Category: একাত্তরের দলিল

“সভ্যতা ব্লগ” উদ্যোগ নিচ্ছে একটি তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার যেখানে দেশের আনাচে কানাচে থাকা সকল বীর-মুক্তিযোদ্ধার সাফল্য গাঁথা আর বীরত্বের ইতিহাস সংগৃহীত থাকবে। নতুন প্রজন্মের সভ্যতার বিনির্মাণে এমন চেতনা ও স্বাধীনতার অর্জনই হবে আগামীর দিকনির্দেশনা।

nolvadex and clomid prices

মইত্যা দালাল

।।১।। ১৯৬৬-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার লুৎফর রহমান খানের ছেলে মতিউর। নিজামী তার বংশের উপাধী ছিল না। লুৎফর ছেলের নাম রেখেছিলেন মতিউর রহমান। কিন্তু ছেলে যে জামাতে ইসলামে যোগ দিয়েছে। নামটা একটু ভারী করতে হবেনা? নাহলে তো নেতা নেতা ভাভ আসবেনা। তাই মতিউর তার নামের সাথে নিজামী যোগ করে নামটাকে করলে মতিউর রহমান নিজামী। হ্যাঁ, এইবার একটু ভারী ভারী মনে হচ্ছে। হলোও তাই, পরপর দুইবার মতি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলো। ২০১০ সালের ১৭ই মার্চ একটি জনসভায় ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে নিজামীর জীবনকে নবী...

স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা প্রসঙ্গে

শোকাবহ পনেরই আগস্টে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। যার একটি অংশ ছিল এরকমঃ “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে ষাট বছরেরও আগে, জাপানে পড়াশোনা করতে এসেছে একাত্তর সালে স্বাধীন হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার ছোট্ট একটি দেশের এক যুবক। অবাক হয়ে সে লক্ষ্য করে, এই এতবছর পরেও সেখানে বিপুল দাপটের সাথে পরম তাচ্ছিল্যে ঘোরাফেরা করছে মার্কিন সেনাদল। প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তর ঘটেছে, তাও এর পরিবর্তন ঘটেনি। কবে ঘটবে, কেউ জানেনা। জাপানের তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে একেবারেই গরীব ওই যুবক যে দেশের মানুষ সেই দেশটি। তবুও, সেই দেশে বিজয়ের পরের দিন থেকে আজ পর্যন্ত সগর্বে কোনও বিদেশী সৈন্য ঘোরাঘুরি করেনা। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সাথে যুদ্ধপরবর্তী...

accutane prices

সাকা বৃত্তান্ত

[১] “সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী” যিনি  সংক্ষেপে “সাকা চৌধুরী” নামে পরিচিত। বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ উত্থাপিত ছয় দফার বিরোধী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের বিপক্ষে এবং ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুত্রও তার ব্যতিক্রম নন। স্বাধীনতার সময় অবস্থানের বিষয়ে পরে আসছি। স্বাধীনতা উত্তর যেসব রাজাকার এদেশে ফিরে এসেছে, সুযোগ সুবিধা বহন করেছে,গাড়িতে পতাকা লাগিয়েছে,তাদের সকলের মধ্যে তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম, সবচেয়ে উদ্ধত,নোংরাভাসী,অসভ্য এবং হিংস্র। তার চট্টগ্রামের “গুডহিল” বাসাটি শুধু একাত্তরেই না,একাত্তরের পরেও নব্বই দশক পর্যন্ত মানুষের জন্য এক বিভীষিকার নাম ছিল। সাকা চৌধুরী একাত্তরের আগে ও পরে অনেক খুন,ধর্ষণের সাথে জড়িত ছিল।...

দালাল আইনের ইতিবৃত্ত ও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রেক্ষাপট

পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে। গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায়। মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা। ১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো। ১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস।ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ। ১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। এ-বিচার ‘লাইপজিগ ট্রায়াল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র...

