Category: গল্প

নকলের ভিড়ে…

আধুনিক পৃথিবীতে আসল থেকে নকল জিনিসের পরিমানই বেশি। খাবার,পোশাক,যন্ত্রপাতি তো ছিলই, যেই জিনিসটা বর্তমান সময়ে বেশি দেখা যায় তা হলো চেহারার নকল। প্রসাধনী, নানা ধরনের দেশি বিদেশি প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করে নিজেকে আলাদা রূপ দেয়াটা যেন প্রতিনিয়তই ঘটে। শুধু দেখাবার জন্যই না, প্রয়োজনের খাতিরেও বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার এর কোন বিকল্প নেই। টুথপেস্ট,শেভিং ক্রিম,শ্যাম্পু,কন্ডিশনার,ফেসওয়াস ইত্যাদিকে বিলাসিতা থেকে প্রয়োজন বলাই বোধহয় যুতসই হবে। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় এইসব প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার বিষয়ে একটু ভালোভাবে জেনে নিচ্ছেন কি? অনেক গরম, রাস্তা থেকে একটা পানির বোতল কিনে খাচ্ছেন। পানিটা কি বিশুদ্ধ? যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন,সেসব কি আসল? রাজধানীর নামিদামি শপিং মল থেকে শুরু করে...

চাওয়া-পাওয়া

স্কুল জীবনের শেষ দিকের কথা, বরই আঁতেল মার্কা হাবলু টাইপ স্টুডেন্ট কাতারের যদি নাম চাওয়া হয়; আমার নাম আসবে সবার আগে। একবার খেলার মাঠ থেকে দূরে অনুষ্ঠানের শব্দ কানে আসতেই ছুটে গেলাম ওই দিকে গিয়ে দেখি বেশ গান বাজনা চলছে এ এক আরেক জগত। চেনা মানুষের সংখ্যা খুব কম যারা আছে অনেক দূরে, কথা বলা সম্ভব না; জিজ্ঞেস করা সম্ভব না যে, হচ্ছেটা কি ?? দাড়িয়ে রইলাম স্যারের বক্তৃতা চলছে, আমার ক্লাসের একজন বন্ধু (অনিক) আমার পিছে দেখে অবাক হই। কারন অনিকতো ছুটি হবার পরেই বাসায় চলে যায়, আর গোত্রেরের ও পার্থক্য থাকায় ভাল বন্ধু বলা যাবে না; শুধু ক্লাসমেট।...

ফুল অফ কনফিউশান

কই যাই ?? যখন দেখি … চোখের সামনে ভুল হচ্ছে … ভুলগুলো এখন এতো স্বাভাবিক ??… ঠিক কিছু করতেই ভয় লাগে, অস্বাভাবিক লাগে দৃষ্টি কটু লাগে বরং ঠিক কিছু করতেই ….কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না, ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা যত সম্পর্ক আছে শুধুই শাময়িক চাওয়া-পাওয়ার। কারও আগে কেউ যেতে পারবে না, স্পেশাল কিছু করতে হলে করতে হবে লুকিয়ে। পাছে কেউ জেনে গেলে বিপদ, হতে পারে চুরি, লাগতে পারে কু দৃষ্টি, পিছু লাগতে পারে বিফলতা। কিন্তু কেনো ?? দশে মিলে কাজ করলে না ভাল হয় ?? সত্য এখন নাই, সত্য এর ভাঙ্গা-গড়া আছে… সত্য কে ভেঙ্গেচুরে মিথ্যার সাথে মিলিয়ে বলছে অতিসত্য। অবলীলায়...

