Category: ক্রিকেট

কেন খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবো?

আমার এক আত্মীয় আছেন খুব নিরীহ ধরনের, কারোর সাতেও নাই পাঁচেও নাই, দুনিয়ার কারো ব্যাপারে মাথাব্যাথা নাই, নিজের মত করে খুব সহজ-সরল জীবনযাপন করেন। ভোটের সময় ইসলামী দল হিসেবে জামায়াতকে ভোটটা দিয়ে আসেন,রাজাকারের ফাঁসি চাইলে বিরক্ত হন,কসাই কাদেরের ঝুলে যাওয়ার ব্রেকিং নিউজ দেখে “ইসলামের কাণ্ডারি নিরীহ বৃদ্ধ মানুষগুলাকে নাস্তেক জালেম হাসিনা সরকার ফাঁসি দিয়ে দিতেছে দেশটারে হিন্দুস্থান বানানোর জন্য”এই বলে কিছুক্ষন হা-হুতাশ করেন, তারপরে আবার সব ভুলে যান। আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারন তার এ জীবনযাপনে একমাত্র উত্তেজনা দেখা দেয় বাংলাদেশের খেলার সময়, এগারোটা লাল-সবুজ টাইগারকে মাঠে দেখলেই তার মেজাজ খিঁচড়ে যায়,//”বাঙ্গালী তো আজকেও পোঙ্গামারা খাবে, বুঝলা? ; ছাগলের বাচ্চাগুলা খেলা পারে...

capital coast resort and spa hotel cipro

না মেলা কিছু হিসাবের গল্প…

শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডের ছাদে বসে ছিল ওরা, পা ঝুলিয়ে। একটু আগে তামিমের হাফ সেঞ্চুরি হইছে, মর্দে মারখোর পাকিস্তানী জওয়ানদের বিধ্বংসী বোলিং লাইনআপরে ল্যাড়ল্যাড়া ধ্বজভঙ্গ বানায়া নাকের জল চোখের জল একাকার কইরা ছাড়ছে এই পোলা। নরমাল গ্যালারিতে না বসে এমন বিচিত্র জায়গায় বসার কারন হল জুয়েল আর মুশতাক ভাই। কেউ কাউরে ছাড় দিবে না। মুশতাক ভাই গম্ভীর গলায় বললেন, আমার স্ট্যান্ডের হইল স্টেডিয়ামের সেরা। শুইনা জুয়েল তেলেবেগুনে জ্বইলা উঠলো, “আমার স্ট্যান্ডে গেছেন কোনোদিন মিয়া? কইলেই হইল?” যুদ্ধ বাইধা যায় আরকি… এই দুইটা স্ট্যান্ড ভয়ংকর আবেগের জায়গা মানুষ দুইটার জন্য, স্বাধীন বাংলাদেশ যে দয়াপরাবশ হয়ে কেবল ওদের নামে স্টেডিয়ামের দুইটা গ্যালারীর নাম... acquistare viagra in internet

zovirax vs. valtrex vs. famvir

লজ্জাগাঁথা…

দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মানুষটার, আটটা… আপনার পায়ে আটবার অপারেশন করার বহু আগেই আপনি পঙ্গু হয়ে যাইতেন। একটা অপারেশনের পরেই ঠিকভাবে হাঁটতে পারে খুব কম মানুষ…সেও যে ঠিকঠাক পারে , তা কিন্তু না। প্রতিবার রান আপের পরেই তার হাঁটুতে পানি জমে, নী ক্যাপ লাগানো হাঁটু দুটো ফুলে যায়, দেখতেই ভয় লাগে, তার যন্ত্রণা হয় কিনা সেটা কখনো ভেবে দেখার সময় হয়নি। পায়ের পানি সিরিঞ্জ দিয়ে বের করে ফেলতে হয়, অনেক সময় খেলা চলাকালীনই কাজটা করে সে, পৃথিবীর ইতিহাসে আর কোন ক্রিকেটারকে এমন কাজ করতে হয়নি… আর ১০টা মানুষের মত হইলে সেও হয়তো থাইমা যাইত। কিন্তু সে থামে নাই, থামতে...