‘গণহত্যা অস্বীকার’ ও ‘নব্য-হানাদারি মানসিকতা’ রোধে আইন এবং এর তাৎপর্য

“Denial of the Holocaust is not an opinion, it is a political act which tries to bring Nazi thought into the mainstream.” -  Hans Rauscher, Columnist, Vienna Newspaper ‘Der Standard’ -দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নাৎসি প্রোপ্যাগান্ডার বিপরীতে আইন প্রণয়ন প্রেক্ষাপটে ভিয়েনার জনৈক কলাম লেখক। ১) ভূমিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালেও নাৎসি’দের অমানবিক নির্যাতন আর গণহত্যাকে অস্বীকার করার মত গোষ্ঠীর অভাব ছিল না। একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পর যখন দেশীয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা আর বিদেশী চরদের সমন্বয়ে পঁচাত্তরের পটপরিবর্তন হল, সেই থেকে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশে। তাই অনেক কিছুই শিক্ষণীয় আছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর পদক্ষেপ থেকে। আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও সেই রুয়ান্ডা, নুরেমবার্গ...

পটুয়াখালী আক্রমন

২৬ এপ্রিল সোমবার ১৯৭১,এক মাস হানাদার মুক্ত থাকার পর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিমান আক্রমণ শুরু করে পাকিস্তানী বিমান বাহিনী।এক নাগাড়ে কয়েকঘন্টা বিমান হামলা চালিয়ে হেলিকপ্টার যোগে কালিকাপুরে অবতরন করে পাকিস্তানী হানাদাররা।শুরুতেই তারা গনহত্যা শুরু করে কালিকাপুরের মাতবর বাড়িতে।ঐ দিন তারা মাতবর বাড়ির ১৭ জন সদস্যকে হত্যা করে।অগ্রসরমান হানাদার বাহিনী প্রথম বাধার স্বীকার হয় জেলাপ্রশাসকের বাসার সামনে কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের মাধ্যমে।বেলা ২ তার দিকে মিনিট পনের ধরে চলা যুদ্ধে শহীদ হন কর্তব্যরত ৬ আনসার সদস্য।পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহীদ হন তৎকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল।ঐ দিন শহরে ৩০০ এর অধিক মানুষকে হত্যা করে হানাদার বাহিনি।আগুন পুড়িয়ে দেয়া হয় পুরান বাজার...

capital coast resort and spa hotel cipro

পুরাতন ঢাকার মাস্তান নাদের গুন্ডা

আদি ঢাকাবাসী, মানে পুরাতন ঢাকাবাসীর বিরুদ্ধে একটা গুরুতর অভিযোগ আছে! তাঁরা নাকি পাকিস্তানপন্থী! হাস্যকর একটা কথা! এক ছোট ভাইতো সেদিন বলেই ফেললো পুরাতন ঢাকায় যারা থাকে তাঁরা নাকি সবাই বিহারী! মরে যাই মরে যাই! হ্যা পুরান ঢাকার প্রায় সবাই খানিকটা ধর্মভীরু। নামাজের সময় দোকান বন্ধ রেখে যায়। মসজীদ ২০ ফিট পরপর! এসব সত্য! কিন্তু আপনিকি জানেন বাংলাদেশের প্রথম শহুরে মহল্লা হিসেবে নিজেদের জামাতমুক্ত ঘোষণা করার সাহস দেখিয়েছে ইমামগঞ্জ পঞ্চায়েত! আসুন ফিরে যাই ৪৪ বছর আগে! ২৫ মার্চ রাত। অপারেশন সার্চলাইট…………………… ঢাকা শহর অন্ধকার। মাঝে মাঝে শুধু অন্ধকার আকাশকে আলোকিত করছে পাক বাহিনীর ছোড়া ফ্লেয়ারস। সেই কালো রাতে ঘটে গেলো মানব...