side effects of drinking alcohol on accutane

বন্ধ্যা কৈশোর

মায়ার হাতে এক আঙুল সমান লম্বা একটা নারিকেলের টুকরা। বারান্দার টেবিলে ছোট ঝুড়িতে কিছু মুড়িও আছে। মায়া মুড়ি মুখে দিচ্ছে না। শুধু নারিকেল কচকচ করে কামড়ে খাচ্ছে। মায়ার চোখ বারান্দা ছাড়িয়ে অল্প সামনেই খালি জায়গাটায়। মায়ার আজ মন খারাপ। কিছুদিন যাবত প্রতিদিন বিকেলের এই সময়টাতে মায়ার মন খারাপ হতে থাকে। এই এলাকায় সমানে ছোট ছোট অলিগলি রাস্তা। শুধু মাত্র মায়াদের বাসার সামনেই একটু ফাকা গোলাকার জায়গা আছে। বিকেলে হলে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা এখানে খেলতে নামে। শুধু মায়া একা বারান্দায় বসে থাকে।   আনোয়ার এইটে বৃত্তি পেয়েছে বলে ওর বড় ভাই ওকে সাইকেল কিনে দিয়েছে। নতুন সাইকেল নিয়ে আনোয়ার প্রতিদিন...

কিছু বকেয়া গ্লানির গল্প…

হোসনা বেগম ছুটছে, ঊর্ধ্বশ্বাসে… তার চারপাশে ছুটছে অসংখ্য মানুষ, ছুটছে ভয়ংকর আতংকে, প্রান বাঁচাতে, আশেপাশে অবিরাম গুলি চলছে, সাঁই সাঁই করে। গোড়ল গ্রামটা পেরিয়ে নদীর ধারে হঠাৎ মুখ থুবড়ে পড়ে গেল হোসনা, এক মাঝি দৌড়ে এসে তাকে ওঠাল। দুইহাতে আঁকড়ে ধরে থাকা বিছানাপত্র পড়ে গেছে নিচে, সেদিকে তাকিয়ে হঠাৎ চিৎকার করে ওঠে হোসনা, আমার কাশেম কই? একটু আগে যখন রাজাকাররা পাকিস্তানী শুয়োরগুলোকে নিয়ে হোসনার স্বামীকে গুলি করে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, তখন দিশেহারা হোসনা দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ঘুমিয়ে থাকা ২০ দিনের কাশেমকে তার বিছানাসমেত জড়িয়ে বুকে নিয়ে দৌড়াতে থাকে। টেরই পায়নি কাশেম ভেবে সে আসলে কাশেমের কোলবালিশটা তুলে এনেছে। জীবন্ত...

ovulate twice on clomid

একজন অপদার্থ বাবার গল্প…

বাসটা হঠাৎ থেমে গেল। রুদ্র তার বাবার বুকেই ঘুমিয়ে পড়েছিল, ব্রেকের হঠাৎ ঝাঁকুনিতে জেগে উঠলো।সামনে একদল কালো মিলিশিয়া দেখা যাচ্ছে,সবাই বলাবলি করে পাকিস্তানী মিলিটারির চেয়েও নাকি ভয়ংকর এরা, সাক্ষাৎ আজরাইল। রাস্তাঘাটে মিলিশিয়াদের বাস থামিয়ে চেক করাটা নতুন কিছু না, তবুও কেন জেন রায়হানের বুকেরে ভেতরটা কেঁপে উঠলো, রুদ্রকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল সে। –আব্বু, বাস থেমে গেল কেন? –বলতে পারছি না বাবা। –মিলিটারী থামিয়েছে? –হ্যাঁ বাবা। –কেন থামিয়েছে? – মনে হয় চেক করবে। –কি চেক করবে আব্বু? –সেটা তো জানি না বাবা। –মিলিটারিগুলো এমন কালো কেন আব্বু? ওরা কি “জয় বাঙলা” খুঁজছে? –শ-শ-শ। এটা বলে না বাবা। ঠোঁটে আঙ্গুল ঠেকিয়ে...

zithromax azithromycin 250 mg

বিবর্তন

ইদানিং সিগারেট বেশ ধরে। অর্ধেক শেষ হতেই মাথাটা ধরে যায়! শরীর টা ছেড়ে দেয় একদম। সিগারেটের ধোঁয়ায় অনুভুতি গুলোও ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে গেছে। গুটি কয়েক বাদে সবাই ব্রেকআপের পর সিগারেটে আসক্ত হয়, আমিও ব্যতিক্রম নই। তবে আমার ব্রেকআপ টা নিজের সাথে । আমি তখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে, আর পাঁচটা সাধারণ ছেলের মতই স্বপ্ন বিলাশী। স্বপ্ন গুলো আকাশ চুম্বী ও অসবাস্তব কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। ২০১৩সাল, দেশ তখন উত্তাল। শাহবাগে গণজোয়ার এসেছে। গণজোয়ার কতটা গণজাগরণের তা আমি বলতে পারব না। তবে এ গণ জোয়ার কিছু স্বপ্নবাজ ছেলে মেয়ের জন্ম দিয়েছিল। তাদের স্বপ্ন আমার মত তথাকথিত স্বাভাবিক ছিল না, আমার মত আত্ম কেন্দ্রিকও...