আহত বাঘ হিংস্র বড়

পারবে না জানে, তাইনা কত করে ছলা কলা জিতল চোরে, তার মায়ের দ্যাখ আবার বড় গলা। চোরের বাচ্চা করবি চুরি, চোরে না ধর্ম শোনে। এই দিন দিন নয়, দেখে নিব কত চাল কত ধানে। ভয়েতেই চোর, আসিস না নাকি বাঘেদের দেশে, শাকের ফাঁকে মাছের মত সত্য না বেরিয়ে আসে- দেখব শালারা, কে তখন লেজ গুটায়ে ভাগেরে- কাপুরুষ, পিছ থেকে আঘাতে আহত করে বাঘেরে। আহত বাঘ হিংস্র বড় যাস না তো কভু ভুলে; প্রাণ হারাবি বাঘের লেজে কাটা কান চুলকালে। -মিনহাজ উদ্দিন শিবলী ২১/০৩/২০১৫

tome cytotec y solo sangro cuando orino

বাংলদেশ হেরেছে, ভারত চুরি করে জিতেছে! বাণিজ্যের কাছে ক্রিকেট পরাজিত হয়েছে

আজকে ভারত—বাংলাদেশ ম্যাচ টা ব্যাক্তিগতভাবে অনেকাংশেই আমার কাছে পাতানো সাজানো গোছানো ভারতীয় রিয়েলিটি টিভি শো গুলোর মতো মনে হয়েছে। শুধু এ ম্যাচ না, এ গোটা ওয়ার্ল্ডকাপটাকেই কেনো যেনো আমার কাছে ভারতীয় বস্তাপঁচা টিভি রিয়েলিটি শো এর মতো মনে হইতেছে। যেগুলো তে আগে থেকেই উইনার—রানার্স আপ ফিক্সড করা থাকে। যেমনঃ, ঐ শো গুলোতে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিযোগী যতই ভালো পারফর্ম করুক লাভ নাই; চাবি থাকে শো ডিরেক্টরের হাতে, সেই হর্তাকর্তা, সে নানাভাবে টুইস্ট-সিমপ্যাথি সংযোজন ও কর্তন করে টিআরপি বাড়াইয়া শো পরিচালনা করে; একসময় ট্যাকাটুকা উইঠা গেলে শো খতম করা হবে। এখানে মাঝখান দিয়া লাভ টা কি হইলো বলেন তো দেখি?? লাভ হচ্ছে,...

টাইগাররা কি জানে? বোধহয় না…

এমসিজি গ্রাউন্ডে শ্রীলংকার ৩৩৩ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের অবস্থা তখন খুবই বাজে, মাত্রই দিলশানের বলে ডাউন দ্যা উইকেটে মারতে আইসা ষ্ট্যাম্পড হইল মাশরাফি। সঙ্গে সঙ্গে কাজী কামালউদ্দিন চিল্লায়া উঠলো, ধুরবাল, এইটাও গেল। তোরে ছক্কা মারতে কইছে কে? একটা প্লেয়ার যদি একটু দায়িত্ব নিয়া খেলে… পিছ থেইকা রুমী ঠাণ্ডা গলায় শুধরায়ে দিল, ও হইল বোলার, ব্যাটসম্যানের ধৈর্য আপনি ওর কাছে চাইলে ক্যামনে হবে? আর দায়িত্বের কথা বলতেছেন, দুই পায়ে আটটা অপারেশন হইছে মিয়া, অখনো পোলা একটা সিঙ্গেল ঠেকাইতে ঝাপায়া পড়ে, এইটা জাইনাও যে আরেক বার ইঞ্জুরি হইলে আজীবনের লাইগা পঙ্গু হইয়া যাইব… দায়িত্ব জিনিসটা ওরে শিখায়েন না, বুঝছেন? পাশে থেইকা বদিউল আলমের... metformin synthesis wikipedia

মিশন কাবুল- পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম আবালীয় এক মিশনের গল্প

২০১৪ সালের এশিয়া কাপে হুট করে যখন আফগানিস্তান আমাদের হারায়ে দিল, তখন বিস্ময়ের ধাক্কাটা সামলায়ে উঠতে খুব কষ্ট হইছিল আমাদের। ক্রিকেটে অঘটন ঘটাই স্বাভাবিক। আফগানিস্তানের সাথে আমাদের পরাজয়টাও ছিল সেইরকম একটা অঘটন। কিন্তু তারপর থেকে এমনভাবে ওরা আমাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে শুরু করলো যে, মনে হইল ওদের সাথে আমরা জিতলে সেইটাই অঘটন হইত। মাটির ১০ ফুট উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে আসলো ওরা, দলে ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই নাকি অলরাউন্ডার  , সাকিবকে এতো পাত্তা দেওয়ার কি আছে সেইটা নিয়া মোটামুটি ঝগড়া লাগায়া দিল সংবাদ সম্মেলনে… যাই হোক, তারপর মাঠে খেলতে নামার পর কি ঘটছিল, সেইটা আমরা সবাই জানি।...