২৫ শে মার্চ ও আরও কিছু প্রতিরোধযুদ্ধ

২৫ শে মার্চের কথা বললেই যে চিত্র আমাদের সামনে ভেসে ওঠে,সেটি হচ্ছে পাক বাহিনী কতৃক সংগঠিত গনহত্যা এবং আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এই বাহিনীর বিরুদ্ধে খেলনা বন্দুক তুল্য থ্রি নট থ্রি নিয়ে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের সাথে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রতিরোধ করা পুলিশ বাহিনীর সেই সব বিরযোদ্ধাদ্দের কথা।কিন্তু ২৫ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত আরও কিছু বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল ঢাকার বুকে,অসীম সাহসি,দেশপ্রেমিক সেই যোদ্ধাদের দ্বারা সংগঠিত সেই প্রতিরোধ যুদ্ধের কথা হয়ত অনেকেরেই অজানা।চলুন জেনে নেই সেই সব বীরত্বের কাহিনী। ঢাকা মিরপুর প্রতিরোধঃ রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এস আই আব্দুস সোবাহান ২৫ শে মার্চ রাতে মিরপুর ১০ নম্বরে জরুরী টহলে ছিলেন।রাজারবাগ পুলিশ... wirkung viagra oder cialis

সংবাদপত্রে মার্চ ‘৭১

In it’s battle to put down the independence moment in East Pakistan, the Pakistani army has resorted to widespread killings of civilians, according to the report reaching here today from unimpeachable foreign diplomatic sources in Dacca. These reports were confined to Dacca, a city of 1,500,000 people and all the reports were confined to event’s up to the Pakistani army, without warning, attacked civilian population centers in an effort to crush the province’s nonviolent moment for autonomy.  The army units- all west Pakistani troops-opened fire with artillery, rockets and machine guns. – NEW DELHI, March 29,1971, New York Times মার্চ...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires

মহানায়কের জন্মদিন

১৯৫৬ সালের কথা ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের গণপরিষদে পাশ হয় পুর্ব বঙ্গের সার্থবিরোধি সংবিধান। বাংলাকে অন্যতম রাস্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও।সংখ্যাসাম্যের অজুহাতে পুর্ববঙ্গের জনগোষ্ঠীর শতকরা ৬ ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিনহ করা হয়।অর্থাৎ বাঙালি প্রতিনিধিত্ব ৫৬ ভাগের পরিবর্তে ৫০ ভাগ এবং পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব ৪৪ ভাগের পরিবর্তে ৫০ ভাগ করা হয়।৮০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদে আওয়ামীলীগের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন। এই সংবিধানে পুর্ববঙ্গের নাম বদলে পুর্ব পাকিস্তান করা হয়। প্রতিবাদে নেতার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের ১৩ জনের কেউ এই সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। সন্ধ্যায় আরব সাগর তীরে সাংবাদিক ও চরমপত্র বই এর লেখক এম আর আখতার মুকুল কে নেতা বলেছিলেন… “দেখিস যদি বেচে...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec

একজন বসু ডাকাত ও হাওরের মুক্তিযুদ্ধ

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ট্রেনিং এবং অস্ত্রশস্ত্র ছাড়া যে কয়টি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে উঠেছিলো, কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের নিকলী উপজেলার গুরুই গ্রামে তেমনি একটি বাহিনী গড়ে উঠে  দূর্ধর্ষ ডাকাত আব্দুল মোতালেব “বসু”র নেতৃত্বে। ১৯৭১ সালে এটি বসু বাহিনী নামে পরিচিত ছিলো। বসু বাহিনীর প্রধান বসু নাম উচ্চারনের বিকৃতিতে [বসু > ভসু > বড় সাব > ভশাব > ভর্শা]  ইত্যাদি নামে পরিচিতি পায়। প্রকৃত নাম মোঃ আব্দুল মোতালেব বসু।  পিতাঃ  মন্তাজ আলী। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে  (গুরুই – হিলচিয়া) এলাকায় সম্পূর্ন নিজস্ব লোকবল নিয়ে প্রথমে কিছু দেশী বন্ধুক ও কয়েকটি রাইফেল  নিয়ে এই মুক্তিযোদ্ধা নিজস্ব গ্রুপ গড়ে তোলে। পরবর্তীতে খন্ড খন্ড যুদ্ধ জয়ে মুক্ত এলাকায় একটি ট্রেনিং...

