Category: উপন্যাস

লাবিব #১

১. লাবিবকে আমি চিনি ক্লাস ফোর থেকে৷ হুট করেই কোথা থেকে যেন উড়ে এসেছিলো৷ গাট্টাগোট্টা শরীর, গোলগাল একটা মুখ৷ চেহারাটা খুব সাধারন কিন্তু চোখদুটো একেবারে পাথরের মত৷ হাসির কোন চিহ্ন নেই মুখে৷ পিঠে ঝোলানো একটা অনেকদিনের পুরোনো মলিন কিন্তু অক্ষত ব্যাগ৷ ওকে ভর্তি করাতে এসেছিলো ওর কোন এক কাকা৷ যাকে এরপর আর কোনদিন দেখিনি৷ কাকাটা সারাক্ষনই স্যারের সামনে বসে হাসছিলো ফ্যাকফ্যাক করে৷ কিন্তু লাবিব হাসছিলো না৷ চোখমুখ শক্ত করে পাশের চেয়ারটায় বসে ছিল শুধু৷ আমার মনে আছে৷ কেন মনে আছে জানিনা কিন্তু লাবিবের প্রথম দিনগুলোর কথা আমার বেশ ভালভাবে মনে আছে৷ আমাদের স্কুলটার নাম ছিল বুড়িচং আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়৷...

missed several doses of synthroid
glyburide metformin 2.5 500mg tabs
10891620_367881076719225_

এই শহরে মেঘেরা একা – পাঠ প্রতিক্রিয়া…

গল্প জেগে উঠে জীবন থেকেই। অযুত বছর ধরে জমে থাকা স্বপ্ন কথাই এক একটা স্বপ্নের গাঁথুনিতে সৃষ্টি করে গল্প। অমর একুশে গ্রন্থমেলা। আমাদের প্রাণের মেলা। হাজারো হরতাল, অবরোধ,বাস পোড়ানো মানুষের বার বি কিউ এর খবর শোনা,প্রত্যক্ষ দেখার পরও যখন দেখি বইমেলাটা মানুষের দ্বারা গম গম করছে তখন মনে হয়,কই? জীবনটা তো কঠিন না। কঠিন হলে তো কেউ আজ মেলায় আসত না। ঘরে বসে থাকত। জীবনটা তো কয়দিনের, কবে মরে যাই কেউ বলতে পারব না। তাই বলে বইমেলায় আসব না? হতেই পারেনা। যাহোক পূর্বপরিচিতি সূত্রে জানতে পারি এই বছর “একুয়া রেজিয়া” মানে মাহরীন ফেরদৌস একুয়াপুর বই আসছে। বইটির নাম “এই শহরে... capital coast resort and spa hotel cipro

“উত্তরাধিকার” এর পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা

বলা হয়ে থাকে মানুষ তার স্বপ্নের মতই বড়। আমার ভাবনা অবশ্য একটু আলাদা। আমার মতে মানুষ তার স্বপ্নের থেকেও বড়। কোন ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে চাইলে আপনাকে আগে স্বপ্ন দেখতে হবে, কল্পনা করতে হবে। আইনস্টাইন কি আর এমনি এমনি বলেছেন, Imagination is more important than knowledge. For knowledge is limited to all we now know and understand, while imagination embraces the entire world, and all there ever will be to know and understand. ছোটবেলা থেকেই প্রচুর বই পড়তাম। একুশে বইমেলাতে ঘুরে ঘুরে নতুন বই এর গন্ধ নিতে নিতে মাঝে মাঝেই কল্পনা করেছি আমারও বই বের হয়েছে। বছর তিনেক আগে যখন ব্লগে...

রোমান্টিক থ্রিলারঃ ‘রাতগল্প’