পতাকার জন্য লড়াই করে যাওয়া এক সংশপ্তকের উপাখ্যান…

১৯৮৩ সালের অক্টোবরের ৫ তারিখে নড়াইল জেলার চিত্রা নদীর তীরে এক শ্যামল গ্রামে জন্ম হয় কৌশিক নামের এক ডানপিটে ছেলের। খুব ছোটবেলার থেকেই কৌশিক ছিল প্রচণ্ড দুরন্ত আর চঞ্চল। চিত্রা নদীতে যখন তখন ঝাঁপ দেয়া ছাড়া কৌশিক খেলাধুলায় ছিল খুবই ভালো। ফুটবল আর ব্যাডমিনটন ছিল সবচেয়ে প্রিয় খেলা। ধীরে ধীরে বড় হতে হতে পছন্দ বদলে গেলো তার। ক্রিকেট নামের একটা খেলা তার চিন্তাচেতনার প্রায় পুরোটাই দখল করে ফেলল। অনূর্ধ্ব ১৯ দলে রীতিমত আগুন ঝরাতে শুরু করল হালকাপাতলা ডানপিটে কৌশিক। একপর্যায়ে চোখে পড়ে গেল বাংলাদেশের তৎকালীন কোচ এবং ওয়েস্টইন্ডিজের গ্রেট লিজেন্ড অ্যান্ডি রবার্টসের। জহুরি জহুর চিনতে কখনও ভুল করে না। আর...

উম্মা আফ্রিদি, আফ্রিদি উইল ইউ ম্যারি মি অথবা ইমরান খান সো কুল

প্রিয় গ্রুপ ক্রিকেটখোরে এ যাবত কাল সম্ভবত হাজার খানেক পাদাকে(পাকিস্তানের দালাল) খোয়াড়ে পাঠান হয়েছে।আগেই বলে রাখি ছাগু দেখা মাত্রই খোয়াড়ে পাঠানোর কারনেই এই গ্রুপটাকে বোধহয় বেশি ভালো লাগে।অব্যাহত ট্রিটমেন্টের পরেও দেখা যায় লুকিয়ে থাকা পাদার বলছে,পাকিস্তান তাদের ফেভারিট টিম,খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না,গতকাল তো মোহাম্মাদ ইউসুফের ছবির নিচে কমেন্ট দেখলাম “মাই ফেভারেট প্লেয়ার” কয়েকদিন আগে পাকি দলের ছবি দিয়ে রীতিমত ঝাকে ঝাকে পাদা আটকানো হয়।অনলাইনে দেখা যায় নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয় দিয়েও পাকিদের কলিজার টুকরা বলে নিজের পশ্চাৎ দেশ ভাড়া দেয়ার কি প্রানন্তকর চেস্টা।সুপার কপ মাশরুফ ভাইয়ার ছবির নিচে দেখলাম এক ছাগি পাকিদের জন্য ব্যাকুল প্রায়।শহিদ মুশতাক কিংবা জুয়েল স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে...

একজন মানজারুল ইসলাম রানা এবং ইতিহাস বদলে দেওয়া এক দ্রোহের গল্প…

১৯৮৪ সালের ৪ জানুয়ারি খুলনায় জন্মগ্রহন করা মানজারুল ইসলাম রানার বাঙলাদেশ দলে টেস্ট অভিষেক ঘটে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তার আগে ঘটে ওয়ানডে অভিষেক। ৭ নভেম্বর ২০০৩ মোহাম্মদ রফিকের ইনজুরির কারনে তিনি সুযোগ পান জাতীয় দলে। বাংলাদেশের একমাত্র বোলার হিসেবে জীবনের প্রথম ওভারের ৩য় বলে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভনকে স্রেফ বোকা বানিয়ে যখন তিনি আউট করেন, তখন তার বয়স মাত্র ১৯ বছর। সেই থেকে শুরু। ধীরে ধীরে একজন পারফেক্ট অলরাউনডার হয়ে উঠতে থাকেন মানজার। তৎকালীন বাংলাদেশ দলে রফিককে সাপোর্ট দেবার মত একজন কার্যকরী বাঁহাতি স্পিনার এবং একই সাথে লেটঅর্ডারে প্রয়োজনের সময় দ্রুত রান তোলার দক্ষতা থাকায় কোচ ডেভ... synthroid drug interactions calcium