জয় বাঙলা…

ভাটপাড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশফাক চৌধুরী যখন পাকবাহিনীর ক্যাম্প থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখন বিকেলের সূর্য প্রায় অস্তাচলে গিয়েছে। অসম্ভব বিবর্ণ দেখাচ্ছে চৌধুরীসাহেবকে। তার পেছন পেছন আসছে তার পাঁচজন সার্বক্ষণিক সঙ্গী । তারা বংশানুক্রমে চৌধুরী বাড়ির একনিষ্ঠ কর্মচারী। এ অঞ্চলের সবচেয়ে প্রভাবশালী বংশগুলোর মধ্যে একটা হল চৌধুরী বংশ। সে বংশের সপ্তম সন্তান তিনি। কুষ্টিয়া জুরি বোর্ডের হাকিম ছিলেন আশফাক চৌধুরীর পিতা আশরাফ চৌধুরী। যেহেতু শরীফ বংশ, তাই যুদ্ধ শুরু হবার পরেই ধর্মরক্ষায়, পাকিস্তানের সংহতি রক্ষায় শান্তি কমিটিতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল আশফাক চৌধুরীকে তার বড় তিন ছেলেসহ। আশফাক চৌধুরীকে এ অনুরোধ করেছিলেন তার শ্বশুরের বড় ভাই শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান যশোহর...

উম্মা আফ্রিদি, আফ্রিদি উইল ইউ ম্যারি মি অথবা ইমরান খান সো কুল

প্রিয় গ্রুপ ক্রিকেটখোরে এ যাবত কাল সম্ভবত হাজার খানেক পাদাকে(পাকিস্তানের দালাল) খোয়াড়ে পাঠান হয়েছে।আগেই বলে রাখি ছাগু দেখা মাত্রই খোয়াড়ে পাঠানোর কারনেই এই গ্রুপটাকে বোধহয় বেশি ভালো লাগে।অব্যাহত ট্রিটমেন্টের পরেও দেখা যায় লুকিয়ে থাকা পাদার বলছে,পাকিস্তান তাদের ফেভারিট টিম,খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না,গতকাল তো মোহাম্মাদ ইউসুফের ছবির নিচে কমেন্ট দেখলাম “মাই ফেভারেট প্লেয়ার” কয়েকদিন আগে পাকি দলের ছবি দিয়ে রীতিমত ঝাকে ঝাকে পাদা আটকানো হয়।অনলাইনে দেখা যায় নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়েও পাকিদের কলিজার টুকরা বলে নিজের পশ্চাৎ দেশ ভাড়া দেয়ার কি প্রানন্তকর চেস্টা।সুপার কপ মাশরুফ ভাইয়ার ছবির নিচে দেখলাম এক ছাগি পাকিদের জন্য ব্যাকুল প্রায়।শহিদ মুশতাক কিংবা জুয়েল স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে...

পাকিস্তানী জারজ আব্দুল মোনায়েম খানের “শহীদ”!! মর্যাদা প্রাপ্তি এবং এক দুর্ভাগা জাতির গল্প…

কুখ্যাত জারজ গভর্নর মোনায়েম খান আজ আপনাদের বিস্ময়কর এক বীরের কথা শোনাবো। বাঙ্গালী জাতির সর্বকালের সবচেয়ে গৌরবের বীরত্বগাঁথা ৭১রের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এই মানুষটার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। দেশমাতা,স্বাধীনতা কিংবা যুদ্ধ – এই বড় বড় বিষয়গুলো বোঝার মতো পরিনত হয়তো হয়নি নবম শ্রেণীপড়ুয়া মোজাম্মেল হকের। কিন্তু সময়ের প্রয়োজন তাকে করে তোলে এক অদ্ভুত পরিনত যোদ্ধায়। এই অসম্ভব সাহসী যোদ্ধা পাক বাহিনীর দুর্ভেদ্য দুর্গ ভেদ করে এক অভাবিত বীরত্বগাঁথার জন্ম দেন। শুনতে রুপকথার মত শোনালেও এর প্রতিটা বর্ণ জ্বলজ্বলে সত্য। তার নিজের জবানিতেই তার এই অনন্যসাধারন বীরত্বের গল্প শুনি আমরা…   বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক( বীর প্রতীক) নবম শ্রেনীতে পড়তাম।...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-3: OPERATION HOTEL INTERCONTINENTAL