achat viagra cialis france

এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না…

কি লিখবো ঠিক বুঝতে পারতেছি না। খুব হতাশ হয়েও ভাবি -”না, হতাশ হবো না। আমার হাতের তো কলম আছে। আর এর চাইতে উৎকৃষ্ট অস্ত্র আর হয় না!” কিন্তু পরক্ষনেই আবার মনেহয়, যদি কাল হাতটাই না থাকে! যদি কাল দেহতেই মাথা না থাকে! হ্যাঁ, এমন একটা দেশে আমরা বসবাস করছি, এমন একটা সময় আমরা পার করছি যেখানে এই চিন্তাগুলো অমূলক নয়! কি দোষ ছিল অভিজিৎ রায়ের? যুক্তি দিয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামিটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া? নাকি সে একজন নাস্তিক সেটাই সবচাইতে বড় অপরাধ? যদি তা-ই হয় তাহলে অভিজিতদের হত্যার করার আগে আমাদের সংবিধানকে সংশোধন করতে হবে; যেখানে লেখা আছে “বাংলাদেশ একটি...

can levitra and viagra be taken together

রূপকথার গল্প—বুদ্ধিমান পাদ্রী

বহুকাল আগের কথা। কোন এক দেশের এক প্রত্যন্ত গ্রাম। সেই গ্রামে ছিলেন এক পাদ্রী। গ্রামের একমাত্র গির্জার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপর। গ্রামের সবার সঙ্গেই তার খুব সদ্ভাব ছিল। গ্রামের যে কারো বিপদে আপদে আর কাউকে পাওয়া না গেলেও তাঁকে পাওয়া যেতো। ভালো মানুষ হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল প্রচুর। প্রচণ্ড শীতের এক রাত। বাইরে কনকনে ঠাণ্ডা পড়েছে। পাদ্রী রাতের খাওয়া সেরে ঘুমানোর আয়োজন করছেন। এমন সময় দরজায় বাইরে থেকে নক হল। “এতো রাতে কে এলো আবার?” তিনি দরজা খুলে দেখলেন বারোজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মধ্য থেকে একজন পাদ্রীকে উদ্দেশ্য করে বলল, “আমরা অনেক দূর থেকে আসছি। দয়া করে যদি আজ...

private dermatologist london accutane

“আপ উর্দু নেহি জান্তা !”

ঘটনার প্রাক্কাল ২০১২ সালের প্রথম দিকের। বুকের ভিতর অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছি ইতালির উদ্দেশ্যে । ক্লাশে গিয়ে নিজেকে কিছুটা এলিয়েন লাগত। একদিকে প্রফেসরের লেকচার মাথার ১০ হাত উপর দিয়ে যাইত, অন্যদিকে আমার লাহান কালো চামড়ার পাবলিক আমি একাই। যাই হউক একটু ইন্ট্রোভারট হওয়ায় কিছুটা নিজের মত থাকতাম। একদিন ক্লাশে গিয়ে দেখি আমার লাহান কালো কিন্তু অতটা না একটা ছেলে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে ক্লাশ লেকচার শুনছে। ভাব গতি এমন যে প্রফেসর এর বলার আগে বুঝে ফেলায়। মনে মনে খুব পুলকিত হলাম, বাহ বেশ তো ! তার অবকাঠামোয় আমাকে নিশ্চিত করেছিল, এই মাল আমগোর এলাকার। মনে মনে বললাম, যাক...