walgreens pharmacy technician application online

বিশ্বকাপ-২০১১ : কিছু অকল্পনীয় যন্ত্রণা, কিছু অভাবিত গৌরব…

দৃশ্যপটঃ ৫ই মার্চ,২০১১ স্থানঃ মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম,মিরপুর, ঢাকা। বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্টইন্ডিজ, বিশ্বকাপ ২০১১। উত্তেজনায় হাত পা কাঁপছে ছেলেটার। এমনিতেই বাংলা মায়ের প্রতিনিধি হিসেবে যখন ওই ২২ গজে গিয়ে দাঁড়ায় ১১ জন বীরযোদ্ধা, এক অনির্বচনীয় গর্বে বুকটা ভরে যায় তার। আর এতো বিশ্বকাপ, তাও আবার নিজের দেশে, সে কিভাবে স্থির থাকে? টিকিট পাবার জন্য কি অকল্পনীয় সংগ্রামটা সে করেছে, সেটা সে ছাড়া আর কেউ জানে না। যদিও টিকিট না পাবার কষ্টটা এই মুহূর্তে একেবারেই নেই। মামার বাসায় বিশাল হলরুমে প্রায় দুইডজন কাজিন আর ফ্রেন্ডসার্কেল মিলে একটা ছোটখাট স্টেডিয়াম বানিয়ে ফেলেছে তারা। ভারতের সাথে ঠাণ্ডা নিরুত্তাপ সূচনা আর তার পরের ম্যাচেই...

side effects of quitting prednisone cold turkey

বিজয় দিবসের গল্প—”জয় বাংলা”

১.   ৭ জানুয়ারি, ২০১৫।   ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হল এইমাত্র। যাদের থাকার কথা ছিল তারা সবাই-ই আছে।   স্কোয়াডঃ মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, বিজয়, মমিনুল, রুবেল, তাসকিন, শফিউল, অয়ন, তাইজুল, আল-আমিন, নাসির, সাব্বির।   ১৪ টা নাম নিয়ে কোন সংশয় নেই। কিন্তু অয়নটা কে?   ঘণ্টা দুয়েক আগের কথা।   প্রধান নির্বাচকের রুমে মিটিং চলছে স্কোয়াড ঘোষণার জন্য। ৩০ জন থেকে ১৫ জন বেছে নেয়া এমনিতেই অনেক কঠিন কাজ। সেই কাজ আরও কঠিন হয়েছে অস্ট্রেলিয়া- নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনের কথা মাথায় রেখে। সবকিছুর পরে যখন ১৫ জন ফাইনাল, তখন প্রধান নির্বাচক অয়নের...

স্বপ্ন

দৃশ্যপট -১ বাবার রুমের সামনে চুপচাপ দাড়িয়ে আছে ছেলেটা, প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে। অনুশোচনা আর অনুতাপের আগুনে পুড়ছে সে, ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, কিভাবে বাবার সামনে দাঁড়াবে, সেটাই বুঝতে পারছে না। ক্রিকেটটা দুইজনেই প্রানের চেয়েও বেশি ভালবাসে, তবে তার বাবার চাওয়াটা আরও বিস্তৃত । ছেলে ক্রিকেটার হবে, জাতীয় দলে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামবে, এই স্বপ্নটুকু সফল করতে গত কয়েক বছর দিন রাত খাটছেন বদিউল আলম। ঠিক এখানেই ঘোর আপত্তি ছেলের, পরিশ্রম বা খাটাখাটনি ব্যাপারটায় একেবারেই আগ্রহ নাই তার। অথচ মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিভাটা জন্মগত তার, কিন্তু ফুটওয়ার্কে গোলমাল আর শর্ট বলে দুর্বলতাটা খুব চোখে লাগছে ইদানিং। প্রতিদিন ভোরে ছেলেকে...