…. সে এক অদ্ভুত যুদ্ধযাত্রা। উঁচু – নীচু – ধনী – গরিব – কম্যুনিস্ট – এন্টি কমিউনিস্ট সব রকম সব কিছু ভুলে দলে দলে ঢাকার তরুণেরা জড়ো হয়েছে মতিনগরে। মতিনগর হল ২ নং সেক্টরের ট্রেনিং ক্যাম্প।।। কুমিল্লা বর্ডারের খুব কাছেই। সেই মতিনগরেই ট্রেনিং পেতে থাকে প্রথম বারে যাওয়া তরুণেরা। এলএমজি, গ্রেনেড কিংবা মেশিনগান চালানো আর ঠিক সময়ে ঠিকভাবে লুকিয়ে যাওয়ার গেরিলা কৌশল শেখানো হত এখানে। ক্যাম্পটা বর্ডারের খুব কাছে হয়ায় পাকিস্তানিরা বারবার এটার উপর আক্রমণ করতে থাকে।।। তখন মুক্তিযোদ্ধারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মালপত্র বহন করে রওনা দেন মেলাঘরের পথে।। মেলাঘর ছিল বর্ডার থেকে ৩০-৩২ কিলোমিটার দূরত্বে…। এই মেলাঘরেই মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং...

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-2: LEAVING BACK BEHIND

২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাত ঘনিয়ে আসে… । প্রতিদিনের মত নিরীহ শান্ত মানুষেরা দিনের হিসেব নিকেশ শেষে ঘুমে গা এলিয়ে দেয়।আর ঠিক তখনই পাকিস্তান সামরিক জান্তা বাস্তবায়ন করে শতাব্দীর নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ। যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম নিয়ম -নীতির বাইরে যেয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পরে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালির উপর। তাদের এই হিংস্রতম আক্রমণ থেকে সেদিন রেহাই পায়নি গর্ভবতী মা কিংবা একদিনের শিশুটিও। চরমতম আভিজাত্যের নগরী, মুঘলদের এই সাজানো গোছানো অহংকার, মসজিদের নগরী ঢাকা সেদিন পরিণত হয়েছিল মৃত্যুর নগরীতে। ….রাজারবাগ পুলিশ লাইনের বাঙালি পুলিশ থেকে শুরু করে আজাদ বয়েজ ক্লাবের খেলাপাগল মুশতাক – কেউ তো রেহাই পায়নি সেদিন! তবু যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। পিলখানায় ই – পি-...

private dermatologist london accutane

শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক রামকৃষ্ণ অধিকারী

২৯ জানুয়ারি বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ থেকে আমরা ৬ জন যাত্রা শুরু করি।শুরুতেই বলে রাখি আমাদের যাত্রা উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন।বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গনে ৪ দিন ব্যাপি জেলা রোভার মুটের অংশগ্রহন কারী হিসাবি আমরা যোগদান করি।২৯ তারিখ আমরা হাইকিং বা অজানা গন্তব্যে যাত্রার সময়,পথ চলতে চলতে হঠাত চোখ আটকে যায় রাস্তার ডান দিকের একটি বাড়িতে,সাইনবোর্ডে লেখা শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক রামকৃষ্ণ অধিকারী।বরিশালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যা পড়েছি তাতে কোথাও ওনার নাম খুজে পাই নি,অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাহিনী জানলেও বুদ্ধিজীবী বলতে জানি শুধু শহীদ আলতাফ মাহমুদের নাম।সময় না থাকার কারনে আমি ঐদিন ওনার বাড়িতে ঢুকতে পারি নাই।পরদিন আবারো বাবুগঞ্জ বন্দর বাজারে কাজের জন্যে গেলে,একটি...