আজ অর্চি’র বিয়ে

১. রাত ১০ টা বেজে ৫৯ মিনিটে রজতকে শপিং ব্যাগ হাতে বনশ্রী থেকে আফতাবনগরের দিকে যেতে দেখা গেলো। তার পরনে কালো জিন্স এবং নেভি ব্লু টি-শার্ট। পায়ে বাটার তৈরী কেডস সু। ঢাকা শহরে রাত ১১ টা এমন কিছু রাত নয়। এ সময়েও বিভিন্ন জায়গায় জ্যাম থাকে। কিন্তু এখন রামপুরা ব্রিজ প্রায় ফাঁকা। কয়েকটা রিকশা প্যাসেঞ্জার নিয়ে যাচ্ছে তাদের গন্তব্যে। প্রাইভেট কার প্রায় নেই বললেই চলে। তবে সারাদিন বন্ধ থাকা পণ্যবাহী ট্রাকগুলো রাস্তায় নেমেছে এখন। রজত ধীরেসুস্থে হাঁটছে। যেন কোন তাড়া নেই। হাঁটতে হাঁটতে আফতাবনগরের গেট পিছনে ফেলে আসলো ও। ওর গন্তব্য হল আফতাবনগরের শেষ মাথা। যে কাজে যাচ্ছে তার এখনও...

অপয়া (শুভ্র-শৈল্পী|||)

ক্লাসে ঢুকতেই মেয়েটার দিকে দৃষ্টি গেল আমার। কেমন বিষণ্ণ ভঙ্গীতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে। যেন পৃথিবীর সমস্ত কর্মকান্ডে তার আগ্রহ শেষ। এখন শুধু হারিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা! আর তাতে বাধ সেধে বসে আছে এই বিরাট জানালা! মেয়েটা বরাবরই চুপচাপ। নিজের মত একলা থাকা লোকেদের দলে। নির্ঝঞ্ঝাট। ঝামেলামুক্ত। কারো সাতে কিংবা পাঁচে নেই। ঝগড়া কিংবা আড্ডায় নেই। এমনকি তার উপস্থিতি পর্যন্ত অনেকের কাছে অজানা ছিল বহুদিন। আমি তাকে আগে কখনোই লক্ষ্য করিনি। দরকার হয়নি আসলে। এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি,যাতে তার প্রতি কয়েকজোড়া চোখের দৃষ্টি পড়ে! আর সেই দৃষ্টি আটকে থাকে কিছুটা সময়! কিন্তু সেদিন ভিন্ন ঘটনা ঘটেছিল। এম্নিতে মেয়েটা ক্লাসে নিয়মিত।...

মায়া

তিনি যখন বললেন-আগামী সপ্তাহেতো আমি থাকছি না। এক সপ্তাহের ছুটি নিচ্ছি। আমি রীতিমত হতভম্ভ  হয়ে যাই। আগামী মাসে আমাদের প্রজেক্টের রিলিজ ডেট। প্রজেক্টের রিলিজ নিয়ে গোটা টিমের সবাই এই মুহূর্তে প্রচন্ড ওয়ার্ক লোডে আছি। এমুহূর্তে তার না থাকা মানে আমার উপর আরও খানিকটা বাড়তি প্রেশার। আর যে মানুষটি কিনা গত এক বছরে একটাও ক্যাজুয়াল লিভ নেয় নি , রোদ ঝড় বৃষ্টি এমনকি হরতাল অবরোধেও ঠিক টাইমে অফিসে হাজির হয়েছে সেই লোকের এবার একেবারে এক সপ্তাহের ছুটি। ব্যাপারটা কি  ? -কি ব্যাপার হুজুর? একবারে এত দিনের ছুটি নিচ্ছেন যে … আমার কথা শুনে হুজুর খানিকটা লজ্জা পায়। লজ্জা ঢাকার খানিকটা চেষ্টা...