‘রাতগল্প’ সিগারেটের পুড়ে যাওয়া ফিল্টার এ্যাশট্রে তে গুঁজে দিয়ে, হালকা ধোঁয়া ছেড়ে, মেয়েটির দিকে এবার খানিকটা দৃষ্টিপাত করে আবির। কিছুক্ষণ ধরেই বেশ তাড়া দিচ্ছে মেয়েটি, “হু, কি যেনো বলছিলেন?” “যা করবেন, তাড়াতাড়ি করেন?” মেয়েটির কথায় তেমন কর্ণপাত না করে বেশ শান্ত গম্ভীর গলায় পাল্টা প্রশ্ন আবিরের.. “আপনি কদ্দিন হলো এখানে আছেন?” “ক্যান?” “দরকার আছে বলেই তো জিজ্ঞাসা করছি?” “৩ বছোর” “হু” “কিন্তু আপনে এইগুলা দিয়া কি করবেন?” “কৌতুহল? জানার আগ্রহ বলতে পারেন!” কৌতুহলী দৃষ্টিতে চারপাশে চোখ বোলায় আবির। সিড়ি পেরিয়ে আরো ক ‘টা ঘরের সাথে লাগোয়া এ ঘরটা বেশ ছিমছামই বলা চলে। চার’তলা বাড়ির দোতলার এই মাঝারি আকারের ঘরের ভেতরকার...

synthroid drug interactions calcium

উপন্যাস : লড়াই : শেষ পর্ব

সময় এগিয়ে যায়। এগিয়ে চলে শাহবাগ ও। প্রতিদিনের স্লোগান – মিছিল – মীটিং এর মাঝে সোমা ধীরে ধীরে আকিবাকে ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করার অনুপ্রেরণা পেতে থাকে। তবু কলেজের ব্যাস্ত জীবনের ফাঁকে হঠাৎ আকিবা সামনে পরে গেলে সোমার সবকিছু শূন্য লাগতে শুরু করে। নিজের ভেতরের শক্তিটুকুকে এবার সোমা কাজে লাগায়। ধীরে ধীরে ও আকিবাকে ভুলে যায়। আকিবা শুধুই ওর অতীতের একটা অধ্যায় হয়ে বেঁচে থাকে।  স্মৃতিগুলো তো থেকেই যায়। তাকে মোছার সাধ্য কার?  মোবাইলের মেমরির মতন মানুষের মেমরিতে তো আর ডিলিট বাটন নেই! এর মধ্যেই জল অনেক দূর গড়িয়ে যায় – সবদিকে…। সোমার সাথে ওর বাবার সম্পর্ক দিন দিন...

puedo quedar embarazada despues de un aborto con cytotec
levitra 20mg nebenwirkungen
acne doxycycline dosage

উপন্যাস : লড়াই : পর্ব – ২

পরদিন কলেজে.. – আকিবা, তোর পাগলামি শেষ হল? – হ্যা, শোন। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর কনফারেন্স এ একটা ভাইয়া যে আমাদের রাস্তা পার করে দিসিল মনে আছে? – কোনটা? ওইযে গোলগাল মুখ? – হ্যা ওইটাই। আমি না ওইটার উপর ক্রাশ খাইসি। ফেসবুক আইডিটা খুজে দিতে পারবি? সেই থেকে শুরু। সোমা সেদিন মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকে বসে। সেই ছেলেটার ফেসবুক আইডি খুঁজে বের করে। ছেলেটার নাম সাকিব।সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে অনার্স। – সোমা, একটা হেল্প করতে পারবি? – এত ফর্মালিটির কি আছে? তোর জন্য সবকিছু করতে পারব। – একটা নতুন আইডি খোল আমার নামে। তারপর ওই আইডি থেকে সাকিবের সাথে তুই কথা বলবি। আমার বাসায় ফেসবুক ধরা নিষেধ। একটু অবাক হলেও...

private dermatologist london accutane

উপন্যাস: লড়াই। পর্ব : ১

মেয়েটি একা হেঁটে চলেছে রাস্তায়। রাস্তাটি আর দশটা সাধারণ রাস্তার মতই। লোকজনের আলাপ – আলোচনা, হই হল্লা,  জিনিসপত্র বেচা কেনা সবই চলছে। আর তা হবে নাই বা কেন?  মেয়েটাও তো খুবই সাধারণ।  আর মানুষগুলোর মত তার জীবনেও হাসি – কান্নার খেলা চলে। কখনো মনে হয়,  আর সহ্য করতে পারবে না। কিন্তু তারপরে কোনো না কোনো উপায়ে সবকিছু আবার ঠিক হয়ে যায়। পরাজয়ের একদম কিনারায় পৌঁছে জয়ের মুখ দেখতে সে অভ্যস্ত। পশ্চিম ধানমন্ডির এই ব্যস্ত রাস্তাটা এখন  আপাতত থাক। আমরা চলে যাই এক বছর আগের ঘটনায়। মেয়েটা তখন ঢাকা শহর এর নামী একটা কলেজে পড়ে। তখন ওরা এখানে থাকত না। কলেজের... nolvadex and clomid prices

