ওস্তাদ রবি শংকর, মানবতাবাদী গায়ক জর্জ হ্যারিসন...

metformin tablet

একাত্তরের চট্টগ্রাম শহরের বধ্যভুমি ও নির্যাতনকেন্দ্র সমুহ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী অন্যান্য শহর গুলির মত দখল করে নেয় চট্টগ্রাম শহরও। তারা তাদের সৈন্যবাহিনী ও বাঙ্গালী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলে বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্র। এখানে তেমনি খুজে পাওয়া বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্রগুলির তালিকা দেওয়া হল : ১। মহামায়া ডালিম ভবন(ডালিম হোটেল) ২। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ ৩। চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম ৪। চট্টগ্রাম সেনানিবাস ৫। গুডস হিল ৬। রেডিও ট্রান্সমিশন কালুরঘাট ৭। টাইগারপাস নৌহাঁটি ৮। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ৯। নৌবিহার সদর দপ্তর পতেঙ্গা ১০। সার্সন রোডের পাহাড়ের বাংলো

গণহত্যা’৭১:কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া কিছু ইতিহাস (পর্ব-০১)

গণহত্যা বলতে দুইয়ের অধিক বা অনেক মানুষ মেরে ফেলা বোঝায়। পারিভাষিক অর্থে কোন দেশ, জাতি, গোষ্ঠী বা ভিন্ন মতাদর্শধারীদের খুন এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করাই হল গণহত্যা। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত রেজ্যুলেশন ২৬০ (৩) এর অধীনে গণহত্যা বলতে বোঝানো হয়েছে এমন কর্মকান্ড যার মাধ্যমে একটি জাতি বা ধর্মীয় সম্প্রদায় বা নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে। ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহিত রেজ্যুলেশন ২৬০(৩) অনুসারে যেসব কর্মকাণ্ড গণহত্যার উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় সেগুলো হল – ক)পরিকল্পিতভাবে একটি জাতি বা গোষ্ঠীকে নির্মূল করার জন্য তাদের সদস্যদেরকে হত্যা বা...

সময়ের সাক্ষী :গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়ার কন্ঠে একাত্তর

একাত্তরের আগুনঝরা দিনগুলির কথা শুনে কাটল আজকের দিনটা – আমার জীবনে চিরস্মরণীয় একটা দিন হয়ে থাকবে সারাজীবন এই দিন। আজকে শাহবাগে আমরা কয়েকজন অনেক সুন্দর কিছু সময় কাটালাম একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল ভাইয়া ( আমরা আঙ্কেল , স্যার ইত্যাদি সম্বোধন করছিলাম – তিনি নিজেই বললেন কিসের স্যার , ভাইয়া বলবা ) , রাজু আঙ্কেল (রাজু আহমেদ) ,হেলাল আঙ্কেল , সাইফুল ইসলাম রঞ্জু আঙ্কেল এর সাথে। একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদেরকে শোনালেন যুদ্ধদিনের সেই পরশপাথর ছোঁয়ানো দিনগুলোর কাহিনী। পাশাপাশি আমাদের চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও কথা হল তাঁদের সাথে। বিচ্ছু জালাল ভাইয়া এসেছিলেন লাল -সবুজ জামা গায়ে , বাংলাদেশের লাল...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

মা_ তোমাদের সালাম

‘বীরাঙ্গনা শুনে মনে হয় আমাকে করুণা করা হচ্ছে’ ‘আমি সম্মানের সাথেই বলছি, প্লিজ নারী বলবেন না। আমার কাছে রুমী যেমন মুক্তিযোদ্ধা তারা বানুও একই রকম একজন মুক্তিযোদ্ধা। আলাদা করে নারী মুক্তিযোদ্ধা বললে আমার মনে হয় আলাদাভাবে দূর্বল প্রকাশ করার জন্য বলা হয়।’- ইসরাত নিশাত মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনাদের এধরনের বক্তব্যের সামনে আমি ভীত, বিভ্রান্ত, লজ্জিত। জাতির এই শ্রেষ্ঠ কন্যাদের সামান্য সম্মান জানানোর মত কোন সম্বোধনও কি আমাদের শব্দ ভান্ডারে নেই? WUCFFC এর পরিসংখ্যান অনুসারে ১৯৭১ সালে নির্যাতিত নারীর সংখ্যা ৪ লাখ ৮৬ হাজার। দেশের অভ্যন্তরে- ২ লাখের বেশি                 শরনার্থী ক্যাম্পে- ১ লাখেরও বেশি ধর্ষনের শিকার- ৭০%           ক্যাম্পপে রেখে নির্যাতন- ১৮%         অন্যান্য-...

কামালপুরের যুদ্ধ — অজানায় থাকা এক বীরত্বগাঁথা (প্রথম পর্ব)

গত শতাব্দীকে বোধহয় আমরা সবচে নৃশংসতম শতাব্দীও বলতে পারি। সভ্য হওয়ার সবচে সাহসী দাবীদার এর আগে এতো রক্তপাত করেছিল কিনা আমার জানা নেই। যেমন ব্যাপক প্রাণঘাতী যুদ্ধের বেশ কয়েকটিই গত শতাব্দীর উদাহরণ দিয়ে শেষ হবার নয়। যেমন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা প্রায় ১২ মিলিয়ন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৬০ মিলিয়ন, ভিয়েতনাম যুদ্ধে প্রায় ৫ মিলিয়ন এবং কঙ্গো যুদ্ধের প্রায় ৪ মিলিয়ন প্রাণহানি। আর আমাদের এই বঞ্চিত-লাঞ্ছিত বাংলায় একাত্তরে প্রাণ দিতে হয় প্রায় ৩ মিলিয়ন মাত্র ৮ মাস ২০ দিনে। মৃতের সংখ্যা কেবলই বর্বরতার ভয়ংকরতম চেহারা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম নয়। আমরা এইসবের কিছু ধারণা পায় বিশ্ব-চলচ্চিত্রের কিছু অসাধারণ কাজ থেকে তার থেকে বেশী...

“সভ্যতার বিনির্মাণে একাত্তরের দলিল হোক আগামীদিনের প্রেরণা”

‘সভ্যতা ব্লগ’ আস্থা রাখে, “বিনির্মাণে আগামীর পথে”  স্লোগানে। আস্থা রাখে, মানব সভ্যতার সকল সফল অর্জনে। আগামীর পথ বিনির্মাণে পূর্বসূরিদের অর্জন আর সাফল্যগাঁথা সেখানে কেবলই প্রেরণা নয় অনেক সময় দিক নির্দেশনা। যেমনটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কেবলই একটি বীরোচিত সফলতার এবং সংগ্রামের অগ্রযাত্রার ইতিহাস নয়, বরং বাঙালী জাতির এগিয়ে চলার দিকনির্দেশনাও বটে। এই বাঙালী সভ্যতা যতদিন থাকবে অথবা মানব সভ্যতায় বাঙালী জাতি যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। এরপরও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি নবোদ্যমে তাদের কূটকৌশল এবং ১৯৭৫ সালের কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাদের নির্বুদ্ধিতায় আমাদের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিতে...

viagra en uk