আমরা

#আমরা -এই শোন! আমি ফিরে তাকালাম। কি অদ্ভুত! তোকে কেমন যেন অন্যরকম লাগছে আজ। সবই আগের মত আছে, গায়ের রঙ শ্যামলা থেকে ধবধবে ফর্সাও হয়ে যায় নি, লম্বায়ও দুয়েক ইঞ্চি বেড়ে যায় নি। হাত দিয়ে কপালের উপর থেকে চুল গুলো সরিয়ে দেখলাম, নাহ শিং টিংয়ের অস্তিত্বও নেই। তবুও কি একটা যেন একটু অন্য রকম। চোখ মুখ ফুটে কেমন অদ্ভুত সুন্দর আভা ফুটে বের হচ্ছে। আভার রঙটা একটু লালচে। সেই আভাতে অদ্ভুত সুন্দর লাগছে তোকে. আচ্ছা আমি তোকে কত দিন ধরে চিনি? এক বছর, দু বছর-চার বছর? কি যেন!! হিসেবটা বড্ড খটমটে, মেলাতে গেলেই গুলিয়ে যায়। ইচ্ছে করেই গুলিয়ে ফেলি, হিসেব...

synthroid drug interactions calcium

একজন আদর্শ শিবিরকর্মী

প্রতিদিনকার মত আজকের সকালেও ঘুম থেইকা উইঠা লুঙ্গির জায়গাই লুঙ্গি না পাইয়া মেজাজে খিচন ধরল গদার। শালার প্রতিদিনই এই অবস্থা, ঘুম ভাঙ্গার পর দেখে লুঙ্গিটা কোমরের বদলে খাটের পাশে পইরা আছে। মনে মনে লুঙ্গির মা-বাপরে গালি গালাজ কইরা তাড়াতারি লুঙ্গিটা পইড়া মোবাইলটা হাতে নিল সে। ফেইসবুকে ঢুইকা দেশের সর্বশেষ অবস্থাটা জানা দরকার, এমনিতেই দেশের অবস্থা ভালা না। ফেইসবুকে ঢুইকাই বাশের কেল্লার পোস্ট খুজা শুরু করল গদা, আজকাল বাশের কেল্লা ছাড়া আর কোথাও সত্য নিউজ বাইর হয় না। সবগুলাই আওয়ামিলীগ সরকারের দালাল হয়ে গেছে। লাখ লাখ আলেম হত্যার ঘটনাই কোন মাদারচুদ একটা কথাও লেখে নাই, সব চুপ কইরা ছিল! অবশ্য ওদেরই...

গার্ডিয়ান সমস্যা

পাবলিক লাইব্রেরি থেকে বের হয়ে হাটছে অনিরুদ্ধ। হঠাৎ তার চোখ গেল আর্টস বিল্ডিংয়ের পাশের রাস্তায়, একা একা হেটে যাচ্ছে ঊষা। প্রতিদিন অনিরুদ্ধ একা থাকলেও ঊষাকে এর আগে কখোনই দেখে নি অনিরুদ্ধ, সানজিদা নামের একটা মেয়ে ওর সাথেই থাকে…অনিরুদ্ধ জানে ঊষা ঢাকায় থাকে মামার বাসায়, মনিপুরীপাড়া। আজ অনিরুদ্ধেরও একটা কাজ আছে ফার্মগেট। ছিঁড়ে গেছে বেল্ট আর চয়ন মামার বার্থডে, অনেকদিন মামার সাথে দেখা হয় না অনিরুদ্ধের। অনিরুদ্ধের ইচ্ছা হলো ফার্মগেট যাবার কারন একটাই… যেহেতু গন্তব্য একই। বেশ কিছুদুর হেটেই বাসে উঠে বসল ঊষা।তারপর সামনের গেট দিয়ে উঠল অনিরুদ্ধ আর রাহাত, রাহাত অনিরুদ্ধের প্রায় সব খুঁটিনাটি জানে। দুর্ভাগ্য অনিরুদ্ধের, ঊষা ওঠার পূর্বে...