বিশ্বকাপ ১৯৯৯– এক অনন্তবিস্তারী গর্ব, বাঁধভাঙ্গা আনন্দ ও চিরন্তন হতাশার গল্প…

ছেলেটা বেশ বিরস মুখে রাস্তায় হাঁটছে। মনে মনে হিসাব কষবার চেষ্টা করছে, আজ সারাদিনে সে মোট কতগুলো অপরাধ করল। সাত সকালে ঘুম থেকে উঠেই বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিল সে, কেননা আজ সকালে তার বিরুদ্ধে স্পেশাল কোর্ট বসবার কথা রয়েছে বাসায়। গতকাল প্রথম সাময়িক পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। এবং সে সাফল্যের সাথে চার বিষয়ে ফেলসহ অংকে ক্লাসের মধ্যে সর্বনিম্ন নাম্বার পেয়ে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সবার ভেতর। তবে সে আলোড়নের রেশ তার বাসায় যে টর্নেডো বইয়ে দিয়ে গেছে, সেটা আর না বললেও চলছে। খাতা হাতে পাবার পর প্রথমেই আম্মুর হাতে এক দফা পিটুনিপর্ব হয়ে গেছে, সেটা অবশ্য এতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু না।...

para que sirve el amoxil pediatrico

একজন হারিয়ে যাওয়া শেখ কামালের গল্প… একজন কিংবদন্তী দেশপ্রেমিকের গল্প…

তার জন্ম হয়েছিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের খুব সাধারণ এক পরিবারে ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট তারিখে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে ২য় ছিলেন তিনি। খুব ছোট বেলার থেকেই ডানপিটে ছেলেটি পিতার আদর স্নেহ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। সত্যি বলতে কি, ছেলেটার জন্মের পর থেকে তার পিতার সাথে তার ভালোমতো দেখাই হয় নি। কেননা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠছেন, বাঙ্গালী জাতির মুক্তিদূত হয়ে উঠছেন। পাকিস্তানী শোষকদের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে কথা বলবার কারনে, প্রতিবাদ করবার কারনে তার পিতাকে প্রায়ই কারাবরন করতে হয়। তোঁ একদিন বঙ্গবন্ধু জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি এসেছেন, বহুদিন পর বাড়িতে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট ছেলেটি...

পেয়ারা পাকিস্তান, মেরে পেয়ারা পাকিস্তান– কিছু অপ্রয়জনীয় বিলাপ…

ফেসবুকে  ক্রিকেটখোর নামক একটা গ্রুপে সঞ্চালকের দায়িত্বে আছি। আজ সকালে আরেক সঞ্চালক আবিদ ফাহাদ ক্রিকেটে যারা পাকিস্তান সমর্থন করে, তাদের নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। পোস্টের সারমর্ম হল, আজ থেকে ৫০ বছর পরে যদি ইসরাইলিরা ফিলিস্তিনে খেলতে আসে, তাহলেও কিন্তু ফিলিস্তিনিরা ওদের সমর্থন করবে না, ইসরাইলি পতাকা গালে, মুখে, বুকে আকবে না, কোন ইসরাইলি খেলোয়ারকে বিয়ে করবার জন্য সোল্লাসে প্ল্যাকার্ড দোলাবে না কোন ফিলিস্তিনি তরুণী। অথচ আমাদের দেশের কিছু মানুষ ঠিক সেই কাজটা করে। যে ধর্মের দোহাই দিয়ে তখন ওরা আমাদের নির্বিচারে মেরেছিল, আজ তাদের এ দেশীয় কিছু ভাইয়েরা ঠিক সেই ধর্মের দোহাই দিয়েই সব ভুলে গিয়ে পাকিস্তান সমর্থন করতে বলে…  তোঁ স্বভাবতই পোস্ট...

missed several doses of synthroid

জাতীয় বেশ্যা আর বড়লোকের ফার্মের মুরগি সংক্রান্ত কিছু অপ্রয়োজনীয় কথা…

প্ল্যানটা বহুত আগের থেকেই ছিল। বালেরকণ্ঠ যখন প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন সাকিবকে বহুত রিকোয়েস্ট করে প্রথমালু মাঝে মাঝে ওর কাছ থেকে কিছু লেখা পাইত। আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে, তখন বালেরকণ্ঠ বহুত কাঠ-খড় পুড়ায়ে, হাতে পায়ে ধরেও সাকিবরে তাদের পত্রিকায় কলাম লেখাইতে পারে নাই। তারপর থেকেই সাকিব বালের কণ্ঠের চোখে পৃথিবীর সেরা অপরাধী হয়ে গেল। মজার ব্যাপারটা হচ্ছে, প্রথমালুর বিশিষ্ট ক্রীড়া আবাল স্যার উটপোঁদ শুভ্র ছিলেন ফলেন স্টার মোহাম্মদ আশরাফুলের বিশিষ্ট ভক্ত অনুরাগী। আশরাফুল ম্যাচের পর ম্যাচ জঘন্যভাবে বাজে খেলে আসলেও তিনি নিয়ম করে প্রতি সপ্তাহে দুইটা বা তিনটা অসাধারন রিপোর্ট করতেন আশরাফুলের নামে। কেননা তখন আশরাফুলের মায়াময় চেহারা আর... irbesartan hydrochlorothiazide 150 mg