কুরসি নামা

কুরসি নামা বইটি ২০১২ এর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় নান্দনিকপ্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। জাকির তালুকদার বাংলা সমকালীন সাহিত্যে ইতিমধ্যেই পরিচিত নাম। বড় বোন ক্যামেলিয়া দিন কয়েক আগে বইটা দিলো গিফট হিসেবে। পড়ে ফেললাম। পড়ে ফেললাম না বলে বইটা আমাকে দিয়ে নিজেকে পড়িয়ে ফেললো বললেও খুব একটা অন্যায় বলা হবে না। শুরুতেই বইটার পাঠসংক্ষেপ, যা বইয়েই লেখা আছে সেটা একাত্তরের অব্যবহিত পরে জন্ম নেয়া পিতৃপরিচয়হীন একটি শিশুর প্রতিকূল সমাজবাস্তবতায় মনস্তাত্ত্বিক ঘাত প্রতিঘাতে বেড়ে ওঠা দিয়ে উপন্যাসের শুরু। যার মা যৌবনে বিরুপ প্রতিবেশের মাঝে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নিয়েছে উদ্বন্ধনে। তার জন্মঅ থেকে বড় হয়ে উঠার পুরো সময়কাল শুধু নিগৃহীত হওয়ার বিবর্ণ ঘটনায় ভরপুর। সে...

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ ‘আশ্চর্য’

আধিভৌতিক রহস্য গল্পঃ আশ্চর্য পুুরোনো ব্রীজটা ধরে মূল রাস্তার পেট চিড়ে বের হওয়া সরু রাস্তাটার একদম শেষ প্রান্তে মতির হোটেল। ছোটখাটো চায়ের দোকান বললেও নিতান্তই ভুল হবে না। শত মন খারাপ নিয়ে এখানে ঢুকলেও, ফেরার পথে মুখে দু দন্ড হাসি নিয়ে ফিরতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সমেত দিন তিনেকের ঘন্টাখানেক এখানটায় বরাদ্দ থাকলেও বেঞ্চিতে বসতে না বসতেই মিনিট ও ঘন্টার কাটা টা দ্রুতবেগে ছুটতে শুরু করে দেয় যেন এখানকার ঘড়িটায় রেসের ঘোড়ার তীব্র গতি বসানো। সময় কোনদিকে পেরিয়ে যায় বোঝা মুশকিল। আড্ডা বলে কথা। আমি(সালমান), অর্নব, শ্যামল, রাব্বি। ফোর ইডিয়টস। আড্ডার বিষয়বস্তুগুলোও আজকাল অতি বিচিত্র কখনো জঘন্য। প্রেম, ভালোবাসা, ব্রেক আপ,...

buy kamagra oral jelly paypal uk

নিরাশা

.. চেয়ারম্যান বাড়িজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। হবে নাই বা কেনো?? ভদ্রলোকের সর্বকনিষ্ঠ কন্যার বিয়ে বলে কথা। গ্রামের মোড়ল বিবেচনায় অত্র এলাকায় যে সম্মানখানা তার আছে, তা এতদ অঞ্চলে দ্বিতীয় কারো আছে বলে জানা যায় না। পাঁচবারের চেয়ারম্যান বলে কথা। হেলাফেলার ব্যাপার নয় মোটেই। আর তাই হয়তোবা আয়োজনের বিন্দুমাত্র খামতি রাখতে চান না চেয়ারম্যান সাহেব। সকলের উপর জারি করা নির্দেশ বাস্তবায়ন হতেই হবে এমন একটা ব্যাপার। সমস্ত জন-প্রাণী খেয়ে তবেই বাড়ি ফিরবে। এ তল্লাটের সমস্ত এতীম, ফকির, মিসকিন সকলকে পেটপুরে খাওয়ানোর পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত হয়েছে। সুন্দরী বালিকাদের অনবরত ছুটোছুটি, সাজসজ্জা, আশেপাশের বাড়ি থেকে আসা ছোট ছেলেপুলেদের কোলাহল আর নববধূর মা বাবার...

zoloft birth defects 2013