missed several doses of synthroid

গল্পটি কাল্পনিক

(এক) গত তিনটি দিন ধরে বেগম জিয়া একই দুঃস্বপ্ন দেখছেন। বড় ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন। দেখার মাঝামাঝিতে তাঁর ঘুম ভেঙ্গে যায়। ভেঙ্গে যায় বল্লে ভুল হবে। প্রবল যাতনা নিয়ে সে জেগে উঠে। ঘামে ভিজে যায় তার দামী স্লিপিং গাউন। সাইড টেবিলি ঢেকে রাখা পানির গ্লাস নিয়ে ঢকঢক করে পানি পান করেন। দুঃস্বপ্ন দেখলে দু’রাকাত নফল নামাজ পড়া ভাল। উনি তাই করেন। উঠে চুলের খোপা ঠিক করে জামা বদলে ওজু করেন। নামাজ শেষে মুনাজাতে কি করে জানি তাঁর ছোট ছেলের জন্য প্রার্থনা চলে আসে, হে পরোয়ার দিগার আমার এই ছোট ছেলের কবরের আযাব তুমি মাফ করে দাও! তিনি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন ভয়াবহ...

viagra en uk

অপারেশন রেড লাইট ( প্রথম পর্ব )

একঃ  ফোনের রিংটোনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো । রাতে রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখতে দেখতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল করিনি । ফোনটা ধরে – হ্যালো !! ওপাশ থেকে, ” হ্যালো !! কমান্ডার আব্দুল্লাহ !! আমি ডিজিএফআই থেকে মেজর জেনারেল শাখাওয়াত বলছিলাম । “ ঘুম ঘুম ভাবটা দূর হয়ে গেলো । – জ্বি স্যার । বলেন । – একটা জরুরী ব্যাপারে কথা ছিলো । আজকে ১১টায় হেডকোয়ার্টারে দেখা করো । – ওকে স্যার । মনে মনে ভাবছিলাম যে কি এমন ব্যাপার হতে পারে যে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স থেকে আমার ডাক পড়লো । একটু পরেই কমান্ডিং অফিসার কর্ণেল আজিজ স্যার ফোন দিলেন । -...

নাম

–স্নিগ্ধা –সুন্দর নাম তো, কে? কেও না, স্রেফ নাম। এর বাইরে আর কোনো পরিচয় নেই। পরিচয় থাকার কথা ছিল কিন্তু কোনো একটা কারনে তা আর হয়ে উঠেনি। স্নিগ্ধা হত বেলি ফুলের মত স্নিগ্ধ। তার জন্য আলাদা বেড শিট কিনতে হবে। বড় বড় বার্বিডল আকা থাকবে তার পুরোটা জুড়ে। কোনোটার মাথায় লাল চুল, কোনোটার সোনালি। কিন্তু স্নিগ্ধার কালো চুলের স্নিগ্ধতা ছাড়ানোর সাধ্য হবে না তাদের। তার জন্য ছোট্ট একটা পালঙ্ক বানাতে হবে। সেটার গায়ে আকা থাকবে আকাশ ভাঙা জ্যোৎস্নার দৃশ্য। ড্রিম লাইটের মৃদ্যু আলোয় চিক চিক করবে সেই জ্যোৎস্না। অবাক চোখে দেখে আধো আধো বুলিতে জিজ্ঞেস করবে সে, -বাবাই, এতা কি?...

JOURNEY…

রিনঝিন শব্দ ভেসে আসছে। চুড়ি, নূপুর অথবা অন্য কিছু। হতে পারে বীণার ঝংকার কিংবা অস্ত্রের সমস্বর সঙ্গীত।হতে পারে সে ধবংসের বাজনা কিংবা সৃষ্টির। হতে পারে সে একতারার টান কিংবা রাইফেলের সেফটি ক্যাচ খোলার শব্দ। বজ্রের গর্জন হতে পারে আবার হতে পারে মেঘমালার নৃত্য।  কিশোরীর তালে-তালে পা ফেলা ঘুঙুরের শব্দ যেমন হতে পারে, তেমনি হতে পারে কমান্ডের তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলা সৈন্যদের মার্চপাস্ট। জন্মের আহ্বান যেমন হতে পারে – মৃত্যুর অার্তনাদও তেমনি হতে পারে। শুধুই শব্দ শুনে তা আর বোঝার কোন উপায় খোলা নেই…।  আচ্ছা বৃষ্টি কি হতে পারে? হয়ত বা। অনেক বছর এই তল্লাটে বৃষ্টি হয়না। একটা প্রজন্ম বড় হয়েছে- সংসার করেছে আবার... glyburide metformin 2.5 500mg tabs

metformin tablet