একজন মোহাম্মদ আশরাফুল এর গল্প

গল্প লিখতে বসেছি আজ সভ্যতায়।  আসলে এটাতো গল্প নয়, এটা হল ক্রিকেট বিশ্বের এক ছোট্ট বোকা সোকা বালকের।১৯৮৪ সালের ৭ই জুলাই যে ছেলেটার জন্ম ঢাকায়। ডাক নাম মতিন আর ক্রিকেটীয় নাম অ্যাশ! উইকেটের পিছনে ব্যাট ঘুরিয়ে মারার শট যার নামে ছিল অ্যাশ স্কুপ। ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত আশরাফুলের শটের পাগল আমি। কিভাবে শট খেলতো ভাবি এখনও! সবচেয়ে বড় কথা ওর মত খেলার ধরণ আমাদের বর্তমান জাতিয় দলের কয়েকটা প্লেয়ারেরও নেই। ভাল খেলে অনেকেই, কিন্তু ৩/৪ জনের মাইর ছাড়া আগের মতন তেমন স্বাদ পাইনা আমি।   ২০০০ সালের ২২শে নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপুলিশ ক্রিকেট টীমের হয়ে নিজের ফার্স্ট ক্লাশ ক্যারিয়ার শুরু করেন এই...

acne doxycycline dosage

একজন সাকিব এবং একটা কিছু অর্থহীন চিত্রকল্প…

অনেক অনেক দিন আগের কথা। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজ্য ছিল সেটা। কিন্তু সবচেয়ে সুন্দর হলে কি হবে, শক্তিসামর্থ্যের দিক দিয়ে সেই রাজ্যটা ছিল তুলনামূলক দুর্বল। আর তাই আশেপাশের রাজ্যগুলোর সাথে যুদ্ধে সবসময় শোচনীয় ভাবে হেরে যেত সেই রাজ্যটা। অস্ত্র, গোলাবারুদ যে কম ছিল তা নয়, কিন্তু সমস্যা হল সেই রাজ্যে কোন সত্যিকারের বীরযোদ্ধা ছিল না। ফলে যুদ্ধকৌশল এবং পরিকল্পনার অভাবে সেই রাজ্যটা হেরে যেত প্রতিবার। রাজ্যের সবচেয়ে জঘন্য ছিল যুদ্ধ পরিচালনাকারী কাউন্সিল। একগাদা অথর্ব নিষ্কর্মা অপদার্থ পরিচালনা করত সেই কাউন্সিলটি এবং নিজেদের অযোগ্যতা ঢাকতে সবসময় দোষ চাপাত যোদ্ধাদের উপর। মাঝে মাঝে দুইএকজন যোদ্ধা বীরত্ব দেখাতেন, কিন্তু তা ছিল নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী।...

মোহাম্মদ আশরাফুল- এক বিস্ময়ের নাম, এক প্রানপ্রিয় ভালোবাসার নাম, এক বিশ্বাসঘাতকের নাম…

বেশ কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ(বিপিএল)য়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান, একসময়ের বিস্ময় বালক    মোহাম্মদ আশরাফুলকে আট বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হল। অনেককেই দেখছি তার এই শাস্তি প্রত্যাহারের ব্যাপারে সোচ্চার হতে। অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন আশরাফুলের নাকি এখানে কোন দোষ নেই। তাকে নাকি বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তার শাস্তি প্রত্যাহারের দাবিতে করা মানববন্ধনে অনেকে এটাও বলার চেষ্টা করেছেন, মোহাম্মদ আশরাফুল সম্পূর্ণ নির্দোষ, তাকে নাকি  ফিক্সিংয়ে বাধ্য করা হয়েছে !! এখন প্রশ্ন হল  মোহাম্মদ আশরাফুল আসলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নামে কি করেছেন? তার অপরাধ কি আদৌ শাস্তি পাবার মত? তাকে শাস্তি দেওয়াটা কি ভুল হইছে? নাকি...

amiloride hydrochlorothiazide effets secondaires