kamagra pastillas

LIBERATION WAR IN DHAKA: PART-1: THE WARRIORS

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন বদি। এইচ এস সি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে চতুর্থ স্থান অধিকার করা এক অসাধারণ ছাত্র এই বদি। কমিউনিস্ট মতাদর্শের সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও ছাত্র ইউনিয়নের সাথে বিরোধিতার জের ধরেই যোগ দিলেন এন এস এফ এ। ক্যাম্পাসে দোর্দন্ড প্রতাপ ওয়ালা এন -এস -এফ বদি। খেলোয়াড় হিসেবে জুয়েল ছেলেটা তার খুব পছন্দের ছিল। ক্যাম্পাসে দেখা হলে খোঁজ – খবর নেয়া চলত।তাতেই ক্রিকেটার জুয়েলের কত গর্ব!! বন্ধুদের জুয়েল বলে বেড়াতেন – “.. দেখছস কত বড় গুন্ডা আমার খোঁজ খবর নিতাসে… “ পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান ছিল জুয়েল। বল জিনিসটা যে পেটানোর জন্য সেটা তার ব্যাটিং দেখলে বোঝা যেত..। দুর্ধর্ষ...

ফটোফ্রেম “১৯৭১”- এর কারিগরেরা; পর্ব- ২

দূর থেকে দেখলে হয়তো লম্বা পিঁপড়ার সারি বলেই মনে হতো। কিন্তু দৃশ্যটি খুব কাছ থেকে দেখা। তাই মানুষ বলে চেনা যাচ্ছে মানুষগুলোকে। বহুদূর থেকে তারা আসছে পায়ে পায়ে। ক্লান্ত, অবসন্ন। তবু চলার বিরাম নেই। স্রোতের মতো চলমান মানুষের পেছনে উদ্যত মৃত্যু। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। চোখে আতঙ্ক-উদ্বেগ, মুখে শোকের ছায়া। চলছে তারা যশোর রোড ধরে। শিশু-যুবক-মধ্য বয়সী, বৃদ্ধ নর-নারী। পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামগঞ্জ থেকে জোয়ান বুড়ো বোঁচকা বুঁচকি ঘটিবাটি নিয়ে গ্রাম ছাড়ছে। দুস্থ শরণার্থী কংক্রিটের পাইপে বসত গড়েছে। রাস্তার ধারে ভাত ফুটছে। ভাতের পাতিলের সামনে কাত হয়ে শুয়ে আছে গর্ভবতী মলিন কিশোরী। এক বুড়িকে ডুলিতে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দুটো লোক। বিশাল পাইপ...

zithromax azithromycin 250 mg
half a viagra didnt work

শহীদ আলতাফ মাহমুদ – মৃত্যুঞ্জয়ী এক ধ্রুবতারার উপাখ্যান।

দরাজ গলায় মধুর সুরে কোরান শরীফ পাঠ করতেন তিনি। সবাই ভাবত, বড় হয়ে নিশ্চয়ই অনেক বড় ক্বারী হবেন। সবার মন জয় করে নিয়েছিলেন। বাড়ির সামনে বেঞ্চিতে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা গান গাইতেন। আর সে গানে মুগ্ধ হত পরিবারের লোকজন, সহপাঠীরা থেকে শুরু করে স্কুলের শিক্ষকরাও। শুধু যে গান করতেন তাই নয়, ছবি আঁকাতেও ভীষন পারদর্শী ছিলেন তিনি। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে সংগ্রামে তাঁকে দেখা গেছে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার আঁকতে। ছবি আঁকা ছিল তাঁ্র নেশা। তবে তাঁ্র সবচেয়ে বড় নেশা ছিল গান। নিজে গান লিখতেন, সুর করতেন। গেয়ে শোনাতেন। প্রায় সবরকম বাদ্য যন্ত্র বাজাতে পারতেন তিনি। হারমোনিয়াম, তবলা, বেহালা,...

can your doctor prescribe accutane